April 4, 2025, 4:46 pm

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
ঈদের ছুটিতে পাইকগাছার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভীড় পাইকগাছায় অনাবৃস্টি আর তীব্র তাপদাহে আমের গুটি ঝরে পড়ছে; দুশ্চিন্তায় চাষীরা নড়াইলের লাহুড়িয়ায় ভাংচু-র ও লু-টপাট চাখারের ভার্চুয়ালী প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব: মেধাবী প্রজন্মের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বগৌরবে ফিরাতে চায় সরকার গোদাগাড়ীতে বাল্য বিয়ে বন্ধ করলেন ইউএনও ফয়সাল আহমেদ ধামইরহাটে সড়ক দুর্ঘট-নায় নি-হত ১ আহত ৪ বাবুগঞ্জের (আগরপুরে) ঈদ শুভেচ্ছা জানাতে বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার আসাদ গাইবান্ধা জেলা সমিতি রংপুর এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গ্রামের মানুুষ ধানের শিষে ভোট দিয়ে দেশের শান্তি ফিরিয়ে আনতে চায়, হাজী আল মামুন ঈশ্বরগঞ্জে এতিম-প্রতিবন্ধীদের নিয়ে ঈদের দিন ইউএনও’র মধ্যাহ্ন ভোজ
পাইকগাছায় অনাবৃস্টি আর তীব্র তাপদাহে আমের গুটি ঝরে পড়ছে; দুশ্চিন্তায় চাষীরা

পাইকগাছায় অনাবৃস্টি আর তীব্র তাপদাহে আমের গুটি ঝরে পড়ছে; দুশ্চিন্তায় চাষীরা

ইমদাদুল হক, পাইকগাছা ( খুলনা)।।
টানা তীব্র তাপদাহ আর খরায় খুলনার পাইকগাছায় আমের গুটি ব্যাপক হারে ঝরে পড়ছে। এমন অবস্থায় ফলন বিপর্যয়ের পাশাপাশি আম নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন এ অঞ্চলের আমচাষিরা। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় আম গাছে প্রচুর মুকুল ধরেছিলো ও আমের গুটি ধরেছে। তারপর টানা তীব্র তাপদাহ ও বৃষ্টির অভাবে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে আমের গুটি।
চৈত্র মাসের মাঝামাঝি থেকে প্রচণ্ড তাপদাহ শুরু হয়েছে। তীব্র খরায় যেন পুড়ছে দেশ। খুলনার ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে তাপপ্রবাহ। দেখা নেই বৃষ্টির। উপকূলে লবন হাওয়ায় তাপমাত্রা আরও বেশী অনুভূত হচ্ছে। তবে বৃষ্টির অভাবে গুটি ঝরে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন আম চাষি ও বাগান মালিকরা। উপজেলায় ৫৮৫ হেক্টর আম বাগান রয়েছে। লবনাক্ত উপকূল এলাকার এ উপজেলা ৪টি গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি ও রাড়ুলী ইউনিয়ানে আম বাগানে রয়েছে। উপজেলার গদাইপুর, গোপালপুর, হিতামপুর, মালত, হরিঢালী, কপিলমুনি, সলুয়াসহ বিভিন্ন গ্রামে উন্নত জাতের আমগাছ রয়েছে।
এ বছর প্রচুর পরিমাণ আমের গুটি আসায় আমচাষি ও বাগান মালিকরা বুক বেঁধেছে লাভের আশায়। কিন্তু বর্তমানে অনাবৃষ্টি ও দাবদাহে গাছ থেকে ঝরে পড়ছে স্বপ্নের সেই আমের গুটি। যদিও কেউ কেউ রাত ও খুব ভোরে গাছের গোড়ায় সেচ ও স্প্রে করে চেষ্টা করছেন আমের গুটিকে বাঁচানোর। কিন্তু অধিকাংশ চাষি পুঁজি এবং পানির অভাবে সেচ দিতে পারছেন না। তাকিয়ে আছেন আকাশের দিকে বৃষ্টির অপেক্ষায়। বাগানের দক্ষিণের গাছগুলোর গুটি ঝরেছে। কারণ, দক্ষিণের দিকে সূর্যের তাপ বেশি লাগে। আর উত্তরের গাছগুলোতে সূর্যের তাপ কিছুটা লাগলেও ছায়া থাকে বেশি।
সরজমিনে দেখা যায়, এলাকার আমগাছের নিচে দেখা যায় অসংখ্য ছোট, মাঝারি ও বড় আমের গুটি ঝরে পড়ে রয়েছে। উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আমবাগান মালিক আবুল কালাম বলেন, আমার আমের বাগানে খরার কারণে আমের গুটি ঝরে পড়ছে। তারপর বৃষ্টির দেখা নেই। দিন দিন তাপমাত্রা বাড়ছে। বাগানের গাছে তিন ভাগের এক ভাগ আম ঝরে পড়েছে। বৃষ্টি না হওয়ায় আম নিয়ে বেকায়দায় রয়েছি। গদাইপুর গ্রামের আমচাষি মোবারক ঢালী বলেন, তীব্র খরার কারণে আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। আমগাছে সেচ ও কীটনাশকের মিশ্রণ ম্প্রে করেও গুটি টেকানো যাচ্ছে না। এ সময় বৃষ্টি না হওয়ায় আম নিয়ে চিন্তায় রয়েছি।
উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষিবীদ একরামুল হোসেন বলেন, খরার জন্য আমের গুটি ঝরে যাচ্ছে। তাপমাত্রা বাড়ার পরেও আমের গুটি যেটুকু ঝরছে সেটা স্বাভাবিক। কৃষক বা চাষিদের হতাশার কিছু নেই। গুটি বেশি ঝরছে মনে হলে সেচ দিতে হবে। তিনি আমচাষিদের গাছের গোড়ায় পানি দেওয়াসহ ছত্রাকনাশক ওষুধ স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেন। এ সময় আম রক্ষার্থে বাগান মালিক ও চাষিদের গাছের গোড়া মাটি দিয়ে গোল করে বেধে বেশি করে পানি দিলে আমের গুটি কম ঝরবে।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD