July 18, 2024, 9:10 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
পানছড়িতে মা মনসা পুঁথি পাঠের আসর জমে উঠেছে গোপাল হাজারীর বাড়িতে কোট বি*রোধীদের উপর হাম*লার প্রতি*বাদে ঝিনাইদহে ছাত্রদলের বিক্ষো*ভ নবাগত গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুলদিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ সভাপতি তানোরে বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন নড়াইল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র পৌর মেয়র আনজুমান আরা সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ জমইয়াতে হিজবুল্লাহর নায়বে আমীর হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহর ইন্তে*কাল ধামইরহাটে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামানের গাছ রোপন লালমনিরহাটে ফেন্সিডিল, মোটরসাইকেলসহ দুইজন আ*টক  পুঠিয়ায় পূর্ব শ*ত্রুতার জেরে মসজিদের ইমামকে হ*ত্যার চেষ্টা নিহ*ত শিক্ষার্থীদের স্মরণে গাজীপুরে গায়েবানা জানাজা
সুন্দরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুবাই প্রবাসী মুকুলের সাথে প্রতারণা

সুন্দরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দুবাই প্রবাসী মুকুলের সাথে প্রতারণা

গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক দুবাই প্রবাসী যুবকের সাথে প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের দক্ষিণ সূবর্ণদহ(কচুগাড়ি) গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়ার ছেলে মুকুল মিয়া(২৬) দীর্ঘ ১১ বছর ডুবাইয়ে থাকার পর বিয়ে করে স্ত্রীসহ কানাডায় পাড়ি জমানোর মনোবাসনা নিয়ে চলতি বছরের ১৫ জুন দেশে ফিরে আসেন। আসার কয়েকদিন পর একই গ্রামের (দোলাটাড়ি পাড়ার) শহিদুল ইসলাম শহীদ তার স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে দিয়ে মুকুলের বিয়ের প্রস্তাব দেয়। পরে শহীদ তার ছেলে আপন মিয়ার মাধ্যমে রাতের বেলা প্রবাসী মুকুল মিয়াকে বাড়িতে ডেকে নিয়ে গিয়ে মেয়েকে দেখায়। পাশাপাশি বড় ধরনের নৈশভোজ করান। পরদিন শহিদুল ইসলাম শহীদ মুকুলকে ফোন করে জানতে চান তার মেয়েকে পছন্দ হয়েছে কিনা! মুকুল মিয়া হ্যা সূচক মতামত জানালে শহীদ এক সপ্তাহের ব্যবধানে ঢাকা থেকে ফোন করে একইভাবে মুকুল মিয়াকে তার বাসায় নিয়ে গিয়ে নৈশভোজসহ মেয়েকে লেলিয়ে দিয়ে অন্তরঙ্গ সময় কাটার সুযোগ করে দেন বলে জানান প্রবাসী যুবক মুকুল মিয়া। সেইসাথে শহিদুল ইসলাম শহীদের স্ত্রী ময়না বেগম ও তার ছেলে আপন মিয়ার উপস্থিতিতে শহীদের পরামর্শক্রমে ৭ লক্ষ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করে বিবাহ রেজিষ্ট্রেশনের দিনক্ষণ ঠিক করা হয়। এছাড়াও রেজিষ্ট্রি করে ছেলে মেয়ে একত্রে ছুটির বাকীসময় কাটিয়ে বিদেশ থেকে ফিরে আসার পর বিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে তুলে দিবেন। বিয়েতে কোন প্রকার যৌতুক নেবেনা বলে মুকুল মিয়া অঙ্গীকার করে মোহরানার অংশ হিসেবে ৩৯ হাজার টাকা প্রদান করেন। এতদিন দুপক্ষেই গোপনীয়তা মেনে চললেও দুই পরিবারে বিয়ের রেজিষ্ট্রির প্রস্তুতি শুরু হলে শহীদের বড় ভাই আব্দুর রহিম এ বিয়েতে বাঁধা দেয় এবং বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পিছন থেকে উস্কানি দেয়। একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের কথামত শহীদও মেয়ের বিয়ে এখন দেবেন না বলে মুকুলকে জানান। মুকুল মিয়া যখন বুক আশা নিয়ে বিয়ের ব্যাপক ধুমধাম করে প্রস্তুতি নিচ্ছিল ঠিক তখনি শহীদের এমন কথা শুনে তার মাথায় যেন বাজ পড়ে যায়। সারাক্ষণ মনের মধ্যে ভেসে ওঠে ওই স্কুল পড়ুয়া তরুণীর সাথে কাটানোর অন্তরঙ্গ মহুর্তগুলোর কথা। যার কারণে মাতালের মত হয়ে আর কোন মেয়েকে পছন্দ করতে পারেনি মুকুল মিয়া। তাই মনের তীব্র ব্যাথা ও হতাশা নিয়ে ৬ নভেম্বর ফিরে যান তার সুদূর দুবাইয়ের প্রবাস জীবনে। যাওয়ার সময় মুকুল সাংবাদিকদের জানান, শহিদুল ইসলাম শহীদ আমার সাথে বিয়ের নামে প্রতারণা করে নগদ ৩৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। শুধু তাই নয় বিয়ের কথা বলে কালক্ষেপণ করে আমার মানসিক ও আর্থিক সর্বনাশ করেছে। আমি সময়মত না যেতে পারায় আমার জমা দেয়া কানাডীয় ইমিগ্রেশনে ১৭ লক্ষ টাকা, দুবাইয়ের কর্মস্থলের চাকরির পেনশন বাবদ ৯ লক্ষ টাকা ও ডুবাইয়ের ভিসা বাতিল হলে ৫ লক্ষ টাকা মাইর যাবে। আর তখন আমার এ-কুল ও-কুল দুয়েই যাবে। আর শহীদের পরিবার আমাকে তার মেয়ের সাথে অনৈতিক কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD