Blog

  • ক্ষেতলালে গরীব কৃষক  মিলন’র করলা ও বেগুন গাছ রাতের আঁধারে কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

    ক্ষেতলালে গরীব কৃষক মিলন’র করলা ও বেগুন গাছ রাতের আঁধারে কেটে দিয়েছে দূর্বৃত্তরা

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    ৬ সেপ্টেম্বর (মঙ্গলবার) ভোররাতে উপজেলার দেউলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে

    স্থানীয়সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কৃষক মিলন মিয়ার নিজস্ব কোনো জমি নেই তিনি অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেন। এবারও চলতি মৌসুমে তিনি তার বর্গা নেয়া (৩৩ শতাংশ) জমির উপর করলা ও বেগুন চাষ করেন। গতকাল মঙ্গলবার ভোররাতে তার রোপনকৃত ওই (৩৩ শতাংশ) জমির সমস্ত করলা ও বেগুন গাছ কেটে দিয়েছেন দূর্বৃত্তরা।
    সরেজমিনে গিয়ে অভিযোগের সত্যতাও মিলেছে।

    স্থানীয়রা বলেন, মিলন মিয়া একজন সৎ গরীব কৃষক সে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে (৩৩ শতাংশ) চাষআবাদ করছেন। তার রোপণ কৃত জমির করলা ও বেগুন গাছ কেটে একটা অমানবিক কাজ করেছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে সঠিক বিচার দাবি করতেছি।

    এ বিষয়ে কৃষক মিলন মিয়ার সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি আজ সকালে জমি দেখার জন্য জমিতে যাই। যায়ে দেখি আমার জমিতে রোপণকৃত সমস্ত করলা ও বেগুন গাছ কাটা। কে বা কাহারা কেটেছে আমি বলতে পারি না, আমি অন্যের জমি বর্গা নিয়ে খুব কষ্ট করে চাষআবাদ করি। এবং আমার দুই মেয়ে একটা মেয়ে একটু বড়ো ঐ বড়ো মেয়ে আমাকে ফসল রোপণ করতে সহযোগিতা করেছেন মেয়েটি খুব কষ্ট পেয়েছে শুধু কান্না করছেন। এই ক্ষতিতে আমি মানসিকভাবে ভেঙ্গে পরেছি, এই ফসল কর্তনে প্রায় ৮০ -৯০ হাজার টাকা ক্ষতি হয়েছে। যদি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে আমাকে একটু আর্থিক সহযোগিতা করতেন তাহলে হয়তো আমি উপকৃত হবো।
    এবিষয়ে স্থানীয় বড়াইল ইউনিয়নের সাবেক ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য কেরামত আলী বলেন। আমার দেখাতে কৃষক মিলন মিয়া একজন সৎ গরীব কৃষক সে দিনরাত পরিশ্রম করে অন্যার জমি বর্গা নিয়ে চাষআবাদ করছেন। এই ধরনের জঘন্য ঘৃণিত কাজটা কে বা কাহারা কেটেছে কেউ দেখতে পাইনি তবে যে কেউ করুক কাজটা করা উচিৎ হয়নি আমি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এর তিব্র প্রতিবাদ জানাই।

    এ বিষয়ে ক্ষেতলাল উপজেলা কৃষি অফিসার জাহিদুর রহমান বলেন। আসলে এইধরনের কাজ খুব জঘন্য ঘৃণিত কাজ। যদিও রাতের আঁধারে করেছেন কে করেছে সেটা কেউ বলতে পারে না। আমরা উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ঐ ভুক্তভোগী কৃষক মিলন মিয়াকে সার্বিক সহযোগিতা করবো।

  • তারাগঞ্জে  ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

    তারাগঞ্জে ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেপ্তার

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ ব্রার্দাস হিমাগারের পশ্চিম পাশে সত্য নারায়ণ বাণিজ্যলয়ের গোডাউন ঘরের ৬টি তালা কেটে ট্রাকে করে পাট চুরি করে নেওয়ার সময় টহল পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে।
    তারাগঞ্জ থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ১ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তারাগঞ্জ থানা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলছে। বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার রাতে জরুরি ফোর্স ও অভিযান ফোর্স নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার জন্য রাতে হাড়িয়ারকুঠি ইউনিয়নের উদ্দেশ্যে রওনা হন তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার। হাড়িয়ারকুঠি থেকে কুর্শা ইউনিয়ন ও তারাগঞ্জ সদরে ফেরার সময় প্রায় রাত ৩টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের ব্রাদার্স হিমাগারের পশ্চিম পাশে সত্য নারায়ণ বাণিজ্যলয়ের গোডাউনের সামনে স্ট্যাডিং(চালু) অবস্থায় একটি ট্রাক দেখতে পান। এতে পুলিশের সন্দেহ হলে পুলিশের পিকআপভ্যান ট্রাকের সামনে বেরিকেট তৈরি করেন। পুলিশকে দেখে ট্রাকে থাকা চালক পাশ কাটিয়ে ট্রাক সহ পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় পুলিশ ট্রাকে থাকা ডাকাতসহ তালা কেটে পাট গোডাউনের ভেতরে থাকা চার জন ও পরে আরও একজন ডাকাতকে আটক করেন। এ সময় একজন ডাকাত সদস্য পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান।
    আটক ডাকাতরা হলেন, ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার পিরোজপুর গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে ট্রাক চালক সফিয়ার রহমান(৪৫), বরগুনা জেলার আমতলী থানার উত্তর গোপখালী গ্রামের মৃত জয়নাল গাজীর ছেলে মহসিন গাজী(৩২), ওই থানার হলুদিয়া (কলংক) গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে রুবেল(২৯), তালতলী থানার পচা কোরালিয়া গ্রামের মৃত লতিফ হওলাদারের ছেলে ট্রাক চালক ফেরদৌস(২৮), পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার শৈলবুনিয়া গ্রামের আব্দুর ছাত্তার মৃধার ছেলে ইয়াকুব আলী (৫১)। পলাতক ডাকাত সদস্য বরগুনা জেলার আমতলী থানার তারিকাটা গ্রামের ইউনুছ পেদার ছেলে নজরুল ইসলাম।
    সত্য নারায়ণ বাণিজ্যলয়ের মালিক কুর্শা রহিমাপুর গ্রামের বাসিন্দা দিলীপ কুমার সরকার(৫৫) বলেন, আমার গোডাউনে প্রায় ১০ লাখ টাকার পাট কেনা রয়েছে। ডাকাতেরা পাটগুলো চুরি করে নিয়ে গেলে আমার বড় সর্বনাশ হয়ে যেত। ভগবানের কৃপায় পুলিশ বাহিনী ডাকাতদের আটক করেছেন।
    তারাগঞ্জ থানার ওসি সুশান্ত কমুার সরকার বলেন, ‘আটক পাঁচজনই আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য। তাঁরা পেশাদার ডাকাত। তাঁদের প্রত্যেকের নামে তিন থেকে পাঁচটি করে মামলা বিভিন্ন থানায় রয়েছে। আটকের সময় তালা কাটার, সাবল, চারটি বাটন ফোন, গোডাউনের কাটা ছয়টি তালা, ৫টি বাঁশের লাঠি, রশিসহ ট্রাক জব্দ করা হয়। গতকাল বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

  • জাল সনদে চাকরি, তালিকায় পঞ্চগড়ের ১১ শিক্ষকের নাম

    জাল সনদে চাকরি, তালিকায় পঞ্চগড়ের ১১ শিক্ষকের নাম

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ

    পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) সারাদেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেয়া শিক্ষকদের নামের তালিকা প্রকাশ পেয়েছে। এ তালিকায় পঞ্চগড়ের ৪টি উপজেলার ১১ জন শিক্ষকের নাম দেখা গেছে। ডিআইএ বলছে, এটা তাদের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানে রাজশাহী ও রংপুর অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাল সনদে চাকরি নেওয়া প্রথম পর্বের তালিকা থেকে পঞ্চগড়ের ১১ জনের নাম পাওয়া গেছে।

    সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) এই প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব প্রকাশ হলে জেলার চার উপজেলার ১১ জন শিক্ষকের নাম পাওয়া যায়। তারা জাল সনদে চাকরি করে আসছেন। এদের মধ্যে এমপিও ভুক্ত সাত শিক্ষক ও বাকি ৪ জন এমপিওভুক্ত হতে তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। জাল সনদে চাকরি নেওয়া ব্যক্তিদের চাকরিচ্যুতসহ সরকারি কোষাগার হতে প্রাপ্ত বেতন-ভাতা ফেরতসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।

    তালিকা সূত্রে জাল সনদধারী শিক্ষকরা হচ্ছেন, জেলার সদর উপজেলার উত্তর দর্জিপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিষয়ে সহকারী শিক্ষক শেফালী রানী রায়, জগদল দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্ম বিষয়ের সহকারি শিক্ষক রাহেলা পারভীন। এ দু’জন শিক্ষক এমপিওভুক্ত রয়েছেন।

    দেবীগঞ্জের মল্লিকাদহ বৈদ্যনাথ দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ধর্ম বিষয়ের সহকারী শিক্ষক দিপালী রানী, সহকারী শিক্ষক সাইরুল ইসলাম ও বাবুল চন্দ্র রায়, শালডাঙ্গা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শরীর চর্চা শিক্ষক হুমায়ুন কবির। তারা এমপিওভুক্ত শিক্ষক। বাগদহ ডিগ্রী কলেজের দর্শন বিভাগের প্রভাষক আশরাফুল আলম, বাগদহ ডিগ্রী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক স্বপন কুমার রায়, চেংঠী হাজরাডাঙ্গা মহাবিদ্যালয়ের ভূগোল বিভাগের প্রভাষক আবু সাঈদ তারা নন এমপিওভুক্ত শিক্ষক বলে জানা যায়।

    এদিকে আটোয়ারীর উপজেলার আটোয়ারী মহিলা ডিগ্রি কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের এমপিওভুক্ত প্রভাষক মামুনুর রশিদ। বোদা উপজেলার সাকোয়া ডিগ্রী কলেজের কৃষি বিভাগের প্রভাষক আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি এমপিওভুক্ত এখনো হননি।

    ডিআইএর প্রকাশিত তথ্যমতে, চলতি বছরের ২৫ মে থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শুদ্ধি অভিযানে ১ হাজার ১৫৬ জন শিক্ষকের শিক্ষাগত ও যোগ্যতার সনদ ভুয়া পেয়েছেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জাল সনদধারী শিক্ষক রয়েছেন ৪৪৩ জন। এ দুথঅঞ্চলের প্রথম পর্ব তালিকায় ১৯৩ জন শিক্ষকের নাম প্রকাশ পেয়েছে।

    জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শাহীন আকতার বলেন, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা বিভাগ (ডিআইএ) প্রদত্ত জাল সনদে শিক্ষকদের চাকরি নেয়া বিষয়টি শুনেছি। তবে এখনো কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। তবে জাল সনদধারীদের ব্যাপারে বিধি মোতাবেক যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে শিক্ষা পরিবার তা বাস্তবায়ন করবে।

  • নবাগত পুলিশ সুপার তেতুলিয়া মডেল থানা ও বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পরিদর্শন

    নবাগত পুলিশ সুপার তেতুলিয়া মডেল থানা ও বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পরিদর্শন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়; ০৭/০৯/২০২২ তেতুলিয়া মডেল থানা ও বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পরিদর্শন করেন-

    _এস,_এম,_সিরাজুল_হুদা,_পিপিএম,_পুলিশ_ সুপার_পঞ্চগড়

    পরিদর্শন উপলক্ষ্যে পুলিশ সুপার ফুলেল শুভেচ্ছা জানান অফিসার্স ইনচার্জ তেতুলিয়া মডেল থানা আবু সাঈদ চৌধুরী।

    ফুলেল শুভেচ্ছা শেষে তেতুলিয়া মডেল থানার একটি চৌকস দল অফিসার্স ইনচার্জ, মোঃ আবু সাঈদ চৌধুরীর, তেতুলিয়া মডেল থানার নেতৃত্বে থানা প্রাঙ্গণে পুলিশ সুপার সালাম প্রদর্শন করে।

    পরে পুলিশ সুপার তেতুলিয়া মডেল থানার সকল অফিসার ও ফোর্সদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং তেতুলিয়া মডেল থানার বিভিন্ন নথিপত্র পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করেন।

    তেতুলিয়া মডেল থানা পরিদর্শন শেষে বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে যান। সেখানেও ফুলের শুভেচ্ছা জানান ইনচার্জ বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন মোঃ নজরুল ইসলাম।

    ফুলেল শুভেচ্ছা শেষে পুলিশ সুপার বাংলাবান্ধা ইমিগ্রেশন এর সকল অফিসার ও ফোর্সদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং পরিদর্শন বহিতে স্বাক্ষর করেন।

  • পঞ্চগড়ে মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটুক্তি করায় যুবক আটক

    পঞ্চগড়ে মহানবীকে (সা.) নিয়ে কটুক্তি করায় যুবক আটক

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;

    পঞ্চগড়ে মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটুক্তি করায় ইকবাল হোসেন প্রধান (৩৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

    মঙ্গলবার গভীর রাতে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার চিলাহাটি এলাকা থেকে নীলফামারী জেলা ও পঞ্চগড় থানা পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। তিনি সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের বড়ুয়া পাড়া গ্রামের আলী আজমের ছেলে।

    জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে ইকবাল মহানবী মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা.) নিয়ে কটুক্তি ও ইসলাম ধর্ম নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করে আসছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে তাকে গ্রেফতারের দাবীতে মঙ্গলবার বিকেলে অমরখানা ইউনিয়নের কাজীরহাট বাজারে তৌহিদি জনতার ব্যানারে বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, ইকবাল নামে এক যুবক ইসলাম নিয়ে অপব্যখ্যা দেওয়ায় ওই এলাকার মুসুল্লিরা অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

  • বানারীপাড়ায় সাবেক কাউন্সিলরের মায়ের মৃত্যু – দাফন সম্পন্ন

    বানারীপাড়ায় সাবেক কাউন্সিলরের মায়ের মৃত্যু – দাফন সম্পন্ন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ নূর হোসেন (নূরালী মহাজন)এর স্ত্রী ও বানারীপাড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আরিফুল ইসলাম আনোয়ারের মা আলেয়া বেগম গত রাত ১টা ১০ মিনিট নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আলেয়া বেগম দীর্ঘদিন মরণব্যাধি ক্যান্সারে ভুগছিলেন। মৃত্যুকালীন সময়ে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। মৃত্যুকালীন সময়ে তিনি স্বামী সহ তিন ছেলে,এক মেয়ে,নাতি-নাতনী সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে যান।

    মরহুমের নামাজের জানাযা আজ সকাল ১০টায় পৌর শহরের ১নং ওয়ার্ডের তার নিজ বাড়ির সম্মুখে বড় ধান চালের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।

    তার জানাযায় উপস্থিত ছিলেন বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালে্হ মঞ্জু মোল্লা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মুজিবুর রহমান,৫নং সলিয়াবাকপুর চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মাষ্টার, সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউল হক মিন্টু, বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপি নেতা গোলাম মাহবুব মাষ্টার সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    উল্লেখ্য আলেয়া বেগম তিনি মরহুম খবির উদ্দিন মোল্লার জৈষ্ঠ্য কন্যা। বর্তমান বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন মোল্লা ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সুমন হোসেন মোল্লার এবং শেখ রাসেল শিশু কিশোর পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোল্লার বড় বোন। এদিকে তার মৃত্যুতে বানারীপাড়ার সামাজিক ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা সকলে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা,দূর্ভোগে রোগীসহ জনসাধারণ

    পাইকগাছা উপজেলা হাসপাতাল সড়কের বেহাল দশা,দূর্ভোগে রোগীসহ জনসাধারণ

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জরাজীর্ণ ও বেহাল অবস্থায় পরিণত হয়েছে। সড়কটির বিভিন্ন স্থানে কার্পেটিং (পিচ) উঠে গিয়ে গর্ত ও খাদ সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে হাসপাতালের রোগী সহ জনসাধারণের।
    সড়কের ১ কিলোমিটার দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য প্রশস্থ করা জরুরী হয়ে পড়েছে। উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কের মধ্যে হাসপাতাল সড়কটি অন্যতম। এটি ইতোপূর্বে অভ্যন্তরীন সড়ক হিসেবে বিবেচনা করা হলেও বর্তমানে সড়কটি উপজেলা সদরের প্রধান সড়কের কালিবাড়ী থেকে হাসপাতাল ও মহিলা কলেজ হয়ে পূর্ব ওয়াপদার সাথে যুক্ত হয়ে হাড়িয়া ব্রিজ পার হয়ে লতা ইউনিয়নের সাথে যুক্ত হয়েছে।
    এছাড়া সড়কের ১ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজ। হাসপাতাল মোড়ে গড়ে উঠেছে অসংখ্য ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফার্মেসী সহ নানা ধরণের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। সড়কের সাথে যুক্ত রয়েছে পৌরসভার ৫ ও ৬নং ওয়ার্ড। এ দুটি ওয়ার্ডে সময়ের সাথে সাথে বেড়েছে ঘন বসতি। যার ফলে অত্র সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ যানবাহন সহ জনসাধারণ যাতায়াত করে থাকে।
    বিশেষ করে হাসপাতালে রোগী আনা-নেওয়া এবং মহিলা কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে অত্র সড়কটি। কালিবাড়ী থেকে পূর্ব ওয়াপদা পর্যন্ত ১ কিলোমিটার সড়ক দীর্ঘদিন সংস্কার করা হয়নি। যার ফলে সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিচ উঠে গিয়ে গর্ত ও খাদ সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া সড়কটি প্রয়োজনের তুলনায় প্রশস্থও কম। সড়কে রয়েছে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁক।
    সবমিলিয়েই সড়কটির এখন বেহাল অবস্থা। যার কারণে যাতায়াতে চরম ভোগান্তি হচ্ছে রোগী সহ জনসাধারণের। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) উপজেলা শাখার সদস্য মাসুম বিল্লাহ জানান, এটি এখন কোন সাধারণ সড়ক নয়, একদিকে লতা সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের সঙ্গে সড়কটি যুক্ত হয়েছে। এছাড়া পৌর এলাকায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সহ বসতি বেড়েছে। রয়েছে হাসপাতাল এবং মহিলা কলেজ। সে অনুযায়ী সড়কটি সেই মানের উপযোগী করা হয়নি। এসব বিষয়গুলি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সড়কটি সংস্কার করার পাশাপাশি প্রশস্থ করা প্রয়োজন। ফসিয়ার রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ রবিউল ইসলাম জানান, আমাদের কলেজের প্রায় শতভাগ শিক্ষক, শিক্ষার্থীকে অত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। সড়কের অবস্থা বর্তমানে এতটাই খারাপ আমরা অনেক সময় বাধ্য হয়ে অনেক পথ ঘুরে বিকল্প সড়ক দিয়ে যাতায়াত করে থাকি। জনস্বার্থে সড়কটির আধুনিকায়ন জরুরী হয়ে পড়েছে।
    উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নীতিশ চন্দ্র গোলদার জানান, আমাদের দুর্ভোগের আরেক নাম অত্র সড়কটি। হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারী সহ সব ধরণের রোগীকে অত্র সড়ক দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কার কিংবা উন্নয়ন করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার অবহিতও করেছি।
    এটি আমাদের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক। বিশেষ করে জরাজীর্ণ সড়কের কারণে গর্ভবতী, ডেলিভারী ও অপারেশন রোগীদের জন্য চরমভোগান্তি হচ্ছে। খুব দ্রুত এটি সংস্কার ও উন্নয়ন করা প্রয়োজন। উপজেলা প্রকৌশলী হাফিজুর রহমান খান জানান, ১ কিলোমিটার সড়ক সংস্কারের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ বরাবর স্কীম পাঠিয়েছি এবং স্কীম অনুমোদনও হয়ে গেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, হাসপাতাল ও মহিলা কলেজের জন্য সড়কটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। সড়কটি যাতায়াতের যথাযথ উপযোগী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে উন্নয়ন কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানিয়েছেন।

    ইমদাদুল,
    পাইকগাছা,খুলনা

  • হরিণাকুন্ডুতে ড্রাগন ফলের নতুন চাষ পদ্ধতি সাড়া ফেলেছে ফলন তিন গুণের বেশি

    হরিণাকুন্ডুতে ড্রাগন ফলের নতুন চাষ পদ্ধতি সাড়া ফেলেছে ফলন তিন গুণের বেশি

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় নতুন উদ্ভাবিত পদ্ধতিতে ড্রাগন ফলের চাষ করা হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষের ফলে তিনগুন ফলন হচ্ছে। ২০০৭ সালে ড্রাগন ফলের চাষ এদেশে শুরু হলেও ২০১৪ সালের পর থেকে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ড্রাগনের চাষ বৃদ্ধি হতে থাকে। তবে হরিণাকুন্ডু উপজেলার পায়রাডাঙ্গা গ্রামের মাঠে ড্রাগনের গতানুগতিক চাষ পদ্ধতির বাইরে এসে আল্ট্রা হাইডেনসিটি পদ্ধতিতে চাষ মডেল হিসেবে বিবেচিত করা হচ্ছে। হরিণাকুন্ডু পৌরসভার মান্দারতলা গ্রামের কৃষক বিপ্লব জাহান (রবিউল) পায়রাডাঙ্গা গ্রামের চারাতলা বাজার এলাকায় ১১ বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন আল্ট্রা হাইডেনসিটি ড্রাগন বাগান। যার নাম দিয়েছেন “বাংলা পদ্ধতি”। ইতিমধ্যে কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান এই ড্রাগন বাগানটি বাগানটি পরিদর্শন করেছেন। তিনি জানান, এই বাগানটি যে পদ্ধতিতে গড়ে তোলা হয়েছে তা সারা দেশে অনুকরণযোগ্য। বাগানটির চাষ পদ্ধতি দেখে তিনি উচ্চ প্রশংসা করে বলেন অল্প জায়গায় অধিক ফলন পেতে দেশের ড্রাগন চাষিদের এই পদ্ধতিতে বাগান করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। এদিকে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ মেহেদী মাসুদ খান বাগানটি পরিদর্শনকালে গানমাধ্যম কর্মীদের জানান পায়রাডাঙ্গা গ্রামে ড্রাগনের এই চাষ পদ্ধতি সম্পূর্ণ নতুন আবিষ্কার। তিনি বলেন, ড্রাগন চাষিরা যেখানে এক বিঘায় ৮৫০ টি চারা রোপণ করেন, সেখানে এই বাগানে ২৬’শ থেকে ২৭’শ চারা লাগানো হয়েছে। যা স্বাভাবিকের চেয়ে তিনগুণ বেশি। ফলে তিনগুণ ফলন বেশি হবে। মঙ্গলবার বিকালে বাগান ঘুরে দেখা গেছে, চায়না পদ্ধতির আদলে স্থাপন করা বাগানটিতে লম্বা সারি করে খুঁটি স্থাপন করে তার উপর দিয়ে লম্বা করে একটি প্লাস্টিক পাইপ, রড ও সিমেন্টের তৈরী আড়া স্থাপন করা হয়েছে। এর দ্ইু পাশে দুটি তুলনামূলক সরু আড়া স্থাপন করা হয়েছে, যা দেখতে ঠিক যেন তিন তারের বৈদ্যুতিক খাম্বার মতো। নিচে ৬ ফুট প্রশস্ত বেডের মাঝখানে স্থাপিত খুঁটির দুই পাশ দিয়ে সারি করে ড্রাগন গাছ রোপণ করা হয়েছে। প্রতিটি গাছ শিকড় বিস্তারের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পেয়েছে। আবার আড়াই উঠার পর পেয়েছে পর্যাপ্ত আলো, বাতাস এবং ডালপালা ছড়ানোর জায়গা। ফলে ফুল ও ফল আসছে প্রচুর পরিমাণে। অন্যান্যরা যেখানে ৩৩ শতাংশ বিঘার জমিতে ৮৮০ টি গাছ রোপন করেন, সেখানে পায়রাডাঙ্গার মাঠের এই ড্রাগন ক্ষেতে বিঘা প্রতি প্রায় ২৮০০ টি গাছ লাগিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষক বিপ্লব জাহান। কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশে মাত্র ৩৮ হেক্টর জমিতে ২৭৭ টন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৫৪ হেক্টর জমিতে ৪৩১ টন, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১০৮ হেক্টর জমিতে ৮১৫ টন, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২২৭ হেক্টর জমিতে ২৮০২ টন ও ২০১৯-২০অর্থবছরে ৩৪১ হেক্টর জমিতে ৩৪৬৪ টন ড্রাগন ফল উৎপাদিত হয়েছে। প্রতি বছরই দেশে দ্বিগুণ হারে এই ফলের চাষাবাদ বৃদ্ধি পেলেও আধুনিক ও লাগসই পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করে তিনগুন ফল উৎপাদনের রেকর্ড গড়েছে হরিণাকুন্ডুর এই বাগান মালিক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ড্রাগন ফলের উৎপাদন ছিল মাত্র ৬৬ হাজার কেজি, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ১ কোটি কেজিতে উন্নীত হয়। এ হিসাবে বিঘা প্রতি প্রায় ১৩ টন ড্রাগন ফল উৎপন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে সাধারণত ৩৩ শতাংশ জমিতে সর্বোচ্চ ২২০ টি খুঁটিতে টায়ার লাগিয়ে ৮৮০ টি ড্রাগন গাছ লাগানো হয়ে থকে। অন্যান্য দেশেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। তবে চীন দেশে খুঁটিতে ড্রাগন চাষ ছাড়াও লম্বা লাইন করে ড্রাগন ফলের গাছ লাগানো হয়, যাতে কিছু গাছ বেশি লাগানো যায়। এ বিষয়ে কৃষক বিপ্লব জাহান জানান, ড্রিপ ইরিগেশন সিস্টেমের মাধ্যমে লাগানে প্রতিটি গাছ সমান ভাবে খাদ্য, পানি ও পুষ্টি পাচ্ছে। পানির কোন অপচয়ও নেই এই পদ্ধতিতে। এই বাগান বিঘা প্রতি ১০ টন করে ফলন আশা করছেন। নতুন পদ্ধতিতে ড্রাগন ফল চাষের বিষয় নিয়ে হরিণাকুন্ডু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ হাফিজ হাসান জানান, কৃষক বিপ্লব জাহান ওরফে রবিউল যে পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ করছেন তা নিশ্চয় অন্যান্য চাষিদের জন্য অনুসরণ যোগ্য। তিনি ওই চাষিকে সময়মতো পরামর্শ ও ড্রাগন ক্ষেত পরিচর্চার বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছেন বলেও তিনি জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল

    নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল

    নাচোল প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে এক আদিবাসীর আত্মহত্যা নিয়ে ধ্রম্রজাল সৃষ্টি হয়েছে।
    নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান, গতকাল মঙ্গলবার সকালে মৃত ব্যক্তির পরিবারের লোকজনের নিকট থেকে খবর পেয়ে উপজেলার সদর ইউনিয়নের হাঁকরইল গ্রামের পূর্ব সাঁওতালপাড়ার রিতু হাসঁসদার ছেলে লাল হাঁসদা(৫০)’র শয়নকক্ষের আরার সাথে গলায় চাদর পেঁচিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে লাশের শুরতহাল রিপোর্ট করার সময় লাশের সারা গায়ে ফোসকার চিহ্ন দেখা যায়। লাশের বিকৃতি গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় ওই পরিবারের লোকজনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।

    এসময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(গোমস্তাপুর সার্কেল) সামশুল অজম। লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণের করা হয়েছে। এব্যাপারে নাচোল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

  • নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে এক এনজিও কর্মীর আত্মহত্যা

    নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে এক এনজিও কর্মীর আত্মহত্যা

    মোঃ মনিরুল ইসলাম,নাচোল,
    চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে চাকুরীচ্যুতের অভিমানে শতফুল বাংলাদেশ নামক এনজিওর এক মহিলা মাঠকর্মী আত্মহত্যা করেছে।

    উপজেলার নেজামপুর গুয়াবাড়ীর আব্দুল মালেকের ছেলে তাবারোক হোসেনের ভাড়া বাড়ির শয়নকক্ষের ফ্যানের লোহার হুকের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

    নাচোল থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান জানান, রাজশাহীর চারঘাট থানার বনেশ্বর গ্রামের সাইদুর রহমানের মেয়ে দিলরুবা খাতুন(২৮)। নিহত দিলরুবাকে গত ৫ সেপ্টেম্বর/’২২ তারিখে বরখাস্ত করা একটি চিঠির নীচোংশে সুইসাইড নোটসূত্রে জানাগেছে, শতফুল বাংলাদেশ নামক এনজিওর মাঠকর্মী দিলরুবাকে এরিয়া ম্যানেজার নুরজাহান স্বাক্ষরিত বরখাস্তের চিঠিতে বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে চাকুরীচ্যুত করেন। এরই ক্ষোভে ও হতাশায় ওই মাঠকর্মী আত্মহত্যা করে থাকতে পারে। একই ফ্লাটে থাকা প্রয়াস’র মাঠকর্মীর মা জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে ভাত পাকের জন্য চাউল বের করে দিয়ে দিলরুবার শয়নকক্ষে দরজা লাগিয়ে দেন। প্রয়াসের ওই মাঠকর্মী বাড়িতে ফিরে দিলরুবাকে খাবার জন্য বেশ কয়েকবার ডাকাডাকি করেন। ভিতর থেকে কোন সাড়া না পেয়ে বাড়িওয়ালাকে খবর দেন। বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীরা দিলরুবার মোবাইলে ফোন দিলেও কোন উত্তর না পেয়ে তাদের সন্দেহ হলে বিষয়টি নাচোল থানাপুলিশকে জানায়। পুলিশ খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ঘরের দরজার খিল ভেঙে ফ্যানের লোহার হুকের সাথে ওড়নায় ফাঁস লাগা অবস্থায় ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

    এদিকে ওই ঘর থেকে উদ্ধার করা বরখাস্তের চিঠির শেসাংশে দিলরুবা “আমার জীবনটানষ্ট করে দিল এরিয়া মেডাম আর জোনাল স্যার। আমি কোন ছেলের সাথে প্রেম করিনা, কারো সাথে কোন সম্পর্ক নেই। আমাকে রাস্তার মেয়ে বানিয়ে দিলো। আমি মারা গেলে এরিয়া মেডাম আর জোনাল স্যার দায়ি থাকবে” এমন কথা লিখা ছিল সুইসাইড নোটে ।
    তার অভিভাবককে খবর দেওয়া হয়েছে। লাশের ময়না তদন্ত শেষে লাশ তার স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এব্যাপারে নাচোল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
    এবিষয়ে শতফুল বাংলাদেশে’র নেজামপুর শাখা ব্যবস্থাপক মুঞ্জুর রহমানের সাথে ফোনে ও সরাসরি যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন তথ্য দিতে অপারগোতা প্রকাশ করেন। এমনকি মাঠকর্মী দিলরুবাকে বরখাস্তের কারণও জানাতে চাননি।