Blog

  • আগ্নে-য়াস্ত্র ও মা-দক সহ সাতক্ষীরার সাবেক আ.লীগের এমপির ছেলে রু-মন আট-ক

    আগ্নে-য়াস্ত্র ও মা-দক সহ সাতক্ষীরার সাবেক আ.লীগের এমপির ছেলে রু-মন আট-ক

      

    মো: আজিজুল ইসলাম ইমরান 

    সাতক্ষীরার আ.লীগের সংরক্ষিত আসেনের সাবেক এমপি রিফাত আমিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করেছে যৌথবাহিনী। এসময় তার ছেলে সাফায়েত সরোয়ার রুমনকে আটক করা হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) দুপুরে শহরের আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ বিলাশবহুল বাড়িতে ২ ঘণ্টাব্যাপী অভিযানে নেতৃত্ব দেন সেনাবাহিনীর সাতক্ষীরা ক্যাম্পের মেজর ইফতেখার আহমেদ।

    সাফায়াত সরোয়ার রুমন আশাশুনির কাদাকাটি গ্রামের মৃত রুহুল আমিনের ছেলে এবং তার মা রিফাত আমিন সাতক্ষীরা জেলা মহিলা আ.লীগের সাবেক সভানেত্রী ও আ.লীগের সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক এমপি ছিলেন।

    যৌথবাহিনীর অভিযানের শুরুতেই দুইতলা হতে রুমন লাফিয়ে নিজতলা দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। তখন যৌথবাহিনী রুমনকে আটক করে বাড়িতে তল্লাশি করে মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার করে।

    সেনাবাহিনীর মেজর ইফতেখার আহম্মেদ অভিযান শেষে সাংবাদিকদের বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রিফাত আমিনের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে ৩ শতাধিক ইয়াবা বড়ি ও একটি রাইফেল, একটি তলোয়ার এবং মদ ও খালি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে এবং সাবেক এমপির ছেলে সাফায়াত সরোয়ার রুমনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • পঞ্চগড় সীমান্তে নিহ-ত এক 

    পঞ্চগড় সীমান্তে নিহ-ত এক 

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি :

    পঞ্চগড় সীমান্তে রাজু ইসলাম (২৯) নামে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি রাজু ইসলামের মৃত্যু হয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে। তবে বিএসএফের গুলিতে কারো নিহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

    শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের আওতাধীন পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঝুলিপাড়া সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

    রোববার (১৫ জুন) দুপুরে পুলিশ নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।

    নিহত রাজু ইসলাম ওই এলাকার আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের ঝুলিপাড়া সীমান্ত দিয়ে কয়েকজনের সঙ্গে গরু আনতে যান রাজু। এ সময় বিএসএফ তাদের ধাওয়া করে। পরে পালিয়ে আসার সময় বিএসএফ গুলি করলে রাজুর দুই পায়ের হাঁটুতে গুলি লাগে। পরে রাজুর সহযোগীরা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়ির বাইরে রেখে পালিয়ে যান। এ সময় রাজুর চিৎকারে পরিবারের সদস্যরা বাইরে আসেন। তারা আহত অবস্থায় রাজুকে অ্যাম্বুলেন্সে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শইমী ইমতিয়াজ বলেন, আমরা রাজুর দুই পায়ে সুস্পষ্টভাবে গুলির চিহ্ন পেয়েছি। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করে আমরা মামলা করবো।

    নীলফামারী ৫৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে কর্নেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা বলেন, গত রাতে ওই সীমান্তে কোন গুলির ঘটনা ঘটেনি। আমরা বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করেছি তারাও বিষয়টি অস্বীকার করেছে। গুলির ঘটনা ঘটলে বিকট শব্দ হয় অনেক দূর পর্যন্ত শোনা যায়। আমাদের দুটি দল সীমান্তে মোতায়েন ছিলো তারা কোন গুলির শব্দ শোনেনি। এছাড়া আমরা নিহত যুবকের পরিবারের সাথে কথা বলেছি তারা বলেছে স্টক করে মারা গেছে। তার পায়ে ক্ষতর কথা বললেও সেটা কিসের ক্ষত তারা বলেনি।

  • সেনবাগে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ও সম্পাদকের বিরু-দ্ধে মি-থ্যা সংবাদ সম্মেলনের বিরু-দ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    সেনবাগে ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ও সম্পাদকের বিরু-দ্ধে মি-থ্যা সংবাদ সম্মেলনের বিরু-দ্ধে সংবাদ সম্মেলন

    রফিকুল ইসলাম সুমন (নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর সেনবাগে ৬নং কাবিলপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মহিন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন দুলালের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ ও সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ৬নং
    কাবিলপুর ইউনিয়ন বিএনপি,
    যুবদল ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দগন।১৫ জুন রবিবার বিকেলে উপজেলার ছমিরমুন্সীর হাট ড্রিম কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ৬নং কাবিলপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মমিন উল্ল্যাহ র উপর ইউনিয়ন যুবদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে হামলার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন ও মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন চেয়ারম্যান মমিন উল্লাহ।কিন্তু হামলার ঘটনার কোন সত্যতা এখনো প্রমাণিত হয়নি এবং যুবদলের কোন নেতাকর্মীর এতে সম্পৃক্ততা ও নেই। বক্তারা এসময় বলেন আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে
    মমিন উল্লাহর এমন মিথ্যা
    অভিযোগ ও বক্তব্য যেন প্রত্যাহার করেন।অন্যথায় ইউনিয়ন বিএনপি ও তার সহযোগী অঙ্গ সংগঠন সমুহের নেতৃবৃন্দগন কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।
    সংবাদ সম্মেলনে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মহিন উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন দুলাল,ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ইসমাইল হোসেন , সাধারণ সম্পাদক সামু সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দগন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে উক্ত ঘটনার প্রতিবাদে
    যুবদল নেতাকর্মীগন ছমিরমুন্সীর হাট মহাসড়কে এক বিক্ষোভ মিছিল করে।

  • তারাগঞ্জে অতি-রিক্ত ভাড়া ও যাত্রী হয়-রানি রো-ধে যৌ-থ বাহিনীর অভিযান

    তারাগঞ্জে অতি-রিক্ত ভাড়া ও যাত্রী হয়-রানি রো-ধে যৌ-থ বাহিনীর অভিযান

    খলিলুর রহমান- নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জে যাত্রীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগে তিনটি যাত্রীবাহী বাসকে ১১হাজার টাকার মামলা দেয়া হয়েছে।

    রবিবার (১৫ জুন) সকালে যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তারাগঞ্জের বারাতি নামক স্থানে চলন্ত বাস থামিয়ে সেনাবাহিনী ও হাইওয়ে পুলিশ এ অভিযান চালায়।

    এসময় যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে দোয়েল পরিবহনের ২টি বাসসহ মোট তিনটি বাসের ১১হাজার টাকার মামলা দেয়া হয়েছে।

    যাত্রীদের অভিযোগ, পরিবহনগুলো নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ নিচ্ছে। তারা বলেন, স্বাভাবিক দিনের ৭০০ টাকার ভাড়া ১২০০টাকা নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলেই বলে গেলে যান আর না গেলে নাই।

    এ ধরনের অভিযানকে স্বাগত জানিয়েছে অন্যান্য যাত্রীরাও। শরিফুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, এমন অভিযান আমাদের জন্য স্বস্তিদায়ক। এতে পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে।

    অভিযান পরিচালনার বিষয়ে তারাগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের ওয়ারেন্ট অফিসার মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় ও হয়রানি করা হচ্ছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাইওয়ে পুলিশকে সাথে নিয়ে – ২৭টি বাস , ১৫ টি ট্রাক,২০টি
    মাইক্রেবাস , ১২টি প্রাইভেট কার , ৩৭টি মটরসাইকেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোয়েল পরিবহনের দুটি বাস সহ মোট তিনটি গাড়ির নিয়মিত মামলা দেয়া হয়।
    তিনি আরও বলেন, যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে ও পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আমাদের এ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

  • ফুলবাড়িয়া রাতের আঁধারে লেবু গাছ কেঁ-টে ফেলার অভি-যোগ

    ফুলবাড়িয়া রাতের আঁধারে লেবু গাছ কেঁ-টে ফেলার অভি-যোগ

    মো.সেলিম মিয়া (ময়মনসিংহ) ফুলবাড়িয়া প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার এনায়েতপুর ইউনিয়নে রাতে আঁধারে ৯০ শতাংশ জমির শতাধিক লেবু গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রুহুল আমিন গংদের বিরুদ্ধে।
    জানা যায়, এনায়েতপুর ইউনিয়নের কাহালগাঁও গ্রামের আ: মোতালেব ও নুরুল ইসলাম দুই ভাই। আব্দুল মোতালেবের দুই মেয়ে মুক্তা ও মনি আর নুুরুল ইসলামের দুই পুত্র কামরুজ্জামান ও আমিরুল ইসলাম। কামরুজ্জামান মোতালেবের মেয়ে তানজিনা আক্তার মুক্তার কে বিয়ে করেন। নুরুল ইসলাম ও মোতালেব জীবিত থাকাকালীন কাহালগাঁও মৌজায় স্ট্যাম্পমুলে ৯০ শতক জমি কামরুজ্জামান, আমিরুল ইসলাম ও তানজিনা আক্তার মুক্তার নামে লিখে দেন।
    অপরদিকে আব্দুল মোতালেবের আরেক মেয়ে মনি আক্তারের বিয়ে হয় ভালুকা উথুরা গ্রামের সজিবের সাথে। জমির লোভ সামলাতে না পেরে মনি ও তার স্বামী সজিবের কু পরামর্শে শাশুরী নাজমুন নাহার বড় মেয়ের জামাই কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে পুলিশ হেড কোয়ার্টারে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি তদন্তে মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ার পরও সামাজিকভাবে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি সালিশীর মাধ্যমে উক্ত জমি ভোগ দখলের জন্য দেওয়া হয়। তবে অন্য দাগের জমিগুলো কামরুজ্জামান গংদের লিখে দেওয়ার কথা। কিন্তু তারা কথা না রেখে স্থানীয় দালালদের যোগসাজসে স্ট্যাম্পমূলে বিক্রি করার পায়তারা করে।
    আমিরুল ইসলাম গংদের দাবী, ভালুকার উথুরা গ্রামের মোজাম্মেল হকের পুত্র সজিব মিয়া বায়না মুলে আলতাব আলী ছেলে মোঃ রুহুল আমিনের কাছে বায়না করে। ঈদের দুই দিন পর সোমবার (০৯ জুন) রাতে আঁধারে লেবু বাগানের গাছ কেটে ফেলেছে রহুল আমিন গংরা। ৯০ শতাংশ জমির উপর লেবু গাছের মাঝে শতাধিক লেবু গাছ কেটে ফেলেছে।
    এলাকার জমির দালাল রহুল আমিন গংরা লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে আসে ৯০ শতাংশ জমির উপর শতাধিক লেবু গাছ কেটে ফেলেছে। এ ঘটনা শুনার সাথে সাথে আমি আশেপাশে লোকজন নিয়ে বিষয়টি ইউপি সদস্যকে অবগত করি। লেবু গাছ গুলোতে পুরোদমে ফলন প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে। জমির দালাল মোঃ রহুল আমির গংরা লেবু গাছ গুলো কাটা শুরু করে তারা আমার পিছনে দীর্ঘদিন ধরে লেগে তারা আমার ক্ষতি করবে।

    শ্রমিক জিন্নাহ ফকির বলেন, সকালে আমি লেবু ক্ষেতে গেলে গাছ কাটা দেখতে পাই। এরপর জমির মালিক কে সংবাদ দেই। এতে আমার প্রায় অর্ধ লক্ষ টাকা ক্ষয় ক্ষতি হয়। এ বিষয় নিয়ে ফুলবাড়ীয়া থানার একটি অভিযোগ করি।

    ইউপি সদস্য আশরাফুল আলম বলেন, আমি শুনেছি, সাবেক মেম্বার আমিরুল ইসলামের লেবু গাছ কেটে ফেলেছে। কিন্তু কাজটি ঠিক করে নাই।

    মো: রুহুল আমিন বলেন, আমি জমি বায়না করেছি। কে বা কারা লেবু গাছ কেটেছে তা আমি জানি না।

    মনি আক্তারের স্বামী সজিব বলেন, আমি ৭২ শতাংশ জমি বিক্রি করেছি। আমরা লেবু গাছ কাটি নাই।

    তানজিনা আক্তার মুক্তা বলেন, আমার বোন তো সকল জমিতে ওয়ারিশ। তার জমি বিক্রি করতে চাইলে প্রত্যেক দাগে দাগে বিক্রি করতে হবে। এক দাগে জমি বিক্রি করার কোন সুযোগ নেই।

  • জমি বিরো-ধে কলেজছাত্রীসহ একই পরিবারের ছয় নারীকে পি-টিয়ে আহ-ত

    জমি বিরো-ধে কলেজছাত্রীসহ একই পরিবারের ছয় নারীকে পি-টিয়ে আহ-ত

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের মাদারঘোনা গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কলেজছাত্রীসহ একই পরিবারের ছয়জন নারীকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

    ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার (১০ জুন) দুপুরে। আহতদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পাঁচ দিন পর রোববার (১৫ জুন) আহতদের একজন, জোসনা বেগম, নলছিটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

    অভিযোগ থেকে জানা গেছে, মাদারঘোনা গ্রামের রাজু হাওলাদার, মিনারা বেগম, মোঃ রঞ্জু, রিয়াদ খান, রিফাত খান, মন্নান খান ও মাসুদ খান ওই পরিবারের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। একপর্যায়ে বাধা দিলে তারা নারী সদস্যদের পিটিয়ে আহত করে।

    আহতদের মধ্যে তিনজন কলেজছাত্রীও রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। হামলার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

    আহত জোসনা বেগম বলেন,মাদারঘোনা মৌজার ৩৬০ নং খতিয়ানের ৪১৬, ৪১৭, ৪১৮, ৪১৯, ৪২০ ও ৪২১ দাগের মধ্যে ৮৯ শতক জমির মধ্যে আমার বাবা ১২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। আমরা দীর্ঘদিন ধরে সেই জমিতে বসবাস করছি।

    তিনি আরও বলেন,ভাগবণ্টন নিয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ১০ জুন সকালে সালিশি বৈঠক বসলে অভিযুক্তরা সালিশদারদেরও মারধরের চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা চলে গেলে আমাদের ঘরে প্রবেশ করে গালিগালাজ শুরু করে এবং পরে হামলা চালায়। ঘরে কোনো পুরুষ না থাকায় তারা আমাদের ওপরই চড়াও হয়।

    অভিযুক্তদের মধ্যে মন্নান খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,আমরা তাদের মারধর করিনি।

    নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি (তদন্ত) আশরাফ আলী বলেন,ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • সিটিজেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত 

    সিটিজেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত 

    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ মোঃ নাঈম মল্লিক

    নলছিটিতে সিটিজেন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফলদ, বনজ, ঔষধি গাছের চারা রোপণের মধ্য দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ২০২৫ এর উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ শনিবার (১৪ জুন) বিকাল ৪.৩০ ঘটিকায় উপজেলার কুলকাঠী ইউনিয়নের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ও বিএনপি অফিসের সম্মুখে এবং বাজার এলাকায় কর্মসূচির অনুষ্ঠিত হয়েছে

    এসময় ভার্চুয়াল ভাবে যুক্ত হন সম্মানিত আহবায়ক অ্যাডভোকেট কাওসার হোসেন,সংগঠনের কেন্দ্রীয় ও বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন বৃক্ষরোপণের উপকারিতা ও বৃক্ষরোপণে মানুষকে উৎসাহিত করতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,কুলকাঠী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী, সাধারণ সম্পাদক খোকন মাঝি, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কামাল হোসেন মল্লিক, সিটিজেন ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক সাইদুল ইসলাম ও সদস্য সচিব মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান (রাসেল মৃধা), সুমন,সোহেল, মাহফুজ রবিউল, ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়ায় হাকিম স্যারের মৃ-ত্যুতে সান্টু সরদারের শো-ক

    বানারীপাড়ায় হাকিম স্যারের মৃ-ত্যুতে সান্টু সরদারের শো-ক

    বরিশালের বানারীপাড়া সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মোঃ আঃ হাকিম (৮৬) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না… রাজিউন)।

    আজ শনিবার ১৪ জুন সকাল ১০টায় উপজেলার সলিয়া বাকপুর ইউনিয়নের মহিষাপোতা গ্রামে নিজ বাসভবনে বার্ধক্য জনিত কারণে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী সহ ও দুই ছেলে সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

    আজ মাগরিব বাদ বানারীপাড়া সরকারি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশন পাইলট বিদ্যালয়-এর মাঠে মরহুমের জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে তাকে পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।

    শ্রদ্ধেয় শিক্ষাগুরুকে এক নজর দেখার জন্য বিভিন্ন শ্রেণি পেশার রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের লোক উপস্থিত ছিলেন।

    এদিকে তার মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন -বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য গণমানুষের নেতা দানবীর বীর মুক্তিযোদ্ধা এস শরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু। তার এক শোক বার্তায় তিনি মরহুম আঃ হাকিম স্যারের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ও তার জন্য দোয়া প্রর্থনা করেছেন।

  • দুদ-কের অভি-যান চললেও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের অ-নিয়ম দু-র্নীতি কোনো ভাবে ব-ন্ধ হচ্ছে না

    দুদ-কের অভি-যান চললেও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের অ-নিয়ম দু-র্নীতি কোনো ভাবে ব-ন্ধ হচ্ছে না

    হেলাল শেখঃ ঢাকাসহ সারাদেশে ৩৫টি অফিসে দুদকের অভিযানেও বিআরটিএ কর্মকর্তাদের কৌশলগত অনিয়ম দুর্নীতি এখনো কমেনি। বিআরটিএ কর্মকর্তাদের দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ করার পর দুদকের অভিযান চলমান রয়েছে, সংবাদ প্রকাশ করায় এর মধ্যে সংবাদ কর্মীদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিচ্ছে দালাল চক্র। ড্রাইভিং লাইসেন্স ও যানবাহনের ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে গিয়ে দালালদের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেন এবং নানা অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকাসহ দেশের ৩৫টি বিআরটিএ (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কতর্ৃপক্ষ) অফিসে একযোগে অভিযান চালায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
    রবিবার (২৫ মে ২০২৫ইং) জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে দুদক নিয়মিত অভিযান চালালেও বিআরটিএ কর্মকর্তারা অনেকেই নতুন কৌশলে ঘুষ বাণিজ্য শুরু করেছে। জানা যায়, গত (৭ মে ২০২৫ইং) সকালে দুদকের প্রধান কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জেলা কার্যালয় থেকে অভিযান শুরু করেন দুদক কর্মকর্তারা। রাজধানীর উত্তরা ও ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ অফিস ছাড়াও গাজীপুর, নারায়নগঞ্জ, চট্রগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, পাবনা ও সিলেটসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিআরটিএ অফিসগুলোতে অভিযান চালানো হয়। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাসজির আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, গত বুধবার সারাদেশে ৩৫টি বিআরটিএ অফিসে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এরপর আবারও অভিযান চালায় দুদক কিন্তু কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না অনিয়ম দুর্নীতি।
    সুত্র জানায়, অনেক অফিসেই দালালদের সরব উপস্থিতি ও সেবা দিতে গিয়ে ঘুষ দাবি করার প্রমাণ মিলেছে। অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ মানুষ দালাল ছাড়া সহজে কোনো সেবা পাচ্ছেন না। অভিযানের আওতায় অন্যান্য জেলা অফিসের মধ্যে রয়েছে বাগেরহাট, বরিশাল, কক্সবাজার, কুমিল্লা, যশোর, পাবনা, ঠাকুরগাঁও, টাঙ্গাইল নেত্রকোনা, নীলফামারী, গোপালগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, মেহেরপুর ও শেরপুরসহ আরো অনেক জায়গায়। এর আগেও ২৯ এপ্রিল স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৩৬টি অফিস এবং গত ১৬ এপ্রিল দেশের ৩৫টি সাব-রেজিস্ট্রার অফিসেও অনিয়মের অভিযোগে অভিযান চালিয়েছিলো দুদক। এ অভিযানগুলো সরকারি সেবা সংক্রান্ত দুর্নীতির বিরুদ্ধে ধারাবাহিক পদক্ষেপের অংশ বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির কর্মকর্তাগণ। উক্ত ব্যাপারে আমাদের রিপোর্টার মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) এর অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ধারাবাহিক ভাবে চলবে।
    এর আগে বিআরটিএ অফিসের কর্মকর্তার অনিয়ম দুর্নীতির সংবাদটি প্রকাশ করা হয়, বিশেষ করে ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ ও সাভারে বিআরটিএ অফিসের কুখ্যাত দুনীতিবাজ মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খান গোপালগঞ্জ এলাকায় বিয়ে করে জামাই হওয়ার সুবাদে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ শীর্ষ নেতাদের সাথে ছিলো সুসম্পর্ক আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঢাকাসহ নিজ এলাকায় বাড়ি গাড়িসহ অনেক সম্পদ গড়ে তুলেছেন। এমনকি সংশ্লিষ্ট দালাল চক্রের সদস্যরাও একাধিক বাড়ি গাড়ির মালিক বুনে গেছেন। সূত্র জানায়, সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া পেঁয়ারা বাগান এলাকায় বাড়ি করেছে মোস্তফা কামাল নামের এক সক্রিয় দালাল। জানা গেছে, বিআরটিএ কর্মকর্তা মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খান তার অফিসে সঠিক সময় আসেন না। অফিসের সংশ্লিষ্ট লোকজন জানায়, তাদের সাথেও তিনি মাঝে মধ্যে খারাপ ব্যবহার করেন, টাকার গরমে মানুষকে মানুষ মনে করেন না বলে অফিসের লোকজন অনেকেই জানান। অফিস সূত্রে জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম অনিয়ম দুর্নীতি করে ঢাকায় ফ্ল্যাট বাসা বাড়ি গাড়ি করে শত শত কোটি টাকার মালিক বুনে গেছেন। এ ব্যাপারে একাধিক জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসহ গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়েছে। দুদক কর্মকর্তা বিভিন্ন অফিসে অভিযান করলেও সাভারে অভিযান করার বিষয়ে নিশ্চিত নয়।
    জানা গেছে, আমিনুল ইসলাম খানের কয়েক বছর আগে তেমন কিছু ছিলো না, বিআরটিএ’র অফিসে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ গ্রহণ করে ( ব্ল্যাক মানি) কালো টাকার মালিক বুনে গেছেন। সূত্র জানায়, বর্তমান সময়ে আলোচিত ও সমালোচিত কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ঢাকা বিভাগীয় বিআরটিএ অধিনস্থ ঢাকা জেলা সার্কেলের মোটরযান পরিদর্শক মোঃ আমিনুল ইসলাম খান। দেখা যায়, দূর-দূরান্ত থেকে আগত মোটরযানের কাগজপত্র নিয়ে সেবা পেতে আসা সেবাগ্রহীতাদের কৌশলে জিম্মি করে ভুলবাল বুঝিয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পরীক্ষায় পাস-ফেলের গ্যাড়াকলে ফেলে দালাল নিযুক্ত সদস্য দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। প্রতিনিয়ত বিআরটিএ পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়, এ যেন মহা ঘুষ বাণিজ্য ও বিআরটিএ অফিসের ভেলকিবাজি। ভুক্তভোগীরা জানায়, আমরা এই অফিসের কর্মকর্তার কাছে একরকম জিম্মি হয়ে আছি, তাদেরকে ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে ফেল করে হয়রানি করে। পাস-ফেল তাদের হাতে, কৌশলে জিম্মি করে গ্যারাকলে ফেলে পরীক্ষায় ফেল করা হয় বলে অনেকেই জানান।
    জানা গেছে, মাসের পর মাস ঘুরানো হয় ড্রাইভিং লাইসেন্স নিতে আসা লোকজনকে। অতিরিক্ত টাকা দিলে কম সময়ে লাইসেন্স পাওয়া যায় আর তা নাহলে হয়রানির শেষ নাই। এ ভাবেই চলছে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের মহোৎসব। কারণ, উক্ত অফিসের মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম গোপালগঞ্জের মানুষের কথিত জামাই। এখন আবার বিএনপি’র শীর্ষ নেতার আত্মীয়, নিজে আবার নাকি ছাত্র দল করতেন, তবে তার কোনো প্রমান পাওয়া যায়নি, তিনি একজন সুবিধাবাদী মানুষ বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। সূত্র জানায়, বিআরটিএ ঢাকা জেলা সার্কেলের অধিনস্থ সাভার বিআরটিএ অফিসে যোগদান করার পর থেকে তার বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক অভিযোগ। সরকারি সাইনবোর্ডের আড়ালে থেকে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করেই যাচ্ছেন তিনি। সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে নিজের মতো করে ভাবনিয়ে অফিস চালিয়ে যাচ্ছেন। অনেক গাড়ির মালিকের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে, গাড়িপ্রতি ফিটনেস বাবদ ঘুষ গ্রহণ করেন ৫ হাজার টাকা, এই ঘুষ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে গাড়ির মালিকের ভোগান্তির মাত্রা আরো বেড়ে যায়। জানা গেছে, গাবতলী- টাঙ্গাইল মহাসড়কে এবং সাভারের ঢাকা-আরিচা পাটুরিয়া সড়কে হাজার হাজার মোটরযান চলে, এসব মোটরযানের বেশিরভাগই ফিটনেসবিহীন, এসব গাড়ি থেকে প্রতিবছর সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে।
    গোপালগঞ্জের জামাই বিআরটিএ মোটরযান পরিদর্শক আমিনুল ইসলাম খানের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি। এ দিকে বিআরটিএ দালাল চক্রের সদস্য সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মোস্তফা কামাল এর মোবাইল নাম্বারে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ না করে তার ছেলের দিয়ে রিসিভ করে বলায় যে, বাবার জ্বর আসছে কথা বলতে পারবেন না। এর আগে উক্ত ব্যাপারে একাধিক সংবাদপত্রে সংবাদ প্রকাশ করা হয়। উক্ত ব্যাপারে ৩৫টি অফিসে দুদক অভিযান চালালেও বিআরটিএ অফিসের ঘুষ বাণিজ্য কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। জানা যায়, অনিয়ম দুর্নীতি ধরা পড়লেই অন্য জেলায় বদলি করা হয় সেই কর্মকর্তাকে, এই কারণে তাদের আর সমস্যা হয় না। এ বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।##

  • নড়াইলে যৌ-থ বাহিনীর অভি-যানে গ্রে-প্তার ৩

    নড়াইলে যৌ-থ বাহিনীর অভি-যানে গ্রে-প্তার ৩

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পুরুলি ইউনিয়নের যাদবপুর গ্রামে যৌথ অভিযান চালিয়ে মাদক ব্যবসায়ী ও অনলাইন প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। কালিয়া আর্মি ক্যাম্প ও কালিয়া থানার পুলিশের সমন্বয়ে পরিচালিত এ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর একটি দল শুরুবার (১৩ জুন রাত ১টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের নেতৃত্ব দেন কালিয়া আর্মি ক্যাম্পের কর্মকর্তা ও স্থানীয় পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত টহল টিম।
    গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন—যাদবপুর গ্রামের আসাদ শেখের ছেলে আলী (২৫), জাকির মোল্লার ছেলে মো. আকাশ মোল্লা (২৬) এবং জাহিদ মোল্লার ছেলে হায়দার ভুইয়া। তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা ও অনলাইন প্রতারণায় জড়িত ছিল বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি।
    অভিযান চলাকালে তাদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অপরাধমূলক কাজে ব্যবহৃত সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। তল্লাশি অভিযানে গ্রেপ্তারদের বাড়ি থেকে ৩টি ইয়াবা ট্যাবলেট, ১টি ইলেকট্রনিক ডিভাইস এবং ১টি ভয়েস চেঞ্জার ডিভাইস উদ্ধার করা হয়। এছাড়া উদ্ধার করা হয় ৩৬টি গ্যাস লাইটার ও ১০টি ইয়াবা সেবনের বিশেষ স্টিক।
    তাদের বাড়ি থেকে একটি ল্যাপটপ, ১১টি মোবাইল ফোন ও ২০টি মোবাইল সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা হয় একটি সিএফ মটো ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেল এবং ৪টি দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্র। এছাড়াও, গাঁজা ও ইয়াবা সেবনের বিভিন্ন সরঞ্জাম পাওয়া গেছে।
    গ্রেপ্তারকৃত তিনজনকে কালিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও তথ্যপ্রযুক্তি আইনে পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামাল আদালতে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
    কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, এই চক্র দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন প্রতারণা ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ আলামতসহ তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। এলাকায় আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
    বর্তমানে এলাকাটি শান্ত রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে।