Blog

  • মোরেলগঞ্জে জ-লবায়ু সহনশীল কৃষি মেলা নবপল্লব প্রকল্পে কৃষকের আশার আলো

    মোরেলগঞ্জে জ-লবায়ু সহনশীল কৃষি মেলা নবপল্লব প্রকল্পে কৃষকের আশার আলো

    এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বিশেষ প্রতিনিধি:বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে জলবায়ু সহনশীল কৃষি চর্চা নিয়ে এক ব্যতিক্রমধর্মী মেলা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে কেয়ার বাংলাদেশ-এর নবপল্লব প্রকল্পের সহযোগিতায় আয়োজিত এই মেলা স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করে।
    মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র মৎস্য অফিসার রনজিত কুমার। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ইভানা বিলা ঋতু। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের সহসভাপতি এস. এম. সাইফুল ইসলাম কবির, সাধারণ সম্পাদক শিব সজল যিশু ঢালী এবং সংরক্ষিত ইউপি সদস্য মোসাম্মৎ ফরিদা বেগম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ নান্নু শেখ।
    অনুষ্ঠানের শুরুতে ধর্মীয় সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মো. তানভীর হোসেন, গীতা পাঠ করেন শিপল হালদার এবং বাইবেল পাঠ করেন জেমস টনি—যা উপস্থিত সবার মাঝে সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেয়।
    মেলায় নবপল্লব প্রকল্পের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন সিনিয়র উপজেলা প্রজেক্ট অফিসার নাজমুল হক রেজওয়ান, সিনিয়র এমঅ্যান্ডডি অফিসার নুসরাত জাহান এবং কমিউনিটি মোবিলাইজেশন ফ্যাসিলিটেটর হিমাদ্রী রায়, রিয়াজ আহমেদ ও আফিয়া সুলতানা। এছাড়া কমিউনিটি সুপারভাইজার হিসেবে মানতারা, আঁখি, জেমস টনি মল্লিক, রুমা, রুকাইয়া খাতুন, সাব্বির হোসেন, আল আমিন ইসলাম, লুৎফুল হাকিম, মিল্টন মন্ডল, খোকন চন্দ্র মজুমদার, রানা হাওলাদার এবং ইতিকা রাণী সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
    মেলায় নবপল্লব প্রকল্পের উদ্যোগে ১০টি প্রদর্শনী স্টল স্থাপন করা হয়, যেখানে জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত বীজ, টেকসই চাষাবাদ পদ্ধতি এবং কৃষি উপকরণ হাতে-কলমে প্রদর্শন করা হয়। বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে কৃষকদের ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা স্থানীয় হাজার হাজার কৃষক-কৃষাণীর জন্য অত্যন্ত উপকারী হয়ে ওঠে।
    আয়োজকরা জানান, উপকূলীয় অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কৃষকদের অভিযোজন ক্ষমতা বাড়াতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মেলাকে ঘিরে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয় এবং হাজারো মানুষের উপস্থিতিতে মাঠে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসে।
    স্থানীয় কৃষকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা অব্যাহত থাকলে জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলা করে তারা আরও লাভজনক ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যেতে পারবেন।

  • ‎চাঁদাবা-জ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে যাদুকাটা নদীতে এলাকাবাসী ও বালু শ্রমিকদের ক্ষো-ভ হতে পারে সং-ঘর্ষ

    ‎চাঁদাবা-জ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে যাদুকাটা নদীতে এলাকাবাসী ও বালু শ্রমিকদের ক্ষো-ভ হতে পারে সং-ঘর্ষ

    ‎কেএম শহীদুল সুনামগঞ্জ :
    ‎তাহিরপুর যাদুকাটা নদীতে চাদাঁবাজ বুরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে  এলাকাবাসী ও বালু শ্রমিকদের ক্ষোভ বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। যতই দিন যাচ্ছে যাদুকাটা নদীতে  চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর ক্ষোভ ততই  বেড়েই চলেছে। বুধবার সকালে অবৈধ ভাবে অদ্বৈত্য মন্দিরের পাড়ে বালু উত্তোলনের সময় বালু শ্রমিকদের কাছে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে জনগণের তুপের মুখে পরে চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর ক্যাডার বাদাঘাট ইউনিয়নের কামরাবন গ্রামের বাসিন্দা চিহ্নত গুন্ডা  সাইফুল (কসাই সাইফুল)। তিনি বুধবার সকালে অদ্বৈত্য মন্দিরের সামনে যাদুকাটা নদীর তীরে বালু শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজি করতে গেলে এলাকার সাধারণ মানুষেরা তাকে আটক করে। এসময় কসাই সাইফুল সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চাইলে, আর কোনদিন  বুরহান বাহিনীতে  চাদাঁবাজির কাজ  করবেনা অন্য কাজ বেছে নিবে বলে প্রতুশ্রুতি দিলে সাধারণ জনগণ তাকে প্রথম বারের মতো ক্ষমা করে ছেড়েদেন। এ ঘটনায় এলাকার মধ্যে সাধারণ মানুষ ও বোরহান বাহিনীর মধ্যে থমথমে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে, যে কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ।  ইজারা বহির্ভূত এলাকা ডালার পাড়ের অদ্বৈত্য মন্দিরে সামনে বালু খেকোঁ চিহ্নিত চাঁদাবাজ বোরহান বাহিনীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজদের সামাল দিতে ও নদীর পাড়কাটা বন্ধ করতে দুই দিন আগেও আরেক চাদাঁবাজকে গণধোলাই দিয়েছিল সাধারণ মানুষেরা। দুইদিন যেতে না যেতেই আবারও বোরহান বাহিনীর চাঁদাবাজরা বালু শ্রমিকদের কাছ থেকে চাঁদা তুলার কর্মকান্ড অব্যাহত রাখায় লিপ্ত হন। ১৮ই ফেব্রুয়ারী সকালে  এঘটনার খবর পেয়ে সাধারণ মানুষেরা ঐ চাদাঁবাজকে আটক করে ছেড়েদেন। এঘটনার খবর পেয়ে তাহিরপুর বাদঘাট ফাড়িঁ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করেন বলে জানা যায়। এব্যপারে তাহিরপুর বাদাঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ হাফিজুল ইসালামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান।ঘটনার খবর পেয়ে আমরা সারাদিন যাদু কাটা নদীতে অভিযান পরিচালনা করি। চাদাঁবাজ বাহিনী এবং ইজারা বহির্ভূত এলাকায় কোন অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীকে পাইনি। চাঁদাবাজি এবং অবৈধ বালু উত্তোলনের সাথে যারাই জড়িত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।##

  • প্রথম কার্যদিবসে ব্যস্ত সময় পার করতে যাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    প্রথম কার্যদিবসে ব্যস্ত সময় পার করতে যাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

    শপথ নেওয়ার পর প্রথম কার্যদিবসে ব্যস্ত সময় পার করতে যাচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বুধবার সকালে ঢাকার সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু করবেন তিনি।

    এরপর আজ বিকেলে সচিবালয়ে তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

    এদিকে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ধুয়ে-মুছে রং-তুলির আচড়ে সৌন্দর্যবর্ধন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সমগ্র স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ সিসিটিভি ক্যামেরা দ্বারা মনিটরিংসহ জাতীয় স্মৃতিসৌধে সর্বসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

    গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ার হোসেন আনু বলেন, স্মৃতিসৌধের বেদি, লেক এলাকা, সবুজ চত্বর ও প্রবেশপথ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে।

    ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।

    ইউনিফর্মধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। স্মৃতিসৌধ ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি, নজরদারি ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ বাজারে ভেকু দিয়ে ফসলী জমির মাটি উত্তোলন, ‘বি-ক্রির মহোৎসব’

    নাগেশ্বরীর রায়গঞ্জ বাজারে ভেকু দিয়ে ফসলী জমির মাটি উত্তোলন, ‘বি-ক্রির মহোৎসব’

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি।।

    বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অমান্য করে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের রায়গঞ্জ বাজার থেকে ১০০মিটার পূর্বে রায়গঞ্জ বালিকা স্কুল সংলগ দীর্ঘ দেড় মাস থেকে জাকির হোসেন তার দুই ফসলী জমি থেকে অবাধে এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছেন ফারক ব্যাপারীর ইটভাটায়। এতে উর্বরতা হারাচ্ছে ফসলী জমি। নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশে রায়গঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার ভুপাল চন্দ্র কয়েকবার ভেকু বন্ধ করে দেওয়ার পরেও মাটি খেকো চক্র প্রভাবশালী জাকির হোসেন ক্ষমতার দাপটে উপজেলা প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে অবাধে এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে জমির মাটি কেটে বিক্রি করছেন।

    জানা গেছে, নাগেশ্বরী উপজেলার রায়গঞ্জ ইউনিয়নের প্রান্তিক চাষিরা বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলা করে জমিতে দুইবার ফসল ফলিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটান। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, রায়গঞ্জ ইউনিয়নের মাটি উর্বর, এঁটেল দোআঁশ প্রকৃতির। এ মাটিতে পানি নিষ্কাশন কম হয় বলে অল্প সেচেই ভালো ফসল ফলে। ধান, পাট, আখ, ভুট্টা ও শাকসবজি এই অঞ্চলের প্রধান ফসল ফলান কৃষকরা।

    রায়গঞ্জ বালিকা স্কুল সংলগ দীর্ঘ দেড় মাস থেকে জাকির হোসেন বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অমান্য করে দুই ফসলী জমি থেকে অবাধে এক্সক্যাভেটর (ভেকু) দিয়ে গর্ত করে মাটি কেটে বিক্রি করছেন ফারক ব্যাপারীর ইটভাটায়। মাটি খেকো জাকির হোসেন অবৈধভাবে ফসলি জমি কেটে পুকুর বাস্তবায়ন করার নামে ৯হাজার টাকায় ১হাজার মাটি ইটভাটায় বিক্রি করে৷ লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।

    মাটি খেকো জাকির হোসেন জানান, আমার জমির মাটি আমি ভেকু দিয়ে খুঁড়ে বিক্রি করছি। এতে উপজেলা প্রশাসনে এতো মাথাব্যথা কেন। নাগেশ্বরী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ভেকু দিয়ে মাটি করার বিষয়ে লিখিতভাবে আবেদন করেছি। তারা কিছুই বলছেন না। নিউজ করেন তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

    নাগেশ্বরী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বদরুজ্জামান রিশাদ এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তদন্ত সাপেক্ষে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে শাস্তি প্রদান করা হবে।

    নাগেশ্বরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন জাহান লুনা বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন অমান্য করে ফসলি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সুজানগরে মৌরি ফসলের মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে মৌরি ফসলের মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগর উপজেলার সাগরকান্দিতে উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়ের আয়োজনে মসলার উন্নত জাত ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের(১ম সংশোধিত) আওতায় মৌরি ফসলের মাঠ দিবস ও কারিগরি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে এ মাঠ দিবস এবং কারিগরি আলোচনা সভায়প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রামানিক । বিশেষ অতিথি ছিলেন পাবনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ের অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) মো: রাফিউল ইসলাম। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো: সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সম্পা রানী।অনুষ্ঠানে দেড় শতাধিক কৃষক-কৃষাণি অংশ নেন। বক্তাগণ মুড়ি কাটা পেঁয়াজ জমিতে সাথী ফসল হিসাবে বারি মৌরি -১ চাষ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

  • আব্দুল হাই সিদ্দিকী এ-তিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার ৫ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান

    আব্দুল হাই সিদ্দিকী এ-তিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার ৫ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর: পাবনার সুজানগর উপজেলার তঁাতিবন্দ ইউনিয়নের আব্দুল হাই সিদ্দিকী এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার ৫ হাফেজকে পাগড়ি প্রদান করা হয়েছে। অত্র মাদ্রাসার হেফজ সমাপনকারী ৫ জন ছাত্রকে সোমবার রাতে এ পাগড়ি প্রদান করা হয় । অত্র মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ওসি আব্দুল হাই এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে হাফেজদের পাগড়ি প্রদান করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসসিরে কুরআন বিশিষ্ট মিডিয়া ব্যক্তিত্ব হাফেজ মাওলানা মোঃ আবরারুল হক আসিফ।মাদ্রাসার সভাপতি মেসের আলী সরদারের সভাপতিত্বে ও মাদ্রাসার সেক্রেটারি রহমত আলী শেখ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।এ সময় সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য প্রদান কালে ওসি আব্দুল হাই বলেন, কুরআন মানবতার মুক্তির সনদ। পথহারা মানুষকে আলোর পথ দেখাতে আল্লাহতায়ালা কুরআন নাজিল করেছেন। অস্থির পৃথিবীতে শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে দিতে হলে আমাদেরকে আবার কুরআনের কাছে ফিরে যেতে হবে। প্রিয় নবী (সা.) এর পদাঙ্ক অনুসরণেই মানবতার মুক্তি ও কল্যাণ। তিনি আরো বলেন,কুরআনে হাফেজরা আলোর দিশারি। আল্লাহ তাদের অন্তরে কুরআনের প্রতিটি অক্ষর গেঁথে দিয়েছেন। তাদের মধুর কণ্ঠে কুরআনের আয়াত মুসল্লিদের মুগ্ধ করবে। তাদের দেখে সবাই কুরআন শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ হবে।

  • রাজশাহীর গোদাগাড়ীর  সার্কেল এএসপিসহ স্ত্রীর বি-রুদ্ধে  দু-দকের মা-মলা

    রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সার্কেল এএসপিসহ স্ত্রীর বি-রুদ্ধে দু-দকের মা-মলা

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর গোদাগাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মির্জা মো. আব্দুস ছালাম ও তাঁর স্ত্রী শাহানা পারভীনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত প্রায় ৯৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার দুদকের রাজশাহী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করেন সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন।

    দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তানজির আহমেদ জানান, সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। তবে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দায়েরের কথা বলছেন এএসপি ছালাম।

    মামলার এজাহারে, শাহানা পারভীন সম্পদ বিবরণীতে ২১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য উল্লেখ করেন। তবে অনুসন্ধানে তাঁর নামে ৯৫ লাখ ১৬ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পায় দুদক। এর মধ্যে ৭৩ লাখ ৪২ হাজার টাকার সম্পদের তথ্য তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে গোপন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

    দুদক বলছে, পারিবারিক ব্যয় বিবেচনায় শাহানা পারভীনের মোট অর্জিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ২ লাখ ৮০ হাজার ৭৫০ টাকা। অথচ তাঁর বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে মাত্র ৭ লাখ ১৪ হাজার টাকা। ফলে ৯৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫০ টাকার সম্পদের কোনো বৈধ উৎস খুঁজে পাওয়া যায়নি।

    এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহানা পারভীন পেশায় গৃহিণী। এএসপি মির্জা মো. আব্দুস ছালাম ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ স্ত্রীর নামে বিনিয়োগ করে সম্পদ গড়ে তোলেন এবং পরবর্তীতে তা বৈধ করার চেষ্টা করেন। ২০২৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ পাওয়ার পর দীর্ঘ অনুসন্ধান ও তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ শেষে এ মামলা দায়ের করা হয়।

    জানতে চাইলে এএসপি মির্জা মো. আব্দুস ছালাম বলেন, ‘আমার স্ত্রী পৈত্রিক সূত্রেই ১৪ বিঘা জমি পেয়েছে। সে ২০১৪ সাল থেকে আয়কর দিয়ে আসছে। সব সম্পদ বৈধ। হয়রানি করার জন্য মামলাটি করা হয়েছে।’

    তিনি দাবি করেন, একটি বেনামি অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি করা হয়েছে। এই মামলার অনুসন্ধানকালে দুদক কর্মকর্তা পুলিশ সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করেন। এ নিয়ে তার স্ত্রীর সঙ্গে দুদক কর্মকর্তার বাগবিতন্ডা হয়। এ কারণে ‘গায়ের জোরে’ মামলা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি জীবনের , প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়? মিরপুরে ক্ষো-ভ

    অ-স্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার বিক্রি জীবনের , প্রশাসনের ভূমিকা কোথায়? মিরপুরে ক্ষো-ভ

    সুমন খান:

    ঢাকার মিরপুর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন যে, বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কমিউনিটি সেন্টার থেকে বেঁচে যাওয়া বা অব্যবহৃত খাবারগুলো পুনরায় গরম করে, রঙ,মসলার ছলে ফুটপাতের সামনে বিক্রি করা হচ্ছে স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে। মালিক এই জীবনের ক্যানভাসের মাধ্যমে মাইক দিয়ে সোশ্যাল মিলিয়ে ইউটিউবে দিয়ে নিয়ে প্রচারণে লিপ্ত থাকেন এই জীবন।স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী,অনুষ্ঠান শেষে বেঁচে যাওয়া ভাত, মাংস ও অন্যান্য খাবারগুলোকে সংগ্রহ করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এটি জ্বালাই হিট/জাল আগুনে গরম করছে।গরম করার পর রঙ, মসলা ও খাদ্য সাজানোর উপকরণ ব্যবহার করে ফুটপাতেই খাবার পরিবেশন করছেন।সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত এসব খাবার বিক্রির জন্য ফুটপাত, ফুটপাথের সামনে বা রাস্তাঘাটে অবস্থান দেখা যায়।এমন পরিবেশ থেকে সংগ্রহ করা খাদ্য পচা বা ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকে, যা ফুড পয়জনিং বা পেটের সংক্রমণসহ গুরুতর রোগের কারণ হতে পারে।
    স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং প্রস্তুতকারকদের দায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করেছেন যে অপরিষ্কার পরিবেশে খাবার তৈরি বা সংরক্ষণ করা ফুড পয়জনিং, হজমজনিত সমস্যা, ডায়রিয়া, টাইফয়েড, ভাইরাল সংক্রমণ ও অন্যান্য খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় বিশেষ করে বাসি খাবার গরম করার পরও ব্যাকটেরিয়ার টক্সিন সহজে নষ্ট হয় না, যা শরীরে প্রবেশ করলে রোগ সৃষ্টি করতে পারে। ঢাকা শহরের অন্যান্য অঞ্চলে যেমন ফুটপাতের অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে আইনি নোটিশ পর্যন্ত দেয়া হয়েছে এবং বিভিন্ন দপ্তর এগিয়ে এসেছে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে। ২০২৩ সালে রাজধানীর ফুটপাতের খাবার বিক্রি বন্ধে আইনি নোটিশ পর্যন্ত পাঠানো হয়েছিল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনকে। সিটি করপোরেশন অভিযান ও বাস্তব পরিস্থিতি
    গত বছর ঢাকার বিভিন্ন ফুটপাত, বিশেষত রূপনগর, মিরপুর-১ ও দুই ও ১০ এই ছয়,প্রত্যেকটি কমিটির সেন্টার এলাকা থেকে , এলাকায় সিটি করপোরেশন কর্তৃক দেওয়াল ভাঙচুর ও অবৈধ দোকান উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছিল। এতে ফুটপাত ও ফুটপথে থাকা কিছু অস্থায়ী ব্যবসায়ী সরানো হলেও এই ধরনের ব্যবসায়ের মৌলিক সমস্যা সম্পূর্ণভাবে তলানিতে যায়নি।সরকারি মোবাইল কোর্ট ও খাবার নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের অভিযানও ভাবে চালানো হয়, কিন্তু নিয়মিততা বা দীর্ঘমেয়াদি নজরদারি নেই, বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। পূর্বে মিরপুরসহ ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুত–বিক্রির জন্য রেস্টুরেন্ট বা দোকানও জরিমানার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু ফুটপাতে চলমান অবৈধ ব্যবসা এখনো ব্যাপকভাবে বিরাজমান এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন,সন্ধ্যা নামলেই ফুটপাতের সামনে জীবন নামের এক ব্যক্তি ও তার সহযোগীরা খাবার সাজিয়ে বিক্রি করেন। আমাদের শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া, পেট ব্যথা ও জ্বরের মতো সমস্যা বেড়েছে। বর্তমানে নিরাপদ খাদ্যের যথাযথ কোনো নজরদারি নেই।ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা কমিউনিটি সেন্টারের খাবার যে পুনরায় বিক্রি করা হয় তা শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়; জীবন–মৃত্যুর ঝুঁকিও তৈরি করছে।স্থানীয়রা নিম্নোক্ত ব্যবস্থা দাবি করছেন এলাকাবাসী ,নিয়মিত সিটি করপোরেশন ও খাদ্য নিরাপত্তা দায়িত্বরত দলগুলোর অভিযান।
    কমিউনিটি সেন্টার,অনুষ্ঠান শেষে খাবার সংরক্ষণ ও অপচয় নিয়ন্ত্রণে কঠোর নীতিমালা।আইনি পদক্ষেপ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ। মিরপুরের এই ফুটপাত ‘বাসি অস্বাস্থ্যকর খাবার’ বিক্রির ঘটনা শুধু বাজারের অব্যবস্থাপনা নয় , এটি জনস্বাস্থ্যের একটি বিশাল চ্যালেঞ্জ। যথাযথ নজরদারি, প্রশাসনিক সহায়তা ও জনসচেতনতার অভাবে সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে এবং এটি ব্যবসায়ী ভোক্তা উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শীঘ্রই কার্যকর অভিযান ও স্থায়ী সমাধান আশা করা হচ্ছে।

  • সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ওয়াজেদ সিন্ডিকেট জমি রেজিস্ট্রি করতে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা

    সাবরেজিস্ট্রি অফিসে ওয়াজেদ সিন্ডিকেট জমি রেজিস্ট্রি করতে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।।
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু সাবরেজিস্ট্রি অফিসে জমি সরকারী ফি’র বাইরে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। দলিল লেখক সমিতির কথিত সভাপতি ওয়াজেদ আলী খার নেতৃত্বে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অফিসে রামরাজত্ব কায়েম করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। সাবরেজিষ্ট্রারের নাম ব্যবহার করে এই অর্থ আদায় করা হলেও কোন প্রতিকার পায় না জমি ক্রেতা বিক্রেতারা।হরিণাকুন্ডু শহরের চিথলীপাড়া গ্রামের হাসান (ছদ্ম নাম) অভিযোগ করেন, সম্প্রতি একটি জমি রেজিস্ট্রির সময় তার কাছে ওয়াজেদ আলী আড়াই লাখ টাকা দাবি করেন। অনেক দেনদরবারের পর এক লাখ টাকায় রফা হয়।নারায়নকান্দি গ্রামের লিয়াকত আলী বলেন, শ্বাশুড়ির নামে থাকা জমি স্ত্রীর নামে হস্তান্তরের পর বিক্রির সময় কাগজপত্রে নানা ত্রুটির কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। “সরকারি ফি’র বাইরে বড় অঙ্কের টাকা না দিলে কাজ হয় না” অভিযোগ তার।আব্দুস সালাম নামে এক ভুক্তভোগী জানান, প্রতি সপ্তাহে নির্ধারিত রেজিস্ট্রি দিবসে বিপুলসংখ্যক মানুষ জমি রেজিস্ট্রি করতে এলে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অজুহাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন সভাপতি ওয়াজেদ আলী ও তার নিয়োজিত লোকজন। কয়েকজন দলিল লেখক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ওয়াজেদ আলী এজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ। অথচ তিনি প্রায় ১৬/১৭ বছর ধরে জোরপুর্বক টাকা আদায় করে নিজের আখের গুছিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এতই গুটিবাজ যে আওয়ামীলীগের আমলেও সভাপতি সেজে হারাম অর্থ কামিয়ে গেছেন। এখন তিনি বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে এই চাঁদাবাজ সিন্ডিকেট চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    হরিণাকুন্ডু পৌর বিএনপির সভাপতি জিন্নাতুল হক খান জানান, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ওয়াজেদ আলী খা বিএনপির কোন পদে নেই। দলের নাম ভাঙ্গি তিনি দীর্ঘদিন ধরে জমি ক্রেতা-বিক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে শুনেছি। তিনি বলেন, দলের নাম ভাঙ্গিয়ে যারা এই অনৈতিক কাজ করবেন তাদের অচিরেই প্রতিহত করা হবে। তানিয়া খাতুন নামে এক শিক্ষার্থী জানান, হরিণাকুন্ডু সাবরেজিস্ট্রি অফিসে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা জরুরি। নইলে জমি রেজিস্ট্রির মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা খাতে সাধারণ মানুষ হয়রানি ও অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখে পড়তেই থাকবে।অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট সাবরেজিস্ট্রার মোমিন মিয়ার নাম ভাঙিয়েও অর্থ আদায় করা হয়। যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবরেজিস্ট্রার মোমিন মিয়া বলেন, “সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ আমার নাম ব্যবহার করলে তা সম্পূর্ণ বেআইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করা হবে।”দলিল লেখক সমিতির সভাপতি ওয়াজেদ আলীর বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে তিনদিন ধরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে জেলা রেজিস্ট্রার সাব্বির আহম্মেদ বলেন, “সুনির্দিষ্ট লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।”হরিণাকুন্ডু উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিদারুল আলম মঙ্গলবার বিকালে জানান, সরকারী ফি’র বাইরে তো টাকা নেওয়ার কথা নয়। যদি এমন অনৈতিক লেনদেন করেই থাকেন তবে সাবরেজিষ্টার তো প্রতিকার করতে পারেন। তিনি বলেন, আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।।

  • নড়াইলে বিএনপি নেতার বাড়িতে পেট্রোল বো-মা মেরে অ-গ্নিসংযোগের অভিযোগ পুলিশের  ঘটনাস্থল পরিদর্শন

    নড়াইলে বিএনপি নেতার বাড়িতে পেট্রোল বো-মা মেরে অ-গ্নিসংযোগের অভিযোগ পুলিশের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলে বিএনপির সভাপতির বাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
    নড়াইল সদর উপজেলায় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন মোল্যার বাড়িতে পেট্রোল বোমা মেরে প্রতিপক্ষরা অগ্নিসংযোগ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১টার দিকে হবখালি ইউনিয়নের বিলডুমুরতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
    ভুক্তভোগী হবখালি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হুমায়ূন মোল্যার পরিবারের সদস্যরা জানান, সোমবার রাত ১টার দিকে বিকট শব্দ পেয়ে তাদের ঘুম ভাঙে। এ সময় ঘরে দাউ দাউ করে আগুন দেখতে পান। আগুনে ধান, রবিশস্যসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে, তবে, ঘরে কোনো লোক ছিলেন না। তারা দাবি করেন সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে তারা বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মনিরুল ইসলামের পক্ষে কাজ করায় বিএনপির প্রার্থীর সমর্থকরা তাদের ঘরে পেট্রোল বোমা মেরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
    তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে ধানের শীষের সমর্থক হবখালী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম টিংকু বলেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকরা ষড়যন্ত্র করে আগুন দিয়ে আমাদের লোকজনের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।
    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অগ্নিসংযোগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে