Blog

  • আগৈলঝাড়ায় জাতীয়  সমবায়  দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা

    আগৈলঝাড়ায় জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    “বঙ্গবন্ধুর দর্শন’ সমবায়ের উন্নয়ন” এ প্রতিপাদ্য বিষয় কে সামনে রেখে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ৫১তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমবায় অফিসের উদ্যোগে র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। র‌্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা সুকান্ত বাবু অডিটোরিয়ামে গিয়ে শেষ হয়। পরে সুকান্ত বাবু অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা আঃ রইচ সেরনিয়াবাত ,গৌরনদী উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা মোঃ রফিকুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার কামরুজ্জামানের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওযামীলিগের সভাপতি সুনিল কুমার বাড়ৈ, উপজেলা মহিলা ভাইসচেয়রম্যান মলিনা রানি রায় , মহিলা নেএী এলিনা জাহান, বাদশা হাওলাদার, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মাসুম, দপ্তর সম্পাদক বিকাশ রায়সহ অনেকে।

  • মাদক,চুরি,ডাকাতি, জুয়া প্রতিরোধে এলাকার সচেতন মহলেরও দায়িত্ব রয়েছে- ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    মাদক,চুরি,ডাকাতি, জুয়া প্রতিরোধে এলাকার সচেতন মহলেরও দায়িত্ব রয়েছে- ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    মজিজ বর্ষের পুলিশ নীতি-জনসেবা আর সম্পৃতি এই প্রতিপাদ্য বাস্তবায়নের লক্ষে পুলিশের সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানার পুলিশ। এই ধারাকে অব্যাহত রেখে আসন্ন শীতে সমাজের মাদক,ছিনতাই, চুড়ি,ডাকাতিসহ বিভিন্ন অপরাধ নির্মুলের লক্ষে পুলিশ জনতা এক হয়ে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কোতোয়ালি মডেল থানার আয়োজনে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শনিবার (৫নভেম্বর) সন্ধ্যায় কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকার ৬নং চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়নের চর বড় ভিলা নামক গ্রামে এই ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ -এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে -মহানগর আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি ও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদুল আলম জাহাঙ্গীর,চর ঈশ্বরদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মোস্তফা সেলিম,আওয়ামী লীগ নেতা মোক্তার হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক,কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা বক্তব্য রাখেন।

    কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর অপারেশন ওয়াজেদ আলীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, পুলিশ জনগণের বন্ধু, শত্রু নয়, পুলিশকে সঠিক তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করে সঠিক সেবা গ্রহণ করুণ, পুলিশ জনগণের সেবক হয়ে সব সময় পাশে থেকে কাজ করছে, পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ জনগণেরও দায়িত্ব মাদক, ইভ টিজিং ও সমাজবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো, তিনি আরো বলেন, মাদকের সঙ্গে কোনো আপস নেই, এসময় মাদক বিক্রেতা ও সেবনকারীসহ যেকোনো অপরাধীদের ব্যাপারে তথ্য দেওয়ার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান ওসি।

    ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন- আসন্ন শীতে যখন মানুষের ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর হবে তখন এসুযোগ কাজে লাগাবে চুর,ডাকাতরা, এসুযোগ যেন তারা না পায় সেজন্য এ বছর বিকল্প উপায় বের করেছে কোতোয়ালি মডেল থানার পুলিশ। জেলা পুলিশ সুপার মাসুম আহমেদ ভূঞা এর পরিকল্পনায় ‘পুলিশ-জনতার যৌথ পাহারা কার্যক্রম’ নামে ডাকাতি প্রতিরোধে একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ তথ্য জানিয়ে ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, চুরি- ডাকাতি মেনে নেয়া যাবে না।চুরি- ডাকাতি প্রতিরোধে পুলিশ সুপার স্যার সাধারণ জনগণকে পুলিশের সাথে সম্পৃক্ত করে একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন যেন কোনোভাবেই শীতের সুযোগে চুরি ডাকাতি না হয়। সেটি হচ্ছে ‘পুলিশ-জনতা যৌথ পাহারা’।

    ওসি জানান-আসন্ন শীত মৌসুমে চুরি রোধকল্পে প্রতিটি এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং মাধ্যমে পাহারা ব্যবস্থার করতে হবে, এছাড়া মাদক জুয়া প্রতিরোধে এলাকার শিক্ষক জনপ্রতিনিধি গ্রাম পুলিশ বিভিন্ন পেশাজীবী সচেতন মহলেরও দায়িত্ব রয়েছে।

    এ ছাড়া অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, শিক্ষক, রাজনৈতিক ব্যক্তি, কমিউনিটি পুলিশিং ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৫জনকে  গ্রেফতারসহ অটো উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ

    চালককে হত্যা করে অটো ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৫জনকে গ্রেফতারসহ অটো উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের পাগলা উপজেলায় চালককে হত্যা করে অটোরিক্সা ও মোবাইল সেট ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৫ জন গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পুলিশ। গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অটোরিক্সা ও মোবাইল উদ্ধার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, মকবুল হোসেন, জাবেদ, কাজল মিয়া,মোঃ শরীফ সোহেল মিয়া। শুক্রবার তাদেরকে পৃথক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বাড়ি গফরগাঁও ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায়।

    শনিবার (৫নভেম্বর)সকালে পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

    পুলিশ সুপার বলেন, গত ৩১ অক্টোবর পাগলা থানা এলাকার খুরশিদ মহল ব্রীজের পাশে ঝোপঝাড়ের আড়ালে অজ্ঞাতনামা এক পুরুষ ব্যক্তি (৪৫) লাশ পাওয়া যায়। নিহতের পরিচয় উদ্ধার, হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন ও হত্যাকারীদের গ্রেফতারে ডিবি পলিশকে নির্দেশ দেই। ডিবির একটি চৌকস টিম হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পাগলা থানা পুলিশের সাথে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে নিহতের পরিচয় সনাক্ত হয়। তার নাম মোঃ নাছির উদ্দিন (৪৫)। সে তেতুলিয়া গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের পিতা এবং অটোরিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করিতেন। তিনি প্রতিদিনের ন্যায় গত ২৯ অক্টোবর বিকালে যাত্রী বহনের জন্য বাড়ী থেকে অটোরিক্সা নিয়ে বের হন। রাত গড়িয়ে সকাল হলেও নাছির উদ্দিন বাড়ী ফিরে না আসায় পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। খোঁজাখুজির একপর্যায়ে ৩১ অক্টোবর দুপুরে পাগলা থানার খুরশিদ মহল ব্রীজের পাশে ঝোপঝাড়ে লাশ পাওয়ার সংবাদ পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে নাছির উদ্দিনের লাশ সনাক্ত করে।
    এ ব্যাপারে তার ছোট ভাই নুরুল আমিন বাদী হয়ে পাগলা থানার মামলা নং-০১,তারিখ-০১/১১/২০২২, ধারা-৩৯২/৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করেন। হত্যাকারীরা নাছিম উদ্দিনকে হত্যা করে তার অটোরিক্সা ও ব্যবহৃত মোবাইল ছিনিয়ে নেয়। ডিবি পুলিশ টানা অভিযান পরিচালনা করে হত্যাকান্ড ও অটোরিক্সা ছিনতাইয়ে জড়িত মোঃ মকবুল হোসেন, জাবেদ, মোঃ কাজল মিয়া, মোঃ শরীফ ও মোঃ সোহেল মিয়া। গ্রেফতারকৃত সোহেলের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত অটো ও মকবুল হোসেনের হেফাজত থেকে নিহত নাছির উদ্দিনের মোবাইল উদ্ধার করে পুলিশ।
    গ্রেফতারকৃতদের বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার মাছুম আহমেদ আরো বলেন, মকবুল হোসেনের একজন পেশাদার ও অভ্যাসগত অপরাধী। সে দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ডাকাতি, হত্যাসহ নানা অপরাধ করে আসছে। একেক সময় ভিন্ন ভিন্ন লোকজনকে ডেকে এনে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জের সীমান্তবর্তী এলাকায় অটোসহ বিভিন্ন চালককে মারপিট, কখনো নেশাজাতীয় বিষ প্রয়োগে অচেতন করে আবার কখনো নির্দিষ্টস্থানে রেখে দেওয়া অটোরিক্সা ছিনতাই করে আসছে। চক্রটি জেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে একটি অটোরিক্সা চুরি চক্র গড়ার জন্য সংঘবদ্ধ হতে চেষ্ঠা করছে। গ্রেফতারকৃত মকবুলের বিরুদ্ধে একাধিক চুরি, ডাকাতি, অস্ত্র ও হত্যা মামলা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার পুলেরঘাট বাজারে মকবুল হোসেন একটি সেলুনে কাজ করার আড়ালে অপরাধ চক্রের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ ও পরিকল্পনায় জড়িত থাকে। গত অক্টোবর মকবুল হোসেন গ্রেফতারকৃত অন্যান্যদেরকে পুলেরঘাট বাজারে ডেকে এনে চালক হত্যা ও অটোরিক্সা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। গত ২৯ অক্টোবর চক্রটি পুলেরঘাট বাজারে একত্রিত হয়ে প্রথমে হোসেনপুর এবং পরবর্তীতে ময়মনসিংহের গফরগাঁও জামতলা চৌরাস্তায় আসে। পূর্ব পরিকল্পনা অনুসারে চক্রটি যাত্রীবেশে হোসেনপুর যাওয়ার কথা বলে রাত ৮ টার দিকে নাছির উদ্দিনের চালিত অটোরিক্সায় উঠে। রাত পৌনে ৯ টার দিকে হোসেনপুর ব্রীজের পাশে নির্জন স্থানে পৌঁছে নাছির উদ্দিনের গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে তার লাশ রাস্তার পাশে জঙ্গলে ফেলে অটোরিক্সা ও নাছির উদ্দিনের ব্যবহৃত মোবাইল নিয়ে পালিয়ে যায়। গ্রেফতারকৃতদেরকে শনিবার আদালতে পাঠানো হলে, তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মর্মে স্বেচ্ছায় স্বিকারোক্তিমুলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও পুলিশ জানিয়েছেন। ব্রিফিংকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রায়হানুল ইসলাম, ফাল্গুনী নন্দি, শাহীনুল ইসলাম ফকির, ডিবির ওসি সফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছায় জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় জাতীয় সংবিধান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    জাতীয় সংবিধান দিবস -২০২২ উপলক্ষে পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবাল মন্টু। এসময়ে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক মকবুল হোসেন মিন্টু, অধ্যাপক বিভূতিভূষণ মণ্ডল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দীন,সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান সমবায় কর্মকর্তা মোঃ বেনজির আহমেদ, প্রভাষক মোঃ মোমিন উদ্দীন, এস আই সুব্রত দেবনাথ, সাংবাদিক বি সরকার, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল ও মাজহারুল ইসলাম,শিক্ষক শিব শংকর রায়, কবি প ানন সরকার, মাধুরী রানী সাধু, অসীম রায় সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • সুসাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪১তম জন্মবার্ষিকী -পালিত

    সুসাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪১তম জন্মবার্ষিকী -পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা ( খুলনা )।

    খুলনার পাইকগাছায় সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৪১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। নানা কর্মসুচির মধ্যে ছিল সাহিত্যিকের প্রতিকৃতিত্বে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভা, পদক, সম্মাননা পত্র, কবিতা আবৃতি ও পুরস্কার প্রদান। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি ট্রাস্ট এর সভাপতি মমতাজ বেগম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার ইকবল মন্টু। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান ।
    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, খুলনা প্রেসকাব ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়ানের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিণ্টু, কাজী পরিবারের সদস্য কাজী জামানউল্লাহ, বঙ্গবন্ধু শিক্ষা ও গবেষণা পরিষদ পাইকগাছা শাখার সভাপতি প্রভাষক মোঃ মোমিন উদ্দীন, সমবায় কর্মকর্তা বেনজীর হোসেন, এস আই সুব্রত দেবনাথ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন, নতুন বাজার ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি অশোক কুমার ঘোষ। বিশেষ আলোচক ছিলেন, গবেষক ও প্রাবান্ধিক অধ্যাপক বিভুতিভূষণ মন্ডল। বক্তব্য রাখেন, শিক শিব শংকর রায়, কবি প ানন সরকার, মাধুরী রানি সাধু, মোড়ল কওসার আলী, সুশান্ত বিশ্বাস, রোজি সিদ্দিকী, ফারজানা আক্তার ময়না, অসীম রায়, বিকাশেন্দু সরকার, প্রভারজ্ঞন বিশ্বাস, আব্দুর রাজ্জাক মদিনাবাদী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, শিার্থীসহ এলাকার সুধিজন।
    অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধ ও সাংবাকিতায় বিশেষ অবদানের জন্য খুলনা প্রেসক্লাবের ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিণ্টু এবং গবেষণা ও প্রবন্ধে বিশেষ অবদানের জন্য প্রফেসর বিভুতিভূষণ মন্ডল কে কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পদক ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়েছে। মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে কাজী ইমদাদুল হকের জীবনী রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে জুলিয়া আক্তার, যৌথ ভাবে দ্বিতীয় স্থান অধিকার তারিন জামান তমা ও তামান্না আক্তার আখি এবং যৌথ ভাবে তৃতীয় স্থান অধিকার হৃদিতা রায় ও কাজী রুবাইয়া। এছাড়াও রচনা প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণকারী ৬২জন প্রতিযোগী ছাত্র ছাত্রী কে পুরষ্কার প্রদান করা হয়েছে।
    উল্লেখ্য কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদ ২০০২ সাল থেকে সাহিত্যিকের জন্মদিন ও মৃত্যু দিবস পালন করে আসছে। ২০১৭ সাল থেকে কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পদক ও সম্মাননা সনদ প্রদান করছে। অনুষ্ঠানে বক্তারা উপমহাদেশের কৃতি সন্তান ও সু-সাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের জন্মজয়ন্তী জাতীয়ভাবে পালন, সাহিত্যিকের পৈত্রিক বেদখলীয় জমি উদ্ধার পূর্বক কমপ্লেক্স নির্মাণ ও পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনী এবং “আব্দুল্লাহ” উপন্যাস পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানান।

  • বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকদের চোখে মুখে হাসির ঝিলিক

    মোঃ হায়দার আলী রাজশাহী থেকেঃ বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠে মাঠে এখন পাকা সোনালী আমনের নজরকাড়া দুলনী। সে সাথে দুলছে কৃষকের মন। মাঠের পর মাঠজুড়ে সোনালী শিষে ভরা আমনের ক্ষেত। সোনালী ধানের শীষের সাথে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। করোনা বিপর্যয়, বন্যা, অতিবর্ষণের ধকল কাটিয়ে ঘাম ঝরা ফসল ঘরে তোলার সোনালী স্বপ্ন কৃষকের চোখে মুখে। কোথাও কোথাও দেখা যায় শীতের সোনামাখা রোদ্র গায়ে মেখে আমন কাটা ও মাড়াইয়ে কৃষকের ব্যস্ততা। মাঠ ভরা ধান দেখে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের ভাষ্য এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এরই মধ্যে ১৫ শতাংশ রোপা আমন ধান কাটা শেষ হয়েছে। ডিসেম্বরের মাঝামাঝিতে আমন ধান কাটা শেষ হবে।
    কৃষকরা বলছেন, এবার প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে ধানের আবাদে অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি শ্রম দিতে হচ্ছে। শঙ্কাও কম ছিলো না। এখন তাদের অনেকেরই ধান পরিপক্ক হয়েছে। তারা ধান কাটতে শুরু করেছেন। এবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে শেষ পর্যন্ত ফলন কিছুটা কমলেও দাম ভালো থাকায় খুশি তারা।
    কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, রাজশাহী অঞ্চলে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৯০০ হেক্টর। আর ৩ লাখ ৯৬ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে আমনের আবাদ হয়েছে। মৌসুমে চালের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১১ লাখ ৪৫ মেট্রিক টন। এরমধ্যে নওগাঁ জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৪০ হাজার ১১৫ মেট্রিক টন অতিরিক্ত চাল উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে উৎপাদন ভালো হবে। মাঠ পর্যায়ে ঘোরার সময় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার কৃষক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, বোরো মৌসুমে ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ায় এ বছর বেশি জমিতে আমনের চাষ করেছেন। বোরো ধান কাটা মাড়াইয়ের পরেই আমন ধান চাষ করা হয়েছে। ফলে জমি পতিত থাকেনি। তবে দুর্যোগের কারণে দেড় বিঘা মতো জমিতে ধান লাগাতে বিলম্ব হয়েছিলো তার। এবার ফলন ভালোই হয়েছে। আর দাম ভালো থাকায় লাভ হবে এমন প্রত্যাশা তার।
    কৃষক আবদুল মতিন জানান, প্রাকৃতিক বৃষ্টিতেই এবার আমনের চাষ হয়েছে।
    চলতি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে আমন ধান লাগিয়েছিলেন তিনি। এখন ধান কাটা শুরু করেছেন। তবে গত বছরের মতো ফলন তেমন ভালো হয়নি। বিঘা প্রতি ফলন ১৫ থেকে ১৭ মণ হতে পারে। তবে ফলন কম হলেও দাম ভালো থাকায় পুষিয়ে যাবে। আর সামনে যদি দাম কমে যায় তাহলে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে।
    রাজশাহী কৃষি সম্প্রপ্সারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মোঃ মোসদার হোসেন জানান, রাজশাহীতে রোপা আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে প্রায় দু সপ্তাহ আগে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এবার ফলন খারাপ হয়নি। এখন পর্যন্ত যে ধান কাটা হয়েছে সেখানে ১৫ থেকে ২০ মণ করে বিঘা প্রতি ফলন হয়েছে।
    তিনি আরো জানান, এবার ধানের দামও ভালো আছে। ধানের ফলন ও দামে কৃষকরা খুশি। যেসব জমির ধান বন্যার পানি নামতে দেরি হয়েছে সে জমিতে আগাম জাতের আমন ধান চাষ করা হয়েছিলো। সব মিলিয়ে এবার ডিসেম্বরের মধ্যেই ধান কাটা শেষ হবে। আর এ বছর বিভিন্ন দুর্যোগ বিবেচনায় কৃষি বিভাগের লোকজন সার্বক্ষণিক মাঠে কাজ করছেন।

    কৃষকরা বলছেন, এবার আলুর দাম ভালো পাওয়ায় ব্যাপক আগ্রহ নিয়ে চাষীরা আলু চাষের জন্য আগাম ধান কেটে আলু লাগানো শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ফলে দেখা দিয়েছে ধান কাটা শ্রমিকের সঙ্কট। ধান কাটা শেষ হলেই আলুর জন্য জমি প্রস্তুত করা হবে। তাই দ্রুত ধান কাটার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে।
    বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় শ্রমিকদের মজুুরি বেশি হওয়ায় অনেক কৃষক ধান কাটা পর আলু রোপনের জন্য জমি তৈরি শুরু করতে পারেন নি। বিভিন্ন এলাকায় থেকে নিয়মিতভাবে আসা শ্রমিকদের খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং তাদের আসার অপেক্ষায় রয়েছেন কৃষকরা। প্রতিবছরই দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকরা এই সময়ে আসেন আলু রোপনের জন্য। এদিকে গেরস্ত বাড়ির আঙ্গিনা আর মাঠের খৈলান প্রস্তুত করা হচ্ছে নতুন ধান মাড়াইয়ের জন্য। কৃষানীরা উৎসবের আমেজ নিয়েই ব্যস্ত। নতুন চাল দিয়েই হবে পিঠা পায়েসের স্বাদ নেয়া। ধান বেচেই মিলবে জামা, কাপড়সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ। করোনা আর বিরুপ আবহাওয়ার ক্ষতিও খানিকটা কাটিয়ে ওঠা যাবে। কোন কোন কৃষক কৃষানির সাথে কথা বলে জানা, গেছে এ ধান বিক্রি করে ছেলে মেয়ের বিয়ে আনন্দ করবেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী

  • সুজানগরে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    সুজানগরে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে র‌্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মত পালিত হয়েছে জাতীয় সংবিধান দিবস-২০২২। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে সুজানগর উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের অংশগ্রহনে এক র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি পৌর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংবিধান দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সুজানগর পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা ও শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আলী প্রমুখ। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, সংবিধান একটি দেশের দর্পন সংবিধান ছাড়া কোন দেশ চলতে পারেনা। সংবিধানের মাধ্যমে একটি দেশ সুষ্ঠভাবে পরিচালিত হয়। এ সময় তিনি আরো বলেন,আন্তর্জাতিকভাবে গর্ব করার মত আমাদের অর্জন হল সংবিধান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনন্য নেতৃত্বের কারণে অতি অল্প সময়ে আমরা একটি সংবিধান পেয়েছি। যেখানে সকল নাগরিকের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড়ে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা

    পঞ্চগড়ে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় হতে :
    এমনই সময়ে পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া থেকে প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বের তৃতীয় সবোর্চ্চ পবর্তশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার দেখা মিলছে। স্থানীয়রা জানান, সাধারণত অক্টোবর থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত শীতের আগে মেঘমুক্ত নীলাকাশে ভেসে ওঠে তুষার শুভ্র হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘা। বছরের এই নির্দিষ্ট সময়ে বাংলাদেশ থেকে দৃশ্যমান হিমালয় পর্বত ও কাঞ্চনজঙ্ঘাকে দেখতে প্রতি বছরই অসংখ্য পর্যটক সেখানে যান। সূর্যোদয়ের পর আজ শুক্রবার সকালেও অনেক পর্যটক পঞ্চগড়ে ঢুকছে থেকেই চলতি মৌসুমে কয়েকদিনের মতো স্থানীয়দের চোখে ধরা পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার নয়নাভিরাম নৈসর্গিক রূপ। সূর্যকিরণের তেজ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সকাল দশটা থেকে এগারটা পর্যন্ত বেশ ভালোভাবেই দেখা যায়। তারপর ক্রমান্বয়ে আবার ঝাপসা হয়ে হারিয়ে যায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। তবে শেষ বিকেলে সূর্যকিরণ যখন তির্যকভাবে বরফাচ্ছাদিত পাহাড়ে পড়ে তখন অনিন্দ্য সুন্দর হয়ে আবারও ধরা দেয় কাঞ্চনজঙ্ঘা।
    তথ্যানুযায়ী, দেশের সর্ব-উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন (স্থলবন্দর) থেকে নেপালের দূরত্ব ৬১ কিলোমিটার, ভুটানের দূরত্ব ৬৪ কিলোমিটার, চীনের দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার, ভারতের দার্জিলিংয়ের দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার, শিলিগুড়ির দূরত্ব ৮ কিলোমিটার। অন্যদিকে হিমালয়ের এভারেস্ট শৃঙ্গের দূরত্ব ৭৫ কিলোমিটার আর কাঞ্চনজঙ্ঘার দূরত্ব ১১ কিলোমিটার। কিন্তু মেঘ-কুয়াশামুক্ত আকাশের উত্তর-পশ্চিমে তাকালেই দেখা মেলে বরফ আচ্ছাদিত সাদা পাহাড়, মনে হয় এইতো চোখের সামনেই কাঞ্চনজঙ্ঘা! সূর্যোদয়ের আগে কিছুটা কালো দেখায় কাঞ্চনজঙ্ঘা। জানা গেছে, কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বতশৃঙ্গ নেপাল ও ভারতের সিকিম সীমান্তে অবস্থিত। হিমালয় পৃথিবীর সবোর্চ্চ পর্বতমালা। এই পর্বতমালার তিনটি চূড়া আবার পৃথিবীর সবোর্চ্চ চূড়া। এরমধ্যে প্রথম অবস্থানে থাকা মাউন্ট এভারেস্টের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৮ হাজার ৮৪৮ মিটার বা ২৯ হাজার ২৯ ফিট। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চূড়া কেটু’র উচ্চতা ৮ হাজার ৬১১ মিটার বা ২৮ হাজার ২৫১ ফিট। তৃতীয় অবস্থানে থাকা কাঞ্চনজঙ্ঘার উচ্চতা ৮ হাজার ৫৮৬ মিটার বা ২৮ হাজার ১৬৯ ফিট। যদিও ১৮৫২ সালের আগে কাঞ্চনজঙ্ঘাকে পৃথিবীর সৰ্বোচ্চ শৃঙ্গ বলে মনে করা হতো। ১৯৫৫ সালের ২৫ মে মাসে ব্রিটিশ পবর্তারোহী দলের সদস্য জোয়ে ব্রাউন এবং জর্জ ব্যান্ড সর্বপ্রথম কাঞ্চনজঙ্ঘায় আরোহণ করেন।
    এদিকে, সুউচ্চ এই চূড়া দেখতে প্রতি বছর অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক ছুটে যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলা শহরের টাইগার হিল পয়েন্টে। টাইগার হিলই হচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘার চূড়া দেখার সবচেয়ে আদর্শ জায়গা। তবে কেউ কেউ যান সান্দাকপু বা ফালুট। আবার কেউ কেউ সরাসরি নেপালে গিয়েও কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্যবেক্ষণ করে থাকেন। তবে যাদের এসব সুযোগ মেলে না সেইসব বাংলাদেশি পর্যটকেরা কাঞ্চনজঙ্ঘার রূপ অবলোকন করতে ছুটে যান তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধায়। এখানে মেঘমুক্ত আকাশে দিনের প্রথম সূর্যকিরণের সঙ্গে সঙ্গেই চোখে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা। একটু বেলা বাড়লেই তেজোদীপ্ত রোদ যখন ঠিকরে পড়ে বরফাচ্ছাদিত পাহাড়ের গায়ে, কাঞ্চনজঙ্ঘা তখন ভিন্নরূপে ধরা দেয় পর্যটকের চোখে। যে রূপের টানে প্রতি বছর হাজারো পর্যটক আসেন তেঁতুলিয়ায়।

  • নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর  পালাতক স্বামী রনি শেখ

    নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর পালাতক স্বামী রনি শেখ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার পর স্বামী রনি শেখ পালাতক। নড়াইলে স্ত্রীকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যা। নড়াইলে নিজের ঘরের বিছানায় এক গৃহবধূকে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, শুক্রবার (৪ ননভেম্বর) দুপুরে সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের সড়াতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম আছিয়া বেগম (২২) তিনি ওই গ্রামের রনি শেখের স্ত্রী। তবে ঘটনার পর রনি শেখ পালাতক রয়েছেন।
    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত গৃহবধু আছিয়া একই গ্রামের এখলাছ শিকদারের মেয়ে। চার বছর আগে রনি শেখের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। তাঁদের আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই তাঁদের দাম্পত্য কলহ শুরু হয়। শোনা যায় রনির অন্য মেয়ের সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্ক থাকার কারণে তাঁদের মধ্যে দাম্পত্য কলহ ছিল। এদিনে দুপুর ১২টার দিকে রনিদের বসতঘরের জানালা দিয়ে আগুন দেখতে পেয়ে স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভান। এরপর ঘরে গিয়ে বিছানায় আছিয়ার গলাকাটা ও পুড়ে যাওয়া মরদেহ দেখতে পান তারা। বিছানার চাদর, তোষক,কাথা ও আছিয়ার গায়ের কাপড় পুড়ে গেছে।
    এ বিষয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, প্রথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দাম্পত্য কলহের কারনে রনি তাঁকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে ও পুড়িয়ে হত্যা করেছে।তবে রনি পালাতক রয়েছে। ওই বাড়িতে শিশুটিকে নিয়ে তাঁরা দুজনই থাকতেন। নিহতের লাশ নড়াইল সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী-সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী-সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধাদের ডিজিটাল সনদ বিতরণে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ উঠেছে। এদিকে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী ও সন্তানকে হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমানের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে প্রতিকার পেতে ভূক্তভোগী উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন।

    ভুক্তভোগী ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ি গ্ৰামের মরহুম বীর মুক্তিযোদ্ধা ছোবেদ আলীর স্ত্রী মোমেনা বেওয়ার লিখিত অভিযোগমতে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) দপ্তর থেকে গত ১নভেম্বর তাঁর মৃত স্বামীর ডিজিটাল সনদ গ্ৰহন করার বার্তা দেওয়া হয়। সে মোতাবেক তিনি তার ছোট ছেলে বাদল মিয়াকে সাথে নিয়ে সকাল ১০টায় ইউএনও অফিসে আসেন। ইউএনওর দপ্তরে সনদ বিতরণের দায়িত্বে ছিলেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান। সারাদিন অপেক্ষার পর তিনি জানান, আজ নয় পরের দিন আসতে হবে। এভাবে পরের দিনও কেটে যায়। তৃতীয় দিন বৃহস্পতিবার দীর্ঘ অপেক্ষার পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান জানান সনদ তার সৎ পুত্র নুর আমিনকে দেয়া হয়েছে। এতে তার ছেলে প্রতিবাদ করলে মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং এক পর্যায়ে দ্বিতল ভবনের ইউএনওর কক্ষ থেকে মারপিট করে বের করে দেন। চোখের সামনে নিজের ছেলের এই অবস্থা দেখে তিনি ঘটনাস্থলে অজ্ঞান হয়ে পড়েন পরেন। উপস্থিত জনতা তাকে উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। তিনি আরও বলেন, সনদ বিতরণ ইউএনও অফিস থেকে বিতরণ করার কথা থাকলেও প্রভাব খাটিয়ে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান স্বজনপ্রীতি ও অর্থ হাতিয়ে নিয়ে সনদ বিতরণ করে আসছেন। আমার মৃত স্বামীর সনদ আমাকে না দিয়ে আমার সৎপত্তিকে সনদ দিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করেছেন। সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মজিবর রহমান দীর্ঘদিন হতে মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন সমবায় সমিতির নামে টাকা তুলে আত্মসাত করে আসছেন। আমিও সেই সমিতির একজন সদস্য। আজ পর্যন্ত সমিতির আয় ব্যায়ের হিসাবে কেউ জানে না। তিনি প্রায় ৪শত মুক্তিযোদ্ধাকে তার এই সমিতির সদস্য করে অনেকটা জিম্মি করে রেখেছেন। সমিতির সদস্যদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করার পূর্বে সদস্যদের চেক বই তিনি জমা নিতেন। টাকা তুলে সমিতির মাসিক চাঁদা নিতেন। এসব টাকা দিয়ে তিনি ব্যবসায় খাটাতেন। এসব টাকার হিসাব আজ পর্যন্ত দেননি। গত ২০বছর যাবৎ তিনি বিভিন্ন সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কম্পিউটারের দায়িত্ব পালন করেন। আর এই কারণে বর্তমান প্রশাসনের তিনি প্রভাব বিস্তার করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে চলেছেন।

    সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মুজিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি নিজেকে কমান্ডার দাবি করে বলেন, এ সকল কার্যক্রম তাকেই করতে হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রশাসক মাত্র ‌।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস জানান, তিনি এখনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবেন।