Author: desk

  • নাগেশ্বরীতে মামলা দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাট

    নাগেশ্বরীতে মামলা দিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাট

    এম এস সাগর,

    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

    নাগেশ্বরীতে মামলা দিয়ে রাতের আধাঁরে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাটের অভিযোগ উঠেছে ভূমিদস্যূ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান নাগেশ্বরী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।

    সরেজমিনে ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার সন্তোষপুর ইউনিয়নের কুটি নাওডাঙ্গা (সোনাতুলির পাড়) গ্রামের মৃত মহির উদ্দিনের ছেলে মৃত সমতুল্ল্যাহ মুন্সী ১৩৪৬বঙ্গাব্দ ইষ্টেট চৌধুরী শ্রীযুক্ত ঈশানচন্দ্র লাহিড়ী জমিদার কর্তৃক কুটি নাওডাঙ্গা মৌজার ৩২নং থেকে ৬৬খতিয়ানে ১৪একর ১৭শতক জমি চেকমূলে প্রাপ্ত হন এবং সে জমি সমতুল্ল্যাহর ওয়ারিশগন ভোগদখল করে আসছে। সমতুল্ল্যাহ মুন্সী চেকমূলে ১৩৪৬বঙ্গাব্দ থেকে ১৩৫৭বঙ্গাব্দ পর্যন্ত উক্ত জমির খাজনা দিয়ে আসছে। জমিজমার বিরোধে পার্শ্ববর্তী মৃত ফজর উল্লার ছেলে মৃত মাহাবুর রহমান উক্ত জমির লোভে অবৈধভাবে ১একর ৬১শতক জমির এসএ ও আরএস রেকর্ড তাদের নামে করে। সমতুল্ল্যাহ মুন্সীর ওয়ারিশগন বিষয়টি জানতে পেরে বিজ্ঞ আদালতে রেকর্ড সংশোধনের মামলা করে। মামলা নং ৪১৮/২২। উক্ত জমিতে সমতুল্ল্যাহ মুন্সীর ওয়ারিশ মিজানুর রহমান গংরা আমন ধান চাষ করে এবং গত ৭নভেম্বর ৬৪শতক জমির ধান কর্তন করে। আর এ সুযোগে মৃত মাহাবুর রহমানের পুত্র আব্দুল্লাহ আল মামুন তার শেলক সেনাসদস্য আতাউর রহমানের সহযোগিতায় গত ৯নভেম্বর নাগেশ্বরী থানায় মিজানুর রহমান সহ ১৮জনের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা করে। অপরদিকে মিজানুর রহমান ও তার পরিবার মামলার ভয়ে বাড়িতে না থাকার সুযোগে ভূমিদস্যূ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও তার সহযোগি ডাকাতরা ৯নভেম্বর আনুমানিক রাত সাড়ে তিনটায় রাতের আধাঁরে মিজানুরের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাট করে ২ভরি স্বর্ণ ও ৫০হাজার টাকা লুঠ করে বারান্দায় রাখা মোটরসাইকেল নিয়ে যাওয়ার সময় আশপাশের লোকজন বুঝতে পারলে তারা পালিয়ে যায়।

    স্থানীয় মজিবর রহমান, মোকছেদুল হক, এমদাদুল হক, রফিকুল, বেগম বলেন, আমরা বিকট শব্দ শুনে এসে দেখতে পাই আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রাকিবুল, রাসেল, কাদের, মোফাজ্জল, আবু সাঈদসহ কয়েকজন রাত সাড়ে তিনটার সময় মিজানুরের বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাট করে ২ভরি স্বর্ণ ও ৫০হাজার টাকা নিয়ে চলে যায়। তাদের কাছে অনেক অস্ত্র ছিলো। ইতিপূর্বে অবৈধভাবে জমি-জমা দখল করতে গিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুনের বাবা ও দাদা মানুষের হাতে মারা যায়।

    ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান জানান, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুঠপাট করে ২ভরি স্বর্ণ ও ৫০হাজার টাকা লুঠ করে নিয়ে যায়। আমি তাৎতক্ষণিক ওসি তদন্তকে অবহিত করলে তারা রাত চারটার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে সত্যতা পান। নাগেশ্বরী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছি। ন্যায় বিচার দাবি করছি।

    নাগেশ্বরী থানার অফিসার ইনচার্জ নবিউল হাসান বলেন তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • সুনামগঞ্জে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন “ব্লাড লাইন ব্রাদার্স” এর আত্মপ্রকাশ

    সুনামগঞ্জে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন “ব্লাড লাইন ব্রাদার্স” এর আত্মপ্রকাশ

    সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:

    সুনামগঞ্জে সামাজিক ও অরাজনৈতিক সংগঠন “ব্লাড লাইন ব্রাদার্স” এর আতœপ্রকাশ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ (১১ নভেম্বর) শুক্রবার বাদ জুম্মা শহরের পুরাতন বাসস্টেশনে সংগঠনের হাসানুজ্জামান ইসপাহানি, মো: আলী হোসেন, মো: শাহরিয়ার সুমন,জাহিদুল ইসলাম চপল, মো: রিমন রহমানকে সমন্বয়কারী করে পঞ্চাশ সদস্য বিশিষ্ট্র কমিটির আত্মপ্রকাশ করা হয়।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন, সুনামগঞ্জ অনলাইন প্রেসক্লাব এর সভাপতি একে মিলন আহমেদ, সাধারন সম্পাদক গাজী আফজাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলামসহ ব্লাড লাইন ব্রাদার্স এর সদস্য বৃন্দরা।

  • এরশাদের সময়ে দেশের উন্নয়নের কথা সন্তানদেরও অবগত করতে হবে -বোররচরে জাপা নেতা হারুন

    এরশাদের সময়ে দেশের উন্নয়নের কথা সন্তানদেরও অবগত করতে হবে -বোররচরে জাপা নেতা হারুন


    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    জাতীয় পার্টি ময়মনসিংহ সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন বলেছেন- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশের উন্নয়নের রূপকার ছিলেন পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
    ছাত্র জীবন থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত গণমানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন তিনি। ছাত্র জীবনেই তার অনুপম নেতৃত্ব প্রকাশ হয়েছিল। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন আর মানুষের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ সবসময় ছিলেন আপোষহীন। তিনি অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন আজীবন। ছিলেন গণমানুষের কণ্ঠস্বর। তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-আপনাদের দায়িত্ব একটা আছে সেটা হলো পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনকালের উন্নয়ন সম্পর্কে আপনাদের সন্তানদের অবগত করা,যদি এটা না করেন তাহলে আপনে দেশের সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করবেন,এরশাদের ৯বছরের শাসনের আগে ময়মনসিংহ কোন রাস্তাঘাট উন্নত ছিলো না,যার ফলে গ্রামগঞ্জের সাধারণ মানুষকে পায়ে হেটে শহরে যেতে হতো,তিনি বলেন-১৯৮২ সালের হুসেইন এরশাদ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর দেশে স্কুল প্রতিষ্ঠান,অফিস,ইউনিয়ন পরিষদ উন্নয়নসহ অসংখ্য উন্নয়ন করেছেন,তার সময়েই ময়মনসিংহ ব্রীজটি বাস্তবায়ন করেছিলো,পরে অনেকেই আরো ব্রীজ করবে বললেও করেনি।

    শুক্রবার (১১ই নভেম্বর) বিকালে ময়মনসিংহের সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির এক বিশাল কর্মীসভায় প্রধান বক্তা হিসবে বক্তব্য দিতে এসব কথা বলেন।

    এসময় তিনি বলেন-আজ তারই সহধর্মিণী জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক, জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও ময়মনসিংহ সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপি পল্লীবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলোকে সম্পন্ন করতে নিরলস দায়িত্ব পালন করে চলছেন।তিনি আছেন বলে আমরা ময়মনসিংহ বিভাগ পেয়েছি, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন পেয়েছি,পরানগঞ্জে কলেজ হয়েছে। প্রতিটি স্কুলে ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন- রওশন এরশাদ ময়মনসিংহের কন্যা সংসদে নেতৃত্ব দেন,এটা আমাদেরই গর্ভ,আমরা বলতে পারি জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা আমাদের ময়মনসিংহ সদরের মেয়ে। অথচ ময়মনসিংহে কিছু বেইমান মির্জাপুর আছে,রওশন এরশাদ তাদের এমপি বানিয়েছে যারা রওশন এরশাদের বাসার চাকর হওয়ার যোগ্যতাও রাখেনা, তারা আজ মমতাময়ী এই নেত্রীর সরলতার সুযোগ নিয়ে তার সাথে বেইমানি করে গ্রুপিং তৈরী করেছে। সংসদ থেকে বিরোধী দলীয় নেতার পদটিও সরানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, তারা নাকি আগামী ১৯নভেম্বর ময়মনসিংহে সমাবেশ করবে,ময়মনসিংহ সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব আবজাল হোসেন হারুন হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আগামী ১৯নভেম্বর টাউন হল মাঠে সমাবেশ হবে রওশন এরশাদের, আপনাদের নয়, আপনাদের প্রতিহত করতে আন্দোলনে জোয়ার শুরু হয়েছে, রওশন এরশাদের মাটিতে আপনাদের প্রতিহত না করে ঘরে ফিরে যাবো না। প্রয়োজনে রক্ত দিয়েই রওশন এরশাদের ময়মনসিংহ থেকে আপনাদের প্রতিহত করবো।

    বোররচর ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির আহবায়ক তফাজ্জল হোসেন দারগার সভাপতিত্বে ও
    সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির হোসাইন মোহাম্মদ সারোয়ার সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মীসম্মেলনে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন জেলা জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক নুর মোহাম্মদ নুরু,সাব্বির হোসেন বিল্লাল,সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ও পরানগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হানিফ সরকার, যুগ্ম আহবায়ক কাউসার আহমেদ, আজিজুল ইসলাম মেম্বার,হাসান মাহমুদ,জেলা জাতীয় যুব সংহতির যুগ্ম আহবায়ক জালাল উদ্দিন, সিরতা ইউনিয়ন জাতীয় পার্টির যুগ্ম আহবায়ক লাল চান মিয়া,বোররচর ইউনিয়ন জাপা নেতা আব্দুর রহমান,শাহজাহান মিয়া,আজিম উদ্দিন মেমবার,কাউসার আহমেদ, আমির হোসেন খান,আঃ মোতালেব খান,জাতীয় ছাত্রসমাজের সভাপতি আল মামুন খোকন,তরুণ পার্টির সভাপতি আরিফ রববানী প্রমুখ। এছাড়াও কর্মী সম্মেলনে বোররচর সহ পাশ্ববর্তী ইউনিয়ন গুলোর জাতীয় পার্টি ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থেকে ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় ০২ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের তাড়াশ থেকে ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় ০২ জন পলাতক আসামী গ্রেফতার

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় ১০/১১/২০২২ তারিখ বিকেল ০৫.০৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী ১। মোঃ শেরালী হোসেন@শেরে(৪৮), পিতা-মৃত রমজান@কইলকট, সাং-নুকালী দক্ষিণপাড়া,(নুকালী হাইস্কুল সংলগ্ন), ২। মোঃ ইয়াসিন সরকার(৩৫), পিতা-মোঃ লতিফ সরকার, গ্রাম-নুকালী(পূর্বপাড়া), থানা-শাহজাদপুর, জেলা-সিরাজগঞ্জ (সূত্রঃ সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার মামলা নং-১৩/৪১৩ তারিখ ০৯/১১/২০২২, ৯(১)/৩০ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩ ধারা) কে সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানাধীন ঈশ্বরপুর গ্রামস্থ মোঃ রোওশন ফকির এর বসত বাড়ীর সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত ধর্ষণ মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামীদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত…….

    মোঃ আবুল হাসেম সবুজ

    লেফটেন্যান্ট

    স্কোয়াড কমান্ডার

    র‌্যাব-১২,সিপিএসসি,সিরাজগঞ্জ।

    মোবা-০১৭৭৭৭১১২৫৮

  • সুজানগরে ২৪ প্রহর ব্যাপি লীলা কীর্তন উৎসব শুরু

    সুজানগরে ২৪ প্রহর ব্যাপি লীলা কীর্তন উৎসব শুরু

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে শুরু হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ২৪ প্রহর ব্যাপি শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দের লীলা কীর্তন উৎসব। বিশ্বের সকল জীবের শান্তি,কল্যাণ ও মঙ্গল কামনায় সুজানগর পৌর শহরের ঘোষপাড়ায় বারোয়ারী সকল ভক্তবৃন্দের উদ্যোগে এ লীলা কীর্তন শুরু হয়েছে। শুক্রবার রাতে কীর্তনে এসে ভক্তদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.তরিকুল ইসলাম, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও পাবনা ২ আসন থেকে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শামীম সরদার, সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল জলিল বিশ্বাস, এন এ কলেজের সহকারী অধ্যাপক আবুল হাশেম, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ। এ সময় আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বাগত জানান সুজানগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, লীলা কীর্তন উৎসব আয়োজন কমিটির সভাপতি ডাঃ শ্রী সুবোধ চন্দ্র ঘোষ, সহ-সভাপতি বাবলু কুমার সাহা, অনিল কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব কুমার হালদার, সহ সাধারণ সম্পাদক ভবেশ চন্দ্র দাস, সুভাষ কুমার ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল চন্দ্র ঘোষ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক তপন কুমার ঘোষ, কোষাধ্যক্ষ সুজিত কুমার ঘোষ, সহ কোষাধ্যক্ষ সুদেব কুমার ঘোষ, প্রচার সম্পাদক গৌতম কুমার কুন্ডু, সহ প্রচার সম্পাদক গৌতম কুমার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক সুব্রত কুমার কুন্ডু, সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক পরিমল রায়, দপ্তর সম্পাদক কালিপদ কুন্ডু, সহ দপ্তর সম্পাদক সঞ্জয় কর্মকার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বিষœ কুমার, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রতন কুমার দাস, কার্যকরী সদস্য সুব্রত কুমার ঘোষ, পার্থ কুন্ডু ,জয়দেব সাহা, সুজানগর পৌর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত কুমার কুন্ডু, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি শ্রী বিজন কুমার পাল সহ হিন্দু ধর্মাবলম্বী অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সুজানগরে শুরু হওয়া হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ২৪ প্রহর ব্যাপি শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দের লীলা কীর্তন উৎসবের জন্য আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দের নিকট সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও পাবনা ২ আসন থেকে আওয়ামীলীগ দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী শামীম সরদার তাদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নগদ অর্থ প্রদান করেন

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা ও পৌর শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার সকালে সুজানগর শহীদ দুলাল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ চত্বরে শুরু হওয়া এ ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ পাবনা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিনয় জ্যোতি কুন্ডু। পরে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী রঞ্জিৎ কুমার সরকারের সভাপতিত্বে ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক শ্রী তরিত কুমার কুন্ডুর স ালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও পাবনা জেলা শাখার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শ্রী চন্দন কুমার চক্রবর্তী। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার সভাপতি শ্রী সুবোধ কুমার নটো, সাধারণ সম্পাদক চিত্ররঞ্জন, পৌর শাখার সভাপতি শ্রী জয়ন্ত কুমার কুন্ডু প্রমুখ। সম্মেলনে বক্তাগণ বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রিতির দেশ উল্লেখ করে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি অর্জনে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কাজে লাগাতে সকল ধর্মের অনুসারীদের প্রতি আহবান জানান। সম্মেলনের কাউন্সিল অধিবেশনে আগামী ৩ বছরের জন্য বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর উপজেলা শাখার শ্রী রঞ্জিৎ কুমার সরকার সভাপতি ও শ্রী তরিত কুমার কুন্ডু সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া শ্রী বিজন কুমার পাল বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সুজানগর পৌর শাখার সভাপতি এবং শ্রী খোকন কুমার দাস সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় নিরাপদ পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দু’দিনের প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

    পাইকগাছায় নিরাপদ পানি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দু’দিনের প্রশিক্ষনের উদ্বোধন

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় নিরাপদ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে উৎস এর পরিছন্নতা সংরক্ষণ এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দু’দিনের প্রশিক্ষন শুরু হয়েছে। ১০ নভেম্বর বূহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ প্রশিক্ষন কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। প্রশিক্ষক ছিলেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলী মোঃ আমিনুল ইসলাম ও জাইকা প্রতিনিধি হাফিজুর রহমান।
    সার্বিক তত্ববধানে ছিলেন উপজেলা পরিষদের সিএ কৃষ্ণপদ মন্ডল। উপজেলা পরিষদ এর আয়োজনে ও উপজেলা পরিষদ ও উন্নয়ন প্রকল্প স্থানীয় সরকার বিভাগ ও জাইকা’র সহয়তায় বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৬০ জন নারী-পুরুষ প্রশিক্ষনে অংশ গ্রহন করেন। এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিষয়ক কমিটি।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,থুলনা।

  • পাইকগাছায় মধুমতি পার্ক সংরক্ষণ কমিটির মানববন্ধন

    পাইকগাছায় মধুমতি পার্ক সংরক্ষণ কমিটির মানববন্ধন

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় মধুমতি পার্ক সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ১০টায় পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সম্মূখ সড়কে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি ও আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. অনাদিকৃষ্ণ মন্ডল। ঐতিহ্যবাহী মধুমতি পার্ক সংরক্ষণের বিভিন্ন দাবিতে বক্তৃতা করেন, কমিটির উপদেষ্টা ওআইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি প্রবীণ আইনজীবী জিএ সবুর, পাইকগাছা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাড. এফএমএ রাজ্জাক, সাবেক সভাপতি এ্যাড. পংকজ কুমার ধর, জি এম আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি এ্যাড. জিএম আমজাদ হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. দিপংকর কুমার সাহা, এ্যাড. শংকর কুমার ঢালী , এ্যাড. নাদিরুজ্জামান। এ সময় উপস্থিত ছিরেন, সংরক্ষণ কমিটি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।
    খুলনা জেলাধীন পাইকগাছা পৌরসভার প্রাণকেন্দ্র অবস্থিত চিত্তবিনোদনের একমাত্র মধুমতি পার্কের অবৈধ দখলদারদের কবল হতে উদ্ধার ও উচ্ছেদ, সুপেয় পানির আধার বিনষ্ট করা যাবে না, পার্কের পরিবেশ নষ্ট না করা, পার্কের পুকুরের উত্তর পার্শ্বের পাকাঘাট নির্মাণ করে ঘর নির্মাণ কাজ বন্ধ ও মহামান্য হাইকোর্টের আদেশ মানা সহ বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে মধুমতি পার্ক সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

  • আশুলিয়ায় ভূমিদস্যু বাহিনী কর্তৃক জমি দখলের চেষ্টায় ভাংচুর-থানায় একাধিক জিডি ও মামলা

    আশুলিয়ায় ভূমিদস্যু বাহিনী কর্তৃক জমি দখলের চেষ্টায় ভাংচুর-থানায় একাধিক জিডি ও মামলা

    হেলাল শেখ।
    বিশেষ প্রতিনিধিঃ ঢাকার আশুলিয়া ইউনিয়নের আউকপাড়া এলাকার বাসিন্দা মৃত চাঁন মিয়া’র ছেলে মোঃ সোনা মিয়া গংদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে জমি দখলের চেষ্টায় ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ভুমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি ও মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগীরা।
    আশুলিয়া থানার মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ থানার বাংলাবাজার পুরাতন তুইতাল এলাকার শেখ মতিউর রহমানের ছেলে শেখ জুয়েল রানা (৩৫) বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন, মামলা নং ২৮। তারিখ ০৯/১১/২০২২ইং, ধারা ১৪৩/৪৪৭/৩২৩/৩৭৯/ ৪২৭/৫০৬। এ মামলায় বিবাদী ১। আশুলিয়া ইউনিয়নের আউকপাড়া এলাকার মোঃ সোনা মিয়ার ছেলে মোঃ রুবেল হাসান (৩২), ২। মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মোঃ সোনা মিয়া (৫০), ৩। আশ্রাফ আলীর ছেলে আহম্মদ (৫২), ৪। আব্দুল জলিল (৩২), ৫। নুর মোহাম্মদ, ৬। মোঃ আরজু দেওয়ান, সর্বসাং আউকপাড়া, পোঃ ডেইরী ফার্ম,থানা আশুলিয়া, জেলা ঢাকাসহ আরও ভূমিদস্যুদের অনেকের বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগে আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি ও মামলা করায় নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
    উক্ত মামলার বাদী শেখ জুয়েল রানা গণমাধ্যমকে বলেন, সোনা মিয়া ও রুবেল হাসান গং এবং বিবাদীগণ ভূমিদস্যুরা বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত। আশুলিয়া থানাধীন আউকপাড়া মৌজাস্থ আর, এস-৫৫ নং খতিয়ানে আর, এস-২৬৮ নং দাগের বি, আর, এস দাগ নং ২৫০১, ২৫১২, ২০১৩, ২৫১৪, ২৪৯৭, ২৫০০ নং দাগের ৪৬. ৫০ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে মালিক আমার পিতাসহ মোট ১১জন। জমির চারি দিকে ইটের পাকা বাউন্ডারী করা। একটি প্লটে বাড়ি নির্মাণ করা হয়। যাহাতে ভাড়াটিয়াগণ বসবাস করিত। আমার পিতার জায়গায় ঘর-বাড়ি নির্মাণ করার উদ্দেশ্যে আমি ও আমার চাচা রিয়াজ উদ্দিন, শাহিন, সুমন ও মিস্ত্রিদের নিয়ে প্লটে মাফযোগ করতে গেলে বিবাদীগণ আমাদের কাজে বাঁধা প্রদান করে। তারা আমাদের জায়গায় কোনো রকম কাজ করতে দিবে না বলে ও জায়গায় সন্ত্রাসী কায়দায় আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। তিনি আরও বলেন, বিবাদীরা আমাদের জমি অবৈধভাবে জবর দখল করার পায়তারা করিয়া আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করিতেছে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন তারিখে ও বিভিন্ন সময়ে আমাদের জমির উপর থাকা বাউন্ডারী ওয়াল ভাংচুর করিয়া ক্ষতিসাধন করেছে তারা, এক পর্যায়ে আমাদের জমি জবর দখল করার উদ্দেশ্যে বিবাদীরা লাঠি সোটা ও দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বে-আইনীভাবে দলবদ্ধ হইয়া গত (০৬/১১/২০২২ইং) তারিখে সকাল ১০টার দিকে আমাদের জমিতে সন্ত্রাসী কায়দায় অনাধীকার ভাবে প্রবেশ করিয়া আমাদের জমির বাউন্ডারী ওয়াল ভাংচুর করে এর প্রায় ২,০০,০০০/ টাকার ইট লুটপাট করে নিয়ে যায় বিবাদীরা। তিনি আরও বলেন, আমাদের বি, আর, এস দাগ-২৫১২ প্লটে ১ম তলা একটি বাড়ি নির্মাণ করা আছে উক্ত বাড়ির বিদ্যুৎ লাইন কেটে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়ে বাসার ভাড়াটিয়াদের বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে মারধর করিয়া বাহির করে দিয়েছে বিবাদীরা, এই ঘটনার সাথে জড়িতদের আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এই ভুক্তভোগীরা।
    এ বিষয়ে আরও একজন বাদী শেখ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ১২০ শতাংশের কাতে আমাদের ৪৬. ৫০ শতাংশ জমি ক্রয়সূত্রে আমরা ১১জন মালিক। সোনা মিয়া, রুবেল গং এলাকার প্রভাবশালী তাই আমাদের বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করছে, আমরা জমিতে দখলে আছি, আমরা এই জমি ১৯৯৯সালে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বায়া দলিলমূলে ক্রয় করি এবং জমির মিউটেশন করে খাজনা দিয়ে আসছি, আমাদের জমির কাগজপত্র সঠিক আছে। আমরা এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একাধিক জিডি ও মামলা করেছি। আমাদের এই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা করছে বিবাদীরা। আমরা আইনকে সম্মান করি, তাই আইনগত ভাবে লড়ছি, আমরা এর বিচার চেয়ে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, আশুলিয়া থানা, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে আমাদের বৈধ কাগজপত্র দিয়েছি, এ ব্যাপারে পুলিশ ও র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শেখ রিয়াজ উদ্দিন নামের এই ভুক্তভোগী।
    উক্ত ব্যাপারে বিবাদী সোনা মিয়ার কাছে জমির কি কাগজপত্র আছে জানতে চাইলে তিনি জমির কোনো দলিল বা কাগজপত্র দেখাননি এবং কি একটা ৭ নং দাগ বা ৭/৪৪ নং এর কথা বলেন আর একজন সাংবাদিক পরিচয়দানকারীর কাছে মোবাইল ফোন ধরিয়ে দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।
    আশুলিয়া থানার (এসআই) ফরহাদ বিন কবির এর কাছে উক্ত ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গতকাল ৯ নভেম্বর ২০২২ইং আশুলিয়া থানায় জুয়েল রানা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন, উক্ত বিবাদী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে, আসামীদের গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান। র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা তদন্ত শেষে গ্রেফতার করা হবে আসামীদেরকে। উক্ত ব্যাপারে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।

  • নড়াইলের বিখ্যাত প্যারা ও নলেন গুড়ের সন্দেশ, দেশে পেরিয়ে যাচ্ছে এখন বিদেশেও

    নড়াইলের বিখ্যাত প্যারা ও নলেন গুড়ের সন্দেশ, দেশে পেরিয়ে যাচ্ছে এখন বিদেশেও

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের বিখ্যাত প্যারা ও নলেন গুড়ের সন্দেশ, দেশে পেরিয়ে যাচ্ছে এখন বিদেশেও
    ঐতিহ্য ধরে রেখেছে নড়াইলের কার্তিক কুন্ডু মিষ্টান্ন ভান্ডারের প্যারা সন্দেশ ও নলেন গুড়ের সন্দেশ। অতুলনীয় স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে এই মিষ্টি ধরে রেখেছে তার ঐতিহ্য। দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময়কালে একটওু ভাটা পড়েনি চাহিদায়। এখন এলাকার চাহিদা মিটিয়ে এই মিষ্টি যাচ্ছে বিদেশেও।
    আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান,
    জানা গেছে, নড়াইল সদরের কার্তিক কুন্ডু মিষ্টান্ন ভান্ডার ও পরিতোষ মিষ্টান্ন ভান্ডার এবং লোহাগড়া বাজারের সুরেন্দ্র সুইটসসহ কয়েকটি দোকানে বিক্রি হয় এসব মিষ্টি। দুধের ক্ষীর দিয়ে তৈরী করা হয় প্যারা সন্দেশ। আর খেজুর গাছের নলেন রস থেকে তৈরি নলেন গুড় দিয়ে তৈরিকৃত মিষ্টিকে বলা হয় নলেন গুড়ের সন্দেশ।
    স্থানীয় বিয়ে, সুন্নাতে খাৎনা, নববর্ষসহ বিভিন্ন উৎসবে এই মিষ্টির দেখা মিলবেই। তাছাড়াও জেলার বাইরে থেকে আসা বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়রা এলেও একবার এ মিষ্টির স্বাদ যেন নিতেই হয়। আত্মীয়দের মারফাত এই সন্দেশ দুবাই, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে যায়। তাইতো সন্দেশের এই দোকানগুলোতে ভিড় লেগেই থাকে। তবে দুধের দাম বৃদ্ধি এবং খেজুর গাছের সংখ্যা কমে যাওয়ায় চিন্তিত সন্দেশ প্রস্ততকারী দোকানিরা।
    কার্তিক কন্ডু মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিক প্রফুল্ল কুন্ডুর ছেলে জানান, সুনামের সাথে এই মিষ্টির দোকান চালাতেন তার ঠাকুরদাদা কার্তিক কুন্ডু। তারপর থেকে তার বাবা প্রফুল্ল কুন্ডু এবং তিনি এ ব্যবসা ধরে রেখেছেন। মূলত ভালো মানের কারণেই তাদের মিষ্টির চাহিদা প্রচুর। তাদের দোকানে বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি তৈরি করা হয়। সব মিষ্টিরই চাহিদা রয়েছে। তবে নলেন গুড়ের সন্দেশ এবং প্যারা সন্দেশের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। দেশের বাইরেও পাঠানো হয় এই সন্দেশ।
    সন্দেশ কিনতে আসা মো. রাজু শেখ জানান, ছোট বেলা থেকেই কার্তিক কুন্ডুর দোকানের প্যারা সন্দেশ ও নলেন গুড়ের সন্দেশ খাচ্ছেন তিনি। বিদেশে বসবাস করা তাদের অনেক আত্মীয় স্বজনের কাছেও এ মিষ্টি পাঠান। গুণগত মান ভালো হওয়ায় এ মিষ্টি খেয়ে তৃপ্তি পান তারা। ভিক্টোরিয়া কলেজের শিক্ষার্থী জুবায়ের বলেন, প্যারা সন্দেশ তার অত্যান্ত পছন্দের। সুযোগ পেলেই বন্ধু-বান্ধব নিয়ে প্যারা সন্দেশ খেতে আসেন তিনি। তাছাড়াও বিভিন্ন অনুষ্ঠানেও এ মিষ্টির কদর সবচেয়ে বেশি।
    অয়ন বিশ্বাস নামে আরো এক ক্রেতা বলেন, বাবার চাকুরির সুবাদে নড়াইলে থাকেন তিনি। নড়াইলে আসার পর থেকে নিয়মিত এখানকার নলেন গুড়ের সন্দেশ খাচ্ছেন। কখনো এর স্বাদের কোন পরিবর্তন পাননি। পূজা, বিয়েতে এ মিষ্টির ব্যবহার তো আছেই, আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতেও মাঝে মাঝে পাঠান তিনি। এছাড়াও জেলার বাইরে থেকে বন্ধু-বান্ধব আত্মীয়রা এলে তাদেরও প্রথম চাহিদা থাকে নড়াইলের সন্দেশে।
    এদিকে,লোহাগড়া বাজাদেএ সুরেন্দ্র সুইটসের বর্তমান মালিক নলেন গুড়ের সন্দেশের কারিগর কানাইলাল কুন্ডুর সঙ্গে তিনি কে জানান, ১৯৭১ সাল থেকে আমার বাবা সুরেন্দ্র নাথ কণ্ডু নলেন গুড়ের সন্দেশ তৈরি করে বিক্রি করতেন। বাজারে প্রচুর চাহিদা ও সুনাম থাকায় বাবার মৃত্যুর পর ছেলে কানাইলাল কুন্ডু হাল ধরেন এর। নলেন গুড়ের সন্দেশ তৈরি ও বিক্রি তাঁদের পৈতৃক ঐতিহ্য হিসেবেই এখনো রয়েছে।
    কানাইলাল কণ্ডু আরো বলেন, ভোক্তাদের হাতে ভালোমানের মিষ্টি বা খাঁটি নলেন গুড়ের সন্দেশ তুলে দিতে পারলে নিজেরাও খুব তৃপ্ত হই। সৌদি আরব,দুবাই,যুক্তরাষ্ট্র,জাপান কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে এই সন্দেশ লোক মারফত যাচ্ছে তবে,ভারতেই বেশি চাহিদা এই মিষ্টির।লোহাগড়া উপজেলার কাউড়িখোলা গ্রামের প্রভাষক প্রসাদ কুমার গাইন বলেন,অন্য জেলা থেকে লোহাগড়ায় কেউ বেড়াতে আসলে তাঁকে অন্তত নলেন গুড়ের সন্দেশ না খেয়ে যেতে দেই না।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।