Category: অপরাধ

  • MTFE সিইও  শিবির নেতা আকরাম দম্পতির প্রতারনায় নিঃসম্বল পাচঁশত পরিবার

    MTFE সিইও শিবির নেতা আকরাম দম্পতির প্রতারনায় নিঃসম্বল পাচঁশত পরিবার

    বিশেষ প্রতিবেদন। পর্ব ৫।।
    বানারীপাড়ায় MTFE এর সিইও দম্পতি আকরাম ও লামিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ তাদের মাষ্টার প্লানে নিঃসম্বল হয়েছে প্রায় পাচঁশত পরিবার । অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে বানারীপাড়ায় একমাত্র MTFE এর সিইও দম্পতি আকরাম হোসেন ওরফে আবু সালেক ও তার স্ত্রী লামিয়া আক্তার মিম। আবু সালেক ওরফে আকরাম তার বাড়ি বানারীপাড়ার ৬নং ওয়ার্ডে অবস্থিত। সোজাকথায় বানারীপাড়া বন্দর হাইস্কুল মাঠের দক্ষিন ও পশ্চিম কর্নারে অবস্থিত তার বাড়ি যেখানে রয়েছে তাদের পরিবারের তিনটি আলিশান বাড়ি যার মধ্যে দুটি চার তলা একটি একতলা বিল্ডিং এছাড়াও বাড়ির সামনে রয়েছে মার্কেট যার মধ্যে একটি তারা নতুন তুলেছেন। খবর নিয়ে জানাযায় আবু সালেক ওরফে আকরাম তিনি শিবিরের রাজনীতির সাথে জড়িত তিনি বানারীপাড়া পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের শিবিরের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি শিবির করার বদৌলতে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল চাকুরী পান। তিনি বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল বরিশাল পুরাতন কয়লাঘাট শাখার রিসিপশনে নিয়োজিত আছেন।

    অভিযোগসুত্রে জানাগেছে তিনি শিবির নেতা আব্দুর রহমানের সাথে শিবির করার সুত্রে ডেসটিনিও করেছেন। যেখানে তিনি শত পরিবারের সাথে করেছিলেন প্রতারনা। এবার MTFE এর মালিক পক্ষ হাফেজ আব্দুর রহমানের বাম হাতের মধ্য দিয়ে আবু সালেক শুরু করেন MTFE প্রতারনা। আবুল সালেক বা আকরাম বানারীপাড়ায় নামিদামি সিইও এর মধ্যে একজন যে কিনা তার স্ত্রী লামিয়া আক্তার মিমকেও বানিয়ে ছিলেন সিইও। অর্থাৎ বানারীপাড়ায় একমাত্র দম্পতি সিইও বলতে ছিলেন আকরাম ও মিম। মূলত তিনি নিজের স্ত্রীকে দিয়ে MTFE এর নারী সদস্য সংগ্রহে ব্যবহার করতেন ,আর এভাবেই তিনি লামিয়াকে বানিয়েছিলেন MTFE এর সিইও । এর থেকে প্রায় আড়াইশত নারী প্রতারিত হয়েছেন ও সালেকে হাতে প্রতারিত হয়েছেন প্রায় তিনশত পরিবারের পুরুষ। আবু সালেক বা আকরাম MTFE এর নিজের সেমিনার হলে সেটি তিনি নিজের বাড়ির ছাদে আয়োজন করতেন আর তার স্ত্রীর সেমিনার হলে বানারীপাড়ার লারিসা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজন করাতেন। এছাড়াও চাকরির সুবাদে তিনি বরিশালেও গড়েছিলেন ব্যপক বিনিয়োগকারী তাই সালেক বা মিমের বড় সেমিনার হলে আয়োজন করতেন বরিশালের বড় বড় চাইনিজে । স্বামী ও স্ত্রী দুজনেই সিইও হওয়ায় তারা দুজনে MTFE থেকে বেতন পেতেন ৭০০ ডলার করে ১৪০০ ডলার এছাড়ার তাদের দুজনের দুজন এসিটেন্ড ছিলো যাদের MTFE বেতন দিত বাংলা টাকার প্রায় ৪০হাজার টাকা মত । সম্ভবত তদের এসিটেন্ডের নাম ছিলো রাজু তবে তার স্ত্রী লামিয়ার এসিটেন্ডের নাম পাওয়া যায়নি।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিনিয়োগকারী জানান, প্রোফিট ও কমিশন মিলিয়ে হাজার ডলারের উপরে প্রতিদিন ইনকাম ছিলো তাদের। এছাড়া বেতন ,সেমিনার ফি ও অফিস ভাড়া ছিলো আলাদা। তিনি আরও জানান ছালেকের ছিলো ডলারের অবৈধ ব্যবসা। তিনি ডলার কিনতেন ও ডলার বিক্রি করতেন। যা তিনি বাইন্যান্সের মাধ্যমে করতেন।

    আবু সালেকের প্রতারনার মূল চাবী ছিলো ধর্ম । তিনি ধর্মকে অপব্যবহার করে MTFE প্রতারনার ফাদঁ পাততেন বা সদস্য সংগ্রহ করতেন। তিনি সর্বদাই সেমিনারে নামাজের উদ্ধৃতি দিতেন। এছাড়াও সেমিনারে ছালেক বলতেন MTFE একটি মাষ্টার প্লান নিয়ে এগোচ্ছে। MTFE দশ বছরের মাষ্টার প্লানে তাদের বিজনেসটি পৃথিবীব্যাপী ছড়িয়ে দিবেন। ছালেক আরও বলতেন MTFE একটি চ্যারাটি ফার্ম এটি সমাজ উন্নয়নে কাজ করে। শ্রীলঙ্কা যে দুরাবস্তার মধ্যে পরেছে MTFE তাদের ঘুরিয়ে দাড় করিয়েছে। এছাড়াও তিনি MTFE এর কমিশন খাওয়া দালালির পক্ষে উদ্ধৃতি বলতেন ওরা অর্থাৎ MTFE যদি থাকে তাহলে MTFE এর লাভ অর্থাৎ MTFE যাবেনা। তিনি MTFE নিয়ে উদাহরন টেনে বলতেন MTFE একটি সোনার ডিম পাড়া হাঁস, যদি ওরে জবাই দিয়া খাইলাম তাহলে একদিনে শেষ আর যদি বাইচা থাকে তাহলে প্রতিদিন খাবো। যেহেতু ওদের লাভ তাই ওরা যাবেনা দশ বছর থাকবে। এছাড়াও তিনি বলেছেন MTFE এর মাষ্টার প্লানে আমাদের উন্নয়নে ও আমাদের সমাজ উন্নয়নে MTFE এর একশত স্কুল প্রতিষ্ঠা করবে আগামী দশ বছরে এর মধ্যে আমাদের অর্থাৎ MTFE এর পাচঁটি স্কুল বাজেটে রয়েছে যার মধ্যে এক একটি স্কুলের বাজেট সাড়ে আট কোটি থেকে প্রায় নয় কোটি টাকা বাজেট এই বিগ এমাউন্টের ধারনা দিয়ে তিনি MTFE তে বিনিয়োগ করাতেন বা প্রতারনা করতেন । এছাড়াও তিনি MTFE কে নিজের বলে দাবি করে বলতেন তাদের বাজেট আছে ও MTFE যাবেনা।

    এদিকে এক বিনিয়োগকারী জানান MTFE পালানোর পর আর আবু ছালেক বা আকরামকে আর খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা এছাড়াও তিনি ফোন নাম্বার বন্ধ রেখেছেন। তবে খোজ নিয়ে জানাগেছে তিনি তার শশুর বাড়ি সম্ভবত মেহেন্দিগঞ্জে গাঁঢাকা দিয়েছেন। তবে তিনি নিয়মিত অফিস করছেন। এছাড়াও লোকমুখে শোনাযাচ্ছে তিনি বরিশালে MTFE এর টাকায় জমি ও ফ্লাট কিনেছেন ।

    তবে ফ্লাট ও বাড়ির বিষয়টির সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি কারন তার ব্যক্তিগত এই 01636-204244 নম্বরটি বন্ধ ছিলো।

    এদিকে বানারীপাড়া সচেতন মহলের দাবী আবু ছালেক বা আকরামের সমাজ উন্নয়ন,আমাদের উন্নয়ন ,স্কুল করা বা মাষ্টার প্লান সবকিছুই যে ছিলো তার মাষ্টার প্লানের প্রতারনা সেটি জনগন বুঝতে পারেনি তাই আবু সালেক বা আকরাম’কে অতিসত্বর গেফতার করে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দেয়া হোক ।এছাড়াও তিনি ছিলেন হাফেজ আব্দুর রহমানে সহযোগী তাই আবু সালেক’কে গ্রেফতার করলে সকল বিড়াল বেরিয়ে আসবে। তবে ছালেক যেন বরিশাল থেকে পালাতে না পারেন সে ব্যবস্থা যেন প্রশাসন করে।

    বিঃদ্রঃ পরবর্তীতে সিইও আবু সালেকের ভিডিও প্রতিবেদন নিয়ে আসছি….

  • প্রতারক রহমান দুবাই গিয়ে বানারীপাড়া MTFE বিনিয়োগকারীদের দেখালের বিজয় চিহ্ন

    প্রতারক রহমান দুবাই গিয়ে বানারীপাড়া MTFE বিনিয়োগকারীদের দেখালের বিজয় চিহ্ন

    বিশেষ প্রতিনিধি।
    প্রতারক আব্দুর রহমান দুবাই গিয়ে বানারীপাড়া MTFE বিনিয়োগকারীদের দেখালের বিজয় চিহ্ন। বানারীপাড়ায় এখন প্রতারণার একটি নাম আব্দুর রহমান। আব্দুর রহমান যিনি নিজে একজন হাফেজ তার পিতা একজন মাওলানা নাম তার আব্দুল মান্নান বা মান্নান মাওলানা। আব্দুর রহমানের বাড়ি বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের ফকির বাড়ি। তিনি মাদ্রাসা থেকে পাস করার পর জড়িয়ে পরেন জামায়াতের ছাত্র সংগঠন শিবিরের রাজনীতিতে। তার এলাকায় এমন জনশ্রুতি আছে যে তিনি একসময় জঙ্গীবাদের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পরেছিলেন। পরবর্তীতে যার্বের একশনের ভয়ে তিনি সেখান থেকে বেড়িয়ে এসে যোগ দেন ডেসটিনিতে। বানারীপাড়া বন্দর বাজারের ময়দার মিলে তিনি ডেসটিনির অফিস ও নিয়েছিলেন। তখন তিনি ডেসটিনিতে বিনিয়োগ ও পাইওনিয়ার গাছ বিক্রির নামে হাতিয়ে নিয়েছিলেন দুই থেকে তিন কোটি টাকা। যখন ডেসটিনি গ্রুপ বাংলাদেশ থেকে ব্যান হয়ে যায় তখন বানারীপাড়ায় নিঃশ্ব করেছিলেন শত শত পরিবার। তারপর থেকে তাকে আর দেখা যেত না। তারপর তিনি চলে যান কুয়েতে সেখানে বেশ ভালো আয় বানিজ্য শুরু করেন। তিনি সেখানে তার আত্মীয়স্বজন নিয়ে শুরু করেন সুদের ব্যবসা অর্থাৎ কোন কুয়েত প্রবাসী যদি সমস্যায় পরতেন তাহলে তিনি তাকে সুদে টাকা দিতেন। এরপর তিনি চলে যান দুবাইতে তার পুরোনো ডেসটিনি গ্রুপের কাছে। দুবাইতে কিছু সময় অতিবাহিত করে MTFE এ্যাপটি নিয়ে
    দেশে ফিরে, তার পুরোনো ডেসটিনি গ্রুপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেন ও পরবর্তীতে তিনি নিজে নতুন MTFE গ্রুপ করেন এবং বানারীপাড়া,উজিরপুর,বাবুগঞ্জ বরিশাল ও ঝালকাঠি সহ বরিশাল বিভাগে রাজত্ব শুরু করেন। তাকে সকলে MTFE বস বলে ডাকতেন। তারপর তিনি আবার চলে যান দুইাইতে মাস দেড়েক পূর্বে তিনি বাংলাদেশে ফেরেন এবং কিছু দিন থেকে আবারও চলে যান দুবাইতে এবং MTFE এর হেড অফিস থেকে তিনি বিজয় সুচক অর্থাৎ Victory এর ভি চিহ্নটি দেখিয়ে একটি ছবি পাঠান হোয়াইটস আপ গ্রুপে। তখনও বানারীপাড়ার সাধারন মানুষ ভাবতে পারেনি তিনি বানারীপাড়ার MTFE বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশ্যে কেন ভি চিহ্নিত ছবি পাঠিয়েছেন। তবে আজ বানারীপাড়ার হাজার হাজার পরিবারের মানুষ বুঝতে পেরেছে কেন কিছুদিন পূর্বে তিনি বিজয় সুচক চিহ্নিত ছবি পাঠিয়েছেন। কারন হাফেজ আব্দুর রহমান তার উদ্দেশ্য সফল করেই দুবাইয়ের MTFE হেড অফিসে গিয়েছিলেন। হাফেজ আব্দুর রহমান বরিশাল বিভাগ ও তার সারাদেশে পুরোনো ডেসটিনি গ্রুপের সদস্যদের ব্যবহার করে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা নিয়ে দুবাইয়ের হেড অফিসে পৌছেছেন এবং তিনি দুবাইয়ের হেড অফিসে পৌছানোর পর শুধু এক সপ্তাহ উড্রো ও ট্রান্সফার সচল ছিলো পরবর্তী তিন সপ্তাহে আর উড্রো ও ট্রান্সফার হয়নি বরং বিনিয়োগকারীদের উল্টো ঋৃনগ্রস্থ বানিয়ে অর্থাৎ মাইনাস দিয়ে চলে গেছে MTFE। আবার পরবর্তী দিন বিনিয়োকারীদের MTFE উল্টো থ্রেড করে যে মাইনাসের টাকা অর্থাৎ ঋৃনের টাকা যদি ফেরত না দেয়া হয় তাহলে উকিল নোটিশ করবে। যদিও এই থ্রেডটি ছিলো MTFE তে যারা বিনিয়োগ করেছেন তারা যাতে তাদের CEO প্যানেলের উপর আইনি একশনে না যায় তার জন্য অর্থাৎ জনগণদের ভয় দেখানোই ছিল তাদের মূল কাজ। তার পরের দিন থেকে এ্যাপটি বন্ধ রয়েছে। এ্যাপটিতে এখন আর লগ ইন হচ্ছে না।

    এদিকে হাফেজ আব্দুর রহমানের এক প্রতিবেশী জানান তার সকল নিকট আত্মীয় ইতিমধ্যে বানারীপাড়ার সলিয়া বাকপুরের বাড়ি ছেড়েছেন তারা কিছুদিনের মধ্যেই দুবাইয়ের ফ্লাইটে উঠবেন। তারা তাদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন এছাড়াও তারা প্রতারক হাফেজ আব্দুর রহমানকে যদি কোন সময়ে বাংলাদেশে দেখা যায় তাকে পার্শ্ববর্তী থানায় গ্রেফতার করানোর অনুরোধ করেছেন। এছাড়াও তারা বাংলাদেশী এ্যম্বাসেডর ও সিইওদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়েছেন।

  • আদিতমারীতে উপড়ে দিলো ৪ হাজার শসাগাছ দুর্বৃত্তরা

    আদিতমারীতে উপড়ে দিলো ৪ হাজার শসাগাছ দুর্বৃত্তরা

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলায় দুই বিঘা জমির ফল ভর্তি প্রায় ৪ হাজার শসা গাছ উপড়ে দিয়েছেন দুর্বৃত্তরা।

    আদিতমারীর উপজেলার বড় কমলাবাড়ি জোরা মন্দির এলাকায় দিনগত রাতে দুই কৃষকের জমিতে থাকা প্রায় ৪ হাজার শসা গাছ উপড়ে ফেলা হয়। জানা গেছে, জমি বর্গা ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ৪০ শতাংশ জমিতে শসার চাষ করেছিলেন কৃষক সুধাংশু বর্মণ। সেসব গাছে ফল ধরাও শুরু হয়। আর মাত্র ১০-১২ দিনের মধ্যে শসা বাজারে তোলা যেত। কিন্তু মঙ্গলবার সকালে তিনি ক্ষেতে গিয়ে দেখেন কেউ সব গাছ উপড়ে ফেলে দিয়েছে।

    একই অবস্থা তার প্রতিবেশী সুখ চান চন্দ্রেরও। তারও বর্গা নেওয়া ২১ শতাংশ জমিতে চাষ করা সব শসা গাছ উপড়ে ফেলা হয়। তার ক্ষেতে শসা ধরতে শুরু করেছিল। আগামী সপ্তাহে তার শসা বাজারে পাঠানোর কথা ছিল।

    ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সুধাংশু বর্মন জানান, নিজের কোনো জমি নেই। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে শসা চাষ করি। রাতের আঁধারে ক্ষেতের সবগুলো গাছ উপড়ে ফেলে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। গত বছর এ জমি থেকে দেড় লাখ টাকার শসা বিক্রি করেছিলাম। এ বছর দুই লাখ টাকার শসা বিক্রির স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দুর্বৃত্তরা তার সেই স্বপ্ন রাতের আঁধারে ভেঙে দিয়েছে।

    অপর কৃষক সুখ চাঁন জানান, বর্গা নেওয়া ২১ শতাংশ জমিতে গরু বিক্রির ২৫ হাজার টাকা খরচ করে শসা চাষ করেছিলাম। আবাদ উঠলে শসা বিক্রি টাকা। সেই টাকা দিয়ে গরুর খামার গড়ে তোলার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু দুর্বৃত্তরা সেই সব স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছে।

    মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনায় অজ্ঞাতদের নামে আদিতমারী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সুধাংশু বর্মণ (৪০)। সেই সঙ্গে একই বিষয়ে অপর কৃষক সুখ চাঁন (৩২) বাদী হয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার বরাবর অপর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

    আদিতমারী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পুঠিয়ার পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষণ মামলা 

    পুঠিয়ার পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে আবারও ধর্ষণ মামলা 

    পুঠিয়া রাজশাহী প্রতিনিধিঃ

    আবারও ধর্ষন মামলায় পড়লেন রাজশাহীর পুঠিয়ার পৌর মেয়র ও সাবেক উপজেলা বিএনপির নেতা আল মামুন খানের বিরুদ্ধে আরও এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে পুঠিয়া থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন।  ঘটনার পর থেকে মেয়র আল মামুন পলাতক রয়েছেন। 

    থানা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান মেয়র সঙ্গে জোরপূর্বক একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই নারী বাদী হয়ে ৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে থানায় ধর্ষণের একটি অভিযোগ দেন। আর সোমবার সকালে অভিযোগটি মামলা ভুক্ত করা হয়েছে। সত্যতা প্রমানের জন্য

     ভুক্তভোগীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সোমবার দুপুরে রামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়েছেন।ভুক্তভোগী ওই নারী (২৪) পুঠিয়া সদর এলাকার একজন কাঠ ব্যবসায়ীর মেয়ে। পুঠিয়া উপজেলার  গন্ডগোহালী গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে মেয়র আল মামুন ।

     

    ভুক্তভোগী ওই নারী বলেন, গত এক বছর আগে পৌরসভায় একটি চাকরির জন্য মেয়রের নিকট গিয়েছিলাম। এরপর তিনি বিভিন্ন প্রলোভনে নিয়মিত ধর্ষণ করত। তাঁর এই অনৈতিক কাজে রাজি না হওয়ায় তিনি আমাকে বিয়ের প্রলোভনে আরও কয়েকবার ধর্ষণ করে। সম্প্রতি মেয়র আর আমাকে চাকরি দেবে না ও বিয়ে করবে না বলে জানিয়ে দেয়। বিষয়টি প্রতিবাদ করায় তাঁর সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজন আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। যার কারণে মেয়রের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। 

    ওই নারী আরও বলেন, মেয়র একজন চরিত্রহীন ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে আগেও থানায় ধর্ষণ মামলা হয়েছে।  

    এ ব্যাপারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) আব্দুল বারী বলেন,বর্তমান পৌর মেয়রের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা হয়েছে,   গতকাল রাতে একজন মহিলা বাদী হয়ে থানায় এই অভিযোগটি দায়ের করেন। সোমবার সকালে মামলাভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার পর মেয়রকে আটকের চেষ্টা চলছে। তবে মেয়র পলাতক রয়েছে।

    ওসি বলেন, ভুক্তভোগী ওই নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে সোমবার দুপুরে রামেক হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। 

    উল্লেখ্য, গত ১১ /৪/২০২১ সালে দুর্গাপুর উপজেলার একজন হাসপাতালের সেবিকাকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এ ঘটায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। তাকেও বিয়ে না করে তার বাহিনী দিয়ে নির্যাতন করে পরে ওই রাতে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে মেয়রকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে শীর্ষ নেতা প্রভাবে  বিষয়টি ধামাচাপা দিয়ে দেওয়া হয়।

    মাজেদুর রহমান( মাজদার) 
    পুঠিয়া রাজশাহী 

  • আশুলিয়ায় চাঁদা না দেয়ায় ৪জনকে কুপিয়ে জখম @ খুন, ধর্ষণসহ বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    আশুলিয়ায় চাঁদা না দেয়ায় ৪জনকে কুপিয়ে জখম @ খুন, ধর্ষণসহ বাড়ছে অপরাধমূলক কর্মকান্ড

    হেলাল শেখ।।
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া মীর বাড়ি এলাকায় গত (৩০ জুলাই ২০২২ইং) কিশোর গ্যাং লিডার মোঃ অন্তর মীর ও তার বাহিনীর সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি ও মাদক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে আসছে। একটি প্রেমের ঘটনায় ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করায় সেই দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় সন্ত্রাসী কায়দায় ৪জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
    এদিকে আশুলিয়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে-এর কারণে আশুলিয়ায় ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় নানারকম অভিমত প্রকাশ করেছেন। চোরে চোরে খালাতো ভাই। কিছু পুলিশ অফিসার কর্তৃক প্রতারক ও অপরাধীদের পক্ষে কাজ করে ফায়দা নেয়ার অভিযোগও রয়েছে। প্রতারক চক্রের লিডার আদালত থেকে জামিনে আসা ব্যক্তির পক্ষে কাজ করতে গিয়ে বিবাদীদেরকে হুমকি প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে কিছু পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে।
    আশুলিয়া থানার অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, আশুলিয়ার জামগড়া মীর বাড়ি এলাকার মোঃ সাত্তার মীরের বাড়ির ভাড়াটিয়া সাবরিনা জাহান কেয়া ও একই বাড়ির ভাড়াটিয়া সৈয়দ ফয়সাল মিয়া দ্বয়ের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে ঘটনার দিন বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসীরা লাঠি, সোটা, লোহার রড, রামদা ইত্যাদি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বে-আইনি ভাবে দলবদ্ধ হয়ে জামগড়া মীর বাড়ি সাকিনস্থ সাত্তার মীরের বাড়িতে প্রবেশ করিয়া ভাড়াটিয়া ফয়সাল মিয়াকে ওই বাড়ি থেকে জোরপূর্বকভাবে টেনে হেঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার সময় ঘটনাস্থল বাড়ির ম্যানেজার শহিদুল ইসলাম বাঁধা দেয়ায় কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসীরা ম্যানেজারসহ ৪জনকে বেদম মারপিট করে, এতে তারা গুরতর আহত হোন, আহতদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করা হয়েছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীরা ফয়সাল মিয়াকে তুলে নিয়ে গিয়ে ওই এলাকার মান্নান হুজুরের মার্কেটের দোকানের সামনে তাকে রসি দিয়ে বেঁধে রেখে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে ভুক্তভোগীরা জানান। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় তাকে এলোপাথাড়ি ভাবে মারপিট করে সন্ত্রাসীরা। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীরা মামলা করার জন্য আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।
    আশুলিয়া থানার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলো: কিশোর গ্যাং লিডার মোঃ অন্তর মীর (২৩), ফরহাদ মীর (২০), শাহেদ মীর (২৫)সহ ৭-৮ জন। সর্ব সাং জামগড়া মীর বাড়ি। উল্লেখ্য মাদক সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং কর্তৃক চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকা-ের অভিযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানায়। আশুলিয়া থানা পুলিশ ও র‌্যাব এবং ঢাকা জেলা (ডিএসবি) পুলিশের কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল জানান, উক্ত ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উক্ত অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্তদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। এর আগে আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং কর্তৃক এক কলেজ শিক্ষক হত্যা করেছে। এলাকায় গণধর্ষণ, ধর্ষণ, ধর্ষণ চেষ্টা, অপহরণ, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড চলমান রয়েছে, উদ্ধারকৃত লাশের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। অনুসন্ধ্যানী সংবাদের ধারাবাহিক পর্ব-১।

  • বানারীপাড়ায় পুলিশ সদস্যের হামলায় সৎ মা গুরুতর জখম

    বানারীপাড়ায় পুলিশ সদস্যের হামলায় সৎ মা গুরুতর জখম

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ প্রতিবেদক।। বুধবার বানারীপাড়া উপজেলার মলুহার বাজারের একটি দোকান ভাংচুর করে দখল করার প্রতিবাদ করলে পুলিশ কন্সষ্টেবল সাইফুল ইসলাম উজ্জলের হামলায় সৎ মা শাহানাজ(৫০) গুরুতর আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত শাহনাজের বোন সাফিয়া বেগম ও স্থানীরা বুধবার সন্ধ্যায় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তানভীর আহমেদ সাহানাজের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করেন। শাহানাজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো বস্তুর আঘাতের চিন্হ দেখা যায়। ডাক্তারের রিপোর্টে জানা যায় আহতের ফিজিক্যাল অ্যাসাল্ট এবং হেড ইন্জুরী গুরুতর হওয়ায় তাকে বরিশালে প্রেরণ করা হয়।
    এ ব্যাপারে প্রতক্ষ্যদর্শী একাধিক ব্যক্তি জানান, পুলিশ কন্সষ্টেবল সাইফুল ইসলাম উজ্জলের পিতা আবু বকর তোতার প্রথম স্ত্রীর ছেলে। মলুহার বাজারে তোতার একটি দোকান ঘর নিয়ে বিবাদ ছিল। সম্প্রতি পুলিশ কন্সষ্টেবল সাইফুল ইসলাম উজ্জল পুলিশী ভয় দেখিয়ে বাবার কাছ থেকে দোকানটি নিজের নামে লিখিয়ে নেয়। এ নিয়ে দু’মাস থেকে বিবাদ চলছিল।

    বুধবার দোকানটির দখল নেয়ার জন্য ভাংচুর করতে গেলে সৎ মা শাহানাজ বাধা দিলে তাকে সাইফুল, পলাশ, শ্যমল বেধে রাখে এবং সাইফুলের স্ত্রী শারমিন জাহান নিম্নী, বোন খাদিজা নাছরীন অমানুষিক নির্যাতন করে।

    এ ঘটনা শাহানাজের বোন সাফিয়া বেগম ৯৯৯ কথা বল্লে ডিউটি অফিসার থানায় নিতে বলেন। ভুক্তভোগীর অবস্থা গুরুতর হওয়ার কথা জানালে ডিউটি অফিসার প্রথমে চিকিৎসার করার কথা বলেন।
    এঘটনার বিষয় হামলাকারী পুলিশ কন্সষ্টেবল সাইফুল ইসলাম উজ্জলের কাছে জানতে চাইলে তিনি কিছুই হয়নি ওসি সব জানে বলে মোবাইল কল কেটে দেন। পরবর্তীতে বারবার কল দিলে তিনি রিসিভ করেননি।

    বিষয়টি সম্পর্কে বানারীপাড়া থানার অফিসার ইন চার্জ মোঃ হেলাল উদ্দিন জানান ওই এলাকায় কোন ঘটনা ঘটেছে আমার জানা নাই। পুলিশ কন্সষ্টেবল সাইফুল ইসলাম উজ্জল বলেছে আপনি সব জানেন, না বুধবারের ঘটনা জানিনা বা কোন অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে। #

  • নড়াইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমারবিশ্বাসের গলায় জুতার মালা দেয়ার ঘটনায়: ৪ জনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর

    নড়াইলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমারবিশ্বাসের গলায় জুতার মালা দেয়ার ঘটনায়: ৪ জনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে:

    নড়াইলের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস লাঞ্ছিত: ৪ জনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর। নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসের গলায় জুতার মালা দেয়ার ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৪ জনের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমাতুল মোর্শেদা এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরা হলেন-অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করার দুই হোতা অনার্স শিক্ষার্থী রহমত উল্লাহ রনি ও মোবাইল মেকার শাওন খান এবং রিমন ও মনিরুল ইসলাম। তাদের বিরুদ্ধে আদালতে পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদুর রহমান। এ মামলায় ১৭০জনকে আসামি করা হয়েছে।
    পুলিশ ও কলেজ সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র রাহুল দেব রায় নিজের ফেসবুক আইডিতে নূপুর শর্মার ছবি ব্যবহার করে লেখে-প্রণাম নিও বস ‘নূপুর শর্মা’ জয় শ্রীরাম। এ পোস্ট দেয়ার পর গত ১৮ জুন সকালে কলেজে আসে রাহুল। এরপর তার বন্ধুরা পোস্টটি মুছে ফেলতে বললেও সে পোস্ট মুছেনি রাহুল।

    শিক্ষার্থীরা বিষয়টি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জানান। এক পর্যায়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কলেজের সব শিক্ষকদের পরামর্শে রাহুলকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়ার চেষ্টা করেন। এরই মধ্যে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয়রা বিক্ষুদ্ধ হয়ে ওঠেন। এক পর্যায়ে কলেজ চত্বরে থাকা শিক্ষকদের তিনটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দেয় তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ লাঠিচার্জসহ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল ছোঁড়ে। ঘটনার সময় অন্তত ১০ জন ছাত্র-জনতা আহত হন।
    এদিকে, অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ার অভিযোগ এনে বিক্ষুদ্ধ জনতা ঘটনার দিন ১৮ জুন বিকেলে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাস এবং শিক্ষার্থী রাহুল দেব রায়কে গলায় জুতারমালা পরিয়ে প্রতিবাদ জানান।

  • র‍্যাব-৫ এর অভিযানে দুইজন প্রতারক আটকসহ ২ জন ভিকটিক উদ্ধার

    র‍্যাব-৫ এর অভিযানে দুইজন প্রতারক আটকসহ ২ জন ভিকটিক উদ্ধার

    রিদয় হোসেন(সদর জয়পুুরহাট) প্রতিনিধিঃ-

    র‍্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের একটি চৌকস অপারেশনাল দল ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী অধিনায়ক সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এবং কোম্পানী উপ-অধিনায়ক সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলাম এর নেতৃত্বে, নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার বিষ্ণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে (অফিস সহায়ক) ৩ টি ভূয়া নিয়োগপত্র, (ঢাকা সেনা সদর দপ্তর) এর ভুয়া ৮ টি সীলসহ দুইজন প্রতারক কে হাতেনাতে আটক করেছে র‍্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃতরা হলেন, নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার বিষ্ণপুর পূর্বপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মতিন মন্ডলের ছেলে মোঃ খোরশেদ আলম মিঠু ও একই এলাকার মোঃ ফরছেদ আলীর ছেলে মোঃ সুজন মন্ডল।

    র‍্যাব-৫,সিপিসি-৩ জয়পুুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আটককের বিষয়টি উল্লেখ করে জানানো হয় অভিযুক্ত ব্যক্তিদ্বয় ভিকটিম এবং তার মায়ের কাছে সেনা সদর দপ্তর এর মেসওয়েটার ও অফিস সহায়ক পদে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সাড়ে নয় লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। পরবর্তীতে ভিকটিম চাকরি খবর জানতে চাইলে গত ৩০ জুন ২০২২ ইং তারিখে নিয়োগপত্র নেওয়ার জন্য আরও পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে আসতে বলে। পরবর্তীতে তাদের কথা বার্তা অসামঞ্জস্য মনে হলে ভিকটিম গত ২ জুলাই তারিখে জয়পুুরহাট র‍্যাব কে অবগত করে এবং প্রতারকদ্বয় ভিকটিমের কাছে টাকা নিতে আসলে অত্র ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল তাদেরকে হাতেনাতে আটক করার পাশাপাশি ২ জন ভিকটিমদেরকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

    পরবর্তীতে ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানায় মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় মধ্যে পারভেজ হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি পুলিশ।

    ময়মনসিংহে ২৪ ঘন্টায় মধ্যে পারভেজ হত্যায় জড়িত ৩ আসামীকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি পুলিশ।

    আরিফ রববানী,ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালি পুলিশের চৌকস অভিযানে
    ২৪ ঘন্টার মধ্যে যুবলীগ নেতা পারভেজ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মুলহোতা দেলোয়ার হোসেন দিলীপসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । গ্রেফতারকৃতরা পুলিশের কাছে হত্যাকান্ডের বর্ণনা ও অন্যান্য জড়িতদের নাম প্রকাশ করে জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালী পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ।

    প্রাপ্ত তথ্য মতে, বিভাগীয় নগরীর গন্ত্রপা এলাকায় পূর্ব শক্রতার জের ধরে শুক্রবার রাতে যুবলীগ নেতা পারভেজ মঞ্জিলকে (৩৪) ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছোট ভাই সাদ্দাম হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালী মডেল থানায় মামলা নং-১১, তারিখ-০৩/০৭/২০২২ ইং, ধারা-১৪৩/৩৪১/৩০২/১১৪/৩৪ পেনাল কোড দায়ের করে।
    কোতোয়ালি মডেল থানা সুত্রে জানা গেছে- হত্যাকান্ডের খবর পাওয়ার সাথে সাথে কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে এসআই আনোয়ার হোসেন, এসআই নিরুপম নাগ, এসআই শাহ মিনহাজ উদ্দিন, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা সহ একদল চৌকস পুলিশ ফোর্স হত্যার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে শনিবার রাতে
    গৌরিপুরের ডৌহাখোলা এলাকা থেকে হত্যাকান্ডের মুলহোতা দেলোয়ার হোসেন দিলীপ, শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়া সাব্বির নামে আরো একজনকে র‌্যাবের একটি দল আটক করে। কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, হত্যার খবর পেয়ে জড়িতদের গ্রেফতারে তাৎক্ষনিক অভিযানে নামে পুলিশ। শনিবার তাদের গ্রেফতার করা হলে তারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বিকার করেছে। এছাড়া সাব্বির নামে আরো একজনকে র‌্যাব আটক করে। ওসি জানায়- গ্রেফতারকৃতদের রবিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ।