Blog

  • ন্যাশনাল সার্ভিস নিয়ে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করায় এমপি নাহিদ নিগারকে সংবর্ধনা

    ন্যাশনাল সার্ভিস নিয়ে জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করায় এমপি নাহিদ নিগারকে সংবর্ধনা

    মোঃ আনিসুর রহমান আগুন,গাইবান্ধা থেকেঃ
    ২৯-গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচি সময়োপযোগী বেতন-ভাতা ও স্থায়ীকরণের দাবীতে জাতীয় সংসদে জোড়ালো দাবী উপস্থাপন করায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

    রবিবার সন্ধ্যার পরে এ-উপলক্ষ্যে সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার সরকারি কলেজ মাঠে বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের সুন্দরগঞ্জ উপজেলা ন্যাশনাল সার্ভিস শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনটির সভাপতি এরশাদুল আলমের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সাংসদ ইন্জিনিয়ারিং আব্দুল্লাহ নাহিদ নিগার। আরও উপস্থিত ছিলেন,সুন্দরগঞ্জ ডিড রাইটার সরকারি কলেজ অধ্যক্ষ এবিএম সাইফুল ইসলাম মণ্ডল শাজাহান, উপজেলা আলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম সরকার রেজা, বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিসের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিক হাসান রাজা, পৌর আ”লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী মারুফ হাসান বাদল, সাংবাদিক সামিউল ইসলাম প্রমূখ। পরে মাননীয় সাংসদকে ন্যাশনাল সার্ভিসের সদস্যগণ ক্রেস্ট প্রদান।

  • চারঘাটে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানির তীব্র সংকট

    চারঘাটে পানির স্তর নেমে যাওয়ায় পানির তীব্র সংকট

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    চলতি শুষ্ক মৌসুমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার  অধিকাংশ গ্রাম গুলোতে দেখা দিয়েছে তীব্র পানির সংকট। এ অবস্থায় অনেক পরিবার রান্না গোসলসহ অন্যান্য প্রয়োজনে প্রয়োজন মতো পানি পাচ্ছেন না।  সামর্থ্যবানরা দোকান থেকে পানি কিনে চাহিদা মেটালেও বিপাকে পড়ছে সাধারণ মানুষ। হাজারও পরিবার পানি সংকটে, পানির জন্য ছুটতে হচ্ছে পাশের বাড়িতে।

    চৈত্র-বৈশাখ মাসে অস্বাভাবিক ভাবে নিচে নেমে গেছে পানির স্তর। এসব এলাকায় হস্তচালিত নলকূপে ৬০ থেকে ৮০ ফুট পর্যন্ত বরিং করা হলেও প্রতি বছর এ সময়টাতে তীব্র তাপদাহে মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত পানি সংকটের প্রকট আকার ধারণ করে। অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে নদ-নদী, পুকুর-ঘাট, খাল-বিলের পানি শুকিয়ে গেছে। 

    চৈত্র-বৈশাখের কাঠফাটা রোদে মাঠ, ঘাট, খাল, বিল ও প্রান্তর ফেটে চৌচির। বৃষ্টির অভাবে ফসলি ক্ষেতও ক্ষতির সম্মুখীন। পুকুর ও জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ায় উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বিশুদ্ধ পানির জন্য হাহাকার শুরু হয়েছে। এতে খরতাপে হাঁপিয়ে উঠেছে মানুষ ও প্রাণিকুল।

    শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখে গেছে, পানির তীব্র সংকট। অনেকের বাড়িতে নলকূপ আছে কিন্তু পানি উঠছে না ফলে পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার বাড়ির মটার দিয়েও পানি উঠছে না। পানির জন্য মানুষ প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। অনেক পরিবার প্রতিবেশীর বাড়িতে থাকা জলমটার দিয়ে পানি সংগ্রহ করছে কিন্তু সেখানেও লাইনে দাঁড়িয়ে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। অনেকে আবার এলাকায় থাকা মসজিদের জলমটার থেকে পানি সংগ্রহ করছেন।

    এ দিকে শুধু বাড়িতেই নয়, মাঠেও পানির অভাবে ফসল নষ্ট হচ্ছে। যেমন: ভুট্টা, তিল, আখ, ধান, মুগ কালাই সহ বিভিন্ন ফসল পানির অভাবে শুকিয়ে যাচ্ছে।

    এলাকার কৃষকরা জানান, মাঠে যে সকল বরিং করে শ্যালোমেশিন দিয়ে পানি উত্তোলন করে ফসলের সেচ দিতো সে সব বরিং এ আর পানি উঠছে না। ফলে বিকল্প পদ্ধতিতে মাঠে জলমটার বসানো হচ্ছে। কিন্তু বিদ্যুৎ ছাড়া জলমটার চলে না তাই সব জায়গাতে বসানো সম্ভব হচ্ছে না।

    ভুক্তভোগীরা বলছেন, আমাদের নিম্ন আয়ের মানুষদের জলমটার কেনার মতো সামর্থ্য নেই। তাই নলকূপই ভরসা। কিন্তু পানি না থাকায় খুবই বিপাকে পড়েছি। আল্লাহর রহমত বৃষ্টি ও বর্ষা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

    এ বিষয়ে চারঘাট উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মেহেদী হাসান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলায় সরকারি ভাবে বরাদ্দ কৃত নলকূপের সংখ্যা ৪ হাজার ২৩৩ টি। তার মধ্যে ৭৯৭ টি নলকূপ থেকে পানি উঠছে না একেবারে অচল গেছে। সচল রয়েছে ৩ হাজার ৪’শ ৩৬ টি। এ ছাড়া মালিকানাধীন নলকূপ র‍য়েছে প্রায় ২০ হাজার।  তবে এ আবহাওয়া চলতে থাকলে পানির স্তর আরও নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী।

  • কয়েক যুগ পর নদীর উপর  সেতু নির্মাণের উদ্বোধন করাায় এমপির প্রতি খুশী এলাকাবাসী

    কয়েক যুগ পর নদীর উপর সেতু নির্মাণের উদ্বোধন করাায় এমপির প্রতি খুশী এলাকাবাসী

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার পাশাপাশি দুটি গ্রাম
    নারায়নপুর-কাশিগঞ্জ। সড়ক থাকার পরও একটি ব্রীজের জন্য এই দুই গ্রামকে বিভক্ত করে রেখেছে
    নারায়ণপুর বানার নদী। নদী পারাপারে বাশের সাঁকো হলো এই দুই গ্রামসহ আশপাশ এলাকার হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাাধ্যম। শুষ্ক মৌসুমে কোনো রকম পারাপার হওয়া গেলেও বর্ষায় কষ্টের শেষ থাকে না।

    এলাকাবাসী নারায়নপুর-কাশিগঞ্জ দুই গ্রামের সংযোগের জন্য এলাকায় একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়ে গত কয়েক যুগ ধরে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে ধর্ণা দিয়েও কোনো কাজ হয়নি।

    অবশেষে এলাকাবাসীর এ দুর্ভোগ লাঘবে এই নদীর উপর সেতু নির্মাণে এগিয়ে এসেছেন ১৫২ ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান এমপি। লতিনি সেখানকার মানুষের দুঃখ-কষ্ট লাগবে দীর্ঘ কয়েক যুগের সমস্যা সমাধানে নারায়নপুর-কাশিগঞ্জ জিসি সড়কে ৫৫০মিটার চেইনেজে ৫০.০০মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করলেন।

    সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার আমিরাবাড়ী ইউনিয়নের নারায়নপুর এলাকায় নারায়নপুর-কাশিগঞ্জ জিসি সড়ক থাকলেও রানার নদীর উপর একটি ব্রীজের জন্য দুই গ্রামের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে দীর্ঘ কয়েক যুগ। সড়কটিতে ৫৫০মিটার চেইনেজে ৫০.০০মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধনের ফলে
    এলাকাবাসী খুশি।

    শনিবার (৩রা মে) এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে সেতুটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ১৫২ ময়মনসিংহ-৭ ত্রিশাল আসনের নবনির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য, শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান এমপি।

    তিনি বলেন, দীর্ঘ কয়েক যুগ ধরে নারায়নপুর-কাশিগঞ্জ জিসি সড়ক থাকলেও সড়কটি রানার নদীর কারণে বিভক্ত হওয়ায় একটি ব্রীজের জন্য দুই গ্রামের সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। রানার
    নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে এলাকার স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীসহ সাধারারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলেন। নির্বাচনের সময় কথা দিয়েছিলাম,এখানে ব্রীজ হবে। স্থানীয় কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে এলজিইডি এর বাস্তবায়নে সেতু নির্মাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করি। আশ করি এ সেতুর মাধ্যমে এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘব হবে।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদর চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি ২০২৪-২০২৬ নির্বাচনে ঔষধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীদের পূর্ণ প্যানেলে ভোট দিন

    কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি ২০২৪-২০২৬ নির্বাচনে ঔষধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদের প্রার্থীদের পূর্ণ প্যানেলে ভোট দিন

    মোঃ শহিদুল ইসলাম
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি ২০২৪-২০২৬ নির্বাচন নিয়ে আমার ভাবনা,

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।ধারাবাহিক ভাবে বেশির ভাগ সময় তা অগনাতান্ত্রিক পন্থায় যোগ্যতাহীন নেতৃত্ব দ্বারা বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতি পরিচালিত হয়ে আসছে,যার ফলে আজ বাংলাদেশে ঔষধ ব্যবসার করুন পরিস্থিতি চলছে।নিম্নমানের ও ভেজাল ঔষধের ছড়াছড়ি,পিজিসিয়ান স্যম্পল বিক্রয়, নিয়ম বহিভূত যখন তখন নেতাদের পকেট মেনেজ করে লাগামহীন ঔষধের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়।বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ বৈধ লাইসেন্সধারী ফার্মেসী থাকলে ও কি কারণে আজ বাংলাদেশে কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির ভোটার মাত্র ১৫৫৩০জন। তাহা সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীরা জানতে চাই। সাধারণ ঔষধ ব্যবসায়ীদের আজ সময়ের দাবি বৈধ লাইসেন্স বা প্রয়োজনীয় কাগজ থাকা প্রত্যেক ফার্মেসী ব্যবসায়ীকে ভোটার করা হোক।আসন্ন বাংলাদেশ কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির ২০২৪-২০২৬ নিবার্চনে বাংলাদেশ ঔষধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদকে পুর্ন প্যানেলে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার জন্য সকলের প্রতি বিনীত আহবান জানাই।আমরা অঙ্গিকার করিতেছি আপনাদের মহা মূল্যবান ভোটে বাংলাদেশ ঔষধ ব্যবসায়ী সস্মিলিত পরিষদ পুর্ন প্যানেলের জয়যুক্ত হলে সকল ঔষধ ব্যবসায়ীদের ভোটের আওতায় আনা হবে।
    সকল সম্মানিত ভোটারদের প্রতি আমাদের আকুল আবেদন যোগ্য ও প্রকৃত ঔষধ ব্যবসায়ীদেরকে ভোট দিয়ে আপনারা জয়যুক্ত করবেন।
    অতীতের মত ৪৩ জন পরিচালকের কাছে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের ওষুধের মান ও জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দিবেন না।পরিশেষে সবার সুস্বাস্থ্য ও ব্যবসায়ীদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধ কামনা করছি । প্রচারে:- বাংলাদেশ ঔষধ ব্যবসায়ী সম্মিলিত পরিষদ।

  • শার্শা উপজেলা  চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষের বাড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণ

    শার্শা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষের বাড়ির সামনে বোমা বিস্ফোরণ

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শায় উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিলের বাড়ির সামনে গভীর রাতে কে বা কারা পর পর দুইটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়। এঘটনায় শার্শার রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। ইব্রাহিম খলিল ঘোড়া মার্কা প্রতিক নিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন।

    শনিবার দিবাগত রাত ৩টা ৪৫ মিনিটের সময় শার্শার শ্যামলাগাছি রাজনগর মোড়ে তার বাড়ির সামনে এই বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। এর পরপরই তারা পালিয়ে যায় । এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

    অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল জানান, রাতে হঠাৎ বিকট শব্দে বাড়ির সকলের ঘুম ভেঙে যায়। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৩টা ৪৫ মিনিট। তড়িঘড়ি উঠে পর্যবেক্ষণ করে দেখি বাসার সামনে দূর্বত্তরা বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে।

    তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রম চলছে। বোমা বিস্ফোরণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কে বা কারা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটিয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মনিরুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি শুনেছি। প্রার্থী শার্শা থানায় নিজে এসে অভিযোগ দায়ের করেছেনন । তদন্ত কার্যক্রম চলছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • কাছাকাছি কোনও পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস, রাতভর জ্বলবে সুন্দরবন

    কাছাকাছি কোনও পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভাতে পারেনি ফায়ার সার্ভিস, রাতভর জ্বলবে সুন্দরবন

    মোংলা বাগেরহাট প্রতিনিধি।

    পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের আমরবুনিয়ার ছিলা এলাকায় লাগা আগুন এখনও জ্বলছে। আগুন নেভাতে ফায়ার সার্ভিস ওই এলাকায় পৌঁছালেও আগুনের কাছেই যেতে পারেনি। সন্ধ্যা হওয়ায় এবং কাছাকাছি কোনও পানির উৎস না থাকায় আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা যায়নি।

    রবিবার (৫ মে) সকাল থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করা হবে। এদিকে এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) কাজী নুরুল করিম রাত সাড়ে ৯ টায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

    নুরুল করিম বলেন, প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ ও দুর্গম এলাকায় আগুন লাগার খবর পেয়ে দমকল বাহিনী নিয়ে ছুটে যাই। প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে পানির উৎস খুঁজি। কিন্তু কাছাকাছি কোনও পানি পাওয়া যায়নি। অনেক দূরে ভোলা নদী থেকে পানি এনে আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এরই মধ্যে সন্ধ্যা নেমে যায়। তাই আগুনের কাছে আর যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং বনরক্ষীদের চেষ্টায় অল্প পানি সরবরাহ করে প্রাথমিকভাবে আগুন যাতে ছড়াতে না পারে সেটি করা হয়েছে।
    রবিবার (৫ মে) সকালে আমরবুনিয়া এলাকার ভোলা নদী থেকে পানির সংযোগ স্থাপন করে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগুন বেশি দূর ছড়াতে পারেনি। অল্প অল্প করে জ্বলছে, রাতের মধ্যেও ছড়ানোর সম্ভাবনা নেই।

    কী করে আগুন লেগেছে জানতে চাইলে ডিএফও কাজী নুরুল করিম বলেন, এখনও সঠিক কারণ বের করা যায়নি। তবে স্থানীয় একেকজন একেক তথ্য দিচ্ছে। সব তথ্যই আমলে নিয়ে পূর্ব সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) রানা দেবকে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
    কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- চাঁদপাই রেঞ্জের জিউধার স্টেশন অফিসার ওবায়দুর রহমান এবং ধানসাগর স্টেশন অফিসার রবিউল ইসলাম। আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে আগুন লাগার সঠিক কারণ উল্লেখ করে প্রতিবেদন জমা দেবে এই কমিটি।

    বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম বলেন, শনিবার দুপুরে প্রথমে আগুন লাগে সুন্দরবনের আমরবুনিয়ার ছিলা এলাকায়। বিকাল সাড়ে ৪টায় আগুন ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় জানাজানি হয়। এরপর স্থানীয় এলাকাবাসী ও বনরক্ষীদের সমন্বয়ে প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করি। পরে বাগেরহাট ও মোরেলগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আসে। কিন্তু সন্ধ্যা গড়িয়ে গেলে দমকল বাহিনীর সদস্যরা কাজ শুরু করতে পারেনি। রবিবার ভোর থেকে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করবেন তারা।
    বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সাইদুল আলম চৌধুরী বলেন, বিকালে আগুনের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও নানা প্রতিকূলতার কারণে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করতে পারেনি। তবে আগুন লাগার ঘটনাস্থল চিহ্নিত করে রাখা হয়েছে। রবিবার সকাল থেকে কাজ শুরু করা হবে।

  • নড়াইলে গাঁজাসহ চারজন গ্রেফতার

    নড়াইলে গাঁজাসহ চারজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে পৃথক তিনটি অভিযানে গাঁজাসহ চারজন গ্রেফতার। গাঁজা ব্যবসায়ের সাথে জড়িত মোঃ বশির শেখ (৩৫) ও রাসেল ফকির (২৫) নামের দুইজন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার কালিয়া থানার পেড়লী ক্যাম্পের পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ বশির শেখ (৩৫) নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন পেড়লী গ্রামের মৃত মানিক শেখের ছেলে এবং রাসেল ফকির (২৫) একই
    গ্রামের ওছি ফকিরের ছেলে।
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সকালে নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন পেড়লী ইউনিয়নের পেড়লী দরিন্দ্রচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠের মাঝখান হতে তাদেরকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শামীম উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) আজিজুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ বশির শেখ (৩৫) ও রাসেল ফকির (২৫) দেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামিদের নিকট থেকে দুইশত গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়।
    সকাল সময় পৃথক আরেকটি অভিযানে এসআই (নিঃ) মশিউর রহমান, এএসআই (নিঃ) জিয়াউর রহমান ও এএসআই (নিঃ) মোঃ ফারুক হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে আজাদ শেখ (২৬) কে ধৃত করেন‌‌‌‌‌। এ সময় ধৃত আসামির হেফাজত থেকে তিনশত গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সংক্রান্তে কালিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। অপরদিকে
    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, নড়াইল ডিবি কর্তৃক দুইশত বিশ গ্রাম গাঁজা ও গাঁজা নগদ টাকাসহ একজন গ্রেফতার। মাদক ব্যবসায়ের সাথে জড়িত কছিম মোল্যা (৪০) নামের একজন মাদক ব্যবসায়িকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত কছিম মোল্যা (৪০) নড়াইল জেলার সদর থানাধীন ভাটিয়া গ্রামের মৃত ইসমাইল মোল্যার ছেলে। সকালে নড়াইল জেলার সদর থানাধীন পৌরসভাস্থ ২নং ওয়ার্ডের ভাটিয়া গ্রামের ধৃত আসামি কছিম মোল্যা (৪০) এর বসতবাড়ির উঠান হতে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ছাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) জয়দেব কুমার বসু, এএসআই (নিঃ) নাহিদ নিয়াজ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে কছিম মোল্যা (৪০) কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামির নিকট থেকে দুইশত বিশ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলার পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • আসলে এটা রেল লাইন নয়

    আসলে এটা রেল লাইন নয়

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    প্রথম দেখায় মনে হবে রেললাইন। আসলে এটা রেল লাইন নয়, এটা ঝিনাইদহ-কালীগঞ্জ-যশোর মহাসড়কের চিত্র। প্রচন্ড গরম ও দীর্ঘদিন রক্ষনাবেক্ষনের অভাবে ওই সড়কের বিষয়খালী এলাকা এখন মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। চার লেন সড়কের কাজ শুরু হবে বলে সড়কের পাশে বড় বড় গাছ বিক্রি করা হয়েছে। ফলে প্রখর রোদে রাস্তার পিচ সব গলে যাচ্ছে। যানবাহন চলাচলের কারণে প্রশস্ত মহাসড়কের মাঝখানে রেল লাইনের মতো চিত্র তৈরী হয়েছে। ফলে ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সরজমিন দেখা গেছে, ঝিনাইদহ যশোর সড়কের বিষয়খালীর বটতলা নামকস্থান থেকে রাকিবের চায়ের দোকান পর্যন্ত ১২০০ ফিট রাস্তা ফুলে উঠে রামÍার মাঝখানে উচু ঢিঁবির সৃষ্টি হয়ে মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এই হাল আরো বেহাল দশায় পরিণ হয়েছে। বিষয়খালী গ্রামর বসির উদ্দীন জানান, সড়কটি এতটাই বেহাল যে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, মেঠো সড়কে যেমন গরুর গাড়ী চলতে চলতে পয়ান বা রিক তৈরী হয়, ঠিক গুরুত্বপুর্ন এই মহাসড়েকর অবস্থাও তেমন হয়েছে। স্থানীয় মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খুরশীদ মিয়া জানান, এই সড়কে চলাচলকারী হাজারো পরিবহন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। প্রতিদিনই অকেজো হয়ে পড়ছে বাস ও ট্রাক। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট। বিষয়খালী বাজারের চা বিক্রেতা রাকিব হোসেন জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ২০/২৫ টি মোটরসাইকেল এমন রাস্তায় চলাচল করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ছে। রাস্তাটি মেরামত খুবই জরুরী বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সড়ক বিভাগের নির্বহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আনোয়ার পারভেজ জানান, যেহেতু ফোর লেনের কাজ চলছে তাই বড় ধরণের কোন মেরামত করা হচ্ছে না। তবে রাস্তার যে অংশ খুব খারাপ সেখানে মেরামত করার জন্য নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • কুষ্টিয়ায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে শরবত, বিশুদ্ধ পানির বোতল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ

    কুষ্টিয়ায় শ্রমজীবী মানুষের মাঝে শরবত, বিশুদ্ধ পানির বোতল ও খাবার স্যালাইন বিতরণ

    কুষ্টিয়া ৫ মে ২০২৪ : তীব্র দাবদাহে কুষ্টিয়ার মানুষের জীবন বিপর্যস্ত প্রায়। গরমে মানুষ হাপিত্যেশ অবস্থায় আছেন। মৌসুমের বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় সর্বত্রে ভ্যাপসা গরম বিরাজ করছে। এতে করে মানুষ দাঁড়িয়ে থাকলেও খুব ঘামতে দেখা যাচ্ছে। রোদের তীব্রতা বেশি হওয়ায় খুব অল্পতেই মানুষ হয়রান হয়ে যাচ্ছে। ফলে শ্রমজীবী মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে।

    কুষ্টিয়ায় শ্রমজীবী ও রিকশা-ভ্যান চালকদের মাঝে শরবত ও হাতে বিনামূল্যে বিশুদ্ধ পানির বোতল এবং খাবার স্যালাইন বিতরণ করা হয়েছে।
    শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়া শহরের পুরাতন এসএ পরিবহন মোড়ে দুই হাজার শ্রমজীবী ও রিকশা-ভ্যান চালকদের মাঝে এসব তুলে দেন “পল্লী গ্রুপের অর্থায়নে ‘কুষ্টিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব ২.০ ‘ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। “পল্লী রেস্টুরেন্ট” ও পল্লী গ্রুপ এর সিও চেয়ারম্যান মো: মাহাবুব আলম মিশন এর সভাপতিত্বে ‘কুষ্টিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাবের সহযোগীতায় বিনামূল্যে এসব পানীয় খাবার বিতরন করা হয়।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব ২.০ ‘এর প্রতিষ্ঠাতা মো: রাকিব হোসেন, ও অন্যান্য সদস্য তন্নি খাতুন, এনামুল হক, সাইমুর রহমান, শুভ ইসলাম, হিরোকসহ বিশ জন স্বেচ্ছাসেবী উপস্থিত ছিলেন।

    “পল্লী রেস্টুরেন্ট এর সিও চেয়ারম্যান মো: মাহাবুব আলম মিশন বলেন, প্রচণ্ড গরমে যখন জনজীবন বিপর্যস্ত তখন কুষ্টিয়ার এই স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন কুষ্টিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব ২.০ শহরের মধ্যে রিকশা-ভ্যান চালকদের শরবত খাওয়ানো, অসহায় ও শ্রমজীবী মানুষের জন্য পানির বোতল ও খাবার স্যালাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে এটা সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এতে করে গরমে খেটে খাওয়া মানুষের পানি ও স্যালাইন বিতরণ করার ফলে অনেক সাধারণ মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। এভাবেই আরও অনেক সংগঠন এবং বিত্তশালীদের এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।

    সংঠনটির স্বেচ্ছাসেবীরা জানিয়েছেন, তীব্র তাপদাহের কারণে “পল্লী রেস্টুরেন্ট এর সিও চেয়ারম্যান মো: মাহাবুব আলম মিশন এর অর্থায়নে আজকে এই আয়োজন করা হয়েছে। গরমে এ মৌসুমে তাপদাহ যতদিন প্রবাহমান থাকবে ততদিন তারা আরও নতুন নতুন উদ্যোগ হাতে নেবেন।

    কুষ্টিয়া ব্লাড ডোনার্স ক্লাব ২.০ ‘এর প্রতিষ্ঠাতা মো: রাকিব হোসেন বলেন, এবারে তীব্র তাপদাহে শহরের পথচারী, দিনমজুর, রিকশাচালকসহ সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। চিকিৎসকরা এই গরমে বেশি বেশি পানি পান করতে উপদেশ দিচ্ছেন। পথে চলাচলের সময় পানির সংকট চোখে পড়ে। তাই “পল্লী গ্রুপের সিও চেয়ারম্যান মো: মাহাবুব আলম মিশন এর সহযোগীতায় সংগঠন থেকে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাদের খাবার পানির বোতল, খাবার স্যালাইনসহ চালকদের মাঝে শরবত, বিশুদ্ধ খাবার পানি ও স্যালাইন বিতরণ করেছি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যহতরাখবো বলেও জানান তিনি।

  • স্বরূপকাঠিতে স্বধীনতা বিরোধীদের মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার তৎপরতা বন্ধের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

    স্বরূপকাঠিতে স্বধীনতা বিরোধীদের মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার তৎপরতা বন্ধের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধাদের মানববন্ধন

    আনোয়ার হোসেন,

    স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি//

    স্বরূপকাঠিতে স্বধীনতা বিরোধীদের সন্তানদের মুক্তিযোদ্ধা হওয়ার পায়তারা বন্ধের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে। গতকাল শনিবার সকালে স্বরূপকাঠি –পিরোজপুর সড়কের বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় ওই মানববন্ধনে পাঁচ শতাধিক সদস্য অংশ নেয়। মানববন্ধন ও সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন ৯ম জাতিয় সংসদের সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম। সাবেক কমান্ডার কাজী সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় একাত্মতা প্রকাশ করে আরো বক্তৃতা করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার এমএ রাজ্জাক, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি জাহীদুল ইসলাম বিপ্লব। এর আগে সংসদ কার্যালয়ের সামনে সমাবেশে এছাড়াও বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হুমায়ুন কবির, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত, উপজেলা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি শহীদুল ইসলাম মিন্টু প্রমুখ। এসময় সকল মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবারের সদস্যরা মাননীয়র প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী, মন্ত্রনালয়ের সচীব ও জামুকা পরিচালক বরাবরে আবেদন করার জন্য গনস্বাক্ষর প্রদান করে।
    ###

    নেছারাবাদে ষাটোর্ধ্ব মাকে মারধর করার অভিযোগ

    নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি//

    নেছারাবাদে ষাটোর্ধ্ব মাকে মারধর করার অপরাধে ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মা
    ফিরোজা বেগম। বেশ কিছু দিন ধরে মাকে মারধর করছিলেন বড় ছেলে দেলোয়ার হোসেন এবং তার স্ত্রী। মারধরের হাত থেকে বাঁচতে ঐ ষাটোর্ধ্ব মা গত বৃহস্পতিবার নেছারাবাদ থানায় একটা লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

    অভিযোগের ভিত্তিতে জানা য়ায়, বড় ছেলে ও তার স্ত্রী অত্যান্ত খারাপ ও পর সম্পদ লোভী প্রকৃতির লোক। পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় ও বাড়ীর জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ চলিয়া আসিতেছে। ফিরোজা বেগমের ছেলেরা মায়ের কোন খোজ খবর রাখে না এমনকী কোন বরন পোষন দেয় না। তার স্বামীর সম্পত্তি এবং গাছ-পালা, ফল-ফলাদি জোর পূর্বক ভোগ দখল করে। তাকে কোন গাছ-পালা ফলা-
    ফলাদি ভোগ দখল করিতে দেয় না। নানান অজুহাতে প্রায়ই সময় মাকে মারধর করে এবং পিটিয়ে ঘর থেকে বের করে দেয়।

    এ বিষয়ে ফিরোজা বেগম বলেন,
    গত মঙ্গলবার শাখ নিয়ে কুড়িয়ানা থেকে বাড়ীতে আসার সময় আমাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ শুরু করে। এক পর্যায় আমাকে এলোপাথারি ভাবে কিল ঘুষি মারে এবং গলা চাপিয়া ধরিয়া কালভার্টের উপর আছার মারে। আহত
    অবস্থায় পরিয়া থাকলে এবং আমার ডাক চিৎকার করিলে আশ পাশের লোকজন আগাইয়া আসিয়া আমাকে নেছারাবাদ হাসপাতালে নিয়ে এসে চিকিৎসা করায়।

    এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন মাকে মারার সত্যত শিকার করে বলেন, আমার মা কোন কথা শোনেনা ঘরের জিনিস পত্র নিয়ে চলে যায়।গাছ পালা ভেঙে ফেলেন। মাথায় একটু সমস্যা আছে কয়েকবার ডাক্তারও দেখিয়েছে।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য বিকাশ মন্ডল জানান, তাদের পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যা আছে শুনছি, তবে আমাদের পরিষদে অভিযোগ দিলে ব্যবস্থা নিব।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার এস আই স্বপন চন্দ্র দে জানান, ঘটনার বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
    ####