April 3, 2025, 10:44 pm
লিটন মাহমুদ,
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি:
মুন্সীগঞ্জে লৌহজং উপজেলা হত্যার ঘটনায় তিন বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ( ১এপ্রিল) মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার সাতঘড়িয়া এলাকায়
এ ঘটনা ঘটে। এতে এম.এ বাকার (৫৫) কে গুরুতর আহত করে। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।
এম.এ বাকার নরসিংদী জেলার শিবপুর উপজেলার মোহরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি তার পরিবারকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জ লৌহজং উপজেলা সাতঘড়িয়া বসবাস করেন। এতে লৌহজং থানা তৌনিক শশীনূর যুথী(২৭) বাদী হয়ে তিন বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্তরা হলেন, হলদিয়া ইউনিয়নের সাতঘড়িয়া এলাকার শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ জামাল (৫৪), মোঃ ফয়সাল ওরফে বাবু (৪২), মোঃ কামাল শেখ (৫৬)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তৌনিক শশীনূর যথীর মা রওশন আরা (৫০) এর ব্যবসায়িক লেনদেন ছিলো।
শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ আমাকে ভয় দেখিয়ে সাদা স্ট্যাম্পে ও কাবিন নামায় স্বাক্ষর নিয়ে আমাকে বিভিন্ন ভাবে বিরক্ত করিয়া আসিতেছিলো। উক্ত বিষয়ের জের ধরে ১ এপ্রিল সকাল ৯টার দিকে লৌহজং উপজেলার সাতঘড়িয়া মঞ্জুর কাদের মৃধার বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর আমি ও আমার পরিবারের লোকজন অটো মিশুক গাড়িতে শ্রীনগর যাবার সময়।
শেখ তোফায়েল আহাম্মেদ , আমার বাবা ডিসিস্ট এম এ বাকার (৫৫) কে গালিগালাজ করতে থাকলে আমি, আমার বোন পাপড়ি (২৫) গালিগালাজ করিতে নিষেধ করি। আমার বাবাকে তারা এলোপাথারীভাবে আঘাত করতে থাকে। পরে বাবা গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যায়।
লোকজন লৌহজং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কত্যর্বরত চিকিৎসক বেলা ১২টা দিকে মৃত ঘোষনা করেন।
লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হারুন অর রশীদ বলেন, আমরা জানতে পারি দুই পক্ষে হাতাহাতি হয়েছে। পরে এম.এ বাকার নামে ব্যক্তি তিনি পরে যায়। পরে যাওয়ার পর তাকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে। নিহত বাকারের শরীরের কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।
তিনি আরও বলেন, ৩জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চলছে।