Blog

  • ফুলবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীর উপর হা-মলার অভিযোগে সংবাদ সন্মেলন

    ফুলবাড়িয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীর উপর হা-মলার অভিযোগে সংবাদ সন্মেলন

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচার প্রচারণাকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী জসিম উদ্দিনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা, হুমকি ও নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার (৬ফেব্রুয়ারী) উপজেলার বালিয়ান ইউনিয়নের মোহাম্মদ নগরে ঘোড়া মার্কার নির্বাচনী কর্মী আশিকুল ইসলামের উপর জানায়াত মনোনীত প্রার্থীর ইন্ধনে তার কর্মীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হ ত্যা চেষ্টায় এই নির্মম হা মলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থীর। তিনি জানান-হামলায় আহত আশিককে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    এ ব্যাপারে শুক্রবার রাত ৯ টায় সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক জসিম উদ্দিন জানান, তিনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ‘হরিণ’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গত ২২ জানুয়ারি থেকে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হওয়ার পর থেকেই জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মু কামরুল হাসান মিলনের কর্মী-সমর্থকরা তার কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্ন হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। সব শেষ শুক্রবার প্রচারণাকালে আশিকের উপর হামলা করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়েছে।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও অভিযোগ করেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে তার কর্মী-সমর্থকদের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে, ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হচ্ছে এবং প্রচারণার কাজে ব্যবহৃত মাইক ও অটোরিকশা বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এতে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

    অধ্যাপক জসিম উদ্দিন বলেন, ‘এই পরিস্থিতিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী উন্মুক্ত থাকলে ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব হবে না।’

    মোহাম্মদ নগরে হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি হামলা ও সহিংসতার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অভিযুক্তদের গ্রেফতার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং একই সাথে তার নিজ কর্মী সমর্থকদের উত্তেজিত না হওয়ার আহবান জানান। তিনি সবাইকে শান্ত থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেন- আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী, প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এদিকে ময়মনসিংহ–৬ ফুলবাড়ীয়া আসনের স্বতন্ত্র সংসদ প্রার্থী অধ্যাপক জসিম উদ্দিনের নির্বাচনী কর্মী আশিকুর রহমানের উপর হা/ম/লা/র প্রতিবাদে শুক্রবার রাতে উপজেলা শহরে ঘোড়া মার্কার সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল করেছে উপজেলার প্রতিবাদী জনতা।

  • ফুলবাড়িয়ায়  দুই প্রার্থীর সমর্থকদের তুমুল সংঘ-র্ষ- জনমনে আত-ঙ্ক

    ফুলবাড়িয়ায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের তুমুল সংঘ-র্ষ- জনমনে আত-ঙ্ক

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টা-পাল্টি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পক্ষের ১জন আহত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা গেছে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার বালিয়ান ইউনিয়নের মোহাম্মদ নগর বাজার এলাকায় প্রথমে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী আশিকের উপর হামলা চালালে তাকে আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয় এবং পরে এই ঘটনার জেড় হিসাবে রাত সাড়ে নয়টায় ১১ দলীয় জোট সমর্থিত জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ কামরুল হাসান মিলনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রচার গাড়ীতে হামলা চালিয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা।

    অভিযোগ উঠেছে- জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের গাড়ীতে থাকা প্রচারকারী ও চালককে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়। প্রচারকারী মাহমুদুল হাসান এবং চালক জাবের জানায়, ভালুকজান ব্রীজের কাছে প্রচারকাজ চলাকালে হঠাৎ কিছু লোক এসে এলোপাতাড়ি গাড়ীতে আঘাত শুরু করে দরজা দিয়ে আ’ক্রমণের জন্য তেড়ে আসে এবং গালাগালি করে হুমকি প্রদান করে।

    প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বালিয়ান ইউনিয়নে মোহাম্নদ নগর বাজার এলাকায় ঘোড়া মার্কার নির্বাচনী প্রচারণাকালে ঘোড়া প্রতীকের কর্মী আশিকুল ইসলামকে হ ত্যা চেষ্টায় নির্মমভাবে হামলা চালায় জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর সমর্থকরা। পরে গুরুত্বর আহত অবস্থায় আশিককে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক জসিম উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনের পর রাতে আশিকের উপর হামলাকারীদের বিচার দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী সমর্থকরা। এসময় জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর দাড়িপাল্লা প্রতীকের একটি প্রচার গাড়ী সামনে পড়লে বিক্ষোভকারীরা সেই প্রচার গাড়ীতে হামলা চালায় এবং প্রচারকারী ও চালককে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করে। এসময় তারা নিজ প্রতীকের স্লোগান দিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনায় দুই পক্ষের কর্মী সমর্থকদের মাঝে চরম উত্তেজনা বিরাজ করে। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহীনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    ঘোড়া প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক জসিম উদ্দিনের অভিযোগ, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মুঃ কামরুল হাসান মিলনের সমর্থকরা তাদের নির্বাচনী প্রচারণাকালে কর্মীদের হুমকি ধমকি দেওয়া সহ কর্মীদের হামলা চালাচ্ছে। তারা নির্বাচনী আচরণ বিধি মানছেনা, নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশকে অশান্ত করে তুলছে। তিনি জানিয়েছেন-ঘোড়া মার্কার নির্বাচনী কর্মী আশিকুল ইসলামের উপর বালিয়ানে দাঁড়িপাল্লার স/ন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদে ★তাৎক্ষণিক বিশাল প্রতিবাদ মিছিল,★জরুরি সাংবাদিক সম্মেলন★সহকারি রিটার্নিং অফিসার বরাবর অভিযোগ★সেনা ক্যাম্পে অভিযোগ★থানায় অভিযোগ ও মামলা দায়ের করা হয়েছে। জসিম উদ্দিন বলেন-আমরা আইনের শাসনে বিশ্বাসী। অপরাধ করে কেউ পাড় পাবে না। অবাধ নির্বাচনে জসিম প্রফেসরের ঘোড়া মার্কার বিজয় নিশ্চিত হবে। অপপ্রচার চালিয়ে, হামলা করে ঘোড়া মার্কার গণজোয়ারকে ঠেকানো যাবেনা বলেও জানান অধ্যাপক জসিম উদ্দিন।

    অন্যদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও উপজেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ফজলুল হক শামীম বলেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকরাই আমাদের দলীয় প্রার্থী ও কর্মীদের উপর মিথ্যাচার চালাচ্ছে ।” তিনি দাবি করেন, নির্বাচনী মাঠে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীর অবস্থান শক্ত হওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাদের উপর ষড়যন্ত্র করছে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও তার কর্মী সমর্থকরা।

  • সুন্দরবন রক্ষায় প্লাস্টিক–পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    সুন্দরবন রক্ষায় প্লাস্টিক–পলিথিন দূষণ প্রতিরোধে শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

    নেছারাবাদ প্রতিনিধি,পিরোজপুর।

    সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা এবং বনাঞ্চলের নাজুক পরিবেশকে প্লাস্টিক–পলিথিন দূষণের ভয়াবহতা থেকে বাঁচাতে নেছারাবাদে বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে শিখন ও অভিজ্ঞতা বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলা তৃনা কমিউনি সেন্টারে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তর এর আয়োজনে এ গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন ইয়ুথ ফর দ্য সুন্দরবন নেছারাবাদ উপজেলা শাখার আহ্বায়ক সুর্বনা আক্তার। মো. হারিসুল ইসলামের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, রূপান্তর পিরোজপুর জেলা প্রজেক্ট অফিসার শাহিদা বানু সোনিয়া, নেছারাবাদ উপজেলা সুন্দরবন জার্নালিস্ট ফোরামের আহ্বায়ক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। ধিরেন হালদার অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক, ফাহিমা আক্তার সহকারী শিক্ষক ২১নং স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,রফিক ট্যুর অপারেটর,এছাড়াও
    এ সময় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন এবং ইয়ুথ ফর দ্য সুন্দরবন সদস্যরা সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। বক্তারা বলেন, প্লাস্টিক ও পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সুন্দরবনের নদী, খাল, চরাঞ্চল ও বন্যপ্রাণীর জীবনকে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। পলিথিন সরাসরি বন্যপ্রাণীর খাদ্যগ্রহণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং নদীর পানি দূষিত হয়ে মাছসহ জলজ সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে।

    বক্তারা আরও বলেন, সুন্দরবনের সঙ্গে জড়িত বনজীবিরাই পরিবেশ রক্ষার প্রথম সারির সৈনিক। তাদের সচেতনতা ও অভিজ্ঞতা মাঠপর্যায়ে প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে বড় ভূমিকা পালন করতে পারে। সভায় অংশগ্রহণকারীরা সুন্দরবনকে প্লাস্টিকমুক্ত রাখতে স্থানীয়ভাবে কঠোর নজরদারি, বর্জ্য কমানোর উদ্যোগ ও বিকল্প ব্যবহার প্রচারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    সভা শেষে বনজীবিদের সক্রিয় অংশগ্রহণে স্থানীয় পর্যায়ে প্লাস্টিক–পলিথিন বর্জ্য হ্রাসে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    আনোয়ার হোসেন ।।
    প্রতিনিধি নেছারাবাদ,পিরোজপুর।

  • ঝিনাইদহ-১ দলীয় প্রতীক ‘কাঁচি’ ব্যালটে নামের পাশে প্রতীক এসেছে ‘কাস্তে’

    ঝিনাইদহ-১ দলীয় প্রতীক ‘কাঁচি’ ব্যালটে নামের পাশে প্রতীক এসেছে ‘কাস্তে’

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি
    ঝিনাইদহ-১ আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন মোঃ সহিদুল এনাম পল্লব মিয়া। যাচাই-বাছাই শেষে গত ২১ জানুয়ারি বৈধ প্রার্থী হিসেবে জেলা রিটানিং কর্মকর্তা তাকে দলীয় প্রতীক ‘কাঁচি’ বরাদ্দ দিয়েছেন। কিন্তু এই আসনের পোস্টাল ব্যালটে তার নামের পাশে প্রতীক এসেছে ‘কাস্তে’।

    ঝিনাইদহ-১ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেন ৪ হাজার ৬০ জন। বিএনপি, জামায়াতা, জাতীয়পার্টি, এবি পার্টি ও বাংলাদেশের সমাজতান্তিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থীসহ মোট ৫জন প্রার্থী এই আসনে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইতোমধ্যে আবেদনকারীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। অনেকেই ভোট দিয়ে ব্যালট পেপার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে দায়িত্বে অবহেলা নাকি মূদ্রণজনিত ভুলে এমন হয়েছে? প্রশ্ন দেখা দিয়েছে এই আসনে পাঠিয়ে দেওয়া পোস্টাল ব্যালট পেপার কি করা হবে।

    মোঃ সহিদুল এনাম পল্লব মিয়া বলেন, দেশের বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত রয়েছেন যারা ঝিনাইদহ-১ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন এমন কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে জানান পোস্টাল ব্যালটে আমার নামের পাশে কাঁচি প্রতীকের পরিবর্তে কাস্তে প্রতীক এসেছে। এটা তাদের দায়িত্বে অবহেলা না ভুল বুঝতে পারছি না। আমি বিষয়টি নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তারা কি ব্যবস্থা নেয় দেখি।
    তিনি বলেন, অনেকেই ইতোমধ্যে ভোট দিয়ে ব্যালট পেপার ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। এই আসনের সব ব্যালট পেপার বাতিল করে নতুন করে আবার না পাঠালে সমস্যার সমাধান হবে না। নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে প্রয়োজনে আইনী ব্যবস্থা নেব।ঝিনাইদহ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। এটা মূদ্রণ জনিত সমস্যা না কি কারণে হয়েছে বুঝতে পারছিনা। তবে ইতোমধ্যে পাঠিয়ে দেওয়া ব্যালট পেপারগুলি নিষ্কৃয় করা হবে। এগুলো বাতিল করে নতুন ব্যালট পাঠানো হবে।

    তবে এই আসনে বেশ কিছু প্রবাসী পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেন। তারা ইতোমধ্যে ব্যালট পেপার হাতে পেয়ে ভোট দিয়ে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন। তাদের কাছে এই আসনের সংশোধিত ব্যালট পেপার পাঠানো সম্ভব হবে কিনা বা ভোট প্রদান করে তাদের পাঠানো ব্যালট পেপার নির্বাচন কমিশনের হাতে সঠিক সময়ে আসবে কিনা এমন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই প্রশ্নে রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আমরা বিষয়টি জানিয়েছি। ভোটের এখনো বাকি আছে, আমরা এর মধ্যে করে ফেলতে পারবো।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • পঞ্চগড়ে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি মহাপরিচালক

    পঞ্চগড়ে নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিজিবি মহাপরিচালক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মতবিনিময় সভা করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।

    বৃহস্পতিবার দুপুরে তেঁতুলিয়া উপজেলার সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্থাপিত অস্থায়ী বিজিবি ক্যাম্পে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    সভায় বিজিবির রিজিওন কমান্ডার, পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামসহ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব ও আনসারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    মতবিনিময় সভায় বিজিবি মহাপরিচালক বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বিজিবি একটি পেশাদার, শৃঙ্খলাবদ্ধ এবং রাজনৈতিকভাবে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাহিনী হিসেবে অর্পিত সব দায়িত্ব পালনে প্রস্তুত রয়েছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করা হবে।

    তিনি জানান, দেশের চার হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত নিরাপদ রেখে সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টিতে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। এ ছাড়া ৩০০টি সংসদীয় আসনে ঝুঁকি বিবেচনায় বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে।

    নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনের জন্য বিজিবি সদস্যদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ, বিশেষ ব্রিফিং, আচরণবিধি ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় অনুশীলন সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানান মহাপরিচালক। ভোটকেন্দ্র, ব্যালট, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুইক রেসপন্স ফোর্স, র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম, কে-৯ ডগ স্কোয়াড, ড্রোন ও বডি অন ক্যামেরা ব্যবহারের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

    মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আরও বলেন, পঞ্চগড় একটি গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত ও পর্যটন জেলা। সীমান্তে চোরাচালান, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাদক ও অস্ত্র পাচার প্রতিরোধে বিজিবি অতিরিক্ত সতর্কতা ও তৎপরতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে।

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সরকার, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে বিজিবি মহাপরিচালক হেলিকপ্টারে তেঁতুলিয়া পাইলট সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করেন। পরে তিনি সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্থাপিত বেস ক্যাম্প পরিদর্শন ও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন

  • ময়মনসিংহে জাপা থেকে প-দত্যাগ করে জামায়াতে যোগ দিলেন রওশন পন্থী নেতা সেলিম

    ময়মনসিংহে জাপা থেকে প-দত্যাগ করে জামায়াতে যোগ দিলেন রওশন পন্থী নেতা সেলিম

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে জাতীয় পার্টি (জাপা) থেকে পদত্যাগ করে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন জাতীয় পার্টি রওশন এরশাদ গ্রুপের ময়মনসিংহ মহানগর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আউয়াল সেলিম। জাপা থেকে জনপ্রিয় ও জনাবান্ধব এই নেতার জামায়াতে ইসলামীতে তার কর্মী সমর্থকদের নিয়ে যোগদান করায় পাল্টে যাচ্ছে ১২ফেব্রুয়ারী ভোটের হিসাব নিকাশ। জামায়াতের ভোট ব্যাংকে যোগ হচ্ছে জাপা রওশন সমর্থিত নেতাকর্মীদের ভোট। এতে জামায়াতের প্রার্থীর ভোট বিপ্লবের আলোচনা চলছে সর্বমহলে।

    বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারী ) দুপুরে মহানগর জাতীয় পার্টির নেতা ও বেগম রওশন এরশাদের মুখপাত্র আব্দুল আউয়াল সেলিম জামায়াতের সহযোগী সদস্য ফরম পূরণের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে দলে যোগ দেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির শুরা সদস্য, ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের আমির ও ময়মনসিংহ-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক ও ময়মনসিংহ সদরের সাবেক এমপি বিরোধী নেতার মুখপাত্র আব্দুল আউয়াল সেলিম
    জামায়াতের সদস্য ফরম জমা দিয়েছেন। তিনি ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় পার্টির বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনে নেতৃত্ব দেওয়াসহ দীর্ঘদিন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক হিসাবে জাপার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে গত ৫আগস্টে জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের পর রাজনীতির পালাবদলে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। তার বিরুদ্ধে জুলাই যোদ্ধা সাগর হত্যা মামলা হওয়ায় তিনি কিছুদিন জেল হাজতে ছিলেন। আগে তিনি জাতীয় পার্টি করলেও জামায়াতে ইসলামীর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জামায়াতের রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন।

    জামায়াতে যোগদানের পর জাতীয় পার্টির থেকে পদত্যাগী নেতা আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন- আলহামদুলিল্লাহ, আজ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলে যোগদান করে নিজেকে গর্বিত করলাম। দোয়া করবেন সকলে,আমি যেন জামায়াতের আদর্শকে বুকে ধারণা আগামীতে পথ চলতে পারি এবং জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করে এগিয়ে নিতে পারি।

    এ বিষয়ে আব্দুল আউয়াল সেলিম বলেন, ‘জাতীয় পার্টি এখন স্বাধীনভাবে চলতে পারছে না। আমরা পল্লী বন্ধুর আদর্শের অনুসরণ করে যে জাতীয় পার্টি করতাম সেই জাতীয় পার্টি আর মেই , বর্তমান জাপা আগের জাপা নয়। তিনি বলেন-জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লী বন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর আমাদের ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান, ময়মনসিংহবাসীর গর্ব ও অহংকার বেগম রওশন এমপির স্নেহ মমতায় জাতীয় পার্টিতে শ্রম দিয়েছি কারণ তিনি আমাদের অনেক স্নেহ করতেন, আমাদের এই জেলার সন্তান, তিনি আমাকে আদর স্নেহে তিলে তিলে গড়ে তুলে ময়মনসিংহের জাপার রাজনীতিতে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন এজন্য উনার প্রতি আমি চির কৃতজ্ঞ। তিনি বলেন আমি ১৯৮৪ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা ছিলাম,
    ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে জাপার রাজনীতিতে এসেছিলাম। বেগম রওশন এরশাদ মহোদয় আমাকে আদর করে- স্নেহ করে-বিশ্বাস করে দীর্ঘদিন তিনি আমাকে তার মুখপাত্র হিসাবে দায়িত্বে রেখেছেন এজন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। জাতীয় পার্টিতে থাকাবস্থায় জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করেছি তবুও দল ত্যাগ করিনি আমাদের প্রিয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ ও আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের আদর্শ ও সততা ও কর্মীবান্ধবতায় মুগ্ধ হয়ে। আর বর্তমানে জাতীয় পার্টি আগের সেই অবস্থানে নেই বলেই আব্দুল আওয়াল সেলিম জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেন-জামায়াতের কার্যক্রম ও সংগঠন ভালো লেগেছে। আমি কোনো পদ-পদবি চাইনি, শুধু সহযোগী সদস্য হিসেবে আছি। বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগের প্রতি আগে থেকেই অনীহা ছিল। তাদের রাজনীতি আমার পছন্দ নয়। গত ৫ আগস্টের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিহত সাগর হত্যা কান্ডের সাথে আমার কোন সম্পৃক্ততা না থাকা সত্বেও একটি দলের রাজনৈতিক চক্রান্তে আমি আসামী হয়ে দীর্ঘ দিন জেল খেটেছি। আমি অসুস্থ মানুষ, এরপরেও আমাকে মিথ্যা বানোয়াট একটি মামলায় আসামী করায় আমি হত্যা মামলায় জেল হাজতে গিয়ে নির্যাতনের শিকার হয়ে আরও বেশী অসুস্থ পড়েছি। তাই সবদিক চিন্তাভাবনা করে আমি আমার প্রিয় মানুষ জামায়াত নেতা কামরুল আহসান এমরুলের মাধ্যমে দলে যোগ দিয়েছি।

    জামায়াতে ইসলামীর ময়মনসিংহ মহানগর শাখার আমির ও ময়মনসিংহ-৪,আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, আব্দুল আউয়াল সেলিম সদস্য হয়েছেন,বৃহস্পতিবার দুপুরে আমি তার কেওয়াট খালীস্থ বাসায় গিয়ে জাপার পদ থেকে পদত্যাগ পত্র পেয়েই যোগদান কার্যক্রম সম্পন্ন করেছি।

    আব্দুল আউয়াল সেলিম দীর্ঘদিন সদরের সাবেক এমপি ও বিরোধী দলীয় নেতা নেগম রওশন এরশাদ এমপির বিশ্বাস্ত আস্থাভাজন হিসাবে তার মুখপাত্র হিসাবে দায়িত্বে থেকে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে প্রতিটি ও সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রামগুলোতে তার ব্যাপক যোগ্যতা রয়েছে। ময়মনসিংহ সদরে রওশন এরশাদ এমপি থাকলেও তিনি ময়মনসিংহে আসতে পারেননি,ফলে আব্দুল আউয়াল সেলিম দীর্ঘদিন এমপির প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কাজ,জনসেবা, গরীব অসহায় মানুষকে সহযোগীতা দেওয়ায় তার রয়েছে নিজস্ব ভোট ব্যাংক। জামায়াতে ইসলামীতে তার যোগদানে সেই ভোট গুলোকে জামায়াতের কব্জায় আনতে পারবেন এবং এতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী সেলিমের কারিশমায় জামায়াতে ইসলামীর ভোট বিপ্লব ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা করছেন ময়মনসিংহের রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। জামায়াত ইসলামীতে যোগ দিয়ে আব্দুল আউয়াল সেলিম যুগ উপযোগী ও সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমন মন্তব্য করছেন বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা। তার যোগদানে জামায়াতে ইসলামী একজন জনবান্ধব ও জনতার নেতাকে হাতে পেলেন বলেও আলোচনা চলছে বিভিন্ন মহলে। তার যোগদানের খবর ছড়িয়ে পড়লে উপজেলার আরো অন্যান্য সিনিয়র ও জুনিয়র নেতাকর্মীরাও জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলেও আরেকটি সুত্র জানিয়েছে।

  • সাংবাদিক পরিচয়ে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক কার্ডের অপব্যবহার উদ্বেগজনক -গোলাম কিবরিয়া পলাশ

    সাংবাদিক পরিচয়ে নির্বাচনী পর্যবেক্ষক কার্ডের অপব্যবহার উদ্বেগজনক -গোলাম কিবরিয়া পলাশ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    সাংবাদিক পরিচয়ে অনেকেই এখন নির্বাচনী পর্যবেক্ষক কার্ড সংগ্রহ করে তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করে ‘ভাইরাল’ হওয়ার প্রতিযোগিতায় নেমেছেন, এ প্রবণতাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও নাগরিক প্রতিদিন-এর প্রতিনিধি গোলাম কিবরিয়া পলাশ।

    তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পর্যবেক্ষক কার্ড দেখিয়ে প্রচার পাওয়াটাই এখন অনেকের মূল লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, এদের প্রকৃত যোগ্যতা কতটুকু, আর দায়িত্ববোধই বা কোথায়? নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করেই সারাদেশে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব নেওয়ার প্রবণতা নিছক হাস্যকরই নয়, বরং গভীরভাবে উদ্বেগজনক।

    গোলাম কিবরিয়া পলাশ আরও বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও দায়িত্বপূর্ণ কাজ। এখানে সামান্য অসতর্কতা বা অযোগ্যতা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে। অথচ কিছু ব্যক্তি দায়িত্ব পালনের চেয়ে ফেসবুকে কার্ড প্রদর্শন ও প্রচারেই বেশি মনোযোগী।

    তিনি জানান, এ ধরনের আচরণে একদিকে সাংবাদিকতা ও পর্যবেক্ষক পেশার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হচ্ছে, অন্যদিকে প্রকৃত ও যোগ্য পর্যবেক্ষকদের কাজও আড়ালে পড়ে যাচ্ছে।

    তিনি বলেন, দায়িত্বের চেয়ে যখন প্রচার বড় হয়ে যায়, তখন নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এখনই সময় এসেছে কে সত্যিকারের পেশাদার, আর কে শুধু পরিচয়ের সুযোগ নিচ্ছে, সেটা কঠোরভাবে যাচাই করার।

    তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, নির্বাচন পর্যবেক্ষক কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দায়িত্ববোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে, যাতে নির্বাচন ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা অটুট থাকে।

  • ময়মনসিংহে সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবিরের  বি-রুদ্ধে অ-নিয়ম দু-র্নীতি ও স্বে-চ্ছাচারীতার অ-ভিযোগ

    ময়মনসিংহে সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবিরের বি-রুদ্ধে অ-নিয়ম দু-র্নীতি ও স্বে-চ্ছাচারীতার অ-ভিযোগ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ সদ‌র উপজেলা ভূ‌মি অ‌ফি‌সের সার্ভেয়ার
    মোঃ হুমায়ুন কবির খান ঘুষ ছাড়া কোনও কাজ ক‌রেন না। এমনকি মোটা অঙ্কের ‍ঘুষ নিয়ে একজনের জমির দাগ, পরিমাণ ও মৌজা নম্বর পরিবর্তন করে আরেকজনের নামে প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এতে প্রতিনিয়ত ভোগান্তিতে পড়ছেন জমির মালিকরা। কেউ কেউ জমিও হারিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। ঘুষ নিয়ে এক মৌজার জমি অন্য মৌজায় দিয়ে নতুন দাগ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, তবে চাহিদামতো ঘুষ পেলে সঠিক মৌজার জমির ওপর প্রতিবেদন দিচ্ছেন সার্ভেয়ার।

    ভোগান্তির শিকার কয়েকজন জমির মালিক জানিয়েছেন, ময়মনসিংহ সদর বিভাগীয় জেলার প্রধান নগরী হওয়ায় এ নগরীতে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের চাহিদা রয়েছে। আর জমি কেনাবেচার আগে খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও মৌজার বিষয়ে সার্ভেয়ারকে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে হয়। ওই প্রতিবেদন না থাকলে জমি কেনাবেচা করা যায় না। এ অবস্থায় জমির মালিকরা ওই প্রতিবেদনের জন্য সদর উপজেলা ভূ‌মি অ‌ফি‌সে এলে আগেই মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করেন সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান। এই ঘুষের ব্যবসা চালানোর জন্য তার রয়েছে বিশাল দালাল বাহিনী। ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস প্রতিবেদনের জন্য তাদের ঘোরানো হয়। অনেক সময় দেখা যায়, ঝামেলাযুক্ত জমিগুলোর ক্ষেত্রে একজনের কাছ থেকে বড় অঙ্কের ঘুষ নিয়ে ওই জমি আরেকজনের উল্লেখ করে প্রতিবেদন দিয়ে দিচ্ছেন। ফলে প্রকৃত মালিক জমিটি হারাচ্ছেন।

    খোঁজ নি‌য়ে জানা‌ গে‌ছে, ময়মনসিংহ সদরে আসার আগে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার ছিলেন হুমায়ুন কবির খান। সেখানে তার ঘুষ বাণিজ্যে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে সেবা গ্রহীতারা। সদর ভূমি অফিসে যোগদান করেও অল্পদিনে ঘুষ বাণিজ্যে বেপরোয়া হয়ে উঠেন তিনি। ভূমি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধান করতে আসা জমির মালিকদের কাছ থেকে ঘুষ লেনদেনে জড়িয়ে পড়েন। ঘুষ ছাড়া ভূমির কোনও কাগজপত্র দিচ্ছেন না। এমনকি খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও মৌজা ঠিক থাকা সত্ত্বেও মোটা অঙ্কের ঘুষ নিয়ে প্রতিবেদন দিচ্ছেন। আবার যার কাছ থে‌কে বে‌শি টাকা পা‌চ্ছেন, তার পক্ষে জমির প্রতিবেদন দিচ্ছেন। ঘুষ না পেলে ঘটে বিপত্তি। অনুসন্ধান করে এমন অসংখ্য অভিযোগ জানা গেছে তার বিরুদ্ধে।

    মোটা অংকের ঘুষ দিয়ে প্রতিবেদন নিয়েছেন এমন কয়েকজন ভুক্তভোগী এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, ভূ‌মি অ‌ফি‌সের সার্ভেয়ারের সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়া এখানের কোনও জমি বেচাকেনা করা যায় না। এই সুযোগ নিচ্ছেন সার্ভেয়ার। খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও মৌজা ঠিক থাকা সত্ত্বেও জমির পরিমাণ বুঝে এক থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ চান। টাকা না দিলে বছরেও প্রতিবেদন দেন না সার্ভেয়ার। শেষমেশ বাধ্য হয়ে সবাই ঘুষ দিচ্ছেন। আবার কেউ এসব নিয়ে কথা বললে কিংবা প্রতিবাদ জানালে তাকে হয়রা‌নির শিকার হতে হয়। জমিও হারাতে হয়। এসব নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে অবগত করলে আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান ।

    নিজের জমি বিক্রি করার জন্য সার্ভেয়ারের কাছে সরেজমিনে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়ে ঘুষ দিতে অস্বীকার করায় জমি হারিয়ে একাধিক জমি মালিক বলেন, তাদের খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ও মৌজায় কোনও ভুল ছিল না। কেনা জমিটির সব কাগজপত্র সঠিক থাকার পরও আরেকজন‌কে জায়গার প্রতিবেদন দিয়ে দখল দিয়েছেন সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান।

    একইভাবে হয়রানির শিকার হয়েছেন জেলা সদরের একাধিক বাসিন্দা । তারা বলেন, ‘তাদের জায়গার শুনা‌নিতে তাদেরকে ছাড়াই ক্রেতা‌কে প্রতিবেদন দেওয়ায় জ‌মিটি হারাতে হ‌য়ে‌ছে। এমন দুর্নীতিবাজ সা‌র্ভেয়ার জীবনেও দেখিনি বলেও অনেকে মন্তব্য করেন ।

    চুরখাইয়ের এক বাসিন্দা বলেন, ‘সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান এর চাহিদামতো ঘুষ না দিলে বলা হয়, জমির কাগজপ‌ত্রে নানা সমস্যা। এসব ঠিক করতে টাকা লাগবে। টাকা দিলে সব ঠিক। না হয় মাসের পর মাস হয়রা‌নি ক‌রেন। গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে উপজেলার সব গ্রাহককে হয়রানি করে ঘুষ নিচ্ছেন হুমায়ুন কবির খান।’

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জানান-আমার একটা জমির ফাইল প্রায় ৮ মাস ধ‌রে সার্ভেয়ার হুমায়ুনের কা‌ছে প‌ড়ে আছে । তিনি বলেন, ‘এখনও রিপোর্ট দেয় নাই। এর আগের এসিল্যান্ড বলার পরও নানা কথা বলে ঘুরাচ্ছেন সার্ভেয়ার। শেষে আমার কাছে পঞ্চাশ হাজার টাকা চেয়েছেন। দি‌তে পা‌রি‌ নাই। তাই আজও রিপোর্ট দেয়নি। জমির কাগজপত্র সব ঠিক থাকার পরও রি‌পোর্ট দেয় না। টাকা ছাড়া দেবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমি এত টাকা পাবো কোথায়? এত টাকা আমার কাছে থাকলে কী আর জমি বিক্রি করতে চাইতাম।

    সদর ভূমি অফিসে খোজ নিয়ে জানা গেছে-সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান এর সাথে অনেকের সম্পর্কের অবনতি আছে। ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ভূমি অফিসে কর্মরত উচ্চ পদস্থ অনেক কর্মকর্তাই তার ব্যবহার ও কার্যক্রমে অসন্তুষ্ট।এর আগে সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে আরো একাধিক পত্রিকায় রিপোর্ট প্রকাশিত হলে অনেকেই অফিসের অনেক স্টাফ ও ভূমি কর্মকর্তারা সাংবাদিকদের ধন্যবাদও জানান।

    অবশ্য সাধারণ মানুষের এসব ভোগান্তিকে কোনও গুরুত্ব দিচ্ছেন না সদ‌র উপজেলা ভূ‌মি অ‌ফি‌সের সার্ভেয়ার মো. হুমায়ুন কবির খান ।

    জমির প্রতিবেদন নিতে আসা মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান মুঠোফোনে বলেন তার বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগের অস্বীকার করেন, সত্য নয় বলে জানান।

    সুত্র জানা যায় সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান এর আগে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলা ভূমি অফিসে পরে সেখান থেকে ফুলবাড়িয়ায় বদলী হন। দায়িত্ব প্রাপ্ত এই দুই উপজেলায় তার দায়িত্ব পালনে অনিয়ম দুর্নীতির সমালোচনা থাকায় বেশীদিন টিকে থাকতে পারেননি। সর্বশেষ তিনি ফুলবাড়িয়ায় অনিয়ম দুর্নীতি করে সমালোচিত হয়ে সেখানকার সেবাগ্রহীতাদের অভিযোগের তুপে পড়ে সদর উপজেলায় যোগদান করেন। তার দেশের বাড়ী সিরাজগঞ্জ জেলায়।

  • ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুবের কবর জিয়ারত  করলেন ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন

    ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুবের কবর জিয়ারত করলেন ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন

    ‎‎

    কে এম সোহেব জুয়েল ঃ
    ‎মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও ১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের কবর জিয়ারত করেছেন বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন।
    শুক্রবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার লাখেরাজ কসবা গ্রামে অবস্থিত এই ভাষা সৈনিকের কবর জিয়ারত করা হয়। এ সময় তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে গোলাম মাহবুবের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। ‎কবর জিয়ারতের সময় এম জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতিও ভাষা কাজী হোলঅম মাহবুবে ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরীফ শফিকুর রহমান স্বপন, সাবেক আহ্বায়ক জাকির শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ‎এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। ভাষা সৈনিকদের আত্মত্যাগ জাতিকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তাঁরা গোলাম মাহবুবের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।‎‎৬/২/২০২৬
    ছবিসহ
    ভাষা সৈনিক কাজী গোলাম মাহবুবের কবর জিয়ারত
    করলেন ধানের শীষের প্রার্থী জহির উদ্দিন স্বপন
    গৌরনদী প্রতিবেদক
    ‎মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ও ১৯৫২ সালের সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের কবর জিয়ারত করেছেন বরিশাল-১ (গৌরনদী–আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন।
    শুক্রবার দুপুরে গৌরনদী উপজেলার লাখেরাজ কসবা গ্রামে অবস্থিত এই ভাষা সৈনিকের কবর জিয়ারত করা হয়। এ সময় তিনি মহান ভাষা আন্দোলনে গোলাম মাহবুবের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন। ‎কবর জিয়ারতের সময় এম জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন গৌরনদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতিও ভাষা কাজী হোলঅম মাহবুবে ফাউন্ডেশনের সাধারন সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম জহির, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শরীফ শফিকুর রহমান স্বপন, সাবেক আহ্বায়ক জাকির শরীফসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ‎এ সময় নেতৃবৃন্দ বলেন, ভাষা আন্দোলনের চেতনা বাঙালি জাতির আত্মপরিচয়ের ভিত্তি। ভাষা সৈনিকদের আত্মত্যাগ জাতিকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে নিতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছে। তাঁরা গোলাম মাহবুবের অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

  • উল্লাপাড়ায় ফকির দরবেশ বাউলদের প্রার্থী আকবর আলীর ম-তবিনিময়

    উল্লাপাড়ায় ফকির দরবেশ বাউলদের প্রার্থী আকবর আলীর ম-তবিনিময়

    জি,এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত হলে সকল মতবাদী, নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে জানিয়েছেন- ৬৫, সিরাজগঞ্জ-৪ উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনে বিএনপি দলীয় মনোনীত প্রার্থী এম.আকবর আলী। আজ শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বড়হর গ্রামের তার নিজস্ব বাসভবনে ফকির,দরবেশ,আউল,বাউল ও সুফিদের সাথে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
    তিনি আরও বলেন,বাউলদের উপর হামলা মানেই,সংস্কৃতির উপর হামলা। দেশে তৌহিদী জনতার মাজার ভাঙার প্রতিযোগীতা দেখলাম আমরা। এমন নগ্ন আচরণ কোন সভ্য মানুষ করতে পারেনা।তথাকথিত ওই তৌহিদী জনতা মাজার থেকে লাশ তুলে পুড়িয়ে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তা সত্যই ঘৃনা করার মতো। আমরা তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।আগামী নির্বাচনে আমার দল ও আমাকে নির্বাচিত করলে সকল মতবাদী,নাগরিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং দেশে অবাধে চলবে শুদ্ধ সংস্কৃতি।
    অনুষ্ঠানটি মানিক রতনের সঞ্চালায় শফিউল মোমেন শফির সভাপতিত্বে অন্যানোর মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও ছাত্রনেতা কায়ুম হোসেন জুয়েল,অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা সেলিম রেজা,লেখক ও গবেষক ফিরোজ আলম,কবি ওমর ফারুক,ছাইদুল বাউল,জলিল ফকির সহ আরও অনেকে।