Blog

  • নড়াইলে গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার

    নড়াইলে গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলের লোহাগড়া থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজাসহ একজন গ্রেফতার। মোঃ শরিফুল ইসলাম কটা (৩৫) নামের একজন মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোঃ শরিফুল ইসলাম কটা (৩৫) নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানাধীন গোপিনাথপুর বেপারীপাড়া গ্রামের বাবর উদ্দিন মোল্ল্যা বাবু মোল্ল্যার ছেলে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, গতকাল নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার পৌরসভাধীন গোপিনাথপুর বেপারীপাড়া ঋষিপাড়া নদীর ঘাটের সামনে পাঁকা রাস্তার উপর থেকে তাকে আটক করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ আশিকুর রহমান এর তত্ত্বাবধানে এসআই (নিঃ) এফ.এম হাসিবুর রহমান, এসআই (নিঃ) মোঃ ইমরান হোসেন সোহাগ, এএসআই (নিঃ) মোঃ মাজহারুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে মোঃ শরিফুল ইসলাম কটা (৩৫)কে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীর নিকট থেকে একশত গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। এ সংক্রান্তে লোহাগড়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। নড়াইল জেলা পুলিশ সুপার কাজী এহসানুল কবীর’র নির্দেশনায় মাদকমুক্ত নড়াইল গড়ার লক্ষ্যে জেলা পুলিশ আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

  • কালীগঞ্জে ইদুর নিধন ও সার বীজ বিতরণ অনুষ্ঠিত

    কালীগঞ্জে ইদুর নিধন ও সার বীজ বিতরণ অনুষ্ঠিত

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ইদুর নিধনের শুভ উদ্ভোধন ও সার বীজ বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি সমপ্রশারন অধিদপ্তর কতৃক আয়োজিত শুভ উদ্ভোধন ইদুর নিধন ও সার বীজ বিতরণ উপজেলা কৃষক প্রশিক্ষন কেন্দ্রে গত ৬নভেম্বর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

    কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায়,এর সভাপতিত্বে ইদুর নিধনের শুভ উদ্ভোধন ও সার বীজ বিতরণ  এর বিভিন্ন কর্ম কান্ডে কৌশল অবলম্বন করে ইদুর নিধন নিয়ন্ত্রণ করার ও সার বীজের উপর গুরুত্বরোপ করে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডা:ফেরদৌসুর রহমান, উপজেলা আইসিটি অফিসার মোস্তাফা চৌধুরী, 

    অতিরিক্ত কৃষি অফিসার আরিফুর রহমান,উপসহকারী আলতাফ হোসেন, বিভিন্ন ইউনিয়নে উপসহকারী কৃষি অফিসার চন্দ্রপুর ইউনিয়নের হারুন অর রশিদ, চলবলা ইউনিয়নে রবিউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান শেষে জীবিত ইদুর প্রকাশ্যে মারা হয়।

    উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায়,বলেন

    সকল কৃষক কে বলা হচ্ছে যাহারা ইদুর মেরে বেশি ইদুরের লেচ জমা দিতে পারবেন তাদেরকে পুরুষকৃত্ত করা হবে। অনুষ্ঠানে  সার ব্যবসায়ী,

    বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষক, কৃষানী,কৃষি দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। 

    হাসমত উল্লাহ ।

  • ময়মনসিংহ সদরে পিআইও’র কর্মতৎপরতায়  বিভিন্ন প্রকল্পে স্বচ্ছতায় জনমনে সন্তুষ্টি

    ময়মনসিংহ সদরে পিআইও’র কর্মতৎপরতায়  বিভিন্ন প্রকল্পে স্বচ্ছতায় জনমনে সন্তুষ্টি

    স্টাফ রিপোর্টারঃ

    ময়মনসিংহ সদরের কাবিখা, কাবিটা,টি আর,অতি দরিদ্রদের জন্য কমসংস্থান কমসুচি,ভি জি এফ,ছোট ছোট সেতু কালভাট,শীত বস্ত্র ,ঢেউটিন ,জি আর ক্যাশ ,জি আর এবং ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণ প্রকল্পের কাজ যথারীতি ভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবী করেছেন উপজেলার সাধারণ মানুষ।

    সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে- উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের অষ্টধার উচ্চ বিদ্যালয়ে শহীদ মিনার নির্মাণ ও বাজারে পুজা মন্ডপটি সংস্কার করা হয়েছে,এসব প্রকল্পের সভাপগতি ও প্রকল্প সেক্রেটারীসহ সদস্যদের সাথে কথা বলে জানা যায় শুধু এই দুই  প্রকল্প নয় এই ইউনিয়নে আরো একাধিক প্রকল্পের উন্নয়ন ও সংস্কার করা হয়েছে। অষ্টধার মিলিনিয়াম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে মাট ভরাট কাজের জন্য  ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ, একই স্কুলে বন্যাদুর্গতদের জন্য টেন্ডারের মাধ্যমে প্রায় ৩কোটি টাকা ব্যয়ে ৪তলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে যা বন্যার সময় স্থানীয় ভানবাসীরা আশ্রয় কেন্দ্র হিসাবে ব্যবহার হয় আর বন্যা পরবর্তী সময়ে ভবনটিতে  শিক্ষার্থীরা ক্লাস করার সুযোগ পেয়ে থাকে। এসব প্রকল্পের কাজ অত্যন্ত সচ্ছতার সহিত কাজ শেষে চেকের মাধ্যমে বিল প্রদান করেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। ময়মনসিংহ কালেক্টরেট স্কুলের মাটি ভরাট সহ বিভিন্ন প্রকল্পে চেকের মাধ্যমে বিল পেয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন প্রকল্পের ভুক্তভোগীরা। সাংবাদিক আলম 

     খান নিজেও একটা মাদ্রাসায় প্রজেক্ট নিয়ে চেকের মাধ্যমে বিল নিয়েছেন।  এছাড়াও উপজেলার সিরতা ইউনিয়ন পরিষদ এর সামনে ৫২ হাজার টাকা ব্যয়ে শহীদী কবর স্থান নির্মাণ সহ উপজেলায়  সকল ইউনিয়নে সরকারের আশ্রয়ন প্রকল্পের মোট ৭৫০ টি ঘরের নির্মাণ কাজের বিল দেওয়া হয়েছে চেকের মাধ্যমে। তাছাড়া ব্রীজ কালভাট নির্মাণ হয় টেন্ডারের মাধ্যমে, আর ঢাকা থেকে সিনিয়র অফিসাররা এসে ব্রীজ কালভাট নির্মাণ কাজ দেখে তাদের কাছে গ্রহন যোগ্য মনে হলেই ব্রীজ কালভাট নির্মাণ কাজের বিল চেক প্রদান করা হয়,এতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার হাত দেওয়ার কোন সুযোগ থাকেনা। 

    কুষ্টিয়া ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার তাইজুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেছে- ইউনিয়নের মাটিয়ামতলা করিম মেম্বারের বাড়ি হতে-শ্রীরামপুর তাজুল মেম্বারের বাড়ির মোড় পর্যন্ত…১০০০ মিটার রাস্তার জন্য চরম দুর্ভোগে ছিলো সাধারণ  মানুষ। এই রাস্তাটি স্বচ্ছতার সহিত কাজ হয়েছে।  তার একটি নিজস্ব কবরস্থান,সহ তিনি ওয়ার্ডের উন্নয়নে  অনেক গুলো প্রকল্পের কাজ করেছেন তবে এসব প্রকল্পের কাজের স্বচ্ছতা যাচাইয়ের পর চেকের মাধ্যমে বিল পান তিনি। 

    অষৃটধার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এমদাদুল হক আরমান জানান-অষ্টধার ইউনিয়নের কাউনিয়া চাঁনপুর মোড় থেকে মশিউর নগর বাজার পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিং,

    অষ্টধার বাজার থেকে অষ্টধার হাই স্কুল হয়ে কুঠুরাকান্দা প্রাইমারি স্কুল/আমিন মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি মানুষের দীর্ঘ দিনের প্রত্যাশা ছিলো,অবশেষে রাস্তার

    কাজ হওয়া  অষ্টধার থেকে ময়মনসিংহ যাতায়াতের বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা হয়েছে। সম্পুর্ন চেকের মাধ্যমে বিল হওয়া এই রাস্তাটির কাজ হওয়ার ফলে এলাকাবাসীর জীবন যাত্রা অনেক সহজতর হয়েছে পাশাপাশি পথযাত্রীদের যাতায়াত অনেক সহজ হয়েছে।তাছাড়াও খামার বাজার থেকে নিমতলা মাদ্রাসা পর্যন্ত রাস্তা কার্পেটিং এর কাজ শেষ হয়েছে ,

    রাস্তাটি এখন একটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে ।

    এছাড়া পান্ডাপাড়া মোড় থেকে বরইতলা হাসপাতাল পর্যন্ত রাস্তাটি ৫০০ মিটার পাকা হয়েছে।এসব রাস্তার উন্নয়ন কাজের বিল চেকের মাধ্যমে পাওয়ায় তিনি পিআইও’র প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

     প্রকল্প গুলো সরেজমিনে ঘুরে এর স্বচ্ছতা যাচাই করেছেন জেলা ত্রাণ কর্মকর্তাসহ দায়িত্ব প্রাপ্ত সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা মনিরুল হক ফারুক রেজা  জানান,সকল প্রকল্পের চেয়ারম্যানদের উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশ মোতাবেক কাজের গুনগত মান বজায় রেখে করতে বলা হয়েছিল। আর সে মোতাবেক বুঝে নেয়া হয়েছে। সকল কাজ বুঝে নিয়ে তাদের প্রাপ্য বিল প্রদান করা হয়েছে। এতে প্রকল্প কমিটির সদস্যরাও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করে। 

    তবে সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশে অনেকের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার বাতাস বইছে। সুত্র জানিয়েছে – যারা এসব ভিত্তীহীন সংবাদ প্রকাশ করে মানুষের মাঝে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছে বিগত সরকারের আমলে তারাই উপজেলা প্রশাসন থেকে আশ্রয়ন প্রকল্পের  ঘরসহ  বিভিন্ন সুবিধা লুটে নিয়েছে।  

    আলোচনা চলছে- উপজেলা থেকে কোন প্রকল্প স্বচ্ছভাবে বাস্তবায়ন করতে শুধু  উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাই নয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ এর তদারকি করেছেন, শুধু একজন পিআইও’র স্বাক্ষরেই বিল হয়না তাদেরও স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়,তাহলে সংবাদ প্রকাশ করে শুধু পিআইও কে হয়রানী করা হবে কেন? একজন পিআইও’র নামে স্পেশাল কোন বরাদ্দ থাকেনা যে তিনি সেটা কাজ না আত্মসাৎ করে নিবেন। বরং সরকারি বরাদ্দগুলো জনকল্যাণে জনগণের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে একজন পিআইও ঝড়-বৃষ্টি,রোধ উপেক্ষা করে ঘুরে বেড়ান উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তারপরও সমাজের কিছু মহল রয়েছে মানুষের খুটিনাটি দোষ বেড় করার জন্য। তারা খুজে বেড়ান দোষত্রুটি।   সম্প্রতি উপজেলায় বিভিন্ন  প্রকল্পের বিষয়ে গণমাধ্যম এমন সংবাদে বিভিন্ন মহলের মাঝে সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

  • সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম স্মরনে গাছের চারা বিতরণ

    সাবেক মন্ত্রী তরিকুল ইসলাম স্মরনে গাছের চারা বিতরণ

    আজিজুল ইসলাম,যশোর : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জননেতা তরিকুল ইসলামের ৬ষ্ট মৃত্যু বার্ষিকী পালন উপলক্ষে বুধবার দুপুরে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগ প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাধারণ জনগণের মাঝে ৫ শতাধিক গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

    শার্শা উপজেলা বিএনপির সদস্য ও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ গাছের চারা বিতরণ করেন।

    এসময় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম সন্তু, মোনায়েম হোসেন, মিকাইল হোসেন মনা, আব্দুর রাজ্জাক,উপজেলা বিএনপি সদস্য জামাল উদ্দীন, আনোয়ার হোসেন বাবু, শার্শা উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক কবীর হোসেন, রফিক,বাবলু, অহিদুল, জুয়েল ও লাল্টু উপস্থিত ছিলেন।

  • নগরপিতা নয়, গরিব দুঃখী মিলে ৭০ লাখ গমানুষের সেবক হতে চাই: ডা.শাহাদাত

    নগরপিতা নয়, গরিব দুঃখী মিলে ৭০ লাখ গমানুষের সেবক হতে চাই: ডা.শাহাদাত

    মোঃ শহিদুল ইসলাম,
    বিশেষ সংবাদদাতাঃ

    আদালতের রায়ের পর শপথ নিয়ে আজ দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) নতুন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর তিনি নগরীর টাইগার পাস এলাকার চসিক ভবনের প্রথম ফ্লোরে মেয়রের কক্ষে প্রবেশ করেন। এরপর মেয়রের আসনে বসেন তিনি। এসময় চসিকের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। 

    এরপর মেয়র চসিকের কর্মকর্তাদের সাথে বিভিন্ন দাপ্তরিক বিষয় নিয়ে কথা বলেন। বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাদের দিক নির্দেশনাও দেন। বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইলও তদারক করেন তিনি। এসময় তার ফেসবুক থেকে লাইভে প্রচার করা হয় দায়িত্ব গ্রহণের পর তার দাপ্তরিক কাজের চিত্র। তিনি উপস্থিত কর্মকর্তাদের মশক নিধনের ব্যাপারে নানা ধরনের নির্দেশনা দেন। 

    চসিক মেয়র শাহাদাত বলেন, মানসম্মত ওষুধ স্প্রে করতে হবে। ঘণ্টা-খানেক অবস্থানের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার কিছু সময় আগে তিনি চসিক ভবন ত্যাগ করেন। 

    চসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আজিজ আহমেদ বলেন, মেয়র মহোদয় চসিক ভবনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার পর পৌঁছেন। এরপর তিনি দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। এ সময় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেন তিনি।

    এদিকে মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে নগরীর লালদীঘি পাড়ে চসিকের লাইব্রেরি ভবনের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন। এরপর তিনি সাংবাদিকদের সাথে নানা বিষয় নিয়ে কথা বলেন। 

    চসিকের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ে তিনি বলেন, চসিকে প্রয়োজন চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী। আছে আট হাজার ৮০০। চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার বললেন ৪৪০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে দায়িত্বভার নিয়েছি। আমরা ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দেব। ডেঙ্গু মশা মারতে মানসম্পন্ন ওষুধ স্প্রে দিতে চাই। আমি নিজেই স্পটে যাব। সকালে আমি বেশিক্ষণ অফিসে থাকব না। পরিচ্ছন্ন কর্মীদের নিয়ে আমি দৈনিক ২/৩ ঘণ্টা বাইরে থাকব। আমি প্রতিটি ওয়ার্ড পরিদর্শন করবো। কারো অবহেলা পেলে দুঃখের সঙ্গে বলতে চাই তাদের চাকরি থাকবেনা। দলীয় কর্মীরা কোন ধরনের রাজনৈতিক কাজে আসবেন না। রাজনীতি হবে বিকেল ৫টার পরে। 

    বাচ্চাদের খেলাধুলার কিছু নেই জানিয়ে মেয়র বলেন, বাচ্চারা খেলতে পারছে না। আমি প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মাঠ তৈরি করতে চাই। মোবাইলে চোখ রেখে বাচ্চাগুলোর সুস্থ মন তৈরি হচ্ছে না।

    ঢাকায় নগর সরকারের প্রস্তাবনা তুলে ধরার কথা জানিয়ে চসিক মেয়র বলেন, আমি সম্প্রতি বেশ কিছু টকশোতে অংশ নিয়েছি। অনেক মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টাদের সঙ্গে কথা বলেছি। সবখানে আমি একটি কথা তুলে ধরেছি। সেটি হলো নগর সরকার। নগর সরকার যদি প্রতিষ্ঠা হয় তাহলে সমস্ত সেবাদানকারী সংস্থাকে এক ছাতার নিচে আনা যাবে। কাজেই সিটি করপোরেশন যেহেতু এমন একটি প্রতিষ্ঠান যেটি জনপ্রতিনিধিদের অধীনে পরিচালিত হয়। তাই সমস্ত সেবাপ্রদানকারী সংস্থা যদি কাজ করে তাহলে পরিকল্পিত উন্নয়ন সম্ভব।

    বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি সময় সাধ্য ব্যাপার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা যেহেতু সময় সাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে আমি আমার আপ্রাণ চেষ্টা করবো যেসব সেবাপ্রদানকারী সংস্থা আছে তাদের সাথে সমন্বয় করার।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ‘নগর সরকার’ প্রস্তাবনা তুলে ধরার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। পরের মেয়র এম মনজুর আলমও মহিউদ্দিনের নগর সরকার নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত নগর সরকারের ধারণা বাস্তব রূপ লাভ করেনি।

  • জীবননগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  এখলাছুর রহমান রাসেল কিশোরদের ফুটবল বিতরণ করে

    জীবননগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  এখলাছুর রহমান রাসেল কিশোরদের ফুটবল বিতরণ করে

    আল আমিন মোল্লা 

    জীবননগর অফিস। 

    জীবননগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের  এখলাছুর রহমান রাসেল কিশোরদের ফুটবল বিতরণ করে।

     জীবননগরে কিশোরদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করে। সোমবার (৪-নভেম্বর) জীবননগর পৌরসভার  ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ে, জীবননগর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মোঃ এখলাছুর রহমান রাসেলের নিজ অর্থায়নে কিশোরদের মাঝে ফুটবল বিতরণ করে । এ সময় উপস্থিত ছিলেন ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি : আরিফুর রহমান।

     এ সময় কিশোরা বলেন  জীবননগর পৌরসভার  ৬ নং ওয়ার্ডে বাচ্চাদের জন্য খেলাধুলা করার তেমন কোন জায়গা না থাকায় জীবননগর দৌলতগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি একমাত্র খেলার মাঠ হিসাবে যুগ যুগ ধরে পরিচিত। তবে এখন আর বিদ্যালয়ের মাঠটিতে খেলাধুলা করার অনুমতি নেই। আর এর ফলে এলাকার সকল বাচ্চারা খেলাধুলা থেকে পিছিয়ে পড়ছে।

    তবে এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি জীবননগর দৌলতগঞ্জ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠটি খেলাধুলা করার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক। বাচ্চারা আবার আগের মত এই মাঠটিতে খেলাধুলা করুক, এটিই প্রত্যাশা তাদের।

  • বানারীপাড়ায় ৪ কেজি গাঁজা সহ নারী গ্রে-ফতার

    বানারীপাড়ায় ৪ কেজি গাঁজা সহ নারী গ্রে-ফতার

    মোঘল সুমন শাফকাত, বানারীপাড়া।

    বরিশালের বানারীপাড়া থানার সদ্য যোগদান কৃত অফিসার ইনচার্জ মোঃ মোস্তফার নেতৃত্বে মাদক নিয়ন্ত্রন অভিযানে চার কেজী গাঁজা সহ এক নারী ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৫ নভেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১২টায় উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা গ্রামের মাদক মাদক সম্রাট শাকিলের বাড়ি থেকে ৪ কেজি গাঁজা সহ তার(শাকিল) স্ত্রী মিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযান কালে মাদক কারবারি শাকিলকে না পেলেও তার বাড়ির আশপাশে থেকে পুঁটলি বাঁধা বিপুল পরিমাণে গাঁজা জব্দ করা হয়।পরবর্তীতে শাকিলের স্ত্রী মিম ও তার স্বামী শাকিলকে আসামি করে থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের হয়। এ বিষয়ে মাদক কারবারি শাকিলের বাবা জানান, ছেলে শাকিলের এমন কর্মকাণ্ডে তিনি লজ্জিত এবং প্রশাসনের কাছে মাদক কারবারি ছেলের শাস্তির দাবি করে। এ বিষয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ( ওসি) মোঃ মোস্তফা বলেন, আমি বানারীপাড়া থানায় মাদকের উপরে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি। মাদক সেবক বা মাদক কারবারি যতই প্রভাবশালী হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

  • সুজানগরে নরেশ-শেখর শিক্ষা বৃত্তি পেল অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা

    সুজানগরে নরেশ-শেখর শিক্ষা বৃত্তি পেল অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীরা

    এম এ আলিম রিপনঃপাবনার সুজানগর উপজেলার নাজিরগঞ্জ ইউনিয়নের উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে নরেশ-শেখর শিক্ষাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের অসচ্ছল পরিবারের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে এ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান এবং বিলাস কুমার পোদ্দার। বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে উদয়পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে বিনিয়োগ একটি জাতির, দেশের, পরিবারের শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। নরেশ-শেখর পক্ষ থেকে এই যে বিনিয়োগ এটাও শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ, এখানে কোন মুনাফা নেই কিন্তু অমূল্য মুনাফা হলো কিছু শিক্ষিত মানুষ। মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন ও আদর্শ মানুষ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন জীবনে সফলতায় পৌঁছতে হলে তোমাদের পড়াশুনা করতে হবে। বাবা-মা এবং শিক্ষকদের কথা মেনে চলতে হবে। সমাজের ভাল কাজগুলোর সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখতে হবে। তাহলে জীবন সুন্দর হবে। অনুষ্ঠানে বিলাস কুমার পোদ্দার তার বক্তব্যে বলেন, দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকদের তাদের সন্তানদের লেখাপড়ায় আগ্রহ সৃষ্টি করতে এ ধরণের আর্থিক সহায়তা প্রদান। বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা সাফল্য ধরে রাখতে পারবে তাদের জন্য তার পিতা স্বর্গীয় নরেশ কুমার পোদ্দার ও তার ভাই গৌরাঙ্গ শেখর পোদ্দারের নামে প্রতিষ্ঠিত নরেশ-শেখর শিক্ষা বৃত্তি প্রদানের পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়ানো হবে বলেও জানান তিনি।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • কুড়িগ্রাম জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    কুড়িগ্রাম জেলায় বিএসটিআই’র সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
    বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, রংপুর এর উদ্দ্যোগে গত ০৫.১১.২০২৪ খ্রিঃ তারিখে প্রকৌঃ মুবিন-উল-ইসলাম, উপপরিচালক (পদার্থ) ও অফিস প্রধান এর নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলায় সার্ভিল্যান্স অভিযান পরিচালনা করা হয়। উক্ত অভিযানে আরও ছিলেন প্রকৌঃ মোঃ জাহিদুর রহমান, সহকারী পরিচালক (সিএম) এবং জনাব খন্দকার মোঃ জামিনুর রহমান, ফিল্ড অফিসার (সিএম)।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠান এর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রদানের জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে:
    ১। মেসার্স এরশাদুল ট্রেডার্স, ভেলাকোপা, মাঠেরপাড়, সদর, কুড়িগ্রাম- প্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে বিএসটিআই’র বাধ্যতামূলক পণ্য ফর্টিফাইড সয়াবিন তৈল অবৈধ মান চিহ্ন ব্যবহার করে পপুলার ব্র্যান্ডে ঘোষিত ১ লিটারের স্থানে ৭৩০ মিঃলিঃ প্রদান করে কোন প্রকার ভিটামিন সংযোজন না করে উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিক্রয়-বিতরণ করায়। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি বিএসটিআই হতে লাইসেন্স গ্রহণ না করে চাটনী পণ্যটিও উৎপাদন, সংরক্ষণ, বিক্রয়-বিতরণ করতে দেখা যায়। প্রতিষ্ঠানটির মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রদানের জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে।
    ২। মেসার্স আতিফা ফুড প্রোডাক্টস, পূর্ব কল্যাণ, বেলগাছা, বিসিক শি/ন, সদর, কুড়িগ্রাম- সিএম লাইসেন্স গ্রহণ ব্যতীত আইসললি, ফার্মেন্টেড মিল্ক, চিপস ও অন্যান্য পণ্য উৎপাদন এবং স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের মোড়ক নকল করে বাজারজাত করায় প্রতিষ্ঠানটির মালিকের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা প্রদানের জন্য আলামত জব্দ করা হয়েছে।

    উক্ত অভিযানে যে সকল প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত সিএম লাইসেন্স গ্রহণ/নবায়ন এবং গুণগত মানের পণ্য উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে
    ১. বোম্বে টেস্টি বেকারী, পুরাতন পশু হাসপাতাল, সদর, কুড়িগ্রাম- প্রতিষ্ঠানটির পরিদর্শন করা হয়।
    ২. সুফিয়া অটো ফ্লাওয়ার মিল, ভেলাকোপা, মাঠেরপাড়, সদর, কুড়িগ্রাম- বিল পরিশোধের তাগাদা প্রদান করা হয়।
    ৩. মেসার্স বিশ্বাস কসমেটিকস কোং, নয়াগ্রাম, সদর, কুড়িগ্রাম- কারখানা পরিদর্শন করে সংস্কারের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ৪. চামেলি ব্রেড এন্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, গুয়াতিপাড়া, সদর, কুড়িগ্রাম- প্রতিষ্ঠানটির পরিদর্শন করা হয়।
    ৫. রাব্বি আইসক্রিম, পুরাতন পশু হাসপাতাল রোড, কুড়িগ্রা- প্রতিষ্ঠানটির পরিদর্শন করা হয়।
    ৬. মেসার্স রজনীগন্ধা বেকারী এন্ড কনফেকশনারি, মোগলবাসা রোড, সরদারপাড়া, সদর, কুড়িগ্রাম- প্রতিষ্ঠানটির পরিদর্শন করা হয়।
    ৭. ফ্রেন্ডস হেলথ কেয়ার, সরদারপাড়া, পাঠানপাড়া রোড, আমবাড়িঘাট, সদর, কুড়িগ্রাম- গুনগত মান সম্পন্ন স্যানিটারি ন্যাপকিন উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ৮. টেস্টি স্ন্যাকস এন্ড বেকারী, কলেজ রোড, সদর, কুড়িগ্রাম- দই, মিষ্টি ও ঘি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ৯. টেস্টি বেকারী, ঘোষপাড়া, সদর, কুড়িগ্রাম- কেক পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ১০. আরএস হেলথ কেয়ার, রৌমারিপাড়া, সদর, কুড়িগ্রাম- স্যানিটারি ন্যাপকিন পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়
    ১১. কল্যাণী নারী সমবায় সমিতি লিঃ, ত্রিমোহনী, সদর, কুড়িগ্রাম- স্যানিটারি ন্যাপকিন পণ্যের সিএম লাইসেন্স নবায়নের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ১২. মঞ্জু বেকারি, ত্রিমোহনী, সদর, কুড়িগ্রাম- বেকারি বন্ধ পাওয়া যায়।
    ১৩. মেসার্স রূপসী বাংলা, স্টেডিয়াম মার্কেট, সদর, কুড়িগ্রাম- দই ও মিষ্টি পণ্যের সিএম লাইসেন্স গ্রহণের পরামর্শ প্রদান করা হয়।
    ১৪. মেসার্স জিএম ব্রিকস (এগই২), বেলগাছা, সদর, কুড়িগ্রাম- গুনগত মান সম্পন্ন ইট উৎপাদনের পরামর্শ প্রদান করা হয়।

    জনস্বার্থে বিএসটিআই বিভাগীয় কার্যালয়, রংপুর এর এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • স্বরূপকাঠিতে দিনে দুপুরে দুর্ধ-র্ষ ডাকা-তি  বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হ-ত্যা করে সর্বস্ব লু-ট

    স্বরূপকাঠিতে দিনে দুপুরে দুর্ধ-র্ষ ডাকা-তি বৃদ্ধাকে শ্বাসরোধ করে হ-ত্যা করে সর্বস্ব লু-ট

    আনোয়ার হোসেন,
    স্বরূপকাঠি(পিরোজপুর) প্রতিনিধি//

    স্বরূপকাঠির সুটিয়াকাঠিতে দিনের বেলায় শেফালী বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যা করে সর্বস্ব লুট করেছে দুর্বৃত্যরা। মঙ্গলবার বেলা ১ টার পূর্বে কোন এক সসময় ওই ঘটনা ঘটেছে বলে বৃদ্ধার ছেলে স্বরূপকাঠি কলেজিয়েট একাডেমির শিক্ষক মো. এনামুল হক জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    এনামুল হক জানান, তিনি তার স্ত্রী ও ছোট ভাই শিক্ষক। নিত্য দিনের মত সকালে তারা সকলেই বিদ্যালয়ে চলে যান। তার ছেলে তাহজিদও মাদ্রাসায় যায়। ছোট ভাই রিয়াজের স্ত্রী গত শনিবার বেড়াতে গিয়েছে। ঘটনার সময় তাদের মা শেফালী বেগম ভবনের দোতলায় একাই ছিল। এনামুল হক জানান, বেলা ১ টার কিছু পূর্বে আমার ছেলে তাহজিদ মাদ্রাসা খেকে বাসায় ফিরে দাদীকে হাত পা রশি দিয়ে বাধা এবং গলায় রশি পেচানো। এ অবস্থা দেখে সে ডাক চিৎকার দিলে লোকজন এসে শেফালী বেগমকে পার্শবর্তী জাহানারা ক্লিনিকে নিােয় গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

    তিনি আরো বলেন, বাসার আলমিরা শোকেস ভেঙে তসনস করে নগদ এক লাখ টাকা ৬ -৭ ভরি স্বর্নালংকার ও মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে।

    নেছারাবাদ থানার ওসি মো. বনি আমিন সাংবাদিকদের জানান, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে এসেছি। তদন্তকাজ চালাচ্ছি। উর্ধতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। সিআইডির টিম ঘটনাস্থলে পৌছে তদন্ত কর্যক্রম শুরু করেছে। আমাদের উর্ধতন কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে আসতেছেন তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে।###