Author: desk

  • বিএনপির আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ জনগনকে সাথে নিয়ে – আমির খসর মাহমুদ

    বিএনপির আন্দোলন হবে শান্তিপূর্ণ জনগনকে সাথে নিয়ে – আমির খসর মাহমুদ

    নাজিম উদ্দিন রানাঃবিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসর মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জনশূন্য হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ সরকার বর্তমান বাজার পণ্যকে রাজনীতির পণ্য বানিয়ে রাখছে। এজন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে এখন আর এদেশের জনগণ নেই। এদেশের অসহায় মানুষ গুলো এখন দু’বেলা দুমুঠো ভাত খেতে খুব কষ্ট হয়।

    আওয়ামী পুলিশ, আওয়ামী সন্ত্রাস, এখন আর জনগণ এগুলো পছন্দ করে না। গুলি করে, খুন করে বিএনপির রাজনীতিকে দমিয়ে রাখা যাবে না। আওয়ামী লীগের কথা এখন কেউ বিশ্বাস করে না। এদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নাই। এদেশের গণমাধ্যমে স্বাধীনতা নাই বলে মন্তব্য করেন আমির খসরু।

    মঙ্গলবার (০৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে লক্ষ্মীপুরে এ্যানির বাসভবন প্রাঙ্গণে জেলা বিএনপির আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যের এসব কথা বলেন।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্বের যত মানবাধিকার, গণমাধ্যম আছে তারা ভালোভাবে জানে বাংলাদেশের মানুষ এখন ভালো নেই। যেভাবে ১৩ বছর মানুষের অধিকার নিয়ে এ ছিনিমিনি খেলেছে আওয়ামী লীগ সরকার। রাতের অন্ধকারে ভোট চুরি করে তারা এখন অবৈধভাবে ক্ষমতায় বসে আছে। এদেশের মানুষ একটি পরিবর্তন চায়।

    কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম বিভাগের বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুবের রহমান শামীম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ (ভিপি হারুন), লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাবুদ্দিন সাবু, বিএনপি মিডিয়া আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপন, সহ-বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশ্রাফ উদ্দিন নিজাম, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদসহ প্রমুখ।

    মতবিনিময় সভায় সঞ্চালনায় করেন লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান।

    প্রসঙ্গত: সম্প্রতি লক্ষ্মীপুরে বিএনপির নেতা এ্যানি চৌধুরী ও শাহাবুদ্দিন সাবুর বাসভবনে আওয়ামী দুর্বৃত্তদের সন্ত্রাসীর হামলার প্রেক্ষিতে লক্ষ্মীপুরের কর্মরত গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

  • ময়মনসিংহে ওসি কামালের নির্দেশনা অভিযান চালিয়ে ২৩ অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    ময়মনসিংহে ওসি কামালের নির্দেশনা অভিযান চালিয়ে ২৩ অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ পুলিশের অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত, পরোয়ানাভুক্ত ও মাদক ব্যবসায়ীসহ ২৩ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।

    সোমবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় থানাধীন বিভিন্ন এলাজায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ৪ হাজার পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ।
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, বিভাগীয় নগরী সহ সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, মাদক, চুরি-ডাকাতি ও ছিনতাই সহ অপরাধমুক্ত শান্তিময় নিরাপদ বাসযোগ্য অঞ্চল গড়ে তুলতে নবাগত পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    এর মাঝে এসআই তানভীর আহমেদ ছিদ্দিকীর নেতৃত্বে একটি টীম পাটগুদাম ব্রীজ মোড় এলাকা থেকে ডাকাতির চেষ্টা মামলার আসামী হিসাবে রকিবুল হক রানা, এসআই নিরুপম নাগের নেতৃত্বে একটি টীম চরপাড়াস্থ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ গেইটের সামনে থেকে মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর হোসেন ও সোহেলকে ৫ শত পিচ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে।
    এসআই শাহ মিনহাজ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টীম মাসকান্দা খালপাড় থেকে সাড়ে ৩ হাজার পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী রিপন মিয়া ওরফে ব্রিটিশ রিপনকে গ্রেফতার করে।

    এছাড়া এসআই হাবিবুর রহমান, নিরুপম নাগ, ১নং ফাড়ির ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন, ফারুক আহমেদ, সোহেল রানা, তাইজুল ইসলাম, উজ্জল সাহা, অসীম কুমার দাস, জহিরুল ইসলাম এবং এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা, নুরুজ্জামান, আবুল হাসান, আল আমিন-১নং ফাড়ি, দুলাল চন্দ্র রায়, মাসুম রানা, আব্দুস সাত্তার, শাহজালাল-২নং ফাড়ি প্রত্যেকে পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৪টি সিআর ও ১৪টি জিআর গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল এবং সাজাপ্রাপ্ত আরো একজনকে গ্রেফতার করে।

    তারা হলো, মোঃ আসাদ মিয়া আসছুল, মোঃ সোহেল,
    মোঃ এলাহী, মোঃ ইসব মিয়া, মোঃ আনোয়ার হোসেন,
    আল আমিন ওরফে আলো, জলিল, খলিল, মোছাঃ শেফালী আক্তার, আলামিন, বজলুর রহমান চৌধুরী বাবুল, মোঃ রাজিব, মিজানুর রহমান কাজল, মোঃ সুমন, ও আব্দুল্লাহ আল জোবায়েদ। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা হয়েছে। সোমবার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • বাংলাদেশ স্কাউটস জয়পুরহাট জেলা রোভারের ১০ ম ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

    বাংলাদেশ স্কাউটস জয়পুরহাট জেলা রোভারের ১০ ম ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    প্রত্যেকে আমরা পরের তরে এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাট জেলা রোভার এর ১০ ম-ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা-২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে

    সোমবার (০৫ সেপ্টেম্বর) জয়পুরহাট সার্কিট হাউজ সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ স্কাউটস জয়পুরহাট জেলা রোভার এর অনুষ্ঠিত ১০ ম ত্রৈ-বার্ষিক কাউন্সিল সভা-২২ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো.শরীফুল ইসলাম এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম।

    সভায় উপস্থিত সুধীজনদের উদ্দেশ্যে বিশেষ অতিথি পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম তার বক্তব্যে বলেন, বিশ্বজুড়ে মহামারি কোভিট-১৯ করোনাকালীন সময়ে আমাদের দেশে রোভার স্কাউটের সদস্য তার নিজের জীবন কে বিপন্নকরে জনগণের সহায়তায় করোনা রোগীদের সবধরণের সেবা প্রদান করেছে।

    সেসময় টি তাদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল কেননা যখন অন্যরা করোনার ভয়ে হয়ে দরজা, জানালা বন্ধ করে ঘরের মধ্যে ছিলেন তখন রোভাররা অসুস্থ, বিপন্ন মানুষদের বাড়ি বাড়ি অক্সিজেন থেকে শুরু করে বিপন্ন মানুষের কাছে খাবার পৌঁছিয়ে দেওয়া, করোনায় আক্রান্তে মৃত ব্যক্তিদের দাফন ও সৎকার করা এমন সব ধরণের কাজ গুলো চ্যালেঞ্জিং হিসেবে আমাদের রোভার স্কাউটসরা করেছে। আর এই রোভারদের সাথে যারা জড়িত ছিলো তাদের আমি অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

    পুুলিশ সুপার আরও বলেন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ২০৪১ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ তথা আধুনিক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আমরা স্বপ্ন দেখছি। সেই স্বপ্ন কে বাধাগ্রস্থ করার জন্য একটি চক্রান্ত মহল, অনেক ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই দেশকে কলঙ্কিত করার জন্য একটি কুচক্রী ও ষড়যন্ত্রকারী মহল উঠেপড়ে লেগেছে তারা যেন কোন ভাবেই আমাদের বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত না করাতে পারে, আমাদের অর্জনকে বাধাগ্রস্থ করতে না পারে এজন্য আমাদের সকলকেই খেয়াল রাখতে হবে বলে তিনি বলেন।

    উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, জয়পুরহাট সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ সহ-সভাপতি মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, জয়পুরহাট পৌরসভার মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক,সহ-সভাপতি আক্কেলপুর মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোকসেদ আলী, সহ-সভাপতি জয়পুরহাট সিদ্দিকিয়া কামিল মডেল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো.আব্দুল মতিন,কমিশনার জয়পুরহাট সরকারি কলেজের প্রভাষক মো.আব্দুল মজিদ, কোষাধক্ষ্য পাঁচবিবি ডিগ্রী কলেজের সহকারী অধ্যাপক আজিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জয়পুরহাট সরকারি কলেজের শরীর চর্চা শিক্ষক মো. মোরশেদুল আলম লেবুসহ জেলার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং স্কাউটসের সদস্যবৃন্দ।

  • জয়পুরহাট র‍্যাব-৫ এর অভিযানে অবৈধ ভাবে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আটক-৪

    জয়পুরহাট র‍্যাব-৫ এর অভিযানে অবৈধ ভাবে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে আটক-৪

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার আমাইতারা বাজার এলাকায় র‍্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিক্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ক্রিপ্টোকারেন্সি কোটি কোটি টাকা লেনদেনের অভিযোগে মোঃ জাকারিয়া হাসান রাজু(২৮), মোঃ আশিক আহমেদ (২০), মোঃ তৌহিদ হোসেন (৩০) ও মোঃ নুর আলম (২০) নামের ৪ যুবককে আটক করেছে র‍্যাব সদস্যরা।

    এসময় আসামিদের কাছ থেকে গ্রেফতারের সময় ক) স্মার্টফোন- ২০ টি সীম- ১১টি, মেমোরী কার্ড- ৪ টি, হাত ঘড়ি-১ টি, ল্যাপটপ- ৪ টি, মাউস- ৯ টি, কী-বোর্ড-২ টি, ক্যাবল- ২ টি, ডেভিট কার্ড -১০ টি, ব্যাংক চেক-১ টি, এনআইডি-৩ টি, মানিব্যাগ- ৩ টি, রাউটার -১ টি, সিসিটিভি ক্যামেরা-১ টি, পাসপোর্ট -১ টি, টিভি স্ট্যান্ড-১ টি, চেক বই- ৩ টি, লাইটার- ৫ টি উদ্ধার করা হয়।

    রোববার(৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত গভীর রাতে ধামইরহাট উপজেলার আমাইতারা বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করা হয়।

    সোমবার সকালে র‌্যাব-৫ সিপিসি-৩ জয়পুরহাট ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়, জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ ক্যাম্পের কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোঃ মোস্তফা জামান, আর্টিলারি ও সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানার নেতৃত্বে জেলার ধামইরহাট থানার উত্তর চকযদু গ্রামের জাহিরুল ইসলামের ছেলে মোঃ জাকারিয়া হাসান রাজু, হাটনগর গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মোঃ আশিক আহমেদ, দুর্গাপুর গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মোঃ তৌহিদ হোসেন, উত্তর দুর্গাপুর গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে মোঃ নুর আলমকে অনলাইনে কাজে ব্যবহিত স্মার্টফোন- ২০ টি সীম- ১১টি, মেমোরী কার্ড- ৪ টি, হাত ঘড়ি-১ টি, ল্যাপটপ- ৪ টি, মাউস- ৯ টি, কী-বোর্ড-২ টি, ক্যাবল- ২ টি, ডেভিট কার্ড -১০ টি, ব্যাংক চেক-১ টি, এনআইডি-৩ টি, মানিব্যাগ- ৩ টি, রাউটার -১ টি, সিসিটিভি ক্যামেরা-১ টি, পাসপোর্ট -১ টি, টিভি স্ট্যান্ড-১ টি, চেক বই- ৩ টি, লাইটার-৫ টি উদ্ধার করাসহ তাদের আটক করা হয়।

    র‍্যাব আরও জানায়, আটককৃতরা ডিজিটাল মাধ্যমে বিভিন্ন ডেটিং ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে অনলাইনে অবৈধ আর্থিক লেনদেন করে আসছিল। তারা অবৈধভাবে বিদেশীদের কাছ থেকে ডলার কিনে টাকায় রূপান্তরের পাশাপাশি কমিশন রেখে বিদেশিদের কাছে পাঠাতো। এভাবে তারা অন্যান্য পেশাদার ক্রিপ্টোকারেন্সি ডিলারদের সাথে অবৈধভাবে ডলার ক্রয়-বিক্রয় এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

    পরবর্তীতে তাদের বিরুদ্ধে ধামইরহাট থানায় “ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ৩০/৩৫ ধারায়” মামলা দায়ের করে নওগাঁ জেলা কারাগার প্রেরণ করা হয়েছে।

  • কেশবপুরে গাঁজার গাছসহ একজনকে আটক

    কেশবপুরে গাঁজার গাছসহ একজনকে আটক

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুর উপজেলার আড়–য়া গ্রামে ৫সেপ্টেম্বর ভোর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি গাজা গাছ সহ আনোয়ার আলী সরদার (৫৫)কে আটক করে ভেরচি পুলিশ ক্যাম্পের।
    অভিযোগ সুত্রে জানাগেছে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন নির্দেশে ভেরচি পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই মঈনুর এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৫সেপ্টেম্বর ভোর রাতে সুফালাকাটি ইউনিয়নের আড়ুয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাবের আলী সরদার এর ছেলে আনোয়ার আলী সরদার (৫৫)কে আটক করা হয়। আটককৃতের বসতঘরের পশ্চিম পার্শ থেকে একটি কাচা গাঁজার গাছ উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন থানায় একটি মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

  • হাইওয়ে রোডে দিনে অটোরিক্সাসহ অবৈধ গাড়ি আটক-রাতের আঁধারে রমরমা বাণিজ্য

    হাইওয়ে রোডে দিনে অটোরিক্সাসহ অবৈধ গাড়ি আটক-রাতের আঁধারে রমরমা বাণিজ্য

    হেলাল শেখ।
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকা জেলার সাভার হাইওয়ে থানাসহ দেশের বিভিন্ন সড়ক ও মহাসড় তিন চাকা ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহনের দখলে। বিভিন্ন স্থান থেকে পুলিশ কর্তৃক অভিযানে দিনে তিন চাকা অটোরিক্সা আটক করে রাতের আঁধারে তা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে রমরমা বাণিজ্য করার অভিযোগ উঠেছে।
    সাভার হাইওয়ে থানায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আগের থেকে অনেক কম অটোরিক্সা রয়েছে, প্রায় প্রতিদিন অভিযানে যেসকল অবৈধ গাড়ি ও অটোরিক্সা আটক হচ্ছে, তা যাচ্ছে কোথায়?। পুলিশের দাবি-অটোরিক্সা আটক করলেই বিভিন্ন মহল থেকে তদবির করা হয়, কিছু গাড়ি ছেড়ে দিতে হয়, অটোরিক্সা আটকের পর রাতের আঁধারে বিক্রির বিষটি সঠিক না বলে পুলিশ দাবি করছে, মহাসড়কে দুর্ঘটনার মূল কারণ ধীর গতির যানবাহন, তাই এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
    দেখা যায়, ঢাকা-আরিচা রোড, বাইপাইল-টঙ্গী রোড ও ঢাকা-টাঙ্গাইল রোডের শ্রীপুর, জিরানি বাজার, চন্দ্রা গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় তিন চাকা অটোরিক্সা মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ যানবাহন হাইওয়ে রোড দখল করে রেখেছে। সাভারের আশুলিয়ার শ্রীপুরের অটোরিক্সা চালক মেহেদী হাসান জানান, আমার একটি অটোরিক্সা দুই মাসে ৩ বার পৃথক ভাবে এক হাজার করে ৩ হাজার টাকা দিয়েছি পুলিশকে, আর একবার হাইওয়ে থানা পুলিশ আমার গাড়ি থানার ভেতরে নিয়ে যায়, তখন দালাল ধরে ১৫হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি। জাতীয় দৈনিক দেশ রূপান্তর ও দৈনিক চৌকস পত্রিকাসহ একাধিক মিডিয়ায় গত ৯ ও ১০ সেপ্টম্বর ২০১৯ইং তারিখে সংবাদ শিরোনাম হয়, “সাভার ও আশুলিয়ায় দিনে অটোরিক্সা আটক করে রাতের আঁধারে বিক্রির অভিযোগ”। ওই সময়ে রাতের আঁধারে আটককৃত অটোরিক্সা বিক্রির সময় অটোরিক্সা ও পুলিশের একটি মোটরসাইকেলসহ তিনজন ব্যক্তি জনতার হাতে আটক হয়, এর সাথে একজন ছিলো সাভার হাইওয়ে থানার এক সোর্স।
    হাইওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন যাবৎ যন্ত্র চালিত কোনো অটোরিক্সা ও ভ্যান ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে উঠলেই তা আটক করছে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে প্রায় প্রতিদিন আটক করা হয় ২০-২৫টি অটোরিক্সা বা তার চেয়ে বেশি অবৈধ যানবাহন, কিছু গাড়ি রেকার বিল দিয়ে ছাড়া হলেও বাকি গাড়ি সিস্টেমে ছাড়া হয়। সাভার হাইওয়ে থানার আগের ওসি মোঃ গোলাম মোর্শেদ তালুকদার থাকা অবস্থায় সিস্টেম ছিলো ভিন্নরকম, আর বর্তমান ওসি আসার পর থেকে সিস্টেম পাল্টেছেন বলে অনেকেই জানান।
    ভুক্তভোগী এক অটোরিক্সা চালক হাসান জানান, তিনি গত ১৫ বছর ধরে রিক্সা চালান, তার অটোরিক্সা আশুলিয়ার হাসেম প্লাজার সামনে থেকে আটক করে সাভার হাইওয়ে থানা পুলিশ। সে সময় তিনি ১৫ হাজার টাকার বিনিময়ে অটোরিক্সাটি ছাড়িয়ে নিয়ে যান। ওইদিন শুক্রবার আবার একই স্থান থেকে তার অটোরিক্সাটি আবার আটক করা হয়। পূর্বের গাড়ি ছাড়ানোর সিস্টেম ও সূত্র ধরে হাসান দুই তিন দিন হাইওয়ে থানায় চেষ্টা করেও গাড়ি ছাড়াতে পারছিলেন না। ওইদিন শনিবার দিবাগত রাত গভীর হলে বাসায় ফেরার পথে তিনি দেখেন, সাভার হাইওয়ে থানা থেকে একটি অটোরিক্সা ও একটি ভ্যান নিয়ে যাচ্ছেন থানার কয়েকজন লোক, এসময় তাদের সাথে পুলিশের স্টিকার লাগানো একটি মোটরসাইকেলও ছিলো। তার সন্দেহ হলে তাদের সামনে গিয়ে পথ আটকে দাঁড়ান। এসময় একজন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তিনজনকে আটক করেন উপস্থিত জনতা।
    প্রত্যক্ষদশীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘটনাটি তখন আশুলিয়া থানা পুলিশকে জানালে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মামুন হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে একটি অটোরিক্সা, একটি ভ্যান ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেন। উদ্ধারকৃত যানবাহন পরে সাভার হাইওয়ে থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ জানান। হাইওয়ে থানায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উদ্ধার করা মোটরসাইকেলটির মালিক হাইওয়ে থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মমিনুল ইসলাম। আটককৃত শরিফুল ইসলাম (সোর্স) গভীর রাতে তার নিবন্ধনকৃত মোটরসাইকেলটি ব্যবহার করার কারণ জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক এএসআই মমিনুল বলেন, শরিফুল তার মামাতো ভাই। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মমিনুল ও শরিফুলের মতো অনেকেই আছে যারা এখনও দিনে অটোরিক্সা আটক করে রাতের আঁধারে বিক্রি করে থাকেন।
    এ বিষয়ে সাভার হাইওয়ে থানার ওসি আজিজ বলেন, গাড়ির হিসাব নিবে আদালত, হাইওয়ে থানা কিছু সাংবাদিক দলবেঁধে আসে কারণে অকারণে এতে সমস্যায় মনে করেন তিনি। পুলিশ জানায়, একটি গাড়ি আটক করলে অনেকেই তদবির করতে আসেন, হাইওয়ে থানার ভেতরে কতগুলো গাড়ি আটক আছে? এবং আটককৃত অটোরিক্সার সংখ্যা জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান। গণমাধ্যম কর্মী ছবি তুলতে চাইলে, ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি।
    গাজীপুর হাইওয়ে পুলিশ সুপারসহ পুলিশের উপর মহলের একাধিক কর্মকর্তার কাছে জানতে চাইলে, তারা বলেন, হাইওয়ে রোডে কোনো প্রকার তিন চাকা যানবাহন চলবে না, থানা থেকে যানবাহন বিক্রি করার সুনির্দিষ্ট তথ্য ও প্রমাণ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, অপরাধী সে যেইহোক না কেন তাকে ছাড় দেওয়া হবে না বলে পুলিশের উপর মহলের কর্মকর্তারা জানান।

  • নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার করায় ড্রেনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি পরিবেশ দূষণ-নিরব ভুমিকায় প্রশাসন

    নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার করায় ড্রেনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি পরিবেশ দূষণ-নিরব ভুমিকায় প্রশাসন

    হেলাল শেখঃ সারাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলা উপজেলায় বিভিন্ন হাট-বাজারে ও দোকানে নিষিদ্ধ পলিথিন অবাধে ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার করা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন জনসাধাণ। একদিকে এসব পলিথিন ব্যবহার করায় ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণ হলেও নিরব ভুমিকায় প্রশাসন।
    বিশেষ করে আমরা মানুষ কেন এই পলিথিন ব্যবহার করি? পলিথিনের মধ্যে যেকোনো জিনিসপত্র নেওয়ার সময় নিচে ফেঁটে গিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র নষ্ট হয়, আজ এক ব্যক্তি ডিম নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় পলিথিনের ব্যাগ ফেঁটে ডিমগুলো ভেংগে নষ্ট হয়, এরকম অনেক জিনিসপত্র নষ্ট হয় পলিথিন ব্যবহারের কারণে। পলিথিনের দোকানে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কিছু দোকানদারকে জেল জরিমানা করলেও যারা এই পলিথিনের ফ্যাক্টরি করে শত শত টন পলি তৈরি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় না বলে অনেকেই জানান। তাই পলিথিনের বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন মহল।
    সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া বাজার ও বাইপাইল পাইকারি পলিথিনের দোকানে দেখা যায়, প্রতিদিন ২০০-৩০০/কেজি পলিথিনের ব্যাগ বিক্রি করা হয়। অবৈধ পলিথিন কোথায় তৈরি হয়? কারা এই পলিথিনের ব্যবসা করেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা কথা এড়িয়ে যান। অনেকেই বলেন, এই অবৈধ পলিথিনের ব্যবসার সাথে অনেকেই জড়িত আছেন।
    দেশে পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করায় একদিকে সোনালী দিন ফেরাতে পাটের ব্যাগ ব্যবহার হচ্ছে না, অন্যদিকে পলিথিন ব্যবহার করে যেখানে-সেখানে ফেলে দেওয়ার কারণে ফসলি জমি নষ্ট হচ্ছে, এর ফলে জমিতে ফসল হচ্ছে না। এসব পলিথিন ব্যাগ ড্রেনে আটকে গিয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। মাটিতে ফসল বৃদ্ধি করাসহ পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও প্রতিটি উপজেলা প্রশাসনের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন অনেকেই।
    দেখা যায়, নারায়নগঞ্জ ও রাজধানী ঢাকা, গাজীপুর, সাভার ও আশুলিয়ার কাঠগড়া, বাইপাইল বাজার, জিরানী, ভাদাইল বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করছে নিষিদ্ধ পলিথিন। প্রাইকারি ও খুচরা দোকানদার বলেন, সবাইকে ম্যানেজ করেই পলিথিন বিক্রি করছেন তারা। অনেকেরই প্রশ্নঃ নিষিদ্ধকৃত পলিথিন ক্রয়-বিক্রয় হচ্ছে যেখানে সেখানে। ক্রেতা ও বিক্রেতা মাছ বাজারসহ বাজার খরচ করার সময় প্রায় ব্যক্তির হাতেই পলিথিনের ব্যাগ দেখা যায় চোখে পড়ার মতো। তাছাড়াও রাস্তা-ঘাটেও অনেক পলিথিন পরে থাকতে দেখা যায়।
    বর্তমান সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্র্মকর্র্তাগণ সোনালী দিন ফেরাতে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করার জন্য সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন। সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে নিষিদ্ধ পলিথিন প্রকাশ্যে বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা। সারা বিশ্¦ে পাটের চাহিদা বৃদ্ধি পেলেও তা বাংলাদেশে সচেতনতার অভাবে সোনালী আঁশ পাট প্রায় বিলুুপ্তির পথে এখন। লেখক, কলামিস্ট, পরিবেশবাদী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিগণ বলেন, মাদক যেমনঃ যুবসমাজকে নষ্ট করছে, তেমনি পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য পরিবেশের কুফল বয়ে আনছে। যে সকল ফসলি জমিতে পলিথিন ও প্লাস্টিক দ্রব্য ফেলা হয়-সেই জমিতে কোনো ফসল হয় না বলে কৃষক শ্রমিকরা গণমাধ্যমকে জানান।
    এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও জেলা উপজেলা প্রশাসন বলেন, পলিথিন বা প্লাস্টিক ব্যবহার করার কারণে পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, রাস্তা ও ড্রেন নষ্ট করে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে যারা, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সরকার নিষিদ্ধ করার পরও যারা আইন মানছেন না-তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়।
    আশুলিয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম খান (লিটন) বলেন, বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানাই-কারণ, দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার সততা ও সাহসী ভুমিকায় কাজ করছেন কিন্তু পলিথিন ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধ হচ্ছে না কেন বিষয়টি রহস্যজনক। এ বিষয়ে সাংবাদিক নেতা সাইফুল ইসলাম জয় বলেন, শুধু ছোটখাটো দোকানে অভিযান করে কি হবে, যারা এই নিষিদ্ধ পলিথিন তৈরি করছে তাদেরকে আটক করে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নিলে ভালো হবে। সরকার নিষিদ্ধ করেছে পলিথিন তৈরি-বিক্রি ও ব্যবহার করা কিন্তু মাছ বাজার, মুদি দোকান, বেকারী ও মিষ্টির দোকানসহ সবখানেই বিভিন্ন সাইজের পলিথিন ব্যাগ ব্যবহার করতে দেখা যায়। প্রতিটি এলাকায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ অভিযান পরিচালনা করলে নিষিদ্ধ এইসব পলিথিন বিক্রি ও ব্যবহার করা অনেকটা কমে যাবে। সরেজমিনে গেলে দেখা যাবে যে, প্রতিটি বাসা বাড়িতে ঘরে ঘরে পলিথিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে কিভাবে বন্ধ হবে পলিথিন ব্যবহার?। পলিথিন ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যবহার বন্ধ হলে পরিবেশ রক্ষা হবে। এতে কৃষক বাঁচবে, আর কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষের জীবন বাঁচবে বলে সাংবাদিক নেতারা এমনই অভিমত প্রকাশ করেছেন।

  • নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়.নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ অনুষ্ঠিত।
    নড়াইল জেলা পুলিশের আয়োজনে সাপ্তাহিক মাস্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পুলিশ লাইন্স প্যারেড গ্রাউন্ডে সালামী গ্রহণ ও প্যারেড পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার মোসা. সাদিরা খাতুন । উজ্জ্বল রায়.নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, প্যারেড পরিদর্শন শেষে পুলিশ সুপার অফিসার ও ফোর্সদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাংলাদেশ পুলিশের মূলনীতি শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, প্রগতি। সকল পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশের মূলনীতি ধারণ করে সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করতে হবে।
    তিনি এ সময় ফোর্সের ডিসিপ্লিন, ড্রেসরুল, পেশাদারিত্ব, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নতকরণ, জননিরাপত্তা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সম্পদ ব্যবহারে মিতব্যয়িতা, সরকারি মালামাল হেফাজত, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ, হেলমেট ও লাইসেন্স ছাড়া মোটরসাইকেল না চালানো, ফেসবুকে অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য ও টিকটক থেকে বিরত থাকা, পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা এবং মানবিক আচরণের মাধ্যমে পুলিশি সেবা নিশ্চিত করা সহ বিভিন্ন নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
    তিনি টিম ওয়ার্ক ও জনবান্ধব পুলিশিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার মাধ্যমে নড়াইল জেলা পুলিশকে রোল মডেল হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
    এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম কামরুজ্জামান পিপিএম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে
    নড়াইল জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জেলা পুলিশের আয়োজনে পুলিশ লাইন্স ড্রিলসেডে মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
    কল্যাণ সভায় অবসর জনিত কারনে বিদায়ী পুলিশ সদস্যদের সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন।
    কল্যাণ সভায় পুলিশ সুপার মোসা: সাদিরা খাতুন, পুলিশ সদস্যেদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিয়মমাফিক ছুটি, আবাসন ব্যবস্থা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা, চিকিৎসা, মানসম্মত খাবার সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন।
    অপরাধ পর্যালোচনা সভায় পুলিশ সুপার মামলা তদন্ত, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নতকরণ, ওয়ারেন্ট তামিল, মামলার রহস্য উদঘাটন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, অপরাধীদের গ্রেফতার সহ পুলিশের পেশাদারিত্ব ও দায়বদ্ধতা প্রসঙ্গে আলোচনা করেন এবং ওপেন হাউজ ডে, বিট পুলিশিং ও কমিউনিটি পুলিশিং এর মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
    এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. দোলন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এস এম কামরুজ্জামান পিপিএম, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) প্রণব কুমার সরকার, জেলা পুলিশের বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।#

  • রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে  মামলা দায়ের

    রাজশাহীতে সাংবাদিকের উপর হামলায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীতে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিএমডিএ) কার্যালয়ে এটিএন নিউজের রিপোর্টার ও ক্যামেরাপার্সনের ওপর হামলার ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা। বাকি ১০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। সোমবার রাতে নগরের রাজপাড়া থানায় মামলাটি (মামলা নং ৭) দায়ের করেন এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব।
    এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলেন, বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশিদ (৫৫), ভান্ডার রক্ষক মো. জীবন (৪২), নির্বাহী পরিচালকের দপ্তরের পিয়ন সেলিম (৪১), নির্বাহী পরিচালকের পিএ নুরুল ইসলাম (৪৫), আনসার সদস্য এনামূল (৩৫), পিয়ন ফাারুক (৪০) ও ড্রাইভার আব্দুস সবুর (৪২)।

    রাজপাড়া থানার ওসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়াও ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। আসামীদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এছাড়াও ভিডিও ফুটেজ দেখে এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    এর আগে বিকেলে সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনায় বিএমডিএর দুই কর্মচারিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাংবাদিকদের আন্দোলনের মুখে হামলায় জড়িত ভান্ডার রক্ষক মো. জীবন ও পরিচালকের গাড়ি চালক আব্দুস সবুরকে সাময়িক বরখাস্ত করে কর্তৃপক্ষ।

    বিএমডিএর চেয়ারম্যান আক্তার জাহান বলেন, আমরা সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সেখানে ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই সাংবাদিকের উপর হামলার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। এর পর দুইজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
    তিনি আরও বলেন, বিষয়টি তদন্তে কমিটি করা হবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ সঙ্গে আরও কারা জড়িত তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলেও জানান আক্তার জাহান।

    রাজশাহীতে সংবাদ সংগ্রহের সময় এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাপার্সন রুবেল ইসলামের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নগরের আমবাগান এলাকায় বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

    রাজশাহী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা দুইজনের বরখাস্তের দাবি করেছিলাম। সে দাবি পুরন হয়েছে। আরও পাঁচজনের বিষয়ে আমরা জানিয়েছি। তাদের কালকের মধ্যে বদলির দাবি জানিয়েছি। কর্তৃপক্ষ আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। এর পর সাংবাদিকদের আন্দোলন স্থগিত করা হয়।
    সকালে এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাম্যান রুবেল নতুন সময়ে ওই প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অফিসে আসছেন কি না, সে সম্পর্কে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এসময় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ তাদের সাথে অসৌজন্যমুলক আচরণ করে। এর কিছুক্ষন পর বুলবুল হাবিব সরাসরি সম্প্রচার শুরু করে।
    এ সময় আব্দুর রশীদের নির্দেশে ভান্ডার রক্ষক জীবনের নেতৃত্বে কয়েকজন কর্মচারী দুই সাংবাদিকের উপর হামলা করে। এতে গুরুত্বর আহত হন ক্যামেরাপার্সন রুবেল। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ার্ডে ভর্তি করে। বুলবুল প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছাড়লেও রুবেলকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আহত রুবেলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩৩ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছে, রুবেলের কানের পর্দা ফেটেছে। কানের ভেতর রক্তক্ষরণ হচ্ছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবন

    ঝিনাইদহে শিশু ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের মহেশপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে ১ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়। সোমবার সকালে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মিজানুর রহমান এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন। দন্ডপ্রাপ্ত হাফিজুর রহমান মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের মসলেম শেখের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৯ সালে ২ নভেম্বর ফতেপুর গ্রামের ৮ বছর বয়সী কণ্যা শিশুটি বাড়ির পাশে খেলা করছিল। এসময় অভিযুক্ত হাফিজুর রহমান শিশুটিকে খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে গ্রামের বাওড়ের পাড়ের কলাবাগানে নিয়ে ধর্ষন করে। এরপর শিশুটিকে কাউকে না জানাতে ভয়ভীতি দেখায়। শিশুটি বাড়িতে এসে মা বাবাকে বিষয়টি জানালে ওই দিনই শিশুটির পিতা বাদী হয়ে মহেশপুর থানায় একটি মামলা করে। তদন্ত শেষে মহেশপুর থানার এস আই আল মাসুদ মিয়া আসামীর বিরুদ্ধে ওই বছরের ২৬ ডিসেম্বর আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত স্বাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে আসামী হাফিজুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন। জরিমানার অর্থ নির্যাতিতাকে প্রদানের নির্দেশ দেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।