Author: desk

  • পিকআপের ধাক্কায় মাইসছড়িতে সাবেক প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু

    পিকআপের ধাক্কায় মাইসছড়িতে সাবেক প্রধান শিক্ষকের মৃত্যু

    রিপন ওঝা, মহালছড়ি

    মহালছড়ি উপজেলার মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয় হতে সদ্য অবসর প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক করুণাময় চাকমা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

    আজ ১৪ নভেম্বর (সোমবার)সকাল সাড়ে ৯.৩০টার দিকে করুণাময় চাকমা স্কুলে আসার সময় স্কুলগেটে পৌঁছালে মহালছড়ি থেকে খাগড়াছড়িগামী একটি মাছ বহনকারী পিক আপ তাকে চাপা দিয়ে চলে যায়,ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। গুরতর আহত অবস্থায় করুনাময় চাকমাকে খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

    মাইসছড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক সাথোয়াইঅং মারমা জানান, করুণাময় চাকমা প্রধান শিক্ষক পদ থেকে গত ১৮ অক্টোবর অবসর গ্রহণ করেন।তিনি আরো জানান বিদ্যালয়ের যাবতীয় হিসাব নিকাশ বুঝে নিয়ে আগামী আগামী মাসের ৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যালয় হতে বিদায় সংবর্ধনা দেয়ার কথা ছিলো।তিনি আর আমাদের নিকট বিদায় নিতে পারলেন না কিন্তু সেই সময়ের আগেই নির্মমভাবে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন।

    এ বিষয়ে মহালছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হারুনর রশিদ উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ঘাতক পিকআপ থানার হেফাজতে রাখা হয়েছে কিন্তু চালক পলাতক রয়েছে। করুণাময় চাকমার মরদেহটি খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন। মামলা চুড়ান্ত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

    করুণাময় চাকমা’র এমন মৃত্যুতে মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নিপুল বিকাশ খীসা দুঃখ প্রকাশ ও বিদেহী আত্মার সদগতি কামনা করেন। সেই মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক/শিক্ষিকা সমিতি ও প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক/শিক্ষিকা সমিতি কর্তৃক গভীর শোক প্রকাশ করেন।
    মাইসছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ মনির হোসেন বলেন করুনাময় চাকমা স্যার ছিলেন অতি সাধারণ মানুষ, তিনি সাধাসিধে ভাবেই চলতেন। বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক/শিক্ষিকা ও কর্মচারীসহ প্রিয় শিক্ষার্থীদের ভালোবাসার উদারতার ন্যায় সম্পর্ক বজায় রাখতেন।

    নিহত করুণাময় চাকমা গামারিটালা গ্রামের যতিন্দ্র লাল চাকমা’র ছেলে।

  • ৫২ কেজি গাঁজা ও প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী দুলাল গ্রেফতার

    ৫২ কেজি গাঁজা ও প্রাইভেটকারসহ মাদক ব্যবসায়ী দুলাল গ্রেফতার

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের সদর থানার বিশেষ অভিযান চালিয়ে গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব দালালপাড়া মৌজাস্থ তিস্তা টোলপ্লাজা এলাকা হইতে ৫২কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা ও প্রাইভেটকার সহ ১জন কে গ্রেফতার করেন লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ।

    লালমনিরহাটের সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এরশাদুল আলম, এর নেতৃত্বে এসআই মোঃ জহুরুল ইসলাম,ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ লালমনিরহাট সদর থানাধীন গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব দালালপাড়া মৌজাস্থ তিস্তা টোলপ্লাজা এলাকায় কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী হইতে রংপুরগামী মহাসড়কের উপর হইতে আসামী ১. মোঃ আনোয়ার হোসেন দুলাল (২৯),হেফাজতে থাকা ৫২ কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি খয়েরী রংয়ের TOYOTA প্রাইভেটকারসহ হাতেনাতে গ্রেফতার করেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামী হলেন আনোয়ার হোসেন দুলাল(২৯), পিতা-মোঃ আফজাল হোসেন,সাং-কুরুসা ফেরুসা, থানা-ফুলবাড়ী, জেলা-কুড়িগ্রাম।গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি মামলা হয় মামলা নং- ২৪,ধারা- ৩৬ (১) সারণির ১৯(গ)/৩৮ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ রুজু করা হয়।

    লালমনিরহাটের সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি এরশাদুল আলম,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোকুন্ডা ইউনিয়নের পূর্ব দালালপাড়া মৌজাস্থ তিস্তা টোলপ্লাজা এলাকা হইতে ৫২কেজি মাদকদ্রব্য গাঁজা ও প্রাইভেটকার সহ ১জন কে গ্রেফতার করেন লালমনিরহাট সদর থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্লাহ।

  • পটিয়ায় খাদ্য সহায়তা পেলেন দুই শতাধিক পরিবার

    পটিয়ায় খাদ্য সহায়তা পেলেন দুই শতাধিক পরিবার

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    পটিয়ার নজির আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আশিয়া ইউনিয়নের দুস্থ অসহায় দেড়শ পরিবারের মাঝে খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

    সোমবার বিকেলে আশিয়া ইউনিয়নের মল্লপাড়া এলাকায় ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবনের সহযোগীতায় এসব খাদ্য সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা কাজী মোরশেদ, জাহাঙ্গীর মেম্বার, ইউসুফ খান, অর্থ সচিব নজরুল ইসলাম, আবদুল কাদের, জামাল মাহমুদ, ফৌজুল কবির চৌধুরী, ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী সুজন, রিন্কু চৌধুরী, আসিফ, আরিফ, মহিউদ্দিন সহ আরো অনেকেই।

    বক্তারা বলেন, একটি কুচক্রী মহল দেশে নানা ধরনের গুজব ছড়াচ্ছে। ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে,দেশ শ্রীলন্কা হয়ে যাবে। এসব অপপ্রচারের কান না দিয়ে সবাইকে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের অংশীদার হতে নজির আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডক্টর জুলকারনাইন চৌধুরী জীবন নিজের সাধ্যমত পটিয়ার মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। একই সঙ্গে পটিয়ার মানুষের পাশে থাকতে পারাটা সত্যিই সৌভাগ্যবান। তাই সামনের দিক গুলোতেও তার এমন আয়োজন চলমান থাকবে বলে জানান ফাউন্ডেশন সংশ্লিষ্টরা।

  • মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম  প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    লিটন মাহমুদ।
    নি‌জেস্ব প্রতি‌বেদকঃ

    গত ১২ নভেম্বর ২০২২ সন্ধ্যা ৬টায় জাতীয় মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম
    প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঢাকার একটি হোটেলে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি দেওয়ান মোঃ ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কমিটির ক্রীড়া ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক- মাসুম আল মামুন। এরপর কেক কাটার মাধ্যমে সমিতির এক বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।

    সভাপতির স্বাগত বক্তব্যের পর সমিতির নতুন ও পুরাতন সদস্যদের পরিচিতি পর্বের মধ্য দিয়ে
    সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ বাহাউদ্দিন সোহেল-এর প্রাঞ্জল উপ¯’াপনায় অনুষ্ঠানে
    অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন- সমিতির সম্মানীত উপদেষ্টা আর.কে বণিক, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ টিটো, সহ-সভাপতি- মোঃ ওয়াহিদুর রহমান মিন্টু, সহ-সভাপতি- মোঃ
    রফিকুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক- মোঃ ওসমান গনি, সহ-সাধারণ সম্পাদক- মোঃ
    মিজানুর রহমান স্বপন।
    সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম তার বক্তব্যে বিগত বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রমের
    বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন। সমিতির উপদেষ্টা জনাব আর.কে বণিক এর প্রেরণা ও
    উদ্দীপনামূলক বক্তব্যে উপস্হ‌িত সকল সদস্যগণ ব্যাপকভাবে উল্লসিত হন।

    সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লাহ টিটো তার বক্তব্যে মুদ্রণ ব্যবসায়ীদের যাবতীয় সমস্যা ও সমাধানে নানা
    বিষয়ের অবতারণা করেন। জাতীয় মুদ্রণ ব্যবসায়ী সমিতির আগামীদিনের কর্মপরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে শ্রোতাগণ বিপুলভাবে উৎসাহিত হন। আলোচনায় আরও অংশ নেন- সমিতির সদস্য মোঃ হাবিবুর রহমান, এবিএম আতাউল গণি, মোঃ আখতার হোসেন
    প্রমুখ। এছাড়াও উপ¯ি’ত ছিলেন- কোষাধ্যক্ষ- সরোজিত কুমার সরকার, আইনবিষয়ক
    সম্পাদক- মোঃ সারোয়ার হোসেন, তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক- মোঃ সুমন চোকদার,
    সমাজকল্যাণ সম্পাদক- ওয়ালিউল ইসলাম পারভেজ, সদস্য- হামীম হাবিবুল্লাহ, এ্যাপলো নাগ ঝন্টু, সজিব সরকার, মোঃ মাহমুদুল হাসান, মোঃ জিয়াউদ্দিন, মিয়া মোঃ আজহার, শেখর চন্দ্র রায়, মোঃ সিদ্দিকুর রহমান তপন, আব্দুল মালেক, মোঃ আখলাক হোসেন, মোঃ মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, মোঃ শাহীন মোল্লা, আবু সাদেক ভ‚ইয়া, আখতার হোসেন, আবু সাঈদ মোঃ হাফিজুর রহমান, পংকজ সরকার, জালাল উদ্দিন সাব্বি প্রমুখ।

    সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের পর নৈশভোজের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

  • বানেশ্বরে ব্যবসায়াদের নিয়ে মতবিনিময় সভা 

    বানেশ্বরে ব্যবসায়াদের নিয়ে মতবিনিময় সভা 

    পুঠিয়া(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর ৩ নং ইউনিয়ন পরিষদ ও বানেশ্বর হাটের বনিক সমিতির সদস্যদের সাথে এক মতবিনিময় সভা অননুষ্ঠিত হয়েছে। 

    বানেশ্বর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক দুলালের সভাপতিত্বে ও ইউপি সদস্য আমগীর হোসেন(আলম) এর পরিচালনায় সোমবার (১৪ নভেম্বর)    সকাল ১১টায় বানেশ্বর ইউনিয়ন চত্বরে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি নির্ধারিত ভ্যাট, টাক্স,  ট্রেডলাইসেন্স  বিষয়ে বক্তব্য রাখানে, বানেশ্বর হাট ইজারাদার আলহাজ্ব ওসমান আলী, বানেশ্বর বনিক সমিতির সভাপতি জুবায়ের, সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী (মুক্তা), বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মুঞ্জুর রহমান (মুঞ্জ), সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা গাজী সুলতান, বানেশ্বর ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক মেম্বারসহ বাজারের ব্যবসায়ীগণ। #

    মাজেদুর রহমান মাজদার
    পুঠিয়া রাজশাহী।

  • সুন্দরবনের সাপ উদ্ধার ও পুনর্বাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    সুন্দরবনের সাপ উদ্ধার ও পুনর্বাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ

    মোংলা প্রতিনিধি
    মোংলায় সুন্দরবনের বন্যপ্রাণী নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার ও পুনর্বাসন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার দিনভর সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের জয়মনি ওয়াইল্ডটিম কনজারভেশন বায়োলজি সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নেন ভিলেজ টাইগার রেসপন্স টিম (ভিটিআরটি), বনবিভাগ ও ওয়াইল্ডটিমের ৪০জন সদস্য। প্রশিক্ষণে বিশেষ করে সাপের প্রয়োজনীয়তা, সাপের পরিচিতি, সাপের কামড়ে করণীয়, নিরাপদে সাপ উদ্ধার ও পুনর্বাসন বিষয়ক ধারণা জ্ঞান দেয়া হয়। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, ভেনম রিসার্চ সেন্টারের সাপ বিশেষজ্ঞ ও প্রধান প্রশিক্ষক বোরহান বিশ্বাস রোমন এবং সরীসৃপ বিষয়ক রিসার্চার রেজোয়ানা আরফীনসহ ওয়াইল্ডটিমের প্রতিনিধিরাও।

  • গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন  করা হবে- আইন শৃঙ্খলা সভায় বক্তাগণ

    গোদাগাড়ীতে মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে- আইন শৃঙ্খলা সভায় বক্তাগণ

    গোদাগাড়ী ( রাজশাহী) উপজেলা সংবাদদাতাঃ রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ী উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা, যৌতুক, চোরাচালান, সন্ত্রাস, আইসিটি ও নাশকতা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    ১৪ নভেম্বর সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টায় উপজেলা পরিষদ অডিটারিয়ামে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জানে আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মালেক ।

    বক্তব্য প্রদান করেন, গোদাগাড়ী মডেল থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম, মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাংবাদিক কলামিষ্ট মোঃ হায়দার আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মোঃ রাশেদুল হাসান শাওন, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আলমগীর কবীরসহ
    মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, দপ্তরের প্রধানগণ সুধিজন উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তরা বলেন, বিভিন্ন দপ্তরের তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ীরা খুবই শক্তিশালি, মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশ, বিজিপি, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত সদস্যরা এখন বীর দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এরা কার সাহসে ঘুরে বেড়াচ্ছেন আপনারা জনগনের উপর দোষ দিয়ে আপনারা দায়িত্ব এড়িয়ে যাবে না। গত মাসে সাড়ে ১০ কেজি হেরোইন, ৫ কেজি গাঁজ, ১০ হাজার বোতল ফেনসিডিল, হাজার হাজার পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে।

    সীমান্ত এলাকায় কাঁটা তারের বেড়া থাকা শর্তেও হেরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, মদসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য আসে কি করে। আপনারা আরও মাদকের বিরুদ্ধে আন্তরিক হলে কোন মাদকদ্রব্য দেশে আসবে না। গোদাগাড়ীতে অনেক মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। মাদকবদ্র্য প্রতিরোধে প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিকদের একযোগে কাজ করতে হবে। কিছু কিছু দোকানের আড়ালে গভীর রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। রাত সাড়ে ১০ টার পর সকল দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

    হেরোইন, ইয়াবা, ইদানিং গাঁজা, মাদক ব্যপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদের বিরুদ্ধে কঠোর হতে হবে। মহিশালবাড়ী গরুর হাটে, বিদিরপুর ক্লাব, প্রেমতলী, নিমতোলা, রাজাবড়ি, পিরিজপুর, আলিমগজ্ঞ, গোপালপুর প্রভূতি স্থানে মাদকের হাট বসে। এরা খুব শক্তিশালি তাই এদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে ভয় পায়। মাদক আসে সীমান্ত দিয়ে, বিজিপি সজাগ থাকলে ৯০ ভাগ মাদক আসা বন্ধ হয়ে যাবে। মাদক ব্যবসা কমে যাবে।

    উপজেলার বসুদেবপুর, মাদারপুর, গোপালপুর, মিষ্টির দোকানের সামনে হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিলের কারবার চলে এছাড়া রাজাবাড়ী, প্রেমতলী হাসপাতাল এলাকা, রেলবাজার মনির হোটেল, কসাইপাড়া, মহিশালবাড়ী গরুরহাট, সুলতানগজ্ঞ, ফিরোজচত্তর, সুলতানগজ্ঞ, বাসুদেবপুর, পিরিজপুর, কুমুরপুর, মাদারপুর, শিবসাগর প্রভূতি এলাকায় অবাদে হোরোইন, ফেনসিডিল, ইয়াবা, গাঁজাসহ বিভিন্নধরের মাদকসেবন, বেচাবিক্রিসহ ছোটবড় অপরাধ হয়। ওই স্থানে অভিযান ও মোবাইল কোর্টসহ মাদকব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।

    এসময় ওসি কামরুল ইসলাম বলেন, কোন পুলিশের সাথে মাদক ব্যবসায়ীদের সখ্যতা থাকে প্রমান করতে পারেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। থানায় আসতে দালাল লাগবে না। জি.ডি করার জন্য এক দালাল ৫ শ টাকা উৎকোচ গ্রহন করায় তাকে গ্রেফতার জেল হাজাতে প্রেরন করা হয়েছে। শ্রমিক, ভ্যানচালকসহ যে কেউ আসতে পারেন, আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। কোন মাদক ব্যবসায়ী, শিশু নির্যাতন, কোন আপরাধ করে পার পাবে না। সুলতানগঞ্জ থেকে রাজশাহী পর্যন্ত মাদক কারবার চলে।

    অন্যান্য বক্তাগণ তাদের বক্তব্যে আরো বলেন, গোদাগাড়ীর আইনশৃঙ্খলা ভালই আছে, তবে আরও ভাল রাখার জন্য উপজেলার পুলিশ, বিজিপি, সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, স্থানীয় নেতৃবৃন্দের অনেক সচেতন হতে হবে। গোদাগাড়ীর একটাই বদনাম মাদক, হিরোইন, ইয়াবা, ফেনসিডিল,গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরণের মাদক ব্যবসায়ী গডফাদার এখানে রয়েছে। গোদাগাড়ীতে পুলিশের তালিকাভুক্ত ১৭৩ জন মাদকব্যসায়ী রযেছে। তাদেরকে গ্রেফতার করলে মাদক ব্যবসা কমে আসে

    প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষনা করেছেন তাই কোনভাবে মাদকব্যবসায়ীরা যেন কোনভাবে পার পেতে না পারেন সেজন্য তাদের বিরুদ্ধে শক্ত মামলা, চার্জসীট প্রদান করতে হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    গোদাগাড়ী, রাজশাহী।

  • মোংলার চাঁদপাই  ইউনিয়নের পক্ষথেকে ইউএনও কে বিদায় সংবর্ধনা

    মোংলার চাঁদপাই ইউনিয়নের পক্ষথেকে ইউএনও কে বিদায় সংবর্ধনা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলা
    মোংলা উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদারকে সোমবার (১৪ নভেম্বর) বিকেল ৫ টায় সফল ভাবে সরকারি দায়িত্ব পালন ও জনসেবার জন্য গণ সংবর্ধনা দেয়া হয়। মোংলা উপজেলার চাঁদপাই ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে এ গণসংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তরিকুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে ও সচিব বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস’র সঞ্চালনায় পরিষদ চত্বরে
    প্রধান অতিথির বক্তৃতা রাখেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার কমলেশ মজুমদার। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা রাখেন
    উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি পিযুষ কান্তি মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা রঞ্জিত কুমার মন্ডল, চাঁদপাই মেছেরসাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্বদেশ মন্ডল,
    ৭.৮.৯ ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য অর্পা মল্লিক, প্রমূখ। এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষথেকে ইউএনও কমলেশ মজুমদার’কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। গণ সংবর্ধনায় অনুষ্টানে ইউএনও কমলেশ মজুমদার তার সততা-নিষ্ঠা এবং দেশপ্রেম এর জন্য মোংলাবাসীর কাছে স্মরণীয় হয়ে রাখবেন। সংবর্ধিত অতিথি কমলেশ মজুমদার মোংলায় দায়িত্ব পালনকালে তাকে সহযোগিতা করার জন্য সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন কর্মকান্ডের কথা উঠে আসে বক্তৃতায়।
    বিদায়ী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার বলেন, আমি আমার দাইত্ব পালনে সব সময় চেষ্টা করেছি মানুষের জন্য কাজ করতে। আর কাজের প্রতিটি ক্ষেত্রে পেয়েছি আপনাদের অকৃত্রিম ভালবাসা ও সহযোগিতা। এজন্য আমি সবার কাছে কৃতজ্ঞ।
    এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, ইউপি সদস্য সহ বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বিদায় সংবর্ধনায় কমলেশ মজুমদার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে উপজেলা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করে তার দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং একজন দক্ষ প্রশাসক হিসেবে তিনি সুচারুরুপে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন বলে অভিমত ব্যক্ত করেন চেয়ারম্যান মোল্লা মো. তরিকুল ইসলাম। উপজেলায় তার কাজের কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। যার ফলস্রুতিতে মোংলার মানুষের ভালবাসার অস্রুজল ও ফুলের সুভাষে ভাসলেন, এমন প্রশংসা ব্যক্ত করেন বক্তারা।

  • জনগণের জানমালের হেফাজত-নিরাপত্ত্বায় কঠোর অবস্থানে কোতোয়ালি পুলিশ- ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    জনগণের জানমালের হেফাজত-নিরাপত্ত্বায় কঠোর অবস্থানে কোতোয়ালি পুলিশ- ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    মাদক, জুয়া ও গরু চুরি প্রতিরোধে সামাজিক গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও জোরদার করার প্রত্যয়ে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের আয়োজনে উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্থানীয় ব্যবসায়ী, কমিউনিটি পুলিশিং নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ , শিক্ষক, ছাত্র সহ সর্বস্তরের মানুষের সাথে মত বিনিময় কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ।মতবিনিময়ের পাশাপাশি মাদক,জুয়া, গরু চুরি প্রতিরোধে গঠন করা হচ্ছে এলাকা ভিত্তিক কমিটি।

    ইতিমধ্যেই কোতোয়ালী মডেল থানার আওতাধীন সদর উপজেলার পরানগঞ্জ, অষ্টধার,কুষ্টিয়া খাগডহর,ঘাগড়া,ভাবখালী,সিরতা,বোররচরসহ সবকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে প্রশংসা কুড়িয়েছে পুলিশের এ বিট পুলিশং কার্যক্রম । প্রায় প্রতি রাতেই আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের স্বার্থে রন পাহারায় নিয়োজিত রয়েছেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ । বিট পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের দিয়ে রাত্রিকালীন পাহারার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    সেমবার (১৪নভেম্বর) সন্ধ্যায় ৩১ নং ওয়ার্ডের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে অত্র এলাকায় চুরি,জুয়া প্রতিরোধে এবং মাদক বিরোধী বিট পুলিশিং সভায় এসব তথ্য জানান ওসি শাহ কামাল আকন্দ

    তিনি বলেন- জনগণের জানমালের হেফাজত ও নিরাপত্ত্বায় গ্রাম পুলিশের সাথে এই কমিটির সদস্যরা রাত জেগে পাহারায় নিয়োজিত থাকতে হবে। আমি নিজেও প্রতি রাতেই বিভিন্ন এলাকায় পাহারায় নিয়োজিত থাকি। ৩১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জামাল হোসেন বলেন, পুলিশের এ ধরনের উদ্যোগ সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। বিশেষ করে গত ১বছরে ওসি শাহ কামাল আকন্দের শ্রম ও নজরদারিতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে নতুন চমক সৃষ্টি করেছে।মাদক,জুয়া,ইভটিজিং ও চুরি প্রতিরোধে এ ধরনের কমিটি গঠন করা হলে অনেকাংশে কমে যাবে এসব অপরাধ। তিনি বলেন,পুলিশের পক্ষ থেকে আমাদের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে, আমরাও অপরাধ নির্মূলে পুলিশকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত রয়েছি।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন,ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার স্যার এর নির্দেশে ও স্যারের নেতৃত্বে আমরা অপরাধ নির্মূলে সর্বদাই নিয়োজিত রয়েছি। বিট পুলিশিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতিটি বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত বিট ভিজিটের পাশাপাশি জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় কার্যক্রম অব্যাহত রাখছি।

    তিনি বলেন-কোতোয়ালী মডেল থানা এলাকার মানুষ আইনের প্রতি খুবই শ্রদ্ধাশীল, মাদক ও জুয়া প্রতিরোধে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। পুলিশের পক্ষ থেকে আমরা ইতিমধ্যেই উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে উঠান বৈঠক কার্যক্রম শুরু করেছি। মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশ তৎপর রয়েছে । তিনি আরোও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়াড়িরা যতই প্রভাবশালী হোক না কেন তাদের কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।পুলিশ তাদের শক্ত হাতে দমন করবে। মাদক ব্যবসায়ীদের নাম জুয়ার স্পটের তথ্য দিয়ে কেউ সহযোগিতা করলে অবশ্যই তার নাম গোপন রাখা হবে। প্রয়োজনে তাকে পুরস্কৃত করা হবে। আমরা অত্র উপজেলায় মাদক,জুয়া, চুরি প্রতিরোধে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। রাতের বেলায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট কার্যক্রম হাতে নেয়া হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি এ কার্যক্রমে আমাদের সহযোগিতা করবে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনী। উক্ত আইনশৃঙ্খলা সভায় সংশ্লিষ্ট বিট অফিসার এসআই আনোয়ার(২) সহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ছাড়াও শিক্ষক,গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে অপরাধ নির্মুলে গ্রাম পুলিশদের সাথে ওসি কামালের মতবিনিময়

    ময়মনসিংহে অপরাধ নির্মুলে গ্রাম পুলিশদের সাথে ওসি কামালের মতবিনিময়

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় শীতকালীন সময়ে মাদক,জুয়া,চুরি,ডাকাতি সাজাপ্রাপ্ত ও পরোয়ানা ভুক্ত অপরাধীদের ব্যাপারে তথ্য দিয়ে সহযোগীতা করতে আহবান জানিয়ে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার
    অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শাহ কামাল আকন্দ । সোমবার (১৪নভেম্বর)দুপুরে থানা চত্বরে প্যারেড শেষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়‌।

    মতবিনিময় সভায় গ্রাম পুলিশদের উদ্দেশ্যে ওসি বলেন, মাদকের ডিলার, বিক্রেতা, সেবনকারী ও ওয়ারেন্টভূক্ত আসামিদের জরুরিভাবে গ্রেফতার করতে হবে। এজন্য তিনি গ্রাম পুলিশ সহ সবার সহযোগিতা চান। গ্রাম পুলিশরা তাকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানেও আশ্বাস দেন।

    নিজ নিজ এলাকা অসামাজিক কার্যকলাপ দূর করতে পুলিশকে খবর দেওয়ার আহবান জানিয়ে ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, শীতের প্রভাবে সাধারণ মানুষ ঘরমুখো হওয়ার পর চুর চক্রের সদস্যরা সুযোগ খজবে,তাই কোন অপরিচিত লোক এলাকায় দেখা গেলে থানায় খবর দিতে হবে। দিনে ও রাতে গ্রামে পাহারা দিতে হবে। সমগ্র ইউনিয়ন এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য দায়িত্ব পালন করবে। সপ্তাহে অন্তত দুই দিন ও দুই রাত মহল্লাদারের কার্যক্রম আকস্মিকভাবে পরির্দশন করবে এবং মহল্লাদারকে তার কর্তব্য পালন সম্পর্কে সজাগ করবে। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে কোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার কোন খবর পেলে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জকে তা জানাতে হবে। এসময় তিনি অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গ্রাম পুলিশ কে পুরুস্কৃত করার আশ্বাস প্রদান করেন।