Author: desk

  • সুজানগরে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুলছাত্রকে অপহরণ,অতঃপর

    সুজানগরে চতুর্থ শ্রেণীর স্কুলছাত্রকে অপহরণ,অতঃপর

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগরে বিদ্যালয়ে যাবার পথে মো.সিফাত হোসেন নামে এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অপহরণের পর স্কুলছাত্র সিফাতকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে প্রায় আধাঘন্টা পরে অপহরণকারীরা উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত একটি ভবনের পিছনে ফেলে রেখে চলে যায়। স্কুলছাত্র সিফাত সুজানগর পৌরসভার ৪০ ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ও পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়নের বাকছিডাঙ্গি গ্রামের মো.আবুল কালামের ছেলে। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় সিসিডিবি অফিসের সামনে । স্কুলছাত্র সিফাত জানান, বৃহস্পতিবার আমি বেলা পৌনে ১১টার দিকে বিদ্যালয়ে যাই। পরবর্তীতে একই বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেণীর শিক্ষার্থী আমার বোনের মেয়ে মোছা.লামিয়া খাতুনের ক্লাস শেষ হওয়ায় বিদ্যালয় থেকে সাথে নিয়ে স্থানীয় জিরো পয়েন্ট মোড়ে বাড়িতে যাবার জন্য লামিয়াকে ভ্যানে পাঠিয়ে আবার বিদ্যালয়ে যাবার পথে সিসিডিবি অফিসের সামনে থেকে একটি কালো মাইক্রোবাসে আমাকে উঠিয়ে নিয়ে যায় অজ্ঞাত কয়েকজন ব্যক্তি। পরবর্তীতে চোখ-মুখ বেঁধে ফেলে এবং একটি চাকু দিয়ে আমার হাতের বিভিন্ন স্থান কেটে রক্তাক্ত করে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় গাড়িতে ঘুরিয়ে উপজেলা পরিষদের পরিত্যক্ত একটি ভবনের পিছনে চোখ খুলে ফেলে রেখে চলে যায়। পরবর্তীতে আমি আমার চাচা সুজানগর বাজারের ব্যবসায়ী আলাউদ্দিনের দোকানে গিয়ে জানাই। তখন চাচা আমাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ঘটনাটি জানার পরপরই ঐ ছাত্রের কাছে ছুটে যান ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক জাহিদুল হাসান রোজ,প্রধান শিক্ষক শাহনাজ বেগম সহ অন্যান্য শিককেরা। পরে থানা পুলিশকে অবগত করলে সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননান তাৎক্ষনিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ ঘটনায় স্কুলছাত্র সিফাতের পিতা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননান জানান, সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে এ ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করছে পুলিশ। এদিকে এ ঘটনার পর সুজানগরের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় অনেকের ধারণা কয়েকটি কারণে এ ধরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তার মধ্যে অন্যতম কয়েকটি কারণ ঐ শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সাথে যদি কারো শত্রুতা থেকে থাকে তাহলে তারা এ ধরণের ঘটনা ঘটাতে পারে, আবার ঐ শিক্ষার্থীকে অপহরণের পর মুক্তিপণ আদায়ের চিন্তা করে পরবর্তীতে ফেলে রেখে চলে যেতে পারে অপহরণকারীরা ,অথবা অনেক সময় অনেকের জরুরী ভিত্তিতে কিডনির দরকার হয় তখন এই কিডনির ব্যবস্থা করার জন্য লোকভাড়া করে বিভিন্ন ব্যক্তি, আর এ কিডনি নিতে হলে এর জন্য প্রথমে দরকার হয় রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের। অপহরণকারী যখন ঐ স্কুলছাত্রকে অপহরণের পর তার শরীর থেকে রক্ত নিয়ে পরীক্ষার পর ঐ শিক্ষার্থীর রক্তের গ্রুপ না মেলায় তখন তাকে ফেলে রেখে যেতে পারে বলেও অনেকের ধারণা।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি

  • নড়াইলের বাদাম বিক্রেতা প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস জীবন সংগ্রামে সৈনিকের নাম

    নড়াইলের বাদাম বিক্রেতা প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস জীবন সংগ্রামে সৈনিকের নাম

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলের বাদাম বিক্রেতা প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস জীবন সংগ্রামে সৈনিকের নাম। জীবন সংগ্রামে এক লড়াকু সৈনিকের নাম প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস (৩১)। দীর্ঘ ১৬টি বছর ধরে তিনি বাদাম বিক্রি করে যাচ্ছেন নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তে। সজীব বিশ্বাস প্রতিবন্ধী তবুও বসে নেই, তিনি বাদামের ডালা গলায় ঝুলিয়ে বাদাম বিক্রি করেই চলেছে দিনের পর দিন। প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস লোহাগড়া পৌরসভার কুন্দশী মালোপাড়া গ্রামের শুবদেব বিশ্বাসের ছেলে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, সজীব বাদামের ডালা গলায় ঝুলিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজ, অফিস চত্বর ও হাট-বাজারে ফেরি করে বাদাম বিক্রি করে যাচ্ছে। প্রতিদিন বাদাম বিক্রি করে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত লাভ হয়। আর ওই লাভের টাকা দিয়েই সন্ধ্যায় চালসহ বাজার করে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে। বর্তমানে সব কিছুর দাম বেশি হওয়ায় বাদাম বিক্রির টাকা দিয়ে মাকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
    বাদাম বিক্রেতা প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস বলেন, জীবন-জীবিকার তাগিদে বাদাম বিক্রি করে আমার সংসার চলছে। রৌদ, ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমি উপজেলার এই প্রান্ত থেকে ওই প্রান্তে ছুটে যায় বাদাম বিক্রির জন্য। অথচ একটুও আরাম-আয়েশের চিন্তা করি না আমি। শুধু সংসারের চিন্তা এটাই যে মাকে নিয়ে একটু সুখে থাকা।
    তিনি আরও বলেন, আমি বাদাম বিক্রি করেই সুখে আছি। আমি এক জন প্রতিবন্দ্ধী। আমি বিবাহ করি নাই। আমি আমার মাকে একটু সুখে রাখার জন্য এ বাদাম বিক্রি করি। আমরা দুই ভাই তিন বোন। তিন বোনকে বিবাহ দেয়া হয়েছে। বড় ভাই পৃথক তার ছেলে-মেযে নিয়ে আলাদা খায়। আমার বড় ভাইও শারিরীকভাবে অসুস্থ। কাজ কর্ম করতে পারে না ছেলে-মেয়ে খুব কষ্টে আছে। আমি সবার ছোট। আমি মাকে নিয়ে এক সংসারে আছি। মাকে নিয়ে এই সংসার টানতেই ১৬ বছর ধরে বাদাম বিক্রি করে যাচ্ছি। এদিকে প্রতি মাসে আমার ও মায়ের প্রচুর টাকার ওষুধ কিনতে হয়।
    বাদাম ক্রেতা প্রসাদ গাইন, বিবেক, বিজয়, লোকমান মোল্যা বলেন, তিনি সারাদিন ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করেও তার চোখে- মুখে এতোটুকু ক্লান্তির ছাপ নেই। বাদাম বিক্রি করার জন্য তাকে বাদাম বাদাম বলে চিৎকার করতে হয় না। ভালো বাদাম বিক্রি করেন তিনি। তাই ক্রেতার অভাব হয় না। আমি প্রতিদিন তার কাছ থেকে বাদাম কিনি। আমার মতো আরও অনেকেই তার কাছ থেকে বাদাম কেনেন।
    ছেলেকে সাহায্য করে কিনা সজীবের মায়ের কাছে জানতে চাইলে তার মা বলেন, আমার ছেলেকে সবসময় সাহায্য করি। আমি বাদাম ভেজে দেই আর আমার ছেলে সজীব বিশ্বাস লোহাগড়া শহরে সারা দিন ঘুরে ঘুরে বাদাম বিক্রি করে। আমরা দুইজনই পরিশ্রম করি একটু সুখে থাকার আশায়। লোহাগড়া বাজার স্বর্নকার বিপুল বলেন, প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে বাদাম বিক্রি করছেন। আমি তার কাছ থেকে প্রতিদিন বাদাম কিনে খাই এবং ছেলে-মেয়েদের জন্য বাড়িতে কিনে নিয়ে যায়। তার বাদাম গুলো খুব ভাল মানের।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • ঝিনাইদহে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায়  মৃতদেহ উদ্ধার

    ঝিনাইদহে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মৃতদেহ উদ্ধার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় ফসিয়ার রহমান (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের হামদহ মোল্লাপাড়া থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ফসিয়ার (বাকপ্রতিবন্ধি ) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ও মোল্লাপাড়া গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।এলাকাবাসী জানায়, সকালে নিজ ঘরে বিছানার উপর গলায় গামছা পেচানো অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার লাশ উদ্ধার করে করে সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।ওসি শেখ মোহাম্মাদ সোহেল রানা জানান, খবর পেয়ে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর হত্যার কারন জানা যাবে।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া বজ্রপাতে শ্বশুর নিহত, জামাই আহত

    ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া বজ্রপাতে শ্বশুর নিহত, জামাই আহত

    মোঃ সেলিম মিয়া ময়মনসিংহ (ফুলবাড়িয়া) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলায় বৃষ্টিপাত ছাড়াই বজ্রপাতে শ্বশুড় আকবর হোসেনের (৬৫) মৃত্যু হয়েছে। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মেয়ের জামাতা আল আমিন (৪০) আহত হয়।

    পরিবার সূত্রে জানায়, গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার রাধাকানাই ইউনিয়নের পলাশতলী দড়িপাড়া গ্রামের মৃত উসমান আলী মুন্সীর ছেলে আকবর হোসেন ও মেয়ের জামাতা আল আমিন বাড়ীর উত্তর পাশে বেগুন ক্ষেতে আগাছা পরিস্কার করছিলেন। হঠাৎ বৃষ্টিপাত ছাড়াই বজ্রপাতে আকবর হোসেনের উপর পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই আকবর হোসেন মারা যান। আহত হন তার মেয়ে জামাতা আল আমিন। আহত আল আমিন কে ফুলবাড়ীয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য আমিনুল এহেসান উজ্জল বলেন: আহত জামাইকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত আকবর হোসেন কে নিজ বাড়িতে জুম্মাবাদ পর পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে পাথরঘাটার নাজমুল হক পিয়াস।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগে পাথরঘাটার নাজমুল হক পিয়াস।

    অমল তালুকদার,পাথরঘাটা,বরগুনা থেকেঃ
    শহীদ মনিরুজ্জামান বাদলের ভাগ্নে নাজমুল হক পিয়াস ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ সম্পাদক হওয়ায় পাথরঘাটা ছাত্রলীগ ও আওয়ামী পরিবারের মাঝে আনন্দ উল্লাস।

    ১৯৯২ সালের ৯জানুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামশুন্নাহার হলের সামনে আততায়ীর বুলেটের আঘাতে তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক থেকে ছাত্রলীগের সভাপতি পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার মূহুর্তে শহীদ হন পিয়াসের মামা মনিরুজ্জামান বাদল।

    পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মরহুম সিরাজুল হক জমাদ্দারের কনিষ্ঠ পুত্র নাজমুল হক পিয়াস কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক হওয়ায় স্থানীয়রা বলছেন যথাযথ মূল্যায়ন করা হয়েছে।

    এই তরুণ ছাত্রলীগ সদস্যের পরিবারে রয়েছে বর্ণঢ্য রাজনৈতিক পরিচয়। পিয়াসের মামা বাগেরহাটের শরণখোলার কৃতি সন্তান শহীদ মনিরুজ্জামান বাদল ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি। নানা মরহুম নাসির উদ্দিন আকন ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। মামা মরহুম কামাল উদ্দিন আকন ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি। মামাতো ভাই রায়হান উদ্দিন শান্ত তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা এবং শরণখোলার বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান।
    অপরদিকে বাবা মরহুম সিরাজুল হক জমাদ্দার আমৃত্যু আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত কর্মী ছিলেন। মা মোসা: জুলেখা আক্তার পুতুল পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।বড় ভাই জহিরুল হক তুষার পাথরঘাটা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহপ্রচার সম্পাদক।মেজ ভাই জিয়াউল হক তিতাস চরদুয়ানী ইউনিয়ন শ্রমিকলীগ এর সভাপতি।বড় বোন রাজিয়া সুলতানা সুমি বরগুনা জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সদস্য। ভগ্নিপতি এডভোকেট জিয়া উদ্দিন হিমু সাবেক শিল্প ও বাণিজ্যিক সম্পাদক বরগুনা জেলা আওয়ামীলীগ। ফুফু জাহানারা জানু চরদুয়ানী ইউনিয়ন মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সহ পিতৃকূল ও মাতৃকূলের প্রায় সকলেই বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামীলীগের রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন এবং আছেন।

    এলাকাবাসী মনে করেন নাজমুল হক পিয়াসকে ছাত্রলীগে সহ-সম্পাদক পদে অধিষ্ঠিত করা সময়োপযোগী হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সম্পাদকসহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে অভিনন্দন জানিয়েছেন স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ।

  • শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মতবিনিময় সভা আগৈলঝাড়া গৈলা ইউনিয়নে

    শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে মতবিনিময় সভা আগৈলঝাড়া গৈলা ইউনিয়নে

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে উপজেলার গৈলা মডেল ইউনিয়নের আওতাধীন সকল পূজা মন্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে গৈলা মডেল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটুর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ড.নিলকান্ত ব্যাপারি, আগৈলঝাড়া থানার উপ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মিজানুর রহমান মিশু, স্বপন চন্দ্র মন্ডল, রনজিত কুমার, নিখিল সমদ্দারসহ গৈলা মডেল ইউনিয়নের ২৬ টি পুজা মন্ডবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি মেম্বার উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় গৈলা মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শফিকুল হোসেন টিটু বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এই শ্লোগানে সামনে রেখে আসন্ন শারদীয় দুর্গা উৎসব উপলক্ষে গৈলা ইউনিয়নের সকল পুজা মন্ডপে আমরা ও থানার সহযোগীতায় কঠোর নিরাপত্তাসহ আইন শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • সাতক্ষীরার তালায় গভীর রাতে প্রতিমা ভাংচুর,পরিদর্শনে প্রশাসন

    সাতক্ষীরার তালায় গভীর রাতে প্রতিমা ভাংচুর,পরিদর্শনে প্রশাসন

    মোঃআজিজুল ইসলাম(ইমরান)
    সাতক্ষীরার তালা উপজেলার জেয়ালা নলতা সাহাপাড়া রাধা গোবিন্দ সার্বজনীন মায়ের মন্দিরের দুর্গা প্রতিমা ভাঙচুর করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার দিবাগত গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে।

    জেয়ালা নলতা সাহাপাড়া রাধা গোবিন্দ সার্বজনীন মায়ের মন্দিরের দুর্গা পুজা পরিচালনা কমিটির সভাপতি অসিত কুমার সাহা জানান, ১৯৭৩ সাল থেকে তাদের মন্দিরে রাধাগোন্দি পূজা ও কালীপুজাসহ দুর্গাপুজা হয়ে আসছে। এক সময় টিনের চাল দিয়ে মন্দিরের চাল নির্মিত হলেও ২০১৮ সালে মন্দিরের ছাদ দেওয়া হয়। তবে মন্দিরটির পূর্ণ সংস্কার করা সম্ভব হয়নি আজো।

    তিনি আরো জানান, গত ২০ আগষ্ট থেকে তাদের মন্দিরের দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়। আশাশুনি উপজেলার বামনডাঙা গ্রামের সুশান্ত ঢালী ১৪ হাজার টাকায় প্রতিমা নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন। শনিবার থেকে প্রতিমায় রং দেওয়ার কথা ছিল। বৃহষ্পতিবার সাপ্তাহিক নামকীর্তণ পরিবেশনা শেষে রাত ১১টার দিকে তিনিসহ এলাকার সকলে বাড়িতে চলে যান। দুর্গা মন্দিরের অংশে কোন তালা লাগানোর ব্যবস্থা নেই।

    শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে গ্রামের মুদি ব্যবসায়ি বলরাম সাহা মন্দিরে প্রণাম করতে এসে নির্মাণাধীন প্রতিমা ভাঙচুর করা দেখে তাকে খবর দেন। তিনি বিষয়টি স্থানীয় খলিলনগর ইউপি চেয়ারম্যান প্রণব ঘোষ বাবলু ও থানাকে অবহিত করেন। ঘটনাস্থলে এসে তিনি লক্ষী প্রতিমার মুন্ডু মাটিতে পড়ে থাকতে দেখেন।

    এ ছাড়া সরস্বতী, কার্তিক, দুর্গা মাথা মুড়িয়ে ও মহিষাশুরের হাত, গণেশের হাত, সরস্বতীর হাত মুড়িয়ে ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। খবর পেয়ে সাংসদ এড. মুস্তফা লুৎফুল¬াহ, সাতক্ষীরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজীব খান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস, উপজেলা চেয়ারম্যান ঘোষ সনৎ কুমার ও থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহাদ ফকরুল আলম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন। তারা যে কোন মূল্যে পুজা শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।

    তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু জিহা ফকরুল আলম খান শুক্রবার দুপুরে সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর। তবে যেভাবে ভাঙা হয়েছে তাতে মনে হয়েছে পরিকল্পিত। তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুক্রবার বিকেল তিনটা পর্যন্ত এ নিয়ে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি।

    তালা-কলারোয়া-১ আসনের সাংসদ এড. মুস্তফা লুৎফুল¬াহ বলেন, এটি কোন সংঘবদ্ধ চক্রের কাজ নয়। এ ব্যাপারে তিনি ওই মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে পৃথক ভাবে বসেছেন। তারা কাউকে দায়ী করেনি। তবে মন্দিরের ছাদে রাত দেড়টা থেকে দুটো পর্যন্ত যুবকরা থাকার পর চলে যায়। সেক্ষেত্রে রাত দুটোর পর থেকে ভোর ৫টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটতে পারে।

    পুলিশের পাশাপাশি র‌্যাব ও পিবিআই তদন্ত করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত যেই হোক না কেন তাকে গ্রেপ্তারের জন্য বলা হয়েছে। ওই মন্দিরের পুজা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে প্রয়োজনে তিনি দুই থেকে তিন দিন সেখানে যাবেন। তাদের পুজার জন্য সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

  • গোদাগাড়ীর কৃষক সেন্টু মহিষ ধরে নিয়ে  নিলামে বিক্রির অভিযোগ

    গোদাগাড়ীর কৃষক সেন্টু মহিষ ধরে নিয়ে নিলামে বিক্রির অভিযোগ

    হায়দার আলী।
    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী।। পদ্মায় ভেসে যাওয়া এক কৃষকের মহিষ ধরে সেগুলো নিলামে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মো. সেন্টু নামের এক কৃষক দাবি করেছেন, তার হারিয়ে যাওয়া ১৬ টি মহিষ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা উদ্ধার করেছেন।

    পরে কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে ১৫টি। তার দাবি অগ্রাহ্য করে এই ১৫টি মহিষ পরে কাস্টমস প্রকাশ্যে নিলামে বিক্রি করেছে। অবশ্য নিলাম থেকে সেন্টুই ওই মহিষগুলো আবার কিনেছেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে সেন্টু যখন মহিষগুলো বাড়ি নিয়ে যান তখন বাড়ি থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরেই মহিষগুলোকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় একা একাই মহিষগুলো বাড়ি চলে যায়। তখন বাড়ির নারীরা কান্না শুরু করেন। আশপাশের লোকজন মহিষগুলো দেখতে এসে জানান, এগুলো সেন্টুরই মহিষ। এগুলোই হারিয়ে গিয়েছিল বলে দাবি তাদের। সেন্টুর বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার নীলবোনা গ্রামে। তিনি জানান, পদ্মার চরে বাথানে রেখে তিনি মহিষ পালন করেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর রাতে ওই বাথান থেকেই নদীতে নেমে যায় তার ১৬টি মহিষ। পরে ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বর বিজিবি মহিষগুলো উদ্ধার করে। অথচ এই মহিষ যে তার সেটি বিজিবির কাছেও হিসাব আছে বলে জানিয়েছেন সেন্টু।

    তিনি জানান, সীমান্ত এলাকা বলে কার বাড়িতে কয়টি গরু-মহিষ আছে তার হিসাব রাখে বিজিবি। দুটি খাতায় তা লিখে রাখা হয়। একটি খাতা থাকে মালিকের কাছে, অন্যটি বিজিবির স্থানীয় ক্যাম্পে। গরু-মহিষের হিসাব ক্যাম্প কমান্ডার লিখে রাখেন তার স্বাক্ষরসহ। তার খাতার ক্রমিক নম্বর-২৯। এই খাতায় তার ২১টি মহিষ থাকার হিসাব আছে। ৮ সেপ্টেম্বর যখন তিনি দেখেন ১৬টি মহিষ হারিয়ে গেছে, তখন বিজিবি ক্যাম্পকে অবহিত করেই খুঁজতে বেরিয়েছিলেন।

    এ ব্যাপারে গোদাগাড়ীর প্রেমতলী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগও করেছিলেন। ৮ সেপ্টেম্বর খবর পান, রাজশাহীর চারঘাটের ইউসুফপুর বিজিবি ক্যাম্প কিছু মহিষ উদ্ধার করেছে। তিনি সেখানে গিয়ে মালিকানা দাবি করেন; কিন্তু তা আমলে নেওয়া হয়নি। একই দিন দুপুরে বাঘার আলাইপুর বিজিবি ক্যাম্পে আরও কিছু মহিষ উদ্ধারের খবর পান। তিনি সেখানেও যান। কিন্তু দুই ক্যাম্প থেকেই তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হয় বলে কৃষক সেন্টু জানিয়েছেন।

    তিনি আরও জানান, বিজিবির দুই ক্যাম্প থেকে মহিষগুলো বিজিবির ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে নেওয়া হয়। এরপর নিলামে বিক্রির জন্য বিজিবি সেগুলো কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের গুদামে পাঠায়। সেন্টু সেখানে গিয়েও মহিষগুলোর মালিকানা দাবি করে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন জানান। মহিষগুলো যে তার সে ব্যাপারে এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল প্রত্যয়নও দেন। এরপর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি তদন্ত শেষে মতামত দেয়- এই মহিষ সেন্টুর নয়।

    তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন কাস্টমসের যুগ্ম কমিশনার হাসনাইন মাহমুদ। সদস্য সচিব সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা শাহাফুল ইসলাম। সদস্য ছিলেন বিজিবির রাজশাহীর সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার কৌশিক আহমেদ এবং কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা ছাবেদুর রহমান। হাসনাইন মাহমুদ ও কৌশিক আহমেদের উপস্থিতিতে বুধবার বিকালে রাজশাহী মহানগরীর দাসপুকুরে শুল্ক গুদামে ১৫টি মহিষের প্রকাশ্যে নিলাম শুরু হয়। সেদিন ৮টি মহিষ নিলাম দিয়ে কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

    পরে বুধবার দুপুরে আবার ৭টি মহিষ নিলামে বিক্রি করা হয়। প্রথম দিন যারা মহিষগুলো কিনেছিলেন তাদের কিছু টাকা লাভ দিয়ে আবার সেগুলো কিনে নেন সেন্টু। দ্বিতীয় দিন তিনি নিজেই নিলামে অংশ নিয়ে মহিষ কেনেন। মোট ১৫টি মহিষ কিনতে সেন্টুকে গুণতে হয় সাড়ে ১৩ লাখ টাকা। এসব টাকা তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হলেন বলে দাবি করেছেন। এছাড়া একটি মহিষ উদ্ধার করা হলেও নিলাম দেওয়া হয়নি বলে তিনি অভিযোগ তুলেছেন। মহিষগুলির ব্যপারে

    গোদাগাড়ী উপজেলা আইন শৃঙ্খলা সভায় কথা উঠেছিল, কৃষকে তার মহিষ ফিরিয়ে দেয়ার ব্যপারে কি করা যায়, আইনগত কি প্রক্রিয়া আছে সে ব্যপারে আলোচনা হয়।

    তবে কৃষক সেন্টুর বাড়িতে পালা মহিষ নিলাম করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কার্যালয়ের রাজশাহীর যুগ্ম কমিশনার এবং তদন্ত কমিটি ও নিলাম কমিটির আহ্বায়ক হাসনাইন মাহমুদ। তিনি বলেন, সুজন আলী নামের আরও এক ব্যক্তি সাতটি মহিষের মালিকানা দাবি করেছিলেন। তাই তদন্ত কমিটি করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে মহিষগুলো দুজনের কারও নয়। তাই নিলামে বিক্রি করা হয়।

    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় অটো ভ্যানের দুই যাত্রী নিহত”আহত-৩

    জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় অটো ভ্যানের দুই যাত্রী নিহত”আহত-৩

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট কালাই উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় অটো ভ্যানের যাত্রী থটনার স্থানেই নিহত হয়েছে। নানা নাতী এঘটনায় আরো ৩ জন যাত্রী আহত হয়েছে। শুক্রবার সুন্ধায় ৬ টার দিকে কালাই উপজলার পাঁচশিরা-মালামগাড়ী সড়কের মহিরুম এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহতরা হলেন,কালাই উপজলার পুনট ইউনিয়নের শিকটা উত্তরপাড়া গ্রামের নানা মৃত্য অছির উদ্দিনের ছলে নজরুল ইসলাম (৬৫) এবং নাতী একই গ্রামর মাহমুদুল হাসানের ছলে শাকিব হাসান (৫)।

    কালাই থানার অফিসার (ওসি) মঈনুদ্দীন ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত জানান, নিহতরা শুক্রবার সন্ধ্যায় ব্যাটারী চালিত একটি অটোভ্যান যোগে মালামগাড়ীহাট থেকে তাদের নিজ বাড়ী শিকটা গ্রামর যাছিলন। পথে উপজলার মহিরুম গ্রাম এলাকায় কালাইয়ের দিক থেকে একটি ট্রাকের সাথে ব্যাটারী চালিত অটাভ্যানেটলর মুখামুখি সংঘর্ষ ঘটলে ঘটনার স্থলেই ভ্যানে থাকা যাত্রী নানা-নাতী নিহত হয়।

    তবে দুর্ঘটনার পর ট্রাক আটক করা হলেও চালক ও হেলপার ঘটনার স্থল থেকে পালিয়ে যায়। চালক কে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও ওসি জানান৷

  • গৌরীপুরে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে  প উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যাপক প্রস্তুতি

    গৌরীপুরে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে প উপজেলা আওয়ামী লীগের ব্যাপক প্রস্তুতি

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
    সারাদেশের ন্যায় এবার ব্যাপক আয়োজনে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৫তম জন্মদিন উদযাপন করবে গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে ক্ষমতাসীন দলটির উপজেলা পর্যায়ে ও তৃণমূল পর্যায়ে আনন্দ শোভাযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দের আয়োজনে আওয়ামী লীগের মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলে সভায় এসব কর্মসূচি নেওয়া হয়।

    সভায় গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি নিলুফার আনজুম পপি সভাপত্বি করেন।সভা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ শাহা বলেন, ‘আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর (বুধবার) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার জন্মদিন। সারা দেশে উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে দলীয়ভাবে তার জন্মদিন উদযাপন করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসুচীর অংশ হিসাবে গৌরীপুর উপজেলার মসজিদে দোয়া এবং মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হবে। এছাড়াও উপজেলার প্রতিটি এতিমখানার এতিম শিশু সহ দুঃস্থদের মধ্যে খাদ্য বিতরণ, অসচ্ছল পরিবারের ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে আর্থিক সহায়তা এবং শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আনন্দ শোভাযাত্রা করা হবে। সহযোগী সংগঠনগুলো নেতৃবৃন্দকেও আনন্দ শোভাযাত্রা করার আহবান জানিয়েছেন সোমনাথ সাহা। বিকালে‘নবীণদের দৃষ্টিতে শেখ হাসিনা শীর্ষক’ এক আলোচনা সভার আয়োজন করবে উপজেলা আওয়ামী লীগ । এছাড়া, দলের শিক্ষা উপকমিটি গৌরীপুর উপজেলা বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এসময় সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা’র সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গৌরীপুর আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দীন আহমেদ এম.পি। এসময় উপস্থিত গৌরীপুর উপজেলার সকল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারন সম্পাদকসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা আওয়ামী লীগ সভানেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন ব্যাপকভাবে উদযাপন উপলক্ষে কর্মসূচি গুলো পালন করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

    উল্ল্যেখ্য-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
    স্বাধীন বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার জ্যেষ্ঠ সন্তান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি তিনি।

    চার দশক ধরে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে দীর্ঘ ২১ বছর পর আবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে আওয়ামী লীগ।

    বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা এখন চতুর্থ দফায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ২০০৯ সাল থেকে টানা তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জাতিসংঘের ঘোষণা অনুযায়ী বিশ্বের দ্বিতীয় সেরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে,এছাড়াও মাদার অব হিউম্যানিটি সহ বিভিন্ন উপাধি অর্জন করেছেন তিনি। দেশের ইতিহাসে এমন রেকর্ড আর কারও নেই।