July 18, 2024, 4:22 am

বিজ্ঞপ্তি :
বিশেষ সতর্কীকরন - "নতুন বাজার পত্রিকায়" প্রকাশিত সকল সংবাদের দ্বায়ভার সম্পুর্ন প্রতিনিধি ও লেখকের। আমরা আমাদের প্রতিনিধি ও লেখকের চিন্তা মতামতের প্রতি সম্পুর্ন শ্রদ্ধাশীল। অনেক সময় প্রকাশিত সংবাদের সাথে মাধ্যমটির সম্পাদকীয় নীতির মিল নাও থাকতে পারে। তাই যেকোনো প্রকাশিত সংবাদের জন্য অত্র পত্রিকা দায়ী নহে। নতুন বাজার পত্রিকা- বাংলাদেশের সমস্ত জেলা, উপজেলা, ক্যাম্পাস ও প্রবাসে প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে! বিস্তারিত: ০১৭১২৯০৪৫২৬/০১৯১১১৬১৩৯৩
শিরোনাম :
পানছড়িতে মা মনসা পুঁথি পাঠের আসর জমে উঠেছে গোপাল হাজারীর বাড়িতে কোট বি*রোধীদের উপর হাম*লার প্রতি*বাদে ঝিনাইদহে ছাত্রদলের বিক্ষো*ভ নবাগত গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফুলদিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ সভাপতি তানোরে বঙ্গবন্ধু অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবল টুর্নামেন্ট সম্পন্ন নড়াইল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র পৌর মেয়র আনজুমান আরা সভাপতি নির্বাচিত বাংলাদেশ জমইয়াতে হিজবুল্লাহর নায়বে আমীর হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহর ইন্তে*কাল ধামইরহাটে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী শহীদুজ্জামানের গাছ রোপন লালমনিরহাটে ফেন্সিডিল, মোটরসাইকেলসহ দুইজন আ*টক  পুঠিয়ায় পূর্ব শ*ত্রুতার জেরে মসজিদের ইমামকে হ*ত্যার চেষ্টা নিহ*ত শিক্ষার্থীদের স্মরণে গাজীপুরে গায়েবানা জানাজা
মধুপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত

মধুপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত

আঃ হামিদ মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলে মধুপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে ঠান্ডা জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে সব বয়সের মানুষ। এতে করে ফার্মেসী গুলোতে বেড়েছে নাপা বা প্যারাসিটামল ওষুধের ব্যাপক চাহিদা। আগের তুলনায় ঠান্ডা জ্বর জনিত সিরাপের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগও করেছেন অনেকে। চিকিৎসা সংশ্লিষ্টদের দাবি,বন্যা ও প্রচণ্ড গরমের কারণে ঘরে ঘরে মানুষ জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন। ছোট শিশু থেকে শুরু করে যুবক ও প্রবীণরাও এই জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। সিজেনারী বা ভাইরাস জনিত জ্বর সাধারণত ৩/৫ দিন স্থায়ী হয়। এই জ্বরে পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে অন্যজনেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ঔষধ খেতে হবে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে কিছুক্ষণ পরপর তোয়ালে বা গামছা পানিতে ভিজিয়ে শরীর মুছে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকগন। নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে জ্বর না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সহ কমিউনিটি ক্লিনিক ও শহরের কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিকে বিগত দিনের তুলনায় গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা কয়েকগুন বেড়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগীদের চিকিৎসা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসকদের।এ জ্বরে আক্রান্ত হলে ভয়ের কোন কারণ নেই বলে জানিয়েছেন তারা।

Please Share This Post in Your Social Media






© প্রকাশক কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY AMS IT BD