Blog

  • ঝিনাইদহ হাসপাতালে আইসিইউ সিসিইউ কিডনি ডায়ালাইসিস এমআরআই ও সিটি স্ক্যান চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    ঝিনাইদহ হাসপাতালে আইসিইউ সিসিইউ কিডনি ডায়ালাইসিস এমআরআই ও সিটি স্ক্যান চালুর দাবিতে মানববন্ধন

    ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতাঃ
    ঝিনাইদহ আড়াই’শ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে আইসিইউ, সিসিইউ, কিডনি ডায়ালাইসিস, এমআরআই ও সিটি স্ক্যান চালুর দাবিতে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে সদ্য গঠিত ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতাল এলাকায় এই মানববন্ধন কর্মসুচি পালিত হয়।

    ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচিতে ঝিনাইদহের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সুশিল সমাজের প্রতিনিধি, পেশাজীবী সংগঠন, মানবাধিকার কর্মী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ গ্রহন করেন। মানববন্ধন শেষে হাসপাতালের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

    মানববন্ধন কর্মসুচি শেষে এক সমাবেশ ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি মোঃ আশরাফুল ইসলামের সাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী আবুল বাশার।

    সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, প্রফেসর ডা; এ কে এম কামাল, প্রফেসর ড. আব্দুল মতিন, শিল্পপতি ও সমাজ সেবক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ কামরুল ইসলাম, প্রফেসর ডঃ মাহবুবুর রহমান, কমিটির উপদেষ্টা ডাঃ মো: শফিউল আলম সোহাগ, অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডা: মোয়াজ্জেম হোসেন দিপু, ডা: মেহেদী ইসলাম টিটো, ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি এম এ কুদ্দুস, মোঃ আব্দুস সবুর, আবু সালেহ মোঃ মুসা, সাব্বির আহমেদ জুয়েল, তাজনুর রহমান, ফখরুদ্দিন মুন্না, ফারুক হোসেন, সুরভী রেজা ও রেল আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

    সমাবেশে বক্তাগন বলেন, ঝিনাইদহ আড়াই’শ শয্যার হাসপাতাল জেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রধান ভরসাস্থল। অথচ হাসপাতালে আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার চরম অভাব রয়েছে। হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ), করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ), ডায়ালাইসিস, এমআরআই এবং সিটি স্ক্যানের মতো অত্যাবশ্যকীয় সুবিধাগুলো থাকা অত্যাবশ্যক হলেও ঝিনাইদহের মানুষ এসব গুরুত্বপূর্ণ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

    ঝিনাইদহ উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সাধারন সম্পাদক প্রকৌশলী আবুল বাশার জানান, ঝিনাইদহের মানুষকে যাতে এসব সেবার জন্য যশোর, ফরিদপুর বা ঢাকায় ছুটতে না হয়, সে জন্য তারা বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে আন্দোলন করছেন। সংগঠনটি আশা করেন, সরকার তাদের ৫ দফা দাবী পুরণে সচেষ্ট হবেন।

    আতিকুর রহমান
    ঝিনাইদহ।

  • টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি আ-ত্মসাতের অভি-যোগে  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি আ-ত্মসাতের অভি-যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    আব্দুল হমিদ,
    মধুপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

    টাঙ্গাইলের মধুপুরে শরিকদের জমি আত্মসাতের অভিযোগে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    টাঙ্গাইলের মধুপুরে শরিকদের জমি-জমা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলার পুন্ডুরা বড়বাজার এলাকার মৃত আফাজ উদ্দিন খানের ছেলে বজলুর রশিদ খান চুন্নুর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জমি ফেরতের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বজলুর রশিদ খান চুন্নুর শরিকগন ও এলাকাবাসী।

    শুক্রবার বিকেলে মধুপুরের সর্বস্তরের জনতার ব্যানারে মধুপুর বাসস্টান্ডে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভুক্তভোগী শরিকগন, স্বজন, প্রতিবেশী ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী পুরুষ অংশ নেয়।
    মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শরিকদের প্রতিনিধি মো. মোনছের আলী খান, মুন্না মিয়া,আ. জলিল, কামাল হোসেন, সিদ্দিক খান, ফারুক খান, কাজী আফছার, মান্নান, হাবিবুর রহমান খান সহ অন্যান্যরা। বক্তারা অভিযোগ করেন, বজলুর রশিদ খান চুন্নু পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গ্রেফতারকৃত সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড.আব্দুর রাজ্জাক এমপির প্রভাব খাটিয়ে শরিকদের জমি প্রতারণার মাধ্যমে নিজের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে। যা ফেরত চাইতে গেলে বিভিন্ন সমযে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।এমনকি গত মঙ্গলবার সকালে শরিকদের পুকুরে মাছের পোনা ছাড়তে গেলে বজলুর রশিদ খান চুন্নু এর দুই ছেলে রিদম, রাইম এবং তার সহযোগী ইব্রাহিম এর ছেলে রিফাত লাঠিসোটা নিয়ে তাদের উপর হামলা করে এতে লাবনী আক্তার, মমতা বেগম, ও ডলি আক্তার গুরুতর আহত হয়। আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
    এসময় বক্তারা পতিত আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে বজলুর রশিদ খান চুন্নুকে গ্রেফতারের দাবী জানান। এবং ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে ন্যায্য সম্পত্তি ফিরে পেতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানান।
    এলাকাবাসীর দাবি, এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত প্রতারণার ঘটনা নয়, বরং সমাজের দুর্বল ও অসহায় মানুষদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হয়, তার একটি দৃষ্টান্ত। মানববন্ধনে বক্তারা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও জমি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি জানান।

  • সলঙ্গায় বিয়ের দাবীতে হি-ন্দু প্রেমিকের বাড়িতে মুস-লিম নারীর অবস্থান

    সলঙ্গায় বিয়ের দাবীতে হি-ন্দু প্রেমিকের বাড়িতে মুস-লিম নারীর অবস্থান

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় বিয়ের দাবিতে হিন্দু প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান করছেন এক মুসলিম নারী। এই ঘটনায় এলাকায় ব‍্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। থানার ধুবিল ইউনিয়নের শ্যামেরঘন গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
    আজ শনিবার (১৪ জুন ) সকাল থেকে দীনেশচন্দ্ররে ছেলে উজ্জ্বল চন্দ্র এর বাড়িতে অবস্থান নিয়েছে ওই মুসলিম নারী।

    জানা গেছে, বিয়ের দাবিতে বাড়িতে অবস্থান নেয়া ওই নারীর নাম তানজিলা আক্তার।সে বেলকুচি থানা এলাকার বাসিন্দা। তিনি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করার সময় উজ্জ্বল চন্দ্র এর সাথে পরিচয় হয়।

    ভূক্তভোগী ওই নারী জানান,পরিচয়ের এক পর্যায়ে উজ্জ্বল চন্দ্ররের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উজ্জ্বল চন্দ্র মুসলমান হয়ে তাকে বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেয়। দুই বছরে বিভিন্ন সময় আমাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হয়। মোটরসাইকেলে কেনাসহ বিভিন্ন কাজের কথা বলে আমার কাছ থেকে কয়েক লক্ষ টাকা নিয়েছে উজ্জ্বল চন্দ্র । সম্প্রতি তাকে বিয়ের কথা বললে তার পরিবারের চাপে পড়ে সম্পর্ক অস্বীকার করে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। অথচ বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে আমাকে অসংখ্যবার ধর্ষণ করেছে। সে আমার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়ায় বাধ্য হয়ে প্রেমিকের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অনশন শুরু করেছি।
    এ বিষয়ে অভিযুক্ত উজ্জ্বল চন্দ্ররের কাছে জানতে চাইলে তিনি প্রেমের সম্পর্ক অস্বীকার করে জানান, মেয়েটির সাথে আমার কোনো প্রেমে সম্পর্ক নেই।
    সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান,এ নিয়ে থানায় কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

  • পটিয়ার নুরুল হক খু-নের ঘটনা- ধা-মাচাপা দিতে অ-পরাধীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    পটিয়ার নুরুল হক খু-নের ঘটনা- ধা-মাচাপা দিতে অ-পরাধীদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন

    মোঃ মহিউদ্দিন চৌধুরী।।

    পটিয়া সংবাদদাতা।।
    পটিয়ার চাঞ্চল্যকর নুরুল হক খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে খুনিদের পক্ষে সংবাদ সম্মেলন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ১৪ জুন (শনিবার) দুপুর ১টার দিকে পটিয়া প্রেসক্লাব এক মহিলা মুখোশ পড়ে এসে খুনি পরিবারের সদস্য এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন হত্যা মামলার ৫নং আসামী খুনি জসিম উদ্দিনের পুত্র মোহাম্মদ জিশান।

    গত ৩০ মে পটিয়া পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে জায়গার বিরোধ নিয়ে নুরুল হককে পিটিয়ে নিমর্মভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের পুত্র বাদী হয়ে পটিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা নং-১, তারিখ ১/৬/২৫। মামলায় আসামিরা হলেন- কাউছারুল হক বাপ্পা, শহীদুল হক বাসেক, ফজলুল হক, সেলিমুল হক, মো: জসিম উদ্দিন, এমরান কায়ছার, রিজভী, নুর নাহার বেগম, ফাতেমা খাতুন, রোজি আকতার, জয়নাব বেগম, বিলকিছ আকতার, আজিজুল হক। এসব খুনিদের বাচাতে উঠে পড়ে লেগেছে। সংবাদ সম্মেলনে বিভ্রান্তিমুলক বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে।

    মামলার বাদী জামাল উদ্দিন বলেন- তার পিতা নুরুল হক হত্যার সঙ্গে যারা জড়িত তারা এখনো জামিন না নিয়েও এলাকায় কিভাবে ঘুরতেছে। তাছাড়া আসামিদের বাঁচাতে খুনি পরিবার উঠে পড়ে লেগেছে।

  • নলছিটিতে পুকুরে ডু-বে শিশুর মৃ-ত্যু

    নলছিটিতে পুকুরে ডু-বে শিশুর মৃ-ত্যু

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটিতে পুকুরের পানিতে ডুবে রাফতান (৪বছর)নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৪জুন) দুপুরে( ১ টার দিকে) উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের দুধারিয়া গ্ৰামে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। রাফতান ওই গ্রামের মো. আবু তালেব হাওলাদারের ছেলে।
    জানা গেছে, এদিন দুপুর ১টার দিকে একা একা গোসল করতে গিয়ে বাড়ির পার্শ্ববর্তী পুকুরে পড়ে যায় ‌রাফতান। স্বজনরা তাকে বাড়িতে দেখতে না পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজির পর ওই পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করেন।

  • শার্শার পাঁচভুলোট গ্রামে দুলাভাইয়ের ঘের থেকে ১০০ মন মাছ লু-টের অভি-যোগ আপন শ্যালকের বি-রুদ্ধে

    শার্শার পাঁচভুলোট গ্রামে দুলাভাইয়ের ঘের থেকে ১০০ মন মাছ লু-টের অভি-যোগ আপন শ্যালকের বি-রুদ্ধে

    আজিজুল ইসলাম,
    নিজস্ব প্রতিবেদক, বেনাপোলঃ পারিবারিক বিরোধের জের ধরে নিজের বোনজামাই এর মাছের ঘের থেকে প্রায় ১০০ মনের মত মাছ ধরে নিয়ে গোলো আপন শ্যালক। ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের শার্শা উপজেলার পাঁচ ভুলোট গ্রামে।

    উপজেলার পাঁচভুলোট গ্রামের মৃত আজগার মোড়লের ছেলে কাদের মোড়ল ও একই গ্রামের আবু তাহের ঢালীর ছেলে মজিদ ঢালী সম্পর্কে আপন শালা দুলাভাই। তা সত্বেও গত বৃহস্পতিবার (১১) জুন রাতে মজিদ ঢালী লোক জন নিয়ে এসে তার ভগ্নিপতি কাদের মোড়লের
    ঘের থেকে জোরকরে মাছ ধরে নিয়ে যায়। এমনটি অভিযোগ করেছেন মজিদ ঢালীর আপন ভাগ্না নয়ন হোসেন।

    ঘেরের পাহারাদার অজেদ আলী জানান, গত১১ জুন রাত আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে মজিদ ঢালী ২০ -২৫ জন লোক ও ১০ -১২ টা আলম সাধু নিয়ে এসে তাকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে ১০০ মনের মত সাদা মাছ লুট করে নিয়ে যায়। তাদের কাছে লাঠি ও অস্ত্র থাকায় কেউ বাঁধা দিতে সাহস করেনি।

    নয়ন হোসেন জানান, পাঁচভুলোট গ্রামের হামড়ে কুড়োর বিলে তাদের ১০ বিঘা জলকরের একটি মাছের ঘের রয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে তার মামা রাতের অন্ধকারে জোরপূর্বক প্রায় ৫ লক্ষ টাকার মাছ লুট করেছে। সে আরও জানায়, তার মামা একজন মামলাবাজ। তাদের নামে মিথ্যা মামলা দেয়ায় এব্যাপারে তারা থানায় অভিযোগ দিতে সাহস করেনি। নয়ন মাছ লুটের ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • হাটিকুমরুলে গাড়ির অপেক্ষায় কর্মস্থলে ফেরা হাজারো মানুষ

    হাটিকুমরুলে গাড়ির অপেক্ষায় কর্মস্থলে ফেরা হাজারো মানুষ

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :
    ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটি শেষে রবিবার (১৫ জুন) খুলছে অফিস-আদালতসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ছুটির শেষ দিন আজ শনিবার (১৪ জুন) কর্মস্থল রাজধানী ঢাকায় ফিরছেন উত্তর-দক্ষিণাঞ্চলের হাজারো মানুষ। ফলে মহাসড়কে বেড়েছে যাত্রীদের ভিড়। চাহিদার তুলনায় যানবাহনের সংকট দেখা দেওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা।  

    আজ সকাল থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশ পথ ঢাকা-বগুড়,হাটিকুমরুল-বনপাড়া, সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানারহাটিকুমরুল রোড গোল চত্বরে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    যাত্রীরা জানান, রাজধানীতে ফিরছে কর্মজীবী মানুষ ও তাদের পরিবার। ঈদের ছুটির শেষ দিন হওয়ায় মহাসড়কে যাত্রীদের ভিড় বেড়েছে। যানবাহনের জন্য হাজারো মানুষ সড়কে অপেক্ষা করছেন। চাহিদার তুলনায় বাসের সংকট দেখা দিয়েছে। 

    যাত্রীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও বাসের দেখা পাচ্ছেন না। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে যেসব যাত্রীরা বাসের টিকিট কেটেছেন তারাও অপেক্ষায় আছেন গাড়ির। যারা সুযোগ পেয়েছেন তারা ট্রাকের ছাদেও রওনা হয়েছেন।
    হাটিকুমরুল রোডে  অপেক্ষারত ঢাকার একটি গার্মেন্টসের কর্মী ছাবিনা বলেন, “১০ দিনের ছুটিতে ঈদে বাড়ি এসেছিলাম। এখন কর্মস্থলে ফিরতে হবে। সকাল সাড়ে ১১টায় এসেছি, বিকেল হয়ে যাচ্ছে; তারপরেও টিকিট পাইনি। কেউ কেউ দুই-তিনশ টাকা বেশি দিচ্ছে, তবুও গাড়িতে সিট পাচ্ছে না।”

    ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী শাহ-আলী বলেন, “প্রতিবারই এই সময় এমন হয়। এবার সমস্যা বেশি। আগেভাগে টিকিট কেটে না এলে এখন আর যাওয়ার উপায় নেই। অফিসে না গেলেও সমস্যা হবে।”
     নাটোর বড়াইগ্রাম এলাকার যাত্রী পারভিন খাতুন বলেন, “ঢাকায় মেয়ে পড়ালেখা করে। তাকে নিয়ে ঢাকায় যাচ্ছি। ওর বাবা সরকারি চাকরি করে। সে ছুটি শেষ হওয়ার আগেই ঢাকায় চলে গেছে। আগামীকাল থেকে মেয়ের স্কুল খোলা। ঢাকায় যাওয়ার কোনো বাস নেই। এখন পর্যন্ত টিকিট পায়নি। মেয়েকে নিয়ে গাড়ির অপেক্ষায় বসে আছি।”

    সেবা লাইন বাসের চালক হাফিজুর রহমান বলেন, “অনেক বাস নির্ধারিত সময়ে ঢাকায় পৌঁছাতে পারেনি। উত্তরবঙ্গের বাকি রুটের সব বাসই নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৩-৪ ঘণ্টা দেরিতে ঢাকায় পৌঁছাচ্ছে। যমুনা সেতুর দুই পারে যানজট থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।”
    ঢাকা -বগুড়া রুটে পরিবহন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান শ্যামলী এন্টারপ্রাইজের কাউন্টার ম্যানেজার মাহবুব বলেন, রোড থেকে গড়ে প্রতিদিন অসংখ্য বাস ঢাকায় চলাচল করছে। এবারের ঈদে যাত্রী সংখ্যা অনেক বেশি।

    তিনি বলেন, “যেসব যাত্রী আগেই টিকিট কেটেছেন, তারাই আগে যাচ্ছেন। একটি বাস ঢাকায় গিয়ে ফিরে এসে যাত্রী নিয়ে আবারো রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা হচ্ছে। আমরা বিআরটিএ নির্ধারিত ভাড়া নিয়ে অগ্রিম টিকিট বিক্রি করেছি।

  • ঝালকাঠিতে বাস-পিকআপ মু-খোমুখি সং-ঘর্ষে নি-হত ২

    ঝালকাঠিতে বাস-পিকআপ মু-খোমুখি সং-ঘর্ষে নি-হত ২

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির রাজাপুর হানিফ পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস ও একটি পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন।

    শনিবারবার (১৪ জুন) দুপুর ২ টার দিকে রাজাপুর-ভাণ্ডারিয়া আঞ্চলিক সড়কে পাকাপুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পিকআপটি ভাণ্ডারিয়া থেকে রাজাপুরের দিকে আসছিল। এ সময় বিপরীত দিক থেকে দ্রুতগামী হানিফ পরিবহনের একটি বাস এসে পিকআপটিকে ধাক্কা দেয়। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। দুর্ঘটনার পর সড়কে যান চলাচল কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়।

    খবর পেয়ে রাজাপুর ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। নিহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

    রাজাপুর থানার ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, “ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় এনেছে। নিহতদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে ৫ জনকে ঠে-লে দিয়েছে বিএসএফ 

    তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে ৫ জনকে ঠে-লে দিয়েছে বিএসএফ 

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি ।।

    পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৫ বাংলাদেশীকে ঠেলে দিয়েছে।  আজ শনিবার  ভোরে তেতুঁলিয়া উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের পেদিয়াগছ সীমান্ত দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে।  

    বিজিবি জানায়, পঞ্চগড় ব্যাটালিয়ন ১৮ বিজিবির অধিনস্থ তেঁতুলিয়া উপজেলার শালবাহান পেদিয়াগছ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায়, সীমান্তের মেইন পিলার  ৪৩২ এর ১ নম্বর সাব পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফের ১৩২ ব্যাটালিয়নের পুরোহিত গছ ক্যাম্পের সদস্যরা ৫ জনকে পুশইন করে। পরে তাদের ৮০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দক্ষিণ পেদিয়াগছ এলাকা থেকে ৫ জনকে আটক করা হয়। 

    আটককৃতরা হলেন,নড়াইল জেলার নড়াইল থানার গোবরা পোস্ট এলাকার বিরগ্রাম গ্রামের মৃত ইশ্বর গোপাল চন্দ্র বিশ্বাসের মেয়ে কল্পনা রানী  বিশ্বাস (৩৭), যশোর জেলার অভয়নগর থানার শ্যামনগর গ্রামের মৃত মকবুল শেখের ছেলে মো.তরিকুল ইসলাম (৪২), যশোর জেলার শারশা থানার বড় কলোনী গ্রামের মো.মারফত আলী গাজীর ছেলে মো.কোরবান আলী (২৭), একই এলাকার মারফত আলী গাজীর মেয়ে ফারজানা মারফত আলী গাজী (২৩) ও একই এলাকার মো.কোরবান আলীর স্ত্রী  নাজমা আক্তার (২৭)। তাদের ৫ জনের বাড়ি যশোর জেলায় বলে জানিয়েছে। তাদের মধ্যে এক নারী গর্ভবতীয় থাকায় তাকে তেঁতুলিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। সকাল ৯ টায় তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 

    তেতুঁলিয়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নজির হোসেন বলেন, পুশইন হওয়া ৫ বাংলাদেশীকে জিডিমূলে বিজিবি আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। 

    তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আফরোজ শাহীন খসরু’র জানান, তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের নিরাপত্তায় আমার তত্বাবধানে তেঁতুলিয়া নতুন ডাকবাংলো ২টি কক্ষে তাদের হেফাজতে রাখা হয়েছে । তাঁদের পরিচয় নিশ্চিতের পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যরা কাছে হস্তান্তর করা হবে।

  • যশোরের শার্শার রঘুনাথপুরে স্বামী স্ত্রীর মৃ-তদেহ উদ্ধার , রহস্যের গ-ন্ধ 

    যশোরের শার্শার রঘুনাথপুরে স্বামী স্ত্রীর মৃ-তদেহ উদ্ধার , রহস্যের গ-ন্ধ 

    আজিজুল ইসলাম, যশোরঃ  যশোরের শার্শা উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে স্বামী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রহস্য ঘেরা এই ঘটনা নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জের ধরে রঘুনাথপুর গ্রামের মনিরুজ্জামান (৫২) তার স্ত্রী রেহানা খাতুন (৪৫) কে শ্বাসরোধ করে হত্যা করার পর নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। বাড়ির পাশে ফাঁকা মাঠে পড়ে ছিলো স্ত্রীর মরদেহ, আর বাড়ির সামনে গাছে ঝুলছিলো স্বামী।  তাদের ১ ছেলে ও ১ মেয়ে রয়েছে। 

    মৃত মনিরুজ্জামান রঘুনাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে। তার স্ত্রীর নাম রেহেনা খাতুন। তারা রঘুনাথপুর গ্রামে বসবাস করতেন।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলছিলো। ঘটনার দিন সেই কলহ চরমে পৌঁছালে মনিরুজ্জামান প্রথমে তার স্ত্রীকে গলাচিপে হত্যা করে এরপর নিজে গাছের সাথে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। তবে বিষয়টি নিয়ে নানান গুঞ্জন চলছে এলাকায়। 

    ঘটনার পরপরই বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উভয়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে। মরদেহ দুটি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছেন, ময়না তদন্তের পর প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

    এই মৃত্যু নিয়ে এলাকায় দারুন চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, তাদের হত্যা করা হতে পারে। পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।