সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)ঃ বাংলাদেশ কোথায় ছিলো? পূর্ব পাকিস্তান থেকে বিভক্ত-আলাদা করে “১৯৭১ইং সালে মু্ক্তিযুদ্ধের পর দেশ স্বাধীনতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ ও ২০২৫ইং চলমান পরিস্থিতি কেমন এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেমন হবে তার জন্য বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চাওয়া পাওয়ার হিসাব চলছে, জাতি জানতে চায় নতুন বাংলাদেশে বৈষম্য কি থেকে যাবে???
বিশেষ করে ১। প্রজাতন্ত্র-বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত”। ২। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা-প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তভুর্ক্ত হইবে। ১৯৭১ সালের পর চলমান ঘটনার আড়ালে অনেক রহস্য। ১৭ বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও বর্তমান পরিস্থিতি আলাদা। দেশে সাংবাদিক, পুলিশ প্রশাসনসহ বেশিরভাগ মানুষ এখন সততার সাথে কাজ করছেন, সৎ ও সাহসীকতার সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে যারা কাজ করে যাচ্ছেন তাদেরকে সবাই সহযোগিতা করা দরকার বলে মনে করেন অনেকেই। আপনারা জানেন যে, বর্তমান সময়ে সাংবাদিকদের দায়িত্ব এবং ভুমিকা কি? এ নিয়ে আলোচনায় পরে আসি।
বাংলাদেশের ইতিহাসঃ তথ্য সুত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে প্রথমে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সভায়, তথ্যসূত্র-কমপিউটার বিসিএস প্রিলিমিনারী গাইড এর ৮৭নং পাতা। যার ডাকে বাংলার মানুষ স্বাধীনতা যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তিনিও আজ আমাদের মাঝে নেই। এখন আমরা স্বাধীনভাবে বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারছি, স্বাধীনভাবে পথ চলছি, একবারও কি তাদের আত্মার মাফেরাতের জন্য আমরা দোয়া করি? সবাই সবার জন্য দোয়া করা দরকার, এই দেশ আপনার আমার সবার, তাই কেউ আমরা দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না। ১৯৭১ সালে যারা শহীদ হয়েছেন আনুমানিক ৩০ লাখ মানুষ আর দুই লাখ মা বোনের ইজ্জত হারিয়েছেন। ২০২৪ইং ৫ আগষ্টে শেখ হাসিনা দেশে থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে বা পরে ৩২০০ পুলিশ সদস্য ও ৬ শতাধিক ছাত্র-জনতার অকালে মৃত্যু হয়েছেন, এখনও মানুষ নিরাপদ নয় বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন।
বিশেষ করে আপনার আমার বা আমাদের পরিবার, সমাজ, দেশ ও দেশের সম্পদ রক্ষা করতে আমাদেরকেই সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। যে জাতি যতো সচেতন হবেন-সেই জাতি ততই উন্নতির দিকে যাবেন। আমরা কেউ কারো হিংসা ও নিন্দা না করি, বিবাদ সৃষ্টি না করি, যার যে কাজ ওই কাজের দায়িত্ব সঠিকভাবে গুরুত্বসহকারে করার চেষ্টা করবো। আমরা দুইদিনের মেহমান, আজ আছি, আগামীকাল হয়তো থাকবো না। খারাপ কাজ করা সহজ কিন্তু ভালো কোনো কাজ করে দেখাই যে, এই কাজটি আমরা মানবতার কল্যাণে করেছি। ভালো কিছু করতে বেশি অর্থ লাগেনা, ভালো মন মানুষিকতা হলেই চলে। হে মানুষ তোমার সবকিছুরই চাহিদা আছে সত্য কিন্তু যৌবনের চাহিদা আর পেটের খাবারের চাহিদা না থাকলে কোনো কাজ করার দরকার হইতো না। যৌবন মানব জীবনের এক শ্রেষ্ট সম্পদ তাকে অস্বীকার করা যায় না, দেহগত যৌবন আর মানুষিক যৌবন একরকম নয়। যৌবন অস্থায়ী আর মানুষিক আত্মার অভাব হলে সেই মানুষটি ভালো হতে পারবেন না। আমরা যে মানুষ, যে ধর্ম পালন করি না কেন, একদিন বিচারকের সামনে হাজির হতেই হবে। আমরা অন্যের জন্য সবকিছু করছি, নিজের জন্য কি সঞ্চয় করলাম তা কেউ ভাবছেন? বুঝতে পারলে সেই বুদ্ধিমান।
মানুষের জন্মের পর ধর্ম-কর্ম নিয়ে মানুষের জীবন। কারো মনে কষ্ট দিয়ে বা কারো ক্ষতি করে কেউ কি লাভবান হওয়া যায়? আসুন আমরা সত্যের সন্ধ্যানে মানবতার কল্যাণে কাজ করি। বাংলাদেশের মানুষ আমরা আমাদের সঠিক ইতিহাস জানা দরকার। অবশ্যই আইন মেনে কাজ করতে হবে, সেজন্য সচেতন মহল ও সাংবাদিকদেরকে বেশি বেশি আইনের বই পড়তে হবে। বাংলাদেশের সংবিধান মানতে হবে। সংবাদকর্মী বা সাংবাদিক হলে তার আগে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়তে হবে। প্রতিদিন সংবাদ সংগ্রহ করে তা সংশ্লিষ্ট মিডিয়াতে প্রকাশ করতে হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই পড়তে হবে। জনগণের নাগরিক সমস্যা আছে কি-না তা সচেতন মহলকে দেখতে হয়। বাস্তবতা অনেক কঠিন, আশা করি সবাই বুঝতে পারছেন? আমাদের সবার জন্য সঞ্চয় দরকার, তবে সেই সঞ্চয় অর্থ বা সম্পদ নয়। সবকিছুরই হিসাব দিতে বাধ্য হবেন সবাই, আকাশের দিকে থুথু ফেললে নিজের শরীরে পড়তে পারে তাই সাবধানে চলতে হবে। ১৭ বছর আগের পুলিশ প্রশাসন ও সাংবাদিক আর বর্তমান সময়ের পুলিশ প্রশাসন একরকম নয়। ২০২৫ইং চলমান পরিস্থিতি যেমনই হোক দেশে ধর্ষণ বাড়ছে, চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাই বাড়লেও তবে হত্যার সংখ্যা কম আর রাজনৈতিক জটিলতা বাড়তে শুরু করেছে-বাকিটা ইতিহাস। দেশের মানুষ কেমন আছেন তা জাতি জানতে চায় আর সবক্ষেত্রে কি বৈষম্য দূর হয়েছে? এমন কেউ বলতে পারেন যে, বৈষম্য থেকেই যাচ্ছে। দেশ কারো বাবার সম্পদ নয় এই দেশ প্রায় ১৮ কোটি জনগণের, আর সেই জনগণের দুহাই দিয়ে সবাই রাজনৈতিক বক্তব্য দেন কিন্তু জনগণের চিন্তা কে করেন??।
Author: desk
-

জাতি জানতে চায় নতুন বাংলাদেশে কি বৈ-ষম্য থেকে যাবে?
-

ভা-রতীয় আ-ধিপত্যবাদের দাদাগিরি এদেশের ছাত্র জনতা আর মা-নবে না – কামরুল আহসান এমরুল
স্টাফ রিপোর্টারঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ময়মনসিংহ মহানগরী আমীর,আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৪ সংসদীয় আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেছেন-শিবির ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং সৎ নেতৃত্ব গড়ে তুলতে কাজ করছে। শিবির যে উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করে, গোটা জাতি সেই একই উদ্দেশ্যের সাথে একমত পোষণ করায় ২৪শে’র ৫ আগস্টের মতো বিরাট বিজয় সম্ভব হয়েছে। দেশের মানুষ এখন দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজি মুক্ত ও সন্ত্রাস মুক্ত একদল সৎ, দক্ষ ও যোগ্য নেতৃত্ব চায়। আর ছাত্রশিবির সেই যোগ্য নাগরিক তৈরির একমাত্র প্ল্যাটফর্ম।তিনি বলেন-২০২৪ এর ছাত্র জনতা এদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও তাদের কোনো দাদাগিরি আর মানবে না। কেউ কালো হাত বাড়ালে এদেশের ছাত্রসমাজ সেই হাত ভেঙে গুড়িয়ে দিতে আর দ্বিধা করবে না।শুক্রবার (১১জুলাই) সকালে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগরী শাখার ষাণ্মাসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে
এসব কথা বলেন তিনি।তিনি বলেন-সংগঠনটির গত ছয় মাসের কার্যক্রমের একটি বিস্তারিত হিসাব-নিকাশ ও মূল্যায়ন করে সাংগঠনিক অবস্থা আরো শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কর্মসূচি ও কর্মীর পারফরম্যান্স তৈরী করা। যাতে করে সংগঠনের শক্তি ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়। এই রিপোর্ট পর্যালোচনা করে ইসলামী ছাত্রশিবির তাদের কাজের অগ্রগতি পরিমাপ করে এবং ভবিষ্যতের জন্য কৌশল তৈরি করে এই পর্যালোচনা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ তাদের কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী ও কার্যকর করতে এগিয়ে যাবে।
ছাত্রশিবিরের সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, শিবিরের উচিত প্রত্যেক পাড়া-মহল্লার প্রতিটি বাড়ির ফ্ল্যাটে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া। বর্তমান ছাত্র সমাজের মধ্যে ইসলামী মূল্যবোধ সৃষ্টি করতে হবে। শিবিরের সকল সদস্যকে হতে হবে জ্ঞানপিপাসু, কর্মসহিষ্ণু, ত্যাগ-কুরবানিতে অগ্রগামী, নিয়মানুবর্তী এবং সময়ানুবর্তী। তাহলেই একদিন এদেশে ইসলামের রাজ কায়েম হবে। তিনি আরও বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্রশিবিরের সদস্যদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে। আধিপত্যবাদী শক্তির যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দিতে ছাত্র সমাজকেই সবার আগে এগিয়ে আসতে হবে।
ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগর আয়োজিত এই
ষাণ্মাসিক রিপোর্ট পর্যালোচনা বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ। -

জুলাই আ-ন্দোলনে ১১ জুলাইকে ‘প্রথম প্রতি-রোধ দিবস’ ঘোষণা করলেন উপদেষ্টা আসিফ
কুমিল্লা থেকে তরিকুল ইসলাম তরুন
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন এবং ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কুমিল্লা থেকে প্রথম জুলাই আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছে তাই ১১ জুলাই সেই দিন, যেদিন আমাদের শান্তিপূর্ণ কোটা সংস্কার আন্দোলনকে সহিংসতার দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন পতিত স্বৈরাচার সরকার। এবং কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) থেকেই সহিংসতার সূত্রপাত হয়। তাই ‘১১ জুলাই’ কে আমি ‘প্রথম প্রতিরোধ দিবস’ ঘোষণা করছি।”
(১১ জুলাই)দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসে আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার প্রথম প্রতিরোধ ১১ জুলাই’ শীর্ষক স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।তিনি বলেন, গত বছরের ১১ জুলাই যখন আমরা ঢাকায় আন্দোলন করছিলাম তখন হঠাৎ করে শুনতে পারি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রুখে দাঁড়িয়েছে। তারা কুমিল্লায় প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের এই প্রতিরোধ সারা বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানসিকতা তৈরি করেছিল। তাদের মনে সাহস দিয়েছিল। এরপর আবু সাঈদের মত সাহসীরা বুক চিতিয়ে রক্ত দিয়ে আমাদের আন্দোলনকে স্বৈরাচার হটানোর আন্দোলনের দিকে ধাবিত করেন। তাই আপনাদের প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখার উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই।
জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আহতদের সম্মাননা প্রদান করছেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ।
এসময় শিক্ষার্থীদের করা দাবির প্রেক্ষিতে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ঘোষণা দিয়ে বলেন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঠিক যে স্থানে কর্মসূচি পালন করেছিলেন সেখানে একটি প্রতিরোধ মিনার স্থাপন করা হবে। যাতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করা মানুষ এই দিনটিকে স্মরণ রাখতে পারে। এটা আমাদের পক্ষ থেকে একটি ছোট উদ্যোগ।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আপনারা যে দাবিগুলো করেছেন আমি তাদেরকে অনুরোধ করবো তারা যেন সে দাবিগুলো রাখেন। এক্ষেত্রে তাদেরকে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের বাস সংকটের একটি দাবি ছিল। আমরা স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি বাস উপহার দেওয়ার ঘোষণা করছি।
সবশেষে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহসিকতার প্রশংসা জানিয়ে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাহসিকতা সারা বাংলাদেশের মানুষের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। প্রয়োজনে আমরা আগামীতে এই সাহসিকতাকে স্মরণ রাখার জন্য আরো উদ্যোগ গ্রহণ করবো৷
এর আগে, অনুষ্ঠানের শুরুর পূর্বে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ও শহিদদের স্মরণে নির্মিত একটি বিশেষ স্মারক ফলক ‘জুলাই মিনার’ উন্মোচন করেন। পরে, জাতীয় সংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয়। পরে, শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শুরুতে ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের হামলার ঘটনা নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শিত হয়।
এসময়, বিভিন্ন দাবি নিয়ে মঞ্চে বক্তব্য রাখেন ২৪ এর জুলাই আন্দোলনে আহত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, ‘১১ জুলাই’ দিনটির রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান কুবির শিক্ষার্থীরা।
এসময় স্মরণ সভায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আবদুল হাকিম। অতিথিরাও তাদের বক্তব্যে ”১১ জুলাই” কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানান।
পরে স্মরণ সভায় জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আহতদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। এসময়, স্মরণ সভায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
-

কুমিল্লায় দিনদুপুরে ট্রাক শ্রমিককে কু-পিয়ে ভু-রি বের করে পালিয়েছে চো-র
মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
কুমিল্লা সদর উপজেলার ৩ নং দূর্গাপুর ইউনিয়নের রংপুর গ্রামের ট্রাক শ্রমিকের ভুরি বের করে দেয় পাশ্ববর্তী গ্রাম দৌলতপুরের শিপন চোর।ঘটনাটি ঘটে ১১ ই জুলাই সকাল ১১ টায় কুমিল্লা সদর উপজেলার ৩ নং দূর্গাপুর দঃ ইউনিয়নের রংপুর কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন ধানি জমিতে।স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায় জহির তার বাড়ির পাশে বৃষ্টির পানিতে মাছ শিকার করতে কারেন্ট জাল পাতিয়ে রাখে, ঐ জালে মাছ আটকে থাকলে দৌলতপুর গ্রামের লিটনের ছেলে হাজারো অপরাধের সাথে জড়িত শিপন চোর,উক্ত জালের মধ্য আটকে থাকা মাছ শিপনের চোখে পড়ে।শিপন জোরপূর্বক জালে আটক কৃত মাছ ছিনিয়ে নিয়ে যায়, এসময় জালের মালিক টের পেয়ে জহির ৩৬, দৌড়ে গিয়ে বাধা দেয় এবং আটকের চেষ্টা করে এতে হাজারো অপরাধের হোতা বিভিন্ন মামলার আসামি পাকা চোর শিপন জহির কে প্রথমে কিল ঘুষি মারে পরবর্তীতে বিদ্বেষমূলক হত্যার চেষ্টায় পকেট থাকে চাকু বের করে পেটে কোপ মারে, এতে জহিরের পেটের ভুঁড়ি বেরকরে ফেলে পালিয়ে যায় শিপন। এদিকে চোরের বাবা লিটনকে স্থানীয়রা আটকে রাখে।এদিকে প্রথমে জহিরের স্বজরা মুমূর্ষু অবস্থায় কুমিল্লা টাওয়ারে জহির কে নিয়ে গেলে কর্তব্য রত চিকিৎসক রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে কুমেকে স্থানান্তরিত করে।কুমেক কতৃপক্ষ জহিরের অবস্থা মুমূর্ষু দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অপারেশন হয়নি, স্থানীয় দের দাবি অতিদ্রুত অপরাধী শিপন, ও তার বাবা লিটন কে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক, শিপনের অত্যাচারে স্কুল,কলেজের মেয়েরা ঠিকমতো লেখাপড়া করতে পারে না,একাধিক বার তাদেরকে স্থানীয় ভাবে মোবাইল, মুরগী, ইভটিজিং এর বিচার করা হয়। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শাহাজান ও স্থানীয় ইউপি সদস্য হান্নান জানান শিপন ও তার বাবা লিটনের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ ও রাতে আতংকে থাকে নাগরিকরা,কারো মুরগী, হাস,ছাগল, কবুতর,মোবাইল, চুরি করে নিয়ে যায়। এছাড়া ছাত্রী দের রাস্তায় ইবটেজিং করে আসছে দীর্ঘ দিন। তার বিরুদ্ধে মামলা আছে, আজকের বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। আমরা প্রশাসনের কাছে বিচার চাই, চোরা শিপন ও তার বাবা লিটনকে আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। এবিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহিনুল ইসলাম জানান অভিযোগ করলে ব্যাবস্থা নিবো। -

নড়াইলে খুলনা রেঞ্জের ডিআইজিকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
খুলনা রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজির উপস্থিতিতে জেলা পুলিশ লাইনস্ এ বার্ষিক পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, শুরুবার (১১ জুলাই) নড়াইল জেলা পুলিশের রিজার্ভ অফিস ও হিসাব শাখা বার্ষিক পরিদর্শন করেন মোঃ রেজাউল হক, পিপিএম, ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ, খুলনা মহোদয়। ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ নড়াইল জেলা পুলিশ লাইনস্ এ পৌঁছালে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাঁকে ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন কাজী এহসানুল কবীর, পুলিশ সুপার, নড়াইল। অতঃপর তিনি জেলা পুলিশের নান্দনিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। কুচকাওয়াজ অধিনায়ক জনাব মোঃ আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), নড়াইল এর নেতৃত্বে জেলা পুলিশ সদস্যদের কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নড়াইল জেলা পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ের প্যারেডের দক্ষতা মূল্যায়ন করেন। এ সময় তিনি জেলার সকল পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্ব ও সততার সাথে দায়িত্ব পালন করতে বলেন। অতঃপর পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র সভাপতিত্বে পুলিশ লাইনস্ এ মতবিনিময় সভা” অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত “মতবিনিময় সভা” প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ রেজাউল হক,পিপিএম, ডিআইজি, খুলনা রেঞ্জ। সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর। এছাড়াও নড়াইল জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং নড়াইল জেলার সকল থানা, ফাঁড়িসহ বিভিন্ন ইউনিটের ইউনিট ইনচার্জসহ বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে। -

কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া এডহক কমিটির পক্ষ থেকে আসিফ মাহমুদ কে ফুলেল শুভেচ্ছা
তরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লা থেকে,
কুমিল্লা জেলা বারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া এডহক কমিটির পক্ষ থেকে ক্রীড়া মন্ত্রনালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় দায়িত্ব প্রাপ্ত উপদেষ্টা আসিব মাহমুদ সজীব কে ফুলেল শুভেচছা জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সদস্য গোলাম কিবরিয়া, সাংবাদিক খালেদ সাইফুল্লাহ ও তাজওয়ার ওহী। উপদেষ্টা কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার খোজ খবর নেন। -

পঞ্চগড়ে এক ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরি-মানা
বাবুল হোসেন,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি॥ পঞ্চগড় জেলা শহরে সেনাবাহিনীর অভিযানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে এক ডায়াগনেস্টিক সেন্টারের মালিককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে জেলা শহরের এম আর কলেজ রোডে ডক্টর প্যাথলজি এন্ড ডায়াগোনেস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজি এই জরিমানা করেন। এ সময় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার জান্নাতুল ফেরদৌস নিতু, পঞ্চগড় সেনা ক্যাম্পের ক্যাপ্টেন খালিদ হোসেন সহ সেনা সদস্যরা এবং ভূমি অফিসের কর্মকর্তা কর্মচারিরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাল আদালত সূত্রে জানা যায়, ডায়াগনস্টিক সেন্টারটিতে টেকনিশিয়ানদের মাধ্যমে পরীক্ষার রিপোর্ট এবং বিভিন্ন মেশিনের ক্রয়ের সময় সিরিয়াল নাম্বার না থাকায় অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেই সাথে তাদের ক্রটিযুক্ত মেশিন ব্যাবহার না করতে সর্তক করা হয়।
ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহন মিনজী বলেন, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনিয়ম রোধে আমরা তৎপর আছি। সেনাবহিনীর সহযোগীতায় নিউ ডক্টর প্যাথলজি এন্ড কনসাল্টেশন সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। সেই সাথে তাদের ক্রটিযুক্ত মেশিন ব্যাবহার না করতে সর্তক করা হয়েছে এবং এধরনের অভিযান জনস্বার্থে অব্যাহত থাকবে।
-

পঞ্চগড়ে বিএম কলেজের অধ্যক্ষ জেলা কা-রাগারে
বাবুল হোসেন,
পঞ্চগড় প্রতিনিধি :
পঞ্চগড়-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বিসিক শিল্প নগরী বিএম কলেজের অধ্যক্ষক মো. দেলদার হোসেন দিলুকে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তবে বৃহষ্পতিবার রাতে তাকে ঢাকা থেকে আটক করে আনে পুলিশ। পঞ্চগড় সদর থানার ওসি তদন্ত আশিষ কুমার শীল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
পুলিশ জানায় তার বিরুদ্ধে জেলা জজ কোর্টের অর্থঋন আদালতের মামলার ওয়ারেন্ট থাকায় তাকে ঢাকার ডিবি (ডিএমপি) জয়েন কমিশনার এলাকা থেকে পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।
ওসি তদন্ত জানান আশিষ কুমার শীল জানান, অর্থঋন আদালতের চেক ডিজওনার মামলায় একটি ওয়ারেন্ট (এন আইএ্যাক্ট)ইস্যু ছিল এবং তিনি র্দীঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। পরে তার অবস্থান নির্ণয়ে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর শুক্রবার (১১জুলাই) সকাল ১১ টায় পঞ্চগড় অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সোর্পদ করলে বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন। জানা যায়, তিনি একজন আইনজীবী।
-

নেছারাবাদে এস এস সি পরীক্ষায় অকৃ-তকার্য হওয়ার সুমাইয়া নামে এক শিক্সার্থীর আত্মহ-ত্যা
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
নেছারাবাদ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় গণিতে অকৃতকার্য হওয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে সুমাইয়া আক্তার (১৭) নামের এক স্কুলছাত্রী।
শুক্রবার (১১ জুলাই) বেলা ১টার দিকে নেছারাবাদ উপজেলার ৩নং স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের শান্তিরহাট এলাকায় নিজ বাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহত সুমাইয়া আরামকাঠি গ্রামের হোটেল ব্যবসায়ী কবির হোসেন এর একমাত্র মেয়ে। সে আকলম মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রায় সব বিষয়ে ভালো রেজাল্ট করেও গণিতে ফেল করায় সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে।
সুমাইয়ার মৃত্যুতে তার পরিবারে নেমে এসেছে
শোকের ছায়া, বাবা একমাত্র মেয়ে সুমাইয়াকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছে।সুমাইয়ার মা জানান, আমি শান্তিরহার বাজারে হোটেলে বসে বাদাম ভাজতে ছিলাম, একটু পর বাসায় গিয়ে দেখি ঘরের দরজা একটু ফাকা সুমাইয়া আড়ার সাথে ঝুলে আছে। আমি চিৎকার দিলে আসে পাশের লোকজন এসে নিচে নামায় সাথে সাথে সুমাইয়াকে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
সুমাইয়ার চাচা সাইফুল জানান,মেয়েটা খুব ভালোছিলো, মুলত ও অংক পরীক্ষায় ফেল করায় মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ঘরের ভেতর আড়ার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় আমরা মর্মাহত।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানা অফিসার ইনচার্জ বনি আমিন জানান, আমারা খবর পেয়ে লাশ থানায় নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে ময়না তদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আনোয়ার হোসেন
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি। -

বরিশালে স্বর্ণ প্র-তারক চ-ক্রের ৩ সদস্য গ্রে-ফতার
বরিশাল বাবুগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মোঃ মহিউদ্দিন খাঁন রানা।।
বরিশাল মহানগর পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) অভিযানে স্বর্ণ বিক্রির নামে প্রতারণা করা একটি চক্রের ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানায়, ১১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) জনৈক মো: সোহরাব হোসেন গাজী (৬৪) বরিশাল মহানগর ডিবি কার্যালয়ে হাজির হয়ে অভিযোগ করেন যে, নগরীর কাউনিয়া থানাধীন ৩নং ওয়ার্ডের টেক্সটাইল সংলগ্ন শান দেওয়ান মাজারের সামনে একটি প্রতারক চক্র স্বর্ণ বিক্রির নামে তাকে ফাঁদে ফেলে। তারা তাকে স্বর্ণ সদৃশ বিভিন্ন ধরণের মূর্তি ও গহনা (মোট ৫ লক্ষ টাকার পণ্যের) দেখিয়ে ২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়।
অভিযোগের ভিত্তিতে ডিবির পুলিশ পরিদর্শক মোঃ ছগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। পরে ১০ জুলাই রাত ৮টা ৪৫ মিনিটে একই স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো:
১. মোঃ রিয়াজ হাওলাদার (৪৫), পিতা- ওহাব হাওলাদার, দক্ষিণ রাফিয়াদী, চাঁদপাশা, বরিশাল
২. শ্যামল হাওলাদার (৭৩), পিতা- মৃত বিষেশ্বর হাওলাদার, চরকাউয়া, বরিশাল
৩. মোঃ মনির মজুমদার (৪৪), পিতা- মৃত সাহেদ মজুমদার, চরকাউয়া, বরিশাল
গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ।