Author: desk

  • কালীগঞ্জ অগ্রনী ব্যাংকে ঋন জালিয়াতি মামলার দুই আসামী কারাগারে

    কালীগঞ্জ অগ্রনী ব্যাংকে ঋন জালিয়াতি মামলার দুই আসামী কারাগারে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    অগ্রনী ব্যাংকে জাল কাগজপত্র তৈরি ও মৃত ব্যক্তিদের নামে ভুয়া ঋণ তুলে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্তকৃত ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম ও কর্মচারী আজির আলীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন বিজ্ঞ আদালত। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ আল আমিন মাতুব্বর তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। আসামী আব্দুস সালাম ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভেড়াখালী গ্রামের আব্দুল গনি বিশ^াসের ছেলে। অন্যদিকে আজির আলী কালীগঞ্জ উপজেলার কাশিপুর গ্রামের আব্দুল বারিক মন্ডলের ছেলে। ঝিনাইদহ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের পেশকার মানিরুল ইসলাম খবর নিশ্চিত করে জানান, আসামী আব্দুস সালাম ও আজির আলী সিআর ১৫৩/২২, ৩৬৮/২২ ও ৩৭৫/২২ মামলায় উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তার জামিনে ছিলেন। বৃহস্পতিবার আসামীদের জামিন মেয়াদ শেষ হলে তারা ঝিনাইদহ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে স্থায়ী জামিনের আবেদন করেন। বিজ্ঞ আদালতের বিচারক তাদের জামিন আবেদন বাতিল করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। জানা গেছে, অগ্রনী ব্যাংক কালীগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক শৈলেন বিশ্বাস, ক্যাশ অফিসার আব্দুস সালাম ও মাঠ কর্মী আজির আলী গ্রাহকের নামে ভুয়া ঋন দেখিয়ে প্রায় দুই কোটি টাকা আত্মসাত করেন। এ বিষয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মনোহরপুর গ্রামের ইন্তাজ আলী, একই উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আইনুল ইসলাম ও বদর উদ্দীন আদালতে মামলা দায়ের করেন। ২০২০ সালে ২৯ সেপ্টেম্বর ঋণ জালিয়াতির দায়ে সাময়িক বরখাস্ত হন ব্যবস্থাপক শৈলেন বিশ্বাস ও ক্যাশ অফিসার আব্দুস সালাম। এছাড়া মাঠ কর্মী আজির আলীকে চাকরীচ্যুতি করা হয়। এ বিষয়ে পত্রিকায় তথ্য ভিত্তিক সংবাদ প্রকাশিত হলে আব্দুস সালাম ও আজির আলী বাদী হয়ে জেলার সিনিয়র সাংবাদিক আসিফ কাজল ও দৈনিক যুগান্তর প্রতিনিধি শাহরিয়ার আলম সোহাগের বিরুদ্ধে আদালতে মানহানি মামলা করেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে-এমপি প্রিন্স

    শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে-এমপি প্রিন্স

    এম এ আলিম রিপন ঃ পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত কাজ করছেন। তার দূরদর্শী ও দক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বের কাছে আজ উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত হয়েছে। এবং দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। বৃহস্পতিবার পাবনা সদর উপজেলার চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন আওয়ামী লীগ পদ্মা সেতু করতে পারবে না, করলেও সাধারণ মানুষ সেই সেতু দিয়ে চলাচল করবে না। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে নিজেদের অর্থায়নে পদ্মা সেতুর মতো এরকম প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হয়। তিনি বলেন ,আগামী ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে । সেই নির্বাচন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নির্বাচনকালীন সরকার ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচনে কে অংশগ্রহন করলো আর কে করলো না সেটা দেখার বিষয় নয়। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তারা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। বিএনপি-জামায়াতসহ স্বাধীনতা বিরোধী অশুভ রাজনৈতিক দলগুলো যদি ফের রাজপথ দখলের অপচেষ্টা করে, দেশে নতুন ভাবে নৈরাজ্য তৈরির অপচেষ্টা করে অথবা রাজপথ দখলের নামে মানুষ পোড়ানোর অপচেষ্টা করে; তাহলে তাদের দাতভাঙা জবাব দিতে হবে। এজন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের চোখ-কাল খোলা রাখতে হবে। এমপি প্রিন্স বলেন, ৭৫’এ ১৫ আগস্ট এর পর পিতা হারানোর বেদনা ও কষ্ট নিয়ে দেশের মাটিতে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। সারা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রিয় নেত্রীকে এক নজর দেখার জন্য ছুটে এসেছিলেন। সেদিন বুকভরা কষ্ট নিয়ে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বলেছিলেন, আমার জীবনে কখনও আমি ভাবি নাই রাজনীতিতে আমাকে আসতে হবে। কখনও ভাবি নাই পিতা হত্যার বিচার করতে আমার জীবন উৎসর্গ করতে হবে। সেদিন তিনি বলেছিলেন, ওই খুনীদের বিচার বাংলার মাটিতে আমি করব। বলেছিলেন, আমার বাবা (বঙ্গবন্ধু) যে স্বপ্নের সোনার বাংলা গঠন করতে চেয়েছিলেন, আমি তা বাস্তবায়ন করব। আজ তিনি যে স্বপ্ন নিয়ে অদম্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কোনো ষড়যন্ত্র যেনো বাঁধা হয়ে দাড়াতে না পারে, সেজন্য আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা আজ ঐক্যবদ্ধ। কোনো ষড়যন্ত্র শেখ হাসিনার এই উন্নয়ন অগ্রগতিকে বাঁধাগ্রস্ত করতে পারবে না। এমপি প্রিন্স বলেন, ৭৫’এ ১৫ আগস্ট। ভোরের সূর্য তখনও আমাদের ঘরে পৌঁছায়নি। ঠিক সেই মুহূর্তে আমরা শুনেছিলাম আমাদের পিতা বঙ্গবন্ধু আর নেই। তার লাশ ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে পড়ে ছিল। সেদিন ইতিহাসের রক্তাক্ত বিশ্বাসঘাতকতার ঘটনা আমরা দেখেছিলাম। সেদিন বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে বাংলাদেশের বুকে গুলি করা হয়েছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতা চেতনাকে বুকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শকে হত্যা করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্যে দিয়ে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে পকিস্তানের আদলে তৈরির ষড়যন্ত্র পাকাপোক্ত করেছিল। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। জিয়া জানতো না তাকেই নিষ্ঠুর হত্যার কা-ের শিকার হতে হবে। এমন ভাগ্য বরণ করতে হবে। তার লাশও সেদিন পাওয়া যায়নি। স্থানীয় তারাবাড়ীয়া আলিম মাদ্রাসা মাঠে চরতারাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জালাল উদ্দিন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম দুলালের স ালনায় সম্মেলনে সম্মানিত অতিথির বক্তব্য দেন পাবনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি রেজাউল রহিম লাল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন নব নির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আ.স.ম আব্দুর রহিম পাকন, পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আমিনুল হক টিপু ও গোলাম রব্বানী টেগার। প্রধান বক্তা ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হাসান শাহীন। বিশেষ বক্তা ছিলেন পাবনা সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুল, রবিউল ইসলাম রবি, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী শেখ রাসেল আলী(ভি.পি মাসুদ), দপ্তর সম্পাদক সাইফুল ইসলাম,চরতারাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরি সদস্য সিদ্দিকুর রহমান, কার্যকরি সদস্য আশরাফুল ইসলাম বকুল খান এবং চরতারাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সুজানগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক প্রচার সম্পাদক রবিউল হক টুটুল। অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক শ্রম বিষয়ক সম্পাদক সরদার মিঠু আহমেদ, সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাওয়াল বিশ্বাস, মহিলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুন্নাহার রেখা, সুজানগরউপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ সভাপতি আব্দুল জলিল বিশ্বাস, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান সবুজ ও সুজানগর পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি ফেরদৌস আলম ফিরোজ প্রমুখ। সম্মেলনে স্থানীয় আ.লীগ নেতা বন্দের আলী, সাইদুল ইসলাম বাদশা,নিজাম খাঁ, আব্দুস সামাদ জানু, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, রবিউল ইসলাম,ঝন্টু, কৃষকলীগ নেতা ইসলাম খা, আব্দুল হান্নান,ছাত্রলীগ নেতা নিরব সহ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জালাল উদ্দিন বিশ্বাস সভাপতি নির্বাচিত হন। কিন্তু সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক প্রার্থী থাকায় ওই পদে নতুন নাম ঘোষণা ছাড়াই সম্মেলন সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • সুজানগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের দাফন সম্পন্ন

    সুজানগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের দাফন সম্পন্ন

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগরঃ পাবনার সুজানগরে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক(চুনু) এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে স্থানীয় তারাবাড়ীয়া কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে দুপুর ২টায় সুজানগর পৌরসভার কাঁচারীপাড়া স্টেডিয়াম মাঠে তার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হকের জানাজা নামাজের পূর্বে তার কফিনে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) মো.তরিকুল ইসলাম । এ সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুল হাননান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ মাষ্টার ও আব্দুল কাদের উপস্থিত ছিলেন। এর পরপরই পাবনা পুলিশের একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করেন। উল্লেখ্য গত বুধবার রাত ১১টার দিকে অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক(৭২) অসুস্থতাজনিত কারণে সুজানগর পৌরসভার ভবানীপুর কাঁচারীপাড়া তার নিজ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তিনি ২ স্ত্রী, ১ ছেলে ও ৫ মেয়ে সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।

  • পঞ্চগড়ে মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    পঞ্চগড়ে মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

    মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় জেলা প্রতিনিধি :
    শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের শিংরোড এলএসএস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান উন্নয়ন ও শতভাগ শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করার লক্ষে মা ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার ( ২৩ নভেম্বর ) বিকেলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আয়োজনে উক্ত বিদ্যালয়েএই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি শ্রী জ্যোতিষ চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে , এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন , সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: আব্দুল মালেক চৌধুরী , এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন , ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি , মোঃ হারুনুর রশিদ, চাকলাহাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম , বিদ্যালয়ের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক শ্রী দ্বিজেন্দ্র নাথ রায়, ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য , শহিদুল ইসলাম , বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, হরিশচন্দ্র রায় সহকারী শিক্ষক শৈলেন চন্দ্র রায়, অজিফা বেগম এবং শাহ আলম সহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সন্তানের নৈতিক চরিত্র গঠন ও আনুষ্ঠানিক শিক্ষায় অভিভাবক হিসেবে মায়ের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষার মান তৈরি করা গেলে আরো বাস্তবমুখী ও গুণগত মানের হয়ে উঠবে এতে সন্দেহ নেই। সন্তানের সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে মায়ের ভূমিকাই অপরিসীম। প্রাথমিক শিক্ষা হচ্ছে একটি শিশুর সুদীর্ঘ পথ-পরিক্রমার প্রারম্ভিক ধাপ। মায়ের হাত ধরে গুটিগুটি পায়ে যখন একটি শিশু প্রথমবারের মতো বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় পা রাখে, তখন শুরু হয় তার নতুন পথচলা। আর এই নতুন পথচলাকে আরো মসৃণ করতে একজন মায়ের সচেতনতাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। উপস্থিত মা ও অভিভাবকদের উদ্যেশে বক্তারা আরো বলেন, আপনার সন্তানদের নিয়মিত স্কুলে পাঠাবেন। ছেলে-মেয়েদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করবেন। তাহলেই আপনাদের স্বপ্ন একদিন পূরণ হবে। সমাবেশ শেষে মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ।

  • ভাবখালীতে স্বাচিপ নেতা ডাঃ আজিজ এর পক্ষ থেকে  শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    ভাবখালীতে স্বাচিপ নেতা ডাঃ আজিজ এর পক্ষ থেকে শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ

    ময়মনসিংহের সদর উপজেলায় স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) এর মহাসচিব,ময়মনসিংহ সদর আসনের মানুষের প্রিয়জন অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ এর পক্ষ থেকে জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক এর সহযোগিতায় শীতার্ত মানুষদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।

    বুধবার (২৩শে নভেম্বর) রাতে উপজেলার ১২নং ভাবখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক অর্থ বিষয়ক সম্পাদক, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ রববানী উদ্যোগে উক্ত কম্বল বিতরণ করা হয়।

    এসময় ভাবখালী ইউনিয়ন জাতীয় শ্রমিকলীগ নেতৃবৃন্দ সহ স্থানীয় গরীব অসহায় মানুষের মাঝে প্রত্যেককে একটি করে কম্বল প্রদান করা হয়।

    কম্বল বিতরণের আগে সাবেক ছাত্রনেতা সাংবাদিক আরিফ রববানী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডাঃ এম আজিজ মহোদয় ও তারই ছোট ভাই জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক ভাই ময়মনসিংহের মানুষের বিপদে-আপদে সব সময় পাশে আছে। করোনাকালে দফায় দফায় খাদ্য, অর্থ সহ বিভিন্ন সহযোগিতা প্রদান করেছেন। শীতের প্রকোপ বাড়ার সাথে সাথে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে। আগামীতেও এভাবে আমরা অধ্যাপক ডাঃ এম আজিজ ভাইয়ের দিকনির্দেশনা মোতাবেক মানুষের পাশে থাকবো।

    তিনি বলেন- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দলীয় নেতৃবৃন্দকে সর্বদা অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছেন। করোনাকালীন সময়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা আজিজ ভাই ও যুবলীগ নেতা ফারুক ভাইয়ের সার্বিক সহযোগীতায় যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাড়িয়েছি ঠিক একইভাবে শীতার্ত অসহায় মানুষের পাশে আছি। ভবিষ্যতে যেকোন সংকটকালে আমরা আপনাদের পাশে থাকব। আপনারা সবাই আমাদের ময়মনসিংহের কৃতি সন্তান, আমাদের সদর আসনের আগামীর কর্ণধার অধ্যাপক ডাঃ এম এ আজিজ ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।

    এসময় জাতীয় শ্রমিকলীগ সদর উপজেলা শাখার সদস্য আল আমিন, ভাবখালী ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক জুয়েল মিয়া, সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন,যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুল ইসলাম, রুহুল আমিন, আজগর আলীসহ জাতীয় শ্রমিকলীগ ও অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ময়মনসিংহে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পুলিশ সুপার মাছুম আহম্মেদ

    ময়মনসিংহে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন পুলিশ সুপার মাছুম আহম্মেদ

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    একাত্তরে পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিয়ে দেশকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলেন আনোয়ারুল হক রফিক। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর আবার চাকরিতে যোগদান করে যথারীতি অবসরে যান এই মুক্তিযোদ্ধা পুলিশ সদস্য। বর্তমানে তিনি স্ত্রী সন্তান নিয়ে বার্ধক্য জনিত নানা জটিলতায় ওয়াক্তা ভাবে অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। তার উন্নত চিকিৎসা ও অপারেশন প্রয়োজন। তো সেই অর্থ তার নেই। আত্মীয়-স্বজনরা সহায়তা করে তার অপারেশনের জন্য ভর্তি করেছেন ময়মনসিংহের স্বদেশ হসপিটাল।এমন খবরে মর্মাহত হন ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহম্মেদ।তিনি তার চিকিৎসার সকল দ্বায়িত্ব নেন। কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দকে দেখবাল ও তদারকির দায়িত্ব দিলে তিনি সন্ধায় তার হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন । নেন সব বিষয়ে খুঁজ খবর। পুলিশের প্রতি পুলিশের এমন মানবতা আরো প্রশংসিত হয়েছে।

    অনেক দিয়েছেন বঙ্গবন্ধুর কন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আরও চাইতে লজ্জা লাগে- বলে অসহায় উক্তি ব্যক্ত করেছেন হাসপাতালে শয্যাশায়ী বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. আনোয়ারুল হক রফিক (৭০)।

    তিনি আরও বলেন- ডাক্তার বলেছে অপরারেশন না করলে জীবন সংকটাপন্ন হতে পারে। কিন্তু চিকিৎসা করতে লাখ টাকা দরকার। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রতি মাসে ভাতা যা পাই, তা দিয়ে কোন মত সংসার চলে। এখন টাকা ছাড়া চিকিৎসা করতে পারছি না।

    এই অবস্থায় একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া আর কারও কাছে চাওয়ার জায়গা আমার নেই। বিষয়টি লজ্জার হলেও আমি অসহায়, বলেই হাসপাতালে বেডে বিমূর্ষ হয়ে পড়েন সত্তোরর্ধ্বো এই বীরমুক্তিযোদ্ধা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দুপুর ৩টায় ময়মনসিংহ শহরের স্বদেশ হাসপাতালে চিকিসাধীন অবস্থায় বাংলানিউজের সাথে কথা হয় কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার কামাসাটিয়া গ্রামের বাসিন্দা এই বীরমুক্তিযোদ্ধার।

    এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে তাঁর চিকিৎসায় সহযোগিতা কামনা করে এভাবেই নিজের অসহায়ত্বে কথা তুলে ধরেন। জানান মুক্তিযোদ্ধের বিভীষিকাময় স্মৃতিমন্থর নানা গল্প।

    বলেন- খুব অল্প বয়সেই ১৯৭০ সালে পুলিশ সদস্য হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন দু’চোখ ভরা স্বপ্ন নিয়ে। কিন্তু এর কিছুদিন পরেই সিলেট পুলিশ লাইনে থাকা অবস্থায় শুরু হয় দেশ স্বাধীনতার যুদ্ধ। একদিন হঠাৎ পাক হানাদার বাহিনীর আক্রমনে চোখের সামনে সেখানে শহীদ হয় ৮ পুলিশ সদস্য।

    এরপর আমরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলেও শত ভয় উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযোদ্ধের ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধে অংশ গ্রহন করি। টানা নয় মাসের যুদ্ধে সহযোদ্ধা অনেকেই শহীদ হলেও ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাই আমি। এরপর ১৯৭২ সালের জানুয়ারিতে সিলেট পুলিশ লাইনে পুন:রায় চাকরীতে যোগদান করে র্দীঘ কর্মজীবন শেষে বিগত ২০০০ সালে অবসর গ্রহন করি।

    আনোয়ারুল হক আরও বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর অনেক সরকার হয়েছে। কিন্তু শেখ হাসিনার মত আর কেউ মুক্তিযোদ্ধাদের মনে রাখেনি। তাঁর উদারতার কারণেই আজ মুক্তিযোদ্ধারা ভাতা পাচ্ছে। আমি কৃতজ্ঞ বঙ্গবন্ধু কন্যার কাছে। কিন্তু এখন অসহায় হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিকিৎসার সহযোগিতা কামনা করছি। এর বেশি আর চাওয়ার নেই।

    জানা যায়, আনোয়ারুল হক দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী’সহ দুই ছেলে ও দুই মেয়ে সন্তানের জনক। নিজের জমিজমা যা ছিল তা বিক্রি করে ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়া করিয়েছেন। এর মধ্যে বড় ছেলে একটি বেসরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত থাকলেও বাকিরা এখনও অধ্যয়নরত।

    এই অবস্থায় নিজের চিকিৎসার জন্য বিক্রি করার মত তাঁর কাছে অবশিষ্ট আর কোন জমি নেই বলেও জানান হাসপাতালের বিছানায় শয্যাশায়ী এই বীর সন্তান।

    এ সময় পাশে বসে থাকা আনোয়ারুল হকের সহধর্মীনি হাফসা বেগম (৬২) বলেন, অনেকদিন ধরে হার্টের অসুখ ভুগছেন তিনি। সেই সাথে গত কিছুদিন ধরে তাঁর মুদ্রথলিতে মাংস বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়াও নানা রোগে আক্রান্ত তিনি। গত ১৬ নভেম্বর ডাক্তার দেখিয়েছি। তারা বলেছে- এখন চিকিৎসা না করলে বড় ধরনের সমস্যা হতে পারে।

    কিন্তু চিকিৎসা করার মত টাকা আমাদের নেই। এই অবস্থায় আমি আমার স্বামীর চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগিতা চাই। শুনেছি উনি কাউকে ফিরিয়ে দেন না।

    তবে এই মুক্তিযোদ্ধার আর্থিক সংকটের বিষয়টি জানা নেই বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া পারভেজ।

    তিনি বলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান। তবে তিনি আর্থিক সংকটে আছেন বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি উনি বা পরিবারের কেউ আমাদের কাছে আসেন অবশ্যই আমরা তাঁকে সহযোগিতার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।

  • রেডক্রিসেন্ট নির্বাচনে পানছড়িতে ভোট চেয়ে বাড়ি বাড়ি ছুটে চলেছেন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী শাহনাজ সুলতানা

    রেডক্রিসেন্ট নির্বাচনে পানছড়িতে ভোট চেয়ে বাড়ি বাড়ি ছুটে চলেছেন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী শাহনাজ সুলতানা

    মিঠুন সাহা, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি।

    আগামী ৬ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ি ইউনিটের ২০২৩-২০২৫ মেয়াদে কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচনে
    খাগড়াছড়ির পানছড়ি উপজেলার রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের সকল আজীবন সদস্যদের নিকট ভোট প্রত্যাশা করে বাড়ি বাড়ি ছুটে গেছেন কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী শাহনাজ সুলতানা।

    বৃহস্পতিবার (২৪ নবেম্বর) দুপুর ২ টার সময় পানছড়ির আজীবন সদস্যদের নিকট ছুটে যান এবং ভোট প্রত্যাশা করে দোয়া ও আশীর্বাদ কামনা করেন।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যক্তি বাবুল কায়সার,রেডক্রিসেন্ট ইউনিটের আজীবন সদস্য রায়হান আহমেদসহ প্রমুখ।

  • ভোলার লালমোহনে গাছিরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়

    ভোলার লালমোহনে গাছিরা ব্যাস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়

    মোঃ ছাইফুল ইসলাম-(জিহাদ), নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ভোলার লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের গ্রাম গুলোতে গাছিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন খেজুর গাছ পরিচর্যায়। প্রতিবছরের শীত মৌসুম আসলেই গ্রামগুলোর সবুজ মাঠে মাঠে সারিসারি খেজুর গাছ গুলো যেন এক নতুন সাজে। বছরের বেশির ভাগ সময়ে এলোমেলো থাকা খেজুর গাছ গুলোকে শীতের শুরুতে কেটে ছেটে (রস ) বের করার উদ্দেশ্য যারা পরিচর্যা করে থাকেন, তাদেরকে গ্রাম্য ভাষায় বলা হয় গাছি।

    একটি সুস্থ্য সবল খেজুর গাছ থেকে নিয়মিত (রস) পেতে হলে তার আগে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম গাছিদের পালন করতে হয়। তার মধ্যে প্রথমত গাছ গুলোর একপাশের ডগা সুন্দর ভাবে ছেটে ফেলা, যাকে বলা হয় গাছ তোলা।

    তার একসপ্তাহ পরে ওই অংশটি আবার নতুন করে রস আসার স্থানকে ছাটাই করা, যাকে বলা হয় গাছ চাছ দেওয়া। এরপর আবার ৬/৭ দিন, চাছ দেওয়া ওই অংশটি কে ভালো করে শুকিয়ে নিতে হয়। তার পরে গাছিরা বাঁশের কঞ্চি বানিয়ে চাছ দেওয়া স্থানের উপর থেকে ছয় ইঞ্চি নিচু করে কঞ্চি টিকে ওই স্থানে লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে শুরু হয় রসের জন্য গাছ কাটার পালা। গাছ থেকে রস সংগ্রহের জন্য মাটির হাঁড়ি প্রসিদ্ধ এবং সব শ্রেণির গাছিদের কাছে মাটির হাঁড়ি পছন্দ। সাধারনত একটি গাছ একবার কাটলে ৪ থেকে ৫ দিন পরে আবার কাটা যায়। এভাবে চলতে থাকে শীত মৌসুম শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত। খেজুরের রস টিনের তাওয়া বা তাফালে করে আগুনে জালিয়ে যে গুড় তৈরি করা হয় তা খেজুরের গুড় নামে পরিচিত।

    বাংলাদেশের মানুষদের কাছে খেজুর গুড়ের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ও লালমোহন উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে গাছিরা মেতেছে খেজুর গাছ পরিচর্যায়। ইতিমধ্যে বেশ কিছু এলাকায় শুরু হয়েছে রস সংগ্রহের কাজ। এরমধ্যে উল্লেখ যোগ্য উপজেলার কালমা ইউনিয়নের কয়েকটি ওয়ার্ডে একসময় খেজুর গাছ সহ খেজুরের রস ও গুড় সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত ছিল। কিন্তু বর্তমানে অন্যান্যে গাছের আবাদ হওয়ায় বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে সকলের প্রিয় সেই খেজুর গাছের।

  • মহালছড়ি বাজারে অগ্নি নির্বাপন মহড়ায় সেনাবাহিনী ও সেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহন

    মহালছড়ি বাজারে অগ্নি নির্বাপন মহড়ায় সেনাবাহিনী ও সেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহন

    রিপন ওঝা,মহালছড়ি।

    মহালছড়িতে মহালছড়ি জোনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও ফায়ার সার্ভিসের বিশেষ ইউনিটের উপস্থিতিতে আজ ২৪ নভেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল ১১.০০ঘটিকায় মহালছড়ি বাজারসহ তৎসংলগ্ন এলাকায় আসন্ন শুষ্ক মৌসুম কে সামনে রেখে আজ দুর্ঘটনাজনিত অগ্নিকাণ্ড নিরসন এবং এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মহালছড়ি সেনা জোন ও বাজার সেচ্ছাসেবক কমিটির সমন্বয়ে একটি যৌথ অগ্নি নির্বাপন মহড়া আয়োজন করা হয়।

    মহালছড়ি জোন সদরের অগ্নি নির্বাপক দল এবং বাজার স্বেচ্ছাসেবক দল কর্তৃক যৌথভাবে দ্রুততম সময়ে অগ্নি নির্বাপন এবং অগ্নি নির্বাপক সরঞ্জামাদির সঠিক ব্যবহার ছিল এই মহড়ার মূল উদ্দেশ্য। এছাড়াও, এই মহড়ায় স্থানীয়দের অগ্নি নির্বাপন প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি জরুরী অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়।

    উক্ত মহড়ায় মহালছড়ি জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি মহালছড়ি বাজারের সামগ্রিক অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকির প্রয়োজনীয়তা এবং যে কোন জরুরী অবস্থায় করণীয় সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি আরও বলেন,খাগড়াছড়ি জেলার সবেচয়ে পুরাতন উপজেলা মহালছড়ি। মহালছড়ি উপজেলাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশন না থাকায়
    মহালছড়ি বাজার এই উপজেলার একটি বৃহত্তর ও ব্যস্ততম বাজার হওয়ায় এর অগ্নি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মহালছড়িতে কোন ফায়ার সার্ভিস না থাকায় যে কোন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সেনা জোন দ্রুততম সময়ে সাড়া দিতে সক্ষম। এ ব্যাপারে তিনি স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

    এই অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন বিশেষ অতিথি সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুইথী কার্বারী, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জসিম উদ্দিন, ৬এপিবিএন সিনিয়র এএসপি মোঃ রুবেল হক, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন শীল, উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি দীপক সেন, মাইসছড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাজাই মারমা, মহালছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিপুল বিকাশ খীসা, বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি সুনীল দাশ, মহালছড়ি কাঠ ব্যবসায়ি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন আনু, বিভিন্ন দাপ্তরিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    মহালছড়ি উপজেলা বাজার ব্যবসায়ি সমিতির সভাপতি সুনীল দাশ ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিনের উপস্থিতিতে আগুন নির্বাপনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম দেয়া হয়।

    এসময়ে সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান রতন কুমার শীল জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল শাহরিয়ার সাফকাত ভূইয়া, পিএসসি’র নিকট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল স্টেশন নির্মাণের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও সহযোগিতা কামনা করেছেন।

    মহালছড়িবাসী সেনাবাহিনীর এই জনসচেতনামূলক উদ্যোগের অত্যন্ত প্রশংসা করেন এবং কৃতজ্ঞতা জানান।

  • মোংলায় দুইটি হরিণের মাথাসহ আটক ২

    মোংলায় দুইটি হরিণের মাথাসহ আটক ২

    মোংলা প্রতিনিধি
    মোংলায় হরিণের দুইটি মাথাসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে বনবিভাগ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সুন্দরবন সংলগ্ন জয়মনি বাজারের ব্রিজের উপর থেকে হরিণের মাথাসহ তাদেরকে আটক করা হয়। এ সময় একজন দৌঁড়ে পালিয়ে যান বলেও জানায় বনবিভাগ। সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের সহকারী বনসংরক্ষক মোঃ শহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনের ব্রিজের উপর থেকে যাওয়ার সময় একটি মোটরসাইকেলের গতিরোধ করা হয়। এ সময় মটরসাইকেলে থাকা একজন দৌঁড়ে পালিয়ে যায় আর বাকীদের হাতে থাকা একটি ব্যাগ পাশের খালে ছুড়ে ফেলেন। ওই দুইজনকে আটক করার পর খাল থেকে ব্যাগটি তুলে তারমধ্যে দুইটি হরিণের মাথা পাওয়া যায়। আটক দুই ব্যক্তি হলো ওবায়দুল শেখ (২৫) ও বাবু শেখ (২২)। ওবায়দুল মটরসাইলকেল চালক। ওবায়দুল ও বাবু আপন চাচাতো ভাই। আর পালিয়ে যাওয়া হৃদয় (২১) তাদের বন্ধু। এ তিনজনেরই বাড়ী উপজেলার মিঠাখালী ইউনিয়নের আন্ধারিয়া গ্রামে। তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়েছে।
    আটককৃতরা বনবিভাগের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন যে, তারা এক হাজার টাকা দিয়ে উপজেলার চিলা ইউনিয়নের জয়মনি এলাকার বটতলার রহিমন বেগমের দোকানের পাশ থেকে রহিমনের ছেলে রাজ্জাক ও সজিবের কাছ থেকে এ হরিণের মাথা কিনে নিয়ে যাচ্ছিলেন। সজিব আন্ধারিয়া গ্রামে বিয়ে করার সুবাদে ওই এলাকার ওবায়দুল, বাবু ও হৃদয়ের সাথে সম্পর্ক হয় তার। সজিব বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাদেরকে হরিণের মাথা দেয়ার কথা বললে তারা তা নিতে আসেন। বনবিভাগের এ কর্মকর্তা আরো বলেন, রহিমন বেগমের ছেলে রাজ্জাক ও সজিব চিহ্নিত পেশাদার চোরা হরিণ শিকারী। আটককৃতদের মাধ্যমে হরিণ শিকারের খবর পাওয়ার পর সন্ধ্যায়ই রহিমনের দোকান ও বাড়ী ঘিরে রেখেছেন বনবিভাগের সদস্যরা। অভিযান টের পেয়ে তারা সরে পড়ায় এবং দোকান ও বাড়ীতে কেউ না থাকায় তল্লাশী চালানো সম্ভব হচ্ছেনা। রাতের অভিযান শেষ করে শুক্রবার সকালে এ ঘটনায় বিস্তারিত জানাবেন বলে জানান বন কর্মকর্তা শহিদুল। তিনি বলেন, যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের পর জব্দকৃত হরিণের মাথাসহ শুক্রবার সকালে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হবে।