June 16, 2024, 3:03 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
ডাসার উপ‌জেলা বাসী‌কে প‌বিত্র ঈদুল আযহার শু‌ভেচ্চা জানা‌লেন কাতার প্রবাসী নাজমুল হাসান বেলাল পাইকগাছায় কোরবানি ঈদে চুইঝালের চাহিদা বেড়েছে পাইকগাছায় শেষ মূহুর্তে কোরবানীর পশুর হাট জমে উঠেছে সুন্দরগঞ্জে বুড়িমারী এক্সপ্রেসের যাত্রা বিরতির দাবীতে মানববন্ধনে এমপি নাহিদ নিগার বরগুনায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত নিখোঁজের একদিন পর পুকুর থেকে কলেজছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ঘাটাইলে এস কে এম এর শোরুম উদ্বোধন খ্রিষ্টান নারীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের নামে প্রতারণা, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মামলা পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এমপি আনিছ ইপিজেড থানা পুলিশের অভিযানে ৫০ লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
সুন্দরগঞ্জে ১৭ বছরেও স্কুল সরকারি না হওয়ায় শিক্ষকদের মানবেতর জীবনযাপন

সুন্দরগঞ্জে ১৭ বছরেও স্কুল সরকারি না হওয়ায় শিক্ষকদের মানবেতর জীবনযাপন

মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় দীর্ঘ ১৭ বছরেও রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারি না হওয়ায় শিক্ষক পরিবারগুলো চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে।

জানা গেছে, উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের খন্দকারপাড়া আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন রেজিঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি অত্যন্ত নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে ২০০৫ সালে স্থাপিত হয়। পরে ২০১০ সালে পাঠ দানের প্রাথমিক অনুমতি পায়। যার স্মারক নং-প্রাই/রাবিরা/এফ ১২/১১৩/৬২৮/১১০। পাশাপাশি ০৭/০১/২০১০ইং অস্থায়ী রেজিস্ট্রেশন হয়। যার নাম্বার- ডিডি/ প্রাই/ রবি এবং ৮২(৯) তারিখ- ২৩/০৫/১২ইং। ২০১০ সালে অনুমতি পাওয়ার পর থেকে স্কুলটির শিক্ষার্থীরা সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে আসছে। বিদ্যালয়টিতে বর্তমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৭০ জন। পরীক্ষার ফলাফলও মোটামুটি ভাল। বিদ্যালয়টি বিগত ২৩/০৫/১২ সালে স্থায়ী রেজিষ্ট্রেশন ও উপবৃত্তি প্রাপ্ত হয়। ২০১৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী বিদ্যালয়টি “খ” গ্রুপে জাতীয়করণ হিসেবে যোগ্য বিবেচিত হলেও দুর্ভাগ্যবশত তা বাদ পড়ে যায়। তৎপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিচালক সিপিই সাইফুল্লাহ মকবুল মোর্শেদ ০৫/০৪/ ২০১৬ সালে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে জাতীয়করণের মতামত দেন । সেই সাথে ২৩/০৩/২০১৯ইং সালে দ্বিতীয় ধাপ হতে বাদপড়া বিদ্যালয়টি জাতীয়করণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জোর সুপারিশ করেন স্থানীয় এমপি ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তারপরও আজও বিদ্যালয়টি জাতীয়করন না হওয়ায় চরম মানবেতর জীবনযাপন করছে শিক্ষকদের পরিবার পরিজন। এব্যাপারে প্রধান শিক্ষক নাজমা বেগমের স্বামী ওসমান গনি জানান, স্কুলটি জাতীয়
করণ না হওয়ায় আমার পরিবারসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিটি শিক্ষক পরিবারের ছেলে মেয়েরা ভালভাবে পড়ালেখা করতে পারচ্ছে না। সেই সাথে সবাই চরম কষ্টে দিন কাটছে। এনিয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার হারুন অর রশিদের সাথে কথা হলে বলেন, আমি সরকারি স্কুলের কাজ করি। এব্যাপারে কিছু জানিনা। সরকারি হোক দেখব। এছাড়া আমার করার কিছুই নাই।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD