মহেশপুর (ঝিনাইদহ) সংবাদদাতাঃ-
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ফতেপুর শামছুদ্দীন সর্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসর প্রাপ্ত সহকারী শিক্ষক ও ফতেপুর ইউপির সাড়াতলা গ্রামের মৃত,মকছেদ মন্ডলের ছেলে মতিয়ার রহমান (৭৫) গত ২০ জানুয়ারি সকালে নিজ বাড়িতে স্টোক রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ২৩ জানুয়ারি রাত আনুমানিক ৯ ঘটিকার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। মৃত্যুকালে স্ত্রী ৪ পুত্র ১ কন্যা নাতি পুতি আত্মীয় স্বজন সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। ২৪ জানুয়ারি ফতেপুর শামছুদ্দীন সর্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সকাল সাড়ে ১১ ঘটিকায় বিদ্যালয়ের মাঠে প্রথম নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ যোহর মরহুমের নিজ বাস ভবন সাড়াতলা গ্রামের ঈদগাহ ময়দানে দ্বিতীয় নামাজে জানাযা আনুষ্ঠিত হয়ে তাহাদের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়েছে।
উক্ত বিদ্যালয়ের সহকারী ইসলামী শিক্ষক মাওলানা সাকাওত হোসেনের ঈমামতিত্বে নামাজে জানাযায় বক্তব্য রাখেন ফতেপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব গোলাম হায়দার নান্টু, বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও ফতেপুর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল কাশেম সর্দার, সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ সিরাজুল ইসলাম সিরাজ, বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, খালিশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মোজাম্মেল হক, মাওলানা আব্দুল বারী প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মচারী, ছাত্র সহ অত্র এলাকার বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ ১৯৮৪ ইং সালে প্রতিষ্ঠানটি স্থাপিত হয়। তিনি জন্মলগ্ন থেকে একই প্রতিষ্ঠানে ২০২০ ইং সাল পর্যন্ত ৩৬টি বছর সুনামের সাথে শিক্ষকতা করে অবসরে আছেন।
Blog
-

মহেশপুরে ফতেপুর শামছুদ্দীর সর্দার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন
-

লালমনিরহাটে ৫৭৬বোতল এ্যালকোহলসহ গ্রেফতার ৩
মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।
লালমনিরহাট থানা পুলিশের অভিযানে ৫৭৬ বোতল (৫৭.৬ লিটার) মাদকদ্রব্য অবৈধ এ্যালকোহল সহ ০৩ জন গ্রেফতার করেন পুলিশ।গত(২৩শে জানুয়ারি)২০২৪ইং লালমনিরহাট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এর দিক নির্দেশনায় সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক এর নের্তৃত্বে সদর থানাধীন পৌরসভার লালমনিরহাট টু পাটগ্রাম গামী পাকা রাস্তা সংলগ্ন মেসার্স কামরুল এন্টারপ্রাইজ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর হতে রফিকুল ইসলাম @ ভেজাল(৩০), পিতা-জয়নাল আবেদীন, আব্দুল হাকিম (৪০), পিতা-মৃত ময়েজ উদ্দিন, উভয়ের সাং-ষাড়পুকুর চওড়াটারী, রাজু মিয়া (৩৮), পিতা-সোলেমান আলী, সাং-ষাড়পুকুর পাঠানটারী, সকলের থানা-আদিতমারী,জেলা-লালমনিরহাট।৫৭৬বোতল(৫৭.৬লিটার) মাদকদ্রব্য অবৈধ এ্যালকোহলসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করেন।গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা হয় মামলা নং- ৪৪, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ২৯(খ)/৪১ রুজু করা হয়। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর ফারুক,জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সদর থানার পৌরসভা এলাকায় অভিযানে চালিয়ে ৫৭৬ বোতল (৫৭.৬ লিটার) মাদকদ্রব্য অবৈধ এ্যালকোহল সহ ০৩ জন কে গ্রেফতার করেন পুলিশ।হাসমত উল্লাহ ।।
-

নৌকা পেলেই চেয়ারম্যান,সে আশায় গুড়ে বালি!নৌকা না থাকায় হতাশ আগৈলঝাড়ার জনবিচ্ছিন্ন নেতারা
বি এম মনির হোসেনঃ-
স্থানীয় সরকারের নির্বাচনকে সবার অংশ গ্রহনে শতভাগ গ্রহণযোগ্য করতে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা থাকছে না। থাকবে না দলীয় মনোনয়ন বা দলের কোন প্রার্থীর প্রতি নমনীয়তাও। দলের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের এমন সিদ্ধান্তে পাল্টে গেছে নির্বাচনী মাঠের চিত্র। এবার প্রার্থীদের নৌকায় চড়ে পার হওয়া নয়, পার হতে হবে নিজের অবস্থান আর কর্ম-দক্ষতা দিয়ে।আওয়ামী লীগের এমন সিদ্ধান্তকে সাধারণ ভোটাররা স্বাগত জানালেও চরম হতাশা বিরাজ করছে নৌকা পেলেই চেয়ারম্যান হওয়ার স্বপ্ন দেখা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে। ফলে এতোদিন যারা আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবার জন্য লবিং ও তদবির করে আসছিলেন তাদের সংখ্যা কমে যেতে শুরু করেছে।
সদ্য সমাপ্ত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রেশ কাটতে না কাটতেই প্রচন্ড শীতের মাঝে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো বরিশালের আগৈলঝাড়ার সর্বত্র বইতে শুরু করেছে উপজেলা নির্বাচনের হাওয়া। কে হচ্ছেন উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও সংরক্ষিত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তা নিয়ে পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকান থেকে শুরু করে অফিস পাড়ায় চলছে ব্যাপক আলোচনা।থানা পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আগৈলঝাড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য নয় জন আওয়ামী লীগ নেতার প্রার্থী হওয়ার কথা ছিল। হঠাৎ করে ২২জানুয়ারি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক থাকছে না দলের এমন সিদ্ধান্তের পর গত দুইদিন থেকে ওই সকল প্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করার পর তারা এখন নির্বাচন নিয়ে মুখ খুলতে অপরাগতা প্রকাশ করার পাশাপাশি অনেকেই প্রার্থী হবেন না বলে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন। দলের ওপর ভর করে চলা জনশুন্য ওইসব প্রার্থী ও তাদের কতিপয় সমর্থকদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে কোন কথা বলতে রাজি হননি। অথচ গত ২২জানুয়ারি দলীয় বৈঠকে নেয়া সিদ্ধান্তের আগে আগৈলঝাড়া উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে ইচ্ছুক প্রার্থীরা মতাসীন দলের মনোয়ন নিতে এবং নিজেদের বিজয়ীর বেশে দেখতে যে লবিং, তদবির শুরু করেছিলেন সে আশায় এখন গুড়ি বালি। সাধারণ ভোটারদের মতে, এবার তারা সদিচ্ছায় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে সরাসরি ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে পারবেন। সরকার ক্ষমতায় থাকলেও জনগনের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সুবিধাভোগী যেসব নেতারা নৌকার প্রার্থী হতে দৌঁড়-ঝাপ শুরু করেছিলেন তাদের মাথায় এখন আকাশ ভেঙ্গে পরেছে। সরকারের সঠিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে দলের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটাররা বলেন,অতীতে দলের নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন ও ভবিষ্যতে থাকবেন এমন নেতাকে তারা উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবেন।
সূত্রমতে, আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত ও উপজেলা আওয়অমী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। তৃনমুল পর্যায়ের মাঠ জরিপে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। পুলিশের তালিকায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক চেয়ারম্যান, বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যন, একাধিক ইউপি চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের নাম থাকলেও নৌকা প্রতীক না থাকায় তাদের তাপমাত্রা ক্রমেই পারদের মতো নীচের দিকে নামছে। নির্বাচনে নৌকা প্রতীক থাকছেনা এ ঘোষণার পর সম্ভাব্য অধিকাংশ প্রার্থী এখনই মুখ খুলতে অপরাগতা প্রকাশ করলেও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবেন বলে জানিয়েছেন। সার্বিক বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি বৃহৎ রাজনৈতিক সংগঠন। এখানে একাধিক প্রার্থী হতেই পারেন। তবে নির্বাচনকে শতভাগ গ্রহণযোগ্য করতে দলীয় প্রতীক না থাকা একটি ইতিবাচক দিক জানিয়ে বলেন এবার সরাসরি জনগনের আশা আকাংখার প্রতিফলন ঘটবে।জানা গেছে, নির্বাচন কমিশন আগামী শেষ সপ্তাহ থেকে মে মাসের শেস সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন শেষ করার কথা জানিয়েছেন ইসি সচিব মোঃ আলমগীর। চলতি মাসের শেষ দিকে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার কথা রয়েছে। সূত্র মতে, কয়েকটি ধাপে অনুষ্ঠিত হবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। -

ইকরামুল হক টিটুতেই ভরসা ময়মনসিংহবাসির
ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
আগামী ৯ই মার্চ ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্টিত হবে। ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে এই ভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে গত সোমবার (২২ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া ব্রিফিংয়ে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী এরই মধ্যে বইতে শুরু করেছে নগরীতে নির্বাচনী হাওয়া।পাড়া মহল্লায় চলছে নির্বাচনী আলোচনা। সন্ত্রাস ও চাদাবাজ মুক্ত ময়মনসিংহ নগরীকে স্মার্ট ময়মনসিংহ নগরীতে রুপান্তরিত করতে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বর্তমান মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ইকরামুল হক টিটুতেই আস্থা ময়মনসিংহ নগরবাসীর।ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু শিল্প সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে ঐতিহ্যমন্ডিত ময়মনসিংহ জেলার সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে ১৯৭৬ সালের ০১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আলহাজ্ব ফজলে হক, মাতা মৃত মানোয়ারা খাতুন এর পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি সর্বকনিষ্ঠ। পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও জনবান্ধব রাজনীতিবিদ। ইকরামুল হক টিটু তাঁর জীবদ্দশায় নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে আজ নিজেকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নে নির্বাচন করার সুযোগ পান এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সিটি কর্পোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি বয়স্কদের যেমন সন্মান করেন তেমনি ছোটদের করেন স্নেহ। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করে ইকরামুল হক টিটু যেমন সেখানে শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছেন আবার তার কর্মকর্তা- কর্মচারী ও নাগরিকদের জন্য হয়েছেন মানবিকও।
তিনি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়েছেন। অনিয়মিত সকল কর্মচারীর জন্য চালু করেছেন বোনাস। মাসের প্রথম সপ্তাহেই পরিশোধ করা হচ্ছে বেতন। চাকুরী শেষে অবসর যাওয়ার পর যাবতীয় সকল সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন কেউ কখনো দেখেননি কিন্তু মেয়র টিটু অবসরে যাওয়া স্টাফকে একসাথে তাদের সকল পাওনা পরিশোধ করে দিয়ে মসিক এর ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করেছেন। নবীন এই মেয়র সকলকে সাথে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন আগামীর স্মার্ট ময়মনসিংহ নগরী গড়ার।
নগরীর সিনিয়র সিটিজেন ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের জন্য নগরভবনে একটি হেল্প ডেক্স চালু হয়েছে তার হাত ধরেই। ইকরামুল হক টিটু শিশুদের ভীষন পছন্দ করেন। শিশু বান্ধব নগরী গড়ার লক্ষ্যে তিনি কাজ করছেন। উৎসবের সময় নতুন পোশাক নিয়ে ছুটে যান এতিমখানাসহ দু:স্থ শিশু নিবাস কেন্দ্র গুলোতে। শিশুদের জন্য পার্ক সংস্কারের পাশাপাশি নগরীতে গড়ে তুলেছেন আরেকটি শিশু পার্ক।
ঘোষনা দিয়েছেন নগরীর পাড়া মহল্লায় মিনি পার্ক নির্মাণের। তারই ধারাবাহিকতায় নগরীর সার্কিট হাউস সংলগ্ন জয়নুল আবেদীন পার্ক। ব্যবসায়ী পরিবারের সন্তান ইকরামুল হক টিটু একজন মানুষ হিসেবে মানুষের পাশে থেকে নগরীর টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন।
দরিদ্র ও অসহায় মানুষের জন্য নিবেদিত প্রান ইকরামুল হক টিটুর কাছে চিকিৎসা কিংবা সন্তানের পড়ালেখা ও বিয়ের জন্য অর্থ সহায়তা দিয়ে থাকেন প্রতিনিয়ত। করোনা কালীন সময়ে ইকরামুল হক টিটু নগরীর প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন। নেতাকর্মীর আশা-ভরসারস্থল ইকরামুল হক টিটু ঘোষনা করেছেন প্রয়োজনে তিনি তাঁর সকল সম্পদ দিয়ে দেবেন দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগীতায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নগরীর ২০নং ওয়ার্ডের ভোটার বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আব্দুল মোতালেব বলেন,বিএনপির ঘাটি হিসেবে পরিচিত ময়মনসিংহ আওয়ামী রাজনীতি সুসংগঠিত করেছেন ইকরামুল হক টিটু ভাই।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন কে একটি দূর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলেছেন। এই শহরে কোন সন্ত্রাস নাই,কোন চাদাবাজ নাই , সিটি কর্পোরেশনে কোন দুর্নীতি নাই।করোনাকালীন সময়সহ বিভিন্ন দুর্যোগে তিনি নগরবাসীর ঘরে ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।। আমার যে বিষয়টা ভালো লাগে তিনি নেতা কর্মীদের বাসায় গিয়ে খোজ খবর নেন।
ইকরামুল হক টিটু ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৯৫ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। কলেজ থেকেই তার রাজনৈতিক জীবন শুরু। মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর চেতনায় উদ্দীপ্ত ইকরামুল হক টিটু বর্তমানে ময়মনসিংহ মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র। এছাড়া ২০১৮ সালে তিনি ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম প্রশাসক এবং ২০০৯-২০১৮ সাল পর্যন্ত বিলুপ্ত পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়াও ইকরামুল হক বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহের সিন্ডিকেট সদস্য, মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্সের সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত জীবনে মেয়র ইকরামুল হক টিটু অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে পর্যটন, পরিবহন, আবাসন, জুটমিলসহ, বিভিন্ন ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন।পেশাগত ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরেও বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছেন ইকরামুল হক টিটু । তিনি ময়মনসিংহে বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সভাপতি বা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার বড় ভাই মোঃ ইমদাদুল হক পেশায় একজন চিকিৎসক, মেজো ভাই আমিনুল হক শামীম (সিআইপি) ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, এফবিসিসিআই এর-সহ-সভাপতি এবং ময়মনসিংহ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু নগরীকে একটি দুর্ণীতিমুক্ত,আধুনিক, বসবাসযোগ্য, সবুজ নগরী বিনির্মাণের নিরীখে সড়ক, ড্রেন, সড়ক বাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ, নাগরিক সেবা বৃদ্ধি এবং বঙ্গবন্ধুর চেতনায় সমৃদ্ধ প্রজন্ম বিনির্মাণে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতে এই ধারা অব্যাহত রাখতে চান।
-

সুন্দরগঞ্জে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা লক্ষ্য করা গেছে।এবছর উপজেলায় কৃষকরা মাঠে মাঠে বিভিন্ন জাতের সরিষা চাষ করেছেন। সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ, সার, বীজ বিনামূল্যে যথাসময়ে বিতরণ করা ও উপজেলা কৃষি অফিসারদের তৎপরতায় এলাকার কৃষকদের পক্ষে আগাম জাতের সরিষা বপন করা সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে বারী- ১৪,১৭ ও বীনা ৪, ১১ জাতের সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এছাড়াও দেশী সরিষাও বেশ ভালো হয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে তেমন কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় এবং সরিষা চাষের পরিবেশ অনুকূলে থাকায় সরিষার বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করা যায়। গ্রামীণ জনপদের কৃষকরা এই সরিষা যথা সময়ে ঘরে তুলতে পারে। পাশাপাশি বিক্রয় মূল্য ভালো পেলে কৃষকেরা ইরি-বোরো ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠবেন বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা মনে করছেন।
কৃষি অফিস সুত্র জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় সরকারি লক্ষ্যমাত্রা -২৭০০ হেক্টর অতিক্রম করে ২৭৯৭ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ করা হয়েছে।
এনিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাশিদুল কবিরের সাথে কথা হলে তিনি জানান, সরিষা একটি লাভজনক ফসল।এটি চাষ করলে অন্য ফসল চাষে কোন প্রভাব পড়েনা। দিনদিন সরিষা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে।
এব্যাপারে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ খোরশেদ আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এবছর গাইবান্ধায় ১৭ হাজার ৫৭৪ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার হেক্টর বেশি হয়েছে। আশা করছি কৃষকেরা সন্তোষজনক ফল পাবে। সুন্দরগঞ্জেও এর ব্যত্যয় ঘটেনি। -

সাংবাদিক বাবুল হোসেন এর পিতার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী
পঞ্চগড় প্রতিনিধি ঃআজ থেকে তিন বছর আগে সাংবাদিক বাবুল হোসেনের পিতা আলহাজ্ব গুলজার রহমান দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার পুরাতন পঞ্চগড় নিজ বাড়িতে একুশে জানুয়ারি ২০২১ সালে ভোর ৬.৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন? মৃত্যুকালে ৬ সন্তান অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন তাই প্রতিবছরের নেয় তার গ্রহের মাপারাত কামানোর জন্য পুরাতন পঞ্চগড় বাড়িতে সকাল থেকে আল্লাহর বাণী মহাগ্রন্থ আল কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন। এ সময়ে আখেরি মোনাজাত করেন রাজনগর জামে মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মীর মুর্শিদ তুহিন.।
-

সুন্দরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল শিক্ষিকার মৃত্যু
মোঃ আনিসুর রহমান আগুন, গাইবান্ধা থেকেঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ব্যাটারি চালিত মিশু অটো ও মোটরবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে সাফিনাজ রোকসানা (৪৫) নামের এক শিক্ষিকার মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
বুধবার সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের পশ্চিম রামজীবন খংগুয়ার ব্রীজ নামক স্থানে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিনের মত বাড়ি থেকে স্কুলে যাচ্ছিলেন সাফিনাজ রোকসানা মিশু অটো যোগে। মিশু গাড়িটি পশ্চিম রামজীবন খংগুয়ার ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছিলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরবাইকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এসময় মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ঘটনাস্থলেই স্কুল শিক্ষিকা সাফিনাজ বেগমের মৃত্যু হয়।
নিহত শিক্ষিকা সাফিনাজ রোকসানা রামজীবন ইউনিয়নের বাজারপাড়া গ্রামের ফরিদ মিয়ার স্ত্রী। তিনি ধনিয়ারকুড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
সুন্দরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মাহবুব আলমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, এঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পরিবারকে লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
-

তানোর উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আস্থায় ময়না
আলিফ হোসেন,তানোরঃ
রাজশাহীর তানোরে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারো আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। জানা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। অথচ ক্ষমতাসীন দল থেকে
এখানো কোনো প্রার্থীর নাম শোনা যায়নি, মাঠেও কেউ নামেননি। ফলে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ময়নাকে সাম্ভব্য প্রার্থী ধরে নিয়ে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছে। এদিকে তানোরে সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্য সাক্ষাৎ, উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় সভার মাধ্যমে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেছেন। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের (ইউপি) বিভিন্ন এলাকায় তিনি প্রতিদিন নির্বাচন পরবর্তী সৌজন্যে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা করছেন। এসময় তার সঙ্গে থাকছেন গোদাগাড়ী উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল সরকার, বাধাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমানপ্রমুখ।
অন্যদিকে উপজেলা নির্বাচন ঘিরে এলাকায় সাধারণ ভোটারদের মধ্যে বোধদয় হয়েছে এটা স্থানীয় নির্বাচন ক্ষমতা পরিবর্তনের নির্বাচন নয়। কাজেই সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। যার জ্বলন্ত উদাহরণ রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।বিগত রাজশাহী সিটি নির্বাচনে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়ে বিএনপি প্রার্থীকে বিজয়ী করে কিভাবে উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছিল। রাজশাহীর মানুষ সেটা ভুলেনি। ফলে তানোর উপজেলার মানুষ উন্নয়নের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে কোনো ব্যক্তি নয়, সরকার সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় চাই।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মী-সমর্থকদের বোধদয় এটা দলের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং সাংসদ আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর প্রেষ্টিজ। তাই তারা এবার কারো কোনো মোহে বা প্ররোচনায় পড়ে সরকার সমর্থক প্রার্থীর বিপক্ষে ভোট প্রয়োগ করবেন না। তাদের অভিমত, ভুল থাকতে পারে প্রার্থী বা কোনো নেতাকর্মীর। কিন্তু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধি স্থানীয় সাংসদ কোনো ভুল করেননি। ফলে তাদের সম্মান রক্ষায় তাদের সমর্থিত প্রার্থীর বিজয় ব্যতিত বিকল্প নাই। কারণ তাদের সমর্থিত প্রার্থীর পরাজয় ঘটলে কেউ প্রার্থীর পরাজয়ের কথা বলবে না, বলবে দলের পরাজয় ঘটেছে, আর এটা আওয়ামী লীগের আদর্শিক কোনো নেতা বা কর্মী-সমর্থকের কাম্য হতে পারে না ? অপরদিকে তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বলছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা অভিমান বা মোহের বসে নৌকার বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল। তারা সেই ভুল অনুধাবন করে এখন অনুতপ্ত। এবার তারা শপথ নিয়েছে উপজেলা নির্বাচনে সরকার সমর্থিত প্রার্থীকে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী করে তারা তাদের সেই ভুল শোধরাতে চাই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না আদর্শিক, পরিক্ষিত, জন ও কর্মীবান্ধব নেতৃত্ব হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলের সমর্থিত প্রার্থী হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত। কারণ এখন পর্যন্ত তার বিপক্ষে প্রতিদন্দীতা করার মতো কারো নাম শোনা যায়নি। তার বিপক্ষে মনোনয়ন চাইবেন এমন সক্ষমতা সম্পন্ন কোনো নেতাও নাই।
প্রতিটি মানুষের স্বপ্ন থাকে, তবে স্বপ্নের পথে পা বাড়ালেই একের পর এক আসতে থাকে নানা প্রতিবন্ধকতা। যে ব্যক্তি এসব প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন তিনিই হন সফল। এমনই একজন সফল জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্ব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। যিনি রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই অনেক বাধা, বিপত্তি ও প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।তিনি রাজনীতিক নেতা হিসেবেও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বাস্তবায়নে তারই সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এলাকার উন্নয়নে ও গরীব অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন সর্বদায়। উপজেলা যুবলীগের সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করে দলকে সাংগঠনিকভাবে এগিয়ে নিতে নিরলস ভাবে শ্রম দিয়েছেন এখানে দিচ্ছেন। তিনি কলমা ইউনিয়নের (ইউপি) পরপর দু’বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান হিসবে দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন। তিনি এখানো উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আওয়ামী লীগের একজন কর্মী হিসাবে নিরলস ভাবে জনগণের সেবায় দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশের যে স্বপ্ন রয়েছে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য ময়না তাঁর পরিশ্রম, সাহস, ইচ্ছাশক্তি, একাগ্রতা আর প্রতিভার মধ্যমে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের সমন্বয়ে এলাকার উন্নয়ন কর্মকান্ড সঠিক ও সুচারুভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন। তাঁর সময়ে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে (ইউপি) সরকারের বরাদ্দকৃত টিআর, কাবিটা, কাবিখা ও কর্মসৃজন কর্মসূচিসহ প্রতিটি উন্নয়ন কাজ সঠিক ও সুন্দরভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবারো দলীয় মনোনয়ন পাবার দৌড়ে অন্যদের থেকে যোজন যোজন দুরুত্বে এগিয়ে রয়েছেন। দলীয় মনোনয়ন পেলে এবারো তার বিজয় প্রায় নিশ্চিত। আগামী নির্বাচনে আবারও বড় ব্যবধানে বিজয় নিশ্চিত করতে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এলাকায় তিনি একজন ক্রীড়ামোদী সাদা মনের, উদার মানসিকতা ও দানশীল মানুষ হিসেবে পরিচিত।স্থানীয় বাসিন্দাগণ বলেন, তারা নেতা বা চেয়ারম্যান বোঝেন না। ময়না ভাই একজন ভাল মানুষ, তিনি একজন কর্মঠ ব্যক্তি। তারা বলেন,ময়না ভাই রাজনৈতিক নেতা হিসেবে কতটা সফল বা ব্যর্থ তা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা হতেই পারে, তবে সংগঠন শক্তিশালী করতে তার যে অবদান সেটা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নাই। আবার
জনপ্রতিনিধি হিসেবে শতভাগ সফল এটা অস্বীকার বা এনিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ নাই। একটা সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয় ছিল অনিয়ম-দুর্নীতির আখড়া। কিন্ত্ত তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবার পর বদলে গেছে পুরো উপজেলা পরিষদের চিত্র। এখানো তাদের দু:খ-দুর্দশায় তাঁকে সহজেই পাশে পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে তিনি সমাজের সকল মতাদর্শের মানুষের কাছে একজন দক্ষ, পরিশ্রমী, মেধাবী জনপ্রতিনিধি ও সমাজসেবক হিসেবে পরিচিত। বিগত উপজেলা নির্বাচনে নির্বাচনী প্রচারণায় সময়ে সাধারণ মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করে একজন সফল ও জনপ্রিয় উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে সব শ্রেণী-পেশার মানুষের অন্তরে স্থান করে নিয়েছেন ময়না। এলাকার গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থেকে তিনি সব সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর
উপজেলার উন্নয়নে মহা- পরিকল্পনা গ্রহন করেন। স্থানীয় সাংসদের সার্বিক সহযোগিতায় গৃহীত পরিকল্পনার আলোকে তিনি একের পর এক উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন।
সামাজিক সচেতনতা এবং মানবিক সেবার অনন্য উদ্যোগ তাকে একজন মানবদরদী ও মহতী মানুষের উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেছেন জনগণ। তিনি এলাকার দরিদ্র জনগোষ্টির উন্নয়নে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তিনি উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার উন্নয়ন, কালভাট, ব্রীজ স্কুল,মাদ্রাসা,কবরস্থান, মসজিদ ,ঈদগা মাঠ সংস্কার করেছেন। অসহায় গরীব দু:খী মানুষের মাঝে বয়স্কভাতা, বিধবাভাতা, প্রতিবন্ধীভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা ইত্যাদি বিতরণ কার্যক্রম দেখভাল করেছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছেন।অন্যদিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) গ্রাম আদালত কার্যক্রম তিনি নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেছেন। এছাড়াও তিনি নির্বাচিত হওয়ার পর নিয়মিত অফিস করছেন এবং স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রতিটি উন্নয়নমূলক কাজ দক্ষতার সঙ্গে সম্পন্ন করেছেন। আগামী দিনে তিনি তার সততা ও কর্মদক্ষতা কাজে লাগিয়ে উপজেলা বাসীকে সেবা দিয়ে উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলবেন। -

পাইকগাছায় কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ
পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ॥
পাইকগাছায় কৃষকদের মাঝে সার বিতরণ করা হয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাওসেড এর বাস্তবায়নে এবং দাতা সংস্থা ব্রেড ফর দ্যা ওয়ার্ল্ড এর অর্থায়নে অল্টার প্রকল্প ফেজ-২ এর আওতায় মঙ্গলবার সকালে উপজেলার প্রকল্পের আওতাধীন এলাকার ১শ জন বাজারমুখী কৃষি পন্য উৎপাদনকারী কৃষকদের মাঝে এ সার বিতরণ করা হয়। বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার সরাজ উদ্দীন, আফজাল হোসেন, প্রধান শিক্ষক ফজর আলী খান, প্রকল্পের কমিউনিটি ডেভলপমেন্ট অফিসার মিলন মিয়া, ফিল্ড অফিসার মানিক লাল বসু, কমিউনিটি মবিলাইজার (কৃষি) শাকিব শেখ, কমিউনিটি মবিলাইজার নাসরিন নাহার ও সুপ্রিয়া মন্ডল।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষয়ক্ষতির শিকার কৃষকদের সক্ষমতা অর্জনের লক্ষ্যে এবং ফসল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অল্টার প্রকল্প দীর্ঘদিন অত্র উপজেলায় কাজ করছে। প্রতি মৌসুমে অ্যাওসেড প্রকল্প সংশ্লিষ্ট গ্রাম সমূহের কৃষকদের মাঝে উন্নত বীজ, সার, প্রকল্পের কৃষকদের মাধ্যমে উন্নত কেচোঁ সার বা ভার্মি কম্পোস্ট প্লান্ট স্থাপন করে থাকে। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে জৈব সার ব্যবহার বাড়ানোর জন্য অল্টার প্রকল্পের সহায়তা প্রতিবছর বৃদ্ধি হচ্ছে। অ্যাওসেডের অল্টার প্রকল্প থেকে সমুদ্রগামী জেলেদের নিরাপত্তা সামগ্রী, জেলে সম্প্রদায়ের নারীদের জাল বুননের অর্থ, বাঁশ বেতের পন্য তৈরীকারী প্রান্তিক ঋষি সমাজের মানুষদের বীজ অর্থ এবং নারীদের জন্য সবজি বীজ, সার বিতরণ করে।ইমদাদুল হক
পাইকগাছা, খুলনা। -

কৃষি জমির শতভাগ সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে… এমপি রশীদুজ্জামান
ইমদাদুল হক ,পাইকগাছা (খুলনা) ॥
খুলনা-৬ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান বলেন, তরুণ প্রজন্মরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। কিন্তু দুঃখের বিষয় বর্তমান সময়ে অধিকাংশ তরুণরা মোবাইল, মাদক এবং জুয়া’য় আসক্ত হয়ে পড়ছে। এটি ভবিষ্যতের জন্য অশনি সংকেত। সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য তরুণ প্রজন্মকে এসব আসক্তি থেকে রক্ষা করতে হবে। এমপি রশীদুজ্জামান বলেন, নদী হচ্ছে আমাদের প্রাচীনতম সভ্যতা, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিপর্যায়ের ফলে বেশির ভাগ নদ-নদী আজ মৃত প্রায়। প্রাকৃতিক উপায়ে এ সকল নদ-নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে হবে। তিনি বলেন, লবণ অধ্যুষিত এলাকায় শুধু মাছ চাষের উপর নির্ভর না করে আমাদের পরিবেশ বান্ধব বহুমুখী ফসল উৎপাদন, কৃষি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, মাছের সাথে ধান, সবজি ও সরিষা সহ অন্যান্য উৎপাদন করতে হবে। আমাদের কৃষি জমির শতভাগ সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। সারা বছর যাতে জমিতে ফসল থাকে সেই উদ্যোগ নিতে হবে। এ জন্য তিনি কৃষি ও মৎস্য বিভাগ এবং এলাকার কৃষক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি মঙ্গলবার সকালে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও মাসিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আল-আমিন ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টুর সভাপতিত্বে পৃথক সভায় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আরিফুজ্জামান, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান লিপিকা ঢালী, থানার সেকেন্ড অফিসার মোশাররফ হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, কওছার আলী জোয়ার্দ্দার, রিপন কুমার মন্ডল, কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন, আবু জাফর সিদ্দিকী রাজু, কাজল কান্তি বিশ^াস, আব্দুল মান্নান গাজী, শাহজাদা মোঃ আবু ইলিয়াস, শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া, জিএম আব্দুস সালাম কেরু, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, কাউন্সিলর এসএম তৈয়েবুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ বিষ্ণুপদ বিশ^াস, কৃষি অফিসার অসীম কুমার দাশ, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহজাহান আলী শেখ, শিক্ষা অফিসার বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, প্রকৌশলী শাফিন সোয়েব, মেডিকেল অফিসার ইব্রাহীম, সমাজসেবা কর্মকর্তা অনাথ কুমার বিশ^াস, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা রেশমা আক্তার, সমবায় কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, খাদ্য নিয়ন্ত্রক হাসিবুর রহমান, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল-মামুন, পরিসংখ্যান কর্মকর্তা কবিরুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ দে, দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা বিপ্লব কান্তি বৈদ্য, বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রাজিবুল হাসান, আনসার ও ভিডিপি প্রশিক্ষক আলতাপ হোসেন, পল্লী স য় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক জয়ন্ত কুমার ঘোষ, সহকারী প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী আকরাম হোসেন, রাজু হাওলাদার, প্রাক্তন অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ সরকার, প্রভাষক মোমিন উদ্দীন, শিক্ষক প্রদীপ শীল, জেলা আওয়ামী লীগনেতা শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি তৃপ্তি রঞ্জন সেন ও মোঃ আব্দুল আজিজ। সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামানকে অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়া সভায় উন্নয়ন ও আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।