Blog

  • সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ ৮ জন ডাকাতকে গ্রেফতার

    সাভারে ডিবি পুলিশের অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রসহ ৮ জন ডাকাতকে গ্রেফতার

    হেলাল শেখঃ ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি (উত্তর) অভিযান চালিয়ে ৮জন ডাকাতকে গ্রেফতার করেছেন।

    ডিবি পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার,জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান-পিপিএম (বার) মহোদয়ের নির্দেশনায়, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিবি, জনাব মোবাশ্শিরা হাবীব খান, পিপিএম-সেবা মহোদয়ের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জনাব মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব), অফিসার ইনচার্জ, ডিবি (উত্তর), ঢাকা এর নেতৃত্বে এসআই নিঃ শুভ মন্ডল এবং এসআই নিঃ আনোয়ার হোসেনের একটি টিম সাভার থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন, সাভার থানাধীন ব্যাংক কলোনী এলাকার সাভার মডেল মসজিদ সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজের সামনে হইতে গত ১৯/০৪/২৪ইং তারিখ ১টা ৫০ ঘটিকার দিকে আসামী ১। মোঃ রতন (৩৫), পিতা-লাল মিয়া সাং-বাগজান, থানা-মানিকগঞ্জ সদর, জেলা-মানিকগঞ্জ, এ/পি সাং- দিলকুশাবাগ, মোঃ জামাল মিয়ার বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা, ২। মোঃ রানা মিয়া (৪০), পিতা-দুলাল মিয়া, সাং-চেংটাপাড়া, থানা-ভুঞাপুর, জেলা-টাঙ্গাইল, এ/পি সাং-ভাসমান, ৩। মোঃ মিলন (১৯), পিতা-আলামিন, সাং-মাঝিয়ালী, থানা-তারাকান্দা, জেলা-ময়মনসিংহ, এ/পি সাং-ব্যাংক কলোনী, সম্রাট কমিশনারের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা, ৪। মোঃ মুরাদ (২৮), পিতা-মৃত শুকুর আলী, সাং-নিশ্চিন্তপুর, থানা-ঠাকুরগাঁও সদর, জেলা-ঠাকুরগাঁও, এ/পি সাং-মিতুলের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার মডেল, জেলা Ñ ঢাকা, ৫। মোঃ আরিফুল ইসলাম (৩১), পিতা-মৃত শুকুর আলী, সাং-নিশ্চিন্তপুর, থানা-ঠাকুরগাঁও সদর, জেলা-ঠাকুরগাঁও, এ/পি সাং-মিতুলের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার মডেল, জেলা Ñ ঢাকা, ৬। মোঃ আব্দুল আলীম (৩৬), পিতা-শওকত আলী, সাং-ছোট বলিমেহের, মজিদপুর, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা, ৭। মোঃ মানিক (৩৫), পিতা-মৃত জলিল,সাং-ভাড়াইদা বাজার, থানা-মানিকগঞ্জ সদর, জেলা-মানিকগঞ্জ, এ/পি সাং-ডগরমোড়া তুহিনের বাড়ীর ভাড়াটিয়া, থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকা, ৮। মোঃ রনি (৩০), পিতা-মৃত শফিউল্লাহ, সাং-বনপুকুর, (ভাসমান), থানা-সাভার মডেল, জেলা-ঢাকাদের গ্রেফতাট করেন।

    গ্রেফতারকৃতদের নিকট হইতে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ০৪ টি চাপাতি, ০১টি সুইচ গিয়ার, ০১টি দা, ০১টি লোহার পাইপ, ০১টি কাঠের স্ট্যাম্প উদ্ধার করেন। তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তাহারা দীর্ঘদিন যাবত সাভার, আশুলিয়াসহ আশপাশ এলাকায় ছিনতাই এবং ডাকাতি করিয়া আসছিল। সিডিএমএস পর্যালোচনায় দেখা যায়, আসামীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

    ঢাকা জেলা উত্তর ডিবি’র অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ (বিপ্লব) জানান, উক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে ইনশাআল্লাহ।

  • দক্ষিণ চাটরা সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা উপলক্ষে ধর্মসভা ও  সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে,সংসদ সদস্য

    দক্ষিণ চাটরা সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা উপলক্ষে ধর্মসভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে,সংসদ সদস্য

    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    পটিয়ার ছনহরা ইউনিয়নের দক্ষিণ চাটরা গ্রামে সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা উপলক্ষে এক মহতী ধর্মসভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ও সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট গ্রহণ করেন চট্টগ্রাম-১২ পটিয়া সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী এমপি।
    দক্ষিণ চাটরা রমেশ-ফণীন্দ্র স্মৃতি পাঠাগারের সভাপতি ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক হাউজিং সোসাইটির (নির্বাচিত) চেয়ারম্যান সাংবাদিক স্বপন মল্লিক’র সভাপতিত্বে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র মোঃ আইয়ুব বাবুল, চ্যানেল আই’র বিভাগীয় প্রধান, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী, মহান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক হারুনুর রশিদ, প্রধান ধর্মীয় বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ধর্মীয় আলোচক অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী, ধর্মীয় হিসেবে বক্তব্য রাখবেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সহ সভাপতি এডভোকেট রণজিত কুমার মিত্র, বীরমুক্তিযোদ্ধা এমএ খালেক ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের যুুগ্ন সম্পাদক দিদারুল আলম দিদার,
    দৈনিক নিউজ চাটগাঁ পত্রিকার সম্পাদক হারাধন চৌধুরী, ৪নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হেলাল উদ্দিন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য নাছির উদ্দিন, টিভি জানালিস্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাশ।
    প্রানেশ দাশ এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন কালী মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি রতন মল্লিক বাসন্তী পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুমন ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক রূপক মল্লিক, শ্রীকৃষ্ণ অর্জুন গীতা শিক্ষা নিকেতন কমিটির সভাপতি টিপু মল্লিক,সাধারণ সম্পাদক প্রণব ঘোষ, পুলক মল্লিক,রুবেল মল্লিক, টিটো মল্লিক,বাসু মল্লিক,বসন্ত ঘোষ, রিটন ঘোষসহ অতিথিবৃন্দ।
    সাংবাদিক ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বক্তব্যে বলেন , বাংলাদেশ অসম্প্রদায়িক দেশ। এখানে প্রত্যেক ধর্মের লোকজন স্ব স্ব অবস্থান থেকে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে পালন করতে পারছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা সুন্দরভাবে প্রত্যেকটি উৎসব সম্পন্ন করছি। পটিয়া পৌরসভার মেয়র মোঃ আইয়ুব বাবুল বলেন, ধর্ম আমাদের নীতি নৈতিকতার শিক্ষা দেয়,নীতিবান মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে পারলে সুন্দর সমাজ গঠন সম্ভব হবে।
    অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্ত্তী বলেন, বসন্তকালে বাসন্তী রূপে দেবী দুর্গা মর্তে আগমন করেন। তিনি শক্তির প্রতীক। যেখানে অন্যায়, অবিচার সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তোলার এক অনন্য উদাহরণ দেবী দুর্গা। তিনি নারী শক্তির প্রতীক।
    রণজিত কুমার মিত্র বলেন, নারীদের প্রতি সম্মান শ্রদ্ধা করতে হবে। একমাত্র ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা মানবিক, নৈতিক, আচার, শ্রদ্ধা ও ভক্তি এসব গুণাবলির অর্জিত জ্ঞান গ্রহণ করতে পারি।
    সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক স্বপন মল্লিক বলেন, ‘জীবে সেবা করে যেজন সেজন সেবিছে ঈশ্বর’ মানব কল্যাণে মানুষের সুখ দুঃখে পাশে দাঁড়িয়ে ধর্মের নিদেশনা মেনে চলতে হবে। প্রত্যেকটি ধাপে ধর্মীয় রীতি সমূহ আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে শিখিয়ে যেতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষা যেমন, গীতা, মহাভারত ও রামায়ণ এসব ধর্মগ্রন্থ থেকে শিক্ষামূলক অংশ প্রচার করার মাধ্যমে সুন্দর হানিহীন অহিংস সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
    প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন অধ্যাপক স্বদেশ চক্রবর্তী ও এডভোকেট রনজিত মিত্র।

  • বরগুনা সদর  উপজেলায়  রূপান্তর আস্থা প্রকল্পের  ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    বরগুনা সদর উপজেলায় রূপান্তর আস্থা প্রকল্পের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত

    খাইরুল ইসলাম মুন্না

    অদ্য ১৮ ০৪. ২০২৪ ইং তারিখ রোজ বৃহসপতিবার বিকার ৩.০০ ঘটিকার সময় বরগুনা সদর উপজেলার হল রুমে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে আস্থা প্রকল্পের আওতায বরগুনা সদর উপজেলা যুব ফোরামের অভিজ্ঞতা বিনিময় বিষয়ক ত্রৈমাসিক সভা এবং শান্তি ও সহনশীলতা প্রচারের জন্য সমন্বিত পদক্ষেপ নিশ্চিত করতে নাগরিক প্লাটফর্মের সাথে যুবদের তথ্য বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন যুব ফোরামের আহবাযক মো: ইমরান হোসেন । সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ শামীম মিযা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরগুনা সদর । বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা নাগরিক প্লাটফর্মের যুগ্ম আহবায়ক জনাব এ্যাড : সঞ্জীব দাস, মাহাফুজা বেগম, সদস্য জাকির হোসেন মিরাজ, মনির হোসেন কামাল ও মাহবুবুর রহমান অভি। সভায় সহায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রুপান্তর আস্থা প্রকল্পের বরগুনা জেলা সমন্বয়কারী মোঃ খলিলুর রহমান। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রুপান্তর আস্থা প্রকল্পের বরগুনা জেলা মাঠ সমন্বয়কারী কোহিনুর বেগম। সভায অংশগ্রহণকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরগুনা উপজেলা যুব ফোরামের ৩০ জন যুব সদস্য। সভায় মাঠ পর্যায়ে শান্তি ও সহনশীলতা প্রতিষ্ঠায যুব সদস্যদের নেতৃত্বে যে উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সে বিষয়ে দিক নির্দেশনা দেয়া হয়। প্রকল্পটি জাতীয় যুব নীতি ২০১৭ এর আলোকে তৃণমূল পর্যায়ের বিভিন্ন প্রান্তিক যুবদের সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে সক্রিয় নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা এবং সহনশীল ও অহিংস সমাজ গঠনে যুবদের উদ্বুদ্ধ করবে। আস্থা প্রকল্পের এই কার্যক্রমটি এসডিজির ১৭টি গোলের মধ্যে ধারা ৫, ১০, ১৬ ও ১৭ এর সাথে সম্পর্কিত। দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় যুব নীতি বাস্তবায়ন এবং যুবদের সামাজিক কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করে দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।

  • খাগড়াছড়িতে কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

    খাগড়াছড়িতে কৃষকলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

    (রিপন ওঝা, বিশেষ প্রতিনিধি)

    বাংলাদেশ কৃষকলীগের গৌরব, সাফল্য ও ঐতিহ্য ধারণ করে “কৃষক বাঁচাও দেশ বাঁচাও” প্রতিপাদ্যে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে ১৯ এপ্রিল-২৪ রোজ শুক্রবার সকাল ৯.০০ ঘটিকায় কৃষকলীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে দোয়া মাহফিল, কেককাটা ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে।

    উক্ত আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেয়র জনাব নির্মলেন্দু চৌধুরী।

    এসময়ে বিশেষ অতিথি হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক চন্দন কুমার দে, খাগড়াছড়ি জেলা আওয়ামীলীগ সদস্য শামীম চৌধুরী, জাতীয় শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, কৃষকলীগের সহসভাপতি টারজেন বড়ুয়া, মারমা উন্নয়ন সংসদ মহালছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি ও জেলা কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ক্রাএএ্ এগ্রো ফার্মের কর্ণধার বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পদকপ্রাপ্ত হ্লাশিং মং চৌধুরী,আওয়ামী লীগ, কৃষকলীগসহ সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতা কর্মী ও স্থানীয় গণমাধ্যম উপস্থিত ছিলেন।

    বাংলাদেশ কৃষক লীগের ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, আলোচনা সভা ও কেক কাটা অনুষ্ঠিত হয়।

    উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা কৃষক লীগের সভাপতি পিন্টু ভট্টাচার্য সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক খোকন চাকমা সঞ্চালনা করেন।

  • জাতীয় পতাকার অন্যতম নকশাকার ও দেশপ্রেমিক  শিব নারায়ণ দাস আর নেই

    জাতীয় পতাকার অন্যতম নকশাকার ও দেশপ্রেমিক শিব নারায়ণ দাস আর নেই

    কুমিল্লা থেকে, মোঃ তরিকুল ইসলাম তরুন,

    বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অন্যতম নকশাকার দেশপ্রেমিক ও জাসদ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা শিবনারায়ণ দাস (৭৮) মারা গেছেন। শুক্রবার সকাল ৯টা ২৫ মিনিটের দিকে তিনি রাজধানী একটি হাসপাতালের আইসিইউতে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তার দেশ প্রেম স্বাধীন বাংলাদেশের মাটিতে স্বরণীয় হয়ে থাকবে।

    শিবনারায়ণ দাসের জন্ম কুমিল্লায়। তাঁর পিতা সতীশচন্দ্র দাস। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি সেনারা তাঁকে ধরে নিয়ে হত্যা করে। শিবনারায়ণ দাসের স্ত্রীর নাম গীতশ্রী চৌধুরী এবং তাঁদের সন্তান অর্ণব আদিত্য দাস।

    শিবনারায়ণ দাস ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের হাত ধরে রাজনীতিতে আসেন। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন অংশগ্রহণ করে কারাবরণ করেন। তিনি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ও নেতা ছিলেন। ১৯৭০ সালের ৭ জুন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত ছাত্রদের এক কুচকাওয়াজে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অংশ গ্রহণের কথা ছিল। এ লক্ষ্যে ছাত্রদের নিয়ে একটি বাহিনী মতান্তরে ‘ফেব্রুয়ারি-১৫ বাহিনী’ গঠন করা হয়। ছাত্রনেতারা এই বাহিনীর একটি পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত নেন।

    এ লক্ষ্যে ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ১০৮ নম্বর কক্ষে ছাত্রলীগ নেতা আ স ম আবদুর রব, শাহজাহান সিরাজ, কাজী আরেফ আহমদ, মার্শাল মনিরুল ইসলাম পতাকার পরিকল্পনা নিয়ে বৈঠকে বসেন। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেতা স্বপন কুমার চৌধুরী, জগন্নাথ কলেজের ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা শিবনারায়ণ দাশ, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সাধারণ সাধারণ সম্পাদক হাসানুল হক ইনু ও ছাত্রনেতা ইউসুফ সালাউদ্দিন।

    সভায় কাজী আরেফের প্রাথমিক প্রস্তাবের ওপর ভিত্তি করে আলোচনা শেষে সবুজ জমিনের ওপর লাল সূর্যের মাঝে হলুদ রঙের বাংলার মানচিত্র খচিত পতাকা তৈরির সিদ্ধান্ত হয়। কামরুল আলম খান তখন ঢাকা নিউমার্কেটের এক বিহারি দরজির দোকান থেকে বড় এক টুকরো সবুজ কাপড়ের মাঝে লাল একটি বৃত্ত সেলাই করে আনেন।

    এরপর প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের তিতুমীর হলের ৩১২ নম্বর কক্ষের এনামুল হকের কাছ থেকে অ্যাটলাস নিয়ে ট্রেসিং পেপারে আঁকা হলো পূর্ব পাকিস্তানের মানচিত্র। শিবনারায়ণ দাস পরিশেষে নিপুণ হাতে মানচিত্রটি এঁকে দেন লাল বৃত্তের মাঝে। পরে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পটুয়া কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার নতুন রূপ দেন।
    তার মৃত্যুর খবরে উপস্থিত হন
    জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনু ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এক শোকবার্তায় শিবনারায়ণ দাসের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।এদিকে কুমিল্লা বাসী শোক প্রকাশ করেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

  • উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩

    উজিরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ আহত ৩

    মোঃ জুনায়েদ খান সিয়াম, উজিরপুর প্রতিনিধি: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের উজিরপুর উপজেলার সানুহার চায়না ক্যাম্প নামক স্থানে হানিফ পরিবহনের একটি বাস পিছন থেকে সিএনজিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে এক সিএনজি যাত্রী নিহত হন।

    এ সময় গুরুতর আহত হয় চালকসহ তিনজন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে উজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১৯ এপ্রিল শুক্রবার সকাল দশটায় উপজেলার সানুহার চায়না ক্যাম্প নামক স্থানে গৌরনদী থেকে বরিশালগামী সিএনজিকে একই দিক থেকে আসা হানিফ পরিবহনের একটি বাস পিছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে বরিশাল সদরের গোরস্থান রোডের মো. নুরুল ইসলামের ছেলে গোলাম কিবরিয়া রানা নিহত হন। এ সময় সিএনজি চালকসহ অপর দুই যাত্রী গুরুতর আহত হয়।

    আহতরা হলেন, বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের নুরুল হক পেদার ছেলে জাহিদুল ইসলাম পেদা (৪৫) ও বরিশাল সদর উপজেলার গোরস্তান রোডের সালমান হাওলাদারের ছেলে মোস্তফা (৩০)। তবে সিএনজি চালকের পরিচয় জানা যায়নি।

    উজিরপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান সোহাগ বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে।

  • মধুপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রবাসীকে মারপিট করে গুরুতর আহত

    মধুপুরে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রবাসীকে মারপিট করে গুরুতর আহত

    আব্দুল হামিদ,
    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রবাসীকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে,(১৫ এপ্রিল) সকাল অনুমান ১১ ঘটিকায় উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা গ্রামের মামা ভাগ্নে মোড় এলাকায়। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগ ও আহত ব্যক্তি এবং পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের হলদিয়া কৈয়াপাড়া এলাকার মৃত আক্কাস আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামদের সাথে একই বংশের পাশাপাশি বাড়ীর শাহাদ আলীর ছেলে শাহীন (২৮) সোহেল (২৪) সাইফুল ইসলাম (৩৫) গংদের সাথে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। উল্লেখ্য শফিকুল ইসলাম দক্ষিণ কোরিয়া প্রবাসী। সে ঈদের ছুটি নিয়ে ১০ এপ্রিল বাড়ীতে আসে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বিবাদীগন প্রবাসী শফিকুলের বড় ভাই সিদ্দিক (৪৫) ভাতিজা হাসিবুলকে (২৪)কে মারপিট করিলে এ ব্যাপারে মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের হয় মামলা নাম্বার ০৬ তারিখ ১১ এপ্রিল। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন আছে। মামলার পর বিবাদীপক্ষ আরও হিংস্র হয়ো উঠে বলে জানান ভুক্তভোগীর পরিবার। এদিকে বিবাদী গন প্রবাসী শফিকুল ইসলামকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ো আসছিল বলে জানান শফিকুল। ১৫ এপ্রিল আশ্রা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জনৈক সজীব এর প্রাইভেটকার ভাড়া করে নিজ বাড়ী ফিরার পথে সকাল অনুমান ১১ ঘটিকার সময় হলদিয়া কৈয়াপাড়া গ্রামের শাহাদ আলীর ছেলে শাহীন (২৮) সোহেল(২৪) শাহীনের স্ত্রী পারভীন, শাহাদ আলীর স্ত্রী মেরী(৪৮) রশিদের ছেলে খোকন (৩৮) সহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন বিবাদী পুর্ব শত্রুতার জের ধরে মহিষমারা ইউনিয়নের আশ্রা মামা ভাগ্নে মোড়এলাকায় পাকা রাস্তায় শফিকুল ইসলামের ভাড়াকৃত প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে শফিকুলকে টেনে হেচড়ে রাস্তার উপর ফেলে এলোপাথাড়ি ভাবে মারপিট করে এবং মাথায় কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। তার নিকট থাকা ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে বলেও জানান। শফিকুল ও ড্রাইভারের ডাক চিৎকার শুনে স্হানীয় লোকজনের সহায়তায় আহত শফিকুলকে উদ্ধার করে প্রাইভেটকার যোগে তাকে চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে। তার অবস্থা আশংকাজনক থাকায় হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্হা করেন। এব্যাপারে শফিকুলের স্ত্রী নাহার বাদী হয়ে মধুপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানান ভুক্তভোগী শফিকুল ইসলাম।

  • তানোরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর সমাপনী

    তানোরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর সমাপনী

    আলিফ হোসেন,তানোরঃ
    রাজশাহীর তানোরে দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিন প্রদর্শনী মেলা শেষে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী খামারিদের মাঝে পুরস্কার স্বরূপ নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।
    জানা গেছে, ১৮ এপ্রিল বৃহস্পতিবার
    সকালে তানোর উপজেলা পরিষদ চত্বরে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলা উদ্বোধন করা হয়। এরপর উপজেলা পরিষদ হলরুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়ালি যুক্ত থেকে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    এসময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
    (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন-তানোর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ আহমেদ, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বাবুল হোসেন ও প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ওয়াজেদ আলী প্রমুখ।উপজেলা
    প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মাহাবুবুল আলম সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন-সফল খামারি সেকেন্দার আলী। এতে সার্বিক সহযোগী করেন তানোর প্রাণিসম্পদ অফিসের মাঠসহকারী মামুনুর রশিদ।
    এদিন প্রদর্শনীতে ৩০টি স্টলে সফল উদ্যোক্তা ও খামারিরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন বিভাগে বিজয়ী সফল খামারিদের মাঝে পুরস্কারের নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।#

  • কেশবপুরে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার ওয়ারেশগণের সংবাদ সম্মেলন

    কেশবপুরে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার ওয়ারেশগণের সংবাদ সম্মেলন

    মোঃ জাকির হোসেন,কেশবপুরঃ কেশবপুরে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাসের ওয়ারেশগণ জমি সংক্রান্ত বিষয়ে বিভিন্ন অভিযোগে ১৮এপ্রিল দুপুরে কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করেন।
    সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা দৌলত বিশ্বাসের ভাইয়ের ছেলে উপজেলার মধ্যকুল গ্রামের সিরাজুল ইসলাম রিপন বলেন, ১৯৪৪ সালে কেশবপুর মৌজার হাল ৬৪৫ ও ৬৪৬ দাগে ৩৫ শতক জমির মালিক তারা প্রসাদ ২০৩৪ নং রেজিঃকৃত পাট্টা দলিলমূলে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ দৌলত বিশ্বাসের পিতা ইব্রাহিম বিশ্বাসের কাছে হ হস্তান্তর সহ দখল বুঝে দেন। ইব্রাহিম বিশ্বাস উক্ত দলিলমূলে নালিশী ২৭১ নং দাগের ৩৫ শতক জমি ৩ছেলে গহর আলী, অহর আলী, বাকের আলী ও গহর আলীর ছেলে রেজাউল হককে ওয়ারেশ রেখে মারা যান। তৎকালিন তহশীলদার ইব্রাহিম বিশ্বাসের ওয়ারেশগণকে নালিশী জমি থেকে বেদখল করার ষড়যন্ত্র চালালে তারা কালেক্টরের কাছে আপত্তি দাখিল করেন। ১৯৫৯ সালের ১১ডিসেম্বর আদেশে নালিশী জমি অধিগ্রহণযোগ্য নয় মর্মে সিদ্ধান্ত দেয়। উপরোক্ত বাকের আলী রায় বর্ণিত ৩০ থেকে ৪০ নং বাদীপক্ষকে এবং রেজাউল হক ১৭ থেকে ২২ নং বাদীপক্ষকে ওয়ারেশ রেখে মারা যান। রায়ে বর্ণিত ১ থেকে ১৭ ও ৩৪ নং বাদীপক্ষ নালিশী জমিতে খরিদা ও ওয়ারেশ সূত্রে স্বত্ত্ববান ও দখলকার হয়ে বসতবাড়ি হিসেবে বসবাস ও দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা বাণিজ্য ও ভাড়া প্রদান করে আসতে থাকে।
    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন পর তফশীল জমি আরএস চুড়ান্ত রেকর্ড প্রকাশিত হলে দেখা যায়, সরকারি এক নং খতিয়ানে উক্ত জমি রেকর্ড হয়েছে। এরপর ২০০২ সালে কেশবপুর পৌরসভার তৎকালিন মেয়র আব্দুস সামাদ বিশ্বাস কোনো প্রকার নোটিশ ছাড়ায় আমাদের ওই জমি থেকে উচ্ছেদ করে দেয়। এরপর আদালতে মামলা করা হয়। দীর্ঘদিন পর গত ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ যশোর সহকারি জজ আদালতের রায় ও ডিগ্রী মোতাবেক মৃত ইব্রাহিম বিশ^াসের ওয়ারিশগণই হাল- ৬৪৫, ৬৪৬ নং দাগের ৩৫ শতকের মধ্যে ১৮ শতক জমির প্রকৃত মালিক বলে বায় প্রদান করেন। এ নিয়ে আমরা দুটি রায় পেয়েছি। রায় পাবার পরই আমরা ওই নালিশী জমির নামপত্তন করার জন্যে সহকারী কমিশনার ভূমির কাছে আবেদন করেছি। বর্তমানে শহীদ পরিবারের ১৭ জন ওয়ারেশই ওই ১৮ শতক জমির প্রকৃত মালিক।
    সিরাজুল ইসলাম রিপন আরও বলেন, আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান হয়েও দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছি। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে আমরা মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তানেরা এ হয়রানিমূলক মামলার খরচ যোগাতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি। তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যাতে ওই জমির দখল বুঝে পেতে পারি তার জন্য প্রশাসনের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সংবাদ সম্মেলনকালে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ দৌলত বিশ্বাসের পরিবারের ওয়ারেশগণ উপস্থিত ছিলেন।

    বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভ^াবনা
    কেশবপুরে জলাবদ্ধতায় ১১ হাজার মেট্রিকটন
    ধান উৎপাদন থেকে বি ত হচ্ছে কৃষক
    মোঃ জাকির হোসেন,কেশবপুরঃ কেশবপুর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা। তবে মৎস্য ঘেরের সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর জমিতে ধানের আবাদ না হওয়ায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হাজার ৭শ‘২৫ মেট্রিকটন ধান কম উৎপাদন হবে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে। ফলন না হওয়া ধানের বাজার মূল্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা।
    সারা দেশের মধ্যে ধান-চালসহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য উৎপাদনের উদ্বৃত্ত উপজেলা হিসেবে কেশবপুর উপজেলার পরিচিতি দীর্ঘদিনের। ধান খেতের মাঠগুলো এখন সোনালী রঙের আভায় এক অপরূপ সাজিয়েছে। বোরো ধানের সোনালী শীষ দোল খাচ্ছে বাতাসে। সেচ, আগাছা পরিষ্কারসহ সকল কাজ সম্পন্ন করে এখন ধান ঘরে তোলার স্বপ্নে বিভোর এ উপজেলার হাজারো কৃষক। পুরো উপজেলায় এবার হাইব্রিড ছাড়াও উফশী ব্রি-ধান- ২৮, ব্রি-ধান- ৫০, ব্রি-ধান- ৬৩, ব্রি-ধান- ৭৪, ব্রি-ধান- ৮৮ ও ব্রি-ধান- ১০০ জাতের ধানের আবাদ হয়েছে সবচেয়ে বেশী। কৃষি অফিস জানায়, চলতি বোরো মৌসুমে এ উপজেলায় ১৪ হাজার ৫‘শ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ধানের উৎপাদন ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১ হাজার ৩শ‘০৭ মেট্রিকটন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলেও মৎস্য ঘেরের সৃষ্ট জলাবদ্ধার কারণে বিলের অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর কম জমিতে ধানের চাষ হয়। এরমধ্যে হাইব্রিড- ৪ হাজার ১শ‘৭০ হেক্টর ও উফশী- ৮ হাজার ৯০০ হেক্টর জমি। ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় ্এবার ১০ হাজার ৭শ‘২৫ মেট্রিকটন ধান কম উৎপাদন হবে। যার বাজার মূল্য ২ কোটি ৭৮ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। ঘেরের পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় উপজেলার বাগডাঙ্গা, পাঁজিয়া, কালিচরণপুর, বিলখুকশিয়া, কাটাখালি, মনোহরনগর, নারায়নপুর , হদ, তেঘরি,পর্চক্রা ও বাউশলা বিল এলাকার হাজারো কৃষক এবছর বোরো ধানের আবাদ করতে পারেনি। ব্যাসডাঙ্গা গ্রামের কৃষক রেজাউল ইসলাম, মাগুরাডাঙ্গা গ্রামের কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, তাদের গরালিয়া বিলের জমি ঘের মালিক সেলিমুজ্জামান আসাদের কাছে লিজ দেয়া হয়েছে। ঘের মালিক মাছ চাষের জন্যে প্রতি শুষ্ক মৌসুমে ভূ-গর্ভস্থ পানি তুলে ঘের ভরাট করে। আবার ইরি বোরো মৌসুমে স্যালো মেশিন দিয়ে ঘেরের পানি নিষ্কাশন করলে কৃষকরা ধান আবাদ করে। জলাবদ্ধতার কারণে বিলের ১ হাজার বিঘা জমিতে এবার বোরো আবাদ হয়নি। তেঘরী গ্রামের মাওলানা মছিউর রহমান জানান তাদেও এলাকার বিলে ধান চাষ করতে নাপারার কারন মৎস্য ঘের মালিকরাই দায়ী।
    উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার বলেন, পাউবো নদী খাল খনন করলেও শ্রীনদীর নাব্যতা না থাকায় তা আবারও পলীতে ভরাট হয়ে গেছে। যে কারণে ঘেরের পানি নিষ্কাশন সম্ভব না হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ হাজার ৪শ‘৩০ হেক্টর কম জমিতে ধানের আবাদ হয়। কৃষকের চাহিদামত সার, বীজের কোনো ঘাটতি ছিল না, আবহাওয়াও ছিল অনুকুলে। ইতোমধ্যে উপজেলার অনেক এলাকায় ধান কাটা শুরু হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে এবার ধানের বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা আশা করছেন।

    মোঃ জাকির হোসেন
    কেশবপুর,যশোর

  • সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত

    সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত

    এম এ আলিম রিপন ঃ ‘প্রাণি সম্পদে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে পাবনার সুজানগরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা থেকে একযোগে দেশের সকল জেলা ও উপজেলায় এ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। পরে এদিন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প(এলডিডিপি) প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এর সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের বাস্তবায়নে সুজানগর পৌর গবাদি পশুর হাট মাঠ চত্বরে প্রাণিসম্পদ সেবা উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহীনুজ্জামান শাহীন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাণি সম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ, পৌর মেয়র রেজাউল করিম রেজা, জেলা ভেটেরিনারি কর্মকর্তা ডাঃ সেলিম হোসেন শেখ,উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছাঃ মর্জিনা খাতুন,সুজানগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ আবু রেজা তালুকদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সোলাইমান হোসেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাজমুল হুদা,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মজিদ সরদার, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই,সুজানগর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর মাধ্যমে এ অ লের মানুষ উন্নত প্রজাতির পশু ও পাখি লালন-পালনে উদ্বুদ্ধ হবে বলে জানিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দ বলেন, এ দেশ বিভিন্ন জাতের পশু পালন বিষয়ে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। হাঁস-মুরগীর ডিম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে। আর দেশের মানুষ যাতে উন্নত প্রজাতির পশু ও পাখি লালন-পালনে উদ্বুদ্ধ হয় এবং এর সুফল জনগণের মাঝে পৌঁছে সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মীর রাশেদুজ্জামান রাশেদ জানান, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য হচ্ছে উপজেলার খামারীদের প্রাণিসম্পদ প্রতিপালনে উদ্বুদ্ধকরণসহ আধুনিক কলাকৌশল বিষয়গুলো জানানো। এছাড়া খামারিদের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ প্রতিপালন করে আমিষের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপদ আমিষের যোগান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ডাঃ আবু রেজা তালুকদার জানান,প্রদর্শনীতে ৩৫টির অধিক স্টলে উন্নত জাতের গরু, ছাগল, ভেড়া, মুরগী, কবুতরসহ বিভিন্ন পশুপাখি প্রদর্শন করা হয়।পরে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী স্টলগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে ১ম,২য় ও ৩য় স্থান অধিকারী খামারীদের পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থের চেক ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি