স্টাফ রিপোর্টার ॥ সদ্য অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) সংসদীয় আসন থেকে বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় ত্রিশাল পৌরসভার সাবেক ৩বারের মেয়র, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান আনিছ হাজারো জনতার ফুলেল শুভেচ্ছা ও ভালবাসায় সিক্ত হয়েছেন। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আনিসুজ্জামান আনিছের প্রতি ভালবাসার বহিপ্রকাশ ঘটাতে ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী পরিবার ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। শুক্রবার বিকালে উপজেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং হাজারো মোটরসাইকেল ও গাড়ী বহর শোভাযাত্রার মাধ্যমে উপজেলা পৌর এলাকা থেকে বগার বাজার সহ বিভিন্ন এলাকা হয়ে একটি বিশাল শোডাউন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। বগার বাজারে পৌছলে আওয়ামীলীগ এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি কয়েকটি স্থানে পথসভায় বক্তৃতা করেন। নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এবিএম আনিসুজ্জামান বলেন, ছাত্রলীগ থেকে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলাম। পরবর্তীতে ত্রিশাল পৌরসভায় ৩বার মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পৌর এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন করার চেষ্টা করেছি। আমি ত্রিশালবাসী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে ত্রিশালবাসী আমাকে ঋণী করেছে, দোয়া করবেন যেন আমি আপনাদের এ ভালোবাসার প্রতিদান দিতে পারি। সকলের সহযোগীতায় অবহেলিত এই ত্রিশালকে আধুনিক উপজেলা হিসাবে উপহার দিতে চাই। এসময় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি উপজেলার ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ প্রশাসনে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নবনির্বাচিত এমপিকে শুভেচ্ছা জানান। একই দিনে রাতে গো হাটা ময়দানে ত্রিশাল পৌরসভার উদ্যোগে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যের গণ সংবর্ধনা আয়োজন করা হলে অনুষ্ঠানে নতুন এমপিকো ফুলেল শুভেচ্ছা প্রদান করেন পৌর কাউন্সিলর সহ স্থানীয় জনতা । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনগণের উদ্দেশ্যে ত্রিশালের যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে রাস্তাঘাট এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ সহ ত্রিশালের সার্বিক উন্নয়নের অঙ্গীকার প্রদান করাসহ ত্রিশাল থেকে মাদক নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব খলিলুর রহমান। বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ ত্রিশাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মতিন সরকার,উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম খলিল নয়নসহ ত্রিশালের বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের উপজেলা নেতৃবৃন্দ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
Blog
-

হবিগঞ্জে এক সাংবাদিক পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন
মশিউর রহমান,
হবিগঞ্জ প্রতিনিধি।।হবিগঞ্জ পৌরসভার মাছুলিয়া মৌজার মালিকানাধীন এস,এ রেকর্ডীয় ভূমি সেটেলমেন্ট জরিপে জেলা প্রশাসকের ১নং খতিয়ান অর্থাৎ জেলা প্রশাসকের নামে ভুলক্রমে রেকর্ড হয়।
বিষয়টি এস,এ রেকর্ডীয় মালিক মজর উল্লার ওয়ারিশানের দৃষ্টি গোচর হলে মজর উল্লার ওয়ারিশান আব্দুর রহমান গং বাদী হয়ে হবিগঞ্জের বিজ্ঞ ল্যান্ড সার্ভে ট্রাই: বিচারক (যুগ্ম জেলা জজ) আদালতে রেকর্ড সংশোধনের দাবিতে জেলা প্রশাসকগংকে বিবাদী করে ৪১০/২০১৫ নং এক মোকদ্দমা দায়ের করেন।মোকদ্দমায় উপস্থাপিত কাগজপত্র ও স্বাক্ষী প্রমাণে এস,এ রেকর্ডীয় মালিক মজর উল্লা পিতা হামিদ উল্লা সাং- অনন্তপুরের নামে পর্যালোচনা করে বিজ্ঞ বিচারক বিগত ২০১৬ সালের ২৪ অক্টোবর রায় ডিক্রি প্রদান করেন।
আদেশে বাদীপক্ষের প্রার্থীত মতে নালিশী রেকর্ড সংশোধনের আদেশ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের নিমিত্তে আদেশের অনুলিপি সংশ্লিষ্ট অফিসে প্রেরণের বলা হয়।
রায়ের আদেশ মোতাবেক হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বরাবর রেকর্ড সংশোধন করে পাওয়ার দাবীতে মজর উল্লার ওয়ারিশান আব্দুর রহমানগং ও আব্দুল হেকিমের পুত্র আব্দুল কাদির গং আবেদন করেন। যার স্মারক নং -৪৯৮ (২) এর প্রেক্ষিতে ভূমি মন্ত্রনালয়ের পরিপত্র ৭১৪ মোতাবেক প্রস্তাব আকারে প্রেরন করার জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) হবিগঞ্জ সদরকে নিদেশক্রমে অনুরোধ করেন, রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর প্রতীক মন্ডল ।
মীর কাদির জানান,
সংশোধনের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকাবস্থায় একটি কুচক্র স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালী মহল কাগজাত সৃজন করে, তাদের মৌরশী ও রায়কৃত ভূমি থেকে অন্যায়ভাবে জোর-জবর বেদখল করার যড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আরও জানা যায়, কুচক্র স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালী মহল লোক মুখে প্রচার করে বেড়াচ্ছে নালিশা ভূমি সৃজনকৃত কাগজের মাধ্যমে বিক্রি করে দিবে। বিষয়টি হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও জেলা সাবরেজিস্টারকে লিখিতভাবে ১০ জানুয়ারী ২০২৪ইং অবগত করেছেন। অনন্ত পুর এলাকার মৃত আব্দুল হেকিমের পুত্র মো: আব্দুল কাদির। তিনি আরো জানান, একটি কুচক্র স্বার্থান্বেষী প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন যাবত আমাদের মালিকানা ভূমির কাগজাত সৃজন করে জোর পূর্ব জবর দখলের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। একটি বাসায় বসে কুচক্রীরা গোপনে কুপরামর্শ,করছে, এমনকি প্রাননাশের হুমকি – দমকি দিয়ে আসছে, কাদির ও তার পরিবারকে হত্যা করে লাশ ঘুম করে ফেলবে, সে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরিকল্পনা করছে জানায়।
-

এবারে খুব শীত আলচে বা আইত হইলে শীত কনকন করি হাড্ডিত নাগে
খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
কনকনে শীতে চরম বিপাকে পড়েছেন তারাগঞ্জ উপজেলার গরিব-অসহায় শীতার্ত মানুষ। এই শীতে সবচেয়ে বেশি কষ্টে রয়েছেন সমাজের ছিন্নমূল মানুষেরা।
গরিব-দুঃখী শীতার্ত মানুষের শীতের কষ্ট লাঘবে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও প্রতিষ্ঠান ঘুরে ঘুরে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির হচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল রানা।
জানা গেছে, গত সোমবার (৮ ডিসেম্বর) থেকে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে আনা ১৫০০টি কম্বল উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাট-বাজার, কয়েকটি আশ্রয়ণ প্রকল্প, মাদ্রাসা ও বিভিন্ন পাড়ার-মহল্লার ছিন্নমূল ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিতরণ করছেন ।
কুর্শা ইউনিয়নের রহিমাপুর মাদ্রাসা মোড়ের অন্ধ ভিখারী কবে বেওয়া জানান , ‘এবারে খুব শীত আলচে বা। আইত হইলে শীত কনকন করি হাড্ডিত নাগে। প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় খুব কষ্টে দিন যায়। গরম কাপড় কেনমো, তার টাকা নাই। কম্বল পায়া খুব উপকার হইল। এল্যা ঠান্ডা জার (শীত) একনা কম নাগবে।’
পাউবো’র ক্যানেলের ধারে বসবাস করা মনি বেগম শীতবস্ত্র কম্বল পেয়ে বলেন, রাতে ভাত খেয়ে শুয়ে আছি , হঠাৎ গাড়ির শব্দ। ঘুম থেকে উঠে দেখি ইউএনও স্যার কম্বল নিয়ে এসেছেন। কনকনে শীত ও ঠান্ডা বাতাস বইছে এমন সময়ে গরমের কাপড় কম্বল পেয়ে আমি খুবই খুশি। স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই কষ্টে ছিলাম। আমি এখন স্বামী সন্তান নিয়ে খুবই আরামে আছি। আমি ইউএনও স্যারদের জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো করেন।
খারুভাজ দারুস সালাম হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় গিয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের হাতে শীত নিবারনের জন্য কম্বল তুলে দেন ইউএনও রুবেল রানা।
মাদ্রসার মুহতামিম জানান , মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুঃচিন্তায় ছিলাম । ইউএনও স্যার নিজের হাতে কম্বল দিয়েছেন শিক্ষার্থীদের । এই কনকনে শীতে কম্বল পেয়ে শীতার্ত শিশুদের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠে।ইউএনও রুবেল রানা জানান, প্রচণ্ড শীতে ছিন্নমূল ও অসহায় মানুষদের একটা করে কম্বল দিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। এই শীতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সকলের মানবিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। শীতে কোনো দুস্থ পরিবার যেন কষ্ট না পায়, সে জন্য আমরা তাদের পাশে শীতবস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়েছি। উষ্ণতার পরশ কম্বল দিতে পেরে আমরা আনন্দিত। তথ্য পেলে পুনরায় ছুটে যাবেন শীতার্ত , ছিন্নমূল , অসহায় মানুষদের মাঝে ও শীতবস্ত্র বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।
-

জঙ্গলখাইন স্কুলে বার্ষিক পুরস্কার বিতরন অনুষ্ঠানে মোতাহেরুল ইসলাম এমপি
মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে নব-নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী বদলেছেন, শিক্ষার গুণগত মান্নোয়নে আগামীতে পটিয়ায় কাজ করা হবে। উন্নত বিশ্ব এবং উন্নয়নশীল বিশ্বেও শিক্ষাবিদদের মনোযোগ আকর্ষণ করে চলেছে। ‘সবার জন্য শিক্ষা’ এবং সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমালা’ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নের সঙ্গে গুণগত শিক্ষার বিকাশের সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পটিয়াসহ সারা দেশে শিক্ষা ব্যবস্থা আরো এগিয়ে নেওয়া হবে। এজন্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের ভুমিকা রাখতে হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় যদি ইভটিজিং, কিশোর গ্যাংয়ের উপদ্রপ দেখা দিলে ছাড় দেওয়া হবে না।১৩ জানুয়ারি (শনিবার) সকালে পটিয়ার জঙ্গলখাইন উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক পুরস্কার বিতরন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি এ কথা বলেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি আ.ক.ম. শামসুজ্জামান চৌধুরী, পটিয়া পৌরসভার মেয়র আইয়ুব বাবুল, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি রাশেদ মনোয়ার, জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন ফরিদ, সাবেক চেয়ারম্যান গাজী ইদ্রিস, জেলা পরিষদের মহিলা সদস্য ফারহানা সেলিম, যুবলীগ নেতক মর্তুজা কামাল মুন্সি, প্রজ্ঞাজোতি বড়ুয়া লিটন।
আলোচনা সভার শুরুতে স্কুলের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে নব নির্বাচিত এমপিসহ অতিথিদের শুভেচ্ছা জানান।
-

বরগুনায় এনসিটিএফ সদস্যদের বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
খাইরুল ইসলাম মুন্না ।।
বরগুনা সদর উপজেলা ন্যাশনাল চিলড্রেন’স টাস্ক ফোর্স (এনসিটিএফ) – এর বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার বরগুনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বরগুনা সদর উপজেলা এনসিটিএফ এর সভাপতি উম্মে হাবিবা রূপার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিবিডিপির নির্বাহী কমিটির সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক চিত্তরঞ্জন শীল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট শাহ্ মোহাম্মদ ওয়ালিউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক, সম্মিলিত সাস্কৃতিক জোট এবং আবু জাফর মোঃ সালেহ, সভাপতি, জেলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম। এ সভায় বরগুনা সদর উপজেলা এনসিটিএফ এর কমিটি গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে পুনর্গঠন করা হয়। এতে নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন মনির হোসেন কামাল, পরিচালক, লোকবেতার এবং মোঃ মালেক মিঠু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক, বরগুনা প্রেস ক্লাব।
নবগঠিত ১১ সদস্যের নির্বাহী কমিটি নি¤œরূপ: সভাপতি মেহজাবিন অর্পি, সহ-সভাপতি রামিশা আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক নাবিলা জান্নাহ্, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লামিয়া ইসলাম ইভা, সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম, শিশু সাংবাদিক (মেয়ে) তির্থারাই স্মিতা, শিশু সাংবাদিক (ছেলে) সিয়াম আহম্মেদ, শিশু গবেষক (মেয়ে) নূরে উম্মে রাইয়ান আনিকা, শিশু গবেষক (ছেলে) মোঃ আরমান উদ্দিন, শিশু সাংসদ (মেয়ে) নূজহাত হাদিকা নুহা, শিশু সাংসদ (ছেলে) আকিব হোসেন রাফি। নির্বাচন পর্বটি পরিচালনা করেন ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা মো: আবু ইউসুফ সাঈদ।
এনসিটিএফ এর বার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি গঠন, বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং পরবর্তী বছরের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন এবং সফলতার স্মারকস্বরূপ বিদায়ী এনসিটিএফ সদস্যদের ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
সিবিডিপি, ২০২০ সাল থেকে প্ল্যান ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এর সহযোগিতায় ওয়াই-মুভ্স প্রকল্পের মাধ্যমে বরগুনার ৬টি উপজেলা এবং দুর্যোগ কবলিত নলটোনা ইউনিয়নে এনসিটিএফ সদস্যদের মাধ্যমে শিশু অধিকার রক্ষা, অংশগ্রহণ, নেতৃত্ব এবং বিকাশে কাজ করে আসছে। -

মুরাদনগরের কামাল্লায় এমপি ও স্থানীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে অবৈধ ড্রেজার বন্ধ
কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন,
কুমিল্লার মুরাদনগরের কামাল্লা মাদ্রাসার উত্তর পাশে হাফেজ জাকির ও রিফাত সরকারের নেতৃত্বে অবৈধ ড্রেজার স্থাপন করে বিভিন্ন স্থানে মাটি বালি বিক্রির মৌখিক অভিযোগ দেন সদ্য নির্বাচিত সংসদ আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকারের কাছে। তিনি তাৎক্ষণিক দু বীর মুক্তি যোদ্ধা কমান্ডার হারুন আর বীর মুক্তিযোদ্ধা ফেরদৌস কে বিষয়টি দেখবার করে জানাতে বলেন,মুক্তি যোদ্ধা টিম সরজমিন পরিদর্শন করেন এবং অবৈধ ড্রেজিংএর সত্যাতা পেয়ে প্রশাসনের ও এমপি মহোদয় কে জানান,এসময় ঘটনাস্থলে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল বাসার গিয়ে এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকারের সাথে যোগাযোগ করে ড্রেজার মেশিন বন্ধ করে দিতে নির্দেশ দেন।এসময় হাফিজ জাকির মেশিন বন্ধ করে দেন। এছাড়া দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সতন্ত্র এমপি জাহাঙ্গীর আলম সরকার জানান মুরাদনগরের মাটি থেকে চাঁদা বাজি, জিবি,অবৈধ ড্রেজিং বন্ধ করা হোক, এটা নির্বাচনি প্রতিশ্রতি,আজ থেকে মুরাদনগরের সকল স্থান থেকে জিবি বন্ধ করে দিয়েছি। -

মুরাদনগরের কামাল্লায় মালিকানা সম্পক্তির উপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা
কুমিল্লা থেকে মোঃতরিকুল ইসলাম তরুন, কুমিল্লার মুরাদনগরের কামাল্লা ইউনিয়নের কামাল্লা দঃপাড়া আজিজ মিয়ার বাড়ি থেকে দারগা বাড়ি রাস্তা নির্মানে আনোয়ার মেম্বার, আনোয়ারা মেম্বার, যুবলীগ নেতা রিফাত সরকারের নেতৃত্বে বেকু দিয়ে বিধবা নারীর কৃষি জমি কেটে রাস্তা নির্মান করে।বিধবা নারী বাধা দিলে বলে চেয়ারম্যান বলছে। এবিষয় নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল বাসার খান জানান তিনি কিছু ই জানেন না,রিফাত সরকার দারগা বাড়ির লোকজনের যোগ সাজেশনে এগুলো করছে,আমি নির্বাচনের সময় ভোট চাইতে আসলে নিরীহ বিধবা মহিলা আমার নিকট অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় অনেকে আমার কাছে জানতে চাইছে আমি বলছি রিফাত সাবেক এমপির লোক সে এলাকায় জোর অবস্থিতি করে আসছে,আমি বারন করে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। এবিষয়ে রিফাতের ও আনোয়ার মেম্বারের মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।
-

সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি এমপি ফারুক চৌধুরী
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহী অঞ্চলের রাজনৈতিক অঙ্গনে রাজনৈতিক সহাবস্থান, সৎ নেতৃত্ব,
দিনবদল-রাজনীতিতে সুস্থধারা, আদর্শিক নেতৃত্ব ও সৎ রাজনৈতিকের প্রতিকৃতি সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরী। তিনি এলাকায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় না জড়াতে দলীয় নেতাকর্মীদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এবং সকলকে মিলেমিশে এলাকার উন্নয়নে মনোনিবেশ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
জানা গেছে, এমপি ফারুকের কোনো অবৈধ অর্থলিপসা না থাকায় দেশের গতানুগতিক রাজনীতির স্রোতে তিনি কখানই গা-ভাসিয়ে দেননি। তিনি কখানো কোনো সুবিধা পেতে দল-নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বেঈমানীও করেননি। রাজনীতির শুরু থেকে এখানো মুল ধারার সঙ্গেই রয়েছেন। রাজশাহী জেলা পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কালো টাকার মোহে কথিত হেভিওয়েট নেতারা দল-নেতা ও নেতৃত্বের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে তাদের অনুগতদের নিয়ে দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।কিন্তু একজন ছিলেন ব্যতিক্রম তিনি এমপি ফারুক চৌধুরী। হাজারো প্রলোভন দিয়েও তাকে আদর্শচ্যুৎ করতে পারেননি কেউ।
এদিকে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও এমপি হিসেবে তিনি কতটা সফল এসব নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। কিন্ত্ত তার আদর্শ-নীতিনৈতিকতা ও জামায়াত-বিএনপির দুর্গে আওয়ামী লীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে তার যে অবদান তা অস্বীকার বা তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার কারো কোনো সুযোগ নাই। তৃণমুলের ভাষ্য, নির্বাচনী এলাকায় এখন তো সবাই আওয়ামী লীগ। অথচ এক সময় এখানে আওয়ামী লীগের পোস্টার সাঁটানো, মিটিং-মিছিল এমনকি আওয়ামী লীগ করি প্রকাশ্যে এই কথা বলার মতো পরিবেশ ছিল না। তাহলে আজকের এই অবস্থান-পরিস্থিতি ও আওয়ামী লীগের একচ্ছত্র আধিপত্য সৃস্টি হলো কার হাতে বা নেতৃত্বে। এসব বিষয়ে পর্যালোচনা করলেই সবার কাছে এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনৈতিক অবস্থান পরিস্কার হয়ে যাবে, এর জন্য রাজনৈতিক বিশ্লেষক হবার প্রয়োজন নাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিগত দিনে এখানকার রাজনীতির ইতিহাসে সরকার দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা অধিকাংশ সময় এলাকা অশান্ত করে তুলেছিল।
অথচ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের একটানা চতুর্থ মেয়াদও এখানে ভিন্ন চিত্র বিরাজমান রয়েছে। নেই কোনো রাজনৈতিক সহিংসতা ও হানাহানি রয়েছে রাজনৈতিক সহাবস্থান।
সূত্র বলছে; এমপি ফারুক চৌধুরীর রাজনৈতিক দুরদর্শীতা, ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, অক্লান্ত পরিশ্রম এবংব স্বদিচ্ছায়
রাজনৈতিক সহাবস্থান, দিনবদল ও
সুস্থধারা সৃষ্টি হওয়ায় রাজনীতিতে সহিংসতার কোন স্থান নাই।
রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলা করা হচ্ছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে জামায়াত-বিএনপির ইতিহাস এখন কেবলই দুঃসহ স্মৃতি। এখন বিরোধীদল বিনা বাধায় তাদের শান্তিপূর্ণ যেকোন রাজনৈতিক কর্মসূচী পালন করতে পারছেন। অথচ বিএনপি-জামায়াতের সময়ে তৎকালীন বিরোধীদল আওয়ামী লীগের অনেক নেতা-কর্মী রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলা ও নির্যাতনের মূখে বছরের পর বছর পালিয়ে বেড়িয়েছেন। মিথ্যা মামলায় বহু নেতা-কর্মী ও সমর্থকরা মাসের পর মাস কারাবরণ করেছেন। তাদের অনেকেরই নিকট আত্মীয়-স্বজনের মূত্যুর পর জানাজায় অংশগ্রহণ করতেও পারেননি। আন্দোলন কর্মসূচী তো দুরের কথা; জাতীর জনক এবং স্বাধীনতার স্থপত্তি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাৎবার্ষিকী ও রমজান মাসে ইফতার মাহফিলের অনুষ্ঠান করতেও দেয়া হয়নি।
এদিকে সুস্থধারা ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু হওয়ায় দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বত্বি বিরাজ করছে। এমপি ফারুক চৌধূরী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের কাছে দিনবদলের যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন, সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করতেই তিনি রাজনীতিতে সুস্থধারা, সহাবস্থান ও দিনবদলের রাজনীতি শুরু করেছেন। এতে করে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের মধ্যে পরম স্বস্তি ও শান্তি বিরাজ করছে। তবে রাজনৈতিক দুর্বুত্তায়ন ও লেজুড় বৃত্তি করতে না পেরে নিজ দলের একশ্রেণীর স্বার্থান্বেষী, ক্ষমতালেভী জনবিচ্ছিন্ন নেতা এমপির কাছে অনৈতিক কাজের আশ্রয়-প্রশ্রয় না পেয়ে, তারা তার বিরুদ্ধে এখানো অপপ্রচার লিপ্ত রয়েছে। তারা রাজনৈতিক ক্ষমতার দাপট, ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি-ঘুষ, চাঁদাবাজী ইত্যাদি করতে না পারায় এমপির প্রতি তুষ্ট হতে পারছেন না। ফলে। এরা নিজেরা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে বিভিন্ন কৌশলে এমপি ফারুক চৌধুরীর বিরোধীতা করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ বিরোধীতায় সম্পৃক্ত হচ্ছেন।
অপরদিকে এমপি ফারুকের অর্থলিপসা না থাকায় প্রায় ৫ কোটি টাকা মূল্যর তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি তিনি সরকারি কলেজ নির্মাণের জন্য দান করেছেন এবং এখানো এমপির সম্মানী ভাতার টাকা এলাকায় হতদরিদ্র নেতা-কর্মীদের মাঝে বিতরণ করে আসছেন। আবার চাকুরী মেলা করে এলাকার হাজার হাজার বেকার জনগোষ্ঠির আত্ম কর্মসংস্থানের মাধ্যমে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে নানাবিধ সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। অথচ একশ্রেণীর জনবিচ্ছিন্ন স্বর্থান্বেষী নেতারা অনিয়ম-দূর্নীতি করে রাতারাতি অগাধ ধনসম্পত্তি অর্জনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু সাংসদ ফারুক চৌধূরীর অর্থলিপসা না থাকায় তারা এসব অনৈতিক কর্মকাণ্ড করতে পারছেন না। যার ফলে এসব বিপথগামী নেতা-কর্মী সাংসদের কর্মকাণ্ডে সন্তুষ্ট হতে না পারলেও রাজনৈতিক পর্যবেক মহল, শুশিল সমাজ,সচেতন মহল ও সাধারণ মানুষ সাংসদের এমন অবস্থানের ভুয়সী প্রশংসা করে তাকে গণমানুষের নেতার উপাধীতে ভুষিত করেছেন। রাজশাহী অঞ্চলের মানুষ এবার এমপি ফারুক চৌধুরীকে সরকারের মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হিসেবে দেখতে চাই। এই জন্য দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে তারা আকুল আবেদন করেছেন।
অন্যদিকে বিশ্বের চলমান প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় তিনি হট লাইন চালু করে নিজ জ্বীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যা সর্বমহলে প্রশংসিত ও মডেল হয়ে উঠেছে।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি বলেন, দলের মধ্যে কিছু আগাছা-পরগাছা থাকতেই পারে, যেমন ধানের মধ্যে খড়-কুটা থাকে। দলের এসব জনবিচ্ছিন্ন স্বার্থান্বেষী মহল আমার কাছে অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে নিজেদের স্বার্থে দল বিরোধীদেরকে সঙ্গে নিয়ে আওয়ামী লীগের আদর্শ ও চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি স্পষ্ট কথা বলতে পছন্দ করি, কোন অন্যায় ও অনৈতিক আবদার কারীদেরকে প্রশ্রয় দিইনা, জুয়া-মাদকের সুপারিশ কখনও করি না। সদা-সর্বদা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শ ও চেতনাকে বুকে ধারণ করে এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল দিক নির্দেশনা মেনে চলে ও তার অনুপ্রেরণায় দেশের চলমান উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে চলেছি। আমি শহীদ পরিবারের সন্তান আমার শরীরে বেঈমানীর রক্ত নাই, আমার কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনবিরোধী, রাজনৈতিক
বেঈমান ও বিশ্বাসঘাতকদের কোনো স্থান নাই, আমি বুকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে রাজনীতি করি আমার বড় শক্তি তৃণমুলের আমজনতা।# -

পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা)’র আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ……এমপি রশীদুজ্জামান
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ॥
দেশের উপকূলের নদ-নদী ও পরিবেশ সুরক্ষায় ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান। তিনি জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে লবণাক্ততা বাড়ছে এবং খুলনাসহ দক্ষিণা লের লবণ পানি আক্রান্ত এলাকায় গৃহস্থলী পরিবেশ বলে কিছু নেই। লবণাক্ততার কারণে পরিবেশ বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বাড়ছে চর্ম রোগসহ পানি বাহিত রোগ ব্যাধি, এলাকায় গাছপালা, জীববৈচিত্র্য, ঔষধী গাছ,দেশীয় প্রজাতির মাছ ও পশুপাখিসহ সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ১১ জানুয়ারী-২৪
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক নাগরিক সংগঠন ‘ধরিত্রী রক্ষায় আমরা’ (ধরা)’র আত্মপ্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ সব কথা বলেন তিনি। ‘ধরা’র কার্যক্রম দেশের পরিবেশ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। নতুন এই সংগঠনে গণস্বাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরীকে আহ্বায়ক ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক পরিবেশ বিদ শরীফ জামিলকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। সংগঠনের উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি হিসেবে আছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও বিশিষ্ট মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতালা কামাল।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শরীফ জামিল বলেন, পরিবেশ বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বর্তমানে মানবিক বিপর্যয় ডেকে এনেছে। জনগণের জীবন-জীবিকার ক্ষতি, ব-দ্বীপ বাস্তুসংস্থানের ধ্বংস সাধন, তীব্র পানি ও বায়ুদূষণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে উপকূলীয় এলাকার মানুষদের বাস্তুচ্যুতি, লবণাক্ততা, সুপেয় পানির সংকট, শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ও বন্যাসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতা দিনদিন বেড়েই চলেছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় মানুষ ও সংগঠনগুলোর সন্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। এই লক্ষ্যেই আমাদের সংগঠন ‘ধরা’র আত্মপ্রকাশ হচ্ছে।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল বলেন, আমরা কেউই পরিবেশ নিয়ে একা কিছু করতে পারি না। সেই জায়গা থেকেই আমরা সংগঠন করেছি। আমি অনেক শক্ত কথা বলে থাকি। কারণ, আমার পেছনে অনেক মুখ আছে যারা কথা বলে, আমাকে সাহস দেয়। এই জন্য আমরা সবাই মিলিত হয়েই কথা বলি। আমাদের এই সংগঠন সেভাবে এগিয়ে যাবে।
সংবাদ সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রের টেম্পল ইউনিভার্সিটি প্রফেসর জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই ধরিত্রী রক্ষার দায়িত্ব আমাদেরকেই নিতে হবে। সবাই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে নিজেদের জায়গা হতে নিজেদের দায়িত্ব ঠিকমতো পালন করলেই আমরা বাংলাদেশ ও এই ধরিত্রী রক্ষা করতে পারবো।
সভাপতির বক্তব্যে রাশেদা কে চৌধূরী সংগঠনটি তৈরির প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন এবং দেশের নদী ও জলাশয়সমূহ দখল ও দূষণের হাত থেকে রক্ষায় সকলকে আরো বেশি সোচ্চার হবার আহবান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক আদিল মোহাম্মদ খান, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, রোমান ক্যাথলিক চার্চ আর্চবিশপ বিজয় নিসফরাস ডি’ ক্রুজ, ব্রতী’র প্রধান নির্বাহী শারমীন মুরশিদ, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের বেসরকারি উপদেষ্টা এম এস সিদ্দিকী, নাগরিক আন্দোলনের নেতা আব্দুল করিম চৌধুরী কিম, পশুররিভার ওয়াটারকিপার মো. নূর আলম শেখ, আদিবাসী পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক ফাদার জোসেফ গোমেজ, ঢাকা ৭৫নং ওয়ার্ডের কমিশনার মো. আকবর হোসেন প্রমূখ।ইমদাদুল হক,
পাইকগাছা,খুলনা। -

পাইকগাছায় কুল চাষে সফল নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ॥
পাইকগাছায় বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষে সফলতা পেয়েছে গদাইপুরের রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল। উপজেলার বাঁকা গ্রামে ৩ বিঘা জমি লীজ নিয়ে প্রায় ৩ শতাধিক বল সুন্দরী, থাই আপেল ও কাশ্মীরি কুলের গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরি করেছেন।
বাগানে সারি সারি কুলগাছ। আকারে ছোট। বড়জোর চার থেকে পাঁচ ফুট। কুলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছগুলো। বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে। এক একটি গাছ ৫ থেকে ৬ হাত লম্বা। গাছের নিচ থেকে উপর পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলছে শুধু বল সুন্দরী কুল। থাই আপেল কুলের ওপরের অংশে হালকা সিঁদুর রং রয়েছে। ফলটি আকারে বড়, দেখতে ঠিক আপেলের মতো, খেতেও ঠিক আপেলের মতো সুস্বাদু। এদিকে এই ফলটি খেতে সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ পরিচিতি লাভ করায় ক্রেতাদের চাহিদাও দিন দিন বেড়েছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০/১২টি কুলের বাগান, ক্ষেতের আইলে, বাড়ীতে, ছড়ানো ঠিটানো প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে কুল বাগান রয়েছে। জানা গেছে, সুকনাথ পাল আড়াই বছর আগে উপজেলার বাঁকা গ্রামে৩ বিঘা জমি লীজ নিয়ে প্রায় ৩ শতাধিক বল সুন্দরী, থাই আপেল ও কাশ্মীরি কুলের গাছের চারা লাগান। কুল গাছের চারা রোপন ও অনন্যা খরচসহ তার দেড় লাখ টাকা ব্যয় হয়। চারা রোপণ করার ৭ মাসের মাথায় গোছে ফল ধরে। প্রথম কুল বাগান থেকে এক লাখ দশ হাজার টাকার কুল বিক্রি হয়। দ্বিতীয় বছরে কুলের দাম বেশী পাওয়ায় প্রায় ৩ লাখ টাকার কুল বিক্রি হয়। এ বছর অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে তাছাড়া গাছে ফল কম হয়েছে আর দামও কম। প্রতি কেজি ৫০ টাকা কেজি দরে কুল বিক্রি হচ্ছে। গাছে প্রতি প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি করে বল সুন্দরী, থাই আপেল কুল ধরেছে। ইতোমধ্যে বাগান থেকে কুল বিক্রি শুরু হয়েছে। শ্রমিকরা বাগানে কুল তোলা ও বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকার মতো ফল বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানায়।কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এই বাগান থেকে দেড় লাখ টাকার বেশী কুল বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করছেন।
সরেজমিনে কুল বাগানে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে লুকিয়ে রয়েছে বল সুন্দরী ও থাই আপেল কুল। যে দিকে দৃষ্টি যায় শুধু ফল আর ফল চোখে পড়ছে। বাহারী রঙের দৃষ্টি নন্দন কুল দেখলে মন কাড়ে। দেখতে অনেকটা মাঝারি সাইজের আপেলের মতো। রঙ আপেলের মতো সবুজ ও হালকা হলুদের ওপর লাল। খেতে অনেক সুস্বাধু ও মিষ্টি। বল সুন্দরী ফল চাষ করে ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন। দূর দূরান্ত থেকে অনেক বেকার লোকজন এসে দেখছেন এবং বিষয়ে নানা পরামর্শ তার কাছ থেকে নিচ্ছেন।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ বলেন,এ উপজেলায় কিছু কিছু নার্সারীতে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে বেশ সফলতা পেয়েছেন।এরমধ্যে সুকনাথ পাল একজন সফল কৃষক। নতুন জাতের এই কুলের চাষ করে তিনি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন।
কুলের আবাদের জন্য চাষের জমির খুব একটা প্রয়োজন হয় না। বাগান আকারে চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি ভালো। তাপাইকগাছায় কুল চাষে সফল নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল
ইমদাদুল হক,পাইকগাছা(খুলনা) ॥
পাইকগাছায় বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষে সফলতা পেয়েছে গদাইপুরের রজনীগন্ধা নার্সারীর মালিক সুকনাথ পাল। উপজেলার বাঁকা গ্রামে ৩ বিঘা জমি লীজ নিয়ে প্রায় ৩ শতাধিক বল সুন্দরী, থাই আপেল ও কাশ্মীরি কুলের গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরি করেছেন।
বাগানে সারি সারি কুলগাছ। আকারে ছোট। বড়জোর চার থেকে পাঁচ ফুট। কুলের ভারে নুয়ে পড়েছে গাছগুলো। বাঁশ দিয়ে ঠেস দিয়ে রাখা হয়েছে। এক একটি গাছ ৫ থেকে ৬ হাত লম্বা। গাছের নিচ থেকে উপর পর্যন্ত থোকায় থোকায় ঝুলছে শুধু বল সুন্দরী কুল। থাই আপেল কুলের ওপরের অংশে হালকা সিঁদুর রং রয়েছে। ফলটি আকারে বড়, দেখতে ঠিক আপেলের মতো, খেতেও ঠিক আপেলের মতো সুস্বাদু। এদিকে এই ফলটি খেতে সুস্বাদু হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে বেশ পরিচিতি লাভ করায় ক্রেতাদের চাহিদাও দিন দিন বেড়েছে।
কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১০/১২টি কুলের বাগান, ক্ষেতের আইলে, বাড়ীতে, ছড়ানো ঠিটানো প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে কুল বাগান রয়েছে। জানা গেছে, সুকনাথ পাল আড়াই বছর আগে উপজেলার বাঁকা গ্রামে৩ বিঘা জমি লীজ নিয়ে প্রায় ৩ শতাধিক বল সুন্দরী, থাই আপেল ও কাশ্মীরি কুলের গাছের চারা লাগান। কুল গাছের চারা রোপন ও অনন্যা খরচসহ তার দেড় লাখ টাকা ব্যয় হয়। চারা রোপণ করার ৭ মাসের মাথায় গোছে ফল ধরে। প্রথম কুল বাগান থেকে এক লাখ দশ হাজার টাকার কুল বিক্রি হয়। দ্বিতীয় বছরে কুলের দাম বেশী পাওয়ায় প্রায় ৩ লাখ টাকার কুল বিক্রি হয়। এ বছর অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে তাছাড়া গাছে ফল কম হয়েছে আর দামও কম। প্রতি কেজি ৫০ টাকা কেজি দরে কুল বিক্রি হচ্ছে। গাছে প্রতি প্রায় ১০ থেকে ১৫ কেজি করে বল সুন্দরী, থাই আপেল কুল ধরেছে। ইতোমধ্যে বাগান থেকে কুল বিক্রি শুরু হয়েছে। শ্রমিকরা বাগানে কুল তোলা ও বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকার মতো ফল বিক্রি হয়েছে বলে তিনি জানায়।কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না ঘটলে এই বাগান থেকে দেড় লাখ টাকার বেশী কুল বিক্রি করতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করছেন।
সরেজমিনে কুল বাগানে গিয়ে দেখা যায়, সবুজ পাতার ফাঁকে লুকিয়ে রয়েছে বল সুন্দরী ও থাই আপেল কুল। যে দিকে দৃষ্টি যায় শুধু ফল আর ফল চোখে পড়ছে। বাহারী রঙের দৃষ্টি নন্দন কুল দেখলে মন কাড়ে। দেখতে অনেকটা মাঝারি সাইজের আপেলের মতো। রঙ আপেলের মতো সবুজ ও হালকা হলুদের ওপর লাল। খেতে অনেক সুস্বাধু ও মিষ্টি। বল সুন্দরী ফল চাষ করে ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন। দূর দূরান্ত থেকে অনেক বেকার লোকজন এসে দেখছেন এবং বিষয়ে নানা পরামর্শ তার কাছ থেকে নিচ্ছেন।
পাইকগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অসিম কুমার দাশ বলেন,এ উপজেলায় কিছু কিছু নার্সারীতে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে বেশ সফলতা পেয়েছেন।এরমধ্যে সুকনাথ পাল একজন সফল কৃষক। নতুন জাতের এই কুলের চাষ করে তিনি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছেন।
কুলের আবাদের জন্য চাষের জমির খুব একটা প্রয়োজন হয় না। বাগান আকারে চাষের জন্য উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি ভালো। তাছাড়া বাড়ির আনাচে-কানাচে, পুকুর পাড়ে বা আঙিনায় পড়ে থাকা অনুর্বর মাটিতেও গর্ত করে চাষ করা যায়। পতিত জমিতে কুল চাষ করে ইতোমধ্যে অনেক চাষি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হচ্ছেন, অন্যদিকে পুষ্টির ঘাটতি পূরণসহ জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন।পতিত জমিতে চাষ করে কৃষিতে নতুন বিপ্লব সম্ভব। তিনি কুল চাষে আগ্রহীদের সার্বিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।
