আলিফ হোসেন,তানোরঃ
ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সোমবার তানোর পৌরসভার গোল্লাপাড়া বাজার ফুটবল মাঠে
তানোর উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে রাজশাহী-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী (প্রতিক ধানের শীষ) মেজর জেনারেল (অবঃ) শরীফ উদ্দিনের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হবে। এই জনসভা সফল করার লক্ষ্যে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় তানোর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মিজানুর রহমান মিজান। তিনি তাঁর বক্তব্যে আসন্ন জনসভার সার্বিক প্রস্তুতি, কর্মসূচি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট গণমাধ্যম কর্মীদের সামনে তুলে ধরেন।
মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন তানোর পৌর বিএনপির আহবায়ক একরাম আলী মোল্লা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা ড্যাব নেতা ডা. মিজানুর রহমান, পাঁচন্দর ইউনিয়ন (ইউপি) বিএনপির সভাপতি সহযোগী অধ্যাপক মজিবুর রহমান, বিএনপি নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল মান্নান, বিএনপি নেতা তোফাজ্জুল ইসলাম তোফা, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক গোলাম মোর্তুজা, উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি পলি বেগম, তানোর পৌর কৃষক দলের আহবায়ক মশিউর রহমান, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা সমশের, নজরুল, তানোর পৌর ছাত্রদলের আহবায়ক রনজু ইসলাম ও আতিকুর রহমান লিটনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা বলেন, তানোরের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ এবং শেষ জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবে বলে তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এবিষয়ে তানোর পৌরসভার সাবেক মেয়র মিজানুর রহমান মিজান বলেন,নির্বাচনী জনসভা ঘিরে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার পাশাপাশি রীতিমতো উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তিনি বলেন,নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই জনসভা স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জনসভায় পরিণত হবে ইনশাল্লাহ।#
Blog
-

তানোরে গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে বিএনপির ম-তবিনিময়
-

দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়
উজ্জ্বল রায়, প্রতিনিধি:
দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়। দেবী-যশোরেশ্বরী শক্তিপীঠের নাম-যশোরেশ্বরী। এই পীঠ বাংলাদেশের খুলনায়। হাসনাবাদ রেল স্টেশন থেকে ২৫ মাইল দূরে ঈশ্বরী পুরে। পীঠনির্ণয়তন্ত্র মতে এখানে দেবী সতীর হস্তের পাণিপদ্ম পড়েছিলো। পাণিপদ্ম কি? এটি কিন্তু দেহের কোনো অঙ্গ নয়, কিন্তু দেহের সাথে জড়িত। পাণি” শব্দের অর্থ হস্ত, পদ্ম একটি ফুল। অর্থাৎ দেবীর হাতের পদ্ম এখানে পতিত হয়েছিলো। দেখবেন দেবী হস্তে পদ্ম ধারন করেন। পদ্ম কোমলতা ও পূর্ণ বিকাশের প্রতীক। এখন প্রশ্ন দেবীর পদ্ম হতে কিভাবে দেবী সৃষ্টি হোলো ? পদ্ম ত জলজ পুস্প। উদাহরণ এই যে দক্ষ প্রজাপতির তপস্যায় তুষ্টা হয়ে আদ্যাশক্তি মহামায়া দক্ষ দুহিতা সতী রূপে জন্ম নিয়েছিলেন, দেবীর অঙ্গে নানা দেবীশক্তি বিদ্যামান ছিলো, দেবী যা ধারন করতেন তাতেও দেবীর শক্তি ছিলো সমভাবে বিদ্যামানা। সুতরাং দেবীর সেই করের পদ্মটিও একজন দেবী। পীঠনির্ণয়তন্ত্র তন্ত্র শাস্ত্রে লিখিত আছে-
যশোরে পাণিপদ্ম দেবতা যশোরেশ্বরী
চণ্ডশ্চ ভৈরবো যত্র তত্র সিদ্ধির্ণসংশয়।
দেবীর নাম যশোরেশ্বরী, তাঁর ভৈরব হলেন চণ্ড । দেবীকে এখানে সর্ব সিদ্ধিদায়িনী বলা আছে। যশ” প্রদানকারিণী মহাশক্তি তিনি। যশ শব্দের অর্থ কীর্তি । সকাম উপাসকেরা দেবীর কাছে আয়ু, আরোগ্য, সৌন্দর্য, টাকা, ধন, দৌলত, সুন্দরী স্ত্রী “রূপং দেহি যশ দেহি ভার্যাং দেহি ” বলে প্রার্থনা করেন । দেবী এই সকল যশ প্রদান করেন। আবার নিস্কাম উপাসকেরা চৈতন্য, আত্মজ্ঞান, মাতৃকৃপা, মাতৃ দর্শন ইত্যাদি যশ বা কীর্তি প্রার্থনা করেন, দেবী সেসকল কিছু প্রদান করেন । সেই জন্য দেবীর নাম যশোরেশ্বর। আর এই পীঠকে সর্ব সিদ্ধিদায়িনী বলে তন্ত্রে লিখিত হয়েছে । ঠিক এই কারনে সর্ব প্রকার বিকাশ বা অভ্যুত্থানের প্রতীক পদ্ম পুস্প দেবীর হস্ত থেকে এখানে পতিত হয়েছে ।
দয়াময়ী মায়ের কৃপা কতো । স্বেচ্ছায় নিজ দেহ থেকে ৫১ পীঠ সৃষ্টি করে মানব কল্যাণের জন্য বিরাজিতা হলেন । ভক্তি- শক্তি- মুক্তি মেলে দেবীর শক্তিপীঠে গিয়ে।
এই মন্দিরের প্রকাশ কিভাবে ঘটে ? বাংলার বার ভুইয়াদের রাজত্ব আমলের কথা। রাজা প্রতাপাদিত্যের এক বিশ্বস্ত অনুচর ছিলো। তাঁর নাম কমলখোঁজা। তিনি ইচ্ছামতী নদীর তীরে একদা ভ্রমণ কালে একটি জ্যোতি দেখতে পান। এরপর তিনি মহারাজাকে জানালে মহারাজ প্রতাপাদিত্য সেই বাদাবন পরিষ্কার করে দেবীর অঙ্গশিলা প্রাপ্তি করেন। ভিন্ন মতে যশ পাটনী নামক এক মাঝি নদীবক্ষে জ্যোতি দর্শন করেন। তিনি এই অলৌকিক কাণ্ড রাজা প্রতাপাদিত্যকে জানালে রাজা সেই স্থানে ডুবুরী নামিয়ে দেবী সতীর অঙ্গশিলা উদ্ধার করেন । এই ঘটনার পর রাজা প্রতাপাদিত্যের যশ বৃদ্ধি পায়। তিনি উৎকল আক্রমণ করে উৎকলেশ্বর শিব ও গোবিন্দ মূর্তি হরণ করে আনেন ও নিজ রাজ্যে মন্দির স্থাপনা করে প্রতিষ্ঠা করেন । অপরদিকে মুঘল শাসনকালে আকবরের নেতৃত্বে জয়পুরের রাজা মানসিংহ প্রতাপাদিত্যের রাজ্যে আক্রমণ করে দেবী সতীর অঙ্গশিলা জয়পুরে নিয়ে যান। সেখানেই এখন পূজা হয়। একটা প্রবাদ আছে না- হিন্দুই হিন্দুর বড় শত্রু”। রাজা প্রতাপাদিত্য যেমন হিন্দু রাজ্য উৎকল আক্রমণ করে অযথা হিন্দু হিন্দুর মধ্যে যুদ্ধ লাগালেন, আবার রাজা মানসিংহ তিনিও হিন্দু রাজ্য আক্রমণ করে অযথা হিন্দুদের মধ্যে রক্তপাত ঘটালেন। মাঝখান থেকে “লাভের গুড়” খেলো মুঘলেরা।
দেবী যশোরেশ্বরীর মন্দির নির্মাণ করেছিলেন রাজা প্রতাপাদিত্যের কাকা শ্রী বসন্ত রায়। এই মন্দির অনেক পুরানো-দেখলেই বোঝা যায়। রাজার আমলে এই মন্দির নাকি প্রচুর কারুকার্যে শোভিত ছিলো । সেই সব চোখ ধাঁধানো কারুকার্য এখন আর নেই । সিমেন্টের আবরণের তলায় ঢাকা পরে গেছে। আশেপাশে রাজার নির্মিত যাত্রীনিবাস সেগুলিও এখন ধূলিসাৎ । স্থানীয় এক পুরোহিতের বাড়ীতে মায়ের শির আছে । স্থানীয় পুরোহিতের কথায় রাজা মানসিংহ নাকি নকল অঙ্গশিলা নিয়ে গেছিলেন । যাই হোক এসকল বিতর্কিত বিষয়। স্থানীয় একঘর অধিকারী ব্রাহ্মণ বংশ পরম্পরা ধরে মন্দিরে পূজোর দায়িত্ব পালন করছেন । অতীতে নাকি এই মন্দিরে নরবলি হোতো। তন্ত্র মতে দেবীর পূজো হয়। দেবী এখানে কালী রূপিনী। এখন ছাগাদি বলি হয়।
এই মন্দিরের সামনে একটি রাজার নির্মিত বাটি ছিলো। এক সময় দেবীর বিশাল সমারোহে পূজা হোতো। সেই বাটিতে বহু পাণ্ডা, পুরোহিত থাকতেন। এটাও এখন নেই। যশোর থেকে যশোরেশ্বরী যশোরের দক্ষিণে সাতক্ষীরা তে যেতে হবে। সাতক্ষীরা থেকে কালীগঞ্জ ৩৩ কিমি। সেখান থেকে শ্যামনগর হয়ে ২ কিমি দূরে বংশীপুর বাজার। সেখান থেকে অল্প দূরে এই মন্দির। পশ্চিমবঙ্গ থেকে ঢাকা যাওয়ার বাস আছে । ঢাকা থেকেও এই মন্দিরে যাওয়া যায় । এই হোলো মা যশোরেশ্বরীর কথা। আসুন মায়ের চরণে প্রনাম জানিয়ে বলি-
সহিতমহাহব মল্লমতল্লিক মল্লিতরল্লক মল্লরতে
বিরচিত বল্লিক পল্লিক ঝিল্লিক ভিল্লিক বর্গবৃতে ।
সিতকৃতফুল্ল সমুল্লসিতারুণতল্লজ পল্লব সল্ললিতে
জয় জয় হে মহিষাসুরমর্দিনী রম্যকপর্দিনি শৈলসুতে ।।
অর্থাৎ- হে মাতঃ! তুমি জুঁইফুলের লতার মতো কোমল হয়েও বহুবিধ মল্লযুদ্ধ বিশারদ যোদ্ধার শক্তিকেও হার মানিয়েছো। কিন্তু তবু মধুমক্ষিকাকুলে সমাকীর্ণ জুঁইফুলে সুসজ্জিতা পল্লিবালার মতো সদ্যজাত ও ঈষৎলাভের কচিকচি পত্রপল্লব দ্বারা বেষ্টিতা মহানন্দে পরিপূর্ণা তুমি অতি সুন্দর । তুমি শৈলসুতা জটাজুটধারিণী পার্বতী। তুমিই মহিষাসুর বধ করেছো। উজ্জ্বল রায়, প্রতিনিধি। -

নড়াইলে ভ্যান চালকের র-ক্তাক্ত ম-রদেহ উ-দ্ধার
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে ঘর থেকে ভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার। নড়াইল সদর উপজেলায় জাহাঙ্গীর হোসেন সানা (৫৫) নামে এক ভ্যান চালকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে হত্যার পর তার ব্যবহৃত ভ্যানটি নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সদর উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের বাড়ি থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত জাহাঙ্গীর সানা যশোরের মণিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি গ্রামের নয়েজ সানার ছেলে। তিনি পেশায় একজন ভ্যান চালক ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাহাঙ্গীর হোসেন সানা প্রায় ১৫ বছর আগে নড়াইল সদর উপজেলায় আসেন। গত এক বছর ধরে তিনি চাঁদপুর গ্রামের আবুল কালাম আজাদের বাড়ি দেখাশোনা করতেন এবং সেখানে একাই বসবাস করতেন। প্রতিদিনের মতো ভ্যান চালিয়ে শনিবার রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেন। রোববার বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা জাহাঙ্গীরের ঘরের দরজা খোলা দেখে তাকে ডাকাডাকি করেন। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে ঘরের ভেতরে গিয়ে তারা জাহাঙ্গীরের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত জাহাঙ্গীরের স্ত্রী বিউটি বেগম বলেন, ‘গত দুইদিন ধরে মান-অভিমানের কারণে তার সাথে আমার যোগাযোগ ছিল না। খবর পেয়ে এসে দেখি তাকে হত্যা করে ভ্যানটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে। যারা আমার স্বামীকে হত্যা করেছে, আমি তাদের কঠোর বিচার চাই।’
এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অপরাধীদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। দ্রুতই তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।
-

তানোরে জামায়াতের গণ-মিছিল ও পথসভা
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
ত্রয়োদ্বশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১ আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও ভোট প্রার্থনা করে রাজশাহীর তানোরে উপজেলা জামায়াত এবং সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে নির্বাচনী গণ-মিছিল ও পথসভা আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, রোববার (৮ফেব্রুয়ারী) বিকেলে উপজেলা ডাকবাংলো মাঠ থেকে নির্বাচনী গণ-মিছিল শুরু হয়ে পৌর সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে থানা মোড়ে পথসভার মধ্যদিয়ে সম্পন্ন হয়।
এদিন পথসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী-১ (তানোর -গোদাগড়ী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনিত (দাঁড়িপাল্লা প্রতিক) প্রার্থী কেন্দ্রীয় জামায়াতের নায়েবে আমির ও সাবেক সাংসদ অধ্যাপক মজিবুর রহমান। এ সময় তিনি আল্লাহর আইন প্রতিষ্ঠায় ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিক দাঁড়ি পাল্লায় ভোট প্রার্থনা করেন।তিনি বলেন, অতীতে যারা ক্ষমতায় এসেছে সবাই দুর্নীতি করেছে। কিন্তু ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। আমরা ক্ষমতায় গেলে দেশে কোন দুর্নীতি হবে না। ন্যায় বিচার ও এদেশের মানুষের উন্নয়নে তার দল কাজ করবে।
উপজেলা জামায়াতের আমীর আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক ডিএম আক্কাস আলী দেওয়ানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত পথসভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা আদর্শ শিক্ষক ফেডারেশনের সভাপতি ড. ওবায়দুল্লাহ, রাজশাহী জেলা মসজিদ মিশন বিষয়ক সভাপতি অধ্যাপক জামিলুর রহমান, জামায়াতের পশ্চিম জেলা সাবেক আমির আমিনুল ইসলাম,মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, পাঁচন্দর ইউপি জামায়াতের আমির মাওলানা জুয়েল রানা,চাঁন্দুড়িয়া ইউপি জামায়াতের আমির রুহুল আমিন ও সরনজাই ইউপি জামায়াতের আমির কাজি আফজাল হোসেনপ্রমুখ।
এদিন তানোর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বিপুল সংখ্যক নেতা ও কর্মী-সমর্থকগণ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে নেতাকর্মীদের নিয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এবং সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত জামায়াতের এমপি প্রার্থী অধ্যাপক মজিবুর রহমান বিভিন্ন গ্রামে ও পাড়া মহল্লার বাড়ি বাড়ি এবং হাট বাজারের দোকানপাটে গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি সন্ধ্যার পর মুন্ডুমালা পৌরসভা জামায়াতের আয়োজনে প্রচার মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। -

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষণ কার্ড না পেয়ে সাংবাদিকদের ক্ষো-ভ প্রকাশ
হেলাল শেখঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহের জন্য পর্যবেক্ষণ কার্ড না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেক সাংবাদিক। অভিযোগ উঠেছে, নিয়ম মেনে আবেদন করেও দুই দিন ধরে অপেক্ষা করে হয়রানির শিকার হয়েছেন অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) রাত সাড়ে ৯টার দিকে দৈনিক ঢাকা পত্রিকার সাংবাদিক সৌরভ জানান, রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন অফিসে নির্ধারিত সকল নিয়ম-কানুন অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিলেও অনেক সাংবাদিককে পর্যবেক্ষণ কার্ড দেওয়া হয়নি। তিনি বলেন, “এটি স্পষ্ট মানবাধিকার লঙ্ঘন। সাংবাদিকদের ক্ষেত্রেও বৈষম্যের বেড়াজাল তৈরি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অন্যায়।” তিনি আরও বলেন, সংবাদ সংগ্রহের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদার পরিপন্থী।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থার ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, “সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে গিয়ে কেন এত বাধার সম্মুখীন হবেন? সাংবাদিকদের সঙ্গে কেন বৈষম্যমূলক আচরণ করা হচ্ছে-এটা সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘন।” তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, “সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা এবং তাদের সংবাদ সংগ্রহের কাজে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ কার্ড না দিয়ে বাধা সৃষ্টি করার কারণ কী? এটা কেমন বিচার?”
-

মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠকে ধানের শীষে ভোটের আহ্বান,আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর পক্ষে গ-ণসংযোগ জো-রদার
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রাম-১১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী জননেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তৃণমূলে গণসংযোগ ও জনমত গঠনের অংশ হিসেবে মধ্যমপাড়ায় উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৪১ নং ওয়ার্ডের মধ্যম পাড়া (দক্ষিণ পাড়া) এলাকায় আয়োজিত এ উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সহধর্মিণী তাহেরা খসরু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পতেঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর মোঃ নুরুল আবছার।
উঠান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ৪১ নং ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক নাজমুল হুদা চৌধুরী নাজিম এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান মিয়া।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তাহেরা খসরু বলেন, “দেশ আজ এক সংকটকাল অতিক্রম করছে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য ধানের শীষের বিকল্প নেই। জননেতা আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সবসময় চট্টগ্রামের মানুষের অধিকার আদায়ে সোচ্চার ভূমিকা রেখেছেন।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মোঃ নুরুল আবছার বলেন, “চট্টগ্রাম-১১ আসনের উন্নয়ন ও জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একজন পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা। তৃণমূল বিএনপি ঐক্যবদ্ধ থাকলে বিজয় নিশ্চিত হবে।”
উঠান বৈঠকে আরও বক্তব্য রাখেন ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. জসিম উদ্দিন মিলকি, থানা বিএনপির সাবেক তাঁতী বিষয়ক সম্পাদক মো. আলী আকবর, সংগঠক কাজী জিয়া উদ্দিন সোহেল, ওয়ার্ড সদস্য মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, স্বেচ্ছাসেবক দলের ওয়ার্ড আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম রিপন, ছাত্রদল নেতা মো. শাহীন মুরাদ এবং মহিলা দল নেত্রী নুরজাহান।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এই অবস্থা থেকে মুক্তির একমাত্র পথ হলো ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করা। উঠান বৈঠকে উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় ভোটাররা ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
-

ময়মনসিংহে সিপিবির প্রার্থী এড মিল্লাতের কাস্তে মার্কার সমর্থনে বিশাল সমাবেশ ও গ-ণমিছিল
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
মহান মুক্তিযোদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য,মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক শক্তির সরকার গঠনে সকলের কাছে কাস্তে মার্কায় ভোট ও দোয়া প্রত্যাশায়
ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের কাস্তে প্রতীকের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাতের বিজয়ের লক্ষে নির্বাচনী সমাবেশ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।রবিবার (৮ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ময়মনসিংহ নগরীর রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে অনুষ্ঠিত সমাবেশ শেষে কাস্তে মার্কার একটি বিশাল গণমিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিপিবি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতিমন্ডলীর সদস্য রাগীব আহসান মুন্না।
সিপিবি সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি কমরেড সাজেদা বেগম সাজুর সভাপতিত্বে ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আল আমিন আহমেদ জুনের সঞ্চালনায় সমাবেশে কাস্তে মার্কায় ভোট ও সকলের দোয়া চেয়ে বক্তব্য রাখেন সিপিবি মনোনীত গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত।
সমাবেশে সিপিবি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এমদাদুল হক মিল্লাত বলেন, নির্বাচিত হলে কৃষকের অধিকার, শ্রমিকের অধিকার, মেহনতি মানুষের অধিকার, বঞ্চিতদের অধিকার রক্ষা করবো। ২০২৪ সালে আমরা যে আকাঙ্ক্ষা নিয়ে অভ্যূত্থান করেছিলাম, সেই আকাঙ্ক্ষাকে একটি কুচক্রি মহল ভেঙ্গে দিয়ে তছনছ করে দিয়েছে। এই ময়মনসিংহে যারা মানুষের উপর আঘাত আনবে, যারা ধর্মের উপর আঘাত আনবে, যারা মতের উপর আঘাত আনবে তাদের বিরুদ্ধে সামনের নির্বাচনে কাস্তে মার্কা জোরেসোরে গর্জে উঠবে। এ সময় তিনি মহান মুক্তিযোদ্ধের অঙ্গীকার সাম্য,মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা ও ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের গণআকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য বামপন্থী ও গণতান্ত্রিক শক্তির সরকার গঠনে সকলের কাছে কাস্তে মার্কায় ভোট ও দোয়া চান।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সিপিবি ময়মনসিংহ জেলার সাধারণ সম্পাদক শেখ বাহার মজুমদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক মোকসেদুর রহমান জুয়েল, বীর মুক্তিযোদ্ধা বিমল পাল ও প্রার্থীর কন্যা প্রমা ইশরাত প্রমুখ। সমাবেশ শেষে ময়মনসিংহ নগরীতে একটি বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হলে মিছিলে সর্বস্তরের জনতার অংশ গ্রহণে মিছিলটি জনস্রোত পরিণত হয়।
-

ময়মনসিংহ-৪ আসনে দাঁড়ি পাল্লা প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান এমরুল এর ব্যাপক গ-ণসংযোগ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে ময়মনসিংহ-৪ (সদর) আসনের প্রতিটি জনপদ এখন নির্বাচনী আমেজে মুখর। এরই ধারাবাহিকতায় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন ও ১১টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত সদর আসন এলাকায় ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির কবর রচনা করার প্রত্যয় নিয়ে
ব্যাপক গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেছেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমির জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১১ দল সমর্থিত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকেই তিনি ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন এলাকার ২৯নং ওয়ার্ডে সাধারণ ভোটারদের সাথে ও ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ড দক্ষিন কালিবাড়ি (তৃতীয় লিঙ্গ) হিজড়াদেরকে নিয়ে উঠান বৈঠকসহ ১২ নং ভাবখালী ইউনিয়ন, ০৫ নং ওয়ার্ডেসহ বিভিন্ন এলাকায় মতবিনিময় ও গণসংযোগ করেছেন ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল।
মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল তাঁর কর্মী-সমর্থক নিয়ে সিটি করপোরেশনে ৩৩টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকা এবং উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গণসংযোগকালে তিনি সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কুশল বিনিময় করেন এবং এলাকার মুরব্বিদের কাছে দোয়া প্রার্থনা করছেন। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের হাতে নিজের নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ সম্বলিত লিফলেট তুলে দেন তিনি।
মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের মানুষ বৈষম্যের শিকার। আমি আপনাদেরই সন্তান। ময়মনসিংহ সদর এলাকায় একটি ইনসাফভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতির কবর রচনা করতেই আমি দাঁড়িয়েছি। যদি আপনারা আগামী নির্বাচনে আমাকে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তবে সদরকে একটি আধুনিক ও আদর্শ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব ইনশাআল্লাহ।”
গণসংযোগকালে সাধারণ ভোটারদের মাঝে বেশ উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় ভোটারদের মতে, মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল একজন সজ্জন ও উচ্চ শিক্ষিত মানুষ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। ফলে এবারের নির্বাচনে ‘দাঁড়িপাল্লা’ ও ‘ধানের শীষ’ এর প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
গণসংযোগে তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ মহানগর, সদর ও জেলা -উপজেলা জামায়াতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি সহ কর্মী-সমর্থকরা।
অপরিকল্পিত সড়ক ব্যবহার, অবৈধ পার্কিং ও শৃঙ্খলার অভাবে ময়মনসিংহে যানজট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের প্রতিশ্রুতি নিয়ে যানজটের নগরী ময়মনসিংহের যানজট নিরসনের অঙ্গীকার নিয়ে ইতিমধ্যে তিনি তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে। ইশতেহারে যানজট নিরসনকে প্রধান্য দেওয়াসহ নির্দিষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা চালু,ফুটপাত দখলমুক্ত ও সমাধান, ব্যাটারিচালিত যান নিয়ন্ত্রণ,ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়ন,আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা
পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনাই পারে স্বস্তির, চলাচলযোগ্য ময়মনসিংহ গড়ে তুলতে পাড়ে এমন আশাবাদ নিয়ে বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল। তিনি ময়মনসিংহ সদরকে গ্যাংস্টার, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী ও ছিনতাইকারীমুক্ত করে একটি আদর্শ নগর হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন।কামরুল আহসান এমরুল বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গুলোর নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় করে ইতিমধ্যে ভোটের মাঠে তার শক্ত অবস্থান তৈরী করে নিতে সক্ষম হয়েছে। তার বিজয়ে আশাবাদী ময়মনসিংহ-৪ আসনের বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।
-

ফুলবাড়িয়াকে আধুনিক ও বৈ-ষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে- বিএনপির প্রার্থী ফারুক
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে বিএনপির হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে ব্যাপক গণসংযোগ,পথসভা, নির্বাচনী সমাবেশ চালিয়ে যাচ্ছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি প্রান্তে গিয়ে তিনি ভোট প্রার্থনা করছেন ও পথ সভা করছেন বিজয় নিশ্চিত করতে।গত ২১ জানুয়ারি প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে কর্মী সমর্থকদের নিয়ে ফুলবাড়িয়া উপজেলা শহর ও বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রামগঞ্জের বিভিন্ন অলিগলি ও বাড়ী-বাড়ী গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় এবং গণসংযোগ উঠান বৈঠক করাসহ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন।
ধানের শীষের বিজয়ের লক্ষে গত শনিবার (৭ফেব্রুয়ারী) সন্ধায় ফুলবাড়ীয়ায় সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ধানের শীষের সমথর্নে এক বিশাল সমাবেশ ও গণ-মিছিল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়ীয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুকের ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে উপজেলা সদর এলাকায় আয়োজিত সমাবেশ ও গণমিছিলকে জনস্রোতে পরিণত করতে উপজেলা পৌর শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন থেকে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করে। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভালুকজান বাজার এসে শেষ হয়।
এর আগে সমাবেশে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আখতারুল আলম ফারুক সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের কথা শোনেন এবং এলাকার উন্নয়নে ধানের শীষের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ময়মনসিংহ -৬ আসনের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে তাদের ভোটাধিকার এবং সঠিক উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়, এটি মানুষের মুক্তির অধিকারের প্রতীক। দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এই আসনে ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।”
সমাবেশে বিএনপি মনোনিত আখতারুল আলম ফারুক বলেন, ধানের শীষ হলো গণতন্ত্রের প্রতীক, ন্যায়ের প্রতীক। ধানের শীষ বিজয়ী হলে এদেশের মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তায় থাকবে। সারাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। তিনি আরও বলেন, বিজয়ী হলে বিএনপির মাননীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত উন্নয়নের প্ল্যানের অংশ হিসেবে ফুলবাড়ীয়াকে, আধুনিক, উন্নত, সমৃদ্ধ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলব। এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল কলেজের উন্নয়নসহ বেকার যুবকদের ব্যাপক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
আখতারুল আলম ফারুকের সমাবেশকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে। সাধারণ ভোটারদের উদ্দেশ্যে ফারুক বলেন, বিগত বছরগুলোতে যারা অবহেলিত হয়েছেন, তাদের পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য। সনাবেশে ফুলবাড়িয়াকে কে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন জনপদ হিসেবে গড়ে তোলাসহ তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন আখতারুল আলম ফারুক।
সমাবেশ ও গণমিছিলে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীসহ উপজেলার বিভিন্ন বয়সের মানুষ অংশগ্রহণ করেন। গণমিছিলকে কেন্দ্র করে ফুলবাড়ীয়ায় এলাকা উৎসবমুখর পরিবেশে পরিণত হয়।
এ সময় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আকতারুল আলম ফারুক ভোটারদের আশ্বস্ত করেন যে, গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এলে এই আসনে ধানের শীষের বিপুল বিজয় হবে। সাধারণ মানুষও তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। অনেক ভোটার মন্তব্য করেন, আখতারুল আলম ফারুক এর মতো উদ্যমী নেতৃত্বই পারে এলাকার দীর্ঘদিনের সমস্যাগুলো সমাধান করতে।
-

গোলপাহাড় ম-হাশ্মশান কালী মন্দিরে মহাশক্তির আরাধনায় সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞ সম্পন্ন
মিঠুন সাহা, চট্টগ্রাম প্রতিনিধি:
গোলপাহাড় মহাশ্মশান কালী মন্দিরে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে শ্রীশ্রী বিশ্বশান্তি ও মঙ্গল কামনায় সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।দেবী চণ্ডীর আরাধনায় আয়োজিত এ যজ্ঞে শান্তি, কল্যাণ ও অশুভ নাশের প্রার্থনা করা হয়
গোলপাহাড় মহাশ্মশান ও মন্দির পরিচালনা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ চণ্ডী যজ্ঞনুষ্ঠানটি আজ ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রবিবার সকাল থেকে সারাদিন ব্যাপী মাঙ্গলিক নানা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মঙ্গলাচরণ, পূজা-অর্চনা, হোমযজ্ঞ ও প্রসাদ বিতরণ করা হয়।
যজ্ঞনুষ্ঠানে ভক্তবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দেশ, জাতির বিশ্বশান্তির মঙ্গল, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় পুরোহিতগণ বৈদিক মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে যজ্ঞ সম্পন্ন করেন। অনুষ্ঠানস্থলে ছিল শঙ্খধ্বনি, ধূপ-ধুনো ও পূজার সুবাসে এক আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
অনুষ্ঠান শেষে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে আগত ভক্ত ও অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।
জানা যায়,,দেবী চণ্ডী হলেন মহাকালী, মহালক্ষ্মী ও মহাসরস্বতীর সম্মিলিত রূপ।
সপ্তশতী চণ্ডী যজ্ঞানুষ্ঠান দেবী দুর্গার মহাশক্তির আরাধনার এক পবিত্র ধর্মীয় আচার। মার্কণ্ডেয় পুরাণভুক্ত ৭০০ শ্লোকের চণ্ডীপাঠের মাধ্যমে অশুভ শক্তির বিনাশ ও শুভ শক্তির জাগরণ ঘটে বলে বিশ্বাস। এই যজ্ঞের ফলে দুঃখ-কষ্ট, রোগ-ব্যাধি ও বিপদ আপদ দূর হয়ে সংসারে শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ আসে—এমনটাই শাস্ত্রসম্মত বিশ্বাস।