April 24, 2024, 6:06 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
কেশবপুরে বিএনপি নেতা পৌর কাউন্সিলর ব্যক্তিগত উদ্যোগে ৪ হাজার পিচ স্যালাইন বিতরণ কেশবপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্ধ,কে কোন প্রতীক পেল তানোরে ময়নার স্মরণকালের সর্ববৃহত শোডাউন গোদাগাড়ীতে সাড়ে ৬ কেজি হেরোইনসহ মাদক সম্রাট ঝাবু গ্রেফতার পাইকগাছায় ৬ কিলোমিটার সড়ক বদলে দিয়েছে লতা ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থা তীব্র তাপদাহে স্বরূপকাঠির জন জীবন অতীষ্ট বেড়েছে ডায়রিয়ার প্রকোপ শয্যা সংকটে মেজেতে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগিরা সাভারের রানা প্লাজা ট্রাজেডির সেই ভয়াবহ দিবসটি হাজারো মানুষের মৃত্যুর ইতিহাস হাতীবান্ধায় ইস্তিসকার নামাজ আদায় বৃষ্টির আশায়  ভাবখালী আউলিয়ার বাজারের জলাবদ্ধতা নিরসনে আরসিসি ড্রেন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন মুন্সীগঞ্জে টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় দুই চেয়ারম্যান এবং দুই ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র অবৈধ
পটিয়ায় রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা, উত্তেজনা

পটিয়ায় রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা, উত্তেজনা

মহিউদ্দিন চৌধুরী।
নিজস্ব প্রতিনিধি,পটিয়া॥ পটিয়া উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের পূর্ব রতনপুর
এলাকার রেমিট্যান্স যোদ্ধা মো. আনোয়ার হোসেনকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করার
পায়তারা করছে তার ভাইয়েরা। রেমিট্যান্স যোদ্ধার আপন ৪ ভাই নানাভাবে
ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পিতার মৃত্যুর পর
২০০২ সালে ওই প্রবাসী রতনপুর মৌজায় ১৮ শতক জায়গা খরিদ করেন। এর মধ্যে
জেঠা ভাই আবদুল খালেক থেকে ১০ শতক ও বড় জেঠা আবদুল ছত্তার নামের আরেক
ওয়ারিশ থেকে ৮ শতক জায়গা খরিদ করে। খরিদকৃত ওই জায়গায় প্রবাসীর অর্থে
একটি পাকা ঘর নির্মাণ করেন। কিন্তু পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে তিনি
দুবাই শহরে থাকার কারণে প্রবাসীর মেঝ ভাই মো. হাসেমকে দেখাশুনা দায়িত্ব
দেন। রেমিট্যান্স যোদ্ধা সম্প্রতি দেশে ফিরলে তার আপন ভাই জাবের হোসেন
প্রবাসীর নির্মিত বাড়িটি দখল করতে পায়তারা শুরু করেন। প্রবাসীর বাড়ি
দখলকে কেন্দ্র করে বর্তমানে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ফলে যে কোন মুহুর্তে
উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে। গত ১৫ আগস্ট প্রবাসীর বড় ভাই মো.
নাছেরের পুত্র মো. রনি, মো. রবি, জাবের ও শওকতের বিরুদ্ধে পটিয়া থানায়
একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার কেলিশহর ইউনিয়নের পূর্ব রতন এলাকার মরহুম আবদুল
মোনাফের দুই সংসারে ৮ পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তান রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৯৯১
সাল থেকে আনোয়ার হোসেন দুবাই শহরে থেকে জীবনযাপন করছেন। ১৯৯৯ সালের ৭
অক্টোবর পিতা আবদুল মোনাফ ইন্তেকাল করার পর পরিবারের হাল ধরেন প্রবাসী
আনোয়ার হোসেন। ভাইদের মানুষ করতে তিনি বিভিন্নভাবে কাজ করেন। কিন্তু
বর্তমানে ভাই জাবের হোসেন, এনাম, নাছের ও শওকত রেমিট্যান্স যোদ্ধাকে
উচ্ছেদ করতে ষড়যন্ত্র শুরু করেন। সম্প্রতি প্রবাসীর পরিবারকে উচ্ছেদ করতে
১৪৫ ধারায় ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ভাই জাবের হোসেন বাদী হয়ে একটি মামলা
করেন। আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন রাখতে পটিয়া থানার ওসি ও দখল প্রতিবেদন
দেওয়ার জন্য সহকারী কমিশনারকে (ভুমি) নির্র্দেশ দেন। প্রবাসীর অভিযোগ,
পটিয়া ভুমি অফিসের সার্ভেয়ারকে ম্যানেজ প্রতিবেদন তাদের পক্ষে নেওয়ার
জন্য চেষ্টা করছে।
রেমিট্যান্স যোদ্ধা মো. আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘ ৩১ বছর ধরে
দুবাই শহরে বসবাস করে আসচ্ছেন। পরবর্তীতে তিনি স্ত্রী, পুত্রকে দুবাই
শহরে নিয়ে যান। ছেলে মো. ফরহাদ হোসেন দুবাই শহরের একটি ইউনিভার্সিতে আইটি
ইঞ্জিনিয়ারিং এ লেখাপড়া করতেছে। কিন্তু ভাই মো. জাবের হোসেন ১২ জুলাই
মিথ্যা একটি ঘটনা সাজিয়ে ১৪৫ ধারায় আদালতে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায়
আমার ছেলেকেও জড়ানো হয়। ঘটনার যে তারিখ ও সময় দেখানো হয়েছে ওই সময়ে আমার
ছেলে দুবাই শহরে ছিল। আমি আগে থেকে আমার নির্মিত ঘরে ছিলাম এবং গত ১৪
জুলাই আমার ছেলে দেশে ফিরলে সেও ঘরে আসেন। কিন্তু হয়লানিমূলক একটি ঘটনা
সাজিয়ে আমি ও আমার পরিবারের উচ্ছেদের চেষ্টা করছে। এমনকি আমাকে প্রাণ
নাশের হুমকিও দেওয়া হয়। আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD