Blog

  • ময়মনসিংহ সদরের কুষ্টিয়া ইউনিয়নে শত্রুতা করে ফসলের  ক্ষতি করার অভিযোগ

    ময়মনসিংহ সদরের কুষ্টিয়া ইউনিয়নে শত্রুতা করে ফসলের ক্ষতি করার অভিযোগ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সদরের পুর্ব পরিকল্পিতভাবে আবু বক্কর ছিদ্দিক নামে এক কৃষকের ৩২ শতাংশ জমিতে রোপিত করল্লা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এতে কৃষকের লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ২নং কুষ্টিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড চুয়ানিয়া গ্রামে । এঘটনায় প্রতিকার চেয়ে মঙ্গলবার চুয়ানিয়া গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবু বক্কর ছিদ্দিক বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    ভুক্তভোগী কৃষক আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, তিনি পেশায় একজন কৃষক। পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ৩২শাতাংশ জমিতে তিনি করল্লাসহ বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে আসছিলেন। চলতি মৌসুমে সেই জমিতে করল্লার চাষ করেছেন। প্রতিবছর করল্লা চাষের মাধ্যমে তিনি লক্ষ-লক্ষ টাকা আয় করে থাকেন। যার মধ্যে বেশির ভাগই থাকে সবজি। এ বছর ৩২ শতাংশ জমিতে করল্লার চাষ করলে দীর্ঘ পরিচর্যার পর গাছগুলো টালে যাওয়ার পর ফুল ও করল্লা আসতে শুরু করে। কিছু কিছু গাছে প্রচুর পরিমানে করল্লা ধরেছিল। এ পর্যন্ত তাঁর এই ক্ষেতে ব্যয় হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা, যার বেশির ভাগ তিনি ধারদেনা করে জোগাড় করেছেন। হঠাৎ গত ২২শে এপ্রিল বিকাল ৬ঘটিকায় তিনি ক্ষেতে গিয়ে সবকিছু ঠিকঠাক পেলেও পরদিন ২৩এপ্রিল সকাল ৯টা গিয়ে তিনি তার করল্লা ক্ষেতের অধিকাংশ গাছ কাটা ও পাতা শুকনা অবস্থা দেখতে পান। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কারো সাথে কোন শত্রুতা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান- তারা বংশগতভাবে মন্ডল গোষ্ঠী স্থানীয় হাজী গোষ্ঠীর সাথে ক্ষেতে পানি সরবরাহকে কেন্দ্র করে ইতি পুর্বে ঝগড়া বিবাদ হয়েছিলো, এনিয়ে দুপক্ষের মাঝে মামলা মোকদ্দমা আদালতে চলমান রয়েছে।তবে এলাকায় দুই পক্ষই শান্তি প্রিয়। আদালতে মামলা থাকলেও দুপক্ষের মাঝে স্থানীয়ভাবে কোন আক্রোশ নেই। স্থানীয় ডাঃ রেজাউল করিম,সুরুজ আলী,হুসেন আলী,আব্দুল মালেক,মন্টু আলী দাবী করেন- দুপক্ষের মাঝে মামলা মোকদ্দমান থাকার পরও এলাকায় কারো সাথে কোন ঝগড়া বিবাদ নেই। ফলে এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিদ্যমান রয়েছে। এই শান্তিপুর্ণ অবস্থা কে অশান্ত করতেই হয়তো কোন তৃতীয় পক্ষ ফসলের ক্ষেত কেটে নষ্ট করেছে এমনটা হতে পারে।

    তবে আশেপাশে আরো অনেক ফসলের ক্ষেত রয়েছে। সব ফসলের মাঝখানে ছিদ্দিকের ক্ষেত কাটার কি রহস্য রয়েছে এনিয়ে এলাকায় বিভিন্ন মহলের মাঝে চলছে সমালোচনা-কানাঘোষা। তবে এমন ঘটনা যেন আর না ঘটে সেজন্য সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীকে সনাক্ত করে উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানিয়েছেন বাদীসহ স্থানীয়রা। এই ঘটনায়- বাদী আবু বক্কর ছিদ্দিক,ছোট ভাই ইব্রাহিম খলিল সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপত্তাহীণতার আশঙ্কা করছে।

  • তীব্র তাপদাহে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে ভালুকার ওসি কামাল

    তীব্র তাপদাহে খেটে খাওয়া মানুষের পাশে ভালুকার ওসি কামাল

    তীব্র তাপদাহে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ,চালক,যাত্রী ও পুলিশ কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। মানবিক সহায়তা হিসেবে ভালুকার বিভিন্ন পয়েন্টে তিনি খাবার স্যালাইন ও সুপেয় পানি বিতরণ করছে ওসি শাহ কামাল আকন্দ । জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞার নির্দেশনার পর এই কার্যক্রম শুরু হয়।

    বুধবার (২৪এপ্রিল) দিনব্যাপী ভালুকায় পৌর শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় চলে এই কার্যক্রম। যা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ওসি শাহ কামাল আকন্দ ।
    এ সময় তিনি সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ ও ভালুকাবাসীর সেবায় সকলকে পাশে থাকার আহবান জানান। এরপরই থানা পুলিশ খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষকে ঠাণ্ডা পানির বোতল, ভ্রাম্যমান পানির ট্যাঙ্ক স্থাপন ও লেবু বা শরবত খেতে দিচ্ছেন।

    ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত তখন জেলা পুলিশের মানবিক পুলিশ সুপারের নির্দেশক্রমে ভালুকা মডেল থানা এলাকায় অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষ এবং চালক ও পথচারীদের মাঝে খাবার স্যালাইন ও পানির ব্যবস্থা করা হয়। তাপদাহ যতদিন চলবে আমরাও আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাবো।’তিনি আরও বলেন, প্রচণ্ড তাপদাহে বিপর্যস্ত খেটে খাওয়া মানুষকে পানি ও স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে। অনেক সাধারণ মানুষ এতে উপকৃত হচ্ছেন।

    এসময় ভালুকা মডেল থানার ওসি মো. শাহ কামাল আকন্দ খাবার স্যালাইন বিতরণ করার পাশাপাশি তীব্র তাপপ্রবাহকালে করণীয় সম্পর্কে চালক ও সাধারণ জনগণকে সচেতনতামূলক পরামর্শ প্রদান করেন।

  • সিরাজদিখান রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    সিরাজদিখান রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

    মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মোঃ নাছির উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম লিংকনের স্বেচ্ছাচারীতা ও অনিয়মের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটির সদস্যরা। বুধবার দুপুরে সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের কার্যালয়ে রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের আয়োজনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রিপোর্টার্স ইউনিটির সহ-সভাপতি জাবেদুর রহমান যোবায়ের তার বক্তব্যে বলেন, একজন সংবাদকর্মী হিসেবে সংবাদ সম্মেলন করতে হবে এটা কখনো আশা করিনি।আপনারা জানেন সম্প্রতি এ উপজেলায় “সিরাজদিখান রিপোর্টার্স ইউনিটি” নামে একটি সংগঠন আত্ম প্রকাশ করে। সেখানে আমাকেও সহ-সভাপতি রাখা হয়। এছাড়া সহকর্মী আজাদ বিন আজম নাদভীকে সাংগঠনিক সম্পাদক, আনিসুর রহমান নিলয়কে দপ্তর সম্পাদক, মো. আমির হোসেন ঢালীকে প্রচার ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল আউয়াল আশিককে শিক্ষা ও সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক, মেহেদী হাসান সুমনকে কার্যকরী সদস্য, আলী আহমেদ চৌধুরী ও কৌশিক মন্ডল আকাশ, নাদিম হায়দার সেন্টু, রোমান হাওলাদারকে সদস্য করা হয়। কমিটি গঠনের পর থেকে সভাপতি নাছির উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম লিংকনের নেতৃত্বে আমরা সংগঠনকে সুসংঘটিত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেই। এই রিপোর্টার্স ইউনিটির ব্যানারে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রতিটি অনুষ্ঠান সফল করতে আমাদের সর্বাত্বক চেষ্টা এবং শ্রম ছিল। কিন্তু বর্তমানে গুছানো সংগঠনকে স্বেচ্ছাচারিতায় ও অনিয়মের রাজ্যে পরিনত করেছে সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কর্মকান্ডের কথা অতি দুঃখের সাথে বলতে হয়,তাদের প্রতিটা কর্মকাণ্ড গঠণতন্ত্র বহির্ভূত। তাদের এহেন কর্মকাণ্ড আমাদেরকে মর্মাহত করেছে। তাদের নানা একক সিদ্ধান্ত সংগঠনের ভিতরে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। কার্যকরী কমিটি থাকা সত্ত্বেও কোন ধরনের আলোচনা ছাড়াই সংগঠনের নিয়মবহির্ভূত নতুন নতুন সদস্য নিয়োগ দিচ্ছেন যারা কোন সংবাদকর্মী না। তারা দুজন আলোচনা ছাড়াই সংগঠনের নামে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করে। সংগঠনের বিষয়ে কোন ধরনের জবাবদিহিতা নাই, চাইতে গেলে সংগঠন থেকে চলে যেতে বা অব্যাহতি নিতে বলেন। এও বলেন আমরা এভাবেই সংগঠন চালাবো কারো পছন্দ হলে থাকো না হলে চলে যাও। ইতোমধ্যে ঈদ পুনর্মিলনী ও বৈশাখ উদযাপন করা হয়। সে অনুষ্ঠানে সভাপতি তার বক্তব্যে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রসঙ্গে বলেন, আমরা সভাপতি -সাধারণ সম্পাদক দুজন
    ছাড়া উপজেলার সকল সাংবাদিক মাটির বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছে। শুধু আমরাই মাটির পক্ষে ছিলাম। তার শিষ্টাচার বহির্ভূত এমন বক্তব্যে আমরাসহ এ উপজেলায় কর্মরত সকল সাংবাদিকের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে। সংগঠনের বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজনের আগে ও পরে আয়ের উৎস কি বা ব্যায় কি,তা প্রকাশ করে না। এছাড়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংবাদিকরা উপজেলায় অন্যান্য কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে সখ্যতা বা সুসম্পর্ক বজায় রাখতে নিষেধ করেন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক আজাদ বিন আজম নাদভী তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা আরো অবগত আছেন, ইউনিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক তারাও সিরাজদিখান প্রেসক্লাবের সদস্য। তারা বিভিন্ন দপ্তরে গিয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করেন। মূলত ইউনিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের একান্ত সিদ্ধান্তেই রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। যা আমরা মেনে নিতে পারছি না। এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সিরাজদিখান রিপোর্টার্স ইউনিটি থেকে আমরা সম্পাদকীয় ৬ জনসহ মোট ১১ জন সদস্য স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিলাম এবং রিপোর্টার্স ইউনিটি কে বয়কট করলাম।আজকের পর থেকে রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই। যদি তারা আমাদের নামে কোন অপকর্ম করে তার দ্বায় আমরা নিবো না। তাছাড়া আমাদের বিরুদ্ধে কোন প্রকার মিথ্যা তথ্য বা কোন ভাবে হেয় করতে চেস্টা করলে আইনগতভাবে তাদের বিরুদ্ধে জবাব দিবো। সিরাজদিখান রিপোর্টার ইউনিটির সভাপতি নাছির উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক হামিদুল ইসলাম লিংকনের নানা অনিয়মের চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দেন রিপোর্টার ইউনিটির প্রচার ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আমির হোসেন ঢালী ও দপ্তর সম্পাদক আনিসুর রহমান নিলয়।

    সিরাজদিখান প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিরাজদিখান প্রেসক্লাব সভাপতি মোহাম্মদ মোক্তার হোসেন, সাবেক সভাপতি কাজী নজরুল ইসলাম বাবুল, সহ-সভাপতি সালাউদ্দিন সালমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদসহ সিরাজদিখান উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ।

  • কেশবপুরে বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৪ হাজার পিচ স্যালাইন বিতরণ

    কেশবপুরে বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৪ হাজার পিচ স্যালাইন বিতরণ

    কেশবপুর প্রতিনিধিঃ
    কেশবপুরে প্রচন্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে পেটের দায়ে কাজে বের হওয়া ভ্যানচালক, শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে পৌর কাউন্সিলর বিএনপি নেতা আব্দুল হালিম মোড়ল ওর স্যালাইন বিতরন করেন। ২৩ এপ্রিল দুপুরে তিনি শহরের বকুলতলা, পাইলট স্কুল মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানের শ্রমজীবীদের মাঝে এবং পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচটি মসজিদ ও তিনটি মন্দিরে প্রায় ৪ হাজার পিচ খাবার স্যালাইন বিতরণ করেন।
    কেশবপুর পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম মোড়ল ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাবার স্যালাইন বিতরণ করেছেন বলে তিনি জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজিজুর রহমান (আজিজ), পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন, জজ আলী খান, শেখ শাহজাহান বাবু, ইসলাম মোড়ল, সোলায়মান হোসেন প্রমুখ। প্রচন্ড তাপপ্রবাহের মধ্যে শ্রমজীবী মানুষ খাবার স্যালাইন পেয়ে অনেকটা স্বস্তি প্রকাশ করেন।

  • কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্ধ,কে কোন প্রতীক পেল

    কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্ধ,কে কোন প্রতীক পেল

    মোঃ জাকির হোসেন,কেশবপুরঃ কেশবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যাম প্রার্থীরা প্রতীক বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। ২৩এপ্রিল দুপুরে যশোর জেলা রিটার্নিং অফিসার ও কেশবপুর উপজেলা রিটার্নিং অফিসার মোঃ আনিচুর রহমান প্রতীক প্রদান করেন। চেয়ারম্যান পদে ৭জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ২জন। প্রতীক বরাদ্ধ সময় আনারস ও তানা প্রতীক নিয়ে লটারি করা হয়েছে।
    চেয়ারম্যান পদে কে কোন প্রতীক পেলেন উবায়দুর রহমান জোড়া ফুল, মফিজুর রহমান মফিজ ঘোড়া, এমদাদুল হক রিপন আনারস, কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না হেলিকপ্টার , নাসিমা সাদেক শালিক পাখি, আব্দুল্লাহ নূর আল আহসান বাচ্চু দোয়াত কলম, এস এম মাহবুবুর রহমান উজ্জল মোটরসাইকেল। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতীক পেলেন সুমন সাহা রবিন চাশমা, পলাশ মল্লিক উড়োজাহাজ, মনিরুল ইসলাম টিউবওয়েল, আব্দুল্লাহ আল মামুন তালা, আব্দুল লতিফ রানা মাইক। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন রাবেয়া ইকবাল ফুটবল ও মনিরা খানম কলস। আগামী ৮মে বুধবার ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

    কেশবপুরে এস আর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার
    পক্ষ থেকে এক ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তা প্রদান
    মোঃ জাকির হোসেন, কেশবপুর প্রতিনিধিঃ কেশবপুরে এস আর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার পক্ষ থেকে রমজান আলী নামে এক অসহায় ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ২২এপ্রিল বিকেলে উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের ওই ব্যক্তিকে সংস্থার নেতৃবৃন্দ আর্থিক সহায়তা তুলে দেন বিষয়টি জানতে পেরে এস আর যুব ও সমাজকল্যাণ সংস্থার প্রধান উপদেষ্টা জাপান প্রবাসী সাঈদুর রহমানের পক্ষ থেকে তার চিকিৎসার জন্য পাঁচ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংস্থার সভাপতি মাস্টার এস এম ইমতিয়াজ উদ্দীন, সহ উপদেষ্টা হামিদ হুসাইন আজাদ, পরিচালক গোলাম কিবরিয়া, পৌর শাখার সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস জাহিদ হাসান, সহ সাধারণ সম্পাদক রেজওয়ান হোসেন, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির হুসাইন, এস আর ব্লাড ব্যাংকের সাধারণ সম্পাদক আলী হুসাইন অন্তর প্রমুখ। জানা গেছে, দিনমজুর রমজান আলীর হার্ট ব্লক হয়ে যাওয়ায় আর্থিক সমস্যার কারণে রিং পরাতে পারছেন না।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • তানোরে ময়নার স্মরণকালের  সর্ববৃহত শোডাউন

    তানোরে ময়নার স্মরণকালের সর্ববৃহত শোডাউন

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার (কাপ-পিরিজ) প্রতিকে ভোট প্রার্থনা করে স্মরণকালের সর্ববৃহৎ শো-ডাউন আয়োজন করা হয়েছে।
    জানা গেছে, ২৩ এপ্রিল মঙ্গলবার উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার নেতৃত্বে এই শো-ডাউন আয়োজন করা হয়। এদিন প্রায় কয়েক হাজার নেতাকর্মীসহ মোটরসাইকেল শোডাউনের মধ্যে দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে গণসংযোগ ও প্রচারণা শুরু করেছেন লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না।
    এদিকে ময়নার (কাপ-পিরিজ)এমন জমকালো শো-ডাউনে আব্দুল আল-মামুনের (মোটরসাইকেল) কর্মীসমর্থকদের চোখ-মুখে চরম হতাশার ছাপ ফুটে উঠেছে। ময়নার শোডাউন ঝলকে দীর্ঘদিন পর সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভোট উৎসবের আমেজ ফিরে এসেছে।অন্যদিকে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে লুৎফর হায়দার রশিদ ময়নার অনেক কাজের ভিড়ে যেমন দু’একটি কাজ নিয়ে আলোচনা বা সমালোচনা থাকতেই পারে। ঠিক তেমনি কর্মী ও জনবান্ধব রাজনৈতিক নেতৃত্ব হিসেবে তিনি কতটা জনপ্রিয় সেটা আবারো প্রমাণ হয়েছে।
    এদিকে ময়নার শোডাউনে নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহণ ছিলো চোখে পড়ার মতো। যা ছিল আলোচনার শীর্ষে নজর কেড়েছে, স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের।
    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এদিন ময়নার নেতৃত্বে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণে এমন জমকালো শোডাউন তার বিজয়ী হবার পথ অনেকটা সহজ করে দিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রমাণ হয়েছে উপজেলার রাজনীতিতে ভোটারদের মাঝে পচ্ছন্দের শীর্ষে রয়েছেন ময়না।
    অথচ কদিন আগেও আঁচু-পাঁচু-অগী-বগী,শতবর্ষী-অষ্টবর্ষী ও মাহাঙ্কাল অনুসারী একশ্রেণীর কথিত নেতাকর্মীরা
    বিভিন্ন স্থানে চোরাগোপ্তা কথিত সভা করে ময়নার জনপ্রিযতা নিয়ে কটুক্তি করেছিল। এদিন ময়নার নেতৃত্বে স্বরণকালের সর্ববৃহৎ শোডাউন দেখে তাদের সেই স্বপ্ন উবে গেছে।
    অন্যদিকে
    অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকারি দলের অদৃশ্য সমর্থিত
    প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। যার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।বিগত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে বিজয়ী করে কিভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছিল রাজশাহীর মানুষ সেটা ভুলেনি। এই বিবেচনায় তানোর উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকারী দলের অদৃশ সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।
    এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের বোধদয় এটা দলের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং তার প্রতিনিধি সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে সরকার সমর্থক প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধি স্থানীয় সাংসদ ফারুক চৌধুরী কোনো ভুল করেননি। ফলে তাদের সম্মান রক্ষায় তাদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ তাদের সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে দলের পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের আদর্শিক কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না ? অপরদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা অভিমান বা মোহের বসে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। তারা সেই ভুল অনুধাবন করে এখন অনুতপ্ত। এবার তারা শপথ নিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে তারা তাদের সেই ভুল শোধরাতে চাই।#

  • গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৬ কেজি হেরোইনসহ মাদক সম্রাট ঝাবু গ্রেফতার

    গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৬ কেজি হেরোইনসহ মাদক সম্রাট ঝাবু গ্রেফতার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : রাজশাহীর গোদাগাড়ী থেকে সাড়ে ৬ কোটি টাকা মূল্যের সাড়ে ৬ কেজি হেরোইনসহ এক মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল গোদাগাড়ীর মাটিকাটা ক্যানেলপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে হেরোইন উদ্ধার ও মাদক কারবারীকে গ্রেপ্তার করে।

    গ্রেপ্তাকৃতর মাদক কারবারীর নাম এজাজুল হক ঝাবু (২৮)। ঝাবু গোদাগাড়ীর দিয়ার মানিকচক গ্রামের মৃত: আব্দুল লতিফের ছেলে। তার গোদাগাড়ী পৌরসভার মহিশালবাড়ী মহল্লায় বাড়ি রয়েছে। জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল আলম জানান, রাজশাহী জেলার ডিবির এসআই (নিরস্ত্র) ইনামুল হক ফোর্সসহ সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটায় গোদাগাড়ীর মাটিকাটা কলেজ মোড় এলাকায় মাদক উদ্ধারের জন্য নিয়োজিত ছিলো। ডিবির এ দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, গোদাগাড়ী থানার মাটিকাটা ক্যানেলপাড়ায় কলবাগানের মধ্যে দুইজন ব্যক্তি অবৈধ মাদকদ্রব্য হেরোইন বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে।

    এমন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের ওই দল সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটায় দিকে সেখানে অভিযান চালায়। এসময় ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় এজাজুল হক ঝাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার কাছে তল্লাশী চালিয়ে ১৩ টি পলিথিনে রাখা ৬ কেজি ৫০০ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার হয়।

    পুলিশ জানায়, তার সহযোগী মাদকব্যবসায়ী মুনিরুল ইসলাম সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধেও মাদক মামলা রয়েছে।

    এ ঘটনায় ঝাবুর বিরুদ্ধে গোদাগাড়ী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা দিয়ে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা যাই ঝাবু মাদক ব্যবসা করে স্বল্প সময়ে শূন্য থেকে কোটি হয়েছেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • পাইকগাছায় ৬ কিলোমিটার সড়ক বদলে দিয়েছে লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    পাইকগাছায় ৬ কিলোমিটার সড়ক বদলে দিয়েছে লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা

    ইমদাদুল হক, পাইকগাছা, খুলনা।
    ৬ কিলোমিটারের একটি সড়ক বদলে দিয়েছে খুলনার পাইকগাছা উপজেলার অবহেলিত লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা। সড়কের নির্মাণ কাজ বছরের পর বছর ফেলে রাখায় চরম ভোগান্তিতে ছিল অত্র এলাকার হাজার হাজার মানুষ। অবশেষে পূর্বের টেন্ডার বাতিল করে নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করায় ইউনিয়নের সাথে উপজেলা সদরের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। এর ফলে যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসার ঘটার পাশাপাশি এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নে নবনির্মিত সড়কটি গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর সহ এলাকাবাসী।
    উল্লেখ্য, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের অবহেলিত ইউনিয়নের মধ্যে লতা ইউনিয়ন অন্যতম। অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কৃষি ও মৎস্য শিল্পের অপার সম্ভাবনা থাকা সত্তে¡ও উন্নয়নে পিছিয়ে রয়েছে অত্র ইউনিয়নটি। ইউনিয়নের বেশিরভাগ রাস্তা-ঘাটের এখনো তেমন কোন উন্নয়ন ঘটেনি। উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াতের জন্য দুটি প্রধান সড়ক ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করেছে। যার একটি হচ্ছে কপিলমুনি বাজার থেকে শামুকপোতা-কাঠামারী বাজার সড়ক। আরেকটি হচ্ছে উপজেলা সদরের সরল কালিবাড়ী থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও হাড়িয়া ব্রীজ হয়ে লতার হাট সড়ক। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি দুটি কারণে সরাসরি যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল। যার একটি হচ্ছে হাড়িয়া নদীর ওপর ব্রীজ না থাকা এবং সড়কের নির্মাণ কাজ বছরের পর বছর ফেলে রাখা। ইতোমধ্যে হাড়িয়া খেঁয়াঘাট সংলগ্ন নদীর ওপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর থেকে একটি ব্রীজ নির্মাণ করা হয়েছে। ব্রীজটি চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেও সড়কের নির্মাণ কাজ ফেলে রাখায় ব্রীজ নির্মাণের সুফল থেকে বঞ্চিত ছিল এলাকাবাসী। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির নাম দেওয়া হয়েছে পাইকগাছা জিসি/লতার হাট/দেলুটির ফুলবাড়ী হাট/বারোহাড়িয়া জিসি রোড। সড়কটি দুটি ভাগে দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে কার্পেটিং করা হয়েছে। উপজেলা সদরের সরল কালিবাড়ী থেকে পৌরসভার ৫-৬নং ওয়ার্ডের সাংবাদিক মরহুম গাজী আব্দুস সালামের বাড়ী পর্যন্ত ১.০২৮ কিলোমিটার সড়ক জিওবি রক্ষণাবেক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ১২ ফুট প্রস্থের কার্পেটিং করা হয়েছে। সাংবাদিক সালামের বাড়ী থেকে লতার হাট খেঁয়াঘাট পর্যন্ত ৫.২ কিলোমিটার সড়ক ২০১৮ সালে কেডি আরআইজিপি প্রকল্পের আওতায় টেন্ডার দেওয়া হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ডলি কনস্ট্রাকশন সড়কটি যত্রতত্র খুড়ে রেখে অর্থ সংকট সহ নানা অজুহাত দেখিয়ে বছরের পর বছর ফেলে রাখে। ফলে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন এলাকার মানুষ। শেষমেষ পূর্বের টেন্ডার বাতিল করে নতুন ঠিকাদার নিয়োগের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তর। নির্মাণ কাজ করেছেন ঠিকাদার মোঃ আব্দুল হাকিম। নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় নবনির্মিত এ সড়কটি বদলে দিয়েছে অবহেলিত লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা। এখন লতা ইউনিয়ন সহ পাশ^বর্তী এলাকার হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন সড়ক দিয়ে সরাসরি উপজেলা সদরে যাতায়াত করছে। এলাকার ছেলে-মেয়েদের স্কুল কলেজে যাতায়াত সহজ হয়েছে। এলাকার উৎপাদিত মৎস্য দ্রæত সময়ের মধ্যে পরিবহন ও বাজার জাত করতে পারছেন এলাকার মৎস্য চাষী ও ব্যবসায়ীরা। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করছেন সকলেই। স্কুল শিক্ষার্থী রিয়া ঢালী জানায়, ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা না থাকায় আমাদের লেখাপড়া ব্যাহত হতো। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় এখন থেকে এলাকায় শিক্ষার প্রসার ঘটবে। মটর সাইকেল চালক শরিফুল ইসলাম জানান, মটর সাইকেল চালানোর ওপর আমার মতো অনেকের জীবন জীবিকা নির্বাহ করে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না থাকায় আমাদের অনেক ভোগান্তি হতো। এখন আমাদের জীবন মানের উন্নয়ন ঘটবে বলে আশা করছি। লতার হাটের চা বিক্রেতা গোপাল ঢালী জানান, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে আমার চায়ের দোকানের আয় আগের থেকে অনেক বেড়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে ভালোই আছি। সড়কটি নির্মাণ করার ফলে এলাকায় ব্যবসা বাণিজ্য বাড়ছে বলে জানান, লতা বাজারের ব্যবসায়ী বনানী ঢালী বন্যা। এ সড়কের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়নে পরিবর্তন এসেছে বলে জানান লতার বিনয় কৃষ্ণ মন্ডল। সরেজমিনে অবস্থান করে নির্মাণ কাজ তদারকি করা হয়েছে বলে জানান উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল-মামুন ও জাহাঙ্গীর আলম। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল দপ্তরের উপজেলা প্রকৌশলী শাফিন শোয়েব জানান, সড়কের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে আমাদের অনেক ভোগান্তি হয়েছে। কারণ সড়কটি প্রথম টেন্ডার দেওয়া হলে ডলি কনস্ট্রাকশন কাজ করতে ব্যর্থ হওয়ায় নির্মাণ কাজ ব্যাহত হয়। পরবর্তীতে পুনরায় টেন্ডার দিয়ে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এর ফলে সুবিধা বঞ্চিত লতা ও দেলুটী ইউনিয়নের সাথে যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। আশা করছি চলাচলের ক্ষেত্রে যেমন ব্যাপক পরিবর্তন আসবে, তেমনি এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন ঘটবে। এদিকে সড়কটি সংরক্ষণে সড়কের দু’পাশে গাছের চারা রোপনের আহŸান জানিয়েছেন এলাকার পরিবেশ কর্মীরা।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা খুলনা।

  • তীব্র তাপদাহে স্বরূপকাঠির জন জীবন অতীষ্ট বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ শয্যা সংকটে মেজেতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগিরা

    তীব্র তাপদাহে স্বরূপকাঠির জন জীবন অতীষ্ট বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ শয্যা সংকটে মেজেতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগিরা

    স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি//

    তীব্র তাপদাহে স্বরূপকাঠির জন জীবন অতীষ্ট হয়ে পড়েছে। অফিস আদালত ও হাটবাজারের লোকসংখ্যা কমেগেছে। সব সেক্টরে শ্রমিকরা কাজ ছেড়ে বিশ্রাম করছে। রাস্তায়ই অসুস্থ্য হযে পড়ছে অটো আর রিকসা চালকরা। অপরদিকে হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলছে। ডায়রিয়া আর গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া রোগীদের রাখার মত তিল পরিমান ঠাঁই নেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

    ১৯ বেডের ওই কমপ্লেক্সে অতিরিক্ত বেড দেওয়ার পরেও মেঝেতে বারান্দায়, করিডোরে চলছে রোগীর চিকিৎসা। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৬৫ জন রোগী ভর্তি রয়েছে। এর মধ্যে ৩৮ জনই ডায়রিয়া রোগী। এবং আজ সকাল থেকে ভর্তি হয়েছে ১৯ জন। ২৪ ঘন্টায় সুস্থ্য হয়ে বাড়ী গেছে ২১ জন।

    চিকিৎসকরা বলেছেন মাত্রাতিরিক্ত গরম এবং খালের দূর্ষিত পানি দ্ধারা মানুষ বেশি ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। তারা বলেছেন, উপজেলার বেশির ভাগ মুরগীর খামারের বিস্টা নদী খালের পানিতে প্রভাহিত হচ্ছে। সেই পানি ব্যবহারের দ্ধারাই এ সময়ে বিষেশ করে ডায়রিয়া বেশি হচ্ছে। এছাড়াও গরম ও ফুড পয়জনিং কারনেও ডায়রিয়া হচ্ছে।

    গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে অটো চালক আলমগীর হঠাৎ করেই রাস্তার পাশে অটোর মধ্যেই অসুস্থ হয়ে পড়লে লোকজন ধরা ধরি করে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে পরীক্ষা নিরিক্ষা করে তাকে দ্রুত বরিশাল নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। তীব্র গরম থেকে রক্ষা পেতে বাড়ীর ঘরের ছাদে ও চালে পানি ছিটিয়ে ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। আইসক্রিম, ডাবের দোকান ও লেবুর সরবতের দোকান গুলোতে ক্রেতার লাইন।

    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফিরোজ কিবরিয়া বলেন ডায়রিয়া রোগীর চাপের কারনে গতকাল স্যালাইন শেষ হয়ে গিয়েছিল। গতকালই পিরোজপুর থেকে আরো স্যালাইন আনা হয়েছে। বর্তমানে কমপ্লেক্সে সব ধরনের পর্যাপ্ত ঔষধ রয়েছে। সকল চিকিৎসক ও নার্সদের সার্বক্ষনিক প্রস্তুত থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষনিক উপস্থিত থেকে সব কিছু মনিটারিং করছি।

    অটো রিকসা চালক সমিতির নেতা আব্দুল কুদ্দস হাওলাদার বলেন, অসুস্থ্য হয়ে পড়া আলমগীরের অবস্থা গুরুতর। ডাক্তারগন বরিশাল নেওয়ার জন্য বলেছেন। তাকে বরিশাল পাঠানোর চেষ্টা চলছে। এছাড়া সব চালকদেরকে সাবধানে চলাচল করার জন্য বলা হয়েছে।

    গাড়ীগুলোকে যথাসম্ভব ছায়া যায়গায় পার্কিং করার জন্য বলা হয়েছে।
    গরমের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে অনেকেই মটর ও পাম্পের সাহায্যে পানি ছিটিয়ে বাড়ীর ছাদে ও ঘরের চালা, রাস্তা ও ঘরের আঙিনা ভিজিয়ে ঠান্ডা রাখার চেস্টা করছেন।স্বরূপকাঠি-বরিশাল-ঢাকা সড়কের জগৎপট্টি ট্রাক পয়েন্টে মটর দিয়ে পানি ছিটাচ্ছিলেন চা দোকানী সোহাগ।###

  • সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির সেই ভয়াবহ দিবসটি হাজারো মানুষের মৃত্যুর ইতিহাস

    সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির সেই ভয়াবহ দিবসটি হাজারো মানুষের মৃত্যুর ইতিহাস

    হেলাল শেখঃ ঢাকার সাভারে রানা প্লাজা ভেঙে পড়ে হাজারো মানুষের অকাল মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল আজকের এইদিনে, বাকীটা ইতিহাস। আঁখির হয়তো স্বপ্ন ছিল সমুদ্র দেখার। সরাসরি না পারলেও স্টুডিওতে ছবি তুলে পেছনে বসিয়ে নেন সমুদ্রের দৃশ্য। অন্যদিকে শাহেদুলের হয়তো স্বপ্ন ছিল উড়োজাহাজে চড়ার! তাইতো স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে স্টুডিওতে এমন ব্যাকগ্রাউন্ড রেখে ছবি তুলেছিলেন! প্রায় এক যুগ আগে তোলা এসব ছবি এখন শুধুই স্মৃতি।

    ২০১৩ সালে হাজারো হতভাগ্য শ্রমিকের সঙ্গে সলিল সমাধি ঘটেছিল এই দুজনেরও। এখন সেই স্বপ্নের আদলে তোলা ছবিগুলোতেই স্বজনরা খুঁজে বেড়ান তাদের স্মৃতি। গল্পগুলো বলতে গিয়ে ভিজে আসে চোখ।

    মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) সাভার রানা প্লাজার সামনে ‘রানা প্লাজা হত্যাকাণ্ডের ১১ বছর: হাজারো প্রাণ ও স্বপ্নর গল্প’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়।

    দোষীদের শাস্তি ও সম্মানজন ক্ষতিপূরণের দাবিতে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ কর্মসূচির প্রথম দিনে আয়োজিত সভায় স্বজনরা স্মরণ করেন নিহত শ্রমিকদের।
    এর উদ্বোধন করেন রানা প্লাজা ভবনে দুই দিন আটকা থেকে উদ্ধার হওয়া আহত শ্রমিক জেসমিন।

    সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে আলোচনা করেন আহত জেসমিন, নিহত শ্রমিক আঁখি আক্তারের মা নাসিমা আক্তার, নিহত ফজলে রাব্বীর মা রাহেলা আক্তার, নিহত শাহীদার মা এবং গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেনসহ আরও অনেকে।

    প্রদর্শনীতে চার আলোকচিত্রীর তোলা ছবি ও পোশাক শ্রমিকদের সন্তানদের সাতজনের আঁকা ছবি, জীবিত থাকা অবস্থায় স্টুডিওতে তোলা ২০ শ্রমিকের ছবি প্রদর্শন করা হয়।

    এরমধ্যে একটি ছবি নিহত শাহেদুলের। স্ত্রী ও ছেলেকে নিয়ে স্টুডিওতে ছবি তুলে, ব্যাকড্রপে উড়োজাহাজের ছবি দেওয়া। হয়তো উড়োজাহাজে চড়ার স্বপ্ন ছিল তার!

    আরেকটি ছবি ছিল নিহত আঁখির। হয়তো সমুদ্র ভালোবসতেন তিনি। কিন্তু যাওয়া হয়নি কখনো। তাই স্টুডিও থেকে স্বপ্নের ছবি তৈরি করিয়ে নেন সেই সমুদ্রর পারে। আখি আক্তার (১৮) ও তার বন্ধুরা রানা প্লাজার সপ্তম তলার নিউ ওয়েব স্টাইল লিমিটেড কারখনায় কাজ করতেন। বন্ধুদের সঙ্গে পহেলা বৈশাখ ১৪২০ , ১৪ এপ্রিল ২০১৩–এই ছবিটি তোলা। তার ঠিক ১০ দিন পর ২৪ এপ্রিল ২০১৩ থেকে রানা প্লাজার ধসের পর থেকে আঁখি নিখোঁজ। জানা যায়, এই ছবির কেবল একজন বেঁচে আছে, আঁখিসহ এই ছবির সকলেই নিহত বা নিখোঁজ।

    আয়োজকরা জানান, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে এসব শ্রমিকের প্রাণ ও স্বপ্ন নি:শেষ হয়ে যায়। রানা প্লাজার সামনে প্রদর্শনী করে সে আবারও সেই অতীতের স্মৃতিকে সামনে আনা হয়েছে। এই ঘটনাকে ইতিহাসে বাঁচিয়ে রাখতে এবং তরুণদের লড়াইয়ে প্রেরণা দিতেই এই প্রদর্শনী। রানা প্লাজার শ্রমিকদের মতো যাতে আর কারো যাতে অকালে মরতে না হয়, এই প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে সেই বার্তাই দিতে চেয়েছেন তারা।

    প্রদর্শনীর উদ্বোধন শেষে আলোচনায় আহত শ্রমিক জেসমিন বলেন, এমনভাবে দুই দিন আটকা ছিলাম বাঁচার কোনো আশা ছিলো না। একজন অচেনা মানুষ আমাকে আগলে রেখে বাঁচিয়েছিলো। তখন কে পুরুষ কে নারী কে হিন্দু কে মুসলমান ভাবার সুযোগ ছিলো না। বাঁচার চরম ইচ্ছা ও সন্তানকে দেখার ইচ্ছা ছাড়া কোনো কিছু মাথায় আসেনি।

    তিনি বলেন, ১১ বছর ধরে সেই দু:সহ স্মৃতির ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি মনে ও শরীরে। অথচ এখনো দোষীদের শাস্তি হয়নি। দোষীদের শাস্তি হলে আমরা প্রাণে একটু শান্তি পেতাম।

    সভায় বক্তারা বলেন, ১১ বছরেও ১১৭৫ জন প্রাণ হত্যার বিচার প্রক্রিয়া ত্বরান্তিত হয়নি। কারখানার ভবন মালিক সোহেল রানা ছাড়া অন্যান্য মালিক, সরকারি কর্মকর্তারা জামিনে জেলের বাইরে আছেন। সোহেল রানাও গত বছর জামনি পায়। পরবর্তীতে তার জামিন উচ্চ আদালত স্থগিত করে।

    তাদের মতে, বিচারের এই ধীরগতি সরকার ও রাষ্ট্রের মালিকপক্ষ ও দোষীদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদানের এবং তাদের বাঁচিয়ে দেবার প্রচেষ্টারই সামিল।

    তারা বলেন, যে রাষ্ট্রে কোনো গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ নাই, জনগণের মত প্রকাশের সুযোগ নাই, সেখানে রানা প্লাজার ক্ষতিগ্রস্থ শ্রমিকরা আরো বিপর্যস্ত হওয়া ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নাই।

    তারা আরও বলেন, দোষীদের সর্বেবাচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোন পথ খোলা নাই।

    ক্ষতিপূরণের বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়ে তারা বলেন, নিহত ও আহত পরিবারকে ১১ বছর আগে যে আইনি ক্ষতিপুরণ বা অনুদান দেওয়া হয়েছে তা কখনোই সম্মানজনক বা মর্যাদাপূর্ণ নয়। শ্রম আইনে ক্ষতিপুরণের আইন যা বদল হয়েছে তা অতি নগন্য। ১ লাখ এবং দেড় লাখ থেকে ২ লাখ ও আড়াই লাখ পর্যন্ত বাড়ানো কোনো শ্রমিককে মানুষ হিসাবে গণ্য না করারই উদাহরণ।

    বক্তারা বলেন, একদিকে একজীবনের সমপরিমাণ সম্মানজনক-মর্যাদাপূর্ণ ক্ষতিপুরণ প্রদানের ব্যবস্থা না করা। অন্যদিকে ব্রান্ড, এনজিও এমনকি সরকারের দফায় দফায় কিস্তিতে শ্রমিকদের অর্থ সহযোগিতার ও নানা প্রশিক্ষণের নামে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে। যাতে শ্রমিকরা বিচারের দাবিতে সংগঠিত না হয়ে, ভিক্ষুকের মতো কেবল সহায়তা খোঁজে, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    তারা আরো বলেন, ক্ষতিপূরণ কোনো ভিক্ষা নয়, এটি শ্রমিক ও নাগরিকের আইনি অধিকার। এই অধিকার রক্ষায় এক হওয়ার আহবান জানান তারা।

    আয়োজকরা জানান, দুই দিন ব্যাপী কর্মসূচিতে আগামীকাল ২৪ এপ্রিল ২০২৪ রানা প্লাজার সামনে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ ও প্রতিবাদী র‌্যালী অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত রানা প্লাজা দুর্ঘটনা পৃথিবীর বুকে ইতিহাস তৈরি করেছে।