April 24, 2024, 8:49 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
কেশবপুরে বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৪ হাজার পিচ স্যালাইন বিতরণ কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্ধ,কে কোন প্রতীক পেল তানোরে ময়নার স্মরণকালের সর্ববৃহত শোডাউন গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৬ কেজি হেরোইনসহ মাদক সম্রাট ঝাবু গ্রেফতার পাইকগাছায় ৬ কিলোমিটার সড়ক বদলে দিয়েছে লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা তীব্র তাপদাহে স্বরূপকাঠির জন জীবন অতীষ্ট বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ শয্যা সংকটে মেজেতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগিরা সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির সেই ভয়াবহ দিবসটি হাজারো মানুষের মৃত্যুর ইতিহাস হাতীবান্ধায় ইস্তিসকার নামাজ আদায় বৃষ্টির আশায়  ভাবখালী আউলিয়ার বাজারের জলাবদ্ধতা নিরসনে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় দুই চেয়ারম্যান এবং দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র অবৈধ
নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষোভে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সাবেক চেয়ারম্যান

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ক্ষোভে এসি খুলে নিয়ে গেলেন সাবেক চেয়ারম্যান

এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ক্ষোভে কার্যালয়ের নিজ রুমে লাগানো এসি খুলে নিয়ে গেছেন ইউপি চেয়ারম্যান। জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে এসি খুলে নেওয়ার ঘটনা ঘটে।

বুধবার (২ নভেম্বর) ক্ষেতলাল উপজেলার তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ওই ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাইকুল ইসলাম প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু তিনি বিজয়ী হতে পারেননি। আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী বজলুর রহমান খান চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাইকুল ইসলাম চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে তার নিজ রুমকে শীতাতপ করার জন্য এসি লাগান। এবার নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কারণে তিনি বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে তিনজন মানুষ এনে এসি খুলে নেন। এরপর ভ্যানে উঠায়ে নিয়ে যান।

ইউনিয়ন পরিষদের এসি খুলে নেওয়ার খবর শুনে পরিষদ এলাকায় বিকেলে মানুষের ভিড় জমে। এসময় স্থানীয় কয়েকজন বলেন, ইউনিয়ন পরিষদে লাগানো মানে এটি সরকারি টাকায় কেনা। তাহলে এই এসি কেন খুলে নিয়ে যাবে। এভাবে নিয়ে যাওয়া মানে চুরি করা। দিনদুপুরে কেন পরিষদের এসি চুরি করে নিয়ে গেল। আমরা এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে হেরে যাওয়া হাইকুল ইসলাম বলেন, ওই এসি আমার ব্যক্তিগত টাকায় কেনা। যার জন্য আমি খুলে নিয়ে এসেছি।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD