Blog

  • গোদাগাড়ীতে বর্ণিল আয়োজনে রাজশাহী জেলা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপন

    গোদাগাড়ীতে বর্ণিল আয়োজনে রাজশাহী জেলা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং ডে উদযাপন

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহীঃ
    পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ স্লোগানে
    বর্ণিল আয়োজনে রাজশাহী জেলা পুলিশের কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২২ উদযাপন হয়েছে।

    শনিবার বিকালে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২২ উদযাপন উপলক্ষে রাজশাহী জেলা পুলিশের আয়োজনে গোদাগাড়ী উপজেলার রাজাবাড়িহাট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    রাজশাহীর পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, বিপিএম, পিপিএম। আলোচনা সভার পূর্বে বিকাল ৩.৪৫ টায় বেলুন-ফেস্টুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে প্রোগ্রামের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ডিআইজি। এছাড়া তিনি ২০২২ সালের রাজশাহীর শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশিং সদস্য হিসেবে চারঘাট থানার কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয়ক জনাব শাহাজ উদ্দিন এবং শ্রেষ্ঠ কমিউনিটি পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তানোর থানার এস আই মোঃ হাফিজুর রহমান এর হাতে ক্রেস্ট এবং সার্টিফিকেট তুলে দেন।

    আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন গোদাগাড়ী পৌরসভার মেয়র অয়েজ উদ্দিন বিশ্বাস, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলম, রাজশাহী জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদ কমান্ড এর সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহাদুল হক মাষ্টার, গোদাগাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগের সেক্রেটারি আব্দুর রশিদ, রাজশাহী জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহবায়ক আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সদস্য সচিব রবিউল হক, দেওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ বেলাল উদ্দিন সোহেল, রাজবাড়ী হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুজ্জামান প্রমূখ।

    এ ছাড়া কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম জোরদারকরণে বিশেষ অবদান রাখায় দি এশিয়া ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ এর রাজশাহী জোনকে রাজশাহী জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি ডিআইজি হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন রাজশাহীর পুলিশ সুপার। প্রধান অতিথি মহোদয় তার বক্তব্যে বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং সাধারণ জনগণ ও পুলিশের মাঝে সেতু বন্ধন হয়ে পারস্পারিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এতে করে জনসাধারণ পুলিশের নিকট হতে দ্রুত তাদের প্রত্যাশিত আইনগত সেবা পাচ্ছেন ও অনেক সামাজিক সমস্যা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান হচ্ছে।

    জনগনের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌছে দেওয়ার জন্য পুলিশ সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছে। কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে যদি অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায় তদন্ত সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, গোদাগাড়ী থানাসহ রাজশাহীর রাজশাহীর বাকি সাতটি থানাতেও বর্ণিল আয়োজনে কমিউনিটি পুলিশিং ডে ২০২২ উদযাপিত হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • সরকারের সকল উন্নয়ন সেবাকে জনকল্যাণে পৌছে দিচ্ছেন পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা

    সরকারের সকল উন্নয়ন সেবাকে জনকল্যাণে পৌছে দিচ্ছেন পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা

    স্টাফ রিপোর্টারঃ মনিরুল হক ফারুক রেজা ময়মনসিংহ সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও আর্তমানবতার সেবায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ইতিমধ্যে তিনি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছেন। সৎ-সাহস ও সদিচ্ছা থাকলে একদিন কঠিন কাজেও সফলতা অর্জন করা সম্ভব। সাম্প্রতিক সময়ে তার কর্মকান্ডে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। যে কারণে জনগণ প্রকল্পের উন্নয়ন ও সঠিক বাস্তবায়নে তাদের আস্থা ও নির্ভরতার প্রতীক হিসেবে খুঁজে নিয়েছেন এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) কে। জানা গেছে, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা সদর উপজেলায় গত ২০১৯ সালের ২৫শে অক্টোবর মাসে সদর উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন।
    এর আগে তিনি বিভিন্ন উপজেলায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসাবে সততার সাথে কাজ করে স্থানীয় জনতার প্রশংসার দাবীদার হয়ে ময়মনসিংহ সদরে যোগদান করেন। সদর উপজেলায় তিনি দায়িত্ব নিয়ে উপজেলা পিআইও শাখাকে নিজের মতো করে ঢেলে সাজান। উদ্যোগ নেন দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করে একটি আধুনিক জনপদ গড়ে তোলার। তার সততা ও কর্মদক্ষতায় ক্রমান্বয়ে বদলে গেছে উপজেলা পিআইও শাখার প্রশাসনিক কার্যক্রম ও সার্বিক চিত্র। সরকারি-বেসরকারি প্রতিটি উন্নয়ন কর্মকান্ডে ফিরে এসেছে গতিশীলতা ও স্বচ্ছতা। কমেছে জনভোগান্তি আর বৃদ্ধি পেয়েছে জনসেবার মান। এক কথায় বলা যায় উপজেলায় তিনিই প্রতিটি উন্নয়ন কর্মকান্ডকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষে কাজ সরকারী সেবাকে জনকল্যাণে পৌছানো নিশ্চিত করেছেন।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা উপজেলায় প্রতিটি উন্নয়নের কাজকে বাস্তবায়ন করে উপজেলাকে একটি উন্নত আধুনিক জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। উন্নয়ন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি প্রতিটি প্রকল্পের কাজ স্ব-শরীরে পরিদর্শন করে সকল প্রকার উন্নয়নকে জনবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। তার কার্যালয় সবার জন্য উন্মুক্ত দ্বার হিসেবে পরিণত করে রেখেছেন। পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা দাপ্তরিক কাজের বাইরে সকাল-বিকাল ছুটে বেড়ান উপজেলার সব প্রান্তে প্রকল্প স্পটে স্বচ্ছতা দেখবাল করতে। কথা বলেন সব শ্রেণির মানুষের সঙ্গে এবং শোনেন তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা। নিয়মিত খোঁজখবর নেন সমাজের অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত মানুষের। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৯টা থেকে ৩টা পর্যন্ত অফিস সময় নির্ধারিত থাকলেও জনগণের সেবার কারণে প্রয়োজনে সন্ধ্যার পর রাত অবধি অফিস করেন তিনি।

    প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকল উন্নয়ন সেবা নিজ তত্ত্বাবধানে মানসম্মত করতে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন তিনি। উপজেলার মসজিদ, মন্দিরসহ বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সংস্কার ও উন্নয়নের তদারকি করছেন তিনি। কাবিখা, টিআর প্রকল্পগুলো সরেজমিনে গিয়ে কাজের গুণগত মান নিশ্চিত দেখে অর্থ ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিআইও মনিরুল হক ফারুক রেজা । তার নজরদারির ফলে স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশে উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের রাস্তা-ঘাট ব্রীজ-কালভাট। যে কারণে তিনি স্বল্প সময়ে উপজেলার সবার মধ্যে হয়ে উঠেছেন এক অসাধারণ গল্পের মানুষ। উপজেলায় জনবান্ধব প্রশাসন গড়ায় আজ রাজনৈতিকসহ সর্ব মহলে তিনি প্রশংসিত।

    এ বিষয়ে ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, এত ভালো, নম্র, ভদ্র পিআইও অতীতে দেখিনি। তিনি অসহায় এবং গরিব মানুষের প্রকৃত বন্ধু। অন্যায় এবং অসৎ ব্যক্তিদের কখনো প্রশ্রয় দেয়নি। যার কারণে সাধারণ মানুষ পিআইও’র ওপর আস্থা পেয়েছেন। উপজেলা প্রকল্প অফিসকে দৃষ্টিনন্দনভাবে সাজিয়েছেন তিনি। এক কথায় তিনি একজন সততা এবং কর্মদক্ষতার প্রতীক।

    উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা বলেন, সত্যি কথা বলতে কি আমাদের চাকরির নির্ধারিত কোনো দায়িত্ব ও কর্তব্য নেই, সুনির্দিষ্ট কোনো পরিধি নেই, জনগণকে সেবা দেয়াই আমাদের মূল লক্ষ্য। তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে ছকে বাধা দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনগণের মঙ্গল হয়, ভালো হয় সেটাই করার চেষ্টা করছি। তবে এমপি স্যার, জেলা প্রশাসক স্যার, উপজেলা চেয়ারম্যান স্যার, ইউএনও স্যার এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সাধারণ মানুষের ঐকান্তিক সহযোগীতায় প্রতিটি কাজ করা সহজ হয় বলে মনে করি। প্রত্যাশা করি প্রধানমন্ত্রীর উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবার সহযোগিতায় প্রতিটি সেক্টরের সমন্বয়ে প্রান্তিক জনগণের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়নের।

  • ময়মনসিংহে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত

    ময়মনসিংহে কমিউনিটি পুলিশিং ডে পালিত

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পুলিশ জনতা- জনতাই পুলিশ ,কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূলমন্ত্র শান্তি শৃঙ্খলা সর্বত্র এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ ও জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের উদ্যেগে বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভা অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (২৯অক্টোবর) সকালে এ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র্যালি জেলা পুলিশ লাইন থেকে বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুলিশ লাইন মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, বিভাগীয় কমিশনার শফিকুর রেজা বিশ্বাস, রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি আবিদা সুলতানা, জেলা প্রশাসক এনামুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড.জহিরুল হক খোকা,র্যাব-১৪ ময়মনসিংহের অধিনায়ক মহিবুল ইসলাম খান,মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম,আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আমান উল্লাহ, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং এর সহসভাপতি ডাঃ কে আর ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক মমতাজ উদ্দিন,ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক বাবুল হোসেন,সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুর রবসহ রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা বক্তব্য রাখেন।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা। এর আগে সকালে নগরীর কাঁচিঝুলি মোড়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালীর উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি।

    অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ডিএসবি ফাল্গুনী নন্দীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করতে কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্যদের তথ্য দিয়ে থানা পুলিশকে সহযোগিতা করতে হবে। অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি আবিদা সুলতানা জানান- বর্তমানে সারাদেশে মোট ৫৪ হাজার ৭১৮টি কমিটিতে ৯ লাখ ৪৭ হাজার ৭০১ জন কমিউনিটি পুলিশের সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
    সভার সমাপনী বক্তব্যে রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য সবাই মিলে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলের প্রতি আহবান জানান।

    এছাড়াও সভায় অতিঃ পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি,অতিঃ পুলিশ সুপার (ক্রাইম)রায়হানুল ইসলাম,অতিঃ পুলিশ সুপার (ট্রাফিক)মোঃ হাফিজুর রহমান,অতিঃ পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ শাহীনুল ইসলাম ফকির, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ, পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত ফারুক হোসেনসহ জেলার জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, ঈমাম ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্হিত ছিলেন।

    উল্ল্যেখ-ময়মনসিংহ: ১৯৯৪ সালে ময়মনসিংহে হঠাৎ করে চুরি, ছিনতাই বেড়ে যাওয়ায় সেই উদ্ভুত পরিস্থিতিতে তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) আহমাদুল হক গঠন করেন টাউন ডিফেন্স পার্টি। এটি মূলত কমিউনিটি পুলিশিংয়ের একটি অংশ। ওই সময়ই প্রথম শহরবাসীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য পাড়া-মহল্লায় পাহাড়াদার নিয়োগ করা হয়।
    স্থানীয় জনসাধারণই তাদের টাকা দিতেন। তাদের হাতে দেওয়া হয় টর্চলাইট, বর্শা। ঠিক সে সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ কে এম শহীদুল হক কমিউনিটি পুলিশিং নিয়ে কাজ শুরু করেন । ময়মনসিংহ থেকে প্রাপ্ত কমিউনিটি পুলিশিংয়ের ধারণা পরবর্তীতে গোটা দেশে এমনকি বিদেশেও ছড়িয়ে দেন এ কে এম শহীদুল হক।

  • তারাকান্দায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও গ্রাম পুলিশের মাঝে সাইকেল বিতরণ

    তারাকান্দায় প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার ও গ্রাম পুলিশের মাঝে সাইকেল বিতরণ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে।

    স্থানীয় সরকার ও প্রতিবন্ধী ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে শনিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের প্রাঙ্গণে২৫ জন প্রতিবন্ধীর এসব হহুই চেয়ার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি।

    তারাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন তারাকান্দা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এড ফজলুল হক,উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম নয়ন,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সালমা আক্তার কাকন,জেলা প্রতিবন্ধী বিষয়ক কর্মকর্তা তমালিকা চক্রবত্তী,তারাকান্দা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাবুল মিয়া সরকার,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জাকারিয়া আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাকিব হাসান মাজহারুল,সাধারণ সম্পাদক শিবু চন্দ্র দাস প্রমূখ। এ ছাড়াও একই দিনে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাদক,বাল্যবিবাহ সহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মুল পুলিশকে সহযোগিতা করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশের কার্যক্রমকে আরো এগিয়ে নিতে উপজেলার ৬০ জন গ্রাম পুলিশের মাঝে সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। প্রধান অতিথি গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ এমপি এসব সাইকেল বিতরণ কার্যক্রম কে উদ্বোধন করেন।

  • বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ময়মনসিংহ জেলা আ‘লীগের শ্রদ্ধা

    বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে ময়মনসিংহ জেলা আ‘লীগের শ্রদ্ধা

    গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন ময়মনসিংহ জেলা,উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, জেলার জনপ্রতিনিধিগণসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

    শুক্রবার ২৮শে অক্টোবর দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড.জহিরুল হক খোকা ও সাধারণ সম্পাদক এড.মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর নেতৃত্বে সহস্রাধিক নেতাকর্মী বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান। পরে নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের শহীদ সদস্যদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন।

    এ সময় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র মেয়র ইকরামুল হক টিটু, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউছুফ খান পাঠান, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের অন্যতম সহ-সভাপতি আমিনুল হক শামীম সিআইপি ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ময়মনসিংহ জেলা অন্তর্গত বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ,পৌর সভার মেয়রবৃন্দ,উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ,ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, কেউ যদি দুর্নীতি, অনিয়ম করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ছেড়ে দেন না। বিগত দিনে ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের দূর্নাম মুছতে টেন্ডারবাজ, হাইব্রীড মুক্ত কমিটি গঠন করা হবে।

    এসময় জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি এডভোকেট ফরিদ আহমেদ, মোমতাজ উদ্দিন মন্তা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শওকত জাহান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ, দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাইদ দীন ইসলাম ফখরুল, প্রচার সম্পাদক আহসান মোহাম্মদ আজাদ, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মিরন চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রেজাউল হাসান বাবু, বিঙ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম রাসেল, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক,
    সহ-দফতর সম্পাদক মিজানুর রহমান ডেবিট, সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব এম এ ওয়াহেদ, মহিলা আওয়ামী লীগর সহ সভাপতি নাহিদা ইকবাল, নুরজাহান মিতু, জেলা যুব লীগের সম্মানিত যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার মোহাম্মদ রাহাত খান, এইচ এম ফারুক, ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম সামছুদ্দীন,সাধারন সম্পাদক ইকবাল হোসেন, গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলুফার আনজুম পপি, সাধারন সম্পাদক সোমনাথ শাহা, মহানগর কৃষক লীগের সহ সভাপতি নুর আলী তালুকদার, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নাজমুল হক মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহমেদ রাজিব, যুব মহিলা লীগের আহবায়ক অধ্যাপক বিলকিস খানম পাপড়ি, যুগ্ম আহবায়ক স্বপ্না খন্দকার, জেলা ছাত্র লীগের সভাপতি আল আমিন সহ আওয়ামী, যুবলীগ, কৃষকলীগ, তাতীলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

  • ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিক লীগ কমিটির অনুমোদন,জুয়েল আহবায়ক-জসিম সদস্য সচিব

    ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিক লীগ কমিটির অনুমোদন,জুয়েল আহবায়ক-জসিম সদস্য সচিব

    ষ্টাফ রিপোর্টার।।
    মহান মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর স্বপ্নের সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত বাংলা বিনির্মানে জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ও তার নেতৃত্বে আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার লক্ষে দলের প্রতিটি সংগঠন কে শক্তিশালী করার কার্যক্রম চলছে। সেই ধারাবাহিকতায় দলটির অন্যতম রাজনৈতিক সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগকে সাংগঠনিক শক্তিকে আরো বৃদ্ধি করতে দলের বঞ্চিত ও ত্যাগী নির্যাতিত নেতাকর্মীদের বাছাই করে ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে । কমিটিতে ইউনিয়নের দলের দুঃসময়ের রাজপথ যোদ্ধা জুয়েল মিয়াকে আহবায়ক এবং জসিম উদ্দিন কে সদস্য সচিব মনোনীত করা হয়েছে।

    জাতীয় শ্রমিক লীগ ময়ময়নসিংহ জেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম শাহিন ও যুগ্ম আহবায়ক জামাল আহমেদ এর পরামর্শক্রমে সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ এর আহবায়ক নাইম হাসান ও সদস্য সচিব শিবলু মাহমুদ তাদের যৌথ স্বাক্ষরে এ কমিটি অনুমোদন দেন। কমিটিকে আগামী ৩ মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উক্ত কমিটির অনুমোদন দেওয়ায় ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগ এর আহবায়ক জুয়েল ও সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন তাদের বিবৃতিতে জাতীয় শ্রমিক লীগ ময়ময়নসিংহ জেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল ইসলাম শাহিন যুগ্ম আহবায়ক জামাল আহমেদ, সদর উপজেলা জাতীয় শ্রমিকলীগ এর আহবায়ক নাইম হাসান ও সদস্য সচিব শিবলু মাহমুদসহ জাতীয় শ্রমিকলীগের জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কে ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা সকলের সহযোগীতায় জাতীয় শ্রমিকলীগ ভাবখালী ইউনিয়ন শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে শক্তিশালী ও ত্বরান্বিত করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন-আমাদেরকে ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগের আহবায়ক ও সদস্য সচিব পদে মনোনীত করায় আমরা সংগঠনের অভিভাবক ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু ভাই সহ জেলা-উপজেলার নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞ। আগামী দিনগুলোতে সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার জন্য সর্বোচ্চ কর্মতৎপরতা চালিয়ে যাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।

  • সমুদ্রে যেতে শুরু করেছে জেলেরা, শুরু হচ্ছে দুবলার চরের শুটকি মৌসুম

    সমুদ্রে যেতে শুরু করেছে জেলেরা, শুরু হচ্ছে দুবলার চরের শুটকি মৌসুম

    মোংলা প্রতিনিধি।
    শুরু হচ্ছে দুবলার চরের শুটকি মৌসুম। তাই জাল, দড়ি, নৌকা-ট্রলারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নিয়ে সাগরে যেতে শুরু করেছেন উপকূলের জেলেরা। গত দুই তিনদিন ধরে উপকূলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা জেলেরা জড়ো হচ্ছেন মোংলার পশুর নদী ও বঙ্গবন্ধু মোংলা-ঘাষিয়াখালী আন্তর্জাতিক চ্যানেলে। এখান থেকেই বনবিভাগের পাস নিয়েই দল বেঁধে তারা রওনা হচ্ছেন সাগর পাড়ের দুবলার চরে। সাগরে এখন আর দস্যুদের উৎপাত না থাকলেও ঝড়-জলোচ্ছাসের প্রাণহানী ও ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি মাথায় নিয়েই শনিবার থেকেই দুবলায় যাত্রা শুরু করছেন হাজার হাজার জেলে। আর সেখানে ১লা নভেম্বর থেকে শুরু হবে শুটকির মৌসুম। বনবিভাগ জানায়, ১লা নভেম্বর থেকে বঙ্গোপসাগর পাড়ে সুন্দরবনের দুবলার চারটি চরে শুরু হচ্ছে শুটকি মৌসুম। চলবে আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত। টানা ৫ মাস সেখানে থাকতে হবে জেলেদের। সাগর পাড়ে গড়তে হবে জেলেদের অস্থায়ী থাকার ঘর, মাছ শুকানো চাতাল ও মাঁচা। সেসব তৈরিতে ব্যবহার করা যাবেনা সুন্দরবনের কোন গাছপালা। তাই বনবিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী চরের উদ্দেশ্যে যাত্রার প্রস্তুতি নেয়া সকল জেলেদেরকে সঙ্গে নিয়েই যেতে হচ্ছে প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী। আর এ সকল প্রস্তুতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মোংলা ও রামপালসহ সংলগ্ন উপকূলের কয়েক জেলার জেলে-মহাজনেরা। জেলে-মহাজনদের ট্রলার তৈরি, মেরামত ও জাল প্রস্তুতে ব্যস্ত বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কাঠ মিস্ত্রীরাও। দুবলার এ মৌসুমকে ঘিরে কয়েক মাস আগেই বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা মিস্ত্রীরা চুক্তি ভিত্তিক ট্রলার তৈরি, মেরামত ও জাল সেলাইয়ে এসেছেন উপকূলের গ্রামে গ্রামে। সকল প্রস্তুতি শেষে বনবিভাগের কাছ থেকে পাস (অনুমতিপত্র) নিয়ে জেলেদের নিজ নিজ এলাকা থেকে রওনা হয়ে সরাসরি যেতে হবে দুবলার চরে। যাওয়ার পথে সুন্দরবনের কোন নদী-খালে প্রবেশ ও অবস্থান করা যাবেনা। এছাড়া দুবলার চরে অবস্থানকালে সাগর ছাড়া সুন্দরবনের খালে প্রবেশ ও সেখানে মাছ ধরতে পারবেন না এ জেলেরা। মোংলা নদী ও পশুর নদীতে এসে জড়ো হওয়া পাইকগাছার জেলে বসন্ত কুমার মন্ডল ও রামপালের জেলে মিকাইল শেখ বলেন, জাল, নৌকা, খাবারদাবারসহ ঘর বাঁধার সকল সরঞ্জামাদী নিয়ে মোংলায় দুইদিন ধরে অবস্থান করছি। বনবিভাগের কাছ থেকে পাস নিয়ে দুবলায় রওনা হবো। সেখানে ৫ মাস থেকে মাছ ধরে শুটকি তৈরি করবো। তারা বলেন, কেউ শুক্রবার রাত ১২টার পর যাবেন, আবার কেউ শনিবার সকাল ও বিকেলে যাবেন। এভাবে দলে দলে জেলেরা ছুটবেন সাগরে। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, শুটকি মৌসুমকে ঘিরে উপকূলের বিভিন্ন এলাকার ১০ সহস্রাধিক জেলে সমবেত হবেন দুবলার চরে। দুবলার আলোরকোল, মাঝেরচর, শ্যালার চর ও নারকেলবাড়ীয় চরে ওই সকল জেলেরা প্রায় দুই হাজার ট্রলার নিয়ে মাছ ধরবেন গভীর সাগরে। সাগর থেকে আহরিত বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বাছাই করে শুটকি করবেন তারা। এ বছরও চরে জেলেদের থাকা ও শুটকি সংরক্ষণের জন্য ১ হাজার ৩০টি জেলে ঘর, ৬৩টি ডিপো ও ৯৬টি দোকানঘর স্থাপনের অনুমতি দিচ্ছেন বনবিভাগ। বনের কোন গাছপালা জেলেরা ব্যবহার করতে পারবেন না। গত শুটকির মৌসুমে দুবলার চর থেকে বনবিভাগের রাজস্ব আদায় হয়েছিল সাড়ে ৪ কোটি টাকা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার ৫ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন এ কর্মকর্তা। সাগর-সুন্দরবনে ঝড়-জলোচ্ছাসের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের ভয় থাকলেও জেলেদের মাঝে এখন আর নেই ডাকাতের ভয়ভীতি। তাই অনেকটা স্বস্তি নিয়েই সাগরে যাচ্ছেন জেলেরা। আবহাওয়া ভাল থাকলে লাভের পাল্লা ভারী করেই মৌসুম শেষে বাড়ীতে ফিরবেন সমুদ্রজীয় এ সকল জেলে-মহাজনেরা।

  • শার্শার গোগা সীমান্তে ৯ পিচ স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী  আটক

    শার্শার গোগা সীমান্তে ৯ পিচ স্বর্ণের বারসহ পাচারকারী আটক

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শার গোগা গাজীপাড়া সীমান্ত এলাকা থেকে ১ কেজি ৫১ গ্রাম ওজনের ৯ পিচ স্বর্ণের বার সহ কওসার আলী নামে এক স্বর্ণ পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি জোয়ানরা।

    এ সময় পাচার কাজে ব্যবহৃত একটি হিরো গ্লামার মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়।

    শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাত ৮ টার দিকে উপজেলার গোগা গাজী পাড়া এলাকার পাকারাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা হয়।

    আটক কওসার আলী একই উপজেলা দাউদ খালী গ্রামের মৃত,আব্দুল করিমের ছেলে।

    ২১বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর ফরিদ আহম্মেদ জানান, স্বর্ণ পাচারের গোপন খবরে,গোগা সীমান্তের গাজী পাড়া পাকা রাস্তার উপর বিজিবির বিশেষ টহল দল অভিযান পরিচালনা করে একটি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে।পরে মোটরসাইকেল তল্লাসি চালিয়ে ইঞ্জিন কাভারের ভিতরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ৯ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।এবং একজনকে আটক করা হয়।

    যার সিজার মূল্য ৭২ লক্ষ২০ হাজার টাকা।

    আটক ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে তাকে শার্শা থানায় সোপর্দ করা হবে বলে তিনি জানান।

  • বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন সভাপতি ফারুক,সম্পাদক সানা

    বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন সভাপতি ফারুক,সম্পাদক সানা

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    গোলাম ফারুককে সভাপতি ও মাওলাদ হোসেন সানাকে সম্পাদক করে বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনায় বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধান অতিথিসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ প্রথমেই জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের পর পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামঘলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ। আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, যারা জাতির জনককে হত্যা করে গনতন্ত্র হত্যা করে ক্ষমতায় বসেছে তাদের মুখে গনতন্ত্রের কথা মানায় না। হ্যা না ভোট কারা দিয়েছিল তা বাংলার মানুষ জানে। তারা দেশের সম্পদ লুটতরাজ ছাড়া কি করেছে তার হিসেব দিতে বলুন। আর জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতায় এসে গোটা দেশের কথা নাই বললাম কেবল মাত্র দক্ষিনাঞ্চলের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিচ্ছি। এসময় তিনি বিভিন্ন উন্নয়নের নাম উল্লেখ করে বলেন, পারলে এর সাথে তুলনা করে দেখান। তিনি গতকাল শনিবার বানারীপাড়া বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
    উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা প্রধান অতিথি আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহসহ সকল অতিথিদের নিয়ে মঞ্চে আসন গ্রহন করেন।
    পবিত্র কোরান তেলাওয়াত ও গীতা পাঠ করা হয়। উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাওলাদ হোসেন সানা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদ ও উপজেলার সকল প্রয়াত নেতাকর্মীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রস্তাব পাঠ করেন। এরপর সাংগঠনিক রিপোর্ট পেশ করেন তিনি।
    সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন সাবেক সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক অ্যডভোকেট বীর মুক্তিযোদ্ধা তালুকদার মো. ইউনুচ, বরিশাল -২ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহে আলম,সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা রুবীনা আক্তার মীরা, কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সদস্য মো. আনিসুর রহমান,আওয়ামীলীগ নেতা একে ফাইয়াজুল হক রাজু, জেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, সুব্রত লাল কুন্ডু, শাহজাহান মিয়া, মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সৈয়দা তাসলিমা হোসেন ফ্লোরা ইউপি চেয়ারম্যান শ্যামল সরকার, ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মমিনুল কবির মিঠু প্রমুখ।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপার সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় সপ্তদ্বীপা সাহিত্য পরিষদের পাক্ষিক সাহিত্য আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ অক্টোবর শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাইকগাছার নতুন বাজারস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাহিত্য আসরে সভাপত্বি করেন, সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান।সাহিত্য আসরে কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধও গল্প পাঠে অংশ গ্রহন করেন,এ্যাড. শফিকুল ইসলাম কচি, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাধুরী রানি সাধু, সুশান্ত বিশ্বাস, প ানন সরকার, নাহার ইসলাম, রুপা খাতুন, মোড়ল কওসার আলী,লিয়াকত আলী, সমিরণ ঢালী, অভিজিত রায় প্রমুখ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।