মঙ্গলবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৩, ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম:
চরকাজলে স্বপ্না হত্যার রেশ না কাটতেই ফের ১০ বছরের শিশু ধর্ষন দল-মত নির্বিশেষে সকল প্রকৌশলীর সহযোগিতা কামনা করলেন সুব্রত দাশ রাজধানী যাত্রাবাড়ী থেকে ২০ কেজি গাঁজা ও পিকআপসহ দুইজন গ্রেফতার আশুলিয়ায় মহাশ্মশান ঘাটে ৫দিন ব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে কীর্তন অনুষ্ঠিত পুঠিয়ার বানেশ্বরে কাপড় ব্যবসায়ীর উপর হামলা দোকানপাট বন্ধ রেখে প্রতিবাদ মুন্সীগঞ্জ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপি ৯ আ”লীগ ৫ ও স্বতন্ত্র ১ পদে বিজয়ী আগৈলঝাড়ায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের উদ্যোগে পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচী উদ্বুদ্ধকরণ অনুষ্ঠিত বিএনপি নেতা শিমুল বিশ্বাস ও সালাউদ্দিন টুকুর জামিন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল গোপালগঞ্জ অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার
বানারীপাড়ায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কাচারী ঘর

বানারীপাড়ায় বিলুপ্তির পথে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য কাচারী ঘর

এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা : বানারীপাড়া উপজেলার বিগত দিনে অনেক বাড়ির দরজায় দেখা যেতো কাচারি ঘর। আর্থিক অবস্থা একটু ভালো হলেই বাড়ির সামনে দরজায় (বাড়িতে ঢোকার পথে) বানানো হতে কাচারি ঘর। প্রতিদিন সকাল বেলা প্রতিবাড়ির কাচারি ঘরে ধর্মীয় শিক্ষার আয়োজন করা হতো। বিশেষ করে কুরআন, হাদিস, মাছআলা-মাছায়েল ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ইসলামী শিক্ষার এক অনন্য ভূমিকা পালন করা হতো কাচারি ঘরে। এসব কাচারি ঘরগুলো মক্তব হিসেবেও ব্যবহার করা হতো। সে কচারি ঘর এখন বিলুপ্তির পথে।

একজন আলেম বা মাদরাসার ছাত্র রাখা হতো-এসব ঘরে। তিনি ৫ ওয়াক্ত নামাজের সময় আযান দেওয়া আশে পাশের মানুষদের ডেকে নামাজ আদায় করানো সহ বাড়ির নারী, পুরুষ ও শিশুদেরকে ইসলামী নিয়ম নীতি ও রীতিনীতি পালনে উদ্বুদ্ধ করতেন। এইসব কাচারি যুক্ত বাড়ির আশেপাশে কোমলমতি শিশুদেরকে সকাল সন্ধ্যা লেখাপড়া শিখানো হতো। বাড়ির দরজার মক্তবগুলোতে আদব কায়দা, কোরআন ও নামাজ শিক্ষাসহ ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষার মূল কেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিলো। যা প্রায় বাড়িতেই দেখা যেতো।

কালের বিবর্তনে বাংলার ঐতিহ্যবাহী সেই সংস্কৃতি এখন নেই। তখনকার সময় প্রত্যেক কাচারি ঘরগুলোতে লজিং মাষ্টার বা একজন আলেম থাকতো। আবার দূর থেকে এসেও শিক্ষকরা বাড়ির ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শিখানোর পাশাপাশি বাড়িতে মেহমান আসলে বিশ্রামের জন্য প্রাথমিকভাবে কাচারি ঘরে অবস্থান করতো। সালিশ বৈঠক, রাতভর আনন্দ ফুর্তি হতো এই কাচারি ঘরে। বাস্তবতা হলো এখন আর এসব দেখা যায় না। আবার কিছু কিছু বাড়িতে মক্তব বা কাচারি ঘর থাকলেও বর্তমানে তা জরাজীর্ণ ও অবহেলিতভাবে পড়ে আছে।

উপজেলার সলিয়া বাকপুর গ্রামের মো. আফজাল হোসেন জানান, দিন দিন আমরা বিদেশি সংস্কৃতির দিকে ঝুঁকছি। বিদেশি সিরিয়াল আর মোবাইলে আসক্ত হয়ে দেশের ঐতিহ্য ভুলে যাচ্ছি। সকাল বেলায় শিশুদের মক্তবে যাওয়ার দৃশ্য এখন নেই। আধুনিকতা এবং আকাশ সংস্কৃতির কারনে বাড়ির দরজার সেই কাচারি ঘর ও নেই।#

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD