Blog

  • পানছড়িতে ১০টি পূজা মন্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দূর্গা  পূজা

    পানছড়িতে ১০টি পূজা মন্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দূর্গা পূজা

    মিঠুন সাহা,খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে খাগড়াছড়ির পানছড়িতে সনাতন ধর্মালম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাৎসব উদযাপিত হতে যাচ্ছে।

    এ বছর মোট ১০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে। পূজার সকল আয়োজন শেষ করা হয়েছে , প্রতিমা তৈরীর কাজ শেষে ডেকোরেশন ও রং তুলিসহ গেইট নির্মান কাজও ও সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন ।

    এছাড়াও এবার পুজামন্ডপগুলোতে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে লাগানো হয়েছে সিসি ক্যামরা। তাছাড়া যেকোন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রতিটি পূজা মন্ডপে কঠোর অবস্থানে থাকবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

    আগামী ১লা অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। যা আগামী ৫ই অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে।

    পানছড়ির শারদীয় দূর্গাৎসব উদযাপন পরিষদ কমিটির সভাপতি উত্তম কুমার দেব
    বলেন,শারদীয় দূর্গাৎসব কে ঘিরে ব্যাপক প্রস্তুুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ বছর পানছড়িতে ১০টি পূজা মন্ডপে দূর্গা পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

    জাগো হিন্দু পরিষদ পানছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি রুবেল মহাজন বলেন:দর্শনার্থীরা যেন নির্বিঘ্নে পূজা মন্ডবে আসতে পারে তার জন্য আমাদের স্বেচ্ছাসেবক রা থাকবেন। পানছড়িতে যে সকল মন্দিরে পূজা হচ্ছে পানছড়ি বাজার দেবালয় মন্দির, আদি এিপুরা পাড়া কালী মন্দির, সাঁওতাল পাড়া লোকনাথ মন্দির, লোগাং বাজার বিগ্রহ কালী মন্দির, লোগাং হেডম্যান পাড়া শীব মন্দির, বাউরা পাড়া দূর্গা মন্দির, বৈশাখ কুমার পাড়া দূর্গা মন্দির, বাম্বু পাড়া দূর্গা মন্দির, কুড়াদিয়া ছড়া দূর্গা মন্দির, লোগাং ব্রাহ্মণ টিলা অষ্টো মঙ্গলা কালী মন্দির

    পানছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ আনসারুল করিম বলেন,আসন্ন শারদীয় দূর্গাৎসব কে ঘিরে পূজা মন্ডপে আনসার ও ভিডিপি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং তার পাশাপাশি পুলিশও থাকবে ব্যাপক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। পূজার কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকবে।

  • মুক্তবিহঙ্গ  চট্টগ্রাম বিভাগীয় এডহক কমিটি গঠিত

    মুক্তবিহঙ্গ চট্টগ্রাম বিভাগীয় এডহক কমিটি গঠিত

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

    মুক্তবিহঙ্গ- আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মঞ্চ ” এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাত সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠিত হয়েছে।

    গত সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১০ টার সময় মুক্তবিহঙ্গ আন্তর্জাতিক কমিটির প্রধান সমণ্বয়ক মুর্তজা পলাশ এর আয়োজনে নীতিনির্ধারণী ফোরাম ও সুধীজনদের উপস্থিতিতে গুগুলমিটের মাধ্যমে এই নবগঠিত কমিটির ঘোষণা করেন।

    নবগঠিত মুক্তবিহঙ্গ- চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটিতে বিধায়ক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন বান্দরবান জেলার
    কবি ম্যাস হিল, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে একই জেলা থেকে কবি ও চিত্রকর আমিনুর রহমান প্রামাণিক,কক্সবাজার থেকে শিক্ষক, কবি ও ক্রীড়া
    সংগঠক জনাব কানিজ ফাতিমা,বান্দরবান থেকে কবি ও কণ্ঠশিল্পী জনাব প্রকাশ বড়ুয়া,রাঙামাটি থেকে শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত প্রশিক্ষক মিলন ধর।

    এই সাত সদস্য বিশিষ্ট কমিটিতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির প্রধান সমণ্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলার স্থানীয় সাংবাদিক মিঠুন সাহা রাজ, এতে সহযোগী সমন্বয়ক রয়েছেন জনাব নূরুল ইসলাম টুকু – ( থিয়েটারকর্মী, খাগড়াছড়ি

    আগামী ১৪ অক্টোবর রাত ৯টার সময় এই নবগঠিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠান হওয়ার কথা রয়েছে।

    উল্লেখ্য যে — সুস্থ বাংলা সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক চর্চার ব্রত নিয়ে এই * মুক্তবিহঙ্গ আন্তর্জাতিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক মঞ্চ*- এর যাত্রা শুরু হয় ২৫ মার্চ /২২. ; এরইমধ্যে দেশ-বিদেশের সনামধন্য শিল্পী, কবি,সাহিত্যেিক ও সূধীজনের সমন্বয়ে মুক্তবিহঙ্গ- এর ঢাকা বিভাগীয় কমিটি, বাংলাদেশ জাতীয় কমিটি, ভারত জাতীয় কমিটি ও আন্তর্জাতিক কমিটি গঠিত হয়েছে ।

  • পঞ্চগড়ে উচ্ছেদ অভিযান

    পঞ্চগড়ে উচ্ছেদ অভিযান

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
    আজ সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নে ঢাংপুকুরী নামক বাজারে সরকারি জমিতে অবৈধভাবে দোকান তৈরি হচ্ছিল খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহি অফিসার পঞ্চগড় সদর মাসুদুল হক দোকান ঘর তোলা বন্ধ করে দিলেন এবং জব্দকৃত ইট নিকটস্থ ইউনিয়ন পরিষদে জমা দেন সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ মিয়া উপস্থিত ছিলেন।

  • ৬৯  উদ্ধার নৌকাডুবি: ৬ষ্ঠ দিনেও তিনজন নিখোঁজ সন্ধান মেলেনি অভিযান অব্যাহত

    ৬৯ উদ্ধার নৌকাডুবি: ৬ষ্ঠ দিনেও তিনজন নিখোঁজ সন্ধান মেলেনি অভিযান অব্যাহত

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :

    পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মহালয়া পূজা উপলক্ষে বদেশ্বরী মন্দিরে যাওয়ার পথে করতোয়া নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় এখনও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।

    তবে গত বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত ৬৯টি মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও ঘটনার ৬ষ্ঠ দিনেও নিখোঁজ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

    শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট আউলিয়াঘাটে গিয়ে দেখা মেলে এমন চিত্রের।

    নিখোঁজদের স্বজনরা বলছেন, দেবী মায়ের কী ইচ্ছে জানি না।

    তার ভাসানের আগেই আমাদের প্রিয়জন ভক্তের ভাসান হয়ে গেল। এবার দুর্গাপূজা কিভাবে করব আমরা ভেবে পাচ্ছি না।

    বিধাতার লিলা বোঝা বড় মুশকিল। তবে নির্মম হলেও নিয়তি মেনে নিতে হয়।

    করতোয়া নদীর ঘাটে বসে থাকা বাবা হারা তপন চন্দ্রের সঙ্গে কথা হয় । সে বলে, এবার পূজাতে অনেক আনন্দ করার কথা ছিল আমাদের। বাবা (সরেন্দ্রনাথ) আমার শ্বশুরকে বদেশ্বরী মন্দির দেখাতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নৌ ডুবির ঘটনায় ৬দিন ধরে বাবার মরদেহ পাচ্ছি না। ভগবানের কাছে মিনতি যেন বাবার কঙ্কালটি পাই আমরা। এবং সেটারই যেন সৎকার করতে পারি।

    পঞ্চগড়ের ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক শেখ মাহাবুবুল আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। শেষ মরদেহটি না পাওয়া পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত থাকবে।

    এদিকে জানা যায়, গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) আউলিয়া ঘাটে নৌ ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে একই ঘটনায় নিখোঁজ আরও তিনজন রয়েছে। এখন পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট। তবে নৌ দুর্ঘটনার ৬ষ্ঠ দিনেও নিখোঁজ স্বজনরা প্রিয় ব্যক্তির মরদেহ পাওয়ার আশায় এখনো করতোয়া নদীর ঘাট এলাকায় অপেক্ষার প্রহর গুণছেন।

    নিখোঁজ তিনজন হলেন- দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ছত্রশিকারপুর হাতিডুবা গ্রামের মদন চন্দ্রের ছেলে ভুপেন ওরফে পানিয়া (৪০), বোদা উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের সরেন্দ্রনাথ (৬৫) এবং পঞ্চগড় সদর উপজেলার ঘাটিয়ারপাড়া গ্রামের ধীরেন্দ্রনাথের মেয়ে জয়া রানী (৪)।

    অভিযান অব্যাহত।

  • পরানগঞ্জে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দূর্নীতির বিচার চেয়ে মানববন্ধন

    পরানগঞ্জে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দূর্নীতির বিচার চেয়ে মানববন্ধন

    স্টাফ রিপোর্টার ঃ ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠনে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে চরম অনিয়ম-দুর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার চেয়ে ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির ঘোষিত ফলাফল বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন করেছে অভিভাবক সহ স্থানীয় বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।
    বৃহস্পতিবার (২৯ শে সেপ্টেম্বর)দুপুর ১২ টায় বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রধান শিক্ষকের এসব অনিয়ম-দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিচার চেয়ে ও স্কুল ম্যানেজিং কমিটির ঘোষিত ফলাফল বাতিলের দাবীতে মানববন্ধনে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসীসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর মানুষ। এ সময় প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুর্ণীতিসহ বিভিন্ন অপকর্মের বিচার ও লোক দেখানো ম্যানেজিং কমিটি বাতিলের দাবী জানিয়ে বক্তব্য রাখেন পরানগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আলহাজ্ব শাহজাহান সরকার বাচ্চু,
    বোররচর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির সভাপতি ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা সম্পাদক মোঃ তফাজ্জল হোসেন,৩ নং ওয়ার্ড সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুস সোবহান, অভিভাবক সদস্য ও আওয়ামী লীগের নেতা মোঃ আকবর আলী,পরানগঞ্জ বাজার পল্লী চিকিৎসক ডাঃ আরিফ রব্বানী, সাবেক শিক্ষার্থী মোঃ মিরাজ আলী প্রমূখ।

    এ সময় বক্তারা বলেন-অবিলম্বে রাতের আধারে বিএনপি,জামায়াত শিবির ও আওয়ামী লীগের বিরোধী শক্তিদের নিয়ে কমিটি ঘোষনা করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম টাকার বিনিময়ে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কাজ করেছেন। আমাদের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস হতে দিব না।যদি এই কমিটি বাতিল না করা হয় তাহলে কঠিন কর্মসূচি পালন করা হবে। যে কোন বিনিময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা হবে। ম্যানিজিং কমিটি বাতিল ও প্রধান শিক্ষক খায়রুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বক্তারা।

    এ ব্যাপারে পরানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ খায়রুল আলম জানান-রেজুলেশন ঠিক রেখে ও যথাযথ নিয়মে কমিটি করা হয়েছে। যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে।

    তবে পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ এর চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার বলেন- কমিটির ব্যাপারে কেউ জানে না। আমার এখানে অনেক অভিভাবক সদস্য অভিযোগ করেছেন। ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ছিলেন সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কিন্তু তিনিও এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না। এ কমিটি নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময়ে বড় ধরনের ঘটনা ঘটে যেতে পারে। বিষয়টি জরুরি সুরাহা করা দরকার বলেও জানান তিনি।

    উল্ল্যেখ্য- গত ১৮সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করে পরানগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অভিভাবক সদস্য প্রতিনিধি পদে ৫জনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। তবে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদানের বিষয়াবলী সম্পর্কে কিছুই জানেন না বিদ্যালয়ের কোন অভিভাবক। নির্বাচনের জন্য গত ৩০ শে আগস্ট হইতে ১লা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন অফিস চলাকালীন সময় পর্যন্ত মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ ও জমাদান তারিখ ,৪সেপ্টেম্বর বাছাই, আপিলের শেষ তারিখ ৫সেপ্টেম্বর,৬সেপ্টেম্বর আপিল নিষ্পত্তির শেষ তারিখ, মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার ও বৈধ তালিকা প্রকাশের তারিখ দেওয়া হয় ৭সেপ্টেম্বর এবং ১৮সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণের তারিখ ধার্য্য করা হয়,যা কোন শিক্ষার্থী বা অভিভাবকরা অবগত নয়।অথচ
    স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ গোলাম আব্বাস বাবুল অভিভাবক সদস্য পদে মোঃআবু বকর সিদ্দিক,মোঃ মফিজুল ইসলাম,মোঃ নজরুল ইসলাম সংরক্ষিত মহিলা অভিভাবক সদস্য মোছাঃ হনুফা খাতুন নামক বিএনপি- জামাত সমর্থিতদের কে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ঘোষণা করা হয়। এতে স্কুলের শিক্ষার্থী,অভিভাবকসহ স্থানীয় জনতা ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

  • ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে  সদস্য পদে ঘরি প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দ্বারেদ্বারে আরজুনা কবির

    ময়মনসিংহে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে ঘরি প্রতীক নিয়ে ভোটারদের দ্বারেদ্বারে আরজুনা কবির

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জমে উঠেছে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রার্থীরা। পোষ্টারে পোষ্টারে ছেয়ে গেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। চায়ের টেবিলে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়।

    আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২২ জেলা
    পরিষদের নির্বাচনকে ঘিরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ এর প্রতিটি উপজেলায় বইছে নির্বাচনী আমেজ। এরই মাঝে গত ২৬শে সেপ্টেম্বর প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে প্রার্থীরা জোরেশোরে নেমে পড়েছেন প্রচার প্রচারণায়। ছোটছেন ভোটারদের বাড়ি বাড়ি।

    প্রতিটি উপজেলায় মডেল ইউনিয়ন উপহার দিতে রাস্তাঘাট উন্নয়নসহ নানা উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। জয়ের ব্যাপারে সবাই আশাবাদী হলেও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে কেউ কেউ প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়েছেন। তবে ভোটাররা প্রতিশ্রুতির চেয়ে প্রার্থীর যোগ্যতাকে যাচাই করে ভোট দেয়ার কথা ভাবছেন।

    ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ জাতীয় পরিষদের সদস্য,ময়মনসিংহ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক মহিলা বিষয়ক সম্পাদক,সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। সদ্য বিদায়ী সাবেক জেলা পরিষদ সংরক্ষিত আসন( ২) সদস্য পদে
    আরজুনা কবীর আবারও জেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে টেবিল ঘড়ি প্রতীক নিয়ে
    ভোটারদের দারে দারে ঘুরছেন।

    ইতিমধ্যে তিনি সদর, গৌরীপুর ও তারাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনী প্রচারনার অংশ হিসেবে নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ইউনিয়নের ভোটারদের বাড়ী, বাড়ী গিয়ে ঘড়ি প্রতীকে ভোট প্রার্থনা করছেন। ভোটারদের মন জয় করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন তিনি।
    প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রতিদিন তিনি তার নির্বাচনী এলাকা সদর,গৌরীপুর,তারাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ঘড়ি মার্কায় ভোট চেয়ে বেড়াচ্ছেন। প্রতিদিন নির্বাচনী এলাকার আওতাভূক্ত গৌরীপুর ও সদর,তারাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বার দের সাথে বৈঠক করেছেন আরজুনা কবীর।

    আরজুনা কবির গত মেয়াদেও জেলা পরিষদের সদস্য হিসাবে দায়িত্ব পালন কালে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, রাস্তা ঘাট এর ব্যাপক উন্নয়ন কাজ করায় আসন্ন নির্বাচনেও টপ ফেবারিট প্রার্থী হিসেবে ভোটারদের আলোচনায় রয়েছেন। দক্ষ ও মেধাবী নারী নেত্রী আরজুনা কবির ময়মনসিংহ সদর উপজেলার সাবেক আকুয়া ইউনিয়নের জনপ্রিয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল কাদের কাদু মিয়ার পুত্র হুমায়ুন কবির ভুট্টোর স্ত্রী। তিনি এর আগে ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন।

    টেবিল ঘড়ি বলছে টিক টিক,সংরক্ষিত-০২ আসন হবে মানবিক এই শ্লোগান নিয়ে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন আরজুনা কবির। তিনি একজন সফল ও মানবিক নেত্রী, জনপ্রতিনিধি হিসাবেও জনবান্ধব।
    প্রার্থী আরজুনা কবির এর পূর্বসূরি জনপ্রতিনিধিগণের ব্যাপারে প্রাপ্ত সুত্রে জানা গেছে-*স্বাধীনতা পরবর্তী সাবেক কেওয়াটখালি ইউনিয়ন এর প্রথম ও বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং ১৯৭১ এ মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন ই.পি.আর ক্যাম্প আক্রমণ ও স্বাধীন বাংলাদেশ এর পতাকা উত্তোলনে ময়মনসিংহের কিংবদন্তি সাবেক জনপ্রিয় মন্ত্রী মরহুম সৈয়দ আশরাফ ,বর্তমান গৌরীপুর থেকে নির্বাচিত মাননীয় সাংসদ নাজিমুদ্দিন সহ অন্যান্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সম্মুখ যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ও
    সাবেক কেওয়াটখালি ও বয়ড়া ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান মরহুম আবদুল কাদের কাদু মিয়ার
    পুত্র বধূ(সূত্র:সরকারি ওয়েব সাইট তথ্য বাতায়ন এ ময়মনসিংহে মুক্তিযুদ্ধ). আরজুনা কবির
    *বয়ড়া ইউনিয়ন পরিষদ এর প্রথম মহিলা হিসেবে সাবেক নির্বাচিত চেয়ারম্যান রুখসানা কাদের এর পুত্রবধূ. আরজুনা কবির এর নিজ নির্বাচন:
    *২০০৯ সনের ময়মনসিংহ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ময়মনসিংহ জেলা সদর এর তৃণমূলে সর্বাধিক ভোটে মনোনয়ন হওয়ার পর ও আওয়ামী লীগ এর দুই বিদ্রোহী প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সত্ত্বেও বি.এন.পি এর জেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন পারভীন আপাকে প্রায় ৩৭,০০০ ভোটের ব্যবধানে সদর এ সর্বাধিক ১,০৩০০০ ভোট পেয়ে প্রথম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন.*২০১৬ সনের ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে অত্যন্ত প্রতিকূল অবস্থার মাঝেও নির্বাচন করে জেলা পরিষদের প্রথম মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।এছাড়াও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনদের জনপ্রতিনিধিগণের মাঝে ছিলেন- ঐতিহ্যবাহী ময়মনসিংহ পৌরসভার সাবেক প্যানেল ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শহীদ মার্কেট,মাহবুব ম্যানশন,গোল্ড মার্কেট,হোসেন প্লাজা ও উত্তরা হোটেল এর স্বত্বাধিকারী মরহুম আবুল হোসেন তার চাচা শশুর.*সদর এর বিদ্রোহী মৌজা দেশের সাবেক দ্বিতীয় বৃহত্তম আকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবদুল খালেক সরকার আরজুনা কবির এর ননদ এর শশুর.*সাবেক আকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ এর দুইবারের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান আবু মোহাম্মদ মুসা সরকার আরজুনা কবির এর ননদ এর ভাসুর.*নানা শশুর মরহুম মিয়া চাঁন মাস্টার কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার জয়কা ইউনিয়ন পরিষদ এর বারবার নির্বাচিত চেয়ারম্যান.*দেশের প্রথম উপজেলা নির্বাচনে করিমগঞ্জ উপজেলার প্রথম নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান জনাব শিহাবউদ্দিন মাস্টার মামা শশুর.
    *নিকটাত্মীয়দের আরো অনেকেই জনগণের জন্য রাজনীতি করেছেন.জনপ্রতিনিধি ও নির্বাচিত হয়েছেন.
    *এরই ধারাবাহিকতায় এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংরক্ষিত-০২ আসনে টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পুনরায় আরজুনা কবির সকলের দুয়া ও ভোট প্রত্যাশা করেন।

  • ময়মনসিংহে জেলা পুলিশের সংবর্ধনা পেলেন সানজিদা-মারুয়ারা

    ময়মনসিংহে জেলা পুলিশের সংবর্ধনা পেলেন সানজিদা-মারুয়ারা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের উদ্যোগে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২ এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করায় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ময়মনসিংহের কলসিন্দুরের আট ফুটবলার
    সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা, মারজিয়া,তহুরা, সাজেদা, শিউলি আজিম, শামছুন্নাহার জুনিয়রকে
    সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে
    জেলা পুলিশ লাইন্স মাঠে এই সংবর্ধনা দেয়া হয়। পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ময়মনসিংহের রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুদুর পরিকল্পনা নিয়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ শুরু করেছিলেন এবং সফলতাও এসেছে। তিনি খেলাধুলা সম্পর্কে বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নারী ফুটবলারদের আজকের এই সফলতা। তিনি বলেন-খেলাধুলা শিশুদেরকে একটি শৃঙ্খলার মধ্যে রাখে। এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) ফাল্গুনী নন্দীর সঞ্চালনায় সংবর্ধনা বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এহতেশামুল আলম, সহ সভাপতি সাজ্জাত জাহান চৌধুরী শাহীন, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি এ.কে.এম দেলোয়ার হোসেন মুকুল, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা আহম্মেদ,কলসিন্দুর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মালা রানী সরকার, কলসিন্দুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা মিনতি রানী শীল, কলসিন্দুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি বঙ্গমাতা ফুটবল প্রতিযোগীতা শুরু না করতেন তাহলে আজ এই সফলতা আসতোনা। এই কৃতিদের সফলতা ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন খেলোয়ার তৈরীতে সকলকে মনোযোগী হওয়ার আহবান জানান। বিশাল সংবর্ধনার জবাবে সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে নিজের অভিব্যক্তি করে বক্তব্য রাখেন, কৃতি নারী ফুটবলার সানজিদা আক্তার, মারিয়া মান্দা।

    সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা বলেন, আজকের এই সফলতা বাঙালি জাতির সফলতা। এই অর্জনের মুল কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ডকাপ শুরু না করতেন তাহলে আজ এই সফলতা আসত না। তিনি কলসিন্দুরে ঐ সব মেধাবী শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক যারা সমাজের সকল বাধা ও অনেকের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নারী ফুটবলারদেরকে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ক্রীড়া ক্ষেত্রে ময়মনসিংহের কলসিন্দুর একটা ব্র্যান্ড। আমরা শুধু হিমালয় বিজয় করতে চাইনা। আমরা সারা বিশ্ব জয় করতে চাই।

    এর আগে এই আট কৃতি নারী ফুটবলারদেরকে ময়মনসিংহ পুলিশ অফিসার মেস থেকে ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহি ঘোড়ার গাড়িতে চড়িয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নেয়া হয়। নারী ফুটবলারদের এক নজর দেখতে রাস্তার পাশে হাজারো মানুষের ভীড় জমে। এ সময় কৃতি নারী ফুটবলাররা তাদের প্রাণের শহর ময়মনসিংহের আপন মানুষদেরকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান। ময়মনসিংহবাসিও করতালির মাধ্যমে তাদের বুকের ধন কৃতি ফুটবলারদেরকে স্বাগত জানান। একই জেলা পুলিশ এ সব কৃতি ফুটবলারদের পিতা-মাতা ও অভিভাবকদেরকে কলসিন্দুর থেকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এনে সম্মানিত করেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন-অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত এসপি) খন্দকার ফজলে রাব্বি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হানুল ইসলাম সহ জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ, ডিবির ওসি সফিকুল ইসলাম সহ বিভিন্ন পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাগণ।

  • আগৈলঝাড়ায় রাজিহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

    আগৈলঝাড়ায় রাজিহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ঐতিহ্যবাহী রাজিহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একাডেমীক ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত প্রধান অতিথি হিসেবে ফ্যাসিলিটিজ বিভাগের অর্থায়নে চারতলা ফাউন্ডেশন ভবনের ৮৫ লাখ টাকা ব্যয়ে একতলা পর্যন্ত নির্মিতব্য ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধন করেন।
    এর আগে বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক সংক্ষিপ্ত সভায় বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সরকারী গৌরনদী কলেজের প্রভাষক মিঠুন চক্রবর্র্তীর সভাপতিত্বে উদ্বোধন পূর্ব সভায় বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি আবু সালেহ মো. লিটন। পরে দোয়া ও মানাজাত শেষে ভবন উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
    এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম তালুকদার, রাজিহার ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ইলিয়াস তালুকদার, বাকাল ইউপি চেয়ারম্যান বিপুল দাস. উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও যুবলীগ সভাপতি মোঃ সাইদুল সরদার, ফরহাদ তালুকদার, ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মহাদেব বসু, রাজিহার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি হরেকৃষ্ণ হালদার, সাধারণ সম্পাদক মুরাদ হোসেন সিকদার, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উজ্জল মন্ডলসহ অন্যান্য শিক্ষকমন্ডলী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্যগনসহ অন্যান্যরা।

  • আগৈলঝাড়ায় পূজামন্ডবে প্রধানমন্ত্রীর ও আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র শুভেচ্ছা উপহার প্রদান

    আগৈলঝাড়ায় পূজামন্ডবে প্রধানমন্ত্রীর ও আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র শুভেচ্ছা উপহার প্রদান

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে বরিশালের আগৈলঝড়ায় উপজেলা প্রশাসন ও পুজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত আইনশৃংখলা বিষয়ক বিশেষ সভায় ১৬৩টি পূজা মণ্ডপে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক শুভেচ্ছা উপহার ও মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি’র বিশেষ বরাদ্দর অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।অন্যান্য বছরের মতো এবছরও দেশের সবচেয়ে বেশী পুজা তৈরী করা হয়েছে আগৈলঝাড়া উপজেলায়।
    উপজেলার শহীদ সুকান্ত আবদুল্লাহ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন এর সভাপতিত্বে পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিমেষ মন্ডলের সঞ্চালনায় ১৬৩টি মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে উপহারের আর্থিক সহায়তা বিতরণ করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মো. লিটন সেরনিয়াবাত, থানা অফিসার ইন চার্জ মো. গোলাম ছরোয়ার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. মোশারফ হোসেন, উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ, সাধারণ সম্পাদক বিপুল দাস।
    অতিথীরা অশ্লীলতা পরিহার করে, আইন শৃংখলা বজায় রেখে, বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে ভাবগাম্ভির্যর মধ্য দিয়ে সকল মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের শারদীয় পুজা উদযাপনের আহ্বান জানান।
    এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, রফিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা পরিষদ সদস্য পিয়ারা ফারুক বখতিয়ার, আনসার ও ভিডিপি অফিসার আয়শা খানম, ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস তালুকদার, শফিকুল হোসেন টিটু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার মোল্লা, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফরহাদ তালুকদার, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ফিরোজ সিকদার, সাধারণ সম্পাদক গোলাম নবী সেরনিয়াবাত, যুবলীগ সভাপতি সাইদুল সরদার, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক জাকির পাইকসহ দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. মোশারফ হোসেন জানান, উপজেলার ১৬৩টি পূজা মন্ডপের জন্য ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রনালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে প্রতিটি মন্ডপের অনুকুলে পাঁচশ’ কেজি করে চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি’র নিজস্ব তহবিল থেকে প্রতিটি মন্ডপে পাঁচ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। এছাড়াও উপজেলার দশটি মন্ডপে মন্ত্রী আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বিশেষ বরাদ্দের ১০ হাজার টাকা অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

  • খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনে নারী ফুটবলার ও কোচ বরণ

    খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনে নারী ফুটবলার ও কোচ বরণ

    (রিপন ওঝা,খাগড়াছড়ি)

    খাগড়াছড়িতে পার্বত্য খাগড়াছড়িবাসী তিন কৃতি ফুটবলার আনাই- আনুচিং- মনিকা ও নারী ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমাকে ছাদখোলা জীপ ও মোটর শোভাযাত্রায় বরণ করে নিয়েছে।

    তবে আজ শুক্রবার ৩০ সেপ্টেম্বর সকাল সোয়া ৯টার দিকে রাঙ্গামাটি থেকে সড়ক পথে খাগড়াছড়িতে গোলাবাড়ি ঠাকুরছড়া পর্যন্ত পৌছালে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা ও খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার নেতৃবৃন্দ তাদেরকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন। এসময় বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ সাফজয়ীদের ফুলেল শুভেচ্ছা সিক্ত করে।
    খাগড়াছড়ি গোলাবাড়ি ঠাকুরছড়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফুল দিয়ে বরণ করার পর সুসজ্জিত একটি ছাদখোলা জীপে করে মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহকারে খাগড়াছড়ির গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয়।

    খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে উন্মুক্ত মঞ্চে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আবু সাঈদ’র সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা। সাফজয়ী ফুটবল কন্যাদের অভিনন্দন জানিয়ে সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা বলেন, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটির মেয়েরা আমাদের অহংকার। আমাদের মুখ উজ্জ্বল করে আমাদের মেয়েরা ঘরে ফিরেছে। জেলাবাসী তাদের সাদরে বরণ করেছে। তাদের দেখে নতুনরা অনুপ্রানিত হবে বলে আমার বিশ্বাস।
    জেলা ক্রীড়া সংস্থাসহ আয়োজনে সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

    এসময় খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোঃ নাইমুল হক, খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জুয়েল চাকমা, খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য শতরূপা চাকমা ও জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ফারজানা আযম, বাংলাদেশ ফুটবল দলের সহকারী কোচ তৃষ্ণা চাকমা ও কৃতি ফুটবলার মনিকা চাকমা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

    ইতিমধ্যে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে নেপালের কাঠমান্ডু জয় করে দেশে ফিরে আসেন এবং স্বনামধন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ দেশের বিভিন্ন সংগঠন সাফ চ্যাম্পিয়নশীপে শিরোপাজয়ী নারীদের সম্বর্ধনাসহ নগদ পুরস্কার অর্জন করেছে। তেমনি খাগড়াছড়িতেও আজ জেলা প্রশাসক প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস ঘোষিত তিন নারী ফুটবলার ও কোচকে নগদ ১লক্ষ করে নগদ অর্থের পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

    তবে লক্ষ্মনীয় যে লেডি বাইকাররাও এ রিসিপশনে স্বতঃফুর্ত অংশগ্রহণ করেন।