তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
কুমিল্লা জেলা বারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া এডহক কমিটির পক্ষ থেকে ক্রীড়া মন্ত্রনালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিব মাহমুদ সজীব কে ফুলেল শুভেচছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য গোলাম কিবরিয়া, সাংবাদিক খালেদ সাইফুল্লাহ ও তাজওয়ার ওহী। উপদেষ্টা কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার খোজ খবর নেন।
Blog
-

কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া এডহক কমিটির পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদ কে ফুলেল শুভেচ্ছা
-

পঞ্চগড়ে এক ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরি-মানা
বাবুল হোসেন,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥ পঞ্চগড় জেলা শহরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এক ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের এম আর কলেজ রোডে ডক্টর প্যাথলজি এন্ড ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজি এই জরিমানা করেন। এ সময় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস নিতু, পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন খালিদ হোসেন সহ সেনা সদস্যরা এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাল আদালত সূত্রে জানা যায়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে পরীক্ষার রিপোর্ট এবং বিভিন্ন মেশিনের ক্রয়ের সময় সিরিয়াল নাম্বার না থাকায় অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেই সাথে তাদের ক্রটিযুক্ত মেশিন ব্যাবহার না করতে সর্তক করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজী বলেন, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম রোধে আমরা তৎপর আছি। সেনাবহিনীর সহযোগীতায় নিউ ডক্টর প্যাথলজি এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে তাদের ক্রটিযুক্ত মেশিন ব্যাবহার না করতে সর্তক করা হয়েছে এবং এধরনের অভিযান জনস্বার্থে অব্যাহত থাকবে।
-

পঞ্চগড়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ জেলা কা-রাগারে
বাবুল হোসেন,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বিসিক শিল্প নগরী বিএম কলেজের অধ্যক্ষক মো. দেলদার হোসেন দিলুকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তবে বৃহষ্পতিবার রাতে তাকে ঢাকা থেকে আটক করে আনে পুলিশ। পঞ্চগড় সদর থানার ওসি তদন্ত আশিষ কুমার শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
পুলিশ জানায় তার বিরুদ্ধে জেলা জজ কোর্টের অর্থঋন আদালতের মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে ঢাকার ডিবি (ডিএমপি) জয়েন কমিশনার এলাকা থেকে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
ওসি তদন্ত জানান আশিষ কুমার শীল জানান, অর্থঋন আদালতের চেক ডিজওনার মামলায় একটি ওয়ারেন্ট (এন আইএ্যাক্ট)ইস্যু ছিল এবং তিনি র্দীঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পরে তার অবস্থান নির্ণয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর শুক্রবার (১১জুলাই) সকাল ১১ টায় পঞ্চগড় অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। জানা যায়, তিনি একজন আইনজীবী।
-

নেছারাবাদে এস এস সি পরীক্ষায় অকৃ-তকার্য হওয়ার সুমাইয়া নামে এক শিক্সার্থীর আত্মহ-ত্যা
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
নেছারাবাদ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় গণিতে অকৃতকার্য হওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রী।
শুক্রবার (১১ জুলাই) বেলা ১টার দিকে নেছারাবাদ উপজেলার ৩নং স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকায় নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আরামকাঠি গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী কবির হোসেন এর একমাত্র মেয়ে। সে আকলম মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রায় সব বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করেও গণিতে ফেল করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
সুমাইয়ার মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে
শোকের ছায়া, বাবা একমাত্র মেয়ে সুমাইয়াকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে।সুমাইয়ার মা জানান, আমি শান্তিরহার বাজারে হোটেলে বসে বাদাম ভাজতে ছিলাম, একটু পর বাসায় গিয়ে দেখি ঘরের দরজা একটু ফাকা সুমাইয়া আড়ার সাথে ঝুলে আছে। আমি চিৎকার দিলে আসে পাশের লোকজন এসে নিচে নামায় সাথে সাথে সুমাইয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
সুমাইয়ার চাচা সাইফুল জানান,মেয়েটা খুব ভালোছিলো, মুলত ও অংক পরীক্ষায় ফেল করায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ঘরের ভেতর আড়ার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানা অফিসার ইনচার্জ বনি আমিন জানান, আমারা খবর পেয়ে লাশ থানায় নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আনোয়ার হোসেন
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি। -

বরিশালে স্বর্ণ প্র-তারক চ-ক্রের ৩ সদস্য গ্রে-ফতার
বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।
বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযানে স্বর্ণ বিক্রির নামে প্রতারণা করা একটি চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানায়, ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) জনৈক মো: সোহরাব হোসেন গাজী (৬৪) বরিশাল মহানগর ডিবি কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযোগ করেন যে, নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের টেক্সটাইল সংলগ্ন শান দেওয়ান মাজারের সামনে একটি প্রতারক চক্র স্বর্ণ বিক্রির নামে তাকে ফাঁদে ফেলে। তারা তাকে স্বর্ণ সদৃশ বিভিন্ন ধরণের মূর্তি ও গহনা (মোট ৫ লক্ষ টাকার পণ্যের) দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ছগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। পরে ১০ জুলাই রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে একই স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো:
১. মোঃ রিয়াজ হাওলাদার (৪৫), পিতা- ওহাব হাওলাদার, দক্ষিণ রাফিয়াদী, চাঁদপাশা, বরিশাল
২. শ্যামল হাওলাদার (৭৩), পিতা- মৃত বিষেশ্বর হাওলাদার, চরকাউয়া, বরিশাল
৩. মোঃ মনির মজুমদার (৪৪), পিতা- মৃত সাহেদ মজুমদার, চরকাউয়া, বরিশাল
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।
-

ডাক্তার হয়ে সেবা করতে চায় নুসরাত
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
নারী শিক্ষার অনন্য বাতিঘর সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় হতে সদ্য প্রকাশিত (বৃহ:বার) এসএসসির ফলাফলে নুসরাত জাহান গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। সে তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর আদিবাসী কলেজের প্রভাষক,ধুবিল ইউনিয়নের আমশড়া গ্রামের মৃত কালু প্রামানিকের ছেলে জামাল উদ্দিন ও মা লতিফা খাতুনের একমাত্র মেয়ে এবং সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি,সিনি: সাংবাদিক সাহেদ আলীর ভাতিজি। সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হয়ে অসহায়,দু:স্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকতে চায়।তার এ সাফল্যের জন্য তার বাবা,মা,চাচা,শিক্ষকমন্ডলীসহ সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।সে সকলের কাছে দোয়া প্রার্থী। -

কুমিল্লায় ভুমি সেবা সহায়তা কেন্দ্র শুভ উদ্বোধন
মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
দেশের নাগরিকদের ভূমিসেবা দিতে জেলা প্রশাসক বিভিন্ন উদ্যাগ গ্রহন করে ছেন। সারা দেশের ন্যায় ভুমি সেবা সহজীকরণের উদ্দেশ্যে কুমিল্লায়ও অদ্য গত ৯ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়।
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার রাজগঞ্জে অবস্থিত একটি কেন্দ্রের মাধ্যমে এ জেলার ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো: আমিরুল কায়ছার৷ প্রশাসন সূত্র থেকে জানা যায়
কুমিল্লা জেলার ১৭ টি উপজেলায় প্রথম ধাপে ৩৪ টি ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের অনুমতিপত্র প্রদান করা হয়। প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা পরিবর্তন হতে পারে৷
ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্র স্থাপনের লক্ষ্যঃ
১। ভূমি অফিসের বাইরে নাগরিকগণকে ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা প্রদান;২। ভূমিসেবাকে নাগরিকের হাতের কাছে নেওয়া;
৩। ডিজিটাল ভূমিসেবা গ্রহণ পদ্ধতি প্রচলন ও টেকসই করা;
৪। নাগরিকদের ভূমিসেবা গ্রহণ সহজীকরণ;
৫। ভূমিসেবা গ্রহণে সহায়তা/সহযোগিতা প্রদান ও তথ্য সুরক্ষায় বিধিগত কাঠামো তৈরি;
৬। দক্ষ, দায়িত্ববান ও নাগরিকবান্ধব সেবা সহায়তাকারী তৈরি;
৭। সঠিকভাবে নাগরিকের প্রোফাইল তৈরি ও আবেদন ফরম পূরণ করে দাখিল নিশ্চিত করা;
৮। ভূমি অফিস সংশ্লিষ্ট অভিযোগ শূন্যে নামিয়ে আনা।
ভূমিসেবা সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত ফি এর বিনিময়ে নামজারির আবেদন, ভূমি উন্নয়ন কর জমাকরণ, খাসজমি বন্দোবস্তের আবেদন, অর্পিত সম্পত্তির লীজ নবায়নের আবেদনসহ ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করা যাবে৷ এসকল বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক নাগরিক দের সুবিধার জন্য প্রদক্ষেপ নেন।এসময় প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
-

ফিরে দেখা ১১ জুলাই এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃ-তিফলক নির্মিত হয়নি
স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় ২০০৬ সালের ১১ জুলাই ট্রেনের ধাক্কায় বাসের ৩৫ জন যাত্রী নি/হত হন । এতে আহত হয়েছিলেন আরও ৩০ জন ।
সেদিন ছিলো সকাল থেকেই গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, ওই দিন সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আক্কেলপুর উপজেলার আমুট্ট রেলক্রসিংয়ে এ ঘটনা ঘটে । অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হচ্ছিল যাত্রীবাহী বাসটি । রেললাইনের ওপরই হঠাৎ বাসের ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায় । এর মধ্যেই খুলনা গামী রূপসা এক্সপ্রেস ট্রেন এগিয়ে আসে । চোখের নিমিষে লন্ডভন্ড হয়ে যায় খেয়া পরিবহনের বাসটি । দূর্ঘটনাস্থলে মারা যায় ২৫ জন ।
আক্কেলপুর কলেজ মাঠে একসঙ্গে ১১ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় ।আক্কেলপুর পৌরসভা সাত দিনের শোক ঘোষণা করে। এখনো এই স্থানে কোনো স্মৃতিফলক নির্মিত হয়নি।
-

সুজানগরে সংঘ-র্ষের ঘটনায় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী বহি-স্কার
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধিঃ পাবনার সুজানগর উপজেলায় গত বুধবার বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফসহ দলটির ১০ নেতাকর্মীকে বহিস্কার করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। বহিষ্কার করা অন্য নেতাকর্মীরা হলেন- সুজানগর পৌর বিএনপির এক নং যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মজিবর খা, সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য কামাল শেখ, পৌর ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি রুহুল খা, বিএনপি কর্মী লেবু খা, পৌর যুবদলের সদস্য মানিক খা, যুবদল নেতা মনজেদ শেখ, যুবদল কর্মী হালিম শেখ, ছাত্রদল নেতা শেখ কাউছার এবং এন এ কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি শাকিল খা। এছাড়াও সংঘর্ষের ঘটনায় মোলাম খা, ও সুরুজসহ আরও যারা জড়িত ছিল তারা বিএনপি কিংবা অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কেউ নয় এবং তাদের সাথে বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কোন সম্পর্ক নেই বলে উল্লেখ করা হয়েছে।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রক্তাক্ত সংঘাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শুক্রবার(১১জুলাই) পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার ওই সকল নেতাকর্মীকে বহিষ্কারের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে গত বুধবার পাবনার সুজানগরে বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে । এ ঘটনায় উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ (৫০), চর সুজানগরের জালালের ছেলে সুজন আলী (৩৫), শেখ মনজেদ আলী (৩০), চর ভবানীপুরের শুকুর আলীর ছেলে ইয়াকুব আলী (৫৬), হোসেন (৪০), যুবদল কর্মী মানিক খা (৩৫), চর ভবানীপুরের রশিদ খার ছেলে সবুজ খা (৩০), চর সুজানগরের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আব্দুর রহমান (৪৫), মাষ্টারপাড়ার মোনায়েম খার ছেলে শাকিল খা (২৫), চর সুজানগরের আলতু খানের ছেলে রিয়াজ খান (২৫), টিক্কা খান (৬০), পাবনা সদরের চরতারাপুরের কাচিপাড়ার আজহার আলীর ছেলে তুষার (৪০), আসলাম (৪৫) ও মনজিল (৩০)সহ ২৫ নেতাকর্মী আহত হয়। সুজানগর থানা অফিসার ইনচার্জ মজিবর রহমান জানান, এ ঘটনার পর থেকে উপজেলার আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।। -

তানোরে মাচায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে বর্ষাকালে মাচায় সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। মাচা ব্যবহারের কারণে সবজির লতা ও ফল মাটিতে লেগে থাকে না, ফলে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হয়। মাচায় চাষ করার কারণে ফসল পরিষ্কার থাকে এবং সহজে সংগ্রহ করা যায়। মাচায় আবাদ করা সবজি বাজারে ভাল দাম পাওয়ায় আর্ধিকভাবে লাভবান হচ্ছে চাষীরা। মাচায় সবজির আবাদ বলতে সাধারণত, লাউ, চিচিঙ্গা, পল্লা, জিঙ্গে, কুমড়া, শসা, বরবটি, সিম ইত্যাদি সবজি লতানো গাছের জন্য মাচা তৈরি করে চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে,গাছের লতা উপরে উঠে যায় এবং এর ফলে ফলন বাড়ে, পোকামাকড়ের আক্রমণ কমে এবং জায়গা সাশ্রয় হয়। মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে ফলন সাধারণত বেশি ও বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়। তানোর পৌরসভার গোকুল, মাসিন্দা, ধানতৈড় ও বাজে আকচা মহল্লায় বেশী মাচায় সবজি দেখা গেছে। এছাড়াও উপজেলার চাঁন্দুড়িয়া, কামারগাঁ, কলমা, বাধাইড়, সরনজাই, তালন্দ ও পাঁচন্দর ইউপির বিভিন্ন এলাকার মাঠে স্বল্প পরিসরে মাচায় সবজি চাষ হচ্ছে। ধানতৈড় গ্রামের কৃষক হিরন ও লাল্টু বলেন,মাচায় সবজি চাষ করলে ফসলের রোগবালাই কম হয় এবং এসব ফসলের বাজারে ভাল দাম পাওয়া যায়।
স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে
সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে মাচায় সবজির আবাদ হয়েছে। পুকুর-জলাশয়ের পাড়, নিচু জমি, বাড়ীর আঙ্গিনায়, জমির আইলে ও মাচায় সবজি চাষ করা হচ্ছে। পানির মধ্যে মাচায় সবজি চাষ পদ্ধতি একটি উদ্ভাবনী ও টেকসই কৃষি পদ্ধতি। মাচায় সবজির আবাদ একটি বিশেষ পদ্ধতি, যেখানে সবজির লতানো ও ঊর্ধ্বমুখী বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে মাচা তৈরি করে সবজি চাষ করা হয়। এই পদ্ধতিতে সাধারণত লাউ, কুমড়া, পটল, শসা, সিম, বরবটি, ঝিঙা ইত্যাদি সবজি চাষ করা হয়। মাচা তৈরির ফলে সবজির লতা উপরে উঠে যায় এবং আলো বাতাস ভালোভাবে চলাচল করতে পারে, যা ফলন বৃদ্ধিতে সহায়ক। এছাড়াও, মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ ও রোগবালাই কম হয়। মাচা তৈরির জন্য সাধারণত বাঁশ, কাঠ বা লোহার পাইপ ও নেট জাল ব্যবহার করা হয়। সবজি চাষে বিভিন্ন প্রকার মাচা তৈরি করা হয়। ফসলের ধরনের উপর মাচা তৈরির উচ্চতা নির্ভর করে। কিছু সবজির জন্য ৫-৬ ফুট উচ্চতার মাচা তৈরি করা হয়, আবার কিছু সবজির জন্য ঝুলন্ত মাচা তৈরি করা হয়। মাচা তৈরির পর সবজির লতা মাচার উপর ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
এবিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সাইফুল্লাহ আহমেদ জানান, মাচায় সবজি চাষ একটি লাভজনক এবং পরিবেশ-বান্ধব কৃষি পদ্ধতি। এটি কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে এবং নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সহায়তা করে। মাচায় সবজি চাষ করলে বৃষ্টির সময় গাছের ক্ষতি হয় না এবং ফলও পাওয়া যায় প্রচুর পরিমাণে। অল্প পরিশ্রমে মাচায় সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে সাবলম্বি হচ্ছে,পাশাপাশি মাচায় সবজি চাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।#