Blog

  • সলঙ্গায় বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামানের দা-ফন সম্পন্ন

    সলঙ্গায় বিএনপি নেতা মনিরুজ্জামানের দা-ফন সম্পন্ন

    সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সহ সভাপতি,সলঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি,সলঙ্গা মদিনাতুল উলুম (কওমিয়া হাফিজিয়া) মাদ্রাসার সেক্রেটারি,সাংবাদিক আল আমিন এর পিতা,
    বিশিষ্ট সমাজ সেবক,শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান খন্দকার তারা (৭৮) ইন্তেকাল করেছেন। (ইন্না লিল্লাহি….রাজিউন)।হার্ড এটার্ক জনিত কারনে বেশ কিছুদিন ধরে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার দিবাগত রাত ১.১০ মি: শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।মৃত্যুকালে স্ত্রী,২ ছেলে,১ মেয়ে,নাতী-নাতনী,আত্মীয় স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।আজ সোমবার বাদ জোহর সলঙ্গা কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।জানাযা শেষে কুতু্বের চর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।মরহুমের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেন,রায়গঞ্জ-তাড়াশ-সলঙ্গার সাবেক এমপি আব্দুল মান্নান তালুকদার,বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী’র কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাও: রফিকুল ইসলাম খান,সাবেক ডিআইজি,উল্লাপাড়া- সলঙ্গা আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী খান সাঈদ জোতী,
    রায়গঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ বি এম আব্দুস ছাত্তার,সলঙ্গা থানা বিএনপির সাবেক সভাপতি মতিয়ার রহমান সরকার,সাবেক সাধারন সম্পাদক আব্দুল আলিম,সলঙ্গা থানা যুবদলের সাবেক আহবায়ক রাশেদুল হাসান পাপন,সলঙ্গা থানা জামায়াতের আমীর রাশেদুল ইসলাম শহিদ,সলঙ্গা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব আশরাফুল ইসলাম,সলঙ্গা ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: কে.এম আব্দুল মজিদ,প্রিয় সলঙ্গার গল্প গ্রুপের চীফ এডমিন শাহ আলম,
    সলঙ্গা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাও: আব্দুল গফুর,সলঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক এম. দুলাল উদ্দিন আহমেদ,সলঙ্গা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্টু,সাধারন সম্পাদক আনিছুর রহমান,সলঙ্গা দলিল লেখক সমিতির সাবেক সভাপতি হোসাইন আলী, সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল,
    সলঙ্গা থানা জাতীয়তাবাদী পল্লী চিকিৎসক এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মোমিন,সাধারন সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম,সলঙ্গা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি/ সেক্রেটারিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক,সামাজিক,ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। মরহুমের জানাযা নামাজে এলাকার হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীগণ উপস্থিত ছিলেন।

  • চারঘাট পৌরসভার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

    চারঘাট পৌরসভার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেট ঘোষণা

    চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ

    রাজশাহীর চারঘাট পৌরসভার ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে।
    চারঘাট পৌরসভার আয়োজনে সোমবার (৩০ জুন) সকাল ১০ টায় চারঘাট পৌরসভা হলেরুমে এই বাজেট ঘোষণা করা হয়।

    বাজেট ঘোষণা অনুষ্ঠানে পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে চারঘাট পৌরসভার ২০২৫-২৬ অর্থ বছরের বাজেট পেশ করেন পৌরসভার উচ্চমান সহকারী ফয়সল ইসলাম।

    এবারে বাজেট ঘোষণা করা হয় ২৯ কোটি ১৫ লক্ষ ২১ হাজার ৯’শ ৭০ টাকা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সওয়ারদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা রাশেদুজ্জামান, পি আইও ফরহাদ লতিফ, পৌর হিসাব রক্ষক মীর মোতাকাব্বের মুন্সী, চারঘাট উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোজাম্মেল হক প্রমুখ।

    মোঃ মোজাম্মেল হক
    চারঘাট, রাজশাহী

  • তারাগঞ্জে ঝড়ে ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা

    তারাগঞ্জে ঝড়ে ক্ষ-তিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
    রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় সাম্প্রতিক কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের মাঝে সরকারিভাবে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) দুপুর সাড়ে ৩টায় উপজেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সহায়তা প্রদান করা হয়।
    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ রুবেল রানা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোছাঃ রুম্মা আক্তার, উপজেলা বিএনপির সদস্য সিরাজুল ইসলাম এবং সহায়তা প্রাপ্ত উপকারভোগী পরিবারের সদস্যরা।
    উল্লেখ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় মোট ২০টি পরিবারের মাঝে প্রতিজনকে ২.৫ বান্ডেল ঢেউটিন এবং ৩ হাজার টাকার চেক প্রদান করা হয়, যা ক্ষতিগ্রস্তদের গৃহনির্মাণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
    ইউএনও রুবেল রানা বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের পরপরই আমরা সরেজমিনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করি এবং জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় উপযুক্ত তালিকা তৈরি করি। সেই অনুযায়ী আজ এই সহায়তা প্রদান করা হলো। তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও সরকার দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের পাশে থাকবে।

  • আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্রসহ সন্ত্রা-সী মুন্না’কে গ্রেফ-তার করেছেন থানা পুলিশ

    আশুলিয়ায় বিপুল পরিমাণ অ-স্ত্রসহ সন্ত্রা-সী মুন্না’কে গ্রেফ-তার করেছেন থানা পুলিশ

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার ইস্টার্ন হাউজিং সংলগ্ন এম.এস. গলিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে জনৈক রিপনের বাড়ির ২য় তলা থেকে সন্ত্রাসী শামীম শেখ ওরফে মুন্নাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় তল্লাশিতে তার কক্ষ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি, একটি চাইনিজ কুড়াল, একটি দা, তিনটি ধারালো ছুরি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রবিবার দিবাগত রাতে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত চার যুবকের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। স্থানীয়রা ৪ যুবককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
    এ ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। হামলার কারণ, অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ।

    আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হান্নান সাহেব বলেন, আসামিদের চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সন্ত্রাস ও অপরাধ রোধে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। তিনি জানান, অপরাধী যেইহোক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

  • ময়মনসিংহের ভাবখালী  ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের উপকারভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    ময়মনসিংহের ভাবখালী ইউনিয়নে ভিডব্লিউবি কার্যক্রমের উপকারভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভাবখালী ইউনিয়নে ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট (ভিডব্লিউবি) কার্যক্রমের আওতায় ১ জুলাই /২০২৫ হতে ৩০ জুন/২০২৭ চক্রের (ভিডব্লিউবি) উপকারভোগী নির্বাচন, খাদ্য ও কার্ড বিতরণে প্রকৃত উপকারভোগী চূড়ান্ত করতে লটারির মাধ্যমে এক উন্মুক্ত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

    রবিবার (২৯জুন) সকাল ১১ থেকে উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ময়মনসিংহ সদরের সার্বিক তত্বাবধানে ও ভাবখালী ইউনিয়ন পরিষদের বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এই বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম প্রিন্স।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও আরিফুল ইসলাম প্রিন্স জানান- উপযুক্ত ও প্রকৃত হতদরিদ্র উপকারভোগী বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করণে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সদর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে লটারির মাধ্যমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে লটারি হওয়ার পরও ৩দিন সময় নির্ধারণ করা হবে এর মাঝে লটারিতে প্রাপ্ত উপকারভোগীদের মাঝে কেউ যদি এর আওতায় না পড়ে তাহলে জেলা প্রশাসক স্যারের নির্দেশনার আলোকে লটারিতে নির্বাচিতদের মধ্য থেকে যাচাইয়ান্তে বা অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে যদি প্রমান হয় তিনি কার্ড পাওয়ার যোগ্য নন তাহলে তাকে বাদ দিয়ে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভাতাভোগী নির্বাচন করার নির্দেশনা রয়েছে। অতএব, লটারিতে নির্বাচিত হলেও যদি যাচাই-বাছাইয়ে যোগ্য না হয় তাহলে তাকে এই সুবিধা দেয়া হবে না। এভাবে প্রকৃত ও উপযুক্ত উপকারভোগীদেরদ মাঝে স্বচ্ছতার সহিত বিডব্লিউবি উপকারভোগী নির্বাচন করা হবে। এসময় তিনি উক্ত উন্মুক্ত বাছাই কার্যক্রম বাস্তবায়নে ইতিবাচক সহযোগিতা করার জন্য স্থানীয় রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ,সচেতন নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম কর্মীসহ সবাইকে উপজেলা প্রশাসন,ময়মনসিংহ সদর এর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। প্রকৃত উপকার ভোগী বাছাইয়ে সকলকে সহযোগিতা করারও আহবান জানান।

    এসময় ভাবখালী ইউনিয়নের উপকার ভোগী বাছাইয়ে উপজেলা প্রশাসনের নিয়োজিত টিম সম্বন্বয়কারী উপজেলা রিসোর্স সেন্টার ইন্সট্রাক্টর হায়দার জাহান,উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার আলাউদ্দিনসহ
    স্থানীয় ওয়ার্ড ও ইউনিয়ন বাছাই কমিটির সদস্যগণ ও রাজনৈতিক সামাজিক ও বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

    ইউনিয়নের দায়িত্ব প্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আসমা উল হুসনা ফাতেমা জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে ১৫ শতাদিক আবেদন জমা পড়ে। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোটার সংখ্যা অনুপাতে প্রতিটি ওয়ার্ডে নির্দিষ্ট সংখ্যক উপকারভোগী লটারির মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। তিনি আরও বলেন, “এই প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের দুর্নীতি বা অনিয়মের সুযোগ রাখা হয়নি। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে।”

    উন্মুক্ত এই লটারিভিত্তিক বাছাই প্রক্রিয়ায় এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ করেন এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।

  • পঞ্চগড়ে সড়কের পাশে ময়-লার ভা-গাড়, বিষিয়ে উঠেছে বাতাস, নির-ব পরিবেশ অধিদপ্তর

    পঞ্চগড়ে সড়কের পাশে ময়-লার ভা-গাড়, বিষিয়ে উঠেছে বাতাস, নির-ব পরিবেশ অধিদপ্তর

    পঞ্চগড় প্রতিনিধি ।।

    পঞ্চগড় শহরের জালাসী-টুনিরহাট সড়কের পাশে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজসংলগ্ন এলাকায় গড়ে ওঠা ময়লার বিশাল ভাগাড় থেকে নির্গত দুর্গন্ধে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করলেও, নাক চেপে চলাই যেন নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবর্জনার দুর্গন্ধে পথচারী, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাপন এখন চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    দীর্ঘদিন ধরে একই স্থানে পৌরসভার সব বর্জ্য ফেলায় ভাগাড়টি এখন বিশাল স্তুপে রূপ নিয়েছে। পচা খাবার, হোটেল-রেস্তোরাঁর উচ্ছিষ্ট, হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা, এমনকি মৃত পশুর দেহ পর্যন্ত সেখানে ফেলা হচ্ছে। এর পাশাপাশি রয়েছে মেডিকেল বর্জ্য, যা পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    “নাক চেপে হাঁটি, অনেক সময় বমি চলে আসে”

    ভাগাড়টির পাশেই অবস্থিত পঞ্চগড় সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। দশম শ্রেণির ছাত্র গৌতম চন্দ্র রায় বলেন, “স্কুল যাওয়া-আসার সময় দুর্গন্ধে নাক-মুখ চেপে রাখতে হয়। এমন পরিবেশে প্রতিদিন চলাফেরা করা যায় না।”

    মেঘলা নামে আরেক শিক্ষার্থী জানান, “গন্ধে অনেক সময় ক্লাসে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ি। বারবার বলার পরও কেউ ব্যবস্থা নেয় না। আমরা চাই, এই ভাগাড় অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হোক।”

    ইশাত হোসেন নামের এক পথচারী বলেন, পঞ্চগড় শহরের একটি জনবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকার পাশে গড়ে ওঠা এই ময়লার ভাগাড় এখন এক ভয়াবহ পরিবেশ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির নাম। দ্রুত, কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান না হলে এই অসহনীয় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।

    ভ্যানচালক মশিউর বলেন, “বৃষ্টির সময় ভাগাড়ের ময়লা পানি রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ে। বড় গাড়ি গেলে সেই পানি শরীর ও কাপড়ে ছিটে আসে।” আরেক চালক জমির উদ্দীন বলেন, “এখানে এলেই দম বন্ধ হয়ে আসে, যাত্রীরাও বমি করে ফেলে অনেক সময়।”

    ভাগাড়ে মাঝে মাঝে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন পথচারী লিটন। তিনি বলেন, “পুড়ে যাওয়া বর্জ্য থেকে যে ধোঁয়া বের হয়, তা এমন তীব্র যে দম নেওয়া যায় না।”

    স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সামিম হোসেন বলেন, “একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কের পাশে এভাবে বর্জ্য ফেলা খুবই বিপজ্জনক। এর প্রভাবে জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির মুখে পড়বে। এটি দ্রুত সরানো এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। 

    পঞ্চগড় পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ইউসুফ আলী জানান, “পৌরসভার জন্য নির্ধারিত স্যানেটারি ল্যান্ডফিল্ড ও পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনাগার ব্যবহারের অনুমোদন আমরা পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে দিয়েছি। কিন্তু পৌরসভা তা না করে এখনও সড়কের পাশে অনিয়ন্ত্রিতভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলে যাচ্ছে।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা সর্বশেষ ২০২২ সালের শেষ দিকে ময়লার ভাগাড়টি পরিদর্শন করেছি। এরপর আর কোনো পরিদর্শন করা হয়নি।”

    পঞ্চগড় সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মাহাবুব রহমান সুমন বলেন, “সড়কের পাশে ময়লার ভাগাড় থেকে নির্গত গ্যাসের কারণে শ্বাসতন্ত্রের নানা সমস্যা, ফুসফুসের সংক্রমণ ও অ্যালার্জিজনিত রোগ আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এসব ক্ষতিকর গ্যাস শরীরের ভেতরে প্রবেশ করে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের ঝুঁকি তৈরি করে।”

    তিনি আরও বলেন, “ রাস্তার পাশে এভাবে ভাগাড় রাখা একেবারেই অনুচিত। এর ফলে শিশু ও বৃদ্ধদের স্বাস্থ্য সবচেয়ে বেশি হুমকির মুখে পড়ে। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এ ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।”

    অন্যদিকে, সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান জানান, “সদর হাসপাতালে ইনসিনারেটর নির্মাণের কাজ প্রায় শেষ। এটি চালু হলে মেডিকেল বর্জ্য আর বাইরে ফেলতে হবে না।”

    চালু হয়নি পরিশোধনাগার, কোটি টাকার প্রকল্প অনির্বাহ : ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তিন একর জমির ওপর ভাগাড় আধুনিকায়নের জন্য শুরু হয় স্যানেটারি ল্যান্ডফিল্ড ও পয়ঃবর্জ্য পরিশোধনাগার স্থাপনের কাজ। যদিও প্রকল্পটি দুই বছর আগে শেষ হয়েছে, এখনো তা চালু করতে পারেনি পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। ফলে সম্ভাব্য জৈব সার ও বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রতিশ্রুতি কেবল কাগজেই সীমাবদ্ধ।

    পৌর প্রশাসনের বক্তব্য: পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ও পৌর প্রশাসক সীমা শারমিন বলেন, “স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছি। ইতোমধ্যে ডাস্টবিন তৈরি, জনসচেতনতায় মাইকিং ও ডোর টু ডোর প্রচার শুরু হয়েছে।”

    তিনি আরও জানান, “গত এপ্রিল মাসে ল্যান্ডফিল্ডের চারপাশে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে। দুর্গন্ধ কমাতে ব্লিচিং পাউডার ব্যবহার এবং অতিরিক্ত শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে আরইউটিডিপি প্রকল্পে বরাদ্দ পেলে বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।”

  • বকশিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে ইউএনও’র ব্যাতীক্রমী উদ্যোগ

    বকশিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণে ইউএনও’র ব্যাতীক্রমী উদ্যোগ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।

    জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জ উপজেলায় মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ ও ঝরে পড়ার হার রোধে সরকারিভাবে গৃহিত সকল উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা চালাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ রানা। যুগপযোগী পাঠদানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি রোধ হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা থেকে ঝরে পড়ার হার। ইউএনও মাসুদ রানার প্রচেষ্টা ও দিকনির্দেশনায় এরই মধ্যে বদলে গেছে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার চিত্র এবং সুফল পেতে শুরু করেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ইউএনও’র মানবিকতায় বিভিন্ন কৌশলের কারণে স্কুলে ফিরতে শুরু করেছে ঝড়ে পড়া শিক্ষার্থীরা।

    সরেজমিন বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বকশিগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিতকরণের চেষ্টা শুরু করেন। প্রাথমিক শিক্ষায় সরকারিভাবে গৃহিত সকল উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে নিয়মিত বিদ্যালয় পরিদর্শন, প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও দিক নির্দেশনা প্রদান করে আসছেন।

    এলাকার সুধীজন, অভিভাবক, শিক্ষক ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে গ্রহণ করেন দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। এর অংশ হিসেবে শিক্ষকদের মাসিক সভায় নিয়মিত অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে শিক্ষা কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করে তুলেছেন। এছাড়া তিনি শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ তৈরিতেও দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। উপজেলায় বিভিন্ন সাব-ক্লাস্টারে আয়োজিত পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন ও বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কোর্সে শিক্ষকদের পারদর্শিতা ও সক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত মনিটরিং শুরু করছেন। আকস্মিক স্কুল পরিদর্শন করে ছাত্র-শিক্ষক উপস্থিতির হার পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক শিক্ষা উপকরণ ব্যবহার করে যুগপযোগী পাঠদানের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।তারই অংশ হিসাবে উপজেলার পশ্চিম দত্তেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া প্রতিরোধে শিক্ষক অভিভাবক সমাবেশ করে স্কুলের প্রতি আগ্রহ বাড়াতে শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।

    গত জুলাই-আগস্ট মাসে বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধকল্পে বিভিন্ন ইউনিয়নে উঠান বৈঠক ও অভিভাবক সমাবেশের কার্যক্রম শুরু করেন। এছাড়া নির্বাহী অফিসার ব্যক্তিগত অর্থায়নে বিভিন্ন স্কুলের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ব্যাগ, শিক্ষা উপকরণ, টিফিন বক্স বিতরণ করেন। ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের মাঝে আইসিটির দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য তিনি করেন কর্মশালার ব্যবস্থা।

    বকশিগঞ্জ উপজেলায় প্রতি মাসে তিনি একদিন আয়োজন করেছেন ‘মিট দ্যা ইউএনও’ প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে। এ আয়োজনে ভবিষ্যতে পরিকল্পনা গ্রহণ ও সুন্দর জীবন গঠনে সহায়ক বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হয়। এছাড়াও ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পঠন ও লিখন দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য সুন্দর হাতের লেখার জন্য বিভিন্ন বিদ্যালয়ে তিনি দেয়ালিকা উদ্বোধন করেন। ক্ষুদে ডাক্তারদের কার্যক্রম পরিদর্শন করে একাধিক স্কুলে তিনি বৃক্ষ রোপন করেন।

    বকশিগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির এক শিক্ষক নেতা বলেন, শুধু সরকারি ব্যবস্থাপনায় নয়, ব্যক্তিগত অর্থায়নেও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুস্থ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পোশাক বিতরণ করেন ইউএনও। শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের লক্ষে বিদ্যালয়ে পার্ক স্থাপন, ফুটবল, ক্যারাম বোর্ডসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ, ক্লাস্টার অনুযায়ী বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন, মেধাবৃত্তিপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানের লক্ষে পুরস্কার ও সনদ বিতরণ করেছেন। এতে প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

    বকশিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, জাতিকে উন্নত করতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই, তাই মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিতকরণ অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ শিক্ষার যে বুনিয়াদ সেটি শুরু হয় প্রাথমিক শিক্ষার স্তরে, যদি সফলভাবে প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষার চেতনা এবং শিক্ষার সঠিক পরিবেশ নিশ্চিত করা যায় তাহলেই সাধিত হবে প্রভূত উন্নয়ন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নে আগামী দিনে উন্নত সমৃদ্ধ নতুন বাংলাদেশ গড়তে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়নে অত্যন্ত জরুরী।

  • ইউএনও এর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত সুবিধার্থে সিসি সড়ক নির্মাণে খুশী শিক্ষার্থীরা

    ইউএনও এর উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যাতায়াত সুবিধার্থে সিসি সড়ক নির্মাণে খুশী শিক্ষার্থীরা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জামালপুরের বকশিগঞ্জ উপজেলার টাংগারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ও জনসাধারনের যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ কাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে। এতে করে দূর্ভোগের হাত থেকে রক্ষা পাবে শিক্ষার্থীসহ সকল শ্রেনী পেশার লোকজন। প্রধান সড়ক হতে স্কুলে যাওয়ার রাস্তাটি দীর্ঘদিন কাঁচা রাস্তা থাকায় শিক্ষার্থীদের চলাচলে অসুবিধা ও দুর্ভোগের শিকার হতে হতো। দীর্ঘদিন ধরে এই রাস্তাটি বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে যেত এবং কাদা ও কর্দমাক্ত অবস্থার কারণে এলাকাবাসী, বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো। অবশেষে ইউএনও’র হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ লাঘবে এই রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শুরু করে উপজেলা প্রশাসন ও ইউএনও’র কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছেন স্থানীয় শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা।

    এরই মাঝে উপজেলার টাংগারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ কাজটির উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।

    একই দিনে আরো বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড ও বিভিন্ন ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। এছাড়াও
    টাংগারীপাড়া এলাকাবাসী কোথায় কি সমস্যা আছে তা নিরসনে পরিদর্শনসহ দিনব্যাপী ব্যাপক কর্মতৎপরতা দেখিয়েছেন।

    সুত্র জানিয়েছে-উপজেলার টাংগারীপাড়া এলাকার মেইন রোড থেকে টাংগারীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন সড়ক বিদ্যালয় পর্যন্ত কোন রাস্তা না থাকায় ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনসাধারনের দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। এমন কি ওই রাস্তা না থাকার কারনে এলাকাবাসী ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা কাঁদা পানি ও বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে যেত এবং কাদা ও কর্দমাক্ত অবস্থার কারণে
    পার হয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হতো। এ ভোগান্তির কথা মাথায় রেখে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগীতায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে
    টাংগারীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংলগ্ন প্রধান সড়কে সিসি (সিমেন্ট কংক্রিট) রোড নির্মাণ
    করা হয়। এতে করে ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও জনসাধারন দূর্ভোগের হাত থেকে রেহাই পাবে।
    স্কুলের কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, রাস্তা না থাকায় প্রতিদিন তাদের পানি-কাঁদা পার হয়ে স্কুলে আসতে হত। কিন্তু এখন রাস্তা নির্মান করায় আমাদের ভোগান্তির দিন শেষ হলো।

    তাদের মতে-এই জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন বকশীগঞ্জ উপজেলার সম্মানিত ইউএনও মাসুদ রানা। তাঁর উদ্যোগে ও তত্ত্বাবধানে বর্তমানে এই রাস্তায় সিসি ঢালাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে, যা এলাকার মানুষের চলাচলে উন্নত- সুব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

    এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেন, আমার নিজের স্বার্থে নয় এলাকাবাসী ও স্কুল-কলেজ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে রাস্তাটি আমরা নির্মান কাজ শুরু করেছি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরো জানান, উপজেলার সকল বেহাল সড়ক ও স্কুল প্রতিষ্ঠানে শিক্ষারমান বাড়াতে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। অচিরেই এর জনদুর্ভোগময় এলাকাগুলোতে পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চালানো হবে এবং উপজেলার মাটির গ্রামীন সড়ক পাকাকরনের আওতায় আনা হবে।

  • চর নিলক্ষিয়া  ইউনিয়নে বিডব্লিউবি উপকার ভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে বিডব্লিউবি উপকার ভোগী বাছাইয়ে লটারী অনুষ্ঠিত

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    ময়মনসিংহের সদর উপজেলার ৭নং চর নিলক্ষিয়া ইউনিয়নে দুস্থ অসহায় নারীদের জন্য মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর বাস্তবায়নাধীন ভালনারেবল উইমেন বেনেফিট (ভিডব্লিউবি) কার্যক্রমের আওতায় ১ জুলাই /২০২৫ হতে ৩০ জুন/২০২৭ চক্রের (ভিডব্লিউবি) প্রকৃত উপকারভোগী নির্বাচন, খাদ্য ও কার্ড বিতরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করণে ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে উপকারভোগী নির্বাচন করা হয়েছে।

    রবিবার (২৯ জুন) দুপুর আড়াইটায় ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে উম্মুক্ত পরিবেশে ৮৪৭ জন আবেদনকারী থেকে ২১২ জন উপকারভোগী বাছাইয়ে যৌথভাবে এই লটারি কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মনিকা পারভীন ও উপজেলা আইসিটি কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ।

    এসময় উপস্থিত ছিলেন- ইউনিয়নের প্রশাসক উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা তারিক আজিজসহ লটারী কার্যক্রমের প্রতি ওয়ার্ডের বাছাই কমিটির সদস্য,ইউপি সদস্যগণ এবং স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • গোদাগাড়ীর ২ মাদ-ক ব্যবসায়ী হেরো-ইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফ-তার

    গোদাগাড়ীর ২ মাদ-ক ব্যবসায়ী হেরো-ইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফ-তার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
    রাজশাহী গোদাগাড়ীর উপজেলার ২ কুখ্যাত হেরোইন ব্যবসায়ীকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার। বিষয়টি গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীর টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

    গত শনিবার (২৯ জুন ২০২৫) রাত ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকার ফুড সিটি ইন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের একটি কাঁচা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব ১২ এর একটি বিশেষ টীম ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী মহল্লার মৃত. নৈমুদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), ও একই এলাকার মৃত. বিজয় কর্মকারের ছেলে সুমন কর্মকার (৩৫)।
    আসামিদের কাছ থেকে হেরোইন ছাড়াও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২হাজর ৮০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা দীর্ঘদিন থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকদ্রব্য হেরোইন সরবরাহ করে আসছিল। তারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।
    আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।

    ***Md. Haider Ali***
    01745532222
    Godagari,Rajshahi

    On Sun, Jun 29, 2025, 9:07 PM MD. Haider Ali wrote:
    গোদাগাড়ীর ২ মাদক ব্যবসায়ী হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার।

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী :
    রাজশাহী গোদাগাড়ীর উপজেলার ২ কুখ্যাত হেরোইন ব্যবসায়ীকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ সিরাজগঞ্জে গ্রেফতার। বিষয়টি গোদাগাড়ীসহ রাজশাহীর টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে।

    গত শনিবার (২৯ জুন ২০২৫) রাত ১টা ৫৫ মিনিটের দিকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন হাটিকুমরুল এলাকার ফুড সিটি ইন হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের সামনে, রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী মহাসড়কের উত্তর পাশের একটি কাঁচা রাস্তায় অভিযান চালানো হয়। অভিযানে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব ১২ এর একটি বিশেষ টীম ।

    গ্রেফতারকৃতরা হলেন, গোদাগাড়ী পৌরসভার ২ নং ওয়ার্ডের মহিশালবাড়ী মহল্লার মৃত. নৈমুদ্দিনের ছেলে মোঃ মামুন দুলাল (৩৪), ও একই এলাকার মৃত. বিজয় কর্মকারের ছেলে সুমন কর্মকার (৩৫)।
    আসামিদের কাছ থেকে হেরোইন ছাড়াও মাদক ব্যবসায় ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২২হাজর ৮০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

    র‌্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা দীর্ঘদিন থেকে লোকচক্ষুর আড়ালে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় মাদকদ্রব্য হেরোইন সরবরাহ করে আসছিল। তারা মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে এই মাদক ব্যবসা পরিচালনা করত।
    আসামিদের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    নিজস্ব প্রতিবেদক,
    রাজশাহী।