Blog

  • গ্রিল ওয়ার্কশপ বিরো-ধকে কেন্দ্র করে হাম-লা থানায় অভি-যোগ দায়ের

    গ্রিল ওয়ার্কশপ বিরো-ধকে কেন্দ্র করে হাম-লা থানায় অভি-যোগ দায়ের

    নাঈম মল্লিক,
    ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ

    রানাপাশা ইউনিয়নের বাসিন্দা সবুজ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে (৩ জুলাই ২০২৫) দুপুর ২ টার দিকে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট এলকায়, সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন। জানা গেছে, নাচনমহল ইউনিয়নের সোহরাব ও শামীমসহ আরও কয়েকজন দুর্বৃত্ত আজ দুপুরে সবুজের ওপর অকর্তৃত্বভাবে হামলা চালায়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সবুজের সঙ্গে সোহরাব ও শামীমের বিগত কিছুদিন ধরে একটি গ্রিল ওয়ার্কশপ ব্যবসা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই পুরনো দ্বন্দ্ব থেকেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    হামলার সময় হামলাকারীরা ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড ব্যবহার করে সবুজকে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন সবুজকে উদ্ধার করে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

    এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে ঝালকাঠি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন।

    সবুজের পরিবার ও এলাকাবাসী এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

  • সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দেশ এগিয়ে যাবে-ইউএনও মাসুদ রানা

    সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা দেশ এগিয়ে যাবে-ইউএনও মাসুদ রানা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা বলেছেন-একটি দেশের উন্নয়ন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। সরকারের পাশাপাশি, প্রতিটি নাগরিক, বেসরকারি সংস্থা, এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সহযোগিতা অপরিহার্য।
    তিনি বলেন, আগামীতে উন্নত বাংলাদেশ গড়তে হলে কৃষক শ্রমিক শিক্ষক শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সার্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন। দেশের সুনাম অর্জন করতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা থাকলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

    বুধবার (২ জুলাই) দুপুরে বকশীগঞ্জ টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট মাঠে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি আয়োজিত মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে অসহায়, দুস্থ ও প্রতিবন্ধী মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ইউএনও। এসময় দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির ২৫০ জন সুবিধাভোগীর হাতে খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেজ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদ রানা।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মাসুদ রানা আরও বলেন, “দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি সমাজের প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমকে বেসরকারি সংস্থাগুলোর এমন মানবিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করে তুলছে।”

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির হেড অব অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড অ্যাডমিন কোহিনুর আলম চৌধুরী, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, পিআরও মুজাহিদুল ইসলাম, শিক্ষা অফিসার সৈকত মিয়া এবং আইটি ম্যানেজার সম্রাট বাবর।

    খাদ্য সহায়তা পেয়ে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

    স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির এমন মানবিক উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা পোষণ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • বান্দরবানে কেএনএফ সশ-স্ত্র সন্ত্রা-সী গোষ্ঠীর বিরু-দ্ধে সেনাবাহিনীর সফল অভি-যান

    বান্দরবানে কেএনএফ সশ-স্ত্র সন্ত্রা-সী গোষ্ঠীর বিরু-দ্ধে সেনাবাহিনীর সফল অভি-যান

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ।।

    ঢাকা, ০৩ জুলাই ২০২৫ (বৃহস্পতিবার): আজ আনুমানিক ভোর ৫ টায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বান্দরবানের রুমা উপজেলার পলিপাংসা-মুলফিপাড়া এলাকায় ‘কেএনএফ’ এর সশস্ত্র দলের বিরুদ্ধে একটি সফল অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান এলাকায় তল্লাশি চলাকালে সেনা সদস্যরা সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দলটিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরিস্থিতি বিবেচনায় কেএনএফ সদস্যরা পালানোর চেষ্টা করলে উভয়পক্ষে মধ্যে ব্যাপক গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে, সেনা টহল দল ঘটনাস্থলে ইউনিফর্ম পরিহিত দুইজন সশস্ত্র কেএনএফ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধার করে। নিহত দুইজনের মধ্যে একজনের নাম পুটিং/ডলি যিনি কেএনএফ-এর নেতৃত্ব পর্যায়ের মেজর পদবির সশস্ত্র সদস্য ছিলেন। নিহত আরেকজন কেএনএফ এর সশস্ত্র শাখার সদস্য ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ৩টি সাবমেশিনগান (SMG), ১টি রাইফেল, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ, অস্ত্রের ম্যাগাজিন, কেএনএফ-এর ব্যবহৃত ইউনিফর্ম এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।

    বিগত বছরগুলোতে কেএনএফ-এর সশস্ত্র কর্মকাণ্ডের জন্যে বম জনগোষ্ঠীর অনেক পরিবার বাস্তুচ্যুত হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়। সেনাবাহিনীর অব্যাহত সফল অভিযানের কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়; যার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে ১২৬টি পরিবার তাদের নিজ নিজ পাড়ায় ফিরে এসেছে এবং স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার প্রচেষ্টায় রয়েছে। সেনাবাহিনী তাদের নিরাপত্তা, আশ্রয় ও পূনর্বাসনে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করছে।

    পার্বত্য চট্টগ্রামে সকল জাতিগোষ্ঠীর জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বদ্ধপরিকর এবং ভবিষ্যতেও সশস্ত্র দলগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান অব্যহত থাকবে।

  • তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সুজানগর পৌর বিএনপির মতবিনিময় সভা

    তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সুজানগর পৌর বিএনপির মতবিনিময় সভা

    এম এ আলিম রিপন, সুজানগর : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল(বিএনপি) ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারে ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনসম্পৃত্ততা বৃদ্ধির লক্ষে সুজানগর পৌর বিএনপির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুজানগর পৌর বিএনপি’র কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।সুজানগর পৌর বিএনপি’র সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন বিশ্বাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন পৌর বিএনপি নেতা তোরাব আলী, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ, হাবিবুর রহমান রব, আব্দুল মজিদ শেখ, ইদ্রিস আলী, ,রশিদ, ফারুক শেখ মুক্তার শেখ, হযরত আলী, লিটন খান, লতিফ মন্ডল, আব্দুল হাই, খন্দকার বাবু, বন্দের মোল্লা, জিয়া মোল্লা, মোকছেদ, রহমান শেখ, বাবু খান, সোহেল শেখ, হাসেম শেখ,হাকিম, যুবদল নেতা রেজা বিশ্বাস ও ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান প্রমূখ। মতবিনিময় সভায় সুজানগর পৌর ও ওয়ার্ড বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।সভায় সুজানগর পৌর বিএনপির সভাপতি কামাল হোসেন বিশ্বাস ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন বিশ্বাস বলেন, রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। রাষ্ট্র সংস্কারের পাশাপাশি জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, দেশের সকল ক্ষমতার উৎস হচ্ছে এ দেশের সাধারণ মানুষ। তারাই ঠিক করবে বাংলাদেশ কোন পথে চলবে। আওয়ামী লীগ গত ১৭ বছর ধরে মানুষের ওপরে যে কর্তৃত্ব চাপিয়ে দিয়েছে, বিএনপি তা বিশ্বাস করে না। বিএনপি জনগণের মতামত নিয়েই একটি মানবিক ও ন্যায়ের সমাজ গড়তে চায়।এ সময় তারা আরো বলেন, পাবনা ২ আসনের আমাদের নেতা কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের নেতৃত্বে এবং তিনি যে নির্দেশনা দেবেন তা বাস্তবায়নে পৌর বিএনপি ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাবে ইনশাল্লাহ ।

    এম এ আলিম রিপন
    সুজানগর (পাবনা)প্রতিনিধি।।

  • নেছারাবাদে দুর্বৃ-ত্তের বি-ষ প্রয়োগে এক অস-হায় জেলের দুইটি গরুর মৃ-ত্যু

    নেছারাবাদে দুর্বৃ-ত্তের বি-ষ প্রয়োগে এক অস-হায় জেলের দুইটি গরুর মৃ-ত্যু

    নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি:

    নেছারাবাদে কামারকাঠি গ্রামে মো: সোহাগ নামে এক অসহায় জেলের দু’টি গরু বিষ প্রয়োগে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার রাতে উপজেলার জলাবাড়ী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে এমন নির্মম ঘটনা ঘটেছে। খবর শুনে ওই নি:স্ব জেলের বাড়ীতে ভীড় করেছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় এলাবাসী খুবই দু:খ প্রকাশ করছে। ভুক্তভোগী অসহায় জেলে সোহাগের দাবি কেহ রাতের আধারে কলা বা আমের সাথে বিষ প্রয়োগ করে গরুকে খাইয়ে দিয়েছে। এতে তার গরু দুইটি মারা গেছে।

    মৃত গরু দুইটির মধ্য একটা গরু অন্তস্বত্ত্বা ছিল। অপর গাই গরুটি আনুমানিক দুই মাসের মধ্য অন্তস্বত্ত্বা হত। গরু দুইটির বাজার দর কম পক্ষে ২ লাখ টাকা বলে দাবি এলাকাবাসী সহ ভুক্তভোগী পরিবারের।

    ওই অসহায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলে সোহাগ মিয়ার স্ত্রী পারভীন বেগম জানায়, তাদের মোট তিনটি গরু। প্রতিদিনের মতো তিনি দুপুরে গরুকে গোসল করিয়ে ভাতের মাড়ের সাথে খইর,ভূষি মিশিয়ে তিনটা গরুকে তিনটি বালতিতে খেতে দেন। এরপরে খড় খাওয়ান। পরে বিকালে তার স্বামী কাচা ঘাস এনে সেগুলোকো পানিতে পরিস্কার করে খেতে দেন। সন্ধ্যার পরে তার স্বামী জাল নিয়ে নদীতে বের হন। আনুমানিক এসার আযানের পর গরুগুলো গোয়ালঘরে বসে ছটফট করছিল। টের পেয়ে বাহিরে গিয়ে দেখেন। একটি গরু মাটিতে শুইয়ে ছটফট করছে। এসময় মুখ দিয়ে লালা বের হচ্ছে। সাথে সাথে অপর একটি গরু মাটিতে কাত হয়ে পড়ে যায়। এসময় বাকি ষাড় গরুটি লাফালাফি করছে। পরে ডাক্তার এসে ষাড়গরুকে ইনজেকশন ও ঔষধ দিলে একটু সুস্থ হয়। এরপূর্বে বাকি দুইটি গরু মারা যায়।

    জেলে সোহাগ মিয়া বলেন, ডাক্তার এসে একটি গরুকে সুস্থ করতে পেরেছে। তবে বাকি দুইটি গরু মারা গেছে। তার দাবি গরুকে কেউ বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, ব্র্যাক থেকে কিছু টাকা পেয়েছিলাম। সাথে কিছু টাকা কিস্তি উঠিয়ে একটি গরু কিনেছিলাম। সেই গরু থেকে মোট তিনটি গরু হয়েছে। দুর্বৃত্তের বিষ প্রয়োগে আমার দুইটি গরু শেষ। সাথে আমি পথে বসে গেলাম। এখন যে গরুটি বেচে আছে সেটাও ভাল থাকে কিনা তা নিয়েও সন্দিহান।

    ভেটেনারি ট্রেনিং প্রাপ্ত স্থানীয় পশু চিকিৎসক মো: তরিকুল ইসলাম বলেন, কেহ হয়তো গরুর ঘাসের সাথে বিষ প্রয়োগ করেছে। এতে ওই জেলের দুইটি গরু মারা গেছে। অপরটিকে চিকিৎসা দিয়েছি। সেটা আশঙ্কা মুক্ত।

    এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ওসি বনি আমিন জানান, এ বিষয়ে একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

    মোঃ আনোয়ার হোসেন
    নেছারাবাদ উপজেলা সংবাদদাতা।

  • কাটাখালীবাজারে দরজা আটকিয়ে ব-দ্ধঘরে আ-স্তানা গেড়ে কবিরাজির নামে চলছে প্রকা-শ্যে ভ-ণ্ডামি

    কাটাখালীবাজারে দরজা আটকিয়ে ব-দ্ধঘরে আ-স্তানা গেড়ে কবিরাজির নামে চলছে প্রকা-শ্যে ভ-ণ্ডামি

    হারুন অর রশিদ,
    দোয়ারাবাজার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
    সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার কাটাখালী বাজারে দীর্ঘদিন ধরে দরজা আটকিয়ে বদ্ধ ঘরে আস্তানা গেড়ে আলী হোসেন নামের এক যুবক কবিরাজির নামে প্রকাশ্যে ভন্ডামী করে আসছে।

    দিনে দুপুরে ঘরের দরজা আটকিয়ে ঘরের মধ্যে আস্তানায় নারীদের অবাধ আসা যাওয়া এবং ঝার ফুঁকের চিকিৎসার নামে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা। তার এহেন কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আলী হোসেন দোয়ারাবাজার উপজেলার মাল্লারগাঁও ইউনিয়নের আজমপুর গ্রামের মৃত আফিজ আলীর পুত্র। সে একজন সিএনজি ড্রাইভার। ইতিপূর্বে গত ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে সংবাদ মাধ্যমে খবর ছাপা হলে প্রশাসনের ভয়ে কিছুদিন আত্ম গোপনে থাকলে ও এবার নতুন করে কাটাখালী বাজারে ভাড়াটে ঘরে আস্তানা গেড়েছেন। দিনে দুপুরে ঘরের দরজা আটিকে মমবাতি, আগর বাতি, ধূপ জ্বালিয়ে গদিতে বসে সে নারীদের চিকিৎসার নামে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হয়ে থাকে। এছাড়াও তার বদ্ধ ঘরে ধর্ষণের মতো কান্ড ঘটে গেলে স্থানীয় বাজার বাসীর উপর এর দায় বর্তাবে বলেও ভাবছেন জনগণ। তার এসব কর্মকাণ্ডে কেউ বাধা দিলে তার বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগে যায়।

    সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আজিজ বলেন,
    আলী হোসেন স্থানীয় কিছু
    বখাটেদের ছত্রছায়ায় বাজারে কবিরাজির নামে ভন্ডামীর আস্তানা গেড়েছে। এতে যুবসমাজ মারাত্মকভাবে বিভ্রান্তিতে পড়েছে।
    আলী হোসেন একজন অবিবাহিত যুবক মহিলাদের সাথে যদি কোন অনৈতিক কাজ হয়ে যায় তাহলে এই এলাকার মানসম্মান নষ্ট হবে তাই বিষয় টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
    স্থানীয় ব্যবসায়ী মাশুক মিয়া ও সোনার আলী বলেন, কবিরাজির নামে দিনেদুপুরে দরজা লাগিয়ে নারীদের আসা যাওয়া কবিরাজির নামে ভণ্ডামি। সে একজন অবিবাহিত যুবক। তার এসব কর্মকান্ডে অতিষ্ঠ স্থানীয়রা। অবিলম্বে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তার ভন্ডামীর আস্তানা গুড়িয়ে দেওয়ার দাবি জানাই।

    এসব বিষয়ে জানতে চাইলে কথিত কবিরাজ আলী হোসেন জানান, আমি একজন পাগল স্বপ্নের মাধ্যমে নির্দেশনা পেয়েছি। মহিলারা আমার নিকট দোয়া নিতে আসে।
    এখানে ফকিরি সাধনাসহ কবিরাজি করা হয়। অসমাজিক কিছুই হয় না।

  • পাইকগাছার লতায় রাস্তা পাকা করণের দাবীতে এলাকাবাসীর  মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছার লতায় রাস্তা পাকা করণের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি ।।

    খুলনার পাইকগাছায় লতা ইউনিয়নের কাঠামারী বাজার হইতে উত্তর অভিমুখে চলমান রাস্তা পাকা করণের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বুধবার বিকালে এলাকাবাসীর আয়োজনে কাঠামারী বাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টী পাইকগাছা উপজেলার যুগ্ন-সমন্বয়ক মিজবাহ আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মোঃ ইমরান সরদার, উপজেলা জাতীয় নাগরিক পার্টীর প্রধান সমন্বয়ক হাফিজ বিন তারিক, পবিত্র সরকার, উত্তম মন্ডল, মোঃ মজিদ গাজী, তরিকুল ইসলাম।

    মানববন্ধনে বক্তারা বলেন বিগত ২০২৩ সালে অনৈতিক কার্মকান্ডের দায়ে লতা ইউপি চেয়ারম্যান কাজল কান্তি বিশ্বাস সাময়িক বরখাস্ত থাকেন। সেই সময় লতার ৫নং ওয়ার্ড সদস্য পুলকেশ রায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। তখন তিনি কাটামারি বাজার থেকে উত্তর দিকের ১কিঃমিঃ ইটের সোলিং এর রাস্তার প্রায় ৮০হাজার ইট তুলে ফেলেন। যার বাজার মূল্য ৮লক্ষাধিক টাকা। ঐ ইটের মধ্যে কিছু ইট নিয়ে তিনি উত্তর কাটামারি মন্দির সংষ্কারের জন্য সেখানে মজুদ রাখেন। অপরদিকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পাকা স্টেজ তৈরির জন্য ২লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা বরাদ্দ হয়। যার মধ্যে তৎকালিন স্থানীয় সংসদ সদস্য ১লক্ষ টাকা প্রদান করেন। আর বাকি ১লক্ষ ৩৪ হাজার টাকা ইউনিয়ন পরিষদের টিআর এর বরাদ্দ । কিন্তু পুলকেশ রায় রাস্তা থেকে খুলে নেওয়া ইট দিয়ে খোয়া তৈরি করে স্টেজের কাজে লাগান। তাছাড়া তিনি বাহিরবুনিয়া মসজিদ সংলগ্ন ব্রিজের বিপরীতে অবস্থিত কাটামারি রাস্তা সংষ্কারের জন্য কাবিটার বরাদ্দকৃত ১ লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করে রাস্তা থেকে খুলে নেয়া ঐ ইট রাস্তার কাজে লাগান । কাটামারি অমল কৃষ্ণ ঢালীর বাড়ির সামনের কালভার্ট নির্মাণে ননওয়েজ এর বরাদ্দকৃত অর্থ আত্নসাৎ করে সেখানেও রাস্তা থেকে খুলে নেয়া ঐ ইট ব্যবহার করেন পুলকেশ রায়। এছাড়াও কাটামারি বাজার খেয়াঘাট সংলগ্ন রাস্তা সংষ্কারে উন্নয়ন সহয়তার বরাদ্দকৃত ৮৭ হাজার টাকা আত্নসাৎ করে সেখানেও ঐ ইট ব্যবহার করা হয় বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন। পরবর্তীতে ৯ জন ইউপি সদস্য পুলকেশ রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। বক্তারা অবিলম্বে তদন্ত পূর্বক দোষী ব্যক্তির শাস্তি ও রাস্তা পাকা করার দাবী জানান

    ইমদাদুল হক

    পাইকগাছা খুলনা

  • অবশেষে উন্মুক্ত হলো আলোচিত পাইকগাছার নাছিরপুরে খাস খাল

    অবশেষে উন্মুক্ত হলো আলোচিত পাইকগাছার নাছিরপুরে খাস খাল

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা (খুলনা) ।।

    অবশেষে উন্মুক্ত হলো খুলনার পাইকগাছা উপজেলার বহুল আলোচিত নাছিরপুর খাস খাল। দীর্ঘদিন ধরে কখনো ইজারা নিয়ে আবার কখনো ইজারাবিহীন অবৈধ দখলে রেখে খণ্ড খণ্ড করে নেটপাটা দিয়ে লবণ পানির চিংড়িসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করছিলেন দখলদাররা।

    স্থানীয়রা জানান, এসব জলমহাল থেকে গ্রামের সাধারণ মানুষ যেমন ফসলের জন্য পানি দিতে পারে না, তেমনি প্রয়োজনীয় কাজেও এ পানি ব্যবহার করতে পারতো না। যে কারণে দীর্ঘদিন ধরে গ্রামবাসী জলমহাল উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছিল। সম্প্রতি সে লক্ষ্যে খুলনা জেলার ১০টি জলমহাল উন্মুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করে জেলা প্রশাসন।

    এর আগে, পাইকগাছা উপজেলার নাছিরপুরে খাল দখলকে কেন্দ্র করে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। অস্ত্রশস্ত্রসহ দখল-পাল্টা দখলের মহড়া চালায় এলাকার প্রভাবশালী মহল। সেখানে মৎস্যজীবীদের মারধর করে উচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, নাছিরপুর খালটি ইজারার জন্য একাধিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে টেন্ডার দাখিল করা হলেও কোনো পক্ষকে বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, গত এপ্রিলে টেন্ডার কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় তা সম্ভব হয়নি। খালটি দখলদারিত্বের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী শাহাদাত হোসেন ডাবলু ও তার সহযোগীদের নামে অভিযোগ করেন সেখানকার মৎস্যজীবীরা। কয়েক দফা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে বলে জানান তারা।

    স্থানীয়দের কয়েকজন জানান, দখল-পাল্টা দখলকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে সেখানে সাধারণ মৎস্যজীবীদের মারধর করে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ বিষয়ে একাধিকবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও মেলেনি সমাধান।

    এ প্রসঙ্গে স্থানীয় কপিলমুনি ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ইউএলএও কৃষ্ণ চন্দ্র দাশ জানান, ৬৮ দশমিক ১০ একরের নাছিরপুর খাল উন্মুক্ত রাখার বিষয়টি বাস্তবায়নে বুধবার জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ টিম নাছিরপুর এলাকা পরিদর্শন করেছে।

    স্থানীয়রা জানান, খালের বিভিন্ন স্থানে খণ্ড খণ্ড করে নেটপাটা দিয়ে মাছ চাষ করায় চলতি বর্ষা মৌসুমে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অন্তত ২০টি গ্রামের অর্ধলাখ মানুষের কৃত্রিম জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে। এ ছাড়া আবাদ মৌসুমে খালের পানি বৃদ্ধি পেয়ে লবণ পানি ঢুকে পড়ায় ধান চাষ চরমভাবে বাঁধাগ্রস্ত হচ্ছে।

    বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক, উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ একরামুল হোসেন, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্যদের নিয়ে নাছিরপর খাল অবৈধ দখল মুক্তর সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন। খালের মধ্যে অবৈধ নেটপাটা অপসারণ কাজ শুরু করেন। খালের সাত স্থানে দেওয়া নেটপাটা পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করে পানিপ্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।

    নাছিরপুর খাল উন্মুক্ত ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত শত শত মানুষ উল্লাস প্রকাশ করেন। জাল নিয়ে খালে মাছ ধরতে নেমে পড়েন। ইতোপূর্বে বহুবার এ খাল দখল পাল্টা দখল হয়েছে। এ বিষয়ে বহু মামলা-হামলার ঘটনা ঘটেছে।

    এ বিষয়ে খুলনা জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, যেহেতু জেলা দশটি খাল উন্মুক্ত করার কার্যক্রম শুরু করেছি। এর মধ্যে নাছিরপুর খাল অন্যতম। পর্যায়ক্রমে এ খালটি উন্মুক্ত করা হবে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য। তবে এখনো এ বিষয়ে কোনো চিঠি ইস্যু করা হয়নি। দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে কাজ শুরু করা হবে।

  • ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে  জুলাই গনঅ-ভ্যুত্থানে শ-হীদ, আহ-তদের  স্বরণে দোয়া মাহফিল

    ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের উদ্যোগে জুলাই গনঅ-ভ্যুত্থানে শ-হীদ, আহ-তদের স্বরণে দোয়া মাহফিল

    স্টাফ রিপোর্টারঃ
    জুলাই-আগষ্ট গনঅভ্যুত্থানে শহীদ, আহত ও পঙ্গুত্ব বরণকারীদের স্বরণে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরী শাখার উদ্যোগে উক্ত দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরীর সম্মানিত আমীর ও ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুলের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাংগঠনিক সম্পাদক ও ময়মনসিংহ অঞ্চল পরিচালক ড. সামিউল হক ফারুকী।

    মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক আল হেলাল তালুকদার এর সঞ্চালনায় উক্ত দোয়া অনুষ্ঠানে
    বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগরীর নায়েবে আমীর আসাদুজ্জামান সোহেল, সেক্রেটারি অধ্যাপক শহীদুল্লাহ্ কায়সার, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলা শাখার আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ মহানগরীর আহ্বায়ক জনাব ওয়ালীওল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহদি হাসান তারেক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ময়মনসিংহ মহানগরীর সভাপতি শরিফুল ইসলাম খালিদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নতুন বাজার সাংগঠনিক থানার আমীর ইঞ্জিনিয়ার সুলতান মাহমুদ মুস্তাকিম, জুলাই আহত জনাব টিটু সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    এসময় প্রধান অতিথি বলেন এক দল গিয়ে আরেক দল ক্ষমতায় আসবে শুধু এ জন্য এতোগুলা মানুষ জীবন দেয়নি,আহত হয়নি। আগে সকল সংস্কার শেষ করে পরে নির্বাচন হতে হবে। এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার হতে হবে। এমন সংস্কার করতে হবে যেন ভবিষ্যতে কেউ ভোট চুরির সাহস করতে না পারে। যদি কেউ করতে আসে তার কালো হাত ভেঙ্গে দিতে হবে।
    প্রোগ্রামের সভাপতি মাওলানা কামরুল বলেন এ দেশে কে বৈষম্য মুক্ত করতে হবে। দেশে যেনো কেউ আবার ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে না পারে সেদিকে দেশের মানুষকে খেয়াল রাখতে হবে। আলোচনা সভা শেষে দোয়া মাহফিলে শহীদদের জন্য , আহত জন্য দুয়া মোনাজাত করা হয়।

  • জামায়াত কল্যাণমূলক ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়- মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল

    জামায়াত কল্যাণমূলক ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়- মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ
    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য, ময়মনসিংহ মহানগরীর আমীর ও সদর আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মাওলানা কামরুল আহসান এমরুল বলেছেন, ‘জামায়াত একটি কল্যাণমূলক ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করতে চায়। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে কেউ ক্ষুধার্ত থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় কেউ মারা যাবে না, শিক্ষায় কোনো দুর্নীতি থাকবে না। ইসলাম যে মৌলিক শিক্ষা, তা সমাজে বাস্তবায়ন করে একটি ন্যায়, ইনসাফভিত্তিক সমাজ কায়েম করতে চায়।’

    বুধবার দুপুরে তিনি উপজেলার অষ্টধার ইউনিয়নের অষ্টূার কুঠুরা কান্দা মধ্যপাড়া জামে মসজিদে নামাজ আদায় শেষে মুসল্লীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর জামায়াতের অফিস সেক্রেটারি খন্দকার আবু হানিফ, বিদ্যাগঞ্জ থানা আমীর হায়দার করিম, ছাত্রশিবির সভাপতি আকরাম হোসাইন সহ জামায়াতে ইসলামী ময়মনসিংহ মহানগর ও সদর উপজেলা শাখার নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিভিন্ন পেশাশ্রেণীর ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

    কামরুল আহসান এমরুল বলেছেন, ‘সবাই আমরা সমাজে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠায় আত্মনিয়োগ করি। আগামীর দিন কুরআনের দিন, যারা কুরআনের সাথে আছেন, তাদেরকে সমাজে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনের সহযোগিতা করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

    এসময় তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রের অনেক সম্পদ আছে যা দিয়ে দেশের সব মানুষের সুন্দরভাবে চলার ব্যবস্থা করা সম্ভব। কিন্তু রাষ্ট্রের সম্পদের দায়িত্বে যারা থাকে তারা সেসব খেয়ে ফেলে। তবে আমরা ক্ষমতায় গেলে তা হতে দেব না। এসময় চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের পর একটি ইনসাফ, সুন্দর ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে শিক্ষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ সবাই মিলে অধিকার ভোগ করব। যার সম্মান সে তার সততা, যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে পাবে। রিকশাচালকের সন্তান মেধার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে। একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর ছেলে যদি লেখাপড়া করে এগিয়ে যেতে চায়, তাকে সুযোগ করে দেওয়া হবে। পরে তিনি দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণ মোলক রাষ্ট্র গঠনে উপস্থিত সকলকে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান।