নিলিমা নিল ঠাকুরগাও :আজ ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ রোজ রবিবার মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম -৬ ষ্ঠ পর্যায়, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঠাকুরগাঁও জেলা কার্যালয়ের ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান টি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ঠাকুরগাঁও জেলার সুদক্ষ জেলা প্রশাসক জনাব, ইশরাত ফারজানা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জনাব সত্যজিৎ কুমার কুন্ডু, সাংগঠনিক সম্পাদক, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, কেন্দ্রীয় কমিটি, এবং জনাব মনোরঞ্জন সিং, সভাপতি, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্ট, ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, জনাব জেসমিন নাহার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(শিক্ষা ও আইসিটি), ঠাকুরগাঁও।আরো উপস্থিত ছিলেন, মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম-৬ষ্ঠ পর্যায় হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট,ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে, ঠাকুরগাঁও জেলার এপিডি, জনাব ইন্দ্রজিৎ রায় এবং সঞ্চালনায় ছিলেন, ফিল্ড সুপারভাইজার জনাব, দুলাল চন্দ্র বর্মন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঠাকুরগাঁও জেলার জেলা প্রশাসক ইশরাত ফারজানা বলেন – ” আপনারা নিজেদেরকে সংখ্যালঘু না ভেবে, আপনাদের সন্তানদের এমন ভাবে মানুষ করেন ও সু শিক্ষায় শিক্ষিত করেন যেন আপনাদের সন্তানেরাও এক এক জন জেলা প্রশাসক হতে পারে তথা আরো উন্নত পদে চাকুরী করতে পারে। প্রত্যেক শিশুর পড়ালেখার পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি। এতে তারা নীতি নৈতিকতায় দক্ষ হবে। ”
অনুষ্ঠান টি পবিত্র গীতা পাঠ ও বেদ পাঠের মাধ্যমে বেলা ২.৩০ মিনিটে শুরু হয়ে ৩.৩০ মিনিটে শেষ হয়।
Blog
-

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট কর্তৃক পরিচালিত ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন স্কুলের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ
-

ময়মনসিংহ ইজিবাইকচালকদের কর্মবিরতি, দুর্ভোগে যাত্রীরা
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
ময়মনসিংহে যানজট কমাতে অটোরিকশা চলাচলের জন্য সড়ক নির্ধারণ করার প্রতিবাদে যান চলাচল বন্ধ রেখে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে চালক ও মালিকেরা। এতে রবিবার সকাল ছয়টা থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত নগরে ইজিবাইক না চালানোর ফলে
চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের।রোববার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে নগরের ‘রেলওয়ে কৃষ্ণচূড়া চত্বরে’ প্রতিবাদ সমাবেশ করে
বেলা ১১টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি শেষে সিটি করপোরেশনের সামনের সড়ক অবরোধ করে ঘণ্টাখানেক বিক্ষোভ করে তাদের দাবী বাস্তবায়নে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সচিব সুমনা আল মজীদ এর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন ‘ইজিবাইকচালকরাএর আগে ইজিবাইকের কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে কে কোন এলাকায় গাড়ি চালাবেন, তা জানাতে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শেষ সময় নির্ধারণ করে দেয় ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন।
এসময় চালকরা সিটিকরপোরেশন এর দেওয়া এসব নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে সব রুটে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচলে অনুমতির দাবি জানান।
তবে ইজিবাইকচালকেরা বলছেন, অটোপ্রতি ৮ হাজার টাকা খরচ করে লাইসেন্স করার পরেও নগরীর গাঙ্গিনাড় পাড়সহ কিছু গুরুত্বপুর্ণ এলাকায় প্রবেশ করতে না দেওয়া প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্তে যাত্রী পাচ্ছেন না তাঁরা। এতে প্রায় ৮ হাজার ইজিবাইকচালকের পথে বসার উপক্রম হয়েছে।
ইজিবাইকচালকরা বলেন, রাজনীতি নয়, আমরা পেটনীতিতে বিশ্বাসী। আমরা কেন রাজনীতির শিকার হলাম? আমাদের কেন অটো চলাচল বন্ধ করতে হলো?’
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শফিকুল ইসলাম খান বলেন, যানজট নিয়ন্ত্রণে নগরীর কয়েকটি রুটে অটোরিকশা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ায় চালকেরা আন্দোলন করেছেন। পরে তাঁরা সড়ক থেকে সরে যান।
ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের সচিব সুমনা আল মজীদ বলেন, ‘ইজিবাইকচালকেরা আমার কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকের সমন্বয়ে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে। দেখা যাক কী হয়, আলোচনা সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া বলেও জানান তিনি।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নগরীর বিভিন্ন সড়কে অন্তত ছয় হাজার ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক চলাচল করে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুধু ছয়টি পথে (রুটে) চলাচল করতে পারবেন এসব যানের চালকেরা। এগুলো হলো শম্ভুগঞ্জ থেকে ম্যুরালসংলগ্ন নদীর পাড়ের রাস্তা হয়ে টাউন হল হয়ে রহমতপুর; চরপাড়া মোড় ভায়া দিঘারকান্দা বাইপাস মোড় থেকে আকুয়া বাইপাস মোড় থেকে রহমতপুর বাইপাস মোড়; বাদেকল্পা ভায়া সানকিপাড়া হয়ে বাউন্ডারি রোড দিয়ে পূরবী সিনেমা হল; খাগডহর ঘুণ্টি ভায়া টাউন হল মোড় হয়ে জিলা স্কুল বাউন্ডারি রোড দিয়ে পূরবী সিনেমা হল; কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রেললাইনের পাশের রাস্তা হয়ে তাজমহল স্টেশন; দাপুনিয়া থেকে
জিলা স্কুল, টাউন হল মোড় হয়ে রহমতপুর পর্যন্ত সড়ক। এলাকাভেদে ইজিবাইকচালকদের লাইসেন্স নেওয়ার নির্ নির্দেশনাসহ ইজিবাইকের কাগজপত্রের ফটোকপি জমা দিয়ে কে কোন এলাকায় গাড়ি চালাবেন, তা জানাতে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত শেষ সময় বেধে দেওয়া হয়। -

পটিয়ায় প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত
মহিউদ্দীন চৌধুরী, ষ্টাফ রিপোর্টার।।
পটিয়ায় মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক বহু দলীয় গনতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৮৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির আয়োজনে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল গতকাল (শনিবার) বিকালে বায়তুশ শরফ কমপ্লেক্সের হলরুমে সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ও পটিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোহাম্মদ ইদ্রিস মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী,নাছির উদ্দীন,আবু জাফর চৌধুরী, আবু জাফর চৌধুরী,আবু জাফর ফারুকী,দ্বীন মোহাম্মদ, নুরুল আমিন মন্টু, আবুল কাসেম চেয়ারম্যান, আনোয়ার উদ্দীন,মাহবুবুল আলম আলমদার মেম্বার, নাজমুল হোসেন, আবু জাফর, সেলিম মাষ্টার, মামুন সিকদার,ফারুক রহমান চৌধুরী, আলী আজগর আকবরী,আবুল হাসেম,আকতার হোসেন চৌধুরী মোঃ আকতার, বোরহান উদ্দিন, শফিকুল আলম চেয়ারম্যান, বেলাল, মফজলুর করীম,মোঃ জাবেদ,মইনউদ্দীন,মো: আমিন,জাহাঙ্গীর কামাল,রাশেদুল আলম,এম এ রুবেল,বোরহান উদ্দীন সহ জেলা উপজলার নেতৃবৃন্দুরা।
সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকারের সময় বিএনপি নেতা কর্মীরা সবচাইতে বেশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। বিএনপি নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে , তাদেরকে একের পর এক মামলায় দেওয়ায় দিনের পর দিন কারাবাস করতে হয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা যেন কোনভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেজন্য দলীয় সকল নেতাকর্মীকে সজাগ থাকার জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্বাস্থ্য এবং জুলাই অভ্যূত্থানে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে
বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।ছবির ক্যাপশন- পটিয়ায় জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্রিস মিয়া।
-

অর্ধশতাধিক শ-হীদ, ৬ লা-শ পো-ড়ানো-একাধিক মামলার আসামী জলিল সায়েব আলী
হেলাল শেখ,
বিশেষ প্রতিনিধি-হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আশুলিয়া প্রেসক্লাবে হামলা, ভাংচুর ও গুলি করে ছাত্র-জনতাকে হত্যার পর ৬ লাশ পোড়ানো, বেসরকারি হিসেবে এই এলাকায় শহীদের সংখ্যা ৫৩ হলেও গ্রেজেটে সবার নাম আসেনি, এসেছে ভুল ঠিকানাও। কিভাবে ঠিকানা পাল্টে গেলো, কিভাবে আপন মামা বাবা হয়ে গেলেন? আর কিভাবে জীবিত স্বামীকে মৃত বানিয়ে হত্যা মামলা করা হলো? কিভাবে আত্মীয় পরিচয় দিয়ে ভুয়া বাদিরা একাধিক মামলায় নাম দিয়ে নির্দোষী মানুষদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে এবং মোটা অংকের অর্ধ যাচ্ছে ভুক্তভোগীদের। একাধিক মামলার আসামী আব্দুল জলিল সায়েব আলীরা ভুয়া বাদী হয়ে নির্দোষী মানুষকে হয়রানি করছে, এবার বেড়িয়ে আসছে থলের বিড়াল।ঢাকার আশুলিয়ায় ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ৫৩ জনকে গুলি করে হত্যার পর সেই লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ, কয়েকজন সাবেক এমপি মন্ত্রী, পুলিশ সদস্য ও আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তদন্ত সংস্থায় গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দায়ের করাসহ আশুলিয়া থানায় অসংখ্যক মামলা করা হয়েছে। গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং আশুলিয়ায় মানারাত ইউনিভার্সিটির ইইই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র নিহত আহনাফ আবীর আশরাফুল্লাহর বোন সাইয়েদা আক্তারের পক্ষে গত (৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪) একটি আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুস সাত্তার পালোয়ান। এ ঘটনায় টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনলাইন ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ হয়।
উক্ত অপরাধের ধরণে বলা হয়েছে, এক থেকে পাঁচ ও সাত থেকে ১০ নং আসামিদের নির্দেশ ও পরিকল্পনায় অন্যান্য আসামিরা দেশীয় ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র জনতাদের হত্যা করে তাদের সমূলে বা আংশিক নিমুর্ল করার উদ্দেশে গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘঠনের অপরাধ করে। (যাদেরকে আসামি করা হয়েছে), তারা হলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মুহাম্মাদ আলী আরাফাত, ঢাকা-১৯, সাভার-আশুলিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, তৎকালীন সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি হারুন অর রশিদ, সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, সাবেক আইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার অতিরিক্ত এসপি মোবাশ্বিরা জাহান, সাবেক অতিরিক্ত এসপি আব্দুল্লাহহিল কাফি, ঢাকা জেলা উত্তরের সাবেক ডিবি পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার (ওসি) এএফএম সায়েদ, (ওসি তদন্ত) নির্মল চন্দ্র, এসআই আফজালুল, এসআই জলিল, এসআই রাকিবুল, এসআই আবুল হাসান, এসআই হামিদুর রহমান, এসআই নাসির উদ্দিন, এসআই আব্দুল মালেক, এএসআই সুমন চন্দ্র গাইন, এএসআই বিশ্বজিৎ রায়, কনস্টেবল মুকুল, কনস্টেবল রেজাউল করিমসহ কতিপয় পুলিশ সদস্য, এছাড়াও আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হাসান তুহিন, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ আওয়ামী সহযোগী সংগঠনের সদস্যরাও আসামী হয়েছে মামলায়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট আশুলিয়ার বাইপাইলে ছাত্র-জনতার মিছিলে ১ থেকে ১২ নম্বর আসামির নির্দেশে ১৩ থেকে ৩৬ নং আসামিরা নির্বিচারে গুলি চালালে আহনাফসহ ৫৩জন গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। গুলিবিদ্ধ লাশগুলো ১৩ থেকে ১৬ নং আসামীসহ অজ্ঞাতনামা পুলিশ সদস্য ময়লার বস্তার মতো করে ভ্যানে তোলেন। থানার পাশে পুলিশের একটি গাড়িতে পেট্রোল দিয়ে আগুন জ্বালিয়ে নিহতদের লাশ পুড়িয়ে দিয়ে গণহত্যার নির্মম ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর আগে হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় একাধিক হত্যা মামলা করা হয়, আশুলিয়া থানায় একটি মামলা নং ২৬। তারিখ: ২২/০৮/২০২৪ইং। ছাত্র-জনতা সূত্র জানায়, আশুলিয়ার বাইপাইলে গত ৫ আগস্ট ২০২৪ইং আশুলিয়া প্রেসক্লাব ভাংচুর ও লুট করা থেকে শুরু করে দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্র দ্বারা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর, ছাত্র-জনতা ও পুলিশ সদস্যসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষকে হত্যা করা হয়, এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একাধিক হত্যা মামলা হয়েছে। এসব মামলার আসামি কিছু পুলিশ সদস্য, এমপি, মন্ত্রী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাংবাদিকসহ নির্দোষ মানুষও রয়েছে।
অনেকেই ধারণা করছেন যে, আশুলিয়া প্রেসক্লাব ভাংচুর দখল, আশুলিয়া থানা ভাংচুর ও সরকারি অস্ত্র লুট অগ্নিসংযোগকারীরা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এসব ঘটনায় অনেকেই অপপ্রচার চালায় ওমুকের গুলি লাগছে, ওমুকে আহত হয়েছেন, এসব লোকজনের গুলিবিদ্ধ কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি, তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে কোথায় কি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন? পুরো বিষয়টি রহস্যজনক বলে মনে করছেন শহীদ হওয়া ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল। সূত্র জানায়, আশুলিয়ার বাইপাইলে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী রয়েছে, তাদের কাছে পুরো আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার মানুষ জিম্মি। কিছু অপরাধী আছে যারা নিজের অপরাধ আড়াল করতে অপহরণ, হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত করে। আশুলিয়ার বাইপাইলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারী সাধারণ নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার উপর গুলিবর্ষণ করে যারা এই গণহত্যার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে শনাক্ত ও গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা জরুরী। এই আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন সেই শহীদদের পরিবার সঠিক বিচার পাবেতো?। তবে ১৬৭দিন পর্যন্ত কিছু অপরাধীদেরকে গ্রেফতার করা হলেও যারা নির্দোষী মানুষকে হয়রানি করছে তাদেরকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার খবর পাওয়া যায়নি। যেমন: তাদের মধ্যে আব্দুল জলিল একজন। এই জলিল ও সায়েব আলী পৃথক ব্যক্তি নাকি সায়েব আলীই জলিল? আর এই ও সায়েব আলীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাসহ একাধিক মামলা রয়েছে, এর আগে র্যাব-৪ ও আশুলিয়া থানা পুলিশ জলিলকে গ্রেফতার করে। এর আগে হত্যা মামলার ভুয়া বাদী আব্দুল জলিল-সায়েব আলীর বিরুদ্ধে দেশ টিভি’র ৫ মিনিট ৩ সেকেন্ডের নিউজ প্রকাশ হয়, এরপর যমুনা টিভি’র ৩৮ মিনিট ২ সেকেন্ডের বিস্তারিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়। সেই সাথে একাধিক জাতীয় সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে এই মামলার ভুয়া বাদী জলিল-সায়েব আলীর নামে। তার ভুয়া মামলার একটি সূত্রঃ সি, আর মামলা নং ১১৪৬/২০২৪ ধারাঃ ৩০২/১০৯/১১৪/১২০(খ)/৩৪ দণ্ডবিধি। আশুলিয়া থানার মামলা নং ১৫। তারিখ ০৮/০৯/২০২৪। এখানে মোঃ সাহেব আলী (৪৪) পিতা মোঃ আনজুর প্রামানিক, মাতা-মোছাঃ রাবেয়া খাতুন, সাং সাভার ফরিদপুর, পোঃ বওয়ারী পার, থানা ফরিদপুর, জেলা পাবনা। বর্তমান- খেজুরবাগান, থানা আশুলিয়া, জেলা-ঢাকা। জাতীয় পরিচয়পত্র নং-৩২৮১৩৮২৭৩৩। মোবাইল নং-০১৬৪১১৪৮৬০১। এইসব প্রতারকদেও গ্রেফতার করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবী জানান ভুক্তভোগী পরিবারসহ সচেতন মহল।
আশুলিয়ার বাইপাইলে গত ৫ আগস্ট শহীদ হন আশুলিয়ার সিটি ইউনিভাসিটির টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএসসি) প্রথম বর্ষের ছাত্র- সাজ্জাদ হোসেন সজল। সজলের মা মোছাঃ শাহিনা বেগম এর কাছে তার ছেলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার একমাত্র ছেলে সজল, আমার ছেলেসহ যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে সেই হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। উক্ত ব্যাপারে পুলিশ ও র্যাব জানায়, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। উক্ত হত্যাকাণ্ডের মামলার বিষয়ে ধারাবাহিক ভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।
-

নড়াইলে বাঁশ-বেতই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস প্রায় দুই শতাধিক নারীর
উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে:
নড়াইলে বাঁশ আর বেতকেই জীবিকার প্রধান বাহক হিসাবে আঁকড়ে রেখেছে প্রায় দুই শতাধিক নারী কারিগররা। বাঁশ আর বেতকেই জীবিকার প্রধান বাহক হিসাবে আঁকড়ে রেখেছে প্রায় দুই শতাধিক নারী কারিগররা। বংশ পরম্পরায় এই বাঁশ-বেতই তাদের প্রধান জীবিকার উৎস। কিন্তু দিন দিন বাঁশ-বেতের তৈরি বিভিন্ন পণ্যের চাহিদা কমেছে। যার ফলে ভালো নেই এই শিল্পের সঙ্গে জড়িত নড়াইল সদর উপজেলার আউড়িয়া গ্রামের ঋষি পল্লীর প্রায় ২ শতাধিক নারী। জীবন জীবিকার তাগিদে তবুও বাবা-দাদার এই পেশাকে এখনও ধরে রেখেছেন তারা। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, সরেজমিনে ঋষি পল্লীতে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি বাড়িতে নারীরা তাদের নিপুণ হাতের শৈল্পিক ছোঁয়ায় হরেক রকম বাঁশ ও বেত দিয়ে তৈরি করছেন খোল, চাঙ্গই, চাটাই, খোলুই, মোড়া, দোলনা, কুলাসহ নানান পণ্য। এক পাড়ায় সারি সারি বসা এই নারী কারিগররা সুখ-দুঃখের কথা আলাপচারিতার মধ্যে দিয়ে শেষ করছে এক একটি পণ্য তৈরির কাজ। তাদের সঙ্গে কোনো কোনো পরিবারে পুরুষরাও সহযোগিতা
কাজের ফাঁকে গীতা রানী ঢাকা মেইলকে বলেন, আমরা দুই তিনশ পরিবার এখানে বসত করি। এই, চালন, কুলো, খালোই, ডোল, ঝুঁড়ি বানায় বিক্রি করি। আমাদের বিটারা (পুরুষ) এগুলো হাটে নিয়ে যায়। হাটে নিয়ে বিক্রি করে যে টাকা হয় তাই দিয়ে ছেলে-পেলেকে খাওয়াই, নিজেরা খাই, লেখাপড়া করায়, তাদের খাওয়ায়, কোনো রকম কষ্টে আমাদের জীবন যাপন করতে হচ্ছে।
সন্ধ্যা রানী বলেন, মা-বাবা এই কাজ শিখাইয়াছে। বাঁশ কিনে প্রথমে আমরা ছেদাই। তারপর বেতি বানায়, হিত তুলি, তার কেনাকাটা করি। চাক দিয়ে ডালি বানায় বান্দি। তারপর চালন, কুলা, ধামা বানাই। পরে জয়পুর, ওড়াকান্দি, হিজলডাঙ্গা, কালিয়া, কাটাগড়া, ইতি কান্দিসহ বিভিন্ন মেলায় এই নিয়ে যায়। সরকার যদি বিনা সুদে টাকা দিত তাহলে ভালোভাবে কাজ করতে পারতাম।
ঋষি পল্লীর দীলিপ কুমার বিশ্বাস বলেন, বর্তমানে স্বল্প দামে হাতের নাগালে প্লাস্টিক সামগ্রী পাওয়ায় কুটির শিল্পের চাহিদা আর তেমন নেই। তাছাড়াও দুষ্প্রাপ্য হয়ে পড়েছে এ শিল্পের কাঁচামাল বাঁশ ও বেত। এখন আর আগের মতো বাড়ির আশপাশে বাঁশ ও বেত গাছ রাখছে না কেউ। সেগুলো কেটে বিভিন্ন চাষাবাদসহ ঘরবাড়ি তৈরি করছে মানুষ। তাই কাঁচামাল আর আগের মতো সহজেই পাওয়া যায় না। এখন আর যেখানে সেখানে দেখা মেলে না বাঁশ ও বেত ঝাঁড়। তাছাড়াও প্লাস্টিক ও অন্যান্য দ্রব্যের পণ্য টেকসই ও স্বল্পমূল্যে পাওয়ায় সাধারণ মানুষের চোখ এখন সেগুলোর ওপর।
ভদ্রবিলা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান সজিবুর রহমান বলেন, বেত শিল্পের দুর্দিনে আউড়িয়ার ঋষি পল্লীর দুই থেকে তিনশ নারী কারিগর বাঁশ ও বেতশিল্পকে আঁকড়ে ধরে আছেন। অনেকে এ পেশা ছেড়ে অন্য পেশায় গেলেও পূর্ব পুরুষের হাতেখড়ি এই পেশাকে কিছুতেই ছাড়তে পারেননি তারা। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের দাম বেশি হওয়ায় স্বল্প আয়ের এ পেশায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে সহযোগিতা করা হবে।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের উপ-পরিচালক মৌসুমী রানী মজুমদার বলেন, বাংলার ঐতিহ্য বাঁশ ও বেতের সামগ্রী টিকিয়ে রাখতে এই শিল্পের সঙ্গে জড়িতদের আর্থিক সহযোগিতা করা হবে।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে। -

নলছিটিতে ইয়াবাসহ আটক -২
ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক
ঝালকাঠির নলছিটিতে ইয়াবাসহ দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার(১৯ জানুয়ারি) রাত ১টার দিকে নলছিটি পৌর এলাকার বাইপাস সড়ক থেকে তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন,নলছিটির নান্দিকাঠি এলাকার মো. মকবুল হাওলাদারের পুত্র রায়হানুল ইসলাম ওরফে সোহাগ(৪৪) এবং মালিপুর এলাকার আক্কাছ হাওলাদারের পুত্র মো. রনি(২৬)
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১ টার সময় নলছিটি পৌর এলাকার বাইপাস সড়কে মাদক ব্যবসায়ীরা মাদক বেচাকেনা চলছে। এই মর্মে খবর পেয়ে নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. আব্দুস ছালাম অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন। এমসয় উভয়ের প্যান্টের পকেট তল্লাশি করে মোট ৮২ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
নলছিটি থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা( ওসি) মো. আব্দুস ছালাম জানান, তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
-

জালালাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে ফারুক
মোঃ কাউছার উদ্দীন শরীফ, ঈদগাঁওঃ
দীর্ঘ বছর পর আগামী ২৬ জানুয়ারী কক্সবাজার জেলার নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বিএনপির এই সম্মেলনকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দীপনা।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে বিশেষ এক জরিপে একধাপ এগিয়ে রয়েছেন উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক জনপ্রিয় ব্যক্তি ফারুক আহমেদ।
স্বৈরাচার মুক্ত আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলার ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তৃণমূলের বিএনপির সকল নেতাকর্মীরা।উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক আহমেদ সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।
তিনি প্রথম জালালাবাদ ইউনিয়ন ছাত্রদল দিয়ে শুরু করেন রাজনীতি। একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে ঈদগাঁও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে রয়েছে তার জেল জুলুম ও ফ্যাসিস্টদের হাতে নির্যাতনের ইতিহাস।
তিনি উপজেলা যুবদলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফারুক আহমেদ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন আন্দোলনে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন। আওয়ামীলীগ ও ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সন্ত্রাসীদের রুখে দিতে আন্দোলন সংগ্রাম করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল একাধিক নেতা ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা মনে করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক তৎপরতা আরো সুসংগঠিত ও গতিশীল করতে দুঃসময়ে একজন ত্যাগী নেতা ও রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ফারুক আহমেদ কে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখতে চান বলে তারা জানিয়েছেন।
জালালাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ফারুক আহমেদ বলেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে তারুণ্যের অহংকার তারেক রহমান ও গনতন্ত্রের প্রতিক দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অক্লান্ত পরিশ্রম ও ত্যাগ দিয়ে বাংলাদেশকে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা আন্দোলনে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যোগ্য নেতৃত্বের বিকল্প নেই।গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন ও তৃনমূল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করে এগিয়ে নিতে এবং সংগঠনকে সঠিক রাজনৈতিক চর্চা সহ তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনতে এবারের উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী আমাকে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হলে নগ্ন গ্রুপিং মুক্ত রাজনীতি বন্ধ সহ তৃনমূলের সকলের সহযোগিতা নিয়ে ইউনিয়নের সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।
-

ঈদগাঁও রেঞ্জের অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিলো বন বিভাগ
মোঃকাউছার উদ্দীন শরীফ:ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলায় বনভূমি দখলদারদের বিরুদ্ধে বন বিভাগ জিরোটলারেন্স ঘোষনা মাঠপর্যায়ে কার্যকর শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান।
উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নে এক শ্রেণির অসাধু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট বন দখল করে বাড়ী নির্মাণ নামে অর্থ আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
গোপন সংবাদের ভিক্তিতে সংবাদটি পেয়ে শনিবার ১৮ জানুয়ারী দুপুরে কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন ঈদগাঁও রেঞ্জের ভোমরিয়াঘোনা সদর বিটের ওয়াহেদের পাড়া এলাকার রাশেদার অবৈধ স্থাপনায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন অভিযান পরিচালনা কারী কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের ঈদগাঁও রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান।
জানা যায়, কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা মোঃ মারুফ হোসেনের নির্দেশনায় ঈদগাঁও রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান রেঞ্জের স্টাফ, ভিলেজার ও সিপিজি সদস্যরা বর্ণিত এলাকার রাশেদার অবৈধ স্থাপনায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে নির্মিত ভবন উচ্ছেদ করে বনভূমির জায়গা অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে দখলমুক্ত করা হয়।
অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঈদগাঁও রেঞ্জের ভারপ্রাপ্ত রেঞ্জ কর্মকর্তা মমিনুর রহমান।
-

ময়মনসিংহে মেডিকেল থেকে রক্ত চোর চক্রের ২সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী পুলিশ
আরিফ রববানী ময়মনসিংহ ।।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হতে ব্লাড চোর ও প্রতারক চক্রের ০২ (দুই) সদস্যকে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ।
শনিবার(১৮শে জানুয়ারি) বিকাল অনুমান ০৫:৩০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ১৯ শে জানুয়ারি রবিবার সকালে কোতোয়ালি মডেল থানা কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শফিকুল ইসলাম খান। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ময়মনসিংহের গোয়াইলকান্দি এলাকার মাওলানা মোঃ আব্দুর রহমান খানের পুত্র মোঃ নাঈম খান পাঠান (৩৮),মড়ল বাড়ী এলাকার মন্টু চন্দ্র দে এর পুত্র মোঃ আব্দুল্লাহ @ তুষার চন্দ্র দে। এসময় তাদের নিকট থেকে ০১ (এক) ব্যাগ ব্লাড উদ্ধার করেছে পুলিশ।
ওসি শফিকুল ইসলাম জানান- গ্রেফতারকৃত আসামীরা ময়মনসিংহে অবৈধভাবে বিক্রয় নিষিদ্ধ রক্ত সিন্ডিকেটের সদস্য গ্রেপ্তার। এই চক্রে অন্তত ১০ জন সদস্য আছে, যারা ক্লিনিকে ঘুরে ঘুরে রক্ত বিক্রি করে। যা সম্পুর্ণ অবৈধ ও বেআইনী। চক্রটি রক্তের সাথে সেলাইন মিশিয়ে রক্ত তৈরী করেও বিক্রি করে, এমন অভিযোগও রয়েছে। তারা দীর্ঘদিন যাবত হাসপাতাল হইতে কৌশলে ব্লাড চুরিসহ সাধারন মানুষকে ব্লাড বিক্রয়ের কথা বলিয়া প্রতারনা করিয়া আসিতেছে।
তিনি জানান আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এর সাথে জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি শফিকুল ইসলাম খান।
-

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উদযাপন
ঘাটাইল প্রতিনিধি মোঃ রায়হান মিয়া
টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটা আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।রোববার বিকালে ৪টায় পৌর শহরের বীর ঘাটাইল এলাকায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি।
ঘাটাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তোফাজ্জল হক সেন্টুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মাইনুল ইসলাম।
বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আ.খ.ম রেজাউল করিম, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন ধলা, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম,উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ সাগর, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, পৌর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুরাদ হাসান রুবেলসহ বিএনপির সহযোগী সংগঠন ও অঙ্গর সংগঠনের নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেতার ও বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।