আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের চাপড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। জানা গেছে, ২০ মার্চ সোমবার বিদ্যালয়ের সভাপতি বিশিষ্ট সমাজসেবক ও তরুণ শিল্পপতি আলহাজ্ব আবুল বাসার সুজনের সভাপতিত্বে ও প্রধান শিক্ষক জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় বিদ্যালয় চত্ত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। অন্যান্যদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাইনুল ইসলাম স্বপন, সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ প্রদিপ সরকার,উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান আবু বাক্কার ও সোনীয়া সরদার, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য সচিব রামিল হাসান সুইট ও রোকন সরকার প্রমুখ।
এছাড়াও এলাকার অভিভাবকসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এবং বিদায়ী ও নবীন শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এদিন নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ ও কৃতি শিক্ষার্থীদের সুজনের পক্ষ থেকে অনুপ্রেরণা পুরুস্কার দেয়া হয়।
Author: desk
-

তানোরের চাপড়া স্কুলে বিদায় ও নবীন বরণ
-

তানোর উপজেলা চেয়ারম্যান ময়নার লীলা কির্ত্তন পরিদর্শন
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরের কামারগাঁ ইউনিয়নের (ইউপি) কামারগাঁ দুর্গা মন্দীরে ১৬ প্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী রাধা গোবিন্দ লীলা কীর্তন আয়োজন করা হয়েছে। এদিকে ২০ মার্চ সোমবার রাতে স্থানীয় সাংসদের পক্ষ থেকে তার প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না কামারগাঁ দুর্গা মন্দীরে আয়োজিত লীলা কীর্তন পরিদর্শন, ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও সাংসদের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান সোনীয়া সরদার, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান ফজলে রাব্বী ফরহাদ মিঞা, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি রাম কমল সাহা ও জেলা বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মাহাবুর রহমান মাহামপ্রমুখ। # -

সাভার ও আশুলিয়য় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না-বৈধ গ্রাহকদের চুলা জ্বলছে না
হেলাল শেখঃ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না-দালালদের পকেটে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে বৈধ গ্রাহকদের গ্যাসের চুলাও জ্বলছে না, মোমবাতির মতো টিপটিপ করে জ্বললে রান্না করা যায়না বলে অনেকেই জানান। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও সাভার আশুলিয়ায় ভিন্ন চিত্র।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া, ইউসুফ মার্কেট, তাজপুর, অন্যদিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চিত্রশাইল এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পদ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতারা হলো, আশুলিয়ার জামগড়া এরাকার নাজিম উদ্দিন, সোহেল মীর, সাঈদ মীর, শামীম, শরীফ, মোস্তফা, সেলিমসহ ১৫-২০জন। তাজপুর এলাকায় হানিফ ও সিরাজসহ ১০-১২ জনের দালাল চক্রসহ আরও অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ। এক একটি অবৈধ সংযোগ থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা কালেকশন করা হয়, পুরো উপজেলায় ৬০ হাজারের বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দালালদের পকেটে কোটি কোটি টাকা যাচ্ছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত দুই বছরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতলের দাম বেড়েই চলেছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল।
সরকারের সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণির হলো সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। অনেকেই দাবি করেন যে,এখন প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে ইনকাম কম খরচ বেড়েছে এর কারণে মানুষের অভাব বাড়ছে। গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। জানা গেছে, ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। গ্রাহকদের তারা আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে তারা এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়ছে। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
জানা গেছে, একটি অভিযানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা খরচ হচ্ছে, অভিযানের দুইদিন পর আবার সেখানে অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়, আবার অভিযান চালানো হয়, এতে সরকারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো সারাদেশে। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ হবে।
দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে গত বৃহস্প্রতিবার মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম আমাদের তথ্যভান্ডারে রয়েছে। আগামী রবিবার এ বিষয়ে আমরা একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করবো। বিঃ বা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমা ল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এই সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আগামী সোমবার সভা করে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা ঠিক করবেন। উক্ত ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। নানা প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিতে বাধ্য করে কিছু দালাল চক্র। আবার অনেক গ্রাহকও নানাভাবে তদবির-প্রচেষ্টায় অবৈধ সংযোগ নেন। এখন স্থায়ীভাবে আবাসিক সংযোগ বন্ধ হওয়ায় নতুন করে অবৈধ সংযোগ নেওয়া অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জানা গেছে, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ রয়েছে।
ঢাকার সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ ব্যবস্থাপক (জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত তিন বছরের তেমন মামলা করা হয়নি, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে সাভার থানায় ৬টি ও আশুলিয়ায় ৪৬টি মামলাসহ প্রায় ৫২টির মতো মামলা করা হয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান। তবে এক স্থানে ৬-৮ বার অভিযান করা হয় বলে সরকারের মোটা অংকের অর্থ হরিলুট হচ্ছে। সাভার আশুলিয়ায় অবৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না বলে তারা অভিযোগ করেন, বিল ঠিকই নেয়া হচ্ছে কিন্তু গ্যাস থাকেনা চুলার পাইপলাইনে, এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। -

বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা-দোয়া কামনা
হেলাল শেখঃ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক ৬ বার ঢাকা জেলার শ্রেষ্ঠ করদাতা নির্বাচিত-সম্মাননা প্রাপ্ত জনাব আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া’র পক্ষ থেকে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লার এর সভাপতি সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ)। তিনি বলেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা রইলো, সেই সাথে দেশবাসী সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার সারাবিশ্বের বিস্ময় তুমি আমার অহংকার। সেই সাথে সকল বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাতের জন্য দোয়া কামনা রইলো, আল্লাহ যেন সকল বীর শহীদদেরকে জান্নাতবাসী করেন, আমিন।
ঢাকা জেলার আশুলিয়ার জামগড়া ভুঁইয়া বাড়ির কৃতিসন্তান মানবতার ফেরিওয়ালা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ঢাকা জেলার ৬বার শ্রেষ্ঠ করদাতা হিসেবে নির্বাচিত আলহাজ্ব তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া বলেন,সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সকল বীর শহীদদের প্রতি বিন¤্র শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং আমার পক্ষ থেকে সবাইকে মহান স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা। তিনি অভিমত প্রকাশ করেন যে,করোনাকালীন সময়ও দেশে ব্যবসা বাণিজ্য ভালো ছিলো, যা বর্তমানে সেই ব্যবসা বাণিজ্য তেমন ভালো যাচ্ছে না, তারপরও আমি করদাতা হিসেবে সরকারকে করফাঁকি দেইনি। আমি সততার সাথে ব্যবসা করি, আমার ব্যবসার শুরু থেকে পর্যায়ক্রমে যখন ব্যবসা বড় হচ্ছে, সেই থেকে কখনো কর ফাঁকি দেওয়ার চিন্তা মাথায় ঢোকেনি আমার, ব্যবসা শুরু করার পরের বছর থেকেই আমি আয়করদাতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করি। তিনি আরো বলেন, আমার ব্যবসা যত এগিয়েছে, আমি কর দেওয়া ততটাই বাড়িয়েছি। ২০১৬ইং সালে ঢাকা জেলার প্রথম সেরা করদাতা হিসেবে সম্মাননা স্মারক পাই, এরপর ২০১৭, ২০১৮, ২০১৯, ২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালের ৩০ ডিসেম্বর আবারও ঢাকা জেলা সেরা করদাতা হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সম্মাননা অর্জন করেছি। আমি মনে করি রাষ্ট্রের সঙ্গে কখনই বেঈমানি করা উচিৎ না। তিনি আরো বলেন, ব্যবসায়ীদের কখনো সম্পদের হিসাব বা তথ্য গোপন রাখা উচিৎ না।
জানা গেছে, সকল শ্রেণি পেশার মানুষের প্রাণপ্রিয় একজন মানুষ তানভীর আহমেদ রোমান ভুঁইয়া, তিনি একজন ভালো মনের মানুষ, তিনি কোনো রাজনৈতিক নেতা নয়, তারপরও সকল জাতীয় দিবসে দেশবাসী সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। তেমনি তিনি দেশে বা বিদেশে থেকেও প্রিয় ভাই বন্ধুসহ সবার সাথে যোগাযোগ রাখেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তিনি বিদেশে থেকে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সকল বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, এই জাতীয় দিবস উপলক্ষে সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি একজন ব্যবসায়ী, আমার কারো সাথে কোনো প্রকার বিবাদ নেই, আমি বৈধ ব্যবসা করি, আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করিনা, আমি যেন দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করতে পারি এর জন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা রইলো। আল্লাহ সর্বশক্তিমান। আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে হেফাজত করেন, আমিন। -

সাভার ও আশুলিয়ায় গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না-বৈধ গ্রাহকদের চুলা জ্বলছে না
হেলাল শেখঃ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না-দালালদের পকেটে যাচ্ছে কোটি কোটি টাকা। অভিযান অব্যাহত আছে বলে দাবী করছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। এদিকে বৈধ গ্রাহকদের গ্যাসের চুলাও জ্বলছে না, মোমবাতির মতো টিপটিপ করে জ্বললে রান্না করা যায়না বলে অনেকেই জানান। দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও সাভার আশুলিয়ায় ভিন্ন চিত্র।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঢাকার আশুলিয়ার কাঠগড়া, ইউসুফ মার্কেট, তাজপুর, অন্যদিকে ইয়ারপুর ইউনিয়নের চিত্রশাইল এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি সম্পদ তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগের ছড়াছড়ি। তথ্যমতে, এসব অবৈধ সংযোগ দাতারা হলো, আশুলিয়ার জামগড়া এরাকার নাজিম উদ্দিন, সোহেল মীর, সাঈদ মীর, শামীম, শরীফ, মোস্তফা, সেলিমসহ ১৫-২০জন। তাজপুর এলাকায় হানিফ ও সিরাজসহ ১০-১২ জনের দালাল চক্রসহ আরও অনেকেই তিতাস গ্যাসের অবৈধ সংযোগ দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ। এক একটি অবৈধ সংযোগ থেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ টাকা কালেকশন করা হয়, পুরো উপজেলায় ৬০ হাজারের বেশি অবৈধ সংযোগ রয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে দালালদের পকেটে কোটি কোটি টাকা যাচ্ছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ থেকে অগ্নিকান্ডে নারী ও শিশুসহ গত দুই বছরে সাভার ও আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেক মানুষের মৃত্যু হয়েছে, শতাধিক মানুষ দগ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। এদিকে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতলের দাম বেড়েই চলেছে, ওষুধের দোকান, মুদি দোকানসহ বিভিন্ন দোকানে বিক্রি হচ্ছে সিলিন্ডার গ্যাসের বোতল।
সরকারের সিদ্ধান্তে দুই শ্রেণীর গ্রাহক সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন, এদের মধ্যে এক শ্রেণির হলো সাভার আশুলিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বাসা বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকেরা। আরেকটি হলো বিভিন্ন আবাসন কোম্পানিগুলো। তাদের মধ্যে অনেকেই গ্রাহকদের গ্যাসের পাইপলাইনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আবাসন কোম্পানির অনেকেই বলেন, এখন গ্যাসের সংযোগ না পেলে তাদের প্লট, জমি ও ফ্ল্যাট বিক্রি হচ্ছে না। অনেকেই দাবি করেন যে,এখন প্রতিটি জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে ইনকাম কম খরচ বেড়েছে এর কারণে মানুষের অভাব বাড়ছে। গ্যাস সংযোগ নতুন করে আর কেউ পাচ্ছেন না, এতে গ্রাহকরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। জানা গেছে, ২০১৮ইং সালে এলএনজি আমদানি শুরুর পর দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা গ্যাসের সংযোগ নতুন করে শুরু হওয়ার কথা নীতিনির্ধারণী মহলেও শুনা যাচ্ছিল। তখন ঢাকা ও সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন জেলা উপজেলায় অবৈধ সংযোগের সংখ্যা আরো বাড়িয়ে দেয় দালাল চক্র সিন্ডিকেটগুলো। গ্রাহকদের তারা আশ্বাস দেয়, কিছুদিন পরে গ্যাসের নতুন বৈধ সংযোগ দেওয়া শুরু করলে তারা এগুলোকে বৈধ করে দেবেন কিন্তু এখন সব অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার পালায় এই গ্রাহকদের সংযোগও কাটা পড়ছে। জানা গেছে, সরকারি ভাবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেশ জোরেসোরেই মাঠে নেমেছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ।
জানা গেছে, একটি অভিযানে সরকারের লক্ষাধিক টাকা খরচ হচ্ছে, অভিযানের দুইদিন পর আবার সেখানে অবৈধ সংযোগ দেয়া হয়, আবার অভিযান চালানো হয়, এতে সরকারের বেশি ক্ষতি হচ্ছে। গ্যাস বিতরণ কোম্পানিগুলোকে কিছুদিন আগে জ্বালানি বিভাগ উক্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়ে তা বাস্তবায়নের আদেশ দিয়েছে। সূত্র জানায়, ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং টাকা জমা দেওয়া গ্রাহকদের আবেদনও বাতিল করা হবে। তাদের অর্থ ফেরত দেবে সংশ্লিষ্ট বিতরণ কোম্পানিগুলো। বিতরণ সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, নতুন সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোট ইস্যু হওয়া এবং প্রয়োজনীয় ফি জমা দেওয়া গ্রাহকের সংখ্যা প্রায় আড়াই লাখের মতো সারাদেশে। গ্যাস ও খনিজ সম্পদ খাতের নেতৃত্ব প্রদানকারী সংস্থা পেট্রোবাংলার এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, বৈধ অবৈধ নানা উপায়ে এই শ্রেণির গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৮ লাখ হবে।
দেশে সবচেয়ে বড় গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠান তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী আলী ইকবাল মোঃ নুরুল্লাহ বলেন, এ বিষয়ে গত বৃহস্প্রতিবার মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েছি। গৃহস্থালিতে আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। যেসব গ্রাহক সংযোগের জন্য আবেদন করেছেন এবং টাকা জমা দিয়েছেন, তাদের নাম আমাদের তথ্যভান্ডারে রয়েছে। আগামী রবিবার এ বিষয়ে আমরা একটি সভা করে সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রোডম্যাপ তৈরি করবো। বিঃ বা সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে বা অন্য কোনো উপায়ে গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। দেশে গ্যাস বিতরণে নিয়োজিত অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, পশ্চিমা ল গ্যাস কোম্পানি ও সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি। এই সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, আগামী সোমবার সভা করে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের রূপরেখা ঠিক করবেন। উক্ত ব্যাপারে জ্বালানি বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, গ্যাসের অবৈধ সংযোগ কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না। নানা প্রলোভন দেখিয়ে জনগণকে গ্যাসের অবৈধ সংযোগ নিতে বাধ্য করে কিছু দালাল চক্র। আবার অনেক গ্রাহকও নানাভাবে তদবির-প্রচেষ্টায় অবৈধ সংযোগ নেন। এখন স্থায়ীভাবে আবাসিক সংযোগ বন্ধ হওয়ায় নতুন করে অবৈধ সংযোগ নেওয়া অনেকটাই বন্ধ হয়ে যাবে। জানা গেছে, ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বাসা বাড়িতে প্রায় লক্ষাধিক অবৈধ সংযোগ রয়েছে।
ঢাকার সাভার তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিঃ ব্যবস্থাপক (জোবিঅ) প্রকৌশলী আবু সাদাৎ মোহাম্মাদ সায়েম এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত তিন বছরের তেমন মামলা করা হয়নি, সাভার ও আশুলিয়ায় তিতাস গ্যাসের বৈধ গ্রাহক সংখ্যা ৫২ হাজারের বেশি হবে। শিল্প গ্রাহক সংখ্যা ১৫০০। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে সাভার থানায় ৬টি ও আশুলিয়ায় ৪৬টি মামলাসহ প্রায় ৫২টির মতো মামলা করা হয়েছে। গ্যাসের অবৈধ সংযোগ ব্যবহারকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে বলেও তিনি জানান। তবে এক স্থানে ৬-৮ বার অভিযান করা হয় বলে সরকারের মোটা অংকের অর্থ হরিলুট হচ্ছে। সাভার আশুলিয়ায় অবৈধ গ্যাসের চুলা জ্বললেও বৈধ গ্রাহকের চুলায় গ্যাস থাকে না বলে তারা অভিযোগ করেন, বিল ঠিকই নেয়া হচ্ছে কিন্তু গ্যাস থাকেনা চুলার পাইপলাইনে, এ ব্যাপারে কারো কোনো মাথা ব্যথা নাই। -

ঝিনাইদহের ডাকুয়া নদীর অস্তিত্ব এখন শুধু মানচিত্রে দখল বেদখলে পুকুরে পরিণত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
প্রথমে দেখলে মনে হবে একটি পুকুর। কিন্তু না! এটি শৈলকুপার এক সময়ের খর¯্রােত ডাকুয়া নদী ও খাল। এই নদী ও খাল চলে গেছে ভূমিদস্যুদের দখলে। নদীর বুকে দখলদাররা চাষাবাদ করছে বিভিন্ন ফসল। গাছ-গাছালিসহ দোকানপাট ও পাকা স্থাপনাও তৈরি করেছে পুরা এলাকাজুড়ে। আবার কোথাও কোথাও সম্পূর্ণ ভরাট করে অস্তিত্ব বিলীন করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে শুধু মানচিত্রেই ঠাঁই হয়েছে এ নদী ও খালটির। প্রথমে দেখলে মনে হবে একটি পুকুর। অভিযোগ উঠেছে, সরকারি নদী ও খাল রক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিলেও বাস্তবে এ নদী ও খাল রক্ষায় কোন গুরুত্বারোপ করেনি সংশ্লিটরা। যে নদীকে কেন্দ্র করে একসময় সমৃদ্ধ জনপদ গড়ে ওঠে ওই এলাকায়, সেই নদীই এখন মৃত। এমন অবস্থায় ভূমিদস্যুদের হাত থেকে ডাকুয়া নদী ও পাশ্ববর্তী খাল পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। অন্যদিকে নদী ও খাল রক্ষার্থে দ্রæত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) বনি আমিন। সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কাঁচেরকোল ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে ডাকুয়া নদী ও খাল উত্তর মির্জাপুর থেকে বৃত্তিপাড়া পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থাকলেও এখন এর কোনো নমুনা পাওয়া যায়নি। এটি উত্তর মির্জাপুর মৌজার ৭৩৪ দাগে গিয়ে পড়েছে। ম্যাপে ছাড়া বাস্তবে ডাকুয়া নদীর কোনো অস্তিত্ব নেই। সিএস রেকর্ডে ডাকুয়া নদীর শাখা-প্রশাখা সরকারি খাল হিসেবে থাকলেও বর্তমানে খালের জায়গা প্লট আকারে বিভিন্ন ব্যক্তি নামে রেকর্ড হওয়ায় অস্তিত্বহীন হয়ে পড়ছে খালটি। সূত্র জানায়, ডাকুয়ার বিস্তৃতি এতটাই বড় ও চওড়া ছিল যা নদী হিসেবে থাকলেও বাস্তবে এর শাখা-প্রশাখা ব্যক্তি নামে নামে রেকর্ড করে দিয়েছে সরকারের অসাধু কর্মকর্তারাই। ডাকুয়ার বেশ কয়েকটি শাখা-প্রশাখা ছিল যা নদীর মতোই প্রবহমান ও ভরা যৌবন ছিল। এই নদী ও খালকে ঘিরে কৃষি, চাষাবাদ হতো মাঠের পর মাঠ। জেলেরা মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতো। গড়ে ওঠে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের বসতি। স্বাধীনতার আগে এই খালকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষ তাদের জীবিকা নির্বাহসহ যাবতীয় কাজ করত সরকারি বিশাল খালের ওপর নির্ভর করে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, স্বাধীনতার পর নানা সময় ও আরএস জরিপে উত্তর মির্জাপুর অংশে খালের ৮১ ও ৫৬৮ নম্বর দাগ বিভিন্ন ব্যক্তির নামে রেকর্ড হয়েছে। সেটেলমেন্ট ও ভূমি অফিসের দুর্নীতিগ্রস্থ অসাধু কর্মকর্তারা এসব সরকারি খালের জায়গা বিলীন করে দিয়েছে। ডাকুয়া নদী ও খালের বর্তমান কিছু অংশের রেকর্ডমূলে মালিক বাবলু জোয়ার্দার বলেন, আমার বাপ-দাদাদের আমল থেকে এই জমি আমরা ভোগদখল করছি। এটা সরকারি খাল বা নদীর জায়গা নয়। স্থানীয় বাসিন্দা শামীম বিন সাত্তার জানান, পুর্ব পুরুষদের কাছে শুনেছি এখানে ডাকুয়া নামে বড় নদী ছিল। এখন সবকিছুর অস্তিত্ব বিলীন হয়ে গেছে। ইচ্ছামতো দখলদাররা নদী দখল করে নিয়েছে। সরকারি খালের আরএস রেকর্ড বাতিলসহ অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ডাকুয়া খাল ও নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূমি অফিস বরাবর বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েও কোনো ফল পাচ্ছি না। কাঁচেরকোল ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন জোর্য়ার্দার বলেন, ডাকুয়া নদী ভূমিদস্যুরা দখল করে নিয়েছে, বর্তমানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই। দখলদারদের কাছ থেকে ডাকুয়া নদী ফিরিয়ে আনা এখন সময়ের দাবি। শৈলকুপার সহকারী কমিশনার (ভ’মি) বনি আমিন বলেন, সরকারি খাল ও নদীর জায়গা উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি এসব জায়গা উদ্ধারে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

মহাদেবপুরে ১৪ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দুই ছিনতাইকারী গ্রেফতার ঃ ছিনতাইকৃত টাকা উদ্ধার
নওগাঁ প্রতিনিধি : নওগাঁ’র মহাদেবপুর উপজেলায় ধান ব্যবসায়ীকে মারপিট , চোথে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে এবং দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ১৪ লক্ষ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দুই ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের নিকট থেকে ছিনতাই করা ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ের টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত মোবাইল ফোন, গহনা এবং ফ্রিজ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নওগাঁ’র পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হক তাঁর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রদান করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানিয়েছেন মহাদেবপুর উপজেলার বেলট গ্রামের মৃত মনছুর আলী সরদারের পুত্র ধান ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুল জব্বার গত ১৬ মার্চ বৃহষ্পতিবার বেলা ৩টায় ইসলামী ব্যাংক নজিপুর শাখা থেকে ১৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা উঠিয়ে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে নিজ বাড়ি বেলট গ্রামে ফিরছিলেন। বেলা ৩টা ৪০ মিনিটে বাড়ির কাছাকাছি মহাদেবপুর-মাতাজিহাট সড়কে বেলটের মোড়ে পৌঁছলে ২টি মোটর সাইকেলে ৪ জন ছিনতাইকারী আব্দুল জব্বারের মোটরসাইকেলের সমান্তরাল চলতে থাকে। এক পর্যায় ছিনতাইকারীরা লাথি দিয়ে আব্দুল জব্বারকে ফেলে দেয়। সমন্বিতভাবে তারা আব্দুল জব্বারের উপর চড়াও হয়ে এলোপাতারী মারপিট করে। মরিচের গুড়া চোখে ছিটিয়ে দেয়। এতে জব্বার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এ সময় তারা দেশয়ি অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তার নিকট থাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলনকৃত ১৩ লক্ষ ১০ হাজার এবং তার পকেটে থাকা আরও ২০ হাজার টাকাসহ মোট ১৪ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
এ সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুপার মুহাম্মদ রাশিদুল হকের নির্দেশনা অনুযায়ী মহাদেবপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জয়ব্রত পালের নেতৃত্বে একটি টিম গঠন করা হয়। মহাদেবপুরা থানার অফিসার্স ইনচার্জ মোজাফ্ফর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত এই টীম কার্যক্রম শুরু করে। ১৭ মার্চ ৩৯৪ পেনাল কোড অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয় যার নম্বর ২৭ তারিখ ১৭-০৩-২০২৩ ইং।
তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার সময় ইসলামী ব্যাংক নজিপুর শাখা এলাকায় কোন কোন মোবাইল থেকে কে কে কথা বলেছেন তা নির্নয় করা হয়। এই সূত্র ধরে জয়পুরহাট ও বগুড়া জেলায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। এরই এক পর্যায় গত ১৯ মার্চ জয়পুরহাট জেলার কাশিয়াবাড়ি গ্রাম থেকে মোঃ রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। সে ঐ গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের পুত্র। তার নিকট থেকে ১ লক্ষ ৬০ হাজার নগদ টাকা এবং ছিনতাইয়ের টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ঐ দিনই বগুড়া শহর থেকে মোঃ লিমন হোসেন মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। মিন্টু জয়পুরহাট জেলার তেঘরিয়া গ্রামের মহাতাব উদ্দিন মন্ডলের পুত্র। সে বগুড়ায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিল। তার নিকট থেকে ছিনতাইয়ের নগদ ৭০ হাজার টাকা এবং ছিনতাইয়ের টাকা দিয়ে ক্রয়কৃত একটি ফ্রিজ ও সোনার গহনা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সুপার জানিয়েছেন অভিযান অব্যাহত আছে। অপর দুই ছিনতাইকারী এবং ছিনতাইয়ের অবশিষ্ট টাকা উদ্ধারের প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। শীঘ্রই তা সম্ভব হবে।#
রওশন আরা পারভীন শিলা
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি। -

পঞ্চগড়ে তিনদিন ব্যাপী বারুণী মহাস্নান উৎসব চলছে মঙ্গলবার সমাপ্তি
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়:
সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলার বোদা উপজেলার বোয়ালমারীর করতোয়া নদীতে হিন্দু ধর্মালম্বীদের এই উৎসব শুরু হয়।
দিনের আলো ফুটতে না ফুটতেই হিন্দু সপ্রদায়ের পুণ্যার্থী ও সাধু সন্ন্যাসীরা এসে জড়ো হয় করতোয়া নদীর তীরে। দল বেধে তারা করতোয়ার উত্তরমূখী স্রোতে স্নান শুরু করে।সনাতন ধর্মমতে মধুকৃষ্ণা ত্রিদশী তিথির এই তিন দিনে নদীর উত্তরমুখী স্নান করলে পাপ মোচন হয়। দেহ-মনকে পরিশুদ্ধ করতে অনেকে মাথার চুল বিসর্জন দেয়, পূজাআর্চনা করে। স্নানমন্ত্র পাঠ করে হাতে বেল পাতা, ফুল, ধান, দূর্বাঘাস, হরীতকী, কাঁচাআম, ডাব, কলা ইত্যাদি অর্পনের মাধ্যমে স্নান সম্পন্ন করে তারা।
পিতা-মাতার স্বর্গবাসে এই জরুরী মনে করেন হিন্দু ধর্মালম্বীরা। জেলার বিভিন্ন এলাকাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে কয়েক লাখ সনাতন ধর্মালম্বী অংশ নেয় এই উৎসবে।
প্রতি বছরের মত এবারও স্থানীয় গঙ্গা মন্দির কমিটি বারুণী উৎসব উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহি মেলার আয়োজন করে। আগমী মঙ্গলবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলবে এই পুণ্যস্নান উৎসব। -

মদ্যপ অবস্থায় মাইক্রো চালক নার্সের মৃত্যু
মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড়
মদ্যপ অবস্থায় চালক নার্সের মৃত্যু পুরোপুরি ও মাইক্রোর সামনের অংশের বাম দিকে দুমড়েমুচড়ে যায়।ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা দুই যাত্রীকে উদ্ধার করে দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক কনক কুন্তি রানী রায়কে মৃত ঘোষণা করেন। তিনি একই উপজেলার পামুলি ইউনিয়নের সরকারপাড়া এলাকার প্রীতিময় কুমার বর্মণের স্ত্রী এবং দেবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিনিয়র স্টাফ নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
কাইয়ুম নামে থ্রি হুইলারের অপর যাত্রী হাত ও পায়ে আঘাত পান। তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা মাইক্রোটিকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। তবে মাইক্রো চালক পালিয়ে যায়।
পরে দেবীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নার্সের মরদেহ এবং থ্রি হুইলার ও মাইক্রো থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশ জানায়, মাইক্রোতে ২৫০ মি.লি. স্পিডের ক্যানের (কোমল পানীয়) মধ্যে বাংলা মদ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে চালক মদ্যপ অবস্থায় মাইক্রো চালাচ্ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে দেবীগঞ্জ সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার রুনা লায়লা বলেন, আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
-

পঞ্চগড়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের মানববন্ধন
মোহাম্মদ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় প্রতিনিধি: বঙ্গবন্ধুর শিক্ষাদর্শন, করতে হবে জাতীয়করণ এই স্লোগানে পঞ্চগড়ে বেসরকারি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।
সোমবার সকালে পঞ্চগড় শহরের শেরেবাংলা পার্ক সংলগ্ন ঢাকা-পঞ্চগড় মহাসড়কে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি পঞ্চগড় সদর উপজেলা শাখার আয়োজনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ করেন বাংলাদেশ জাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হক প্রধান।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির পঞ্চগড় জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম জহির, সদর উপজেলা শাখার সভাপতি এইচএম একরামুল হক, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।
মানববন্ধন বক্তারা অবিলম্বে বেসরকারি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবি জানান।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়, যা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর দাবির স্মারকলিপি দেওয়া হয়।