Blog

  • বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

    বিরোধপূর্ণ জমিতে ঘর নির্মাণের অভিযোগ

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার হাওয়াজোত গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। ওই গ্রামে ২৬ শতাংশ জমিতে ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ১২টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
    পৈতৃক সূত্রে মিনত,খিরত ও সুরত ওই জমির দাবীদার।

    তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন,খাস জমিতেই আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে।
    জমির মালিকানা দাবী খিরত চন্দ্র রায় বলেন, তাঁর পূর্বপুরুষ উদ্রকান্ত সি এস ৩১২০ খতিয়ানের মালিক যার এস এ ২৮৯।
    হঠাৎ করে স্থানীয় মৃত ফজলুর রহমানের ওয়ারিশ মোছাঃ রেনু আক্তারসহ ১১ জন দাবী করে তারা ৬২ জবর দখল রেকর্ডীয় মালিক। এই দ্বন্দে পরে তাঁরা বাদী হয়ে সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। যাহার নং ১১২/২৬ জুন ২০০৮ইং।
    দীর্ঘদিন মামলা পরিচালনা করার পর আমাদের পক্ষে রায় দেন তেঁতুলিয়া সহকারি জজ আদালত।পরে বিবাদী পক্ষ এ রায়ের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতে আপিল করে।
    তিনি আরো বলেন, আদালতের আদেশের পর ১০ টি দাগে ৫.৪৯ একর জমির মধ্যে রোপা আমন ধান রোপন করেছি কিন্তু সাবেক দাগ ৯০ হাল দাগ ৪০৫০ এর ২৬ শতক জমির উপর সরকারি আশ্রয়ন প্রকল্পের ১২ টি ঘর নির্মাণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

    ওই জমি ফিরে পাওয়ার জোর দাবী জানিয়েছেন অসহায় পরিবার গুলো।
    মিনত চন্দ্র রায় জানান, যখন আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণের জন্য ইট বালুসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে যায়। আমি বাঁধা দিছি কিন্তু চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোন কথা শুনেন নাই। তিনি আরো বলেন, ৪০৫২ দাগটি খাস সেখানে প্রকল্পের ঘর করতে গিয়ে পাশের বিরোধীয় জমিতেও ঘর নির্মাণ করে।
    স্থানীয়রা জানান, ঘরের কাজ শেষ হয়েছে অনেক আগে কিন্তু জমির বিরোধের কারনে ঘরগুলোতে এখন পর্যন্ত উঠতে পারছেনা উপকারভোগীরা।
    বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারি কর্মকর্তা খামির উদ্দিন চৌধুরি জানান, হাওয়াজোত এলাকায় ৪০৫২ দাগটি খাস সেখানে আশ্রয়নের ঘর নির্মান করা হয়েছে।
    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার সোহাগ চন্দ্র সাহা জানান,জমির মালিকানা আমাদের তাই আশ্রয়ন প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। ঘর নির্মাণে বাঁধা দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে। তিনি অস্বীকার করেন।

  • ক্ষেতলালে নামমাত্র মূল্যে টেন্ডারের কার্যাদেশ রাজস্ব হারালেন সরকার

    ক্ষেতলালে নামমাত্র মূল্যে টেন্ডারের কার্যাদেশ রাজস্ব হারালেন সরকার

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে নামমাত্র মূল্যে চারটি
    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন অপসারনের টেন্ডারের কার্যাদেশ দেওয়ার
    অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখিত চারটি বিদ্যালয়ের পুরাতন অবকাঠামোর প্রকৃত
    মূল্য হতো আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা।
    জানাগেছে, উপজেলার আটিদাশড়া, হিন্দা, কৃষ্ণনগর ও জিয়াপুর সরকারি
    প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন প্রকল্প (পিডিইপি)
    ২০২১-২২ অর্থ বছরের আওতায় নতুন ভবন নির্মানের বরাদ্দ পায়। ওই বিদ্যালয়ের পুরাতন
    ভবনগুলো অপসারণ চেয়ে আবেদন করে ওইসব প্রতিষ্ঠানের প্রধানগন। এরপর ভবনগুলোর
    যাবতীয় পুরাতন অবকাঠামো অপসারন মূল্য নির্ধারণ করেন উপজেলা প্রকৌশলী।

    ৪ আগস্ট এসব বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন অপসারণের টেন্ডার ড্রপের আহবান করেন
    উপজেলা প্রশাসন। ওই দিন ব্যাপক প্রচারণা ছাড়াই তরিঘড়ি করে মাত্র ১ ঘন্টা
    সময়ের মধ্যে টেন্ডার ড্রোপ এবং ড্র কার্যক্রম পরিচালনা করেন কতৃপক্ষ। এতে
    সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে মাত্র ১ থেকে ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত দিয়ে ওইসব
    কাজ পান দলীয় নেতাকর্মীরা। আঁটিদাশড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় টেন্ডারটি পান
    উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন, হিন্দা প্রাথমিক
    বিদ্যালয় পান ক্ষেতলাল পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাপ
    হোসেন জুয়েলে, কৃষ্ণনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় পান উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম
    আহ্বায়ক জুল আরশ শুভ, মহব্বতপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় পেয়েছেন আঃলীগ
    কর্মী বেলাল হোসেন।
    আটি দাশড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবন সরকারি মূল্য দেখানো হয়
    ৮০ হাজার অথচ ৫০০ টাকা অতিরিক্ত দিয়ে টেন্ডার নিয়ে মালামাল বিক্রি করেন ৫ লক্ষ
    টাকায়। অপরদিকে কৃষ্ণনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টেন্ডার মূল্য দেখানো হয় ৫৪
    হাজার সেখানে কার্যাদেশ প্রাপ্ত ঠিকাদার মালামাল বিক্রি করেছেন ২ লক্ষ ৫০ হাজার
    টাকা। এভাবে অন্যান্য বিদ্যালয় মিলে সরকার রাজস্ব হারিয়েছে প্রায় ২০ লক্ষ টাকা।
    উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার অচিন্ত কুমারের নিকট টেন্ডারের সরকার
    নির্ধারিত মূল্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কাছে এ তথ্য নেই, এসব
    উপজেলা প্রকৌশলী জানেন। টেন্ডার প্রক্রিয়ার বিষয় গুলো গোপনেই হয়, এটা
    আপনারাও জানেন, আমরাও জানি।
    উপজেলা প্রকৌশলী প্রদীপ কুমার বলেন, প্রাক্কলনটি গত বছর করা হয়েছে এ বছরের
    মূল্যের সাথে তারতম্য হতে পারে বলে সাংবাদিকদের এড়িয়ে যান। এ বিষয়ে আরো
    প্রমানিক তথ্য চাইলে তিনি অফিস থেকে পালিয়ে যান।

  • বিএনপি দূর্ণীতি করে,  ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করে, গোদাগাড়ীতে ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি

    বিএনপি দূর্ণীতি করে, ধ্বংসাত্মক রাজনীতি করে, গোদাগাড়ীতে ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস জাতির ১৫ই আগস্টে শাহাদত বরণকারী শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    সোমবার বিকালে উপজেলার শহিদুন্নেসানবালিকা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় মাঠে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাসুদেবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী ১ আসনের সংসদ, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী উন্নয়নের আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ীতে যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলার চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

    উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের
    সভাপতি ও গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব মোঃ অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশিদ, দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলাল উদ্দিন সোহেল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সুফিয়া খাতুন মিলি প্রমূখ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে, এমপি ওমর ফারুক চৌধিরী বলেন, দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে আবারও নৌকায় ভোট দিতে হবে। বিএনপি জামায়াতের মিস্টি কথায় না ভুলে আওয়ামীলীগের সাথে থাকুন, শেখ হাসিনার সাথে থাকুন, ভাল কাজের সাথে থাকুন, উন্নয়নের সাথে থাকুন।

    দেশের এই অর্থনৈতিক অবস্থা বিবেচনা করে মাত্র ১৫ টাকা কেজিতে ১৫ লাখ মানুষকে চাল দেয়ার ঘোষনা করেছেন প্রধান মন্ত্রী শেখ হসিনা।
    রেশন কার্ড এর ব্যবস্থা করা হবে। এক কোটি পরিবার এই রেশন কার্ড পাবে। এখান থেকে ন্যায্যমূল্য তারা তাদের পণ্য কিনতে পারবে। অচিরেই সরকার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

    বিশ্বের সব জায়গাতেই জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি। পৃথিবীতো আজকে গ্লোবাল ভিলেজ। আজকে আমরা একে অন্যের ওপর নির্ভরশীল। বিশ্বব্যাপী যেখানে পণ্যের দাম বেড়ে যাচ্ছে, আমরা তো এগুলোর বাইরে যেতে পারি না। সেই ধাক্কা আমাদের উপর এসে লাগছে।

    আপনি আওয়ামীলীগ ও বঙ্গবন্ধর নাম ভাঙিয়ে হেরোইন ব্যবসাা করবেন , জুয়া খেলবেন, চাঁদাবাজি করবেন, অবৈধ কাজ করবেন এটা হতে দেযা হবে না। মাদক ব্যবসায়ীরা, জুয়াড়িরা, চাঁদাবাজেরা আমাদের কিছু নেতা ও জনপ্রতিদের অবৈধ অর্থ দিয়ে সহজে ম্যানেজ করে নৌকা ফুটা করতে সাহায্য করে থাকে। যে সব নেতারা নৌকা ফুটা করেছেন তাদের তালিকা প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শুরু হয়ে গেছে। তারা এখন তসবি নিয়ে ভাল করে ধর্মকর্ম শুরু করুক। যে সব নেতা আওয়ামীগীগের নাম ভাঙিয়ে মানুষের হক নষ্ট করছেন, সম্পদ কেঁড়ে নিচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। আগামী সংসদ নির্বাচনে প্রত্যেকে এখন থেকে ৫ টি করে ভোটারের নিকট যাবেন এবং ভোটাদের ঠিক করবেন, নৌকায় ভোট দেয়ার কথা বলবেন, উন্আনয়নের কথা বলবেন, আমরা সব জায়গায় ভোটে জয়লাভ করি কিন্তু বাসুদেবপুর ইউনিয়নে জয় লাভ করতে পারি না। এরা সব পাকিস্থানে ভোট দিয়ে দেন। এখন থেকে বাংলাদেশকে নৌকার ভোট দেয়ার আহ্বায়ন জানান ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

  • উচ্চ রক্ত চাপ সমাচার লিখেছেন আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    উচ্চ রক্ত চাপ সমাচার লিখেছেন আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    উচ্চ রক্ত চাপ সমাচার

    – আবু নাসের সিদ্দিক তুহিন

    রক্তনালীর প্রেসার থেকে
    বাঁচতে যদি চান
    তেল চর্বি কমিয়ে দিয়ে
    সুষম খাবার খান।

    ভাজাপোড়া তেলের খাবার
    যতোই খাবেন কম
    নিজের কাছে নিজেই ভালো
    বাড়বে পেশির দম।

    লবণ বেশি খাবেন নাকো
    জর্দ্দা তামাক বাদ
    আপনি তবে রবেন ভালো
    পরিবারের চাঁদ।

    ঘুম পাড়বেন নিয়ম মেনে
    প্রতিদিনই হাঁটা
    তাড়িয়ে দেবেন রক্তচাপের
    জুজুবুড়ির ঝাঁটা।

    রক্তচাপের মাপটা যদি
    খুব এগিয়ে চলে
    চিকিৎসকের সেবা নিতে
    যাবেন দলে দলে।

    উচ্চরক্তচাপের কথা
    হয়না কভু শেষ
    নিরব ঘাতক চুপিচুপি
    এগিয়ে আমার দেশ।

    লাগাম ধরে টানতে হবে
    বাঁচতে যদি চান
    নিয়ম মেনে ঔষধ সেবন
    টক ফলমূল খান।

  • সুন্দরগঞ্জে ১৭ বছরেও স্কুল সরকারি না হওয়ায় শিক্ষকদের মানবেতর জীবনযাপন

    সুন্দরগঞ্জে ১৭ বছরেও স্কুল সরকারি না হওয়ায় শিক্ষকদের মানবেতর জীবনযাপন

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘ ১৭ বছরেও রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি না হওয়ায় শিক্ষক পরিবারগুলো চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

    জানা গেছে, উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অত্যন্ত নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়। পরে ২০১০ সালে পাঠ দানের প্রাথমিক অনুমতি পায়। যার স্মারক নং-প্রাই/রাবিরা/এফ ১২/১১৩/৬২৮/১১০। পাশাপাশি ০৭/০১/২০১০ইং অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন হয়। যার নাম্বার- ডিডি/ প্রাই/ রবি এবং ৮২(৯) তারিখ- ২৩/০৫/১২ইং। ২০১০ সালে অনুমতি পাওয়ার পর থেকে স্কুলটির শিক্ষার্থীরা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে আসছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭০ জন। পরীক্ষার ফলাফলও মোটামুটি ভাল। বিদ্যালয়টি বিগত ২৩/০৫/১২ সালে স্থায়ী রেজিষ্ট্রেশন ও উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বিদ্যালয়টি “খ” গ্রুপে জাতীয়করণ হিসেবে যোগ্য বিবেচিত হলেও দুর্ভাগ্যবশত তা বাদ পড়ে যায়। তৎপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচালক সিপিই সাইফুল্লাহ মকবুল মোর্শেদ ০৫/০৪/ ২০১৬ সালে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে জাতীয়করণের মতামত দেন । সেই সাথে ২৩/০৩/২০১৯ইং সালে দ্বিতীয় ধাপ হতে বাদপড়া বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জোর সুপারিশ করেন স্থানীয় এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তারপরও আজও বিদ্যালয়টি জাতীয়করন না হওয়ায় চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে শিক্ষকদের পরিবার পরিজন। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগমের স্বামী ওসমান গনি জানান, স্কুলটি জাতীয়
    করণ না হওয়ায় আমার পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি শিক্ষক পরিবারের ছেলে মেয়েরা ভালভাবে পড়ালেখা করতে পারচ্ছে না। সেই সাথে সবাই চরম কষ্টে দিন কাটছে। এনিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদের সাথে কথা হলে বলেন, আমি সরকারি স্কুলের কাজ করি। এব্যাপারে কিছু জানিনা। সরকারি হোক দেখব। এছাড়া আমার করার কিছুই নাই।

  • চট্রগ্রামের মমতা মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে নবজাতক শিশু চুরি,কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তাঁর বাবা মা

    চট্রগ্রামের মমতা মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে নবজাতক শিশু চুরি,কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তাঁর বাবা মা

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

    চট্টগ্রামের সি.ই.পি.জেড থানাধীন ৩৯ নং ওয়ার্ড নেভী হাসপাতাল গেইটস্থ তাল তলা বন্দরটি মমতা মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে নবজাতক শিশু চুরি করেন চট্টগ্রাম মেডিকেলের নার্স পরিচয় দেওয়া এক মহিলা
    (২৮ আগস্ট) রবিবার সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে এ নবজাতক শিশু চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানান নবজাতক শিশুর বাবা।

    চুরি হওয়া শিশুটির বয়স ১দিন। ওই শিশুটির মাতাঃ তাসমিনা আক্তার ও বাবা মোঃ শহিদুল ইসলাম আনোয়ারা উপজেলার গহিরা তাদের স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান কাটগড় চরপাড়া তাদের বসবাস। সন্তান হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন শিশুটির মা, বাবাসহ স্বজনরা।

    নবজাতক শিশু চুরির বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে শহিদুল ইসলাম বলেন,গতকাল ২৭ আগস্ট‌ শনিবার সকাল ১০টার দিকে আমি আমার স্ত্রীকে মমতা মাতৃসদন মমতা ক্লিনিক হাসপাতালে ভর্তি করাই এর পরপরেই দুপুরের দিকে আমার স্ত্রীর কোলজুড়ে আসে ছেলে সন্তান,বিকেল ৩টার দিকে অজ্ঞাত এক মহিলা ক্লিনিকে আসেন চট্টগ্রাম মেডিকেলের নার্স পরিচয় দেন এবং টিকা দেয়ার কথা বলে নবজাতককে নিয়ে উধাও হয়ে যান তিনি।

    তিনি আরো বলেন, নবজাতক শিশু চুরির পিছনে এই ক্লিনিকের সবাই জরিত আছেন, এরা পরিকল্পিত ভাবে এই কাজটি করেছে, ক্লিনিকে থাকা সিসিটিভির ফুটেজ বের করতে ঘন্টার পর ঘন্টা লাগে কিভাবে। প্রায় সাড়ে ৩ঘন্টা চেষ্টা করে সিসিটিভি ফুটেজ শনাক্ত করতে পারে নাই ক্লিনিকের ম্যানেজার ও কর্মীরা। আমার মনে হচ্ছে এরা সিসিটিভির ফুটেজ ডিলেট করেছে যার কারণে এত গরি মসি কোথাও সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া যাচ্ছে না,আমি আমার নবজাতক শিশুকে না পেলে, মাতৃসদন নামক মমতা ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করব।

    নবজাতক শিশু চুরির ব্যাপারে মমতা মাতৃসদন ক্লিনিকের ম্যানেজার মোঃ মোর্শেদের কাছে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন,আজ দুপুরের দিকে অ্যাপ্রোন পড়ে এক মহিলা এসেছিলেন, তিনি নিজেকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের নার্স পরিচয় দেন,এরপর রোগীর স্বজনদের টিকা দেয়ার কথা বলেন,এরপর সেই মহিলা ওই নবজাতকের দাদীর সঙ্গে কথা বলে চা খেয়েছেন বিকেলের দিকে, বাচ্চাকে টিকা দেয়ার কথা বলে নিচে নামেন তারা দুইজন,নিচে নেমে এই মহিলা বলেন বাচ্চাটাকে আমাকে দাও,তুমি তো আর টিকা দিতে পারবে না, তুমি একটা কাজ কর ৫০০ টাকার এই নোটটি ভাংতি করে নিয়ে এসো,রোগীর স্বজন সরল মনে টাকা ভাঙতি করতে গেলে ওই মহিলা বাচ্চাকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়, বর্তমানে প্রশাসনের লোকজন এসেছে,তারা সহ সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ চেক করেছেন ওই মহিলাকে শনাক্তের চেষ্টা করছেন।

    এ বিষয়ে ইপিজেড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিম বলেন, নার্স সেজে এক নারী মমতা মাতৃসদন ক্লিনিক থেকে একদিন বয়সী নবজাতককে চুরি করেছে। ঘটনা শুনে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থে এসেছি আমরা ক্লিনিকের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করে নবজাতক শিশুকে খুজে বের করার জন্য যতটুকু চেষ্টা করার দরকার তা আমরা করার চেষ্টা চালাচ্ছি।

    নবজাতক শিশুর নানা বলেন,আমার নাতিকে যদি ফেরৎ না পাই, সেক্ষেত্রে এই ক্লিনিক এর বিরুদ্ধে আমি মামলা দায়ের করব, এদের সহযোগিতায় আমার নাতিকে চুরি করেছে।

  • কুয়াকাটার কালাচানপাড়াতে  রাখাইন আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    কুয়াকাটার কালাচানপাড়াতে রাখাইন আদিবাসীদের অধিকার বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    মংচিন থান কুয়াকাটা থেকে।।কুয়াকাটা কালাচান পাড়া রাখাইন ভাষা শিক্ষা কেন্দ্রের, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম বরিশাল অঞ্চল আয়োজনে ২৯ শে আগস্ট সোমবার সকাল ১০ ঘটিকায় রাখাইন আদিবাসীদের ভূমি, ভাষা, শিক্ষা ও সংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক বর্তমান প্রেক্ষিত ও আমাদের করণীয় বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মি:মংম‍্যা এর সঞ্চালনায় বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের বরিশাল অঞ্চলের সভাপতি মি:মংচোথিন তালুকদার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুয়াকাটা প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো: আনোয়ার হোসেন, সহকারি অধ্যাপক মো:খান এ রাজ্জাক,পটুয়াখালী রাখাইন সমাজ কল‍্যান সমিতির সভাপতি মি:তেনসুয়ে হাওলাদার,সাধারন সম্পাদক মি:মংতেন তালুকদার,বরগুনা রাখাইন সমাজ উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মি:মংচিন থান,আমখোলা পাড়া সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মি:চোতেন তালুকদার, কালাচান পাড়া সমাজ সেবক মি:মংম‍্যাচিং, ও দিয়া আমখোলা পাড়া সমাজ সেবক মি:মংখেন প্রমুখ।

    এ সময় বক্তারা সরকারের কাছে জাতিসংঘ ঘোষিত ৯ আগষ্ট আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে পালন করা ।সমতলের আদিবাসীদের জন্য আলাদা ভূমি কমিশন, ১৯৫০ সালে প্রজাস্বত্ব আইন পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, সরকারি চাকুরিতে আদিবাসীদের ৫% কোটা সংরক্ষণ করতে হবে।রাখাইন ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য মাতৃভাষা শিক্ষার ব্যাবস্থা, তাদের সংস্কৃতির সংরক্ষণ এবং রাখাইনদের প্রতি মিথ্যা মামলার গুলো দ্রুতগতিতে প্রত্যাহারের দাবি জানান।#

  • স্থানীয় নাগরিক ও এনজিও সংস্থা সমন্বয় সভা

    স্থানীয় নাগরিক ও এনজিও সংস্থা সমন্বয় সভা

    (রিপন ওঝা,মহালছড়ি)

    আজ ২৯ আগস্ট সোমবার সকাল ১০.০০ঘটিকায় মহালছড়িতে চৌধুরী বেম্বো রেস্টুরেন্টে স্থানীয় নাগরিক ও এনজিও সংস্থার মধ্যে মত বিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত এ মতবিনিময় সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আধুনিক চিকিৎসা সেবা হতে জনগণ বঞ্চিত, এক্সরে সেবা প্রয়োজনীতার কথা, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ডাক্তার থাকা সত্বেও কর্মচারী ও কর্মকর্তা তীব্র সংকটের কারণে চিকিৎসা সেবা বেঘাত ঘটছে এমনকি কমিউনিটি ক্লিনিকের পর্যাপ্ত তদারকি করার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে আসে অনেকের বক্তব্যে।

    উন্মুক্ত বক্তব্যে ধুমনিঘাট ত্রিপুরাপাড়া নিবাসী সাজুলিকা ত্রিপুরা বলেন বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে। এমনকি এলাকার জনসাধারণ অজ্ঞতার কারনে প্রসূতি কালে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ ও চিকিৎসা সেবা গ্রহণের অর্থাৎ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ হতে বিরত থাকে, ফলে প্রসবকালীন নারী প্রচুর সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

    উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সহসভাপতি সুইনপ্রু চৌধুরী বলেন প্রতিটি এলাকাভিত্তিক হেডম্যান ও কার্বারীদের সমন্বয়ে বসে জনসাধারণের মাঝে স্বাস্থ্য সেবা গ্রহণের লক্ষ্যে হাসপাতাল মুখী করার জন্যে প্রয়োজনীয় গ্রহণ সহ সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

    উক্ত কর্মসূচীর উদ্দেশ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ও জাবারাং কল্যাণ সমিতি’র যৌথ আয়োজনে ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সেবার মানোন্নয়নে এবং নাগরিকদের স্বাস্থ্য অধিকার বিষয় স্থানীয় সকলের মাঝে গণ সচেতনতা সৃষ্টি করা।

    উক্ত আয়োজনে সম্মানিত অতিথি অবসরপ্রাপ্ত
    প্রধান শিক্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শাহাজাহান পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা স্বাস্থ্য অধিকার ফোরামের সদস্য সচিব সাংবাদিক মিল্টন চাকমার সঞ্চালনায় সিন্দুকছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সিন্দুকছড়িস্থ মৌজা হেডম্যান সুইনুপ্রু চৌধুরী, জাবারাং কল্যাণ সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা ধনেশ্বর ত্রিপুরা, ভলান্টিয়ার ম্রাসাইন্দা মারমা, বিশেষ অতিথি কর্মচান ত্রিপুরা(কার্বারী),ব্র্যাক প্রতিনিধি সংগীতা চাকমা, মহিলা কার্বারী উম্রাসং মারমা, ইউপি সদস্য মৌহিনীলতা চাকমা, যুব অধিকার ফোরামের সভাপতি সানি দাশ ও বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষার্থী সহ বিভিন্ন এলাকার উদীয়মান তরুন ও যুব সদস্য/সদস্যাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • ত্রিশালে  রাত ৮টার পর দোকানপাট খুলে রাখায় এসিল্যান্ডের অভিযানে ১০হাজার টাকা জরিমানা

    ত্রিশালে রাত ৮টার পর দোকানপাট খুলে রাখায় এসিল্যান্ডের অভিযানে ১০হাজার টাকা জরিমানা

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনিসংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযয়িী রাত আটটার মধ্যে দোকানপাট বন্ধে অভিযান চালিয়েছেন সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ।

    ২৮আগষ্ট রোববার রাত আটটার পর উপজেলার পৌরশহরসহ বিভিন্ন এলাকার বাজারে অভিযান চালান সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট।

    উপজেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে ৬ দোকানের ৬ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ সাস্রয় ও শ্রম আইনে দশ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।

    এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হাসান আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেছেন, বিশ্বব্যাপী জালানির মূল্যবৃদ্ধি জনিত বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের নিমিত্তে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী রবিবার রাত্রি আটটার পর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযানে বের হই। এতে বিদ্যুৎ জালিয়ে রেখে দোকান খুলে রাখার দায়ে দু’টি দোকানে মোবাইল কোর্ট বসিয়ে শ্রম আইনে ৬ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দশ হাজার টাকা করে অর্থদন্ড করা হয়েছে। তিনি জানান-বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও ঘাটতি পুরণে সরকারের পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ত্রিশাল উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। অভিযান সফল করতে তিনি সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

  • ত্রিশালের বইলরে চেয়ারম্যান শাহানশাহ’র  ব্যবস্থাপনায় সুষ্ঠুভাবে ভিজিডি পেয়ে খুশী ২৫২ ভুক্তভোগী

    ত্রিশালের বইলরে চেয়ারম্যান শাহানশাহ’র ব্যবস্থাপনায় সুষ্ঠুভাবে ভিজিডি পেয়ে খুশী ২৫২ ভুক্তভোগী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার বইলর ইউনিয়নে ভিজিডি কার্ডের আওতায় হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৯শে আগষ্ট)সকালে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিউর রহমান শাহানশাহ ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে সর্বমোট ২৫২ জন অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্ভোধন করেন। উক্ত ভিজিডি কর্মসূচীর আওতায় সুষ্ঠু ভাবে ইউনিয়নের দুস্থ প্রত্যেক নারীকে জুলাই ও আগষ্ট ২(দুই) মাসের বরাদ্দ প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে দুই মাসের চাউল বিতরণ করা হয়।

    এসময় চাউল নিতে আসা সকলের উদ্দেশ্যে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার মশিউর রহমান শাহানশাহ বলেন- আপনারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার পর, আমি দায়িত্বে বসার পর থেকেই সার্বক্ষণিক নানা ভাবে আপনাদের জনসেবার নিয়োজিত থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছি । আপনাদের সেবায় আমি আগামী দিনেও নিয়োজিত রাখবো। জাতির পিতার স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলার অংশ হিসেবে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বইলর ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক এলাকা হিসাবে গড়তে আমি আপনাদের সার্বিক সহযোগীতা চাই।

    এসময় উপস্হিত ছিলেন ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার আশীষ তরফদার,ইউপি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।