Author: desk

  • লক্ষ্মীপুর ফিল্ম স্টাইলে  ককটেলবাজী করে স্বর্ণকার দোকানে ডাকাতি

    লক্ষ্মীপুর ফিল্ম স্টাইলে ককটেলবাজী করে স্বর্ণকার দোকানে ডাকাতি

    নাজিম উদ্দিন রানাঃ
    লক্ষ্মীপুর শহরে ককটেলবাজী করে, ও আতঙ্ক ছড়িয়ে একটি স্বর্ণকার দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এতে দোকানিকে কুপিয়ে জখম করে ডাকাত দল। লুটে নেয় স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা।পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কিছু তাজা ককটেল রাস্তা থেকে উদ্ধার করে।পরে সে গুলো ককটেল পানিতে রেখে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

    বুধবার (৭ জুন) রাত ৮টায়, হঠাৎ আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন ‘চৌধুরী সুপার মার্কেটের ‘আর কে শিল্পালয়’ ককটেল ফাটিয়ে চতুর্দিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে ওই স্বর্ণকার দোকান থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার লুট করার ঘটনা ঘটে। এতে বাধা দেওয়ায় দোকানি অপু কর্মকারকে এলোপাথাড়ি ভাবে কুপিয়ে জখম করে ডাকাত দল। এ সময় বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে তার ছেলে অমি আহত হন।

    স্থানীয় আশেপাশের হকাররা সাংবাদিকদের জানান, হঠাৎ রাত ৮টা কয়েকজন লোক এসে স্বর্ণকার দোকানে ঢুকে। আর একজন বাইরে দাঁড়িয়ে একটি ব্যাগ থেকে ককটেল ফাটিয়ে চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়। তারা ২ থেকে ৩ মিনিটের মধ্যে দোকানের স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। অপু দাদাকে কুপিয়ে জখম করে। পরে আমরা রক্তাক্ত অবস্থায় দোকানের মালিক দাদাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করি।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, তারা একটি পিকআপ ভ্যান করে ওই ডাকাত দল পালিয়ে যায়। পিকআপ ভ্যানটি শহরে ইটের পোল এলাকায় গিয়ে ২ জন ব্যক্তিকে চাপা দেয়। এতে ছবি উল্লাহ (৭৫) ও মো. ইসলাম (৫০) নামে তারা গুরুতর আহত হয়। হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ছবি উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন।

    বিষয়টি সাংবাদিকদেরকে নিশ্চিত করছেন সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি আরও জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় অপু কর্মকারকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

    লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোসলেহ উদ্দিন সাংবাদিকদের কে বলেন, বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। অপরাধীদের ধরতে আমরা কাজ করছি।

  • মহেশপুরে মা বগকে গুলি করে হত্যা, ছানাদের চলছে আহাজারি, খাবার না পেয়ে অনাহারেই মৃত্যু। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

    মহেশপুরে মা বগকে গুলি করে হত্যা, ছানাদের চলছে আহাজারি, খাবার না পেয়ে অনাহারেই মৃত্যু। কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ

    শহিদুল ইসলাম,
    মহেশপুর ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ-
    মাংস খাওয়ার উদ্দ্যেশে রাষ্টিয় আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে গত ৪/৫ মাস যাবত সকাল বিকাল ও সন্ধা রাতে এয়ারগান দিয়ে পাখি মেরে সাবাড় করছে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের পাখি শিকারি সুমন। যাহা দেখার কেউ নেই। এবিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।
    জানা গেছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর ইউপির কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত মিজানুর রহমান মাষ্টারের ছেলে পাখি শিকারি সুমন গত ৪/৫ মাস যাবত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে ইয়ারগান দিয়ে সকাল বিকাল ও সন্ধা রাতে একের পর এক বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী ও পাখি শিকার করে আসছে। এতে এলাকাবাসী তাকে নিষেধ করলে তিনি উল্টো তাদের হুমকী দেন বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

    পাখি শিকারি সুমন গত ৪ জুন সকালে নিজ গ্রামে মৃত ফকিরচাঁদ, মৃত উরফান, মৃত আতেহার মন্ডলের বাঁশঝাড় থেকে তার হাতের ইয়ারগান দিয়ে বেশ কয়েকটি মা বগকে গুলি করে মেরে ফেলাই বাসায় থাকা ঐ পাখির বাচ্চা গুলো তাহাদের মায়ের মুখের খাবার না পেয়ে অনাহারেই মৃত বরণ করেছে। বিষয়টি নিযে এলাকার মানুষের মুখে মুখে ব্যাপক তোল পাড় সহ আলোচনার ঝড় চলছে।

    জানা গেছে উপজেলার ফতেপুর ইউপির কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রামে মৃত ফকিরচাঁদ মন্ডলের বাড়ির পাশে একটি বাঁশ ঝাড়ে দীর্ঘ ১৫/২০ বছর যাবত প্রায় শতাধিক বগ পাখি বাসা বেঁধে রয়েছে। এবং ওখানে ঘোপে ঘোপে ২৫/৩০ বড় বড় বাসা ও বাচ্চাও রয়েছে। গত ৪ জুন সকালে ঐ বাঁশঝাড়ে বসে থাকা পাখি শিকার করতে আসে সুমন। এসময় প্রতিবেশিরা তাকে বার বার নিষেধ করে। কিন্তু পাখি শিকারি সুমন কারো কোন নিষেধ তোয়াক্কা না করে ইয়ারগান দিয়ে কয়েকটি বগ পাখি মেরে ফেলে। এসময় বাড়ির মালিক ছুটে আসলে সে ওখান থেকে দ্রত পালিয়ে যায়। বিষয়টি নিযে উপজেলা ও জেলা প্রশাসন সহ বিভাগীয় বন্য প্রানী সংরক্ষককে অবগতি করলে তাহারা তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান। এভাবে পাখি শিকারি সুমন গত কয়েক মাস ধরে এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিনিয়ত সকাল বিকাল ও সন্ধা রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে একের পর এক পাখি শিকারের কাজে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন জাতের মা ও বাচ্চা পাখি ইয়ার গানের গুলি দিয়ে শিকার করে আসছে। বিষয়টি নিয়ে সুমনের সাথে কথা বললে তিনি দাম্ভিকতার সাথে স্থান ত্যাগ করে বীর দর্পে চলে যায়।
    বিঃ-দ্রঃ-বাঁশঝাড়টি প্রচুর ভাবে ঘন ও জ্যাম হওয়ায় উপরে উঠা সম্ভব না হয়নি। তাই ঝাড়ের মধ্যে পাখি ও মা হারা পাখির বাসার বাঁচ্চা গুলোর ছবি দেখাতে পারলাম না, তবে তাদের আহাজারি দেশবাসীকে শুনালাম।

  • পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। ক্লাইমেট স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে খুলনা কৃষি অ লের জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন প্রকল্পের আওতায় ৪ মে রোববার থেকে ৬ মে মঙ্গলবার পর্যন্ত উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ প্রশিক্ষনের আয়োজন করা হয়।
    প্রশিক্ষণে ৩০ জন করে ৩ ব্যাচে ৯০ জন কৃষককে জলবায়ু সহনশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি সহ ফসলের বৈচিত্রায়নের উপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
    উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে ৩ দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণে সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর খুলনার অতিরিক্ত উপ-পরিচালক উদ্যান মহাদেব চন্দ্র সানা, অতিরিক্ত উপ-পরিচালক পিপি এসএম মিজান মাহমুদ, মনিটরিং অফিসার ধীমান মজুমদার, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এসএম মনিরুল হুদা, সহকারী সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহজান আলী, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা বিশ^জিৎ দাশ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শেখ তোফায়েল আহম্মেদ তুহিন ও এনামুল হক।
    ৩ দিনে কৃষকদের পলি-মালচের মাধ্যমে উচ্চ মূল্যের সবজি চাষ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি, সর্জন পদ্ধতিতে ফল ও সবজি চাষ, লবণাক্ততা সহনশীল নিরাপদ সবজি চাষ, অগভীর রিজ এবং ফারো পদ্ধতিতে সবজি চাষ, আইলে লতানো সবজি চাষ, ঘেরের পাড়ে নিরাপদ সবজি চাষ, কেচোঁ সারের ব্যবহার ও উৎপাদন, অমৌসুমে তরমুজ ও কলা চাষ, পতিত জমিতে মিনি পুকুর ভিত্তিক তরমুজ চাষ, ফল বাগান ব্যবস্থাপনা, চুইঝাল, আদা, হলুদের আন্তঃ ফসল চাষ, লবণ সহিষ্ণ জাতের ধান চাষ ও পেঁপের সাথে আদা ও হলুদের মিশ্র চাষ সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর শহীদ এমএ গফুর এর ৫১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছায় বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর শহীদ এমএ গফুর এর ৫১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, ভাষা সৈনিক ও সাবেক এমএনএ শহীদ এমএ গফুর এর ৫১তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে পাইকগাছায় প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আলোচনা সভা, দোয়া অনুষ্ঠান ও এতিমদের মাঝে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন করা হয়।
    মঙ্গলবার সকালে শহীদ গফুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে শহীদ এমএ গফুর এর প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সেলিনা পারভীন এর সভাপতিত্বে ও সভাপতি জগদীশ চন্দ্র রায়ের স ালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা।
    বক্তব্য রাখেন, শহীদ এমএ গফুরের জৈষ্ঠ্য পুত্র ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি সমীরণ সাধু, সাধারণ সম্পাদক শেখ কামরুল হাসান টিপু, যুগ্ম-সম্পাদক আনন্দ মোহন বিশ^াস, জেলা আওয়ামী লীগনেতা শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, ওসি (তদন্ত) তুষার কান্তি দাশ, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, ইউআরসি ইন্সট্রক্টর ঈমান উদ্দীন, সহকারী শিক্ষা অফিসার আছাদুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক ময়নুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক মিলিজিয়াসমিন, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি শুকুরুজ্জামান, ইঞ্জিঃ মারুফ বিল্লাহ, নাজমা কামাল, মিজানুর রহমান, ছাত্রলীগনেতা রায়হান পারভেজ রনি, শিক্ষার্থী ওয়ারিশা নামিরা, সানজানা সোয়া ও মাহি রহমান। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন, মাওঃ রইসুল ইসলাম।
    পরে রাড়ুলী আলহেরা এতিমখানা ও মাদ্রাসার এতিমদের মাঝে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন এবং লোনাপানি কেন্দ্র জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, শহীদ এমএ গফুর ছিলেন বঙ্গবন্ধুর একান্ত সহচর। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি খুব সাধারণ জীবন-যাপন করতেন। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের একজন অন্যতম সংগঠক ও ভাষা সৈনিক এবং সাবেক এমএনএ ছিলেন।
    স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে শহীদ এমএ গফুর এর আহ্বানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাইকগাছা সফর করেন এবং বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজের উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়ার শুভ সূচনা করেন। একই বছর ৬ জুন দুর্বৃত্তরা এমএ গফুরকে নির্মমভাবে খুন করেন। ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তারা শহীদ এমএ গফুরের হত্যার বিচার, তার নামীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নতুন ভবন নির্মাণ, আধুনিকমানের মিলনায়তন নির্মাণ, সড়ক ও ব্রিজের নামকরণ, পাঠাগার স্থাপন সহ বিভিন্ন দাবী জানান।

  • পাইকগাছায় যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছায় যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি।।

    খুলনার পাইকগাছায় র‌্যালি, কেক কাঁটা ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে “দৈনিক যায়যায়দিন” পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। পত্রিকার ১৮ বছরে পর্দাপন উপলক্ষে যায়যায়দিন ফ্রেন্ডস ফোরাম পাইকগাছা এ কর্মসূচির আয়োজন করে। মঙ্গলবার সকালে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি উপজেলা সদরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে প্রেসক্লাব মিলনায়তনে কেক কাঁটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পত্রিকার স্থানীয় প্রতিনিধি এসএম আলাউদ্দিন সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম, মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, অধ্যক্ষ মিহির বরণ মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহাজান আলী শেখ, ইউআরসি ইন্সট্যাক্টর ঈমান উদ্দীন, ওসি (তদন্ত) তুষার কান্তি দাশ, প্যানেল মেয়র শেখ মাহাবুবর রহমান রনজু, প্রেসক্লাবের সভাপতি এফএমএ রাজ্জাক, কাউন্সিলর আব্দুল গফফার মোড়ল, এসআই মোশাররফ হাসান, ষোলআনা ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির সভাপতি জিএম শুকুরুজ্জামান, প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি মোঃ আব্দুল আজিজ, সাধারন সম্পাদক এম মোসলেম উদ্দীন আহম্মেদ, যুগ্ন সম্পাদক এন ইসলাম সাগর, সাবেক সভাপতি জিএম মিজানুর রহমান, সাবেক কাউন্সিলর গাজী আব্দুস সালাম, সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ, আলাউদ্দীন রাজা, বিভাসেন্দু সরকার, আমিনুল ইসলাম বজলু, প্রমথ রঞ্জন সানা, আবুল হাশেম, পূর্ণ চন্দ্র মন্ডল, অমল মন্ডল, বদিয়ার রহমান, রাবিদ মাহমুদ চ ল, ফসিয়ার রহমান, কামরুজ্জামান, আব্দুল মান্নান, শাহরিয়ার কবির, শাহজামান বাদশা, খোরশেদ আলম, নাজমা কামাল ও মিনারুল ইসলাম।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • এলএসডি’র সংক্রমণে প্রায় অর্ধশত গরুর মৃত্যু, লাভবান  হচ্ছে অদক্ষ পল্লী চিকিৎসকরা

    এলএসডি’র সংক্রমণে প্রায় অর্ধশত গরুর মৃত্যু, লাভবান হচ্ছে অদক্ষ পল্লী চিকিৎসকরা

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় :
    পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ছোঁয়াছুঁয়ি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রায় অর্ধশত গরু ও বাছুরের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে এরমধ্যে বাছুরের মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। এতে ঈদকে সামনে রেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন উপজেলার গবাদিপশু খামারিসহ সাধারণ মানুষ।

    রোগটি সাধারণত বর্ষা মৌসুমের শেষে, শরৎ বা বসন্তের শুরুতে আক্রান্তের হার বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। তবে এবারে অনেকটা আগেভাগেই এর সংক্রমণের প্রকোপ দেখা দেওয়ায় কপালে দুশ্চিন্তার ভাজ পড়েছে খামারিসহ সাধারণ মানুষের।

    উপজেলার তোড়িয়া, আলোয়াখোয়াসহ বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে সরেজমিনে দেখা যাচ্ছে যে, গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের সংক্রমণের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি এ রোগে গরুর মৃত্যুও হচ্ছে। যার সংখ্যা ইতিমধ্যে প্রায় অর্ধশত ছাড়িয়েছে বলে জানা যায়। যেমন, গত দুই দিনে উপজেলা তোড়িয়া ইউনিয়নের প্রেমগজ গ্রামে মৃত্যু হয়েছে ৫ টি বাছুরের। পার্শ্ববর্তী আলোয়াখোয়া ইউনিয়নের পাইকপাড়া ও গুঞ্জরবাড়ি এলাকায়ও মৃত্যু হয়েছে ১০ থেকে ১২ টি বাছুরের। এভাবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে এবং মৃত্যুও হচ্ছে অস্বাভাবিকভাবে।

    প্রেমগজ গ্রামের উসমান গণী জানান, তার বাছুরের প্রথম দিকে জ্বর ছিল প্রায় ১০৪°-১০৬° তাপমাত্রা। অতিরিক্ত জ্বরের জন্য মুখ ও নাখ দিকে লালা পরে, পা ফুলে যায় এবং দুই পায়ের মাঝখানে পানি জমে। ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পিন্ড আকৃতি ধারণ করে। পরে পিণ্ডাকৃতির স্থানে লোম উঠে গিয়ে ক্ষত হওয়া শুরু করে বিভিন্ন স্থানে তা ছড়িয়ে পরে। এক পর্যায়ে বাছুরটি মারা যায়।

    পাইকপাড়া গ্রামের ইসমাইল হোসেন বলেন, কারিয়াল (পল্লী পশু চিকিৎসক) আসার সাথে সাথে ৩/৪ টা ইনজেকশন দিয়ে দেন। তাতেই ভিজিট দিতে হয় ৪/৫ শত টাকা। কি ঔষুধ দেন না দেয় আর কিছু ঔষুধের নাম লিখে দিয়ে চলে যান। তাঁরা বর্তমানে টাকার পিছনে ছুটছেন। আমাদের এলাকার অনেক গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে তবে এ-র মধ্যে বাছুরের সংখ্যা ৯০ ভাগ।

    চলতি মাসেই পবিত্র ঈদ ঊল আযাহা। গরুর এমন ভাইরাসের জন্য চিন্তিত খামারিরা। ঈদের বাজারে গরুর ভালো দাম পাওয়ার আশা থাকলেও তা নিরাশার পথে হাঁটতে শুরু করেছে। কেননা, লাম্পি স্কিন ডিজিজের ফলে গরুর গায়ের চমরায় ক্ষত বা ঘাঁ’র সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে চামরার বানিজ্যিক ভাবে চাহিদা কমে যাচ্ছে। তাই গরুর দামও কমে যেতে শুরু করেছে। এমন অবস্থা চলতে থাকলে ঈদকে সামনে রেখে ভালো ও সুস্থ গরু হাটে উঠা নিয়ে শঙ্কিত খামারিরা। তাই এ সমস্যা সমাধানে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সদয় হস্তক্ষেপ চান তাঁরা।

    এদিকে, উক্ত ভাইরাসকে পুঁজি করে বড় ধরনের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে দিনে রাতে উঠেপড়ে লেগেছে পল্লী পশু চিকিৎসকসহ ফার্মেসীগুলো। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, উপজেলায় কোন লাইসেন্সধারী পল্লী চিকিৎসক নেই। তাঁরা কেউ পরিবার সূত্রে কেউবা কোন ফার্মেসীর দোকান থেকে এবং কেউবা ৩/৬ মাসের কোর্স সম্পূর্ণ করে ডাক্তারি করে আসছে। কেউ আবার যুব উন্নয়ন থেকেও প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছেন যদিও তা নিজস্ব খামারের জন্য প্রযোজ্য থাকার কথা ছিল। কিন্তু নিজের খামারে জন্য প্রশিক্ষণ নিয়ে ডাক্তারি পরিচয় বহন করে বেশ বহাল তবিয়তে চলছেন অনেকেই। যা বর্তমান সময়ের জন্য হুমকিস্বরূপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কেউ না জেনে এ রোগের জন্য এ্যান্টিবায়েটি ও ভেজাল ঔষুধ লিখে দিচ্ছেন যা পশুর জন্য হুমকিস্বরূপ এবং মৃত্যুও ঘটছে। এমনকি ভুল চিকিৎসার ফলে পশুকে মেরেও ফেলছেন। অথবা চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়ে দিচ্ছেন কিন্তু ততক্ষণে পশুর অবস্থা হয়ে যায় আশঙ্কাজনক।

    এনিয়ে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: সোহাগ রানা ‘ জানান, লাম্পি স্কিন ডিজিজিজ ১ থেকে ৬ মাস বসয়ী বাছুরের আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। এটি ভাইরাসঘটিত হওয়ায় এ রোগের সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। শুধু সচেতনতার মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ বা প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে এর পরেও যদি কোন প্রাণী আক্রান্ত হয়ে থাকে তবে প্রাথমিকভাবে অ্যান্টিপাইরেটিক বা অ্যান্টিহিস্টামিন দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে। আর আক্রান্ত প্রাণীর নডিউল বা গুটি ফেটে গেলে সিস্টেমিক এ্যান্টিবায়েটিক প্রয়োগ করা যেতে পারে। আক্রান্ত প্রাণীর ক্ষত স্থানে টিংচার আয়োডিন বা পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট দিয়ে সকাল বিকাল ধৌত করতে হবে। তাছাড়া প্রাণী খাওয়া বন্ধ করে দিলে নিয়মিত স্যালাইন খাওয়াতে হবে। আর এ রোগ নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বিশেষ কয়েকটি টিম কাজ করছে বলে তিনি জানান। প্রয়োজনে উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে নিয়ে আসার এবং পশুকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে রেখে সচেতন ও যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

    এছাড়াও ওই সব একাডেমিক লাইসেন্সহীন, অদক্ষ, পল্লী পশু চিকিৎসক ও ফার্মেসীর বিরুদ্ধে আটোয়ারী উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করার আশ্বাস দেন তিনি।

  • নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার

    নড়াইলে পুলিশের অভিযানে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে

    নড়াইলে ৯০ পিস ইয়াবাসহ দুইজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে নড়াগাতি থানা পুলিশ। সোমবার সকালে নড়াগাতী থানাধীন পহরডাঙ্গা গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল থেকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াগাতি থানার অফিসার ইনচার্জ সুকান্ত সাহা’র তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) জয়নাল আবেদীন সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-খুলনা জেলার তেরখাদা উপজেলার আড়কান্দি গ্রামের মোঃ বুরুজ শেখের ছেলে মোঃ জিহাদ শেখ (৪০) ও নড়াগাতী থানাধীন চাপাইল গ্রামের মৃত সোহরাব হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে মোঃ ইলিয়াস হোসেন ভূঁইয়া (৪৮)। এ সময় জিহাদের নিকট থেকে ৬০ পিস ও ইলিয়াসের নিকট থেকে ৩০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

  • প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে র্শিশুদের দিয়ে মাটি টানার কাজের ভিডিও ভাইরাল

    প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে র্শিশুদের দিয়ে মাটি টানার কাজের ভিডিও ভাইরাল

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    প্রখর রোদে ঝিনাইদহের চরখাজুরা গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাটি কেটে বহন করানোর অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পরলে জেলাজুড়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তথ্য নিয়ে জানা গেছে, সদর উপজেলার পাগলাকানাই ইউনিয়নের চরখাজুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আর্থিক বরাদ্দ করা হয়। এই টাকা দিয়ে প্রধান শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক কামলা দিয়ে কাজ না করিয়ে স্কুলের শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে মাটি কাটার কাজ করাচ্ছেন। এদিকে শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে এই প্রখর রোদ ও গরমের মধ্যে মাটি কাটার কাজের ভিডিও দেখে ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া জেরিন হতবাক হয়ে পড়েন। ইউএনও তাৎক্ষনিক ভাবে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক জানান, আমরা স্কুলের কিছু কাজকাম শিক্ষার্থীদের দিয়ে করিয়ে থাকি। তারই অংশ হিসেবে শিশু শিক্ষার্থীরা এই মাটি কাটার কাজ করছে। বিষয়টি তাদের সম্মতিতেই হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। স্কুল কমিটির সভাপতি তরিকুল ইসলাম জানান, বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে খোঁজ খবর নিয়ে আমি ব্যবস্থা গ্রহন করবো। এলাকার চেয়ারম্যান আবু সাইদ বিশ্বাস জানান, এই গরমে শিশু শিক্ষার্থদের দিয়ে কাজ করানোর বিষয়টি তিনি লোমহর্ষক বলে উল্লেখ করেন। তিনি এই ঘটনা উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে অবহিত করবেন বলে জানান।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান

  • পাকিস্তানে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরা মুকুট জয় করলেন কোটচাঁদপুরের মেয়ে চঞ্চলা ধারা

    পাকিস্তানে সুন্দরী প্রতিযোগিতায় সেরা মুকুট জয় করলেন কোটচাঁদপুরের মেয়ে চঞ্চলা ধারা

    আতিকুর রহমান, ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    পাকিস্তানে আয়োজিত সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ‘মিস পাকিন্তান ইউনিভার্সেল’ বিভাগে সেরা মুকুট জয় করেছেন ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর শহরের মনির আহাম্মদের মেয়ে কপোতাক্ষী চঞ্চলা ধারা। এই সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজক প্রতিষ্ঠান কানাডা ভিত্তিক পাকিস্তান প্যাজেন্ট ওয়ার্ল্ড। প্রতিযোগিতায় দুই হাজার তরুণী অংশ নিয়েছিলেন। প্রতিযোগিতাটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ ‘মিস ওয়ার্ল্ড পাকিস্তান’ থেকে এই তথ্য জানা গেছে। কোটচাঁদপুর শহরের মনির আহাম্মেদ খবর নিশ্চত করে জানান, গত বুধবার (৩১ মে) লাহোরের প্র্যান্ড পাম হোটেলে বসে প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত আসর। জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে চঞ্চলা ধারার মাথায় বিজয়ীর মুকুট পরিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় উপস্থিত সকলে হাততালি দিয়ে তার এই অর্জনকে স্বাগত জানান। সেরার মুকুট জয় করে সংবাদমাধ্যমকে চঞ্চলা ধারা বলেন, ‘এটা আমার কাছে সত্যিই অবিশ্বাস্য। জানতাম না যে, বিজয়ী হব। তবে লক্ষ্যটা ছিল সেরা হওয়ার। সেভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেছিলাম। প্রতিযোগিতার প্রতিটি মুহূর্ত ছিল আমার জন্য চ্যালেঞ্জের।’ পেশায় চিকিৎসক চঞ্চলা ধারা এখানেই থেমে থাকতে চান না। এগিয়ে যেতে চান সামনে। বিজয়ী চঞ্চলা ধারা করাচির কায়েদে আজম মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাশ করে বর্তমানে পাকিস্তান পিজি হাসপাতালে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন করছেন।

  • বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ উদযাপন

    বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ উদযাপন

    মোঃ বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ঃ
    “সবাই মিলে করি পণ, বন্ধ হবে প্লাস্টিক দূষণ”
    এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ৫ই জুন ২০২৩ বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর, পঞ্চগড়ের আয়োজনে এক বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
    উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার পঞ্চগড়, এস, এম, সিরাজুল হুদা পিপিএম মহোদয়।
    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক পঞ্চগড়, মোঃ জহুরুল ইসলাম ।
    এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) কনক কুমার দাস সহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় নের্তৃবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।