Blog

  • কুমিল্লায় জামায়াতের সংবাদ স-ম্মেলন

    কুমিল্লায় জামায়াতের সংবাদ স-ম্মেলন

    তরিকুল ইসলাম তরুন।।
    আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী কাজী দ্বীন মোহাম্মদ অভিযোগ করেছেন, তাঁর নির্বাচনী মিছিলে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নগরীর মোগলটুলীস্থ মহানগর জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।
    সংবাদ সম্মেলনে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, গত ৯ ফেব্রুয়ারি দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের বড়দৈল গ্রামে দাড়িপাল্লা প্রতীকের নির্বাচনী মিছিল চলাকালে ফয়সল আহমেদ নাঢমের এক সহযোগী মোটরসাইকেল নিয়ে মিছিলে ঢুকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এতে কয়েকজন কর্মী আহত হন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে ফারুক ও আবুল বাশারের নেতৃত্বে মিছিলে অতর্কিত হামলা চালানো হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলায় তাদের কর্মী শাহজালাল সায়েম গুরুতর আহত হন। তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয়। এছাড়া ফারুক ও মাহবুবসহ আরও পাঁচজন কর্মী গুরুতর আহত হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
    তিনি বলেন, কিছু অশুভ শক্তি বহু ত্যাগ ও সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত এই নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে চাইছে। এ অবস্থায় একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সাংবাদিক সমাজসহ দেশপ্রেমিক সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।
    এ সময় তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, নির্বাচন সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
    ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে কেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে ইনসাফ, ন্যায় ও মানবিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে রায় দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
    সংবাদ সম্মেলনে মহানগর জামায়াতের আমীর মোসলেহ উদ্দিন, সেক্রেটারি মাহবুবুর রহমান, জয়েন্ট সেক্রেটারি কামরুজ্জামান সোহেল, যুবনেতা আই আর আহমেদ আশিক শাহীনসহ মহানগর জামায়াতের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
    আপনি চাইলে এটিকে আরও সংক্ষিপ্ত বা অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টাইলেও সাজিয়ে দেওয়া যাবে।

  • পাইকগাছায় দুর্নী-তিমুক্ত দেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করুন জামায়ত নেতা-মাওলানা আজাদ

    পাইকগাছায় দুর্নী-তিমুক্ত দেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লাকে বিজয়ী করুন জামায়ত নেতা-মাওলানা আজাদ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য, খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক ও খুলনা-৬ ( কয়রা-পাইকগাছা) আসনের ১১ দল মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, দক্ষিণ খুলনার অবহেলিত উপকূলীয় অঞ্চল কয়রা-পাইকগাছাকে আধুনিক করে গড়ে তুলতে হলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করতে হবে। আগামী দিনে জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে আমরা নতুন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যাতে করে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সকল সুবিধা বঞ্চিত মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনা হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতি করবো না এবং কাউকে দুর্নীতি করতে দেব না। সোমবার ( ৯ ফেব্রয়ারি) বিকাল ৫ টায় পাইকগাছা সরকারি কলেজ মাঠে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    মাওলানা আবুল কালাম আজাদ আরো বলেন, জামায়াত ইসলামী বিজয়ী হলে কয়রা-পাইকগাছায টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মান করা হবে, সুন্দরবন কেন্দ্রীক পর্যটন নির্মান করার পাশাপাশি রাস্তাঘাট, কালভার্টসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন করা হবে। এ ছাড়াও বনদস্যু নির্মুলে ব্যবস্থা গ্রহণ, চাঁদাবাজি নির্মুল করে সোনার বাংলা গড়তে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহবান জানান।

    পাইকগাছা উপজেলা আমির মাওলানা সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী আলতাফ হোসেনের পরিচালনায় সম্মানিত মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ শাহ মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, সাবেক এমপি (কয়রা পাইকগাছা) খুলনা-০৬।

    অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, খুলনা জেলা সহকারী সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী, খুলনা মহানগরীর সহকারি সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট শাহ-আলম, খুলনা জেলা কর্ম পরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির খুলনা জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট হানিফ উদ্দীন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির পাইকগাছা উপজেলা সভাপতি ডাঃ সাইদুর রহমান, পাইকগাছা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা বুলবুল আহমেদ, উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস, কয়রা উপজেলা আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, ডুমুরিয়া উপজেলার সনাতনী ধর্মের সেক্রেটারী দেবপ্রসাদ মন্ডল, কোষাধ্যক্ষ গৌতম মন্ডল, পাইকগাছা উপজেলা এনসিপি সভাপতি হাফিজ বিন তারিক, ইসলামী ছাত্র শিবির খুলনা জেলা দক্ষিণের সভাপতি আবুজার গিফারী, সাবেক সভাপতি স,ম,আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোঃ আব্দুর রহিম, জুলাই যোদ্ধা জনাব রানা শেখ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • পাইকগাছা উপজেলায় ৮৮টি ভোট কেন্দ্র, ৪৮৮টি বুথ; ৭৭ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থা/পন

    পাইকগাছা উপজেলায় ৮৮টি ভোট কেন্দ্র, ৪৮৮টি বুথ; ৭৭ কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থা/পন

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ কে সামনে রেখে পাইকগাছা উপজেলায় ভোটগ্রহণের সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে উপজেলায় মোট ৮৮টি ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য স্থাপন করা হচ্ছে ৪৮৮টি ভোটকক্ষ (বুথ)।
    নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলার ৭৭টি গুরুত্বপূর্ণ ভোট কেন্দ্রকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলাকালীন এসব সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হবে, যা যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
    সূত্র আরও জানায়, জনবহুল, ঝুঁকিপূর্ণ ও স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত ভোট কেন্দ্রগুলোতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বাকি ১১টি ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের কাছে থাকবে বডি-অন ক্যামেরা। কেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ওয়াসিউজ্জামান চৌধুরী জানান, ভোটাররা যেন নির্বিঘ্ন ও ভয়মুক্ত পরিবেশে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্যে কেন্দ্রভিত্তিক সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। ভোট কেন্দ্রের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন, বুথ বিন্যাস, বিদ্যুৎ ব্যবস্থা, ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় নির্বাচনী সামগ্রী প্রস্তুতের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে।নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের দিন শৃঙ্খলা রক্ষায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর টহল কার্যক্রম জোরদার করা হবে।
    উল্লেখ্য, ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো ও ভোটাধিকার প্রয়োগে জনগণকে উৎসাহিত করতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

  • রাজশাহী-১ আওয়ামী শূ-ন্যতায় কার ঘরে যাবে ঐতিহ্যগত ভোট ?

    রাজশাহী-১ আওয়ামী শূ-ন্যতায় কার ঘরে যাবে ঐতিহ্যগত ভোট ?

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহী-১(তানোর-গোদাগাড়ী) আসন দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভিআইপি আসন হিসেবে পরিচিত। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত রাজশাহী-১ আসন এটি শুধু একটি সংসদীয় আসন নয়, বরং আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক শক্তি ও ভোট ব্যাংক। স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনে আওয়ামী লীগের একটি নিদ্রিষ্ট ভোট ব্যাংক রয়েছে।
    কিন্তু ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সেই ইতিহাসকে প্রথমবারের মতো বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। ৫ আগস্ট ২০২৪-এর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় রাজশাহী-১ আসনকে এনে দিয়েছে এক ধরনের রাজনৈতিক শূন্যতা। সেই শূন্যতাই মাঠে এখন রূপ নিয়েছে দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
    রাজশাহী-১ আসনের তানোর উপজেলায় ২টি পৌরসভা ও ৭টি ইউনিয়ন এবং গোদাগাড়ী উপজেলায় রয়েছে ২টি পৌরসভা ও ৯টি ইউনিয়ন। তানোর উপজেলার আয়তন ২৯৫ দশমিক ৪০ বর্গ কিলোমিটার এবং গোদাগাড়ী উপজেলার আয়তন ৪৭৫ দশমিক ২৬ বর্গ কিলোমিটার।মোট আয়তন ৭৭০ দশমিক ৬৬ বর্গ কিলোমিটার। আয়তনের দিক দিয়ে সংসদীয় আসন হিসেবে দেশের ৮ম বড় এলাকা।
    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬৯৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫৯টি। এর মধ্যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ভোটার প্রায় ৮০ হাজার ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ধর্মাবলম্বী ভোটারগণ আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত।দির্ঘদিন ধরে এই ভোটারদের বড় অংশ আওয়ামী লীগের প্রতি অনুগত ছিলেন। ফলে দলটি নির্বাচনে না থাকলেও তাদের ভোটাররা রাজনীতির বাইরে থাকবেন এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। মূল প্রশ্ন হলো এই ঐতিহ্যগত ভোটব্যাংক বিএনপি,জামায়াত
    স্বতন্ত্র প্রার্থী নাকি বিভক্ত অবস্থায় থাকবে ?
    বিএনপির প্রার্থী মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন এখানে সবচেয়ে সুসংগঠিত রাজনৈতিক কাঠামোর প্রতিনিধিত্ব করছেন। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব, মাঠপর্যায়ের সংগঠন এবং ধারাবাহিক গণসংযোগসহ সব মিলিয়ে দলীয় শক্তির দিক থেকে তিনি এগিয়ে। তবে এই আসনে বিএনপির মূল চ্যালেঞ্জ হলো ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগপন্থী ভোটারদের আস্থা অর্জন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি যদি এই ভোটারদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশকে ‘ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার নিরাপত্তা ও আস্থা’ দিতে পারে, তাহলে ধানের শীষ বড় সুবিধা পেতে পারে। অন্যথায় দলীয় শক্তি থাকা সত্ত্বেও ভোট বিভাজনের ফাঁদে পড়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।
    অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী, দলের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান মূলত সাবেক এমপি হিসেবে পরিচিতি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং উচ্চ শিক্ষিত ও সৎ নেতৃত্বের ভাবমূর্তিকে পুঁজি করে এগোচ্ছেন। এলাকায় তাঁর প্রভাব শক্ত হলেও এবার পুরো আসন জুড়ে সেই প্রভাব কতটা বিস্তৃত হবে সেটাই বড় প্রশ্ন।কারণ আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন
    এবার একটি আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট ঐতিহ্যগতভাবে আওয়ামী লীগের দিকে ঝুঁকলেও এবার সেই ভোট কোন প্রার্থীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করেছে সেটা বলা দুরুহ।
    বিশ্লেষকদের মতে, যদি এই ভোট ছড়িয়ে না পড়ে একমুখী হয়, তাহলে বড় চমকের জন্ম দিতে পারে। এই নির্বাচনের সবচেয়ে বড় অজানা ভ্যারিয়েবল হলো সিদ্ধান্তহীন ভোটাররা। মাঠপর্যায়ের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, একটি বড় অংশ এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। তাদের ভোট মূলত নির্ভর করবে নির্বাচনের পরিবেশ, ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি এবং শেষ মুহূর্তের রাজনৈতিক বার্তার ওপর।
    এবার রাজশাহী-১ আসনের নির্বাচন শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয় এটি একটি রাজনৈতিক রূপান্তরের পরীক্ষাগার। এখানে কে জিতবে তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো-আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এই জনপদের
    ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও সনাতন ভোটাররা কোন রাজনৈতিক সমীকরণকে গ্রহণ করবেন সেটা।
    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজশাহী-১ আসনে তিনটি সম্ভাব্য দৃশ্যপট দেখা যেতে পারে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যগত ভোট বিএনপির দিকে গেলে শরিফ উদ্দিনের ও জামায়াতের দিকে গেলে অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের জয় নিশ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।কিন্তু ভোট বিভক্ত হলে ভোটের সমীকরণ কি হবে বলা মুশকিল। আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটিতে ভোটাররা কোন পথে হাঁটছেন তা জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্পষ্ট বার্তা দেবে। বিশেষ করে ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পুনর্গঠন ও ভোটের আচরণ বিশ্লেষণে এই আসন একটি ‘কেস স্টাডি’ হয়ে উঠতে পারে।
    স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের অভিমত,
    এবার আদর্শের ভোট না, পরিস্থিতির ভোট হবে।ফলে যেহেতু বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের একটি দল, তাই আওয়ামী লীগ সমর্থিত ভোটররা হয়তো সেদিকেই ঝুঁকতে পারেন। কারণ আদর্শিক জায়গা থেকে আওয়ামী লীগ ও জামায়াত পুরোপুরি বিপরীতমুখী। তাই তাদের প্রতি আওয়ামী লীগের সহানুভূতি কমই থাকবে। আবার যেহেতু ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের পতন হয়েছে, তাই নতুন দল জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি), গণ-অধিকার পরিষদ বিবেচ্য না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি আওয়ামী লীগ সমর্থক ও ভোটারদের কাছে।
    অন্যদিকে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত আওয়ামী লীগের বড় একটি ভোট ব্যাংক সব সময়ই ছিল। গত বছর গণঅভ্যুত্থানের পর কিছুটা হয়তো কমেছে। আগামী নির্বাচনে দলটির ভোটার-সমর্থকেরা হয়তো ভোট দিতে যাবেন এবং আসন ভিত্তিক সম্ভাব্য বিজয়ী প্রার্থীকেই ভোট দেবেন। যাঁদের ব্যবসা বাণিজ্য রয়েছে, যাঁদের সম্পদ রয়েছে, কেউ কেউ চাকরি ও কর্ম টেকাতে স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী দলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার চেষ্টা করবেন, যেন আগামীতে টিকে থাকতে পারেন।এক্ষেত্রে তাদের প্রথম পচ্ছন্দ বিএনপি। কারণ দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেভাবেই নির্বাচন হোক বিএনপি একক সংখ্যগরিষ্ঠতা পাবেন এটা প্রায় নিশ্চিত। আবার মেজর জেনারেল অবঃ শরিফ উদ্দিন বিজয়ী হলে তার মন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।এবিবেচনায় সরকার গঠন করবে বিএনপি, এখানকার এমপি হবেন মন্ত্রী,তাহলে অহেতুক বিএনপির বিপক্ষে ভোট দিয়ে ভোট নস্ট ও সরকারি দলের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি করার মতো ঝুঁকি নিবেন না আওয়ামী লীগ সমর্থক ভোটারগণ।

  • তানোরে ৬১টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি গু-রুত্বপূর্ণ

    তানোরে ৬১টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি গু-রুত্বপূর্ণ

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর তানোরে ৬১ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৩১টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ ও ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ১৪টি কেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণের জন্য ইতিপূর্বেই সেনাবাহিনী, বিজিবি নিয়োমিত টহল দিচ্ছেন। এছাড়াও প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তবে এ আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থী এবং দলীয় নেতাকর্মীরা শান্তিপূর্ণ পরিবেশে প্রচার প্রচারণা সম্পন্ন করেছেন।
    জানা গেছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারী
    বৃহস্পতিবারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণে সব রকম প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা। নিয়োমিত যৌথ বাহিনীর অভিযান, চেকপোস্টসহ নানামুখী তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে।
    এবারে উপজেলায় ৬১টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে। এর মধ্যে ৩১ টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেগুলো হল, কলমা ইউনিয়ন ইউপির চোরখৈর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আজিজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দরগাডাঙ্গা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, নড়িয়াল দাখিল মাদ্রাসা, নারায়নপুর উচ্চ বিদ্যালয়, হাঁপানিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জোতগোকুল প্রাথমিক বিদ্যালয়, মুন্ডুমালা সরকারি প্রাথমিক ও সরকারি উচ্চ, বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সাতপুকুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, ময়েনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, বনকেশর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইলামদহী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোয়েল উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -১ প্রাথমিক বিদ্যালয়, মোহাম্মাদপুর সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, দূবইল সরকারি প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তালন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মথুরাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তানোর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কালীগঞ্জ হাট উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীখন্ডা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হরিপুর দ্বিতীয় উচ্চ বিদ্যালয়, ধানোরা প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবু বকর স্কুল এন্ড কলেজ ও চান্দুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসা। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ ১৬টি কেন্দ্র সেগুলো হল, কিসমত বিল্লী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, মালবান্দা উচ্চ ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাঁধাইড় প্রাথমিক বিদ্যালয়, চুনিয়া পাড়া প্রাথমিক ও হাজী এক্তার আলী উচ্চ বিদ্যালয়, বিনোদপুর নিম্ম ও প্রাথমিক বিদ্যালয়, তালন্দ এএম উচ্চ বিদ্যালয়, চাপড়া প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, তানোর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, সরকারি আব্দুল করিম সরকার কলেজ, আকচা উচ্চ বিদ্যালয়, মির্জাপুর প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কামারগাঁ প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়, কচুয়া -২ প্রাথমিক বিদ্যালয়। সাধারণ কেন্দ্র ১৪টি সেগুলো হল, কলমা সরকার প্রাথমিক, কন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, জুমারপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পাঁচন্দর প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃঞ্চপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, তাঁতিহাটি প্রাথমিক, সরনজাই সরকার পাড়া প্রাথমিক, সরনজাই প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মোহর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মাদারিপুর প্রাথমিক, পারিশো দূর্গাপুর প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয়, মিরাপুর হাতিশাইল প্রাথমিক ও সংলগ্ন উচ্চ বিদ্যালয় ও কাঠালপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়।
    অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রের বিষয়ে জানতে চাইলে তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুজ্জামান জানান, এসব কেন্দ্রে পুলিশের বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে।
    এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নাঈমা খান জানান, ঝুকিপূর্ণ বলতে কিছু নেই, কিছু কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। এটা নির্বাচনের একটা প্রক্রিয়ামাত্র। সব কেন্দ্রের উপর নজর দারি আছে। তারপরও অতি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র গুলোতে বাড়তি প্রশাসন থাকবে, সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কোন ধরনের অনাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এউপজেলায় শান্তিপূর্ন পরিবেশে প্রার্থীরা প্রচারণা চালিয়েছেন। আসা করছি ভোটের দিন একই পরিবেশ বজায় থাকবে।

  • ১৭ বছর পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ -ভুল সিদ্ধান্তে পিছিয়ে যাবে স্বরূপকাঠি: সোহেল মনজুর সুমন

    ১৭ বছর পর ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ -ভুল সিদ্ধান্তে পিছিয়ে যাবে স্বরূপকাঠি: সোহেল মনজুর সুমন

    নেছারাবাদ প্রতিনিধি,পিরোজপুর।

    “১৭ বছর পরে আমরা আমাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার সুযোগ পেয়েছি। আজকে যদি আমরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করি, তাহলে আমরা আরও পিছিয়ে যাবো।” পিরোজপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন সোমবার সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে আয়োজিত তার নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন।

    তিনি আরো বলেন, স্বরূপকাঠি উপজেলা দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে অবহেলিত। শহীদুল হক জামাল এমপির সময় যে উন্নয়ন হয়েছিল, পরবর্তী জনপ্রতিনিধিরা তা ধরে রাখতে পারেননি।

    তিনি অভিযোগ করে বলেন, “গত ১৭ বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ এসেছে, কিন্তু দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা তা লুটপাট করে নিয়ে গেছে।”
    সোহেল মনজুর সুমন বলেন, “আপনারা আমাকে একবার সুযোগ দিন, ইনশাআল্লাহ আমি এই ৩০ বছর পিছিয়ে থাকা স্বরূপকাঠিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে উন্নয়নের কাজে সহযোগিতা করুন।”
    তিনি আরও বলেন, “আর মাত্র দুই দিন বাকি। এই দুই দিনে ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের বোঝাতে হবে এবং ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে নিয়ে আসতে হবে।”

    এ সময় জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাবা সেলিমা রহমান, সদস্য, জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি। সভাপতিত্ব করেন মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান ওয়াহিদ, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান (নেছারাবাদ) ও সাবেক আহ্বায়ক, নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন , আকন কুদ্দুসুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বিএনপি (বরিশাল বিভাগ) মোঃ ফকরুল আলম, সাবেক সভাপতি নেছারাবাদ উপজেলা বিএনপি, মোঃ শফিকুল ইসলাম ফরিদ সাবেক মেয়র স্বরূপকাঠি পৌরসভা,
    আবদুল্লাহ আল-বেরুনী সৈকত সাবেক সদস্য সচিব নেছারাবাদ উপজেলা, নাসির উদ্দিন তালুকদার সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক,
    ওয়াহিদুজ্জামান মানিক যুগ্ম আহ্বায়ক, স্বরূপকাঠি পৌর বিএনপির সভাপতি কাজী মোঃ কামাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক
    মোঃ মইনুল হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক
    মোঃ হাফিজ সিকদার সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    জনসভার আয়োজন করে নেছারাবাদ উপজেলা ও স্বরূপকাঠী পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ প্রতিনিধি।।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষের গ্রামে ফিরতে চরম ভো-গান্তি ও বাসে দ্বি-গুণ ভাড়া

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানুষের গ্রামে ফিরতে চরম ভো-গান্তি ও বাসে দ্বি-গুণ ভাড়া

    হেলাল শেখঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোট দিতে গ্রামের বাড়ি ফিরতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাইপাইল এবং ঢাকা–আরিচা মহাসড়কে সৃষ্টি হয়েছে দীর্ঘ যানজট। চার দিনের সরকারি ছুটিকে কেন্দ্র করে পোশাক শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ একদিকে যেমন যানজটে আটকে পড়েছেন, অন্যদিকে পরিবহন সংকটের সুযোগ নিয়ে যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে দ্বিগুণেরও বেশি ভাড়া।

    মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, নির্ধারিত ভাড়ার তোয়াক্কা না করে বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন করা হচ্ছে এবং যাত্রীদের কাছ থেকে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া। অভিযোগ রয়েছে, সাভারের নবীনগর–মানিকগঞ্জ রুটে যেখানে স্বাভাবিক ভাড়া ১০০ টাকা, সেখানে নেওয়া হচ্ছে ৩০০ টাকা। একইভাবে বগুড়া রুটে ৫০০ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১,০০০ থেকে ১,২০০ টাকা পর্যন্ত।
    অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা কোথাও কোথাও বিক্ষোভ করেন এবং কয়েকটি যানবাহনে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। যাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই ভোগান্তির শেষ কোথায়? এর দায়িত্ব কে নেবে?”
    ভুক্তভোগীদের অনেকেই মনে করেন, ভবিষ্যতে যদি অনলাইন ভোটিং ব্যবস্থা চালু করা যায়, তাহলে এ ধরনের ভোগান্তি অনেকাংশে কমবে। তারা বলেন, প্রতিটি ভোটার যেন নিজ নিজ মোবাইল ফোন থেকেই নিরাপদভাবে ভোট দিতে পারেন-এমন ব্যবস্থা হলে সরকারের ব্যয়ও কমবে এবং একজনের ভোট অন্য কেউ দিতে পারবে না।

  • ঢাকা-১৯ আসনের সাভার- আশুলিয়া ঝুঁ-কিতে একাধিক ভোট কেন্দ্র

    ঢাকা-১৯ আসনের সাভার- আশুলিয়া ঝুঁ-কিতে একাধিক ভোট কেন্দ্র

    হেলাল শেখ: ঢাকা-১৯ আসনের সাভার ও আশুলিয়া এখন রীতিমতো রক্তাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। কিশোর গ্যাং ও মাদকসংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এলাকাবাসী। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই এলাকার একাধিক ভোটকেন্দ্র চরম ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

    গত এক মাস ধরে সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, সাভারের বিরুলিয়াসহ অন্তত ৫ থেকে ৬টি স্পট এবং আশুলিয়ার ধনাইদ, ইউসুফ মার্কেট, সরকার মার্কেট, জামগড়া গফুর মণ্ডল স্কুল সড়ক, জামগড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সড়ক ও মোল্লা বাজার এলাকায় ধারাবাহিকভাবে নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটছে। এই সময়ের মধ্যে ৮ থেকে ১০টি স্থানে গুলিবর্ষণ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়েছে কয়েকজন ব্যক্তিকে।

    এসব ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন আজাদ নামের ঝুট ব্যবসায়ী এক যুবককে। এছাড়া মুদি দোকানদার ব্যবসায়ী মান্নানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। সর্বশেষ গত রবিবার মোল্লা বাজার এলাকায় উজ্জ্বল শেখকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় দুর্বৃত্তরা।
    এলাকাবাসীর অভিযোগ, সাভার-আশুলিয়াজুড়ে চুরি, ছিনতাই, মাদক বেচাকেনা ও সশস্ত্র সন্ত্রাস নিয়মিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটনায়। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপত্তা নিয়েও চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে ঢাকা-১৯ আসন এলাকায়।

    এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুবেল হাওলাদার বলেন,“অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধী যেই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে নীলফামারী জেলা পুলিশের ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত

    মোঃ হামিদার রহমান নীলফামারী প্রতিনিধি   ১০ই ফেব্রুয়ারী  সকাল ১০. ঘটিকায় নীলফামারী জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে “ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬” শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ব্রিফিং প্যারেডের সভাপতিত্ব করেন নীলফামারী জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম, পিপিএম ।

    ব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার  ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ডিউটিতে নিয়োজিত সংশ্লিষ্ট অফিসার ও ফোর্সদের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে অবগত করেন। তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল পুলিশ সদস্যকে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।

    এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন  মহাসিন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), নীলফামারী,এ,বি,এম ফয়জুল ইসলাম  অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্), নীলফামারী। এ সময় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। 

    উল্লেখ্য যে, নীলফামারী জেলার চারটি সংসদীয় আসনে(ছয়টি উপজেলা) মোট ৫৬২ টি ভোট কেন্দ্রে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট-২০২৬  অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে  নির্বাচনের লক্ষ্যে ১৪৪৫ জন পুলিশ সদস্য নিয়োজিত করা হয়েছে ।

    হামিদার রহমান
    নীলফামারী প্রতিনিধি।।

  • কালীগঞ্জে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তিতে খুদে বিজ্ঞানীকে পুরুস্কার বি-তরণ

    কালীগঞ্জে বিজ্ঞান-তথ্যপ্রযুক্তিতে খুদে বিজ্ঞানীকে পুরুস্কার বি-তরণ

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাট জেলায়  কালীগঞ্জ উপজেলার প্রফিট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সহযোগিতা উপজেলায় বিভিন্ন ছাত্র-ছাত্রী ও খুদে বিজ্ঞানী কয়েকজন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

    উপজেলার বিজ্ঞানসেবী সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের  সহযোগিতা   বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিষয়ক আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। বিজ্ঞানসেবী সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ এর সভাপতিত্বে বিজ্ঞান হোক আমাদের চালিকাশক্তি এই প্রতিপাদ্য ও গুরুত্বারোপ করে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জের উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সাধন কুমার সাহা দলগ্রাম, দলগ্রাম  দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ জুয়েল আলম পিএফ সংস্থার চেয়ারম্যান মোছাঃ মোতাহারা বেগম পিএফ এর প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ শাহিনুর ইসলাম ও মুন্নি বেগম।

     

    জাতীয় পর্যায়ে সংস্থা প্রফিট ফাউন্ডেশনের  নির্বাহী পরিচালক জানান যে, আমাদের এ  কার্যক্রম দীর্ঘদিন থেকে উঠান বৈঠক, লিফলেট ক্যাম্পেইন ব্যাপক ভাবে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামীতে আরো ব্যাপক ভাবে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন। খুদে বিজ্ঞানী কয়েকজন বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

    হাসমত উল্লাহ।।