Blog

  • ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে টুরিস্ট পুলিশ সুপার নাঈমুল হক সহ ময়মনসিংহ রিজিয়নের বৃক্ষরোপণ

    ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে টুরিস্ট পুলিশ সুপার নাঈমুল হক সহ ময়মনসিংহ রিজিয়নের বৃক্ষরোপণ

    বি এম মনির হোসেন সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার-

    বাংলাদেশ টুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন পর্যটন স্পটে সপ্তাহ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। গতকাল ময়মনসিংহ জেলার ভালুকায় অবস্থিত গ্রীন অরণ্য রিসোর্ট, ময়মনসিং শহরের ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত ইস্টার্ন হেরিটেজ রিসোর্ট, সিলভার ক্যাসেল রিসোর্ট, জয়নাল আবেদীন পার্ক, জয়নাল আবেদীন সংগ্রহশালা ও শশীলজ জাদুঘর সহ নেত্রকোনার বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে।

    টুরিস্ট পুলিশ ময়মনসিংহ রিজিওনের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাইমুল হক পিপিএম ব্যক্তিগতভাবে এসব জায়গায় গমন করেন এবং প্রচুর পরিমাণে বৃক্ষরোপন করেন। তিনি বলেন, পরিবেশ বাঁচলে দেশ বাঁচবে, দেশ বাঁচলে মানুষ বাঁচবে। তাই আমাদেরকে পরিবেশ রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। একটি জনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

  • গাজীপুর অ-পপ্রচারের বিরু-দ্ধে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

    গাজীপুর অ-পপ্রচারের বিরু-দ্ধে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

    রাসেল শেখ।
    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গাজীপুর সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ইসলাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা, ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২ টায় বাঘের বাজার বিএনপি দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ প্রতিবাদ জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য তিনি বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত সদর উপজেলায় দলীয় ও জনসেবামূলক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছি। আমার জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততাকে হেয় করার উদ্দেশ্যে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। এই অপপ্রচার চালানোর মূল হোতা হলেন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার সরকারের দোসর শাখাওয়াত হোসেন। সে একজন বিতর্কিত ব্যাক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, জমি দখল এবং সাধারণ নিরীহ মানুষকে ভয়িভীতি দেখিয়ে বিভিন্নভাবে হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। সে আমাকে জড়িয়ে পরিকল্পিতভাবে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে এলাকায় অপপ্রচার চালিয়ে আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক সুনাম ক্ষুন্ন করার চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। রাজনৈতিক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে হেয় করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। সদর উপজেলার মাটি ও মানুষের জন্য আমি রাজপথে ছিলাম, আছি এবং থাকব। কোনো ষড়যন্ত্র আমার জনপ্রিয়তা ও রাজনৈতিক সততা ক্ষুন্ন করতে পারবে না।

    অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বক্তব্য আরো বলেন, যেসব ব্যক্তিকে শাখাওয়াত ভূমিদস্যু হিসেবে অভিযুক্ত করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন তারা সবাই এলাকার সাধারণ মানুষ, যাদের নিজস্ব বসতবাড়ি ও ব্যবসা রয়েছে। তারা কখনোই কোনো সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। বরং শাখাওয়াত হোসেন নিজেই অতীতে এইসব লোকদের উচ্ছেদ করে তাদের জমি দখলের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। শাখাওয়াত হোসেন যে মামলা দায়ের করেছেন সেটিও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। তিনি এলাকার প্রকৃত মালিকদের হয়রানি করতে আইনের অপব্যবহার করছেন। আমি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করব নিরপরাধ ব্যাক্তিদরেকে মিথ্যা মামলায় যেন হয়রানি না করা হয়। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করে দোষী ব্যক্তিদের বিচার দাবী করছি।

    এসময় তিনি গাজীপুর জেলা এবং কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দের কাছে অনুরোধ করে বলেন, এই ধরণের রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। আমি কখনো কোনো দাঙ্গা, হাঙ্গামা, দখল চেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলাম না, নেই এবং হবোও না।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, গাজীপুর জেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক শহীদুল ইসলাম শহীদ, সদর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি সাঈফুল ইসলাম, সদর উপজেলার ভাওয়ালগড় ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক শরিফুল ইসলাম শরিফ।
    ####

  • গাজীপুরে গৃহবধূর বিরু-দ্ধে অ-পপ্রচার ও অর্থ আ-দায়ের অ-ভিযোগ

    গাজীপুরে গৃহবধূর বিরু-দ্ধে অ-পপ্রচার ও অর্থ আ-দায়ের অ-ভিযোগ

    রাসেল শেখ,
    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী এলাকায় এক গৃহবধূকে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোছাঃ রুমা আক্তার (২০) কোনাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগে রুমা আক্তার উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ মে ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী মোঃ সাদ্দাম হোসেন (৩৫) এর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের সংসার জীবনে একটি কন্যা সন্তান জন্ম নেয়। কিন্তু পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী সাদ্দাম হোসেনের বিরুদ্ধে তিনি পূর্বে একটি মামলা দায়ের করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

    লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের ২০ মে আনোয়ার হোসেন (৩৪) নামের এক ব্যক্তি তিনটি স্থানীয় দৈনিক—আমাদের সংবাদ, প্রলয় ও বাংলাদেশের আলো-তে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রকাশ করে রুমা আক্তারের ব্যক্তিগত ও সামাজিক সম্মান ক্ষুণ্ণ করেন।

    পরবর্তীতে মামলাটি প্রত্যাহারের জন্য রুমা আক্তারের স্বামী সাদ্দাম হোসেন তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেন। একইভাবে আনোয়ার হোসেন গত ২৭ মে ফোন করে পাঁচ লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং মামলা তুলে না নিলে ভয়ভীতি দেখান। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগেও তিনি ভয় দেখিয়ে রুমা আক্তারের কাছ থেকে আগে পাঁচশো পরে বিশ হাজার টাকা আদায় করেছেন।

    রুমা আক্তার জানান, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

    এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা এস আই খাইরুল বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থল আমি পরিদর্শন করেছি, বাদি মামলা করতে চাইলে ওসি সাহেবের সাথে কথা বলতে পারে।

  • বেতাগীতে ডে-ঙ্গু প্র-তিরোধে মণি ফাউন্ডেশনের  সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ

    বেতাগীতে ডে-ঙ্গু প্র-তিরোধে মণি ফাউন্ডেশনের সচেতনামূলক লিফলেট বিতরণ

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    বরগুনার বেতাগীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতায় নুরুল ইসলাম মণি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে লিফলেট বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।

    বুধবার (২ জুলাই) বেতাগী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী।

    নুরুল ইসলাম মণি ফাউন্ডেশনের ফজলে রাব্বি’র সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. হুমায়ুন কবির মল্লিক।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. গোলাম সরোয়ার রিয়াদ খান, পৌর বিএনপির সদস্য সচিব মো. মিজানুর রহমান খান, উপজেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মামুন পারভেজ আসাদ, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান কোয়েল সিকদার, পৌর বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক মো. শহীদ মল্লিক, নুরুল ইসলাম মণি ফাউন্ডেশন’র সদস্য রুমন খান, মিনহাজুর রহমান-যুবরাজ ও আবু জাফর স্বপনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

  • মেলা থেকে অন্তত একটি গাছ কেনার আহবান

    মেলা থেকে অন্তত একটি গাছ কেনার আহবান

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।

    ১৫ দিনব্যাপী ময়মনসিংহ বিভাগীয় বৃক্ষমেলা ২০২৫ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তাতারা মেলা থেকে অন্তত একটি গাছ কেনার আহ্বান জানান সকলকে।

    বুধবার (২ জুলাই) বিকালে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে উদ্বোধন করা হয় এই বৃক্ষমেলার। মেলাটি উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার মো: মোখতার আহমেদ।

    বৃক্ষ রোপনে সকলকে উৎসাহী করতে প্রধান অতিথি বলেন, বৃক্ষ হচ্ছে শস্য ভান্ডার। খাদ্যশস্যের প্রধান উৎস হচ্ছে এই গাছ। গাছ স্বজীবী আমরা পরজীবী। এটি আমাদের অক্সিজেন ও খাবার দিচ্ছে। গাছ লাগানো সওয়াবের কাজ। আপনারা মেলা থেকে অন্তত একটি গাছ কিনবেন। বৃক্ষমেলা প্রকৃতপক্ষে গাছ লাগানোর একটি সামাজিক আন্দোলন, একটি ক্যাম্পেইন। সবাইকে সারাবছর গাছ লাগানোর আহবান জানান প্রধান অতিথি।

    ‘পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি’ এই প্রতিপাদ্যের স্লোগানে জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে শুরু হওয়া বিভাগীয় বৃক্ষমেলা আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। মেলায় প্রায় ৩২টি স্টল স্থান পায়। ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গার নির্ধারিত নার্সারি মালিকরা এ স্টলগুলোতে বৃক্ষ নিয়ে আসেন।

    বৃক্ষ ও বৃক্ষমেলার গুরুত্ব তুলে ধরে বক্তারা বলেন, আমরা মানবজাতি কতোটা নির্বোধ। নির্বিচারে গাছ কাটছি, বন ধ্বংস করছি। যে গাছ কিনা মানবজাতির জন্য খাবার তৈরি করছে। বিপরীতে আমরা কিছু তৈরি করতে পারিনা। ঔষধি গাছগুলো মানুষের ঔষধ তৈরিতে ব্যবহার হচ্ছে। আমরা যে কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করছি সেটা গাছ শোষণ করে নিচ্ছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা চিন্তা করে গাছ লাগানোর ব্যাপারে আমাদের সচেতন হওয়া দরকার। বায়ু দূষণ রোধ করার একমাত্র উত্তম উপায় হচ্ছে বেশি করে গাছ লাগানো।

    ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জিয়া আহমেদ সুমন, ময়মনসিংহ পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলম, ময়মনসিংহ রেঞ্জ ডিআইজির প্রতিনিধি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফাল্গুনী নন্দী উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিম।

    এর আগে বৃক্ষমেলা উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি জেলা প্রশাসকের কার্যালয় হতে সার্কিট হাউজ চত্বর পর্যন্ত গিয়ে শেষ হয়।

    আলোচনা অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় ও জেলা দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগণ, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণ, সাধারণ জনগণ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ-সহ আরো অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। মেলাতে শিক্ষার্থীসহ প্রচুর দর্শনার্থীর ভিড় দেখা যায়।

  • ত্রিশালের সাখুয়া ইউনিয়নে অ-গ্নিকাণ্ডে ক্ষ-তিগ্রস্তদের পাশে ইউএনও ইউএনও-পিআইও

    ত্রিশালের সাখুয়া ইউনিয়নে অ-গ্নিকাণ্ডে ক্ষ-তিগ্রস্তদের পাশে ইউএনও ইউএনও-পিআইও

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সাখুয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া এলাকায় বসতবাড়িতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট এর কারণে আগুন লেগে ছয়টি
    বসতঘর সহ অন্যান্য আসবাবপত্র পুড়ে প্রায় এক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

    আগুন নিয়ন্ত্রণে আসলেও ছয়টি ঘর পুড়ে শতভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ঘর মালিকরা , অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ী পরিদর্শন করেন ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ।

    আগুনে পুড়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা হলেন- নয়াপাড়া এলাকার আব্দুস ছালাম এর পুত্র ইব্রাহিম খলিল, হারুনর রশীদ, রনি, মোহাইমিন , মৃত হাকিম উদ্দীনের পুত্র গোলাম মোস্তফা মৃত আক্কাস আলীর স্ত্রী আকিমুননেছা।

    বুধবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ী পরিদর্শন করতে ক্ষতিগ্রস্তদের সাথে কুশল বিনিময় করেন ও খোঁজ খবর নেন, এবং প্রত্যেককে
    উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনো খাবার প্রদান করেন এবং পরিবার গুলোর ঘর পুনঃনির্মাণের জন্য ০২(দুই)বান্ডেল করে ঢেউটিন ও ০৬(ছয়)হাজার করে নগদ টাকা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন ইউএনও।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শহীদ উল্লাহ জানান-ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ক্ষয়ক্ষতি দেখার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবদুল্লাহ আল বাকীউল বারী স্যার ও আমি তাত্ক্ষণিক ভিজিট করি।পরিবার গুলোকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ (ডিডিএম) এর পক্ষ থেকে বরাদ্দকৃত শুকনা খাবার প্যাকেট তুলে দেন ইউএনও স্যার। এসময় তিনি পরিবার গুলোর ঘর পুনঃনির্মাণের জন্য ০২(দুই)বান্ডেল করে ঢেউটিন ও ০৬(ছয়)হাজার করে নগদ টাকা দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী ক্ষতিগ্রস্তদের সান্তনা দিয়ে বলেন আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করেছি আপনাদের পাশে দাঁড়াতে ।তবে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আপনাদের জন্য আবেদন করবো যাতে কিছুটা হলেও উপকৃত হতে পারেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল বাকিউল বারী এমন আকস্মিক বিপদে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান

  • স’মিলের শব্দে অতি-ষ্ঠ ফুলবাড়িয়ার কালাদহ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা

    স’মিলের শব্দে অতি-ষ্ঠ ফুলবাড়িয়ার কালাদহ এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও বাসিন্দারা

    আরিফ রব্বানী।

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার কালাদহ ইউনিয়নে জনবহুল ও আবাসিক এলাকা
    কালাদহ গ্রামে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে একটি স’মিল। এখানে রাত-দিন গাছ চেরানোর শব্দে দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, এই স মিলের কারণে লেখাপড়াতো দুরে থাক, ঘরে একে-অন্যের কথা পর্যন্ত শোনেন না।

    স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এখানে দিন ও রাতে সবসময় কাঠ চেড়ানোর ফলে স মিলের পাশে থাকা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাগাত ঘটে, তাছাড়া গভীর রাতে ট্রাকে গাছ ও কাঠ ওঠানো-নামানো হয়। গাছভর্তি ট্রাক প্রবেশের পাশাপাশি কাঠবোঝাই ট্রাকও বের হয়। এসব কাজের সময় বিকট শব্দ হয়। এ কারণে তাদের ঘুমে এবং স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের পড়ালেখায় ব্যাঘাত ঘটে। উপজেলা প্রশাসনে অভিযোগ জানিয়েও কোনও প্রতিকার মেলেনি বলে দাবি করেন তারা।

    খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কালাদহ ইউনিয়নের কালাদহ গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র প্রভাবশালী আঃ ছাত্রার ওরফে সেলিম মিয়া ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে এই স’মিল গড়ে তুলেছেন। স্থানীয়রা জানান, ওই ব্যক্তি নিজেকে একজন প্রভাবশালী ও ক্ষমতাধর পার্সন হিসাবে দাবি করেন। তাই তার স মিলের লাইসেন্স না থাকলেও কেউ এটা বন্ধ করতে পারনি।

    স্থানীয় তানিম, গোলাম মোস্তফা, শফিকুল ইসলাম সহ আরো কয়েকজন বলেন, “এই স’মিলের কারণে রাতে ঘুমাতে পারি না। গভীর রাতে ট্রাকভর্তি সরকারী গাছ এনে এই মিলে ফেলা হয় এবং তা রাতেই চেড়ানোর পর আবার ট্রাক ভরে নিয়ে যাওয়া হয়, গাছ চেড়ানো ও ফেলার শব্দে ঘুম ভেঙে যায়। এছাড়া রাতদিন কাঠ চেরানোর শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছি। বারবার অভিযোগ করেও কোনও প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।”

    পাশের ঘরের বাসিন্দা রাসেল, মোয়াজ্জেমসহ আরো কয়েকজন বলেন, ‘মিলের শব্দে বাসায় একে-অন্যের সঙ্গে কথা বললে তা শোনা যায় না। বাচ্চাদের পড়াতে পারি না। স্থানীয় গণ্যমান্যদের কাছে বারবার অভিযোগ দিলেও কোনও সমাধান দিতে পারছেন না তারা।

    কালাদহ সমিল এর সাথেই-কালাদহ দাখিল মাদ্রাসা, কালাদহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা,মসজিদ,কমিউনিটি ক্লিনিক অবস্থিত।

    যদিও স’মিল স্থাপন বিধিতে বলা হয়েছে সরকারি অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, বিনোদন পার্ক, উদ্যান ও জনস্বাস্থ্য বা পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কোনো স্থানের ২০০ মিটার সরকারি বনভূমি সীমানার ১০ কিলোমিটারের মধ্যে স্থাপন করা যাবে না এ ছাড়া সুন্দরবন থেকে ১০ কিলোমিটারের ভিতরে স’মিল স্থাপন। এ ছাড়া সকাল ৬টার আগে এবং সন্ধ্যা ৬টার পরে সমিল চালানো যাবে না। তবে এসব নিয়মনীতি স মিল মালিক আঃ সাত্তার মোঃনসেলিম মানছেনা বলে অভিযোগ উঠেছে।

    যেখানে আবাসিক এলাকায় লাইসেন্স দেওয়ার কোন বিধিমালা নেই সেখানে কালাদহ গ্রামের কালাদহ দাখিল মাদ্রাসা, কালাদহ হাফিজিয়া মাদ্রাসা,
    মসজিদ,কমিউনিটি ক্লিনিকের সাথেই অবস্থিত এই স মিল মালিক আঃ সাত্তার মোঃ সেলিম মিয়া কোন খুটির জোড়ে মিল ব্যবসা চালাচ্ছেন এনিয়েও স্থানীয়দের মাঝে আলোচনা সমালোচনা চলছে।

  • জুলাই গণঅ-ভ্যুত্থানে শহী-দদের রূ-হের মাগ-ফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ  জেলা প্রশাসনের দোয়া

    জুলাই গণঅ-ভ্যুত্থানে শহী-দদের রূ-হের মাগ-ফিরাত কামনায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের দোয়া

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ: জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শাহাদাত বরণকারী ছাত্র জনতার রূহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) দুপুরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র জনতার রূহের মাগফিরাত কামনা এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য লাভের প্রার্থনা করেন।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মুফিদুল আলম । তিনি বলেন, “এই দিনটি আমাদের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যারা গণতন্ত্র ও ন্যায়ের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন, আমরা তাঁদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।”

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকগণ এবং জেলা প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ। মোনাজাতে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে এবং জাতির কল্যাণ ও শান্তি প্রার্থনায় মুনাজাত করেন।

  • মৌলিক সংস্কার বিষয়ক আলোচনা ও জুলাই শহী-দদের স্মর-ণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মৌলিক সংস্কার বিষয়ক আলোচনা ও জুলাই শহী-দদের স্মর-ণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (National Citizen Party – (NCP), ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে “মৌলিক সংস্কার বিষয়ক আলোচনা সভা ও জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া মাহফিল” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ডিপ্লোমা প্রকৌশলী উইং (এনসিপি) ময়মনসিংহের অন্যতম নেতা মাহফুজুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মঙ্গলবার (১ জুলাই)সকাল ১১টায় ময়মনসিংহের মধ্য বারেড়া আল-কারিমুল বারী রহ. দাখিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ তাৎপর্যপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও মানবিক সংগঠক ময়মনসিংহ জেলার জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপির) সমন্বয় কমিটির সম্মানিত সদস্য মোঃ জসীম উদ্দিন।

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা
    সম্মানিত সদস্য ও সংগঠক, হাফেজ মাওলানা মোকাররম আদনান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
    প্রধান আলোচক,, হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ময়মনসিংহ জেলা কমিটির সম্মানিত সদস্য, মোঃ তারিক হোসেন। আলোচক,, হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জেলা সমন্বয় কমিটির সম্মানিত সদস্য, মোঃ মাসুদ রানা।

    আলোচনায় বক্তারা বলেন, “জুলাই মাস শুধুমাত্র একটি তারিখ বা সময়কাল নয়, এটি বাঙালির স্বাধীনতা চেতনা, আত্মত্যাগ এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের এক গৌরবময় প্রতীক। একটি রাষ্ট্র বা জাতির কাঠামোগত অগ্রগতির জন্য মৌলিক সংস্কার অপরিহার্য।”

    সভাপতির বক্তব্যে হাফেজ মাওলানা
    মোকাররম আদনান , বলেন আপনারা জনগণ আপনারাই শক্তি, আপনাদের মূল্যবান ভোট এমন ব্যক্তিকে দিবেন , যাকে দিলে আপনার, আপনার সমাজের, আপনার এলাকার, আপনার প্রতিবেশীর এবং রাষ্ট্রের উন্নয়ন হয় । কালো টাকার বান্ডিল , এক কাপ চা, দুই খিলি পানের বিনিময়ে আপনার মূল্যবান ভোট যেন বিক্রি হয়ে না যায়।

    আলোচনা পর্ব শেষে এক আবেগঘন দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। এবং মসজিদে নামাজ শেষে মুসুল্লিদের নিয়ে জুলাই শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

  • গাজীপুরে স্বামীর গোপ-নাঙ্গ কে-টে পা-লালেন স্ত্রী

    গাজীপুরে স্বামীর গোপ-নাঙ্গ কে-টে পা-লালেন স্ত্রী

    রাসেল শেখ।
    গাজীপুর প্রতিনিধিঃ
    গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক স্ত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আহত স্বামীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

    আহত ব্যক্তির নাম সোহেল মিয়া (২২)। তিনি ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া গ্রামের খালেক মিয়ার ছেলে। বর্তমানে গাজীপুর সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন এবং রাজমিস্ত্রির কাজ করেন।

    মঙ্গলবার (১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তাকে ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।

    সোহেলের বড় ভাই ফারুক আহমেদ জানান, “কুরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে আমার ভাই ময়মনসিংহ জেলার এক মেয়েকে নিজের পছন্দে বিয়ে করে। তারা ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। মঙ্গলবার সকালে খবর পাই, আমার ভাইয়ের স্ত্রী তার গোপনাঙ্গ কেটে দিয়ে পালিয়ে গেছে। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়।”

    ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া জানান, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর থেকে আহত অবস্থায় এক যুবককে জরুরি বিভাগে আনা হয়। বর্তমানে তার জরুরি বিভাগের চার নম্বর অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসা চলছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে।

    জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আহমেদ জানান, এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত নারীকে আটকের জন্য অভিযান চলছে।