Blog

  • কালীগঞ্জ পুলিশের চোখে পলাতক আসামী ইউএনও’র সঙ্গে অভিযানে

    কালীগঞ্জ পুলিশের চোখে পলাতক আসামী ইউএনও’র সঙ্গে অভিযানে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    পুলিশের চোখে পলাতক। অথচ অপহরণ মামলার প্রধান আসামী রুবেল কাউন্সিলর দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। শুধু প্রকাশ্যে ঘুরেই নয়, প্রশাসনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার সরব উপস্থিতি সবাইকে হতবাক করেছে। কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিনের সঙ্গে আসামী রুবেলের অভিযানের ছবি মঙ্গলবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে বিতর্ক ও তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। মঙ্গলবার বিকালে “ইউএনও কালীগঞ্জ ঝিনাইদহ” এর অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে অপহরণ এবং মারপিট মামলার প্রধান আসামী রুবেলকে ইউএনও সাদিয়া জেরিনের সঙ্গে অনিয়মতান্ত্রিক পার্কিং, যানজট ও ফুটপাত দখলে সচেতনতা মুলক অভিযানে অংশ নিতে দেখা যায়। আসামী রুবেল ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও শহরের খয়েরতলা গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে। কাউন্সিলর রুবেল একাধিক মাদক মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে উচ্চ আদালত থেকে জামিনে আছেন। জানা গেছে, গত ২৪ অক্টোবর কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অমিত সাহা বিষুকে অপহরণ ও মারপিট করা হয়। এ ঘটনায় তার মা শ্রীমতি ইতি শিকদার কালীগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে মামলা করেন, যার মামলা নং ১৮/২২। মামলায় প্রধান আসামী রুবেলসহ চার জনকে আসামী করা হয়। এ বিষয়ে কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কালীগঞ্জ থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই ভবতোষ রায় জানান, এই মামলার ৩ আসামী আদালত থেকে ইতিমধ্যে জামিন নিলেও প্রধান আসামী রুবেল কাউন্সিলর জামিন নেননি। তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে আসামী রুবেলের সম্পৃক্ত নিয়ে কিছুটা সন্দেহ থাকায় প্রকৃত ঘটনা জানতে পুলিশ সেদিনকার কল রেকর্ড (সিডিআর) তলব করেছে। সেটি পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, আমার সামনে কখনো রুবেল পড়েনি, তিনি পুলিশের চোখে পলাতক। বিষয়টি নিয়ে মামলার প্রধান আসামী কাউন্সিলর রুবেল মিয়া জানান, আমার নামে যে থানায় মামলা হয়েছে তা আমি জানি না। আর যদি কেউ করে থাকেন তবে সেটি মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমুলক। এ বিষয়ে বাদী পক্ষের আইনজীবী এ্যাডভোকেট আব্দুল মালেক মিনা জানান, অপহরণ ও মারপিট মামলার পলাতক আসামী ইউএনও বা পুলিশের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো অপরাধ ও গর্হিত কাজ। আসামীকে হয় জামিন নিতে হবে, নাইলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করবে। তিনি বলেন কালীগঞ্জের সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি অমিত সাহাকে অপহরণের পর মারপিট করা মামলার আসামী কি ভাবে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ায় তা বোধগম্য নয়। এতে মানবাধিকার খর্ব হয়।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ৯৭ পিচ ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ৯৭ পিচ ইয়াবাসহ ০২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় ০৯/১১/২০২২ তারিখ দুপুর ১১.৫০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানাধীন ১ নং ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ভদ্রাঘাট বাজার পশ্চিম খান পাড়া গ্রামস্থ আবুল উলাইয়া স্পিনিং লিমিটেড এর গেইটের সামনে এক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৯৭(সাতানব্বই) পিচ ইয়াবাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। মোঃ সোহাগ আলী(২৬), পিতা-মোঃ হামিদুল ইসলাম, সাং-কাচারীপাড়া ভদ্রঘাট, থানা-কামারখন্দ, ২। মোঃ হারুন শেখ(৩৪), পিতা-সালাম শেখ, সাং-রঘুনাথপুর, থানা-সিরাজগঞ্জ সদর, উভয় জেলা-সিরাজগঞ্জ।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৮

  • পঞ্চগড়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা

    পঞ্চগড়ে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও প্রতারণার অভিযোগে আদালতে মামলা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    সদর উপজেলার ৮নং ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের দুই সদস্যসহ অপর এক ব্যক্তির নামে ধর্ষণের ও প্রতারণার অভিযোগে পঞ্চগড়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে মামলা দায়ের করেছে (ছদ্মনাম, মনি আক্তার ) (৩২) এক নারী।

    মামলার অভিযুক্তরা হলেন:-যতনপুকুরি গ্রামের মৃত: আলতাফ এর ছেলে ইউপি সদস্য আশরাফুল ইসলাম ওরফে (গোদলু) (৪০), একই এলাকার সাবুলের স্ত্রী ইউপি সদস্য সুরাইয়া বেগম (৩৫) ও মৃত রিয়াজ উদ্দীনের ছেলে সাবুল(৪২)।

    মামলার বাদিনী (ছদ্মনাম, মনি আক্তার) সদর উপজেলার ৮নং ধাক্কামারা দক্ষিণ যতনপুকুরি লতিফুর রহমানের স্ত্রী।

    দুই সন্তানের জননী (ছদ্মনাম, মনি আক্তার ), নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

    এদিকে ইউপি সদস্য আশরাফুল, (১,২,৩) ওয়ার্ডের মহিলা ইউপি সদস্যা সুরাইয়া ও তার স্বামীর সাথে পরামর্শ করে তাদের বাসায় সুযোগ করে দেয়ার জন্য কথা হলে তাদের আশ্বাসে জমি কিনে দেয়া ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে জোর করে ধর্ষণ।

    মামলা সূত্রে জানা যায়, তার স্বামী কাজের জন্য দীর্ঘদিন ঢাকায় অবস্থান করার সুযোগে ৮নং ধাক্কামারা ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়াডের সদস্য আশরাফুল ইসলাম ওরফে (গুদুলু) ওই নারীর একাকীত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতিনিয়ত কথাবার্তা হতো তাদের।

    এক পর্যায়ে একাকীত্ব ও সরল বিশ্বাসের সুযোগে তাকে মিথ্যা ভালবাসা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দেহভোগের প্রস্তাব দিলে তিনি ওই প্রস্তাবে রাজি না হওয়াতে ইউপি সদস্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে।

    পরে সু-কৌশলে ইউপি সদস্য বিয়ের প্রলোভনে বাড়ি করার জন্য জমি কিনে দেয়ার নাম করে ইউপি সদস্য সংরক্ষিত মহিলা (১,২,৩) ওয়ার্ডের সুরাইয়া ও তার স্বামী সাবুলের সহায়তায় (ছদ্মনাম, মনি আক্তার) কাজ থেকে তিন দফায় ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭০০ টাকা হাতিয়ে নেয়।

    মামলাটির বিষয়ে এ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান সুজন ও এ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান রাজন জানায়, ধর্ষিত ও প্রতারিত ওই নারী ন্যায় বিচারের জন্য অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরে সহায়তা চেয়েও কোন সহায়তা পাননি।

    ন্যায় বিচার পাবার আসায় তিনি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআইকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানায় তারা।

    হুমকি ও ভয়ভীতি দেখিয়ে ইউপি সদস্যা সুরাইয়ার ভাড়া বাসায় ওই নারীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন আশরাফুল।

    এ বিষয়ে (ছদ্মনাম, মনি আক্তার) জানায়, মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে আমার সব কিছু কেড়ে নিয়েছে তারা। আমি জমি কিনে বাড়ি বানিয়ে ও বিয়ের কথা বললে মেরে ফেলে লাশ গুম করার হুমকি দেয় অভিযুক্তরা।

  • পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাটে মর্মান্তিক ঘটনায়  নৌকাডুবির সত্তর লাশ উদ্ধার

    পঞ্চগড়ের করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাটে মর্মান্তিক ঘটনায় নৌকাডুবির সত্তর লাশ উদ্ধার

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম,তেতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার আউলিয়ার ঘাট এলাকার করতোয়া নদীতে মর্মান্তিক নৌকাডুবির ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর ভূপেন্দ্রনাথ বর্মন ওরফে পানিয়া (৪০) নামে আরও একজনের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মোট সত্তর জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

    বুধবার (৯ নভেম্বর) বিকেলে নৌকা ডুবিরস্থানে নদী থেকে বালি উত্তোলনের সময় বালির নিচ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত ভূপেন্দ্রনাথ বর্মন ওরফে পানিয়া দেবীগঞ্জ উপজেলার শালডাঙ্গা ইউনিয়নের ছত্রশিকারপুর হাতিডুবা গ্রামের মদন চন্দ্রের ছেলে।

    এ বিষয়ে বোদা উপজেলা সহকারী কমিশন (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইমরানুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখ দুপুরে উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়নের আউলিয়া ঘাট এলাকার করতোয়া নদীতে শতাধিক যাত্রী নিয়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এ মর্মান্তিক ঘটনায় নদী থেকে ৬৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে নৌকাডুবির ঘটনার প্রায় দেড় মাস পর আরও একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট ৭০ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তিনি জানান, আরও দু’জনের লাশ এখনও নিখোঁজ আছে।

    উল্লেখ্য, গত সেপ্টেম্বর মাসের ২৫ তারিখ রোববার বিকেলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসবের পুণ্যলগ্ন শুভ মহালয়া উপলক্ষে প গড়ের বোদা, পাঁচপীর, মাড়েয়া, ব্যাঙহারি এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীরা নৌকায় করে বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিলেন। নৌকাটির ধারণক্ষমতা ৫০ থেকে ৬০ জন হলেও তাতে পারাপার হচ্ছিলেন শতাধিক যাত্রী। একপর্যায়ে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতেই নৌকাটি উল্টে যায়।

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • এমপি রতন ও তার ভাইয়ের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবিতে  স্মারকলিপির কার্যকর ভূমিকার অপেক্ষায় ১আসনের জনগণ

    এমপি রতন ও তার ভাইয়ের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপির কার্যকর ভূমিকার অপেক্ষায় ১আসনের জনগণ

    কে এম শহীদুল সুনামগঞ্জঃ

    সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলায় সরকারী টাকায় শেখ হাসিনার মুর‌্যাল থেকে এমপি মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও তাঁর ভাই উপজেলা চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকনের ছবি অপসারনের দাবিতে একটি স্মারকলিপি জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে। গত রোববার জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ স্মারকলিপি প্রদান করেন মধ্যনগর উপজেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, মধ্যনগরে সরকারি টাকায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সম্বলিত ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে। মুর‌্যালে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় কর্তৃক অনুমোদিত ডিজাইন উপেক্ষা করে, নিজের ব্যাক্তিগত ক্ষমতায় সুনামগঞ্জ- ১ আসনের সংসদ সদস্য মোয়াজ্জেম হোসেন রতন ও তাঁর ভাই অন্য উপজেলার চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হোসেন রোকনের ছবি স্থাপন করা হয়েছে। যার কারনে ফুঁসে উঠেছে মধ্য নগর এলাকাবাসী ও ১আসনের জনগণ। এবং ৩ দফা দাবী জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে স্মারকলিপি উপস্থাপন করেন তারা। দাবিগুলোর মধ্যে মুর‌্যাল থেকে এমপি ও তার ভাইয়ের ছবি অপসারণ, স্থাপত্য কর্মের মূল ডিজাইন পরিবর্তনের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে এমপি রতন ও তার ভাইয়ের উপযুক্ত শাস্তির দাবী জানানো হয়েছে ঐ স্মারকলিপিতে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর সুউচ্চ মর্যাদায় এমপি রতন ও তার ভাই রোকন আঘাত করেছে বলে মনে করছেন অভিযোগ কারীরা। পাশাপাশি স্মারকলিপির কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করে জনগণের মনে জাতির পিতার আদর্শের সঠিক মুল্যায়ণ বাস্তবায়ন হবে সেই আশায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী এমনটি প্রত্যাশা সুনামগঞ্জ মধ্য নগর উপজেলা বাসীসহ অভিযোগ কারীদের।
    এছাড়া ও ঐ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইতি মধ্যে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে ঐ এমপির বিরোদ্ধে। তাছাড়া সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঐ এমপির বিরুদ্ধে অনেক অনিয়ম দূর্নীতির ধারাবাহিক প্রতিবেদন বার বার প্রকাশ পেলেও কার্যকর কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না ? যা দলের প্রতি সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশার জন্ম দিয়ে চলেছে বরাবরের মত।
    এমনকি দুদকের তালিকায় বাংলাদেশের অনেক এমপিদের মধ্যে দূর্নীতির জালেও রয়েছে ঐ এমপির নাম। সময় বদলায়? যোগ বদলায় কিন্তু এসব অনিয়ম দূর্নীতিবাজরা কি ভাবে পার পেয়ে যায় সেই দৃশ্য যেমন ভেসে উঠতে শুরু হয়েছে জনগণের সামনে। তেমনি দলের প্রতি সাধারণ মানুষের এসব নেতাদের কার্যকলাপের কারনে দিন দিন আস্তা হারাতে শুরু হয়েছে ।
    দল এবং সরকারের স্বপ্নের সঠিক বাস্তবায়নের জন্য ঐ সমস্ত নেতাদের থেকে ক্ষমতার শিখর কেড়ে নিয়ে নতুন প্রজেন্মের দেশ প্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের নেতাদের আগামীতে সুযোগ দিবেন বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সেই দৃশ্য দেখার জন্য অপেক্ষায় দিন গুনছেন ত্যাগী আদর্শের নেতারা এমনটি বাস্তবায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন সুনামগঞ্জ ১আসনের সাধারণ জনগণ। ##

  • পটিয়ায় চলাচল রাস্তায় সীমানা প্রাচীর নিমার্নে বাধা

    পটিয়ায় চলাচল রাস্তায় সীমানা প্রাচীর নিমার্নে বাধা

    পটিয়া প্রতিনিধিঃ পটিয়া উপজেলার হাইদগাঁও ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে চলাচল রাস্তায় সীমানা প্রাচীর নিমার্ণকে কেন্দ্র করে রানু আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধূকে মারধর করার অভিযোগ ওঠেছে। গৃহবধূ স্থানীয় আইয়ুব আলীর স্ত্রী। গত ১৩ অক্টোবর সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। হামলার এক পর্যায়ে রানু আক্তারকে এলোপাতাড়ি মারধর করে ফুলা জখম করে ও শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে।
    এদিকে চলাচল রাস্তায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার পায়তারার ঘটনায় পটিয়া ১ম সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে একটি অপর মামলা করা হয়েছে। মামলা নং ২৯৬/২৯। আদালত স্থানীয়ভাবে পরিদর্শন করেন। আদালতের এডভোকেট কমিশনার মোঃ এমদাদ উল্লাহ চৌধুরী পরিদর্শনের একটি প্রতিবেদন দিয়েছেন। এর মধ্যে ১০০ হাত দৈর্ঘ্য ও সাড়ে ৩ হাত প্রস্থের চলাচলের রাস্তা। ওই রাস্তায় ব্রিক সলিন সরকারি রাস্তা রয়েছে। উক্ত চলাচলের রাস্তা ছাড়া ৩টি বসত বাড়ি হতে সরকারি চলাচলের রাস্তা পর্যন্ত আর কোন বিকল্প পথ দেখেননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন।
    মোহাম্মদ আলী বাদী হয়ে পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে একটি এ সংক্রান্তে অভিযোগও করেছেন। গত ২৩ অক্টোবর পটিয়া থানায় বিরোধীয় বিষয় নিয়ে একটি বৈঠক করেন। এতে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে চলাচলের রাস্তা বাবদ ২ লাখ দিতে হবে৷ এ সিদ্ধান্ত অমান্য করে জোরপূর্বক চলাচলের রাস্তায় সীমানা প্রাচীর করছে।

  • কালীগঞ্জে আগাম আমন ধান কাটা শুরু

    কালীগঞ্জে আগাম আমন ধান কাটা শুরু

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলনের স্বপ্ন দেখছেন কৃষকেরা। এখন আমন মৌসুম চলছে। বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে হলুুুদ লালচে সোনালী ধান খেত। যতো দূর চোখ যায়, কেবল হলুুুদ লালচে সোনালী আর হলুুুদ লালচে সোনালী। এমন অপরুপ দৃশ্য দেখে সবাই মুগ্ধ। আর কেয়েক দিনের মধ্যে পুরো পুরি ভাবে পাকা ধান কাটা শুরু হবে। গোলায় উঠাবে নতুন ফসল। এবার আমনের ধান রোপণে কিছুটা দেরি হলেও ফসল তোলা নিয়ে আশাবাদী কৃষকরা। সব কিছু ঠিক থাকলে আমনের বাম্পার ফলনে দেরির ক্ষতিটা পুষিয়ে যাবে বলে আশা করছেন কৃষকরা।

    গত(৮ই সেপ্টেম্বর)২০২২ইং সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিনে ঘুরে এমনই চিত্র দেখা গেছে,কয়েকদিনের মধ্যেই কৃষক ধান কাটা নিয়ে ব্যস্থহয়ে যাবে মাঠের পর মাঠ এখন হলুুুদ লালচে সোনালী রংঙ্গে যা দেখে কৃষকের মন আনন্দে ভরে যাচ্ছে। এতোদিনের পরিশ্রমের ফসল তারা ঘরে তোলার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। অপেক্ষার দিন শেষে তারা সোনালী ধানে গোলা ভরবেন এমনই স্বপ্নে বিভোর লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কৃষকদের।

    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা মাহমুদা খাতুন, জানান, কালীগঞ্জ উপজেলায় ১৭হাজার ৩৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধান রোপন হয়চ্ছে। উৎপাদন লক্ষ মাত্রা ৫০হাজার ৭৪৩ মেট্রিক টন।অনুকূল আবহাওয়া থাকায় এবং নিবিড় পরিচর্যাসহ যথা সময়ে জমিতে সার ও কীটনাশক দেওয়ায় এবার আমনের ধানের লক্ষ মাত্রা পূরন হবে বলে আশা করছেন।

    হাসমত উল্লাহ।

  • বানারীপাড়ায় সৈয়দকাঠীতে আগুন লেগে দুইটি দোকান পুড়ে ছাই

    বানারীপাড়ায় সৈয়দকাঠীতে আগুন লেগে দুইটি দোকান পুড়ে ছাই

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় সৈয়দকাঠী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বটতলা বাজারে গতকাল ৮ নভেম্বর মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুর রাজ্জাক হুজুরের দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আগুনের সূত্রপাত বৈদ্যুতিক শট-সার্কিট এর কারণে। এক পর্যায়ে আগুন তীব্র আকারে ধারণ করে এ থেকে একটি কাপড়ের দোকান ও একটি ওষুধের ফার্মেসী পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এদিকে বালিপাড়া থেকে ফায়ার সার্ভিস আসতে এক ঘন্টা দেরি করে আশায় ততক্ষণে সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিস দেরি হওয়ার কারণ হিসেবে জানা গেছে ফায়ার সার্ভিস ড্রাইভার মোঃ নান্নু তিনি এই রাত্রে স্টেশনে উপস্থিত ছিলেন না ওনার বাড়ি পার্শ্ববর্তী উজিরপুর থানায় ওখান থেকে আসতে এক ঘন্টা দেরি হওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিস ওই স্থানে পৌঁছাতে পারেনি এ থেকে জনগণের এক প্রকার ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মরত দায়িত্বে থাকা মোঃ আবুল কালাম আজাদ মুঠোফোনে জানান আমরা কল পাওয়ার সাথে সাথে ফেরিঘাটে অবস্থান করি ওখানে ফেরি চালক না থাকায় আমি সাথে সাথে বানারীপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদায়কে ঘটনাটি জানিয়েছি ।এরপর বানারীপাড়াথানায় অবস্থান করে তাদেরকে অবহিত করেছি ।এক পর্যায় জানতে পেরেছি ফেরীর চালক স্টেশনে না থাকার কারণে ওই জায়গায় সময়মতো যেতে পারিনি।এ বিষয় সৈয়দকাঠী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আনোয়ার হোসেন মৃধা জানান আগুন লেগে আব্দুর রাজ্জাকের দুটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে অন্তত সাত-আট লাখ টাকার ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

  • সাংবাদিক হাফিজের রোগমুক্তি কামনা

    সাংবাদিক হাফিজের রোগমুক্তি কামনা

    মোংলা প্রতিনিধি
    মোংলা প্রেস ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার মোংলা প্রতিনিধি মোঃ হাফিজুর রহমান অসুস্থ হয়ে খুলনার আদদ্বীন হসপিটালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার সন্ধ্যায় মোংলা পৌর শহরের মাদ্রাসা রোডের নিজ বাড়ীতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাৎক্ষণিক তাকে খুলনায় নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি খুলনায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    তার রোগ মুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিবৃতি দিয়েছেন মোংলা প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় সাংবাদিকেরা। এছাড়াও সাংবাদিক হাফিজের দ্রুত সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবারসহ মোংলা টাইমস পরিবারের সদস্যরা। উল্লেখ্য, সাংবাদিক হাফিজুর রহমান ফেসবুক ভেরিফায়েড পেইজ মোংলা টাইমসের চেয়ারম্যানও।

  • তারাকান্দায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং

    তারাকান্দায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে ইউএনও’র বাজার মনিটরিং

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় গুজব কে পুজি করে যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি করতে না পারে এবং দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের নাগালে রাখতে বাজার মনিটরিং করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত ।

    বুধবার (৯নভেম্বর) উপজেলার প্রধান এলাকা তারাকান্দা বাজারে এ মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর নেতৃত্বে অভিযানে অংশ নেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার জনাব কাওছার আহমেদ খান, উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর জনাব মজনু। মূলত ফসলের বীজের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে এসময় নির্ধারিত মূল্যের অধিক মূল্য রাখায় এক বিক্রেতা ৫০০০৳ অর্থদণ্ড করা হয়। এছাড়াও, মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রি করার অপরাধে আরও ৩ ব্যবসায়ীকে বিভিন্ন পরিমাণে অর্থদণ্ড করা হয়।

    অভিযানে ইউএনও ব্যবসায়ীদের মৌখিক ভাবে সতর্ক করে বলেন, কোন গুজবে কান দিয়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য অবৈধভাবে বৃদ্ধি করা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। একই সাথে এই বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি ইতিমধ্যে উপজেলার প্রতিটি বাজারে এই প্রচার শুরু হয়েছে। ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়কে রশিদ প্রদান করতে হবে। ব্যবসায়ীকে প্রতিদিন প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের তালিকা বাজার তদারকি টিম প্রদানের কাছে দিতে হবে।

    এদিকে ইউএনও’র এ অভিযান যাতে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও হাট বাজারে অব্যাহত থাকে সে প্রত্যাশাও করেন তারাকান্দাবাসী।