Blog

  • ঝিনাইদহে ভোটারের অপেক্ষায় ভোটকেন্দ্রে ঘুমিয়ে পড়েছেন পোলিং অফিসার

    ঝিনাইদহে ভোটারের অপেক্ষায় ভোটকেন্দ্রে ঘুমিয়ে পড়েছেন পোলিং অফিসার

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে আজ । সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীনভাবে চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ঝিনাইদহে প্রথম ইভিএমের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ চলছে। সকাল থেকে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি এতই কম যে মনে হচ্ছে লকডাউন চলছে । এদিকে ভোটারের অপেক্ষায় ভোটকেন্দ্রে ঘুমিয়ে পড়েছেন পোলিং অফিসার শামীমা নাসরিন। এমনই চিত্র দেখা গেছে শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। পোলিং অফিসার শামীমা নাসরিন শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি বলেন, ভোটার নেই, ঘুম চলে আসছে। এই বুথে দুই ঘণ্টায় একটা ভোট পড়েছে। কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার শাহিনুর ইসলাম বলেন, এই কেন্দ্রে ৩ হাজার ৪১০ জন ভোটার রয়েছে। সকাল ১০টা পর্যন্ত এই কেন্দ্রে ৫০টি ভোট পড়েছে। কেন্দ্রের আনসার সদস্য নাজিম উদ্দিন বলেন, কেন্দ্রে একদমই ভোটার উপস্থিতি নেই। বসে বসে সময় কাটছে। উপজেলার বারইপাড়া কেন্দ্রে ৫০ মিনিটে ২০ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার ২ হাজার ৬৭১ জন।বারইপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার ফুরকান আলী জানান, সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি একদমই কম। জানা গেছে, দ্বিতীয় বারের এই উপ-নির্বাচনে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। নির্বাচনে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্টরা। ১২ জন ম্যাজিস্ট্রেট ও ১ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নির্বাচনের দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন পুলিশ সদস্যসহ আনসার সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছেন।২০২০ সালের ৪ নভেম্বর শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনা মারা যাওয়ার পর ২০২১ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি উপ-নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয় তার স্ত্রী শিকদার শেফালি বেগম। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৬ মে শিকদার শেফালি বেগম মারা গেলে পদটি আবারো শূন্য হয়।উপনির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকা প্রতীকে আব্দুল হামিক, আনারস প্রতীকে আরিফ রেজা মন্নু ও মোটরসাইকেল প্রতীকে আনিচুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।।

  • তেঁতুলিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ‘গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ খেলায় অতর্কিত হামলা ও চেয়ার ভাঙচুর

    তেঁতুলিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা ‘গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ খেলায় অতর্কিত হামলা ও চেয়ার ভাঙচুর

    মুহম্মদ তরিকুল ইসলাম, তেঁতুলিয়া প্রতিনিধিঃ পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২ খেলায় অতর্কিত হামলা ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

    শনিবার (৩০ জুলাই ২০২২) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার ৫নং বুড়াবুড়ি ইউনিয়নের নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার এই জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলায় অতর্কিত হামলা ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাটি নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কোন ব্যক্তির ইন্ধনে এবং দলের পক্ষপাতিত দর্শক কর্তৃক ঘটানো হয়েছে প্রকাশ্যে ভিডিও চিত্রসহ অভিযোগ উঠেছে।

    সূত্র জানায়, গত সোমবার (২৫ জুলাই) ওই ইউনিয়নের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮টি টিমের মাধ্যমে নাওয়াপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) খেলা অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (৩০ জুলাই) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) এর ইউনিয়ন পর্যায় ফাইনাল খেলায় নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হলে এ খেলায় নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে দুই দলের ভিতর কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলটি ১টি গোল করেন। অপরদিকে নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলটি কোন গোল ঠেকাতে পারেননি।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দলটি কোন গোল ঠেকাতে না পেরে কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দলটির উপর ‘হ্যান্ড হয়েছে’ তহমত দিয়ে অতর্কিত হামলা ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাটি ঘটান।
    ঘটনার সময় মাঠে উপস্থিত ছিলেন, নাওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকসহ ইউপি সদস্য ও দর্শকগণ।
    প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ নুরুজ্জামান (নুর) জানান, কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জয় লাভ শতভাগ সম্ভাবনা থাকায় বিপক্ষ দলের সমর্থকরা হামলা-ভাঙচুর ও খেলা পন্ড করেন। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    এই বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতার জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলায় সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মনোনীত রেফারী মোঃ সাদেকুল ইসলামসহ দুইজন সহকারী রেফারী বলেন, হ্যান্ড হয়েছে এই কথা সঠিক নয়। তাঁরা আরোও জানান, গত সোমবার (২৫ জুলাই) থেকে রেফারীর দায়িত্ব পালন করে আসছে এখনও তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ উঠেননি।

    নাওয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ফারুক হোসেন বলেন, ‘তিনি খেলার পরিচালনা পরিষদে উপস্থিত ছিলেন। খেলা শেষ হওয়ার ২-৪মিনিট আগ মুহুর্তে নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই হামলা ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দর্শকরা হাতে লাঠিসোঠা নিয়ে চেয়ার ভাঙচুর করেন বলে তিনি জানিয়েছেন।

    এ বিষয়ে নারায়নগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘ছেলেদের হার-জিত বড় বিষয় নয়, আনন্দই মূল।’ তিনি বলেন, তার বিদ্যালয়ের ছেলেরা (দলটি) পরাজিত হলে অনেকটাই ভালো হবে নিজের পকেটের টাকায় উপজেলা নিয়ে যেতে হচ্ছেনা। অনেকেই বলছেন খেলায় আপনার বিদ্যালয় কর্তৃক এই ঘটনাটি ঘটানো হয়েছে এমন প্রশ্নোত্তরে জানান, তিনি কোন দর্শককে ডেকে নিয়ে আসেননি। এতে দর্শকরা এমন ঘটনা ঘটাবে তিনিও বুঝে উঠতে পারেনি। বহিরাগতরা এমন আচরণ করবে এটা অত্যান্ত দুঃখজনক।

    কালদাসপাড়া ডাংগী সেরাজুল হক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অবগত করা হয়েছে। তিনি এই ঘটনার বিষয়ে ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি বরাবরে লিখিত অভিযোগ করতে বলেন।

    এ ব্যাপারে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এই বিষয়ে তিনি অবগত আছেন। তিনি বলেন, এই বিষয়ে রেজুলেশনের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এতে যদি ওই স্কুল জড়িত থাকে তাহলে তাকে তলব করা হবে। তবে যদি কোন ৩য় পক্ষ হয়ে থাকে তাহলে তাদের চিহ্নিত করে, তাদের বিরুদ্ধে সাধারন ডাইরী (জিডি) করে আইনের আওতায় নিয়ে আসলে খুবই ভালো হবে কেননা এভাবে ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ‘এটা বঙ্গবন্ধুর নামে খেলাধুলা এই খেলা মারামারি করার না, মারামারি করার মানে দাড়াচ্ছে টুর্নামেন্টাকে কলঙ্কিত করা। এতো শক্তি কার? কেন যাবে? ওখানে তো আমার কমিটি আছে।’

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২২ এর উপজেলা কমিটির সভাপতি সোহাগ চন্দ্র সাহা বলেন, এটি একটি অনাকাঙ্খিত ঘটনা। খোঁজ খবর নিয়ে বিষয়টি দেখবেন জানিয়েছেন।

    মুুহম্মদ তরিকুল ইসলাম।।

  • মাগুরায় বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

    মাগুরায় বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ

    রক্সী খান প্রতিনিধি ঃ- সারকারের লাগামহীন দূর্নীতি, সারাদেশে লোডশেডিং ও জ¦ালানী খাতে অব্যবস্থাাপনার বিরুদ্ধে মাগুরায় বিএনপির প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
    আজ রবিবার সকাল ১১ টায় জেলা বিএনপির ইসলামপুর পাড়াস্থ কার্যালয়ে এ বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এ উপলক্ষে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি,ছাত্রদল,যুবদলসহ অংগ সংগঠনের নেতা কর্মীরা সমাবেশস্থলে মিছিল নিয়ে উপস্থিত হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ড.এবিএম ওবাইদুল ইসলাম।

    রক্সী খান ,মাগুরা।

  • মাগুরার মঘির ঢালে পরিবহনের  চাকায় পিষ্ট হয়ে পথচারির মৃত্যু

    মাগুরার মঘির ঢালে পরিবহনের চাকায় পিষ্ট হয়ে পথচারির মৃত্যু

    রক্সী খান প্রতিনিধি : মাগুরা-যশোর সড়কের মঘির ঢাল এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে অজ্ঞাত পরিচয় মধ্য বয়সি এক পথচারির মৃত্যু হয়েছে।

    আজ রবিবার বিকালে ওই পথচারি মঘির ঢালের একটি দোকান থেকে বিস্কুট কিনে রাস্তা পার হওয়ার চেষ্টা করছিলেন। এমন সময় মাগুরা থেকে যশোর গামী একটি যাত্রীবাহী পরিবহন তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

    পরে মাগুরা সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে।

    মঘির ঢাল এলাকায় সড়কটি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় প্রায়ই সেখানে সড়ক দূর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে। যে কারণে এলাকাবাসি সেখানকার রাস্তাটি প্রশস্তকরণের দাবি জানিয়েছে।

    রক্সী খান ।

  • বানারীপাড়ায় অসচ্ছল হতদরিদ্র রুগীদের নেবুলাইজার ও ঔষধ বিতরন

    বানারীপাড়ায় অসচ্ছল হতদরিদ্র রুগীদের নেবুলাইজার ও ঔষধ বিতরন

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় রবিবার ৩১জুলাই সমাজসেবা অধিদপ্তের উদ্যোগে উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে অসহায় অসচ্ছল গরীব রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শ্বাস কষ্ঠের মূমুর্ষ অবস্থায় ভর্তি হওয়া রোগী মমতাজ বেগমকে চিকিৎসা শেষে বিনা মূল্যে একটি নেবুলাইজার মেশিন ও ঔষধ বিতরন করা হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার হাফিজুল ইসলাম শাকিলের চিকিৎসা পত্র অনুযায়ী মেশিন ও ঔষধ সমগ্রী প্রদান করা হয়। এ সময় উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা ও রোগী কল্যাণ সমিতির সম্পাদক পার্থ সারথী দেউড়ি এবং বানারীপাড়া প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সিনিয়র সাংবাদিক ও রোগী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম সম্পাদক এস মিজানুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় অসুস্থ রোগী মমতাজ বেগমের পক্ষে পুত্রবধূ সুরমা বেগম ঔষধ সামগ্রী গ্রহণ করেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • বরগুনার তালতলীতে মিটার খুলে নেবার ১৫ বছর পরে ১ লাখ ৮৫  হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল

    বরগুনার তালতলীতে মিটার খুলে নেবার ১৫ বছর পরে ১ লাখ ৮৫ হাজার টাকার বিদ্যুৎ বিল

    মংচিন থান তালতলী( বরগুনা) প্রতিনিধি।।
    বরগুনার তালতলীতে সিডরে বিধ্বস্ত হওয়া পল্লি বিদ্যুতের একটি মিটার অফিসে খুলে নেওয়ার ১৫ বছর পরে নতুন করে ১লাখ ৮৫ হাজার ৮৪১ টাকা বিল করেছে কলাপাড়া জোনাল অফিস। তালতলীর ছোট ভাইজোড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। মিটারের মূল মালিকের মৃত্যু হওয়ায় তার ছেলের বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে বকেয়া বিল যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

    জানা গেছে, উপজেলার ছোট ভাইজোড়া গ্রামের বৃদ্ধ আদম আলী গ্রামের রাস্তার পশ্চিম পাশে একটি মুদি দোকান চালাতেন। তিনি দোকানে নিজ নামে পল্লি বিদ্যুতের একটি মিটার (হিসাব নাম্বার ৩৭৪-২২০৫) নেন।

    বার্ধক্যজনিত কারণে ২০০৬ সালের ১০ নভেম্বর তিনি মারা যান। ২০০৭ সালের ঘূর্ণিঝড় সিডরে তার দোকান ঘরটি বিধ্বস্ত হয়। এতে পল্লি বিদ্যুতের লোকজন বিধ্বস্ত হওয়া মিটারটি খুলে নিয়ে যায়।

    কিন্তু মিটার খুলে নেওয়ার ১৫ বছর পর মৃত আদম আলীর ছেলে আনসার আলীর চলতি জুলাই মাসের বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে তার বাবার বকেয়া এক লাখ ৮৫ হাজার ৮৪১ বিদ্যুৎ বিল যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

    শনিবার সরেজমিন গেলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সূত্র জানায়, বৃদ্ধ আদম আলীর মৃত্যুর ২-৩ বছর পরে ২০১০ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত স্থানীয় এনায়েত করিমের ছেলে এনামুল করিম ওই দোকানের অদূরেই রাস্তার পূর্বপাশের সারিতে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার গ্যারেজ ব্যবসা চালু করেন।

    তিনি বিদ্যুৎ অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তায় আদম আলীর নামের ওই মিটারের স্থান পরিবর্তন করে রাস্তার পূর্বপাশের খাম্বা থেকে অবৈধ সংযোগ নিয়ে অটোরিকশা চার্জ দেওয়ার ব্যবসা খোলেন।

    পরে দেনায় জর্জরিত হয়ে ২০১৮ সাল থেকে এনামুল করিম এখন গাঢাকা দিয়ে বেড়াচ্ছেন। তবে বর্তমানেও তার ওই গ্যারেজ ঘরে বিদ্যুতের মিটারটি লাইনচ্যুত অবস্থায় লাগানো রয়েছে।

    আনসার আলী বলেন, আমার বাবা ১৯৯৮ সাল থেকে ছোট মাকে নিয়ে দোকান ঘরের পেছনেই আলাদা থাকতেন। আমরা তিন ভাই আলাদা সংসারে বসবাস করতাম। ২০০৬ সালের ১০ নভেম্বর বাবা মারা যান।

    ২০০৭ সালে সিডরের বন্যা হওয়ার কারণে বাবার দোকানঘর ভেঙে যায়। এর কিছু দিন পরই বিদ্যুৎ অফিসের লোকজন এসে মিটারটি খুলে নিয়ে যায়। এখন বিদ্যুৎ অফিসের লোকেরা কাকে মিটারটি দিয়েছে জানি না।

    আমরা তিন ভাই নিজ নামে মিটার এনে ব্যবহার করছি। এনামুল করিমের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

    পল্লি বিদ্যুতের কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম সজিব পাল বলেন, আদম আলী মারা যাওয়ার কারণে তার নামের বিদ্যুৎ বিল ওয়ারিশ সূত্রে ছেলে আনসার আলীর নামে দেওয়া হয়েছে।
    এনামুল করিম যদি আদম আলীর মিটার অবৈধভাবে ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নোয়াখালীতে ফেনসিডিল ও মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    নোয়াখালীতে ফেনসিডিল ও মদসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    রফিকুল ইসলাম সুমন( নোয়াখালী)

    নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ২ মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়ন্দো পুলিশ (ডিবি)।এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের থেকে ৪০ বোতল ফেনসিডিল ও ১৫ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করা হয়।
    গ্রেফতারকৃতরা হলো,আরিফ হাওলাদার (২৯) সে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ থানার পলেরহাট গ্রামের মনির হাওলাদারের ছেলে,আব্দুল ওহাব (২২) ফেনী সদর উপজেলার জেরকাচার গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।রোববার (৩১ জুলাই) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার সেতুভাঙ্গা এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

  • লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা সংস্কার কাজে বাধা ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের সম্পত্তি দখলের চেষ্টা সংস্কার কাজে বাধা ও সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

    নাজিম উদ্দিন রানা।
    লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি।।
    লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের জমি অবৈধ দখল ও লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ।

    ৩১ জুলাই রবিবার বেলা ১১ টায় লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের হলরুমে এই সংবাদ সম্মেলন করা হয় ।জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মো.শাহাজাহান।

    জেলা পরিষদের প্রশাসক মো,শাহাজাহান বলেন,জেলা পরিষদ একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। জেলা পরিষদের মালিকীয় জমি একসনা ইজারা প্রদানের মাধ্যমে রাজস্ব আদায়ক্রমে জেলার উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করে। স্বার্থান্বেষী মহল জেলা পরিষদের দীর্ঘদিনের সুনামক্ষুন্ন করার জন্য উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।
    তফসিল ভূমির কিছু অংশে পূর্ব হতেই জেলা পরিষদ টিনের বেড়া যুক্ত টিনসেট ঘর রয়েছে এবং বিভিন্ন অংশের ভূমি জেলা পরিষদ পূর্বহতেই ইজারা প্রদানের মাধ্যমে জেলা পরিষদ দখল করিরা আসিতেছে। জেলা পরিষদের টিনসেট ঘর এবং ইজারাদারের দোকান ঘরের চাল ও বেড়ার টিন মেরামতের কাজ শুরু করলে রাসেল,সহেল,নুরুল ইসলাম, সবুজ, স্বপন চন্দ্র নাথ, সাদনান সহ আরো ৩০-৪০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা করে জেলা পরিষদের স্থাপনা ও ইজারদারের দোকানঘর ভাংচুর করে পূর্বেই জেলা পরিষদের স্থাপিত ২টি সাইনবোর্ড ভাংচুর করে এবং উপস্থিত জেলা পরিষদের স্টাফ ও ইজারাদারদের মারধর করে।

    তিনি বলেন, ১৯৪২ সনে ডিষ্ট্রিক বোর্ডের ভূমি নবদ্বীপকে ছাফ কবলা দেওয়ার বিষয়টি সঠিক নয়।
    ডিষ্ট্রিক বোর্ড সরকারের পূর্ব অনুমোদন ব্যতিত কোন স্থাবর সম্পতি হস্তান্তর করতে পারে না।
    ব্যাক্তিগনের দাবিকৃত নিলামের বিষয়টি সম্পৃর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। নিলাম সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র তারা উপস্থাপন করতে পারেনি। কোন জমি নিলাম হলে সাব কবলা দলিল হয়না তাদের উপস্থাপিত দলিলে ডিষ্ট্রিক বোর্ডের চেয়ারম্যানের কোন থাম/ স্বাক্ষর নাই। তদের খাজনা পরিশোধের বিষয়টিও বিভ্রান্তিকর, পি,এস মৌজা ম্যাপের ০৩নং
    সীটের সর্বশেষ দাগ নম্বর ৮৮৩০ কিন্তু তাদের প্রদর্শিত দাগ ৯৩/৮৮৩৩ ও ৮৮৩৩ যা মৌজা ম্যাপে চিহ্নিত নাই। জেলা পরিষদের মালিকীয়, সি এস – ৪৩১৮,৪৩১৯,৪৩২০, পি এস- ৮৪৯০/ ঞ দাগের ভূমি আর ৯৩/৮৮৩৩,৮৮৩৩ দাগের ভূমি এক নয়।

    মিথ্যা বিভ্রান্তি ও অপ-প্রচারে বিরুদ্ধে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়। এই বিষয়ে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
    এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব মো.শাহাজাহান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কুল প্রদীপ চাকমা,
    জেলার কর্মরত প্রিন্ট এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সংবাদিকবৃন্দ।

  • কালীগঞ্জে ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত

    কালীগঞ্জে ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ যাচাই বাছাই অনুষ্ঠিত

    মো,হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলায় প্রফিট ফাউন্ডেশন আয়োজনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এর সহযোগিতা ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সের আবেদনকারীর যাচাই বাছাই হয়েছে।

    গত ৩০ জুলাই ২০২২ইং লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণ সকাল ১০ ঘটিকায় প্রফিট ফাউন্ডেশন আয়োজনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এর সহযোগিতা ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সের আবেদনকারীর যাচাই বাছাই সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়।এতে লালমনিহাট জেলার কালিগঞ্জ, আদিতমারী ও হাতিবান্ধা উপজেলার প্রায় ৪০০টি‌ আবেদনপত্র জমা হয়।

    ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সের আবেদনকারীর যাচাই বাছাই সাক্ষাৎকার গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোঃ আব্দুল মান্নান।

    আরো উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ উপজেলার আইসিটি বিভাগ এর সহকারী প্রোগ্রামার মোঃ মোস্তফা চৌধুরী, পিএফ এর নির্বাহী পরিচালক মোঃ নুরুজ্জামান আহমেদ, দলগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল হোসেন,বেনবেইস এর শিক্ষক ফাতেমা খানম, আইসিটি (কম্পিউটার) প্রশিক্ষক বিজলী রানী, পিএফ এর টেকনিক্যাল অফিসার মোঃ স্বাধীন ইসলাম,ভোলান্টিয়ার, কাজী ফারজানা আক্তার, রেদওয়ান ইসলাম রনি ও মোঃ দেলোয়ার হোসেন,সহ ৩ মাস ব্যাপী ফ্রি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্সের আবেদনকারী ছাত্র ছাত্রী বৃন্দ।

    হাসমত উল্লাহ।।

  • কুড়িগ্রামে শিক্ষার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    কুড়িগ্রামে শিক্ষার উপ-সহকারী প্রকৌশলী রায়হান মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

    কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. রায়হান মিয়া প্রায় দেড় যুগ ধরে নিজ জেলায় কর্মরত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। কুড়িগ্রাম তার জন্মস্থান, তার ভাই, আত্মীয়স্বজন ও প্রভাবশালী শশুরবাড়ীর ক্ষমাতার দাপটে একটি সিন্ডিকেট গ্রুপ গড়ে তুলে সরকারি উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে দুর্নীতি করে অঢেল সম্পদের সত্বাধিকারী হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রায়হান মিয়ার অনিয়মের অত্যাচারে অনেক ঠিকাদার অতিষ্ঠ।

    অভিযোগ ও বিভিন্ন ঠিকাদার সূত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ও কুড়িগ্রামের একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির জামাতা মো. রায়হান মিয়া উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রায় দেড় যুগ ধরে নীতিমালা বহির্ভূত করে কর্মরত থেকে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর কে অনিয়মের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলে নিজের ফায়দা লুটেছেন। এছাড়া তিনি বেনামে দরপত্র সংগ্রহ করে নিজে ঠিকাদারী কাজ করে থাকেন এমন অভিযোগও রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকজন ঠিকাদার তার অনিয়মের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ করায় ২০২২সালের এপ্রিলের শেষে দিকে শিক্ষা অধিদপ্তর রায়হান মিয়াকে নীলফামারি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বদলি করে। এদিকে তিন মাসের মধ্যেই রায়হান মিয়া মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে বিধিনিষেধ না মেনে চলতি সপ্তাহে আবারও কুড়িগ্রাম শিক্ষা অধিদপ্তরে যোগদান করে এবং অনেকটা বেপরোয়া হয়ে জোরপূর্বক ঠিকাদারের কাছে একের পর এক অর্থ দাবি করেন। ঠিকাদারগণ তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে (৩০জুলাই) শনিবার রায়হানের বদলী বাতিল ও দুর্নীতি বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম শিক্ষা প্রকৌশল অফিসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেন।

    প্রকৌশলী রায়হান মিয়া প্রায় দেড় যুগ ধরে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে চাকরী করে দুর্নীতির মাধ্যমে নামে-বেনামে সম্পদ ক্রয় করেছেন। যেমন কুড়িগ্রাম সদর, রংপুরে ও উলিপুরে নামে বেনামে করেছে অঢেল ধন সম্পদ। এমনকি কুড়িগ্রাম সদরে করেছেন ৫তলা বিলাস-বহুল বাড়ি।

    কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম ভকেশনাল স্কুল, বুড়াবুড়ি উচ্চ বিদ্যালয়, উলিপুর সরকারি কলেজ, নুরপুর মাদ্রাসা, উলিপুরের বজরা গার্লস স্কুল, রৌমারি যাদুরচর কলেজসহ অনেক প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা করে এবং এলাকার প্রভাব খাটিয়ে সাধারণ ঠিকাদারদের জিম্মি করে দুর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি কোটিপতি হয়ে উঠছেন।

    লালমনিরহাট জেলার ইকবাল হোসেন মামুনসহ স্থানীয় ঠিকাদাররা জানান, রায়হান মিয়ার অনিয়ম, দুর্নীতি করে নিজেই ঠিকাদারি করে আসছে। এমনকি তার অত্যাচারে তার অতিষ্ঠ। এই দুর্নীতিবাজ ইঞ্জিনিয়ার রায়হানের বদলী বাতিল সহ তার দুর্নীতি সঠিকভাবে তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যাবস্থা গ্রহনের দাবি জানান তারা। ভবিষ্যতে তিনি যেন নিজ জেলায় সরকারি চাকরি করে ঠিকাদারি ব্যবসা ও দুর্নীতি করতে না পারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ঠিকাদারগণ।
    উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রায়হান মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার বিরুদ্ধে অপবাদ দেয়া হচ্ছে। সময় কথা বলবে।

    কুড়িগ্রাম জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাহজাহান আলী বলেন, শিক্ষা প্রকৌশল তিন আগে তাকে নিলফামারী জেলা শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরে বদলী করেন। আবারও শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে কুড়িগ্রামে যোগদানের অর্ডার নিয়ে এসেছেন। উধ্বতর্ন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

    শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের পরিচালক ( প্রশাসন ও অর্থ) মো. রাহেদ হোসেন জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।