Blog

  • পাইকগাছায় ১শ কেজি ওজনের শিবলিঙ্গ মিললো জেলের জালে

    পাইকগাছায় ১শ কেজি ওজনের শিবলিঙ্গ মিললো জেলের জালে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় জেলের জালে আটকাপড়ে ১শ কেজি ওজনের শিবলিঙ্গ পাওয়া গেছে। শুক্রবার বিকেলে উপজেলার হরিঢালী ইউপির গোলাবাড়ীস্থ কপোতাক্ষ নদ থেকে জগদীশ-অঞ্জনা বিশ্বাস দম্পত্তি এ শিবলিঙ্গের সন্ধান পেয়ে তা উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে তারা হরিঢালীর ৫ নং ওয়ার্ড সদস্য আজিজুল হক খান ও ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর সিদ্দিকী রাজুকে জানান।পরে শনিবার দুপুরে থানায় শিবলিঙ্গ হস্তান্তর করেন। শিবলিঙ্গের উদ্ধার সম্বন্ধে নোয়াকাটির মালোপাড়ার বাসিন্দা জগদীশ-অঞ্জনা দম্পতি বলেন, মাছধরার জন্য আমরা প্রতিদিনের ন্যায় কপোতাক্ষ নদে পাটাজাল পাতি। জাল তোলার সময় বাঁধা পেলে নদে নেমে এ শিবলিঙ্গের সন্ধান পেয়ে তা উদ্ধার করে বাড়িতে এনে সকলের খবর দেই। এ বিষয়ে ওসি মোঃ জিয়াউর রহমান বলেন, প্রায় ১শ কেজি ওজনের ৩ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট শিবলিঙ্গটি কষ্টি পাথরের কিনা তা পরীক্ষা ছাড়া এ মুহূর্তে কিছুই বলা যাবেনা।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় বারোমাসি আম গাছে এক ডালে মুকুল অন্য ডালে আম ঝুলছে

    পাইকগাছায় বারোমাসি আম গাছে এক ডালে মুকুল অন্য ডালে আম ঝুলছে

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা)।।
    পাইকগাছায় বারোমাসি আমের ফলন ভালো হয়েছে। আম বাগানে মুকুলের সঙ্গে শোভা পাচ্ছে আম। গাছের এক ডালে মুকুল তো অন্য ডালে আম ঝুলছে। আমের আকার এবং রংও হয়েছে বেশ আকর্ষণীয়। শরতের এই সময়ে বাগানে গাছ ভরা আম ছড়াচ্ছে আকর্ষণ ও সৌরভ। গাছে বারোমাস ধরে বলে এ আমের নাম রাখা হয়েছে ‘বারোমাসি’। গাছের আকৃতি ছোট। আম খেতে সুস্বাদু। একই গাছে মুকুল, গুটি ও পাঁকা আমের নজরকাড়া দৃশ্য দেখতে কৌতুহলীরা ভীড় করছে।
    পাইকগাছায এখন যেসব আমগাছে মাত্র মুকুল ধরেছে, সেসব আমের গাছ থাইল্যান্ডের কাটিমন জাতের। এ জাতের গাছ থেকে বছরে তিনবার আম পাওয়া যায়। কাটিমন আম বারোমাসি জাতের বছরে তিনবার ফল প্রদান করে থাকে। নভেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে গাছে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফল আহরণের উপযোগী হয়। ফল লম্বাটে এবং প্রতিটি আমের গড় ওজন ২০০-৩০০ গ্রামের হয়ে থাকে। কাঁচা অবস্থায় ত্বক হালকা সবুজ এবং পাকলে হলুদে সবুজ ভাব রং হয়।
    দেশে এখন অন্তত বারোমাসি সাতটি জাতের আম চাষ হচ্ছে, যেগুলোকে অসময়ের আম বলা হয়। কাটিমন ছাড়া বাকি জাতগুলো হলো বারি-১১, কিং অব চাকাপাত, কিউজাই, বানানা ম্যাঙ্গো, তাইওয়ান গ্রিন, মিয়াজাকি অর্থাৎ সূর্যডিম। এসব আমের যেমন বাহারি নাম, দেখতেও তেমন নজরকাড়া। বারি- ১১ ও কাটিমন আমের জাত আবার বারোমাসি।
    অসময়ের আমের মধ্যে এখন দুটি জাতের বাগান বেশি হচ্ছে। থাই কাটিমন ও বারি- ১১। বারি আম ১১ বারোমাসি জাতের আম সারা বছরই ফল দিয়ে থাকে। বছরে তিনবার ফল পাওয়া যায়। নভেম্বর, ফেব্রুয়ারি ও মে মাসে গাছে মুকুল আসে এবং মার্চ-এপ্রিল, মে-জুন এবং জুলাই-আগস্ট মাসে ফল আহরণের উপযোগী হয়। কাঁচা আমের ত্বক হালকা সবুজ। আর পাঁকলে ত্বক হয় হলুদাভ সুবজ।
    আম গাছটির উচ্চতা ৬-৭ ফুট। গাছটির কোনো অংশে মুকুল, কিছু অংশে আমের গুটি, কিছু অংশে কাঁচা আম, আবার কোথাও পাঁকা আম। একটি গাছেই ফুটে উঠেছে আমের ‘জীবনচক্র’। এটি খেতে সুস্বাদু, তবে একটু আঁশ আছে। ফলের শাঁস গাঢ় হলুদ বর্ণের। এই জাতের ৪-৫ বছর বয়সী গাছ থেকে প্রতিবার ৬০-৭০টি আম আহরণ করা যায়। এছাড়াও এই জাতের একটি গাছে বছরে প্রায় ৫০ কেজি পর্যন্ত আম হয়ে থাকে। বারি আম ১১ এর এক বছর বয়সী গাছে আমের মুকুল আসে। আম গাছের একটি থোকার মধ্যে ৫-৬ টি আম থাকে। আমের উচ্চফলনশীল এই জাতটি বাংলাদেশের সব এলাকায় চাষ উপযোগী। আমের আকার এবং রং ও হয় বেশ আকর্ষণীয়।
    উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় বারোমাসি আমের কোন বাগান গড়ে উঠেনি। তবে বিভিন্ন গ্রামের অল্প সংখ্যক গাছ লাগানো হয়েছে। পাইকগাছার রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক জানান, ২০২০ সালে বারোমাসি আমের চারা রোপণ করেন। রোপণের পরের বছরেই ফল ধরে। এ বছর তার আম বাগান থেকে প্রায় ১০ মন আম বিক্রি করেছেন। তার নার্সারীতে প্রায় ২ হাজার বারোমাসি আমের ছোট ছোট চারা রয়েছে। যা ৩০-৫০ টাকা দরে বিক্রয় করছেন। সততা নার্সারীর মালিক অশোক পালের নার্সারীতে বারোমাসি কাটিমন জাতের আমের ফলন ভালো হয়েছে। ৬/৭ ফুট একটি গাছে ১৫/২০ টি করে আম ধরেছে। তার নার্সারীতে প্রায় দুই শতাধিত বারোমাসি আমের চারা রয়েছে। ছোট চারা ৫০ টাকা ও ৬/৭ ফুট উঁচু চারা ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আমগাছগুলোতে সারা বছর আম ধরে। গাছে কখনো মুকুল, কখনো আমের গুটি আর কখনো বড় আম দেখা যায়। বাগানে আমের জাতের মধ্যে রয়েছে থাই কাটিমন, বারি-৪, কিউজাই ও ব্যানানা ম্যাঙ্গো।
    বারি আম -১১ বা বারমাসি আমের এই জাতটি এখন বাংলাদেশের সব উদ্যানতত্ব গবেষণা কেন্দ্রে ও নার্সারীতে চাষ হচ্ছে। আমের এই জাতটি দেশের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য দেশের সকল আ লিক উদ্যানতত্ব কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজ করে যাচ্ছে। যার উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে নার্সারী মালিকরা।

  • ঝিনাইদহে এসাইন পাওয়ার লিমিটেডের ডিলার পয়েন্টের উদ্ধোধন

    ঝিনাইদহে এসাইন পাওয়ার লিমিটেডের ডিলার পয়েন্টের উদ্ধোধন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    শনিবার সকাল ১০ টায় পাগলা কানাই মোড়ের আপন ঘর শো রুমে এসাইন পাওয়ার লিমিটেডের ঝিনাইদহ জেলা ডিলার পয়েন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি মীর মোঃ নাসির উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা চেম্বারের সাবেক পরিচালক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, সাবেক পরিচালক আবদুল হান্নান বাবু, এসাইন পাওয়ার লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার এ এম এস সালেকিন, এসায়ন পাওয়ার এর হেড অব মার্কেটিং সাইদুর রহমান, সাংবাদিক মাহমুদুল আল হাসান সাগর, উদ্যোক্তা রাজু আহম্মেদ পল্টন, নাজমুল আলম রিগান, আশরাফুল ইসলাম, সায়েদ মাহমুদ রাসেল, সাকিব আল হাসান, মুস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পরিবেশ বান্ধব “হলো ইট” একজন সময়ের দাবী, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় মাটি ও কাঠের ব্যবহার বন্ধ এখন অপরিহার্য হয়ে গেছে। “হলো ইটের” মেশিনারিজ, খুচরা যন্ত্রপাতি, বিক্রয়োত্তর সেবা এখন পাওয়া যাবে “মেসার্স মোস্তফা মটরসে” । পরিবেশের জন্য চরম ক্ষতিকর মাটির ইট পরিবেশে ভারসাম্য নষ্ট করে সেই সাথে দিন দিন মাটির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় মাটির ফসলি জমির উপর চাপ বাড়ছে। এমতবস্থায় “হলো ব্লক ইট” দেশের উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে। মেসার্স মোস্তফা মোটরসে “হলো ব্লক ইটের মেশিন, ভেকু, এসকেভেটর, বুলডোজার, রোড রোলার, খুচরা যন্ত্রাদি, বিক্রয়োত্তর সেবা সহ পাওয়া যাবে মেসার্স মোস্তফা মোটরসে। মেসার্স মোস্তফা মোটরস এর সত্ত্বাধিকারী সাব্বির আহমদ জুয়েল বলেন এসাইন পাওয়ারের মাধ্যমে ঝিনাইদহে ব্যবসায়ে নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে। বড় বড় মেশিনারি কেনার জন্য ঢাকা বা চট্টগ্রামের উপর নির্ভরতা কমবে। উদ্যোক্তা বা ব্যবসায়ীরা নতুন ব্যবসার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। তিনি সকলের কাছে ব্যবসা প্রসারে সহযোগিতা, পরামর্শ প্রত্যাশা করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ক্ষেতলালে শখের বশে মালটা ও আমের বাগান

    ক্ষেতলালে শখের বশে মালটা ও আমের বাগান

    মিলন মিয়া ক্ষেতলাল উপজেলা প্রতিনিধি:
    ক্ষেতলাল উপজেলা বড়তারা
    ইউনিয়ন উত্তর হাটশহর গ্ৰামের মিজানুর রহমান সবুজ শখের বশে মালটা ও আমের বাগান করেন।
    তিনি বলেন আমি যখন বাগানটি করি , তখন আমার এলাকার প্রতিটি মানুষ হাসাহাসি করতো।
    তখন খুব খারাপ লাগতো। এখন আমার বাগানে এতো পরিমাণ ফল ধরেছে এতে আমি আমার পরিবার সহ সবাই অনেক খুশি।
    সবুজ আরো বলেন যে মালটা বাগানের পাশাপাশি আমি আমের বাগান ও করি। তিনি বলেন এখন অসময় বাজারে মিলছে না আম।
    সেখানে গিয়ে দেখা যায় তিনি বাহির দেশের কিছু আম গাছ রোপণ করে।
    তার আম বাগানে কোনো গাছে মুকুল ধরছে, আবারো কোনো গাছে আম ধরে আছে।
    সবুজ বলেন এই আম গুলো খেতে খুব সুস্বাদু।
    তিনি আরো বলেন আমার এই বাগান থেকে প্রতি বছর অনেক টাকা আয় করতে পারবো।
    তিনি আরো বলেন আমি যদি সরকারি ভাবে কোনো সহায়তা পাই তাহলে আরো ভাল কিছু করতে পারবো।
    তিনি আরো বলেন আমি এই বাগান করে মোটামুটি সাবলম্বী হইছি, চাইলে আপনারাও করতে পারেন।
    তিনি আরো বলেন এই ফল বাজারে বিক্রি করে আমি ভাল কিছু করতে পারবো পাশাপাশি দেশে ভিটামিনের ঘাটতি পূরণ করতে পারবো।
    বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশ,আমরা এভাবে সবাই উদ্দেগ নিয়ে নিজে সহ দেশের অনেক উপকারে আসতে পারি।

  • নাগরপুরের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    নাগরপুরের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত

    মো. আমজাদ হোসেন রতন, সিনিয়র স্টাফ : টাঙ্গাইলের নাগরপুরে সলিমাবাদ ইউনিয়নে আব্দুল লতিফ স্মৃতি পাঠাগারের বার্ষিক চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২০ আগস্ট) সকালে পাঠাগারের কার্যালয় মো. আব্দুল মজিদ মাষ্টার এর সভাপতিত্বে ও মো. আব্দুল হান্নান মোরশেদ রতন এর পরিচালনায়, প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, মো. আলমগীর হোসেন আল নেওয়াজ, প্রকল্প পরিচালক, পজীপ (বিআরডিবি) ঢাকা।
    এসময় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, মো. শাহীদুল ইসলাম অপু, চেয়ারম্যান সলিমাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, ভিপি জহুরুল আমিন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক, উপজেলা আওয়ামীলীগ, মো. রুহুল আমিন আরডিও( বিআরডিবি) নাগরপুর, মোসা. সালমা আমিন পিও(পজীপ) নাগরপুর, নাছরিন আক্তার কর্মকর্তা (বিআরডিবি) নাগরপুর, মো. ছানিয়ার রহমান খান সিনিয়র সহ-সভাপতি সলিমাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, প্রতিযোগী, অভিভাবক, শিক্ষক মন্ডলী প্রমুখ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব নেওয়াজ ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি ‘বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। একটি পাঠাগারে বিভিন্ন প্রকারের বই পড়ে আমরা দেশ জাতি তথা বিশ্বের অনেক অজানা তথ্য ইতিহাস জানতে পারি। বই হোক আমাদের নিত্যসঙ্গী। অজানাকে জানতে হলে আমাদের বেশি বেশি পড়তে হবে।
    মোট চারটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার ১৭ জন বিজয়ীদের মাঝে সনদ ও পুরস্কার তুলে দেন অনুষ্ঠানের আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।

    নাগরপুর, টাঙ্গাইল।

  • পিরোজপুরে শোক দিবস উপলক্ষে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভা

    পিরোজপুরে শোক দিবস উপলক্ষে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভা

    পিরোজপুর প্রতিনিধি : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ৪৭ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০আগষ্ট) দুপুরে জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনা সভায় জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপিকা লায়লা পারভীনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শাহিদা বারেকের সঞ্চালনায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি তাহমিনা আলম, জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফিজা আক্তার খুশি, নাজিরপুর উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নয়ন তারা প্রমুখ।

    জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপিকা লায়লা পারভীন বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডাক দিয়েছিলেন বলেই এদেশ স্বাধীন হয়েছিলো। জাতির পিতা আমাদের একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাস্ট্র দিয়েছিলেন আর তারই সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের একটি উন্নত সমৃদ্ধ দেশ উপহারের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

  • র‌্যাব-১২’র  অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ১০০ গ্রাম হেরোইনহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ১০০ গ্রাম হেরোইনহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এর ধারাবাহিকতায় ২০/০৮/২০২২ খ্রিঃ রাত ০১.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১২, সদর দপ্তর সিরাজগঞ্জ এর প্রধান গেইটের সামনে রাজশাহী টু ঢাকাগামী মহাসড়কের উপর এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০০(একশত) গ্রাম হেরোইনসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১) মোঃ দুরুল হুদা(২৫), পিতা-মোঃ আব্দুর রর্শিদ, ২) মোঃ শাহদত হোসেন(২৯), পিতা-মোঃ মজিবর রহমান মঞ্জুর উভয় সাং-মহিষালবাড়ী, থানা-গোদাগাড়ী, জেলা-রাজশাহী।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    সূত্র ও বিস্তারিতঃ

    এম. রিফাত-বিন-আসাদ

    মেজর

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৮

  • প্রভাবশালীর রোষানল থেকে ভিটে বাড়ি রক্ষা করতে অসহায় পরিবারের আকুতি

    প্রভাবশালীর রোষানল থেকে ভিটে বাড়ি রক্ষা করতে অসহায় পরিবারের আকুতি

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ

    কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের মেদাকচ্ছপিয়া এলাকার অসহায় মানুষদের বসতবাড়ী দখলের চেষ্টায় হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

    শুক্রবার ১৯ আগস্ট দুপুরে বর্ণিত ইউনিয়নে অঙ্গীকার মাঠ এলাকায় এঘটনা ঘটে।

    জানা যায়, বর্ণিত এলাকার ১৯৯১ সাল থেকে পাহাড়ি দখলকৃত জমিতে বসবাস করে আচ্ছেন ১৮ পরিবার।
    গত এক সপ্তাহ আগে থেকে এই নিরহ পরিবারদের রাতের আঁধারে এক প্রভাবশালী সিন্ডিকেট হুমকি দেওয়া হয়।

    মনজুর আলম,আহমদ, সজুন,সাহাব উদ্দীন,আব্দু রহিম মনিরুল হক ভুট্টা,নুর মোহাম্মদ চৌকিদার জানান,স্থানীয় একটি দুস্কৃতিকারী চক্র আমাদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় বসতবাড়ীর জমি দখলের জন্য নানাভাবে হুমকী-ধামকী দিয়ে মোটা অংকের অর্থ দাবী করিয়া আসছিল স্থানীয় একই এলাকার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে আক্তার কামাল।এতে চরম আতংকের মধ্যে দিন কাটছে এই পরিবার গুলো।

    অভিযুক্ত আক্তার কামালের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি এক জন সমাজ সেবক, এইখানে আমার কোনো জমি নেই এবং আমি কোনো অর্থ দাবী করি নাই।আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মুলক অভিযোগ করিয়া মান হানি করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

    এবিষয়ে স্থানীয় বন বিভাগের কর্মকর্তা সাহিন আলম জানান, আমরা বৃক্ষ রোপণ করেছি কেউ দখল করার চেষ্টা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    স্থানীয় এলাকার মাঈন উদ্দীন, রাশেদ,ওমর আলী, আনোয়ার হোসেন, হেলাল উদ্দিনসহ অনেকে জানান,এইটা বন বিভাগের জায়গা এইখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আচ্ছেন।কিছু দিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালী সিন্ডিকেট একটি দুস্কৃতিকারী চক্র নানাভাবে হুমকী-ধামকী দিয়ে মোটা অংকের অর্থ দাবী করেন।এতে চরম আতংকে রয়েছে এই অসহায় পরিবার গুলো। এই পরিবার গুলোর জীবনের নিরাপত্তা জন্য প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কে গ্রেফতার পূবক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

    স্থানীয় সাংবাদিক জানান, শুনেছি ৯১ সালের প্রলয়ংকরী ঘুর্ণিঝড়ের পর স্থানীয় ওমর আলি গং মেধাকচ্ছপিয়ার অঙ্গীকার মাঠ এলাকায় ভুমিহীন হিসেবে বনভুমিতে বসতি গড়ে। পরে ভিলেজার হিসেবে পাহাড়ের পাদদেশে হালচাষ করে কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিল। এখন পাার্শবর্তী রেলের রাস্তা আসায় জমির দাম আকামচুম্বী। তবে তাকেসহ দীর্ঘদিন বসবাস করে আসা অসহায় পরিবারগুলোর ভিটে বাড়ি দখল পায়তারার অভিযোগ দুঃখজনক।

  • নেছারাবাদে ভাঙ্গা পুলদিয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাতায়াত

    নেছারাবাদে ভাঙ্গা পুলদিয়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাতায়াত

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)সংবাদদাতা:

    নেছারাবাদ উপজেলার কামারকাঠি গ্রামের পূর্ব কামারকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ঝুকি নিয়ে একটি ভাঙ্গাচোড়া কাঠের পুল পার হয়ে বছরের পর বছর ক্লাস করছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। পুলটি নির্মানের পর দীর্ঘ চার বছরেও সরকারি পক্ষ থেকে কোন মেরামত বা সংস্কার না হওয়ায় রুগ্ন দশার ওই কাঠের পুলটি যেন মৃত্যু কুপে পরিণত হয়েছে। যে কারনে পুল পারাপারে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট খাট দুর্ঘটনা। পুলটি সরিয়ে দ্রুত কোন পদক্ষেপ না নিলে মৃত্যুকুপের ওই পুল পার হতে গিয়ে যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় কোন দুর্ঘটনা। এমনটাই আশংকা প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা।

    ওই স্কুল কমিটির সাবেক সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই পুলটি গ্রামের খুবই জনগুরুপ্তপূর্ন। পুল পার হয়ে খালের পূর্ব পাড়ে রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রয়েছে একটি জামে মসজিদ। একইসাথে ওই পুলের নিচ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের পশ্চিম পাড়ের লোকজনের সহজ যোগাযোগের রাস্তা হল ইউনিয়ন পরিষদ এবং ইদেলকাঠি নামক স্থানীয় বাজার। আবার খালের পূর্ব পাড়ের লোকজনকে ওই পুল পার হয়ে যোগাযোগ করতে হয় স্থানীয় আরো একটি বাজার সহ উপজেলা সদরে। এছাড়াও, এলাকায় রয়েছে অনেকের নার্সারির ব্যবসা। পুলটি সংস্কারের অভাবে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ওই স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থী সহ কয়েক হাজার মানুষ নিরুপায় হয়ে চলাফেরা করে। পুলটি নষ্ট হওয়ার পর প্রথম দিকে স্থানীয়রা নিজ উদ্যেগে পুলটি মেরামত করে চলছিল। এখন তা খুবই ভগ্ন দশায় পরিণত হয়েছে। ঝুকিপূর্ন ওই পুল পার হতে গিয়ে মাঝেমধ্য স্থানীয় মুরব্বি সহ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দূর্ঘটনার শিকাড় হচ্ছে। ভাঙ্গা পুল পার হতে গিয়ে এর পূর্বেও অনেক লোক আহত হয়েছেন। পুলটি ভেঙ্গে হেলে হিয়ে খালের মধ্য দেবে রয়েছে। এ কারনে পুলের নিচ দিয়ে মালবাহী কোন নৌকা আা ট্রলার যেতে পারছেনা। এতে সমস্যায় পড়ছে ভিবিন্ন ব্যবসায়ীরাও। তিনি বলেন, এ নিয়ে আমরা চেয়ারম্যান মহোদয়ের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেছি। নতুন পুল নির্মানের জন্য তিনি আমাদের আশ্বস্ত করে ছিলেন। এখন কবে যে পুলটি হবে তা কেউই বলতে পারছেনা।

    ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক শিরিন আক্তার বলেন, আমার বিদ্যালয়ে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তারা প্রতিদিন ঝুকি নিয়ে মরন দশার ওই পুলটি পার হচ্ছে। এ কারনে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরাও সব সময় চিন্তিত থাকেন। তিনি বলেন, বছর দু’য়েক পূর্বে ওই ভাঙ্গা পুলটি সংস্কারের জন্য আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি দরখাস্ত দিয়ে ছিলাম। তখন স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য পুলটিতে কয়েকটি কাঠের তক্তা দিয়ে বিছানা খিলিয়ে মেরামত করে দিয়েছিলেন। তা বেশি দিন যায়নি। এখন পুলটি খুবই ঝুকিপূর্ন অবস্থায় আছে। তিনি বলেন যেহেতু পুলটি গ্রামের খুবই জন গুরুপ্তপূর্ন তাই এখানে একটি ব্রীজ দরকার।

    ইউপি চেয়ারম্যান মো: তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ওই পুলটি খুবই গুরুপ্তপূর্ন। ওই ভাঙ্গা পুল পার হতে গিয়ে একজন ডাক্তার আহত হয়ে ছিলেন। আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর পুলটি নির্মানের জন্য চেষ্টা করছি। ওই খানে একটি রাস্তার টেন্ডার সম্পন্ন হয়েছে। ভাবছিলাম রাস্তার সাথে পুলটি নির্মান হবে। পরে দেখি পুলটি টেন্ডারে নেই। তাই আমি আমার পরিষদ থেকে পুলটি নতুন করে নির্মানের জন্য দুই লাখ টাকা বরাদ্দ রেখেছি। আসছে শুকনা মৌসুমে অর্থ্যাৎ, এক মাসের মধ্য পুলের কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

    আনোয়ার হোসেন
    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি।।

  • পাথরঘাটায় প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    পাথরঘাটায় প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন বিষয়ক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

    পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি
    বরগুনার পাথরঘাটায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২০ আগষ্ট) সকাল ১০টায় উপজেলা শিক্ষা অফিস মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    উপজেলা শিক্ষা অফিসার টি. এম. শাহ্ আলম এর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বরগুনা-২আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন। অন্যদের মধ্য উপস্থিত ছিলেন, পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির, পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুফল চন্দ্র গোলদার, পাথরঘাটা পৌরসভার মেয়র আনোয়ার হোসেন আকন, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর প্রকাশ চন্দ্র মন্ডল, উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার রবিন হাওলাদার, খাদিজা খানম ও রনজিত চন্দ্র মিস্ত্রি প্রমুখ।

    সভায় উপজেলার ১শ ৪৯টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগন অংশ নেন। শিক্ষকরা তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার মান উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, একটি মেধাবি ও দক্ষ জাতি তৈরির জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা। আর শিক্ষার মানোন্নয়নে মানসম্মত শিক্ষকরা সবচেয়ে নিয়ামক ভূমিকা রাখতে পারেন। শিক্ষা কিন্তু খুব সহজ বিষয় নয়, এজন্য কষ্ট করতে হবে। শিক্ষকরা যা পড়াচ্ছেন তা শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দুর্বল শিক্ষার্থীদের দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে। কেন পরীক্ষার ফলাফল খারাপ হয়েছে তা নিয়ে আমাদের আত্ম-বিশ্লেষণ করতে হবে।

    বন্যা তালুকদার
    পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি।