Blog

  • সবার আগে বাংলাদেশ” শ্লোগান ব্যবহারে তারেক রহমানকে ড.এ আর খানের খোলা চিঠি

    সবার আগে বাংলাদেশ” শ্লোগান ব্যবহারে তারেক রহমানকে ড.এ আর খানের খোলা চিঠি

    “সবার আগে বাংলাদেশ এই স্লোগানটি নিজের দলীয় শ্লোগান দাবী করে শ্লোগানটি নিজ দলীয় ভাবে ব্যবহার করতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে একসঙ্গে আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে সমঝোতায় আসার আহবান জানিয়েছেন শ্লোগানটির নির্মাতা দাবীকারী ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টির প্রেসিডেন্ট ও বনানীস্থ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ এ অবস্থিত প্রাইম এশিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রফেসর ড.এ আর খান।

    শুক্রবার (১৩ফেব্রুয়ারী) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক খোলা চিঠির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির চেয়ারম্যানকে এই আহবান জানান তিনি। খোলা চিঠিতে ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রফেসর এ আর খান দাবী দাবী করেন-সবার আগে বাংলাদেশ” নামক যে স্লোগানটি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন সেটি তার রাজনৈতিক দল, ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টির দলীয় স্লোগান। গত ২০১৯ সালে দলটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে এই স্লোগানটি তিনি তার রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে আসছেন।বিগত ২০১৯ সালে “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি যখন তিনি ব্যবহার করতে শুরু করেন তার পূর্বে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে দেখেছেন, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দল কিংবা কোন ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠী “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি ব্যবহার করছেন কিনা। যাচাই-বাচাইয়ে তিনি এটা তিনি কোথাও খুঁজে পাননি। সেই থেকে তিনি “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি তার দল ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টির শ্লোগান হিসাবে
    দলের প্রত্যেকটি লেখায়, প্রত্যেকটি বক্তব্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে আসছেন যা তার ফেসবুক পেইজে গত ২০১৯ সাল থেকে প্রত্যেকটি লেখায় আপনি পাবেন বলেও তারেক রহমানের অবগত করেন। তিনি আরও বলেন আমার জানা মতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী – বিএনপি সহ বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দল “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি ২০১৯ সালের আগে কিংবা পরবর্তীতে ২০২৪ সালের আগ পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেনি একমাত্র আমি এবং আমার রাজনৈতিক দল ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টি ছাড়া।

    চিটিতে তিনি উল্লেখ করেন- এই খোলা চিঠিতে দেওয়া নিয়মনীতি পুরণ না হলে তার, এই স্লোগানটির মালিকানা স্বত্ব নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আমার আর অন্য কোন বিকল্প পথ থাকবে না বলেও জানান তিনি-

    শ্লোগানটি উদ্ধারে তারেক রহমানকে দেওয়া খোলা চিঠি পাঠকদের অবগতির জন্য নিম্নে হুবহু তুলে ধরা হলো-

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির চেয়ারম্যান, জনাব তারেক রহমানের কাছে খোলা চিঠি।

    ১৩, ফেব্রুয়ারি ২০২৬

    প্রাপক,
    জনাব তারেক রহমান
    চেয়ারম্যান
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি
    গুলশান, ঢাকা।

    বিষয়: “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানটির ব্যবহার প্রসঙ্গে।

    জনাব তারেক রহমান,
    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ!

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয়ে আপনাকে জানাই বিজয়ের প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।

    আপনার এই ভূমিধ্বস বিজয়ে আমিও একজন ক্ষুদ্র অংশীদার।

    “সবার আগে বাংলাদেশ” নামক যে স্লোগানটি আপনি আপনার নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপকভাবে ব্যবহার করেছেন, আপনি হয়তো নিজেও জানেন না যে, এই স্লোগানটি আমার রাজনৈতিক দল, ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টির দলীয় স্লোগান।

    ২০১৯ সালে দলটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে এই স্লোগানটি আমি আমার রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে আসছি।

    ২০১৯ সালে “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি যখন আমি ব্যবহার করতে শুরু করি, তার পূর্বে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে দেখেছি যে, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দল কিংবা কোন ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠী “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি ব্যবহার করছেন কিনা। আমি খুঁজে পাইনি।

    ২০১৯ সাল থেকে “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি আমি আমার দলের প্রত্যেকটি লেখায়, প্রত্যেকটি বক্তব্যে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে আসছি যা আমার ফেসবুক পেইজে আপনি ২০১৯ সাল থেকে প্রত্যেকটি লেখায় আপনি পাবেন।

    আমার জানা মতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী – বিএনপি সহ বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দল “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি ২০১৯ সালের আগে কিংবা পরবর্তীতে ২০২৪ সালের আগ পর্যন্ত কেউ ব্যবহার করেনি একমাত্র আমি এবং আমার রাজনৈতিক দল ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টি ছাড়া।

    ২০১৯ সাল থেকে দলটি প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে বিভিন্ন গণমাধ্যমে, টকশোতে এই শব্দটি ব্যবহার করার ফলে বিশেষ করে আপনার দলের অনেক নেতা কর্মী যারা আমার সঙ্গে টকশোতে অংশগ্রহণ করেছেন তারা এই স্লোগানটি সম্বন্ধে অবহিত হন এবং যেভাবেই হোক না কেন, স্লোগানটি আপনার কাছে পৌঁছায়।

    বিশেষ করে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সভাপতি, মালেক ভাইয়ের সঙ্গে একটি টকশোতে অংশগ্রহণ করার পর থেকেই এই স্লোগানটি সম্ভবত আপনার কাছে পৌঁছায়।

    আপনি নিজে লক্ষ্য করে দেখুন। আপনার কোন বক্তব্যে ২০২৪ সালের আগে আপনি কখনোই “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটি ব্যবহার করেননি।

    আমি লক্ষ্য করেছি ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই এই স্লোগানটি আপনি এককভাবে ব্যবহার করা শুরু করেছেন, যার কারণে গোটা বাংলাদেশে এখন আপনার দলীয় স্লোগান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

    যা সম্পূর্ণ অন্যায়, অবিচার এবং অগণতান্ত্রিক।
    অন্য একটি দলের রাজনৈতিক স্লোগান, হতে পারে ছোট একটি রাজনৈতিক দল, সেই দলটির স্লোগান এইভাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি, বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারে কিনা, সেটি আপনার কাছে আমার প্রশ্ন।

    এই স্লোগানটি যদি আপনার ব্যবহার করতেই হয়, তাহলে আপনার উচিত হবে আমার সঙ্গে বসে এই বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছানো।

    আমি “সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগানটির মালিকানা স্বত্ব নিয়ে মাঝখানে একবার বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে চেয়েছিলাম কিন্তু দীর্ঘ ১৭ বছর পর আপনার বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মহান মৃত্যুতে আমি আইনি প্রক্রিয়া থেকে দূরে সরে এসেছি।

    নির্বাচন এখন শেষ হয়েছে। আপনারা একটি ভূমিধ্বস বিজয় পেয়েছেন‌। অবশ্যই আমি বলবো যে “সবার আগে বাংলাদেশ” স্লোগানটি মানুষের হৃদয়ে একটি বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে করেছে এবং আপনাদের এই ভূমিধ্বস বিজয়ে একটি বড় ভূমিকা ছিল এই স্লোগানটির।

    অতএব, আপনার কাছে আমার বিনীত আহ্বান থাকবে। “সবার আগে বাংলাদেশ” আমার এই স্লোগানটি যদি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি ব্যবহার করতেই চায়, তাহলে অবশ্যই যেন আমার সঙ্গে বসে একটি সমঝোতায় এসে তারপর এই স্লোগানটি ব্যবহার করেন।

    অন্যথায়, এই স্লোগানটির মালিকানা স্বত্ব নিয়ে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া আমার আর অন্য কোন বিকল্প পথ থাকবে না।

    অল্প কিছুদিনের মধ্যেই আপনি হয়তো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিবেন। এই কথাটিও আমি ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় বিভিন্ন টকশোতে ভবিষ্যৎবাণী করেছিলাম।

    যাইহোক, আপনার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা। আপনি সবসময় ভালো থাকবেন এবং আশা করি, আপনার নেতৃত্বে নতুন এক বাংলাদেশ আমরা দেখতে পাবো। ঐক্যবদ্ধ এক বাংলাদেশ দেখতে পাবো। বৈষম্যহীন, কাঙ্খিত এক স্বপ্নের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে পাবো।

    ধন্যবাদান্তে,

    প্রফেসর এ আর খান
    প্রেসিডেন্ট
    ফেডারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি – এফডি পার্টি
    সবার আগে বাংলাদেশ

    মোবাইল এন্ড হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার:
    +৮৮ ০১৭১৬৫১৬০৬৭

  • ময়মনসিংহ-৪ আসনে ৭,৭৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলো ধানের শীষের প্রার্থী ওয়াহাব আকন্দ

    ময়মনসিংহ-৪ আসনে ৭,৭৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় পেলো ধানের শীষের প্রার্থী ওয়াহাব আকন্দ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    প্রশাসনের কড়া নিরাপত্তায় সদ্য অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। এই নির্বাচনে
    ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনে ১৭৯টি কেন্দ্রের চূড়ান্ত ফলাফলে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোঃ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।

    ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৮০ ভোট। এতে আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ৭ হাজার ৭৮৭ ভোটের ব্যবধানে জয় লাভ করেন।

    ১৭৯টি কেন্দ্রের ভোট গণনা শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

    জয়ের পর প্রতিক্রিয়ায় আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, “এ বিজয় ময়মনসিংহ সদরবাসীর। আমি সবার সহযোগিতা নিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে কাজ করতে চাই।

    তিনি দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থক, প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

    আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, “আমার প্রতি জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে যে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করেছেন, তা অটুট রাখতে আমি বদ্ধপরিকর। নির্বাচনী মাঠে জনতার যে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা পেয়েছি, তার ঋণ পরিশোধ করতে আমি অক্ষম। তবে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সবার সহযোগিতা নিয়ে আগামী পাঁচ বছর ময়মনসিংহ-৪ আসনের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।”

    তিনি তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “আমরা যারা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলাম। সবার লক্ষ্য ছিল অবহেলিত এই জনপদের উন্নয়ন। আগামী দিনের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় আপনাদের আন্তরিক সহযোগিতা পাবো বলে আমি বিশ্বাস করি।”

    দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “বিজয়ের আনন্দে আত্মহারা না হয়ে জনগণ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের প্রস্তুতি নিন। জনগণের মধ্যে বিভেদ নয়, ঐক্য গড়ে তুলুন। মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে উত্তম প্রতিদান দিন।

    অপরদিকে পরাজিত প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এমরুল বলেন, তিনি ফলাফল পর্যালোচনা করবেন এবং দলের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

    উল্লেখ্য, ময়মনসিংহ-৪ আসনটি দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।।

  • নড়াইলের দুইটি আসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নি-রাপত্তায় ভোটগ্রহণ

    নড়াইলের দুইটি আসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নি-রাপত্তায় ভোটগ্রহণ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের দুইটি আসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু। একই কেন্দ্রে এক সঙ্গে এসে ভোট দিলেন দুই প্রার্থী ভোট দিচ্ছেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আতাউর রহমান বাচ্চু এবং কলস প্রতীকের মনিরুল ইসলাম। (ডানে)
    নড়াইলের দুইটি আসনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নিরাপত্তায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নড়াইল-২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম এক সঙ্গে এসে নড়াইল সরকারি বালক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দেন।
    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টায় ভোট শুরুর কিছুক্ষণ পরেই আতাউর রহমান বাচ্চু ও মনিরুল ইসলাম ভোট প্রদানের পর সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    এদিন সকালে থেকে জেলার ২৫৮টি কেন্দ্রের ১ হাজার ৩২৫টি কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটের পরও সবার মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকবে বলে জানান তারা। দীর্ঘদিন পর ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা। নড়াইলের দুইটি আসনে ভোটার সংখ্যা ৬ লাখ ৮৫ হাজার ১৪২ জন।
    নড়াইলের দুইটি আসনে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন— নড়াইল-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজ (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী মিলটন মোল্যা (লাঙ্গল), স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক বি এম নাগিব হোসেন (কলস), লেফট্যানেন্ট কর্নেল (অব.) এস এম সাজ্জাদ হোসেন (ফুটবল) ও সুকেশ সাহা আনন্দ (ঘোড়া) এবং উজ্জ্বল মোল্যা (হরিণ) প্রতীকে লড়ছেন।
    এছাড়া নড়াইল-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির প্রার্থী খন্দকার ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ (লাঙ্গল), গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী লায়ন নূর ইসলাম (ট্রাক), বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী শোয়েব আলী (ছড়ি), স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (কলস) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন (জাহাজ) প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • রাজশাহী ১ আসনে জামায়তের নায়েবী আমির মুজিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন

    রাজশাহী ১ আসনে জামায়তের নায়েবী আমির মুজিবুর রহমান বিজয়ী হয়েছেন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর)
    মোট কেন্দ্র ১৬০টি। এর মধ্যে ১৬০ কেন্দ্রের ফলাফল। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মুজিবুর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। ১ হাজার ৮৮৪ ভোট বেশী পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মুজিবুর রহমান।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নেছারাবাদের ভোটারদের কাছে ঋণী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন

    নেছারাবাদের ভোটারদের কাছে ঋণী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন

    নেছারাবাদ প্রতিনিধি পিরোজপুর।।

    পিরোজপুর-২ (কাউখালি, ভান্ডারিয়া, নেছারাবাদ) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি মনোনীত দাড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শামীম বিন সাঈদীকে ৯,২৪০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন।
    নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ের হাসি হাসেন আহমেদ সোহেল মনজুর সুমন। বিশেষ করে নেছারাবাদ উপজেলার ভোটারদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, কারণ এখান থেকেই তিনি সবচেয়ে বড় ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয় নিশ্চিত করেন।

    ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন পেয়েছেন মোট ১,০৪,৪১৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শামীম বিন সাঈদী পেয়েছেন ৯৫,১৭৩ ভোট। এ আসনে ১৬৬টি কেন্দ্রের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৪,০৯,২৮৮ জন।
    কাউখালি উপজেলা থেকে ৩৩টি কেন্দ্রে মোট ৬৫,৫৩৪ ভোটারের মধ্যে বিএনপি প্রার্থী পেয়েছেন ১৫,০০৩ ভোট এবং জামায়াত প্রার্থী পেয়েছেন ১৮,৯৯১ ভোট। এতে কাউখালি থেকে শামীম বিন সাঈদী ৩,৯৮৮ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। এবং

    ভান্ডারিয়া উপজেলা থেকে, ৫৬টি কেন্দ্রে মোট ভোটার ১,৪১,৭৬৪ জন। এখানে আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন পেয়েছেন ১৯,৯১০ ভোট, আর শামীম বিন সাঈদী পেয়েছেন ৩৯,০১৯ ভোট। ফলে এ উপজেলা থেকেও জামায়াত প্রার্থী ১৯,১০৯ ভোটে এগিয়ে ছিলেন। দুই উপজেলার ধারাবাহিক ফলাফলে জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি।

    এ আসনের সবচেয়ে বেশি ভোটার অধ্যুষিত নেছারাবাদ উপজেলার ফলাফল পাল্টে দেয় পুরো নির্বাচনের চিত্র। প্রতিটি কেন্দ্র থেকে ধানের শীষের জয়জয়কারের খবরে ম্লান হয়ে যায় জামায়াত সমর্থকদের আনন্দ।

    নেছারাবাদ উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, ৭৭টি কেন্দ্রে মোট ১,৯৭,৯৯৯ ভোটারের মধ্যে আহম্মদ সোহেল মনজুর সুমন পেয়েছেন ৬৯,৫০০ ভোট, আর শামীম বিন সাঈদী পেয়েছেন ৩৭,১৬৩ ভোট। এই উপজেলা থেকেই বিএনপি প্রার্থী ৩২,৪৩৭ ভোটের বিশাল ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে শেষ হাসি হাসে বিএনপি।

    আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা।।

  • নড়াইল-১ আসনে বিএনপি, ২ আসনে জামায়াত বিজয়ী। তৃতীয়বারের মতো হারলেন ফরহাদ

    নড়াইল-১ আসনে বিএনপি, ২ আসনে জামায়াত বিজয়ী। তৃতীয়বারের মতো হারলেন ফরহাদ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল-১ আসনে বিএনপি, ২ আসনে জামায়াত বিজয়ী। তৃতীয়বারের মতো হারলেন ফরহাদ। নড়াইল-১ আসনে বিএনপি, ২ আসনে জামায়াত বিজয়ী বায়ে বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ও ডানে আতাউর রহমান বাচ্চু।
    নড়াইলের দুটি সংসদীয় আসনের মধ্যে, নড়াইল-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম (ধানের শীষ) ও নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান বাচ্চু (দাঁড়িপাল্লা) বিজয়ী হয়েছেন। নড়াইলের দুটি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টায় আসন দু’টির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
    ঘোষিত ফলাফলে নড়াইল-১ আসনে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ১১২ টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোট সহ) ৯৯ হাজার ৯৭৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ওবায়দুল্লাহ কায়সার দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ২২৫ ভোট। এ আসনে ১১২ টি কেন্দ্রে মোট ভোট প্রদান করেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৭৫৫ জন ভোটার।
    নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১৪৮টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোটসহ) ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী কলস প্রতীকের মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট। আসনটির ১৪৮ টি কেন্দ্রে মোট ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৮১ জন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

    নড়াইল-২ আসনে তৃতীয়বারের মতো হারলেন ফরহাদ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইল-২ আসনে তৃতীয়বারের মতো হারলেন ফরহাদ
    এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ।
    নড়াইল-২ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও পরাজিত হয়েছেন। এর আগে তিনি নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে হেরে যান।
    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টায় নড়াইলের আসন দুটির বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
    ঘোষিত ফলাফলে নড়াইল-২ আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আতাউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১৪৮টি কেন্দ্রে (পোস্টাল ভোটসহ) ১ লাখ ১৮ হাজার ১৪২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী কলস প্রতীকের মো. মনিরুল ইসলাম পেয়েছেন ৭৮ হাজার ৪৫৭ ভোট এবং ধানের শীষের প্রার্থী এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৪৬৩ ভোট। আসনটির ১৪৮টি কেন্দ্রে মোট ভোট প্রদান করেন ২ লাখ ৫২ হাজার ৭৮১ জন।
    বিগত দিনের ফলাফল অনুযায়ী নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এসকে আবু বাকের ১ লাখ ২৫ হাজার ৪৫৮ পেয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শরীফ খসরুজ্জামান পান ৬৯ হাজার ৬৫৭ ভোট। এছাড়া খেলাফত মজলিসের ইমরানুজ্জামান ১১ হাজার ২৫৩ ভোট, ইসলামী আন্দলনের এস এম নাসির উদ্দিন ২ হাজার ৪০৮ ভোট, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির দিলীপ কুমার অধিকারী ৫৭৫ ভোট এবং ন্যাশনাল পিপলস পার্টি থেকে অংশ নিয়ে এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ২৯২ ভোট পেয়ে পরাজিত হয়েছিলেন।
    তবে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেননি এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ এরপর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মাশরাফি বিন মুর্তজা ২ লাখ ৭১ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ জেড এম ফরিদুজ্জামান ফরহাদ ৭ হাজার ৮৮৩ ভোট পেয়ে হেরে যান, এছাড়া ইসলামী আন্দোলনের এস এম নাসিরউদ্দিন ২ হাজার ৩১৫ ভোট এবং জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান পেয়েছিলেন ২১১ ভোট।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • যাকাত ভিক্তিক সমাজ গড়তে পারলে দেশে গবীব থাকবে না- নব নির্বাচিত এমপি মুজিবুর রাহমান।

    যাকাত ভিক্তিক সমাজ গড়তে পারলে দেশে গবীব থাকবে না- নব নির্বাচিত এমপি মুজিবুর রাহমান।

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলীঃ রাজশাহী গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডে মহিশালবাড়ী গরুর হাটে পাশে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আজ শুক্রবার জুম্মা নামাজে খুদবা প্রদান করেছেন জামায়াতের নায়েবী আমির রাজশাহী ১ এর নব নির্বাচিত এমপি অধ্যাপক মোঃ মুজিবুর রাহমান।

    কুরআন, হাদীসের আলোকে সুন্দর, গঠনমূলক, বাস্তবধর্মী বক্তব্য প্রদান করেন। উপস্থিত মুসাল্লীগন মনোযোগসহকারে তার বক্তব্য শুনেন। তিনি বলেন, পরিবার, সমাজ, দেশে অন্যায় ও দুর্নীতি প্রতিরোধে ইসলাম অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে, একে ঈমানি দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করেছে। রাসূল (সা.) বলেছেন, কেউ অন্যায় দেখলে যেন তা হাত (ক্ষমতা/শক্তি) দিয়ে প্রতিরোধ করে, না পারলে মুখ (প্রতিবাদ) দিয়ে, আর তাও না পারলে অন্তর (ঘৃণা) দিয়ে প্রতিহত করে। ঘুষ-দুর্নীতি নিষিদ্ধ এবং অন্যায়ের প্রতিরোধে সোচ্চার থাকা জরুরি ।
    সক্রিয় প্রতিরোধ: সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যায় বা দুর্নীতি হাত বা শক্তি দিয়ে, এরপর মুখ বা লেখনীর মাধ্যমে প্রতিরোধ করতে হবে ।
    হৃদয় থেকে ঘৃণা করা: যদি সরাসরি প্রতিরোধ সম্ভব না হয়, তবে অন্তর থেকে অন্যায়কে ঘৃণা করতে হবে এবং তা অন্যায় বলে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে হবে ।
    দুর্নীতিবাজদের বর্জন: দুর্নীতিবাজদের কোনোভাবে সহযোগিতা করা বা সমর্থন দেওয়া যাবে না, এমনকি তাদের প্রতি ঝোঁকাও অনুচিত
    সামাজিক দায়িত্ব: দুর্নীতি প্রতিরোধে সমাজ ও প্রশাসনের যোগ্য ও সৎ লোকদের পদায়ন করা এবং দুর্নীতির খবর কর্তৃপক্ষকে জানানো জরুরি ।
    ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা: ব্যক্তিগত ঘৃণা-বিদ্বেষ ভুলে ন্যায়পরায়ণতা বজায় রাখা এবং সমাজে সততা ও আমানতদারি প্রতিষ্ঠা করা ইসলামের মূল লক্ষ্য।

    একটি জাতির উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো দুর্নীতি। এই ব্যাধি কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতিই বয়ে আনে না, বরং একটি রাষ্ট্রের নৈতিক কাঠামোকেও ভেতর থেকে ভেঙে দেয়।

    মানুষকে নামাজ পাড়ার কথা বললে, পেটে ভাত নেই, থাকার জায়গা নেই, চিকিৎসার ব্যবস্থা নেই, বস্ত্র কেনার টাকা নেই, কাজ নেই। এর কেউ ব্যবস্থা করার কথা বলেন না।
    বিগত সরকার ২৮ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন, চুরি করেছেন, লুটপাট করেছেন, যা দিয়ে দেশের ৪ টি বছরের বাজেট হতো। বাজেট করতে নতুন করে কোন টাকা লাগতো না। এ টাকা ফেরত আন্তে পারলে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিভুক্ত করা সম্ভব হতো। দেশের উন্নয়ন করা যেত।

    পরিবারের কর্তা, মেম্বার, চেয়ারম্যান, কাউন্সিলর, মেয়র, উপজেলার চেয়ারম্যান, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপ্রতি, সমাজের নেতা, রাজনৈতিক নেতা সবাইকে আল্লাহর নিকট দায়বদ্ধ থাকতে হবে। সবাই যদি নামাজ পড়েন, যাকাত দেন, সামাজে চান্দাবাজি, দুর্নীতি, মাদক বন্ধ করার চেষ্টা করেন। চরিত্র ভালভাবে গড়ার চেষ্টা করেন তবে দেশের সকল মানুষ শান্তিতে থাকবে ইনসাল্লাহ।

    ইসলামের দৃষ্টিতে চান্দাবাজ, টেন্ডারবাজি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, সুদ, ঘুষ, জুয়া তথা যেকোনো হারাম পন্থা অবলম্বন, ক্ষমতা ও পেশিশক্তির অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, প্রতারণা, আইনের অসৎ ব্যবহার ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থ হাসিল এবং দেশ, জাতি ও সাধারণ নাগরিকের অধিকার ও স্বার্থ হরণ করার নাম দুর্নীতি। ইসলাম অপরাধী, দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে শাস্তি দিতে স্বচ্ছ আইন এবং তা দ্রুত কার্যকর করার বিধান প্রণয়ন করেছে। এ ছাড়া ইসলামে অপরাধ ও দন্ড-বিধি মওকুফ করার অধিকার রাষ্ট্রপ্রধানকেও দেওয়া হয়নি। কারণ এতে অপরাধীদের আরও বড় অপকর্ম করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। এ জন্য মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘আমার মেয়ে ফাতেমা চুরি করলেও আমি তার হাত কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেব।’ (বুখারি)।

    অসৎ ও হারাম উপায়ে উপার্জনের প্রবণতা থেকেই মানুষ দুর্নীতিগ্রস্ত হয়। দুর্নীতি দমনের মূলনীতি হিসেবে ইসলাম হালাল-হারামের পার্থক্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে। সেই সঙ্গে হালালের উপকারিতা এবং হারামের অপকারিতা স্পষ্ট করে দিয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মানুষ, পৃথিবীর হালাল ও পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো। আর শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ কোরো না। সে নিঃসন্দেহে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।’ (সুরা বাকারা : ১৬৮)। মহানবী (সা.) হারাম উপার্জনে উম্মতকে নিরুৎসাহিত করেছেন। তিনি এরশাদ করেন, ‘হারাম খাদ্য ও পানীয়ে বর্ধিত দেহ জান্নাতে প্রবেশ করবে না।’ (মিশকাত) অন্য হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি ১০ দিরহামে একটি কাপড় পরিধান করে, যার মধ্যে ১ দিরহাম হারাম থাকে, তার পরিধানে ওই কাপড় থাকা অবস্থায় আল্লাহ তাআলা তার নামাজ কবুল করেন না।’ (মুসনাদে আহমাদ)।

    আল্লাহর ভয় ও নৈতিকতার অনুশীলন : দুনিয়ায় অপরাধের শাস্তি হোক বা না হোক, আখিরাতে সব অপরাধের বিচার হবে। দুনিয়ায় মানুষের চোখ ফাঁকি দেওয়া গেলেও আখিরাতে আল্লাহর দরবারে ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগই থাকবে না; বরং সব কর্মকা-ের পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব দিতে হবে। সেখানে কোনো বিষয়ে দুর্নীতি, ব্যক্তি বা জাতির হক আত্মসাৎ প্রমাণিত হলে তার জবাবদিহি করতে হবে এবং পরিণামে জাহান্নামের কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। তা থেকে বাঁচার কোনো উপায় থাকবে না। সেদিন হাত, পা ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ অপরাধীর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেবে। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব, তাদের হাত আমার সঙ্গে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে।’ (সুরা ইয়াসিন: ৬৫)।

    ঈমানের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হচ্ছে নামায। আল্লাহ তাঁর পবিত্র কালামে বিভিন্নভাবে নামাযের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন এবং বিচিত্ররূপে নামাযের প্রতি আহ্বান করেছেন।

    কোনো বিষয়ে গুরুত্বারোপের একটি সহজ-সরল পদ্ধতি হল সে বিষয়টির আদেশ করা। নামাযের উপর গুরুত্বারোপের জন্য এ পদ্ধতিটি কুরআনে অনেক ব্যবহার করা হয়েছে। কুরআনে নামাযের সুস্পষ্ট আদেশ করা হয়েছে এবং বারবার বিভিন্নভাবে করা হয়েছে।

    যেমন আল্লাহ বলেন-এবং তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং রুকূকারীদের সঙ্গে রুকূ কর।-সূরা বাকারা (২)

    অন্যত্র বলেছেন-এবং তোমরা আল্লাহর পথে সাধনা কর, যেমন সাধনা করা উচিত। তিনি তোমাদের মনোনীত করেছেন এবং দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের প্রতি কোনো সংকীর্ণতা আরোপ করেননি। তোমাদের পিতা ইবরাহীমের দ্বীন (-কে আঁকড়ে ধর)। তিনিই তোমাদের নাম রেখেছেন মুসলিম, পূর্বেও এবং এ কিতাবেও, যাতে রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হয় আর তোমরা (অন্যান্য) মানুষের জন্য সাক্ষী হও। সুতরাং তোমরা নামায কায়েম কর, যাকাত আদায় কর এবং আল্লাহকে মজবুতভাবে ধর। তিনিই তোমাদের অভিভাবক। তিনি কত উত্তম অভিভাবক এবং কত উত্তম সাহায্যকারী।-সূরা হজ্ব (২২) :

    ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি জাকাত। আরবি জাকাত শব্দের অর্থ পবিত্রতা ও বৃদ্ধি। কোনো মুসলমানের ধনসম্পদ থেকে তার নিজের ও পরিবারের সারা বছরের প্রয়োজনীয় ব্যয় মেটানোর পর নির্ধারিত পরিমাণ ধনসম্পদ তার মালিকানায় থাকার এক বছর পূর্ণ হলে সেই সম্পদের নির্দিষ্ট একটি পরিমাণ শরিয়া-নির্ধারিত খাতগুলোয় প্রদান করাকে জাকাত বলা হয়।

    ইসলামে নামাজের পরই জাকাতের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনের বহু স্থানে নামাজের পাশাপাশি জাকাত আদায়ের কথা বলা হয়েছে। জাকাত দাতার মনকে ধনসম্পদের প্রতি লোভ থেকে মুক্ত ও পবিত্র করে। ধনীদের ধনসম্পদে যে দরিদ্রদের অধিকার রয়েছে, এই সত্যকেও তা প্রতিষ্ঠিত করে।

    পবিত্র কোরআনের সুরা জারিয়াতে বলা হয়েছে, ‘আর তাদের (সম্পদশালীদের) ধনসম্পদে অভাবগ্রস্ত ও বঞ্চিতদের হক রয়েছে।’ এভাবে জাকাতের মাধ্যমে সমর্থ ব্যক্তিদের সম্পদের কিছু অংশ ব্যয়ের ফলে তাদের অবশিষ্ট ধনসম্পদ পবিত্র হয়।

    সুরা তওবায় বলা হয়েছে, ‘তুমি ওদের ধনসম্পদ থেকে সদকা আদায় করো। এর মাধ্যমে তুমি তাদের পবিত্র করে দেবে।’ জাকাত শব্দের আরেক অর্থ বৃদ্ধি। বস্তুত জাকাত দিলে ধনসম্পদ বাড়ে।

    সুরা তাওবার ৬০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে যে ফকির, মিসকিন, জাকাত আদায় কর্মী, নও মুসলিম ও অনুরাগী, দাস-দাসী, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, মুজাহিদ ও বিপদগ্রস্ত মুসাফিরকে জাকাত দিতে হবে।

    কোরআনে ইসলামের তিনটি স্তম্ভ- ঈমান বিশ্বাস নামাজ ও যাকাতের কথা বার বার একসাথে বলা হয়েছে। নামাজ এবং যাকাতের কথা কোরআনের ১৬টি সূরায় ২৮ বার একসাথে বলা হয়েছে।

    এবং এইজন্যে হিজরি অষ্টম শতকের বিখ্যাত আলেম ইমাম আল ইরাকী খুব সুন্দরভাবে বলেছেন- যারা ঈমান নামাজ এবং যাকাত এই তিনটি স্তম্ভের আন্তরিক যত্ন নেবে তারা রোজা ও হজ পালন করতে পারবেন অনায়াসে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে বিল থেকে ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    নড়াইলে বিল থেকে ম-রদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের তুলরামপুর বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার। নড়াইল সদর উপজেলায় তুলরামপুর বিল থেকে মো. শরিফুল ইসলাম (৪৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার তুলরামপুর রেল ব্রিজের দক্ষিণ পাশের বিল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
    মো. শরিফুল ইসলাম যশোর জেলা সদরের জগ মোহনপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী তরফদারের ছেলে।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বেলা ১২টার দিকে স্থানীয় এক কৃষক তুলরামপুর রেল ব্রিজের দক্ষিণ পাশে বিলে নিজের জমিতে যাওয়ার সময় এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশে খবর দিলে সদর থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি হেফাজতে নেয়। এসময় মরদেহের পাশে জ্যাকেট, গামছা, ব্যাগ, এনআইডি কার্ড ও চার হাজার ২০০ টাকা পাওয়া যায়। এনআইডির সূত্র ধরেই তার পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে মরদেহর সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।
    স্থানীয় বাসিন্দা সাহেব মোল্যা জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে তুলারামপুরে মসজিদে শরিফুলকে আসরের নামাজ পড়তে দেখেছেন তিনি। এরপর শুক্রবার দুপুরে তার মরদেহ উদ্ধারের কথা জানতে পারেন।
    এ বিষয়ে নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরুজ্জামান বলেন, শরিফুল ইসলামের শরীরে আঘাতের তেমন কোনো চিহ্ন দেখা যায়নি। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। তার পরিবারকে খবর পাঠানো হচ্ছে।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।

  • ধামইরহাটে নব নির্বাচিত এম.পি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বাড়ীতে নেতাকর্মীদের ঢল

    ধামইরহাটে নব নির্বাচিত এম.পি ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হকের বাড়ীতে নেতাকর্মীদের ঢল

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি:

    নওগাঁর ধামইরহাটে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক এম.পি নির্বাচিত হওয়ায় তার বাড়ীতে ঢল নামে নেতাকর্মীদের। ১৩ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে দিনব্যাপী ধামইরহাট-পত্নীতলার বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ফুলেল শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় তাদের এই ভালবাসায় সিক্ত হন জামায়াতের এই গুনী নেতা। দুই উপজেলার সকল গুণীজনদের সাথে নিয়ে সংসদ সদস্যের দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেন তিনি। শুক্রবার বিকেলে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি বলেন,‘ আমি মুখে কোন বড় কথা বলবো না, কোন উচ্ছাভিলাশী প্রতিশ্রুতিও দিব না, কাজেই আমার পরিচয় পেয়ে যাবেন, আমি সাধারণ মানুষের ভোট নামক আমানত নিয়ে নির্বাচিত হয়েছি, তাদের বিরুদ্ধে কোন অন্যায় ও অত্যাচার আমি সহ্য করবো না, ধামইরহাটে কোন চাঁদাবাজ থাকবে না, সীমান্তবর্তী ধামইরহাট উপজেলাকে মাদকমুক্ত করতে আপনারা সাংবাদিকবন্ধুগণ আমাকে সহযোগিতা করবেন।’
    মতবিনিময়কালে ধামইরহাট উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা আতাউর রহমান, সাংসদের বড় ভাই ডা. ইমরান হোসেন, ধামইরহাট প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ, সাধারণ সম্পাদক মাসুদ সরকার, সিনিয়র সাংবাদিক নুরুল ইসলাম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ মালেক, সাধারণ সম্পাদক আবু মুছা স্বপন, সাংবাদিক আমজাদ হোসেন, সুফল চন্দ্র বর্মন, উজ্জল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
    উল্লেখ্য যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোট নির্বাচনে দুই উপজেলায় মোট ১২৪টি ভোট কেন্দ্রে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে ১ লাখ ৪১ হাজার ৫২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারী ভাবে এম.পি নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সামসুজ্জোহা খান ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৫৩৩ ভোট ও বিভিন্ন কেন্দ্রের এজেন্ট সংকটে ভোগা এবি পার্টির প্রার্থী মতিবুল ইসলাম ঈগল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ হাজার ৫৫০ ভোট।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট, নওগাঁ।

  • পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ অফিসে জামায়াতের তালা, বিএনপি নেতার উপস্থিতিতে তা-লামুক্ত

    পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ অফিসে জামায়াতের তালা, বিএনপি নেতার উপস্থিতিতে তা-লামুক্ত

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধানের উপস্থিতিতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের চাকলাহাট ইউনিয়ন কার্যালয়ের তালা খুলে দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার চাকলাহাট বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

    আবু দাউদ প্রধান চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি ওই ইউনিয়নের মেহেরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। এ বিষয়ে আবু দাউদ প্রধান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে তিনি চাকলাহাট বাজারে যাওয়ার পর কয়েকজন তাকে গিয়ে বললেন, “আওয়ামী লীগ অফিসে যে তালা লাগায় রাখছে, এটা নিয়ে সেখানে উত্তেজনা বিরাজ করছে।” তখন আমি বললাম, উত্তেজনা তৈরি করা যাবে না। যে যে অবস্থানে আছেন, শান্তিপূর্ণভাবে থাকেন। আমরা এক এলাকার মানুষ সবাই সহাবস্থানে থাকব। কেন তালা দেবে? পরে তালা খুলে দিতে বলি। জামায়াতের লোকজন তালা লাগিয়ে দিয়েছিল, তারাই আবার তালা খুলে দিয়েছে। এটা মূলত এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য, এখানে কোনো দলীয় সিদ্ধান্ত নেই। এটা নিয়ে এখন অনেকে ষড়যন্ত্র করে ভিডিও ছড়িয়ে দিচ্ছে।’

    ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৩৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিওতে দেখা যায়, চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিচ্ছেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান (বুলেট)। তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে আছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবু দাউদ প্রধান। তাঁর পাশে চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপির সাবেক সদস্য আবুল হোসেন ও পঞ্চগড় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান (স্বপন)। তাঁদের সামনের দিকে অন্তত ৩০ জনের বেশি মানুষ।

    ভিডিওতে কামরুজ্জামান বলেন, ‘বিএনপি বিপুল আসনে সারা বাংলাদেশে সরকার গঠনের পথে, এই প্রথম মুহূর্তে পঞ্চগড় সদর উপজেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি, চাকলাহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান জননেতা জনাব আবু দাউদ প্রধান; তিনি প্রথমেই যে কাজটি করেছেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতি, তথা আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায়ের নেতা–কর্মীদের প্রাণের যে সংগঠন, আমাদের চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগকে তিনি আজকে তালামুক্ত-অবমুক্ত করেছেন।’

    কামরুজ্জামান আরও বলেন, ‘যারা এই দেশটাকে পাকিস্তান বানাতে চেয়েছিল, যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিটি দলকে নিশ্চিহ্ন করার চিস্তাভাবনা করে বাড়িতে-অফিসে হামলা করে বন্ধ করে রেখেছিল, সেই অফিস আজকে প্রথমে তিনি চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অফিস অবমুক্ত করলেন। আমরা চাকলাহাট ইউনিয়ন আওয়ামী লীগসহ সব অঙ্গসহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে তিনার কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’

    এদিকে, আওয়ামী লীগের ওই কার্যালয় খুলে দেয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে পক্ষে-বিপক্ষে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।