শনিবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৩, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম:
৪ লাখ টাকা দামের ভটভোটি উদ্ধার সঙ্গে দুই জন চোর আটক আই ই বি নির্বাচনে ইঞ্জিনিয়ার সুব্রত দাসকে ১৫নং ব্যালটে ভোট দিন বানিয়াধলায় বীরমুক্তিযোদ্ধা রহমান ফকির এর বাৎসরিক ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত মাদকসেবী, মাদক কারবারিরা দেশ জাতি ও সমাজের শত্রু, তাদের সাথে কোন আপোষ নেই-ওসি শাহ কামাল আকন্দ প্রধানমন্ত্রী রোববার রাজশাহীতে ১ হাজার ৩শ ১৬ কোটি ৯৭ লাখ টাকার বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন বাকেরগঞ্জে শীতার্তদের মাঝে পুলিশ সুপারের কম্বল বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর আগমনে গোদাগাড়ী, তানোরও উৎসবের আমেজ, কেন্দ্রীয় নেতারা রাজশাহীতে অবস্থান করছেন নিজ গ্রামে সংবর্ধিত সিংড়ার মেয়ে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের তেঁতুলিয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে অর্থদন্ড লতা গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান কে নবম বিসিএস ফোরামের পক্ষ হতে সম্মাননা প্রদান
নড়াইলে মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে রেনু পোনা উৎপাদন বন্ধ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে

নড়াইলে মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রে রেনু পোনা উৎপাদন বন্ধ দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে

উজ্জ্বল রায় (নড়াইল জেলা) প্রতিনিধি:

নড়াইলের মৎস্য প্রজনন কেন্দ্রটিতে রেনু পোনা উৎপাদন বন্ধ রয়েছে দুই যুগেরও বেশী সময় ধরে। জনবল সংকট, পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়াসহ নানা কারণে প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদনে যেতে পারছে না। হ্যাচারির ব্যবহৃত জিনিসপত্র অযত্ন ও অবহেলায় অকেজো হয়ে পড়ে আছে। স্থাপনাটি পরিণত হয়েছে বখাটেদের আড্ডা আর গবাদি পশুর চারণ ভুমিতে।
আশির দশকে নড়াইল-যশোর মহাসড়কের পাশে ৯ একর ৭৫ শতক জায়গার ওপর নির্মিত হয় নড়াইল মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র। ১৯৯৬ সালে কেন্দ্রটিতে মা মাছ থেকে পোনা উৎপাদিত হয়। এরপরে আর পোনা উৎপাদনে যেতে পারেনি। দীর্ঘদিন ধরে অযত্নে পড়ে আছে এই কেন্দ্রের ৮টি পুকুর। বছরের অর্ধেক সময়ই পুকুরে পানি থাকে না।
৫ টি পদের বিপরীতে কেন্দ্রটিতে বর্তমানে মাত্র দু’জন কর্মরত আছেন। রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভালের অভাবে প্রজনন কেন্দ্রটির পাম্প, মটর, বৈদ্যুতিক বাল্বসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র প্রতিনিয়ত চুরি হয়। বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশের ফলে নিরাপত্তার অভাব রয়েছে।
মৎস্য চাষিরা জানান, এই খামার স্থানীয় মৎস্যজীবীদের কোনো কাজে আসছে না ।
জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় মাছের চাহিদা রয়েছে ১৬ হাজার মেট্রিক টন। উৎপাদন হয় ২২ হাজার মেট্রিক টন। জেলার চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত মাছ ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। জেলায় চিংড়িসহ মাছের খামার আছে ১৩ হাজার। এসব খামারে প্রতি বছর প্রায় ৪ কোটি মাছের পোনার চাহিদা রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media






© natunbazar24.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD