Blog

  • কালকিনিতে তররুন উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান প্রার্থী নুরুজ্জামা‌নের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    কালকিনিতে তররুন উপ‌জেলা চেয়ারম‌্যান প্রার্থী নুরুজ্জামা‌নের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মোঃ মিজানুর রহমান,হাকিম,বিশেষ প্রতিনিধি।

    মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার পুর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়নের আমেরিকা প্রবাসী নুরুজ্জামান সরদারের পক্ষ থেকে আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    শুক্রবার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েত নগর সমিতির হাট আবা খালেক মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ প্রাঙ্গণে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    এ সময় সমিতির হাট আবা খালেক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল করিম খান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ও আসন্ন কালকিনি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুজ্জামান সরদার।

    আরো উপস্থিত ছিলেন কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আবু তাহের হাওলাদার, পুর্ব এনায়েত নগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন বিশ্বাস,নাগেরপাড়া বাজার নুরানী হাফেজিয়া মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মজিবুর রহমান,আওয়ামী লীগ নেতা বাদল তালুকদারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে নুরুজ্জামান সরদার বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে ছিলাম আমি প্রবাসে থাকাবস্থায়ও অসহায় মানুষের সাহায্য করার চেষ্টা করেছি। আমি এখনও আপনাদের পাশে আছি, আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই আমি যেন সারা জীবন আপনাদের পাশে থেকে কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করতে পারি। আসন্ন কালকিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন তাহলে আমি আপনাদের উপজেলাকে একটি মডেল উপজেলায় হিসেবে উপহার দিব এবং আমি আপনাদের সেবা করার সুযোগ পাবো ।

  • বরগুনা স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলন, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বজলুর রহমানকে সম্মাননা

    বরগুনা স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলন, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ বজলুর রহমানকে সম্মাননা

    খাইরুল ইসলাম মুন্না বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি

    ৪০ বছরেরও বেশি সময় বরগুনার মাঠে বিনা পারিশ্রমিকে শিশু কিশোরদের ফুটবল প্রশিক্ষণ দিয়ে যাওয়া জেলার বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী কাজে এগিয়ে থাকা ওস্তাদ খ্যাত বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও স্বেচ্ছাসেবক মীর বজলুর রহমানকে জ্যেষ্ঠ স্বেচ্ছাসেবক সন্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

    গতকাল বরগুনা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছাসেবক সম্মেলনে এ সন্মাননা পুরষ্কার তুলে দেয়া হয়।

    প্রথমবারের মতো বরগুনার বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের তিন শতাধিক স্বেচ্ছাসেবককে নিয়ে আয়োজিত এ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম।

    বরগুনা জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক তারিক বিন আনসারি সুমনের সঞ্চালনায় ও জাগোনারীর সভাপতি সেলিনা আক্তারের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী আয়োজনের প্রথম পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বরগুনা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ড. মতিউর রহমান, পৌর মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

    দ্বিতীয় পর্বে প্রধান হিসেবে উপস্থিত হয়ে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য প্রভাষক ফারজানা সুমি তার বক্তব্য বলেন, ভলান্টিয়ার পুল গঠন একটি ভালো কাজ হয়েছে। এই পুল দুর্যোগ তথা যে কোন জরুরী প্রয়োজনে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং তিনি আন্তরিকতার সাথে সহযোগিতার কথা বলেন।

    দুর্যোগ প্রবল উপকূলীয় জেলা বরগুনায় স্বেচ্ছাসেবকদের তালিকা গঠন, প্রশিক্ষণ, উপকরণ উপহার সহ স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম সম্প্রসারন ও সমন্বয়ের জন্য অক্সফামের সহোযোগিতায় স্থানীয় উন্নয়ন সংস্থা জাগোনারী এ আয়োজন করে।

  • বানারীপাড়ায় শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক।। শিক্ষক অনুপ রায়কে শোকজ

    বানারীপাড়ায় শিক্ষার্থীকে বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক।। শিক্ষক অনুপ রায়কে শোকজ

    এস মিজানুল ইসলাম, বিশেষ সংবাদদাতা: বানারীপাড়া ডিগ্রী কলেজের অভিযুক্ত শিক্ষক অনুপ রায়কে শোকজ করেছেন কলেজ অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম। বৃহস্পতিবার ২৮ মার্চ শোকজ নোটিসে তার বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা কেন নেয়া হবেনা তার যথাযথ কারণ দর্শানোর জন্য আগামী ৭ কার্য দিবসের মধ্যে লিখিত ভাবে জানানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

    সম্প্রতি বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক অনুপ রায় একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভজিৎ বড়ালকে বেধরক চড় থাপ্পড় দিয়ে কানের সুক্ষ্ম পর্দা ফাটিয়ে দেয়। এমন অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় অভিযুক্ত শিক্ষক অনুপ ও শিক্ষার্থী শুভজিৎ এর সাথে আলাপকালে। এমন অমানবিক নির্যাতনের ঘটনাটি গত ২১ মার্চ বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজে ঘটেছে বলে জানায়। ওই কলেজর একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শুভজিৎ। তাৎক্ষনিক এ ঘটনার বিচার চাইতে গেলে শিক্ষার্থীর বাবা মাছ বিক্রেতা নিরঞ্জন বড়ালের সাথেও খারাপ আচরণ করে তাদের তাড়িয়ে দেয়া হয়। এমন অবস্থায় কোনো উপায় না দেখে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখত অভিযোগ দেন শিক্ষার্থীর পরিবার। এরপরই বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে বিভিন্ন মহলে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এতেই শুরু হয় অভিযুক্ত শিক্ষক অনুপের দৌড়ঝাঁপ। এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক অনুপের বিরুদ্ধে একাধিকবার বিভিন্ন সময়ে ছাত্র ছাত্রীদের সাথে মারধর হাতাহাতির অভিযোগ রয়েছে।

    সম্প্রতি ওই কলেজের এক ছাত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করায় তখনও শিক্ষক অনুপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন। সে সময়ে উপায়ান্ত না পেয়ে ছাত্রীর মায়ের হাত পা ধরে ক্ষমা চাইলে সে যাত্রায় পার পেয়ে যায় অনুপ। এ ব্যাপারে বানারীপাড়া ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ আফরোজা বেগম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। তিন শিক্ষার্থী শুভজিৎ এর পিতাকে কলেজে আসতে বলা হয়েছে এছাড়াও কলেজ থেকে তাকে কল দেয়া হয়েছিল। অভিযোগ প্রমান হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।#

  • রাঙ্গাবালীতে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪

    রাঙ্গাবালীতে জমি নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৪

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী :
    জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের চিনাবুনীয়া (টিলা) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে জলিল চৌকিদার ও খলিল চৌকিদার এর সঙ্গে প্রতিবেশী হানিফ গাজীর বিরোধ চলছিল। প্রভাবশালী হানিফ গাজী জোরপূর্বভাবে বৃহস্পতিবার জমিতে মাছের ঘের করার জন্য ভেকু নিয়ে যায়। খবর পেয়ে জলিল চৌকিদার এসে মাটি কাটতে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের লোকজন কথা-কাটাকাটি করে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ায়। এক পর্যায় সংঘর্ষ বাঁধে। এতে জলিল সহ চারজন আহত হয়।

    আহাত জলিল চৌকিদার বলেন, হানিফ গাজী খুব প্রভাবশালী লোক, তিনি দীর্ঘদিন ধরেই আমার এ জমির পিছনে লেগেছেন তার কোন কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও সে জোর করে আমাদের জমি ভোগ করতে চায় । সে আমার জমিতে মাছের ঘের করতে আসে আমি তাকে বাধাদিলে হানিফ গাজী ও তার লোকজন আমাকে বেধর পেটাই । আমার ডাকছিৎকার শুনে পরিবারের লোক ছুটে আসলে তাদেরকেও এলো পাতালী ভাবে লাঠিসোটা ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এতে আমার মা বউ ভাই সহ আমরা চারজন গুরুতর আহত হই । আমি এর সঠিক বিচার চাই ।

    এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, সংঘর্ষের বিষয়টি জেনেছি। এক পক্ষ থানায় এসেছিল। আহতদের চিকিৎসার জন্য গলাচিপা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখনো কেউ কোন অভিযোগ কিংবা মামলা করেনি । এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বেনাপোলে পাচারকারীর পায়ূপথে পাওয়া গেল ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণেরবার, পাচারকারী আটক

    বেনাপোলে পাচারকারীর পায়ূপথে পাওয়া গেল ৭০ লাখ টাকার স্বর্ণেরবার, পাচারকারী আটক

    আজিজুল ইসলামঃ
    যশোরের বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী সীমান্ত দিয়ে ভারতে পাচারের সময় পাচারকারী মনোরউদ্দিনের পায়ূপথে পাওয়া গেল ৬টি স্বর্নেরবার। এ সময় পাচারকারীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। আটক পাচারকারী মনোরউদ্দিন বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের কদর আলীর ছেলে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) রাত সাড়ে দশটার দিকে স্থানীয় মসজিদবাড়ী বিজিবি চেকপোষ্টের সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা।

    বিজিবি জানান,গোপন একটি তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারি আজ রাত সাড়ে ১০ টার দিকে পাচারকারীরা স্বর্ণের একটি চালান ভারতে পাচার করবে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পুটখালী ক্যাম্পের কমান্ডার সুবেদার মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে সীমান্তের মেইন পিলার ১৭ এর ৭ এস এর ১৬৮ আর পিলার হতে ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মসজিদবাড়ি বিজিবি চেকপোষ্ট এলাকায় গোপন অবস্থানে থাকে। ওই স্বর্ন পাচারকারী একটি ইজিবাইকে করে স্বর্ণের চালানটি ভারতে পাচার উদ্দেশে সীমান্তের দিকে যাচ্ছিল তখন মনোরউদ্দিনকে সন্দেহজনকভাবে আটক করা হয়। প্রথমে তার শরীর তল্লাশি করে কোন স্বর্ন পাওয়া যায়নি। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে তার পায়ূপথে স্বর্ণেরবারগুলো রয়েছে। এ সময় তাকে আটক করে বেনাপোল বাজারে রজনী ক্লিনিকে শরীর স্ক্যানিং করে পায়ূপথে ৬ পিস স্বর্ণের বারের অস্তিত্ব পাওয়া যায় এবং তা উদ্ধার করা হয়। যার ওজন ৭০০ গ্রাম। এবং সিজার মূল্য আনুমানিক ৭০ লক্ষ টাকা।

    খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল খুরশিদ আনোয়ার স্বর্নসহ একজন পাচারকারী আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, উদ্ধারকৃত স্বর্ণের চালানটি যশোর ট্রেজারিতে এবং আসামীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

  • মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

    এস এম সাইফুল ইসলাম কবির বিশেষ প্রতিনিধি:
    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৮মার্চ) সন্ধ্যায় আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অতিথি হিসেবে ছিলেন ,বিশিষ্ট কলামিস্ট উপজেলা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সরকারী এস এম কলেজের প্রভাষক এইচ এম জসিম উদ্দিন হাওলাদার, অনুষ্ঠানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আবু সালেহ ,এছাড়াও অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন,এইচ এম শহিদুল ইসলাম,শামিম আহসান মল্লিক, এস এম সাইফুল ইসলাম কবির. কে এম শহিদুল ইসলাম,শীব সজল জীশু ঢালী,রমিজ উদ্দিন, এখলাস শেখ, রফিকুল ইসলাম, মোঃনাজমুল,ছগির হোসেন. বাবলু সহ উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিকবৃন্দ।মাহফিলে মাওলানা আব্দুল হাই এর মোনাজাতে দেশবাসীর কল্যাণ কামনাসহ মোরেলগঞ্জের বিদেহী সকল সাংবাদিকদের আত্মার মাগফেরাতে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয় ।

  • ২১নং ওয়ার্ডকে মশক নিধন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এলাকা গড়তে কাউন্সিলরের  অভিযান

    ২১নং ওয়ার্ডকে মশক নিধন ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এলাকা গড়তে কাউন্সিলরের অভিযান

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ২১ নং ওয়ার্ডের নবনির্বাচিত কাউন্সিলর তরুণ মেধবী রাজনীতিবিদ ইশতিয়াক আহমেদ ইফতুর উদ্যোগে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মশক নিধন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। ডেঙ্গুমুক্ত ওয়ার্ড গড়তে অভিযানকে আরো বেগবান করতে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকনগুনিয়াসহ নানা প্রকার সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের উদ্দেশ্যে মশার প্রজনন স্থান চিহ্নিত করে ধ্বংস করা, জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন তিনি।
    এই লক্ষ্যে এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন সমিতিকে সমন্বয় করে সমিতির সকল সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কাউন্সিলর এলাকার সকল রাস্তাঘাট, সুয়ারেজ লাইন, বহুতল ভবনের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা, আবদ্ধ জলাশয় এবং মশার প্রজনন ক্ষেত্র চিহ্নিত করে তা ধ্বংস করার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন এবং সমাজের সকল সম্মানিত নাগরিকদের এই কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের আহবান জানান। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগামী ১ মাসের মধ্যেই ২১নং ওয়ার্ডকে পরিচ্ছন্ন এবং মশামুক্ত এলাকায় পরিনত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন কাউন্সিলর ইফতু।
    এই মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান কার্যক্রম অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানোর পূর্ব পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন কাউন্সিলর ইশতিয়াক আহমেদ ইফতু। সেই সাথে আগামী দিনে ২১নং ওয়ার্ডকে একটি উন্নত ও পরিস্কার পরিচ্ছন্ন এলাকা হিসাবে গড়তেও সকলের সহযোগীতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

  • সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারকে বিদায় সংবর্ধনা

    সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারকে বিদায় সংবর্ধনা

    এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ পাবনার সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুখময় সরকারকে পদোন্নতিজনিত কারনে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পরিষদ ও অফিসার্স ক্লাবের আয়োজনে উপজেলা অডিটরিয়ামে বৃহস্পতিবার এই বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীনের সভাপতিত্বে ও অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মনোয়ার হোসেনের স ালনায় বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার, থানা অফিসার ইনচার্জ জালাল উদ্দিন, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ রাফিউল ইসলাম, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার জিল্লুর রহমান,উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা,উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা নাজমুল হাসান, দুলাই ইউপি চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম শাহজাহান,এন এ কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান জর্জ,দৈনিক যুগান্তরের উপজেলা প্রতিনিধি এম এ আলিম রিপন,ভাঁয়না ইউপি সচিব আব্দুস সামাদ প্রমুখ । বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ইউএনও সুখময় সরকার সুজানগর উপজেলায় বিগত প্রায় ৪ মাস সময়কালে সরকারের নির্দেশনা পালনে ছিলেন একজন নিষ্ঠাবান ও কর্তব্যপরায়ণ। তিনি শুধু জনপ্রতিনিধি নন, সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে আন্তরিকভাবে সুন্দর আচারণ করতেন। যে কেউ তার এই উদারতায় তাকে শ্রদ্ধা করতেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি একজন সজ্জন,পরোপকারি ব্যক্তি হিসেবে অল্প সময়ে পেয়েছেন পরিচিতি। বিদায়ী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকার বলেন,আমার কর্মজীবনে সেরা স য় হিসেবে পেয়েছি এই উপজেলার মানুষের ভালবাসা। সুজানগর উপজেলার মানুষ খুবই আন্তরিক। ফলে উপজেলায় কর্মরত অবস্থায় সহকর্মী, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ সকলকে নিয়ে সুন্দরভাবে কাজ কাজ করতে পেরেছি। কতুটুকু পেরেছি বলতে পারব না,তবে চেষ্টা করেছি। দায়িত্ব পালনকালে সবাই যেভাবে সহযোগিতা করেছেন ,সে কারণে সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ বলে উল্লেখ করেন। বিদায় অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তাবৃন্দ, ভাঁয়না ইউপি চেয়ারম্যান আমিন উদ্দিন,তাঁতীবন্দ ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মৃধা, রাণীনগর ইউপি চেয়ারম্যান জিএম তৌফিকুল আলম পিযুষ,মানিকহাট ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম, সাতবাড়ীয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন, সাগরকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান শাহীন চৌধুরীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শেষাংশে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন,উপজেলা অফিসার্র্সক্লাব, সুজানগর প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে মোহাম্মদ আলী মাস্টার ও এম এ আলিম রিপন, সকল ইউপি চেয়ারম্যান ও সচিবদের পক্ষ থেকে এবং সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুখময় সরকারকে বিদায় জানান। এর আগে উপজেলার মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষ থেকে তাকে বিদায় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।উল্লেখ্য নেত্রকোনা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদোন্নতি পেয়েছেন সুজানগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুখময় সরকার ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান

    লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযান

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি
    লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় বিএসটিআই এর মোবাইল কোর্ট অভিযানে ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এবং পাটগ্রাম উপজেলা প্রশাসন এর যৌথ উদ্যোগে ২৮.০৩.২০২৪ ইং তারিখে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় একটি মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত হয়।

    উক্ত অভিযানে লাচ্ছা সেমাই পণ্যের মোড়ক নিবন্ধন সনদ গ্রহণ না করায় মেসার্স নুরানী বেকারি, কলেজ মোড়, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট এবং মেসার্স মদিনা বেকারি, পাটগ্রাম বাজার, পাটগ্রাম, লালমনিরহাটকে ২৪(১)/৪১ ধারা অনুযায়ী যথাক্রমে ১০,০০০/- ও ৫০০০/- টাকা করে মোট ১৫,০০০/- টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করেন মোঃ আব্দুল ওয়াজেদ, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পাটগ্রাম, লালমনিরহাট। প্রসিকিউটর হিসেবে ছিলেন জনাব মারুফা বেগম, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রকৌঃ প্রান্তজিত সরকার পরিদর্শক (মেট্রোলজি)।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • নড়াইলে দুইজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    নড়াইলে দুইজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    মাদক মামলায় তিনবছর কারাদণ্ড ও পাচ হাজার টাকা জরিমানাপ্রাপ্ত আসামি এনায়েত সরদার (৪২) কে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, বুধবার (২৭ মার্চ) গ্রেফতারকৃত আসামি এনায়েত সরদার (৪২) নড়াইল সদর থানাধীন বাগডাঙ্গা গ্রামের মৃত ইমান আলী সরদারের ছেলে। তিনি পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানার ধলগ্রামে বসবাস করতো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাব্বিরুল আলম এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) অপু মিত্র ও এএসআই (নিঃ) সোহেল রানা সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে যশোর জেলার বাঘারপাড়া থানাধীন ধলগ্রাম বাজার হতে তাকে গ্রেফতার করে।
    অপরদিকে একবছর কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ইলিয়াস শেখ নামের একজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে কালিয়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত ইলিয়াস শেখ নড়াইল জেলার কালিয়া থানাধীন মাধবপাশা গ্রামের সুলতান শেখের ছেলে। তার নামে কালিয়া থানায় দুইটি গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। বিশ্বস্ত তথ্যের ভিত্তিতে কালিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শামীম উদ্দিন এর তত্ত্বাবধানে এএসআই (নিঃ) নাজির সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। আসামিদেরকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান’র সার্বিক দিকনির্দেশনায় ওয়ারেন্ট তামিলে জেলা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে।