Author: desk

  • জয়পুুরহাটে নানা আয়োজনে আমার সংবাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    জয়পুুরহাটে নানা আয়োজনে আমার সংবাদ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

    স্টাফ রিপোর্টার:- নিরেন দাস

    জয়পুরহাটে দশ পেরিয়ে এগারোতে পদার্পণ উপলক্ষে “সত্যের সন্ধানে প্রতিদিন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে নানা আয়োজনে জাতীয় দৈনিক আমার সংবাদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আলোচনা সভা র‍্যালী ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। রবিবার (৫ মার্চ) বিকেলে জয়পুরহাট মডেল প্রেসক্লাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

    অনুষ্ঠানে দৈনিক আমার সংবাদের জেলা প্রতিনিধি গোলাপ হোসেনের সভাপতিত্বে, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ফারজানা হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক রমজান আলী মণ্ডল।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন,আঞ্চলিক দৈনিক জয়পুরহাট খবর পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক মতলুব হোসেন, প্রেসক্লাব জয়পুরহাটের সাধারণ সম্পাদক ও দেশ টিভির জেলা প্রতিনিধি রেজাউল করিম রেজা, সাংবাদিক আরমান হোসেন, সুলতান মাহমুদ, সেলিম রেজা, সুজন মন্ডল বিশিষ্ট সাংবাদিক আঃ রাজ্জাক।

    এছাড়া বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পঞ্চগড়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

    পঞ্চগড়ে সড়ক দূর্ঘটনায় ৩ জন নিহত

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
    পঞ্চগড়ে জেলা ইজতেমা থেকে করে বাড়ি ফেরার পথে পৃথক এলাকায় বাস দূর্ঘটনায় তিনজন মুসল্লি নিহত হয়েছে। এদিকে এ ঘটনায় প্রায় শতাধীক বাস যাত্রী আহত হয়েছে।
    পঞ্চগড় জেলার বোদা উপজেলার চন্দনবাড়ি এলাকায় ও দেবীগঞ্জ উপজেলায় লক্ষিরহাট এলাকায় পঞ্চগড়- দেবীগঞ্জ মহাসড়কে এ দূর্ঘটনাগুলো ঘটে।

    নিহতরা হলেন, জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার দরগাছা গ্রামের মৃত সরিউদ্দীনের ছেলে তমিজ উদ্দীন (৬০), তেঁতুলিয়ার তিরনইহাট ইউনিয়নের পিঠাখাওয়া খাগতপাড়া গ্রামের সিরাজ আলীর ছেলে হাসিবুল ইসলাম (৩২) ও পঞ্চগড় সদর উপজেলার সারে ৯মাইল বিরাজোত গ্রামের কাসেম আলীর ছেলে তপন (২৫)।

    স্থানীয়রা জানা যায়, দেবীগঞ্জে তিন দিন ব্যাপী জেলা ইজতেমা শেষ করে বাসযোগে বাড়ি ফিরছিলেন মুসল্লিরা। এসময় বোদা উপজেলার চন্দ্রনবাড়ি বাজার এলাকায় দেবীগঞ্জ-পঞ্চগড় মহাসড়কে চলন্ত বাসের ট্যায়ার বিস্ফোরণ হলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায় বাস। এতে মুসল্লিরা গুরুত্বর আহত হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তমিজ উদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন। এদিকে হাসিবুল নামে আরেকজনকে রংপুরে নেয়া হলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে, দেবীগঞ্জ উপজেলার লক্ষিরহাট এলাকায় মহাসড়কে চলন্ত বাসের পেছনে ধাক্কা দেয় একটি দ্রুতগামী ট্রাক। এতে বাস পাল্টি খেয়ে ঘটনাস্থলে তপন নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়।

    পঞ্চগড়ের বোদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজয় কুমার রায় ও দেবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল হোসেন তিন জনের নিহতের বিষয়টি সময় সংবাদকে নিশ্চিত করেন।

  • পঞ্চগড় জেলা শহরে গুজবে   জুতার শোরুমসহ ৩ দোকান লুট ভাংচুর

    পঞ্চগড় জেলা শহরে গুজবে জুতার শোরুমসহ ৩ দোকান লুট ভাংচুর

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    আজ ৪ ফেব্রুয়ারী রাত ৮ টায় শহরে একটি গুজব উঠে। পঞ্চগড় তুলার ডাংগা বস্তিতে ২ জনকে জবাই করে হত্যা করা হয়েছে মর্মে গুজব উঠে। গুজবে আতংকিত জেলা শহরের ব্যবসায়ীরা তাদের দোকান পাট বন্দ করে দিক বিদিক ছুটতে থাকে। ঠিক একি সময় কিছু উচ্ছৃঙ্খল জনতা শহরের ফল পট্টিতে ওয়াকার জুতার অত্যাধুনিক শো রুমে লুট পাট ও ভাংচুর সহ পাশে ২ টি কাচ বিক্রির দোকানেও ভাংচুর করে। এ ঘটনার পর পঞ্চগড় জেলা পুলিশ শহরের সমস্ত দোকান বন্দ করে দেয়। জেলা শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরা করছে। উল্লেখ গত ৩ ফ্রেবুয়ারী শুক্রবার বাদ জুম্মা মুসল্লীরা জেলা সদর উপজেলার আহাম্মদ নগরে কাদিয়ানীবাদের সালনা জলসা বন্দের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় পুলিশের সাথে মুসল্লীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার হয়। পুলিশের টিয়ারগ্যাস ও রাবার বুলেটে শতাধিক মুসল্লী আহত হয় এবং ২ জন নিহতের ঘটনা ঘটে।

  • দক্ষিণ জেলা  জাপা’র নতুন  কমিটি  গঠন  নিয়ে ত্যাগি নেতাকর্মীনদের অসন্তোষ   বাতিলের দাবিতে  সংবাদ সম্মেলন

    দক্ষিণ জেলা জাপা’র নতুন কমিটি গঠন নিয়ে ত্যাগি নেতাকর্মীনদের অসন্তোষ বাতিলের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

    পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:-চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ঘোষিত নবগঠিত কমিটিতে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে কমিটি করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পদ বঞ্চিতরা নেতা কর্মীরা। তার সদ্য ঘোষিত কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠনের দাবি জানিয়েছেন।

    গতকাল (৫ মার্চ রবিবার) বিকেলে পটিয়া প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জাপার দক্ষিণ জেলার সাবেক শ্রম ও সমাজকল্যান বিষয়ক সম্পাদক ও বর্তমান পটিয়া পৌরসভা জাপা সাধারন সম্পাদক মোস্তাক আহমদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা জাপা’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আকবর চেয়ারম্যান, দক্ষিণ জেলা কৃষক পার্টি সভাপতি মাহবুর রহমান, দক্ষিণ জেলা যুবসংহতির সাবেক সদস্য সচিব রূপেশ সরকার, পটিয়া উপজেলা জাপা’র সহ সভাপতি ফরিদ আহমদ চৌধুরী, আবদুস ছত্তার সওদাগর, নুরুল আবছার,নুরুল ইসলাম গান্ধী, এমরান মিয়া, আনিস, মামুন, দিদারুল আলম, সাহাব মিয়া প্রমুখ।

    লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ্য করেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারী জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি ও মহাসচিব মো: মুজিবুল হক চুন্নু এমপি স্বাক্ষরিত দক্ষিণ জেলা জাপা’র সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি অনুমোদন দেন। কিন্তু সদ্য ঘোষিত কমিটিতে জাতীয় পার্টি’র প্রয়াত চেয়ারম্যান হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ ও জাপা চট্টগ্রাম দক্ষিণ জাপার সভাপতি প্রয়ায়ত শামসুল আলম মাস্টারে অনুসারী দু-সময়ের দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ এ কমিটি গঠন করা হয়েছে। ত্যাগী ও তৃনমূল নেতাকর্মীদের সম্পূর্ণ অজান্তে পার্টি চেয়ারম্যান ও মহাসচিবকে ভুল বুঝাইয়া একজন বিতর্কিত লোককে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার আহবায়ক করে ১২৫ সদসাা বিশিষ্ট কমিটি করা হয়। যে, কমিটিতে চ দক্ষিণ জেলার অসংখ্য নেতা কর্মীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পটিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পার্টি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ ও বর্তমান কো চেয়ারম্যান-১ উপস্থিত থেকে সর্বশেষ যে সম্মেলন করেছিলেন, ঐ সম্মেলনে সবাই চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে ও ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বর্তমান চেয়ারম্যানের অনুমোদনকৃত আহŸায়ক কমিটিতে অনেকেই যুগ্ম আহŸায়ক ও সদস্য দায়িত্ব পালন করেছন। সদ্য অনুমোদন পাওয়া আহŸায়ক কমিটিতে আমাদেরকে প্রয়াত কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস-চেয়ারম্যান ও দক্ষিণ জেলার আহŸায়ক সামসুল আলম মাষ্টার এর অনুসারী বলে কমিটি থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। নেতৃবৃন্দ ঘোষিত কমি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করা দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তারা আরো উল্লেখ করেন, ১৯৯১ সালে জাপার চেয়ারম্যান এরশাদ মুক্তির আন্দোলন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে মিছিল, মিটিংনে অংশগ্রহন করে আসছেন তারা। দলের স্বার্থের পরিপন্থী ত্যাগি নেতাদের দল থেকে বের করে দেওয়ার ষড়যন্ত্র লিপ্ত রয়েছে বর্তমান চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার বর্তমান আহবায়ক

    এই কমিটিতে মৃত মানুষকে রাখা হয়েছে, যেমন কমিটির ৩২নং সদস্য রমজান মুন্সি ও ৯৫নং সদস্য মোহাম্মদ আলী বর্তমানে মৃত। একজন লোককে একাধিক জায়গায় সদস্য করা হয়েছে, যেমন জসিম উদ্দিন সিকদার, দুলা মিয়া মেম্বার, রুবেল খান, হাজী নুরুল ইসলাম, কাজী মজিবুর রহমান। এ কমিটিতে নিজে আহবায়ক আবার তাহার ছেলে ৮১নং সদস্য ফরিদ উদ্দিন সরকার, আবার অফিসের পিয়ন আবদুল হাকিম ৬০ নং সদস্য, আবার কর্ণফূলী আওয়ামীলীগের ৪৩নং সাইফু উদ্দিন মানিক মেম্বারকে সদস্য করা হয়েছে।

    দলের ত্যাগি বাদ পড়া কমিটি’র নেতাকর্মীরা হলেন, ২০১৯ সালের ২০ ডিসেম্বর বর্তমান চেয়ারম্যানের অনুমোদনকৃত আহবায়ক কমিটির যুগ্ম আহবায়ক কাজী ইসমাইল আজাদ, আবু বক্কর ছিদ্দিকী, সাতকানিয়া উপজেলা সভাপতি আবদুস ছাত্তার, আনোয়ারা উপজেলা সভাপতি আলী আকবর চেয়ারম্যান, দ: জেলা জাপা’র শ্রম ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক- পৌর সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমদ, সাবেক জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক সেলিম চৌধুরী, সাবেক দক্ষিণ জেলার ছাত্র সমাজের সভাপতি মো: সোলায়মান, বোয়ালখালীর সাধারণ সম্পাদক দিদারুল ইসলাম মুরাদ, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক- ডাঃ খোরশেদুল আলম, ফরিদ আহাম্মদ চৌধুরী, আবদুস সত্তার সওদাগর, মোঃ নুর ছফা, বাবু মিলন কান্তি মেম্বার, রাজিব দাশ রাজু, আলহাজ¦ আবু তাহের সওদাগর, দিলীপ ঘোষ দিপু মেম্বার, রনজিত ভট্টাচার্য্য কালু, মাহবুবুর রহমান, এন.এম. জসিম উদ্দীন, মোঃ এয়াছিন খান, নেজাম সওদাগর, দিদারুল আলম, আমিন ফারুকী, নুরুল আবছার, মোঃ ইদ্রিস, জালাল উদ্দিন, নাজিম উদ্দিন মেম্বার, সোলায়মান চৌধুরী, জাফর আহমদ, ছৈয়দুল আরেফীন পান্থ, শফিকুল ইসলাম, রফিক আহমদ, ছালেক আহমদ, মোঃ দুলাল, মোঃ বাদশা মিয়া, নজির আহমদ, সাইফুল ইসলাম, আবদুল রাজ্জাক, নুর নবী চাদ, মোঃ আবছার, এরশাদ আহমদ, লিয়াকত আলী, মোঃ নাছির আহমদ, আহাম্মদ শরীফ, ডাঃ আবছার, মোঃ সেলিম, মোঃ আকবর, নুরুল ইসলাম মেম্বার, রফিক আহমদ সওদাগর, জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ ইয়াছিন, রূপেশ সরকার, নুর আহমদ কন্ট্রাক্টর, আবু ওয়াহেদ, মোঃ আলী, রবি চৌধুরী, আশরাফ আলী, মোঃ শফি, মোঃ আবছার, মোঃ পারভেজ, রাশেদুল হক খোকন, আবুল মনসুর, পুতুল বড়ুয়া, জয়নাল আবেদীন, ফিরোজ আহমদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ.কে.এম. ইয়াকুব আলী চৌধুরী, বাবু যীষু দে, মোহাম্মদ আলী মেম্বার, নুরু ছফা সওদাগর, মজিবুল হক, মুছা ড্রাইভার, জালাল উদ্দিন, মোরশেদুল আলম, আবদুল খালেক প্রমুখ দলের ত্যাগী নেতাদের শামসুল আলম মাষ্টারের অনুসারী হওয়ায় কমিটি থেকে

  • হরিণাকুন্ডুতে কৃষক হত্যা মামলায় পিতাপুত্রসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন

    হরিণাকুন্ডুতে কৃষক হত্যা মামলায় পিতাপুত্রসহ ৩ জনের যাবজ্জীবন

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার মান্দিয়া গ্রামের কৃষক হক আলি হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রসহ তিন জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। রোববার দুপুরে ঝিনাইদহ জেলা দায়রা জজ মোঃ নাজিমুদ্দৌলা এ দন্ডাদেশ প্রদান করেন। একই সাথে প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমান অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়। দন্ডিতরা হলো-ওই গ্রামের এলেম মন্ডলের ছেলে আসাদুল হক, আলী মন্ডলের ছেলে খাকচার আলী মন্ডল ও খাকচার মন্ডলের ছেলে আনিচুর রহমান মন্ডল। মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ইসমাইল হোসেন বাদশা জানান, ২০১৪ সালের ৭ জুলাই হরিণাকুন্ডু উপজেলার মান্দিয়া গ্রামের কৃষক হক আলিকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে যায় আসাদুল হক। ৯ জুলাই সকালে গ্রামের একটি কলাবাগান থেকে তার মাটিচাপা দেওয়া লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আসামীরা তাকে মাথায় আঘাত করে, সাইকেলের টিউব দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে হত্যা করে মাটিতে পুতে রাখে। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রোজিনা খাতুন বাদী হয়ে ২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতদের আসামীদের করে হরিণাকুন্ডু থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। ২০১৫ সালের পহেলা মার্চ পুলিশ ৪জনকে আসামী করে আদালতে চার্জশীট দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আদালত রোববার আসামী আসাদুল হক, খাকচার আলী মন্ডল ও আনিচুর রহমানকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ২০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। মামলা চলাকালে আসামী তোয়াজ উদ্দিন মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
    প্রণোদনার তালিকায় ডিলারের কর্মচারির নাম সারা জেলায় দুর্নীতি ও অনিয়ম
    ঝিনাইদহে প্রণোদনার কৃষি যন্ত্রপাতি কৃষকের বাড়িতে নেই!
    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    প্রণোদনার কৃষি যন্ত্রপাতি পিয়েছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ফুরসুন্ধি ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের মৃত খোদাবক্সের ছেলে হায়দার আলী। কিন্তু তিনি সেটি ব্যবহার করেন না। সেটি এখন রয়েছে মধুহাটী গ্রামে। তার বাড়িতে নেই কৃষি ভুর্তুকীর পাওয়ার টিলার। একই ভাবে পেয়েছিলেন ভবানীপুর গ্রামের সুশিল বিশ্বাসের ছেলে শৈলেন বিশ্বাস ও আজিম মন্ডলের ছেলে সাহাবুদ্দিন। কিন্তু প্রণোদনার টাকায় পাওয়া সিডার এবং পাওয়ার টিলার তাদের বাড়িতে নেই। সরজমিন এমন ভয়ংকর তথ্য মিলেছে সদর উপজেলায়। শুধু ঝিনাইদহ সদর উপজেলাতেই নয়, অন্যান্য উপজেলাতে কৃষি প্রণোদনার টাকা নয় ছয় করা অভিযোগ উঠেছে। ফলে প্রকৃত কৃষক পরিবার সরকারের এই সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ২০২১ সালের জুন থেকে শুরু হওয়া ৫ বছর মেয়াদি প্রকল্পে এপর্যন্ত ঝিনাইদহে ১০ কোটি টাকার বেশি প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। প্রকল্প শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রণোদনার তালিকা প্রস্তুত নিয়ে স্বজন প্রীতি ও অনিয়ম করা হয়। কৃষি বিভাগের সঙ্গে একটি ব্যবসায়ীক সিন্ডিকেট এই প্রণোদনা বানিজ্যের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে, যাদেরকে প্রণোদনার টাকায় পাওয়ার টিলার, সিডার ও হারভেস্টার প্রদান করা হয়েছে, তাদের বাড়িতে এ সব কৃষি যন্ত্রপাতি নেই। ভবানীপুর গ্রামের হায়দার আলী তাদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু তার স্ত্রী শিউলি বেগম জানান, তাদের পাওয়ার টিলার সদর উপজেলার মধুহাটি গ্রামে তার দেবরের বাড়িতে রয়েছে। অন্যদিকে সাহাবুদ্দিনের স্ত্রী লিপি খাতুন জানান, তার স্বামী সাহাবুদ্দিন ঝিনাইদহের সেচ বিতানে কাজ করেন। তারা এই পাওয়ার টিলার পেলেও শোরুম থেকে নিয়ে আসেননি। শৈলেন ডাক্তার জানান, আগে থেকেই তার একটি পাওয়ার টিলার ছিলো। তাই নতুন টা তিনি বিক্রি করে দিয়েছেন। একসাথে দুইটা রেখে লাভ কি ? প্রশ্ন করেন তিনি। পার্শ্ববর্তী জিথড় গ্রামের মৃত বাবর আলী বিশ্বাসের ছেলে সাবেক মেম্বার মোস্তফার বাড়িতে পাওয়ার টিলারের খোঁজে গেলে জানা যায় একই ইউনিয়নের মাড়ুন্দি গ্রামের তুকামের কাছে তিনি সেটি বিক্রি করে দিয়েছেন। এই গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য আসাদুজ্জামান টিপুর আগে থেকেই একটি পাওয়ার টিলার রয়েছে। ২০২১-২২ অর্থ বছরে তিনি নতুন আরেকটি পেয়েছেন। তবে তার নিজের যেই টাকা দেওয়ার কথা ছিল তার একটি টাকাও তিনি দেননি। শোরুমের মালিক তার টাকা দিয়ে তার পাওয়ার টিলার তুলে তিনি নিজ দায়িত্বে বিক্রি করে দিয়ে কিছু নগদ টাকা তাকে দিয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। বিষয়টি নিয়ে আসাদুজ্জামান টিপু মেম্বার জানান, তিনি যদি জানতেন এই পাওয়ার টিলার নিয়ে এমন হবে তাহলে তিনি নিতেন না। সামন্য কিছু টাকার জন্যে তিনি দুর্নামের ভাগিদার হতে রাজি নন। একই গ্রামের মৃত শংকরের ছেলে সঞ্জিত ও মৃত নিরঞ্জনের ছেলে সুরঞ্জনও এই কৃষি অফিস থেকে প্রণোদনার পাওয়ার টিলার পেয়েছেন। সঞ্জিতের পাওয়ার টিলার বিক্রি করে দিয়েছেন। সঞ্জিতের ছেলে জানান, তার ভাই বিদেশ যাওয়ার জন্য টাকার প্রয়োজন ছিল তাই বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। সুরঞ্জন জানান, তার আগে থেকেই একটি পাওয়ার টিলার রয়েছে। তাই তিনি নতুনটা কিছু দিন আগে বিক্রি করে দিয়েছেন। তার ভাগ্নে কৃষি অফিসে চাকরি করেন বলেও তিনি জানান। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হরিশংকরপুর, ঘোড়শাল, সুরাট, পাগলাকানাই, সাগান্না, পোড়াহাটি, হলিধানী ও পৌর এলাকায় হারভেস্টার, পাওয়ার টিলার বা রাইস প্লান্টার দেয়া হয়েছে। হরিণাকুÐু, শৈলকুপা, কালীগঞ্জ ও মহেশপুরেও প্রণোদনার টাকায় কেনা কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে দুর্নীতি ও স্বজন প্রীতি হয়েছে। ঝিনাইদহ শহরের জিন্নাহ মার্কেটের কামাল মেশিনারিজের দোকানে প্রণোদনার পাওয়ার টিলার বিক্রির জন্য রাখা হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের নামে এ সব পাওয়ার টিলার বরাদ্দ করে এনে কালো বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ উঠেছে। কৃষি যন্ত্রপাতি কেনা নিয়ে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, প্রণোদনায় প্রাপ্ত কৃষি যন্ত্রপাতিগুলো ৩ বছরের আগে বিক্রি বা হস্তান্তর করতে পারবেন না। ঝিনাইদহে যন্ত্রের প্রকার ভেদে সরকার একেক রকমের প্রণোদনা দিচ্ছেন। একটি হারভেস্টারের সরকার বর্তমানে ১৪ থেকে সাড়ে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ভুর্তকী দিচ্ছেন। সিডারে বর্তমানে ১ লাখ ৫৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ভর্তুকী দিচ্ছেন। শুধু পাওয়ার টিলারে ৫০ হাজার টাকা, পাওয়ার থ্রেসারে ৪৮ হাজার, রিপারে ৯০ হাজার বেড প্লান্টারে ৯০ হাজার ভর্তুকী দিচ্ছেন সরকার। প্রতিবছর উপজেলা চেয়ারম্যান, ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে কৃষি অফিসে আবেদন করতে বলা হয়। আবেদনের ভিত্তিতে তালিকা তৈরি করে কমিটির মাধ্যমে ঢাকায় পাঠানো হয়। পাশ হয়ে আসলে বিতরণ করা হয়। মেশিনের দাম সব প্রকল্প অফিস থেকে পাশ হয়ে আসে। ঝিনাইদহ কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের উপ পরিচালক আজগার আলী জানান, কৃষক যদি পাওয়ার পরে বিক্রি করে ফেলেন তাহলে আমরা কি করবো। আমরা তো কৃষকের ভালোর জন্যই দিচ্ছি। এই বিষয়ে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের সাথে কথা বলতে বলেন। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাদিয়া জেরিন জানান, তিনি গত ডিসেম্বরে ঝিনাইদহে যোগদান করেছেন। তার যোগদানের পরে প্রণোদনার কোন যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়নি। তবে যেহেতু প্রশ্ন উঠেছে এই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। ঝিনাইদহের অগ্নিবীণা সড়কের সেচ বিতান ও বিসমিল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং মিশনারিজ থেকেই এই কৃষি যন্ত্রপাতিগুলো সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এর মধ্য সেচ বিতান থেকেই বেশিরভাগ করা হয়েছে। সেচ বিতানের কর্মচারী সাহাবুদ্দিন নিজে কৃষক কাজ না করলেও তিনি পেয়েছেন প্রণোদনার পাওয়ার টিলার। অন্যান্য সকল ইউনিয়ন বা এলাকা থেকে ফুরসুন্ধি ইউনিয়নের মানুষের নাম বেশি রয়েছে তালিকায়। জানাগেছে, সেচ বিতানের মালিক রিপনের বাড়ি ফুরসুন্ধি ইউনিয়নে। তার চেষ্টাতেই এই ইউনিয়নের লোকজনের নাম বেশি এসেছে। সেচ বিতানের মালিক রিপন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, তিনি নিজের টাকা দিয়ে কারো নামে প্রণোদনার যন্ত্রপাতি উত্তোলন করেননি। জনতা ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মালিক আলমগীর হোসেন জানান, ঝিনাইদহের বাজারে যে পাওয়ার টিলারগুলো পাওয়া যাচ্ছে সেই গুলো মেহেরপুর-চুয়াডাঙ্গার। এগুলো ঝিনাইদহের নয়। ঝিনাইদহ জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম জানান, আমরা প্রণোদনার পাওয়ার টিলারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি বাজারে বিক্রি হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে জেলার বিভিন্ন জায়গায় তদন্ত করেছি। অনেকগুলো জায়গায় এর সত্যতা পেয়েছি। আমরা আরও তদন্ত করবো। এই বিষয়ে আমরা মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর কাছে জানাবো। সমন্বিত ব্যবস্থার কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম জানান, সারাদেশে খুব সচ্ছভাবে এই প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। ঝিনাইদহে কিছু অনিয়মের তথ্য আমি শুনেছি। আমরা তদন্ত করবো। সত্যতা পেলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • সাতদিন ধরে নিখোঁজ প্রতিবন্ধী রবিউল ইসলাম

    সাতদিন ধরে নিখোঁজ প্রতিবন্ধী রবিউল ইসলাম

    স্বরূপকাঠি (উপজেলা)প্রতিনিধি //

    গত সাতদিন ধরে রবিউল ইসলাম নামে ২০বছর বয়সী একটি বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ছেলে নিখোঁজ হয়েছে । নিখোঁজ হওয়ার সময় লাল শার্ট এবং কালো প্যান্ট পরা ছিলো।

    কামারকাঠী তার বোনের বাড়ি থেকে বিকাল চারটার সময় মাকে খোঁজার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিলো বুদ্ধি প্রতিবন্ধী রবিউল ইসলাম।ওর মা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকাতে ছিলেন।

    এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ছেলের সন্ধানে স্বরূপকাঠি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেছেন তার বড় বোন নুপুর বেগম।

    এদিকে রবিউল ইসলামকে ফিরে পেতে সকল আত্মীয়-স্বজনের বাড়ীতে খোঁজ খবর নেয়া হয়েছে। এবং স্বরূপকাঠি উপজেলার আশপাশের উপজেলায় মাইকিং করা হয়েছে । সাত দিন ধরে তাকে খুঁজে না পেয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার।

    নিখোঁজ রবিউল ইসলাম এর বাড়ি পিরোজপুর জেলার স্বরূপকাঠি উপজেলার ৫নং জলাবাড়ি ইউনিয়নের। সে কামারকাঠী মল্লিক বাড়ির ছেলে মো.সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে। তার মা আনোয়ার বেগম।

    রবিউলের ইসলাম এর পরিবার জানায়, সোমবার (২৭ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪টার দিকে রবিউল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর সে আর বাড়িতে ফেরেনি। আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে শনিবার (২৮ফেব্রুয়ারী) স্বরূপকাঠি একটি থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

    রবিউল ইসলাম এর মা আনোয়ার বেগম জানান, রবিউল আমাকে খোঁজার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিলো। আমি চিকিৎসার জন্য ঢাকা গিয়েছিলাম। মেয়ে জামাইর বাসায় দুদিন ছিলাম আমাকে ছাড়া থাকতে পারতো না।তাই আমাকে খোঁজার জন্য ঘর থেকে বের হয়েছিলো। তিনি আরো জানান,রবিউল খেলাধুলা করার জন্য বাড়ি থেকে বের হতো। পরে আবার সময়মতো ঘরে ফিরে আসত। কিন্তু এবার সাত দিন পার হয়ে গেলেও সে ঘরে ফেরেনি। কোথায় আছে, কেমন আছে, কিভাবে আছে, সেই চিন্তায় আমার নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আত্মীয়-স্বজনসহ সবাই বিভিন্নভাবে তার খোঁজ করছে কিন্তু কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।

    এছাড়াও রবিউলের দুলাভাই জানান,ও ভালো করে কথা বলতে পারেনা সুধু মা বলে ডাকতে পারে এবং ওর নাম জিগ্যেস করলে বলতো দেবিউল। তার বড় ভাই জানান, কোন হৃদয়বান ব্যক্তি যদি ওর খোঁজ পেয়ে থাকেন অবশ্যই যোগাযোগ করবেন।

    তার বড় বোন জানান, রবিউল খুব ভদ্র ছেলে ছিলো। কারো সাথে ঝগড়া করতো না। আমাদের বাসায় মাঝে মধ্যেই আসতো কোথাও যেতোনা। সেদিন মাকে খোঁজ করতে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি।

    ওয়ার্ড মেম্বার শাহাবুদ্দিন জানান, সর্বশেষ রবিউল ইসলামকে স্বরূপকাঠি বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে। পরবর্তীতে লোকের মাধ্যমে জানা গেছে তাকে বানারীপাড়ায় দেখা গেছে। সে নীজের নাম পরিচয় কিছুই বলতে পারেনা। সম্ভাব্য স্থানে খোঁজা চলমান রয়েছে।

    নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাফর আহম্মেদ বলেন, নেছারাবাদ থানায় রবিউল ইসলাম এর নিখোঁজের ডায়েরি করা হয়েছে। তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে ছবি সহ খোঁজ পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব দ্রুত ছেলেটির খোঁজ পাবো আমরা।

  • নড়াইলে দুর্গম এলাকায় ইপিআই কর্মসূচী বাস্তবায়ন জোরদার করতে সহযোগিতায় জেলা তথ্য অফিস

    নড়াইলে দুর্গম এলাকায় ইপিআই কর্মসূচী বাস্তবায়ন জোরদার করতে সহযোগিতায় জেলা তথ্য অফিস

    উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে দুর্গম এলাকায় ইপিআই কর্মসূচী বাস্তবায়ন জোরদার করতে সহযোগিতায় জেলা তথ্য অফিস।

    ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় নড়াইল জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়ন এবং শালনগর ইউনিয়নে এবং কালিয়া উপজেলার বাঐসোনা এবং জয়নগর ইউনিয়নে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী বেগবান করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচী বাস্তবায়িত হয়েছে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসব্যাপী ৷ উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,

    কর্মসূচীগুলোর মধ্যে চারটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা, ছয়টি মতবিনিময়সভা, ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কুইজ প্রতিযোগিতা এবং স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় সঙ্গীতানুষ্ঠানের মতো বৈচিত্র্যময় বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিলো ৷

    নড়াইলের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ও দুর্গম এলাকায় পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর শিশুদের টিকাদান কর্মসূচী সম্প্রসারণে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সম্পৃক্তকরণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় ৷

    কর্মশালাগুলোতে সকল ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য, স্থানীয় ইমাম, পুরোহিত, এনজিওকর্মী, কৃষক প্রতিনিধি,ব্যবসায়ী , শিক্ষক সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ উপস্থিত ছিলেন ৷

    চারটি ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডে গ্রামের বিভিন্ন স্তরের জনগণ নিয়ে আয়োজিত হয় মতবিনিময়সভা ৷

    চারটি ইউনিয়নের ছয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইপিআই বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয় ৷

    এর মধ্যে দুটি মাদ্রাসায় কুইজ অনুষ্ঠিত হয় ৷

    উল্লিখিত চারটি ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় ইপিআই বিষয়ে সচেতনতামূলক সঙ্গীত পরিবেশন করা হয় ৷

    জেলা তথ্য অফিস, নড়াইল ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় নড়াইলে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী আরো জোরদার ও বেগবান করার লক্ষ্যে উল্লিখিত কর্মসূচীগুলো বাস্তবায়ন করে ৷

    কর্মসূচীগুলো জনগণের নিকট ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল মত প্রকাশ করেন ৷

    প্রতিটি কর্মসূচী শেষে উপস্থিত জনগণ ইপিআই কার্যক্রম শতভাগ সফল করার ব্যাপারে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন ৷

    ইউনিসেফ বাংলাদেশের খুলনা ও ঢাকার কর্মকর্তাগণ নড়াইলে বিভিন্নসময় উপস্থিত থেকে কর্মসূচীগুলো প্রাণবন্ত করেন ৷

  • শৈলকুপায় বিয়াল্লিশ ইঞ্চি উচ্চতার বর কনের আলোচিত বিয়ে

    শৈলকুপায় বিয়াল্লিশ ইঞ্চি উচ্চতার বর কনের আলোচিত বিয়ে

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    আল আমিন ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার চর-বাখরবা গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে। আর কনে আসমা খাতুন কুষ্টিয়া জেলার ইবি থানার করিমপুর গ্রামের আকমল জোয়াদ্দারের মেয়ে। বিয়ের পর নববধু আসমা এসেছেন বরের বাড়ি শৈলকুপার চর-বাখরবা গ্রামে। বিয়ের পরদিন শনিবার বর-বউ আনা-নেয়াসহ অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা চলছে। নব দম্পতিকে দেখতে সকাল থেকেই বরের বাড়িতে ভিড় করছে মানুষ। অনেকে উপহার দিচ্ছেন তাদের। আল আমিনের বাবা আব্দুল খালেক কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার ৫ ছেলে ১ মেয়ের মধ্যে আল-আমিন সবার ছোট । তিনি জানান,‘ ছোট ছেলেকে বিয়ের জন্য অনেক চেষ্টা করছি এতদিন মেলেনি। এখন মিলেছে। এতে আমি ভীষণ খুশী। গ্রামের অনেক মানুষের দোয়া নিয়েছি’। আসমা খাতুনের বড় বোন শিউলী খাতুন জানান, তাদের বাড়ি কুষ্টিয়ার ইবি থানার করিমপুর গ্রামে। তার বাবা একজন কৃষক। তারা ৪ বোন ১ ভাই। শিউলী জানান, ‘এই বোন কে বিয়ের জন্য পরিবারে একটা টেনশন ছিল, শেষ পর্যন্ত বোনকে বিয়ে দিতে পেরে পরিবারের সবাই খুশী হয়েছে’। তিনি বলেন ‘বোন কে তার স্বামীর পরিবারের সবাই হাসিমুখে মেনে নিয়েছে। আনন্দ উৎসব করেই ওদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে’।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • শিক্ষাক্ষেএে বিশেষ অবদানের জন্য প্রধান শিক্ষক কে এম আবদুল গনিকে ফুলেল শুভেচছা

    শিক্ষাক্ষেএে বিশেষ অবদানের জন্য প্রধান শিক্ষক কে এম আবদুল গনিকে ফুলেল শুভেচছা

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    শিক্ষাক্ষেএে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সম্রীতি উৎসব মহাত্মা গান্ধী অ্যাওয়াড ২০২৩ ছনহরা ষোড়শী বালা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম আব্দুল গণিকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি, শিক্ষক শিক্ষিকা ও ছাএ-ছাএীদের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা জানানো হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন
    বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ওসমান আলমদার। অভিভাবক সদস্য উওম কুমার বৈদ্য,মুজিবুর রহমান,ইকবাল হোসেন,আবু তাহের,ছেনুয়ারা বেগম,সুকতি রানী দে,অলকেশ কুমার দাশ,হোসনে আরা বেগম,পপি বড়ুয়া,গেপা বিশ্বাস, অনিমা রানী দে,খাইরুল ইসলাম, মৌলবা বাহাদুর,নিবেদন বিশ্বাস, শাহাব উদ্দীন,মুক্তি মজুমদার, মোহাম্মদ ইদ্রিস, প্রদীপ রায় মিএ প্রমুখ।

  • ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ থেকে বিমান টিকেট হস্তান্তর করেন দূতাবাস

    ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ থেকে বিমান টিকেট হস্তান্তর করেন দূতাবাস

    মোঃ আবদুল্লাহ কাদের, মালদ্বীপ থেকে ঃ- মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার রিয়াল এডমিরাল এস এম আবুল কালাম আজাদ ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল থেকে একটি বিমান টিকেট হস্তান্তর করেন, দুর্ঘটনায় আহত মালদ্বীপ প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মী মোহাম্মদ রহিম মিয়া।

    উল্লেখ্য বাংলাদেশী প্রবাসী শ্রমিক মোহাম্মদ রহিম মিয়া
    মালদ্বীপের রাজধানীর পার্শ্ববর্তী আইল্যান্ড হুলেমালে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে রাস্তা পার হওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়, এবং পায়ে গুরুতর আঘাত পায়। মোহাম্মদ রহিম মিয়ার বাড়ি টাঙ্গাইল জেলা মির্জাপুর উপজেলা, আগামী (৭ মার্চ) ২০২৩ তারিখে তিনি বাংলাদেশে ফিরে যাবেন বলে জানান বাংলাদেশ হাইকমিশনার।

    বিমান টিকেট হস্তান্তর সময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের কাউন্সিলর (শ্রম) মোঃ সোহেল পারভেজ ও কল্যাণ সহকারী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন।