Blog

  • বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি: বাংলাদেশে কাজ হারাচ্ছেন হাজার হাজার স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক

    বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি: বাংলাদেশে কাজ হারাচ্ছেন হাজার হাজার স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক

    হেলাল শেখ: সারা বিশ্বে সোনার দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের স্বর্ণবাজারে। পাশাপাশি বিদেশে তৈরি রেডিমেড স্বর্ণালংকার আমদানির ফলে দেশীয় স্বর্ণশিল্পী শ্রমিকদের কাজ মারাত্মকভাবে কমে গেছে। কাজ না থাকায় হাজার হাজার দক্ষ স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন এবং মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

    স্বর্ণশিল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশীয় কারিগরদের তৈরি অলংকারের চাহিদা কমে যাওয়ায় অনেক কারখানা ও কর্মশালা আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে এই পেশায় যুক্ত শ্রমিকরা পড়েছেন চরম অনিশ্চয়তায়।

    এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, স্বর্ণের প্রচলিত পরিমাপ অনুযায়ী ৬ রতিতে ১ আনা এবং ৯৬ রতিতে ১৬ আনা অর্থাৎ ১ ভরি স্বর্ণ। জুয়েলার্স মালিক সমিতির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্তমানে দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৭৬০ টাকা দরে। এছাড়া-২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৪ হাজার ৫৬৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১ হাজার ৮৭ টাকা,
    এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ প্রতি ভরি ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২৩ টাকা দরে বেচাকেনা হচ্ছে।

    তিনি আরও বলেন, “এইভাবে সোনার দাম বাড়তে থাকলে গরিব ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের জন্য স্বর্ণালংকার কেনা ও ব্যবহার করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। স্বর্ণালংকার আজ শুধু বিলাসিতা নয়, এটি ভবিষ্যতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সঞ্চয়। সঠিক সময়ে স্বর্ণ ব্যবহার বা ক্রয় করলে ভবিষ্যতে তা অধিক মূল্যে বিক্রি করা সম্ভব। তাই সামর্থ্য অনুযায়ী সবাইকে স্বর্ণালংকার ব্যবহারের আহ্বান জানাই।”

  • দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ছিলো ফাঁকা,২৬ সালের নির্বাচন কেমন হবে-অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

    দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ছিলো ফাঁকা,২৬ সালের নির্বাচন কেমন হবে-অপেক্ষায় ১৮ কোটি মানুষ

    হেলাল শেখঃ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রায় প্রতিটি এলাকার ভোটকেন্দ্র ছিলো ফাঁকা। সে সময় বিদেশি নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ভূমিকাও প্রশ্নবিদ্ধ ছিলো বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। সেই অভিজ্ঞতার পর এবার ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশবাসীর আগ্রহ ও প্রত্যাশা তুঙ্গে। নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় ১৮ কোটি জনগণ।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং) রাতে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান এস. এম. নজরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ “আওয়ামী লীগের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিরপেক্ষ ছিলো না। তাদের শাসনামলে নারী নির্যাতন, ধর্ষণ, সাধারণ মানুষের ওপর নৃশংস হামলা ও নির্যাতনের ঘটনা বেড়েছে। জুলাই-আগস্টে গণহত্যার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন। মানবাধিকার লঙ্ঘন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।”
    তিনি আরও বলেন, “আমরা আশাবাদী, ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য। জনগণ তাদের ভোটাধিকার শান্তিপূর্ণভাবে প্রয়োগ করতে পারবে।” নির্বাচনকে ঘিরে সারাদেশে বিপুল সংখ্যক যৌথ আইন শৃঙ্খলা বাহিনী জনগণের জানমালের নিরাপত্তায় কাজ করছেন।

  • গোপালগঞ্জের শু-কতাইলে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়ার বিশাল নির্বাচনী জনসভা

    গোপালগঞ্জের শু-কতাইলে স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়ার বিশাল নির্বাচনী জনসভা

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট -২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৩নং শুকতাইল ইউনিয়নের উদ্যোগে এক বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিকালে শুকতাইল সরদারপাড়া মাঠ প্রাঙ্গণে আয়োজিত উক্ত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ-২ (গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ও কাশিয়ানী উপজেলার একাংশ নিয়ে গঠিত) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (টেলিফোন প্রতীক) বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক কামরুজ্জামান ভূইয়া (লুটুল)।

    প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম মোতাহার হোসেন ভূইয়ার একজন গর্বিত সন্তান। আমার চাওয়া পাওয়ার কিছুই নেই। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে সহ গোপালগঞ্জের হাজার-হাজার নিরীহ মানুষকে জেল-জুলুম ও হয়রানি করা হয়েছে। আমি উপস্থিত আপনাদের সকলের সামনে বলতে চাই আপনারা যদি ভালোবেসে আমাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন এবং জাতীয় সংসদে যাওয়ার পথ সুগম করে দেন তাহলে আগামী প্রজন্মের কেউ কখনোই বলতে পারবে না যে, লুটুল ভূইয়া একজন অসৎ ব্যক্তি ও স্বার্থপর এমপি ছিলেন। আমার কোম্পানিতে যারা চাকুরি করেন তারা সকলেই গোপালগঞ্জের। আমি নির্বাচিত হলে ইনশাল্লাহ গোপালগঞ্জের কেউই বেকার থাকবে না। প্রত্যেকেই প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করা হবে। আমি অতীতেও আপনাদের পাশে ছিলাম, আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। ইনশাআল্লাহ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকবো। আমার জন্য দোয়া করবেন আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন যেন সারা জীবন আপনাদের সেবা করে যেতে পারি।

    নির্বাচনী জনসভায় সভাপতিত্ব করেন শুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল হক তানু।

    মোঃ মাসুদ মোল্লার সঞ্চালনায় উক্ত নির্বাচনী জনসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন মোঃ জাহাঙ্গীর সরদার, চন্দ্রদিঘলিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য মোঃ নজরুল ইসলাম মোল্লা, শুকতাইল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক ওলিয়ার রহমান, মোঃ জাকির চৌধুরী প্রমুখ।

    বক্তারা বলেন, কামরুজ্জামান ভূইয়া (লুটুল) একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার গর্বিত সন্তান, তিনি সৎ, ন্যায়পরায়ণ, আদর্শবান ও পরোপকারী একজন মানবিক মানুষ। তাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করে জাতীয় সংসদে পাঠালে সে গোপালগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে পারবে, জেলার বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি সকল শ্রেণি- পেশার মানুষের কথা ভাববেন, আমাদের কথা ভাববেন। মিথ্যা মামলা ও হয়রানির হাত থেকে সাধারণ মানুষগুলোকে মুক্ত করতে পারবেন। গোপালগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবেন। তাই ভোটের দিন আমরা সকলেই টেলিফোন প্রতীকে ভোট দিয়ে তাকে জয়যুক্ত করবো। শুধু তাই নয় ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এবং রেজাল্ট সিটে প্রিজাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত আমরা প্রত্যেকে কেন্দ্রেই অবস্থান করবো। নির্বাচনী আচরণবিধি বিধি মেনে চলবো। আমরা এমন কিছু করবো না যা আমাদের প্রার্থীর জন্য ক্ষতি হয়। নির্বাচনের দিন সকলে মিলে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে টেলিফোন প্রতীকে ভোট দিয়ে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তিকে বিজয়ী করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

    এ সময় নারী ভোটারের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতন। নির্বাচনী জনসভায় স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূইয়া লুটুল -এর কর্মী সমর্থক সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিপুল সখ্যক ভোটার উপস্থিত ছিলেন।

  • ‎সুনামগঞ্জে নি-খোঁজ আরিফকে ২৪ ঘন্টার ভিতরে খোঁজ এনে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

    ‎সুনামগঞ্জে নি-খোঁজ আরিফকে ২৪ ঘন্টার ভিতরে খোঁজ এনে মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিল পুলিশ

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ পৌর শহরের বড়পাড়া এলাকা থেকে নিখোঁজ হওয়া ১৩ বছরের শিশু আরিফের সন্ধাঁন চেয়ে  ওসি রতন সেখ পিপিএম এর ফেইসবুক ফেইজে ট্রেটাস এর ২৪ ঘন্টার ভিতরে সিলেট জিন্দা বাজার থেকে  পাওয়া গেল হারিয়ে যাওয়া আরিফের সন্ধাঁন। পুলিশের তৎপরতায়  শিশু আরিফকে সিলেট থেকে সুনামগঞ্জ সদর থানায় এনে তার পিতা মাতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। গত ৬ই ফেব্রুয়ারী২০২৬ইং তারিখ সন্ধা ৬টার দিকে বড়পাড়া থেকে ২৩ বছরের শিশু আরিফ নিখোঁজ হয়। পরে আরিফের পিতা: মোঃ রিপন মিয়া সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি জিডি করেন।এরই প্রেক্ষিতে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম বিষয়টি আমলে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আরিফের সন্ধাঁন চেয়ে বিষয়টি ফেইসবুকে মাধ্যমে তুলে ধরেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ডিবি পুলিশের তৎপরতায়  কয়েক জন সন্দেহ ভাজন ব্যক্তিকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করেন এবং একই এলাকার ৪/৫ জনের মোবাইল পুলিশের হেফাযতে নেওয়া হয়। এরই মধ্যে ৮ ফেব্রুয়ারী রাত ৯টার দিকে হারিয়ে যাওয়া শিশু আরিফের কন্ঠে একটি অডিও বার্তা  আসে স্থানীয় একজনের কাছে। সেখানে  সিলেট জিন্দা বাজার এলাকায় একব্যাক্তি তাকে পেয়ে তার বাড়িতে  নিয়ে আশ্রয় দেন।  এমন তথ্যের বিত্তিতে পুলিশি তৎপরতায় স্থানীয় লোকজন পাঠিয়ে সিলেট জিন্দা বাজার থেকে  সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় শিশু আরিফকে নিয়ে আসা হয় এবং সাথে সাথে শিশু আরিফকে তার পিতা মাতার হাতে তুলে দেওয়া হয়। এসময় আরিফকে তার স্বজনেরা বনএব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ রতন সেখ পিপিএম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,১৩ বছরের যে ছেলেটি আরিফ বড়পাড়া থেকে নিখোঁজ হয়েছিল খবর পেয়ে আমি নিজে ঘটনস্থল পরিদর্শন করি এবং শিশুটির পরিবার থানায় একটি জিডি করেন আমরা বিষয়টি আমলে নেই এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সকলের কাছে শিশুটির সন্ধান চেয়ে সদর থানার ফেইসবুক পেইজে পোষ্ট করি, পাশাপাশি পুলিশ সুপার মহোদয়কে অবগত করে সন্দেহ ভাজন কয়েক জনকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় জিজ্ঞেসা বাদ করি,এরই মধ্যে গতকাল রাতে ছেলেটির সন্ধাঁন পাই সঙ্গে সঙ্গে তাকে অভিভাবক ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে সিলেট জিন্দা বাজার থেকে নিয়ে আসা হয় এবং ছেলেটির পিতা মাতার কাছে রক্ষিত অবস্থায় তার মায়ের কুলে দেওয়া হয়। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।###

  • সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ বিজয়ের আশাবাদী

    সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ বিজয়ের আশাবাদী

    নিজস্ব প্রতিবেদক :
    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জ-৩ (রায়গঞ্জ, তাড়াশ-সলঙ্গা)আসনের ধানের শীষ মার্কার প্রচার প্রচারণা ও ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন নেতা-কর্মীরা।এ সময় নেতাকর্মীরা ভোটারদের হাতে লিফলেট তুলে দিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের হাতে নির্যাতিত,সৎ,যোগ্য,ত্যাগী ও জনসম্পৃক্ত নেতা ভিপি আয়নুল হকের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করেন।এলাকার উন্নয়নে নারী-পুরুষ সবাইকে নির্ভয়ে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেয়ার অন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেন নেতারা।

    ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক বিপুল ভোটে বিজয়ের আশাবাদী,এমনটাই জানালেন নির্বাচনী এলাকার ভোটারবৃন্দ।নেতাকর্মীরা আরও জানান,ভিপি আয়নুল হকের নির্বাচনে এলাকায় ধানের শীষের সাংগঠনিক অবস্থা অত্যন্ত মজবুত এবং তারা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত মাঠে থেকে বিজয় সুনিশ্চিত করে ঘরে ফিরবেন।ধানের শীষের প্রার্থী ভিপি আয়নুল হক তার নির্বাচনী এলাকার ১৭ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড,গ্রাম,পাড়া- মহল্লা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উঠান বৈঠক,পথসভা,জনসভাসহ  ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও ভোট প্রার্থনা করে চলেছেন।বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী ইশতেহার ফ্যামিলি কার্ড,কৃষি কার্ড,শিক্ষা-সংস্কৃতি,শিল্পায়ন,আইটি, অবকাঠামো ও পরিবেশসহ সকল উন্নয়ন প্রকল্পে কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের সাথে হাতে হাত,বুকে বুক মিলিয়ে কুশল বিনিময় করে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চাচ্ছেন।ভোটাররাও সরাসরি তাদের এলাকার অভাব, অভিযোগ,সম্ভাবনা ও স্থানীয় সমস্যা  সমাধানের কথা তুলে ধরছেন।  

    এবারের নির্বাচন নিয়ে সাধারণ মানুষদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।   

    এ সময় ভোটাররা বলেন,আমাদের এলাকার সব শ্রেণীর মানুষ এক সঙ্গে মিলে মিশে ধানের শীষে ভোট দেবো। এবার ভিপি আয়নুল হক বিপুল ভোটে বিজয়ী হবেন। 

    সলঙ্গা এলাকার ভোটাররা বলেন,এলাকায় ধানের শীষ প্রচারণায় এগিয়ে আছে  এবং ব্যাপক গণজোয়ার তৈরি হয়েছে,তা রুখে দেয়ার শক্তি কারও নেই।প্রতিটি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ভোটারদের  কাছে গিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোটসহ গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার ফিরে পেতে ভিপি আয়নুল হকের আগামী দিনের বার্তা পৌঁছে দিছেন।

  • সাংবাদিক বাবুলের ওপর স-ন্ত্রাসী হাম-লা, গুরুতর আহ-ত

    সাংবাদিক বাবুলের ওপর স-ন্ত্রাসী হাম-লা, গুরুতর আহ-ত

    মশিউর রহমান।।
    হবিগঞ্জ প্রতিনিধি :
    হবিগঞ্জ শহরতলীর ৩ নম্বর তেঘরিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে দৈনিক গণমুক্তি পত্রিকার হবিগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি আব্দুল নুর (বাবুল)-এর ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। বর্তমানে তিনি হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    জানা যায়, গতকাল বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে বের হয়ে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ্ব জিকে গউছের ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে যাওয়ার পথে পূর্ব থেকে ওৎ পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতকারী তার পথরোধ করে। এ সময় লাঠিসোঁটা দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করে এবং সঙ্গে থাকা নগদ অর্থ ছিনিয়ে নেয়।
    আহত সাংবাদিক বাবুল জানান, তিনি কিছু বুঝে ওঠার আগেই একই এলাকার কিছু দুর্বৃত্ত তার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। হামলাকারীদের উদ্দেশ্য ছিল তাকে প্রাণে হত্যা করে লাশ গুম করা। অভিযুক্তদের মধ্যে আলমগীর, দুলাল, জয়, তুহিন, মাসুম, জাহাঙ্গীর আলমসহ আরও কয়েকজনের নাম জানা গেছে।
    হামলার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সাংবাদিক সমাজ ও সচেতন মহল। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

  • ভোট ডা-কাতি করতে আসলেই সাইজ করে দিবেন-জকসু ভিপি

    ভোট ডা-কাতি করতে আসলেই সাইজ করে দিবেন-জকসু ভিপি

    কে এম সোয়েব জুয়েল।।
    গৌরনদী প্রতিনিধি।।

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জকসু) ভিপি মো. রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নানান হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় হামলা করা হচ্ছে। ভোলা ও বাউফলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এইগুলোকে খুব বেশি ভয় পাওয়ার কারন নেই।

    বিএনপি কোন সংগঠিত রাজনৈতিক দল নয়, তাদের কোন চেইন অফ কমান্ড নেই, তাদের নেতার কথাই কর্মীরা শোনেনা। তাদেরকে আপনারা কেন ভয় পাবেন, আমিতো তাদের গোনায়ই ধরিনা।

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খানের সমর্থনে গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া বাজারে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী পথসভায় জকসু ভিপি আরও বলেছেন, যখন তাদের নেতা দেশে আসলো, তখন তারা ভেবেছিলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু একটা করবে কিন্তু তারা কিছুই করতে পারেনি, আমরা বিজয়ী হয়েছি।

    বিগতদিনে তাদের সাথে আমরা একসাথে ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। কিন্তু যেখানে বিপদ ছিলো, সেখানে তাদেরকে আমরা খুঁজে পাইনি। দিন শেষে এরা প্রচুর হামকি-ধামকি দিবে কিন্তু তারা প্রচন্ড ভীতু। তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমরা বরিশালে তাদের একটি আসনও দিতে চাইনা।

    ভোটারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা সকালে কেন্দ্রে যাবেন ভোট দিয়ে তারপর কেন্দ্রের আশেপাশে থাকবেন। কেউ কেন্দ্র দখল করতে আসলে, গুন্ডামী, ডাকাতি করতে আসলে সাইজ করে দিবেন। মাইরের ওপর কোন ওষুধ নাই। একদিন সাইজ করলে ওরা আর সামনে আগাবেনা।

    জকসু ভিপি বলেন, জুলাই বিপ্লবে এদেশের তরুন ছাত্র সমাজ ও জনতা বুক পেতে আন্দোলন সংগ্রাম করে লাল কার্ড দেখিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশছাড়া করেছে। তারা শেখ হাসিনার মতো শক্ত কোন দল নয়। তারা বেশিদিন এদেশে রাজনীতি করতে পারবে না। রাজনীতি করতে হলে হ্যা ভোটের ক্যাম্পেই করতে হবে।

    বাংলাদেশের ইতিহাস বলে ছাত্রসংসদগুলো যাদের হাতে থাকে তারাই সরকার গঠণ করে। সেজন্য অহংকারী হওয়া যাবেনা। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের মনজয় করে ভোট আনতে হবে।

    বরিশালের মানুষকে সাহসী উল্লেখ করে জকসু ভিপি বলেন, আমি জানি বরিশালের মানুষ অনেক সাহসী ও শক্তিশালী তাই আপনারা সাহস নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকবেন তাহলেই হবে।

    পথসভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম খান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, গৌরনদী পৌর জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান, উপজেলা জয়েন্ট সেক্রেটারী রুহুল আমিন সবুজ প্রমুখ।

    সবশেষে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলামের নেতৃত্বে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাহিলাড়া বাজারে দাঁড়িপাল্লা মার্কার সমর্থনে মিছিল বের করা হয়।

  • উল্লাপাড়ায় বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভায় জ-নসমুদ্রে পরিণত

    উল্লাপাড়ায় বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভায় জ-নসমুদ্রে পরিণত

    জি.এম স্বপ্না,সিরাজগঞ্জ :
    আজ সোমবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া-সলঙ্গা) আসনে বিএনপি’র মনোনীত এমপি প্রার্থী এম.আকবর আলীর নির্বাচনী জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। প্রার্থী এম,আকবর আলী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়ী করার আহবান জানান উপস্থিত হাজার হাজার জনতাকে। তিনি বলেন,এটাই আমার শেষ নির্বাচন। জীবনে আর হয়তো নির্বাচন করতে পারব না। আমি এই আসনে দুই বার বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান উন্নয়ন করেছি। আমার নিজের আর চাওয়া পাওয়ার কিছু নেই। নির্বাচিত হলে আমি নিঃস্বার্থভাবে উল্লাপাড়া-সলঙ্গাবাসীর সেবা করতে চাই।
    উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত এই সমাবেশে এম.আকবর আলী নিজেই সভাপতিত্ব করেন। কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাওসার আহম্মেদ রনির সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন,বিএনপি’র রাজশাহী বিভাগীয় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড.শাহিন শওকত।বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাড. সিমকী ইমাম,সাবেক ডিআইজি খান সাঈদ হাসান জ্যোতি, উল্লাপাড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র বেলাল হোসেন,উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হেলাল সরকার, শফিউল মোমেন শফি ও জাহিদুল ইসলাম মিষ্টারসহ অনেকে।
    প্রধান অতিথি এ্যাড.শাহিন শওকত তার বক্তব্যে বলেন,জামায়াত আমীর শফিকুর রহমান বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে ভাগাভাগি করে দেশ পরিচালনার প্রস্তাব করেছিলেন। কিন্তু তারেক রহমান তাতে সম্মত হননি। তার কারণ বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি তিন বার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করেছেন। বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার সক্ষমতা রয়েছে। তাই ভাগাভাগি করে রাষ্ট্র পরিচালনার কোন সুযোগ বিএনপির কাছে নেই। বিএনপি নির্বাচিত হলে এককভাবে সরকার গঠন করবে।

  • মোরেলগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে আ-গুন

    মোরেলগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী অফিসে আ-গুন

    এস,এম, সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি।।বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী অফিসে গভীর রাতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার ভোর রাতে উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের ঠোডার বাজার এলাকায়।
    ৭নং ওয়ার্ড জামায়াত ইসলামীর সভাপতি আজমল শিকদারসহ স্থানীয়রা প্রত্যক্ষর্দশীরা জানান, ঠোডার বাজারের চা বিক্রেতা আনসার তালুকদার তার দোকানে এসে প্রথমে দেখতে পায় জামায়াত ইসলামীর নির্বাচনী অফিসে আগুন জ¦লছে। পরবর্তী তিনি ডাকচিৎকার করলে আশেপাশের স্থানীয়রা এসে পানি দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে নেন। ততক্ষনে অফিস ঘরটির কর্নারের একটি অংশ মূল ফটকের দরজা আগুনে পুড়ে যায়।
    আব্দুল রাজ্জাক, মাওলানা ইমাম হোসাইন শিকদার, দোকান মালিক জসিম শেখসহ স্থানীয়রা বলেন, কে বা কারা ভোর রাতে শত্রæতামূলক এ অগ্নিসংযোগের ঘটিয়েছে। দীর্ঘক্ষণ যদি আগুন জ¦লতো বাজারের অধিকাংশ দোকান পুড়ে যেতো। তারা বিষয়টি তদন্ত পূর্বক বিচারের দাবি জানিয়েছেন। এদিকে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এ ঘটনাটি তদন্তপূর্বক বিচারের দাবি জানান।

    ক্ষতিগ্রস্ত দোকান মালিক জসিম শেখ বলেন, জামায়াতের নির্বাচনী অফিস ভাড়া না দিলে এ ঘরটি পুড়তো না। তিনি ক্ষতিপুরন দাবি করেন।
    এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির অধ্যাপক শাহাদাৎ হোসাইন বলেন, নির্বাচনী প্রতিপক্ষ গ্রæপ প্রতিহিংসা পরায়ন হয়ে ভীতি ও আতংক সৃষ্টি করার জন্য এ অগ্নিসংযোগ করেছেন। গতদিন খাউলিয়া ইউনিয়নে জামায়াতের উঠান বৈঠক শেষে কর্মীদের একাধিক মোটরসাইকেল ভাংচুর করেছেন। সকল ঘটনাই প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। এ পৃথক ঘটনার তারা আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলে জানিয়েছেন।

  • সুনামগঞ্জ ৪ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরিনের শেষ প্রচারণা হল সংবাদ স-ম্মেলন

    সুনামগঞ্জ ৪ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরিনের শেষ প্রচারণা হল সংবাদ স-ম্মেলন

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎সুনামগঞ্জ ৪ আসনে সতন্ত্র প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন এর সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং রোজ সোমবার বেলা ২ ঘটিকায় হাসন রাজার বাসার প্রাঙ্গণে,সতন্ত্র প্রার্থী মোটর সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী দেওয়ান জয়নুল জাকেরিন তার নিজ বাসায়  প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলন  করেন। সংবাদ সম্মেলনে জয়নুল জাকেরিন সাংবাদিকদের বলেন।
    ‎ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি। আজ প্রচার–প্রচারণার শেষ দিন। এই প্রেক্ষাপটে জনগণের দুর্ভোগ ও জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনা করে তিনি তার পূর্বনির্ধারিত শেষ নির্বাচনী গণমিছিলটি স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর সতন্ত্র প্রার্থী জয়নুল শান্তিপূর্ণভাবে এবং বিপুল উৎসাহ–উদ্দীপনার সঙ্গে প্রচার–প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন। এই সময় সদর–বিশ্বম্ভরপুরের প্রতিটি এলাকায় ভোটারদের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছেন তিনি। যা সতন্ত্র প্রার্থীকে গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। তবে এই ইতিবাচক পরিবেশের মধ্যেও তিনি লক্ষ্য করেছেন, কিছু এলাকায় একটি বিশেষ মহল যেখানে নিজেদের অবস্থান দুর্বল মনে করছে, সেখানে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করছে—যা অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গণতন্ত্রবিরোধী আচরণ। তিনি আরও বলেন সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা ও পৌরসভায় বিগত পাঁচটি নির্বাচনে এই এলাকার মানুষ তাকে অতীতে নির্বাচিত করেছে। তাদের এই আস্থা ও ভালোবাসার ওপর ভিত্তি করেই তিনি এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। সেই বিশ্বাসের প্রতিদান হিসেবে তিনি সদর–বিশ্বম্ভরপুরের সকল সাধারণ মানুষের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ জানান আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি মোটরসাইকেল প্রতীকে ভোট প্রদান করার জন্য  সাধারণ মানুষ কাছে। সুনামগঞ্জ–৪ আসনের সকল নাগরিকের প্রতি জয়নুল জাকেরিনের আহ্বান , আগামী ১২ই ফেব্রুয়ারি মানুষ শান্তিপূর্ণ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের প্রতীকে ভোট প্রদান করবেন—এটাই  সতন্ত্র প্রার্থীর আন্তরিক প্রত্যাশা। এছাড়াও ১২ তারিখের নির্বাচনে  আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর জোরদার ও নিরপেক্ষতার আশাবাদ ও ব্যক্ত করেন সতন্ত্র প্রার্থী জয়নুল জাকেরিন। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সুনামগঞ্জ–৪ (সদর–বিশ্বম্ভরপুর)
    ‎সাবেক আহ্বায়ক সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজ আব্দুল করিম, রাজু আহমেদ সাবেক আহ্বায়ক বিশ্বম্ভপুর, সাবেক ছাত্র নেতা জাকির হোসেন তপু,শফিউল ইসলামবজেলা যুবদল নেতা, মো: আব্দুল নুর তালুকদার প্রমূখ।###