Blog

  • রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও ভর্তির অনিশ্চয়তায় রয়েছে প্রফুল্ল রায়

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েও ভর্তির অনিশ্চয়তায় রয়েছে প্রফুল্ল রায়

    দিনাজপুর প্রতিনিধি – দিনাজপুরের বীরগঞ্জের এক গরিব ভ্যান চালকের মেধাবী পুত্র রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষায় উতীর্ণ হয়েও ভর্তির অনিশ্চয়তায় রয়েছে।

    বীরগঞ্জ সরকারী ডিগ্রী কলেজের ছাত্র মরিচা গ্রামের ভ্যান চালক সুবাস রায়ের পুত্র মেধাবী ছাত্র প্রফুল্ল রায় ২০২২ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরিক্ষায় অশংগ্রহন করে মেধা তালিকায় এ ইউনিটে ২৪৮ তম হয়ে চান্স পেলেও আর্থিক অসচ্ছলতায় ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় হতাশায় ভুগছে মেধাবী ছাত্র প্রফুল্ল রায়।

    ভ্যান চালক সুবাস রায়ের পুত্র মেধাবী ছাত্র প্রফুল্ল রায়ের ১ বছর বয়সে তার মা শেফালী রানী মারা যায়। বাবা পুনরায় বিয়ে করায় নানা দিনমুজুর আনন্দ মোহন রায় তাকে নিয়ে গিয়ে মানুষ করে। ২০১৩ সালে ৫ম শ্রেনীর বৃত্তী পেলে দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনের মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য বর্তমান এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল সংবর্ধনা ও অভিনন্দন জানায়। সে বরাবর বিভিন্ন পরিক্ষায় শত কষ্টের মাঝেও মেধার পরিচয় দিয়েছে।

    UBC(ইউবিসি) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি সহায়তা কেন্দ্র বীরগঞ্জ কোচিং এর পরিচালক আল আমিন প্রামানিক জানায়, প্রফুল্ল রায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ ইউনিটে তথ্য বিজ্ঞান ও লাইব্রেরি ম্যানাজমেন্ট বিভাগে চান্স পেয়েছে পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও Waiting অপেক্ষামান এ রয়েছে। সে মেধাবী ও ভদ্র। কষ্টে মানুষ হওয়ায় সে জীবনের মুল্য বুঝবে। সে গরিবের জন্য কাজ করতে পারবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন। তার ভর্তি ও পড়ালেখায় পাশে দাড়ানোর জন্য সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহব্বান জানায়। তিনি প্রফল্ল রায় এর নিজ বিকাশ নাম্বার ০১৮৯৩৫২০২০৭ এর মাধ্যমে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

    মোঃ নাজমুল ইসলাম মিলন
    দিনাজপুর প্রতিনিধি।

  • ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

    ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

    মো.হাসমত উল্লাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিংগীমারী ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৯০০ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩,২৯,১৯০টাকাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে হাতীবান্ধা থানার পুলিশ।
    লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)শাহা আলম, এর নেতৃত্বে এসআই (নিঃ)/মোঃ হারুন অর রশিদ, ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ হাতীবান্ধা থানাধীন সিংগীমারী ইউনিয়নের সিংগীমারী মৌজাস্থ সিংগীমারী পকেট নামক গ্রামের কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ৪টি মাদক মামলার আসামীর এর বসত বাড়ীতে মাদক ক্রয় বিক্রয়ের সময় একজন ভারতীয় নাগরীক আলতাব হোসেনকে,অদ্য আটক করা হয়। আটকের পর উক্ত ভারতীয় নাগরিকের নিকট হইতে এবং উক্ত বাড়ীর মালিকের ফেলিয়ে যাওয়া মোট ১৯০০ ( এক হাজার নয়শত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক ক্রয়-বিক্রয়ের নগদ ৩,২৯,১৯০ (তিন লক্ষ উনত্রিশ হাজার একশত নব্বই) টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়।
    আটকৃত আলতাব হোসেন,ভারতের কুচবিহার জেলার শীতলকুচি থানার গোলনাহাটি গ্রামের জলিল মিঞার ছেলে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আটকৃত আসামির বিরুদ্ধে হাতীবান্ধা থানার মামলা হয়।
    হাতীবান্ধা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শাহা আলম, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতীবান্ধা থানার সিংগীমারী ইউপির সিংগীমারী মৌজায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৯০০ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৩,২৯,১৯০টাকাসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছেন হাতীবান্ধা থানার পুলিশ।

    হাসমত উল্ল্যাহ।

  • প্রকৃত সাংবাদিকের কলমের মূল্য কেউ দিতে পারবে না..সাংবাদিক আব্দুস সালাম

    প্রকৃত সাংবাদিকের কলমের মূল্য কেউ দিতে পারবে না..সাংবাদিক আব্দুস সালাম

    প্রতিবাদী কন্ঠে আওয়াজ তুলেছে একুশে টেলিভিশন ও দৈনিক দেশবাংলার সুনামগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো: আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, সাংবাদিকতা এক মহান পেশা, আর এই মহান পেশাকে অনেকে সম্মান দিতে জানেনা। কারণ যারা মন্দ সমাজে বাস করে তাদের কুকীর্তি কখন ফাঁস হয়ে যায় সেই ভয়ে অনেকে সাংবাদিকদের থেকে দূরে থাকে। অমানবিক আচরণ দেখা যায় তাদের মধ্যে।
    মন্দ লোকের মাঝে মনুষ্যত্ব বলে কিছু নাই, তাদের আচরন পশুর চাইতেও খারাপ। এরা শুধু ঘরের ভিতর আওয়াজ করতে জানে। কিন্তু বাহিরে বেরিয়ে আসলে এদের কে ভেজা বেড়াল বললেই চলে। কোন শুভ কিংবা পণ্যের কাজে এদেরকে পাওয়া যায় না। আর অশুভ কাজের খলনায়ক এই প্রকৃতির লোকজন।
    অথচ মাঠে-ঘাটে, রুদ্র-বৃষ্টিতে, গরম-শীতে, সুস্থ এবং অসুস্থ অবস্থায় শুধু সাংবাদিকরাই থাকে অসহায় মানুষের পাশে। লিখনীর মাধ্যমে সত্য প্রকাশের যুদ্ধে নিজেকে বিলীন করে দেয় সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের মাঝে। সাংবাদিকরা কখনো অহংকার করে না। এরা সত্য-ন্যায়ের সৈনিক এক কলম যুদ্ধা। সাংবাদিকদেরকে বোকা ভেবো না এরাও মানুষ। সাংবাদিকদের কলম কেড়ে নিতে চাও? কিনতে চাও তাদের লিখনীর মাধ্যমে প্রকাশ করা সেই সত্যের বানী? কত জন সাংবাদিকের কলম তোমরা কিনতে পারবে? কত টাকার মালিক তোমরা? মিথ্যে অহমিকা আর ক্ষমতার বলে দুনিয়ায় বাহাদুরী। শেষ বিচারে এর জবাব তোমাদেরকে দিতেই হবে। হ্যাঁ হ্যাঁ অবশ্যই দিতে হবে। আর তখন কি জবাব দিবে তৈরি থেকো। একজন সাংবাদিক শুধু সত্য সংবাদ প্রকাশ করে। সাংবাদিকরা কখনো সন্ত্রাস, ছিনতাই, চাঁদাবাজি করে বেড়ায় না। শুধু সত্য সংবাদ এর পিছনে ছুটে চলে অবিরাম। সাংবাদিকরা কখনো কলম বিক্রি করে না। এমনটা যদি কোন নির্বোধ ভেবে থাকে তাহলে এটা ভুল। একজন কলম সৈনিক হিসেবে একদিন না একদিন আমি এর প্রমাণ করব ইনশাল্লাহ।
    ##

  • ব্ল্যাংঙ্ক চেক নিয়ে জিম্মি করে টাকা হাতানোই  মাদক সম্রাজ্ঞী সুন্দরী’র  মূল লক্ষ্য বলে দাবিতে মানব বন্ধন

    ব্ল্যাংঙ্ক চেক নিয়ে জিম্মি করে টাকা হাতানোই মাদক সম্রাজ্ঞী সুন্দরী’র মূল লক্ষ্য বলে দাবিতে মানব বন্ধন

    মো.শহিদুল ইসলাম।
    স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম

    চট্টগ্রাম হালিশহর থানা এলাকায় অভিনব কায়দায় গড়ে তুলেছেন মাদক ও সুদের বিশাল সাম্রাজ্য। আর এই সাম্রাজ্যের রানী হলেন মোসাম্মৎ কুলসুমা বেগম সুন্দরী। এমনটাই দাবি করেছেন আজ ২৬/০৮/২০২২ ইং চট্টগ্রাম বড় পোল চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানব বন্ধনের মধ্য দিয়ে এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা। সমাবেশে অংশ নেয়া ভুক্তভোগীরা হলেন চট্টগ্রামের বড় পোল, মইন্যাপাড়া, নতুন পাড়া ও নিউমোরিং এলাকায় বসবাসরত স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষজন। প্রতিবাদে তারা জানান সুন্দরী তার অবৈধ পথে আয় করা অর্থ নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে চড়া সুদের বিপরীতে বিনিয়োগ করে থাকেন। এই সুদ এর অর্থ চালাতে গিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে নেমে আসে অমানিশার ঘোর অন্ধকার। স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কলহ, সংসার বিচ্ছেদ, আত্মহত্যার মতো চরম সিদ্ধান্ত নেয়া এবং ব্যবসায় পুঁজি হারিয়ে সর্বস্বান্ত হয়েছে অনেকে। মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ তারা আরো দাবী করেন তার মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ সহ এইসব সুদ বাণিজ্যের কারবারে সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে যান তার টর্চার সেল এ। সেখানে তাদের উপর নির্মম অত্যাচার করা হয়। তার আঙ্গুলের ইশারায় এইসব অপরাধে জড়িত থাকেন তার বিভিন্ন অপকর্মের পার্টনার এবং অটো রিক্সা সিন্ডিকেটের অবৈধ চাঁদাবাজ ও রাস্তায় দাঁড়ানো ভ্যান গাড়ি থেকে চাঁদা আদায়কারী নিজেকে হালিশহর থানার ক্যাশিয়ার বলে পরিচয়দাতা আলাউদ্দিন নামক ব্যক্তি ও তার বাহিনী। প্রতিবাদে আরো জানানো হয় কুলসুমের কাছে রক্ষিত সুদের বিনিয়োগের বিপরীতে ব্ল্যাংঙ্ক স্ট্যাম্প ও ব্ল্যাংঙ্ক চেক দিয়ে সে বিভিন্ন সময় ১০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋণ দিয়ে ঐ ব্ল্যাংঙ্ক চেক এ নিজের খেয়াল খুশি মত অর্থ বসিয়ে তার আইন জিবির মাধ্যমে মামলা দায়ের করেন। এভাবে একাধিক ব্যক্তি একাধিকবার ঋণের অর্থ পরিশোধ করেও ফেঁসে যান সুন্দরীর দায়ের করা মিথ্যা মামলায়। তার অন্যায় ভাবে দায়ের করা এইসব মামলার কারণে এলাকার স্থানীয় ভাড়াটিয়া সহ অসংখ্য মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্য, ভিটা মাটি, গৃহহারা হয়েছেন বলে দাবি করেছেন মানববন্ধনে। এককালীন অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ ব্যক্তিদের চাপ দিয়ে থাকেন সুন্দরী তার নিজ নামে ও তার সাঙ্গপাঙ্গের নামে ঐ ভিকটিমের শেষ সম্বল জায়গা জমি কিংবা বসতভিটা লিখে দেওয়ার জন্য। তার এইসব অনৈতিক আবেদনে সারা না দিলে সাধারণ মানুষ গুলোর উপরে মারাত্মকভাবে তার টর্চার ও নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়া হয়। মানববন্ধন থেকে তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন কুলসুমা বেগম প্রকাশ সুন্দরী’র বিষয়ে প্রশাসনিক তদন্ত প্রয়োজন। তারা প্রশাসনকে তদন্তের মাধ্যমের রহস্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়ে বলেন কোটি কোটি টাকার মামলা বাজিতে সুন্দরীর আয়ের উৎস কি? ফুটপাত থেকে উঠে আসা একজন নারীর কোটি টাকা বিনিয়োগের বিপরীতে ভ্যাট ট্যাক্স পরিচ্ছন্ন আছে কিনা? মানববন্ধন থেকে তাদের বিষয়টি সুবিবেচনা করব সাংবাদিক সমাজকে তাদের দেয়া বক্তব্যের উপর সরজমিন তদন্তের আহ্বান জানান। স্থানীয় আল মামুন জানান তার শশুর সুন্দরীর কাছ থেকে এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা সুদের বিনিময়ে ঋণ গ্রহণ করেন। সেই ঋণের বিপরীতে ৬ লক্ষ টাকার উপরে পরিশোধ করেন সুদসহ। ঋণ গ্রহণের সময় আল মামুনের কাছ থেকে SB 74030418 Dutch Bangla Bank limited এর একটি ব্ল্যাংক চেক সুন্দরীর হাতে সিকিউরিটি হিসেবে জমা দেয়া হয়। টাকা বুঝে পেয়ে সুন্দরী চেক ফেরতে গড়িমসি শুরু করেন এবং ঐ চেকে ১০ লক্ষ টাকার এমাউন্ট বসিয়ে মাননীয় আদালত চট্টগ্রামে ১২/১১/২০১৯ ইং তারিখে ৪৩৩/২০১৯ মামলা দায়ের করেন। মানববন্ধনে আরো দাবি করা হয় একইভাবে সেলিনা আক্তার হতে SB S4098100 NCC Bank Halishahor Branch এর একটি সিকিউরিটি চেক জমা নেন। পরবর্তীতে ঐ চেকে ৫ লক্ষ টাকার অংক বসিয়ে মাননীয় আদালত চট্টগ্রাম এ মামলা নং ১৮১/২০২০ ইং বিগত ২২/০৭/২০২০ ইং তারিখে দায়ের করেন। প্রতিবাদ সমাবেশে তারা আরো জানান এই ধরনের একাধিক ডকুমেন্টস প্রশাসনের তদন্তের প্রয়োজনে তারা প্রশাসনকে জমা দিবেন। তারা ভয়ংকর এই নারীর ব্ল্যাংঙ্ক চেকের প্রতারণামূলক মামলা বাজির হাত থেকে তাদেরকে রক্ষা করার জন্য অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন। এছাড়াও তারা দুদক, পুলিশ প্রশাসন, RAB-7 , আয়কর বিভাগ সহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতা কামনা করে তার অপরাধ জগতের কালো থাবা হতে সাধারন মানুষের জানমাল রক্ষায় আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।। সমাবেশ থেকে এলাকাবাসী একের পর এক মামলার জন্মদাতা ব্ল্যাংঙ্ক চেক এবং ব্ল্যাংঙ্ক স্ট্যাম্প গ্রহীতা মামলাবাজ মাদক সম্রাজ্ঞী সুন্দরীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক তাকে সমাজবিনষ্টকার হিসেবে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিতের জোড়ালো দাবিও জানান।
    কুলসুমা বেগম সুন্দরীর‌ ব্যাপারে হালিশহর থানার অফিসার ইনচার্জ এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

  • জয়পুরহাট ক্ষেতলাল কৃষ্ণনগর স্কুলের সভাপতির নিজ উদ্যোগে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাট ক্ষেতলাল কৃষ্ণনগর স্কুলের সভাপতির নিজ উদ্যোগে ফাইনাল ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন নিজস্ব প্রতিবেদনঃ

    ক্রীড়াই শক্তি, ক্রীড়াই বল। মাদক ছেরে খেলতে চল এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ২৭ আগস্ট ২০২২ ইং বৃহস্পতিবার, বেলা- ০৩ ঘটিকায় ক্ষেতলাল উপজেলার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সম্মানিত সভাপতি রায়হান আলম এর সভাপতিত্বে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসতিয়াক আহমেদ।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি রওশন ইয়াজদানী, বোরহান উদ্দিন, বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দিন, আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষ্ণনগর স্কুলের সভাপতির সহধর্মিণী ফয়জননেছা হাসি, ক্ষেতলাল উপজেলার যুবলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন ও বড়তারা ইউনিয়ন পরিষদের ০৮ নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল ইসলাম
    পাঠানপাড়া বাজার স্বেচ্ছাসেবী রক্তদান সংগঠনের প্রায় ১০০ জন সদস্যসহ ক্ষেতলাল উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিকবৃন্দ ও উপজেলার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ উপজেলার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

    খেলা পরিচালনা করেন-অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষক) মোঃ আব্দুল হান্নান।

    সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন-অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরমান আলী খান।

    উক্ত খেলা শেষে ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে খাসি তুলে দেন প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ।

  • ভূমি সেবায় মান এগিয়ে নেওয়ায় তারাকান্দাবাসীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এসিল্যান্ড জিন্নাত শহিদ পিংকি

    ভূমি সেবায় মান এগিয়ে নেওয়ায় তারাকান্দাবাসীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ এসিল্যান্ড জিন্নাত শহিদ পিংকি

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    ময়মনসিংহের তারাকান্দায় ভূমি দপ্তরের সেবার অপর নাম জিন্নাত শহিদ পিংকি । এসিল্যান্ড হিসেবে তারাকান্দা উপজেলায় যোগদান করেন ২০২১সালের ১১ই এপ্রিল । যোগদানের পর পরই সেবাপ্রার্থীদের দিকে নজর দেন। নামজারী, খাজনা ইত্যাদি বিষয়ে গ্রাহকদের হয়রানী দূর করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ হাতে নেন।

    অফিসে অপেক্ষমান সেবা প্রার্থীদের বারান্দায় বসার আধুনিক ব্যবস্থা, করেন এবং দালালের হাতে টাকা না দিতে অনুরোধ করেন। বাহিরে অপেক্ষমান প্রত্যেককে ডেকে অভিযোগ শ্রবন করে সেবাদান করেন। ভূমি অফিসের কর্মচারীগণ জানান, অফিস সময় পার হয়ে সন্ধ্যা হলেও অপেক্ষমান সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণ ও শুনানী গ্রহণ করে থাকেন। উপজেলা বিসকা,গালাগাঁও,বালিখা,ডাকুয়া,কামারিয়া ও রামপুর ইউনিয়নের কয়েকজন ভূমি মালিক জানান,তাদের জমি অন্যরা জবর-দখলে হুমকি দিয়ে থাকে,তারা বছরের পর বছর এর সুষ্ঠু সমাধানের আশায় ঘুরলেও কেউ কথা শুনে না, কিন্তু পিংকি স্যার বিনা খরচে জমি খারিজ করে দিয়েছে।

    উপজেলার কয়েকজন জনপ্রতিনিধি বলেন, নির্লোভ এসিল্যান্ড জিন্নাত শহিদ পিংকি শুধু ভূমি সেবাতেই ক্ষ্যান্ত থাকেননি, ইউএনও স্যারের পরামর্শে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে বেকারী কারখানা, ঔষধের দোকান, মুদি দোকান, হোটেলসহ যথাযথ আইন প্রয়োগ ও সচেতনতা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন দায়িত্ব পালনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অন্যায় সুবিধা আদায় করতে অর্থের লোভ দেখিয়ে সুবিধবাদীরা ধোপে টিকতে পারেনি এমন খবরও পাওয়া গেছে।

    কয়েকটি ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তারা বলেন, এখানে সরকার নির্দেশিত ডিজিটালাইজড্ কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত ভূমি উন্নয়ন কর প্রদান সহজ করার জন্য নাগরিক কর্ণার থেকে রেজিষ্ট্রেশন করা হচ্ছে (হোল্ডিং ওপেনিং)। অনলাইনে কর জমা নেয়া হচ্ছে। নামজারি, তদন্ত (মিছ কেস ১৪৪ ধারা) ইত্যাদি দ্রুত সময়ের মধ্যে নিস্পত্তি করা হচ্ছে। আমাদের এসিল্যান্ড স্যারের নির্দেশ “কোনো সেবাগ্রহীতা হয়রানির শিকার হবে না, যে কোনো সেবা যথাসম্ভব দ্রুত নিস্পত্তি করে সেবার মান বাড়াতে হবে, গ্রাহক সন্তুষ্টি অর্জন করতে হবে”। স্যারের নির্দেশে-আমরা এই নীতিতেই চলছি বিধায় সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ আমাদের উপর সন্তুষ্ট। তিনি বলেন- এসিল্যান্ড স্যারে কর্মদক্ষতায় ভূমি মালিকরা ভূমি অফিসে না এসে ঘরে বসে এমনকি দেশের বাইরে থেকেও ভূমি উন্নয়ন কর দিতে এবং দাখিলা সংগ্রহ করতে পারছেন। দেশব্যাপী সব জায়গার মত তারাকান্দাতেও সবগুলো ইউনিয়ন ভূমি অফিসেই মৌজাওয়ারী ভূমি মালিকের তথ্য অনলাইনে এন্ট্রি করার কাজ উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে।

    সরকারী কার্যক্রম সম্পর্কে এসিল্যান্ড জিন্নাত শহিদ পিংকির অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ইচ্ছা থাকলেও সবসময় শতভাগ পূর্ণসেবা দওয়া সম্ভব হয় না, তারপরেও সময় নষ্ট না করে সর্বোচ্চ সেবা দেয়ার চেষ্টা করি এই কারণে যাতে করে শেষ পর্যন্ত সেবাপ্রার্থীরা সন্তুষ্ট হয়, আর তাহলেই সরকারের উদেশ্য সফল হবে বলে মনে করি। তিনি বলেন-আমি আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করছি মাত্র। তাছাড়া আমার সকল পর্যায়ের সহকর্মীদের আন্তরিক সহযোগিতা না পেলে একা এত ভালো করা সম্ভব ছিল না।

    রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান বলেন, এসিল্যান্ড জিন্নাত শহিদ পিংকি এর তারাকান্দায় যোগদানের পর অদ্যাবধি তার কাজের মান ভাল, সেবাগ্রহীতারা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ, সরকারী কর্মকর্তারা এমন হলে বাংলাদেশ একদিন সোনার দেশেই পরিনত বলে।

  • গৌরনদীর চাঁদশীতে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

    গৌরনদীর চাঁদশীতে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী পালিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    ১৯৭৫সালের ১৫আগস্ট আতোতায়ীর হাতে নিহত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ সকল শহীদের স্মরনে তাদের আত্নার সান্তি কামনা করে
    গৌরনদী উপজেলার চাঁদশী ইউনিয়নের আবদুর রব সেরনীয়াবাত টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গনে
    শনিবার বিকাল ৩টা ৩০সে আলোচনাসভা ও দোয়া-মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    চাঁদশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি, চাঁদশী ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে
    অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় স্মৃতিচারন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মো. হারিছুর রহমান।
    কলেজ ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক শরীফ নাহীয়ান হোসেন রাতুল’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন
    উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এইচ.এম জয়নাল আবেদীন, সহ-সভাপতি আবু সাঈদ নান্টু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ফরহাদ হোসেন মুন্সি,
    পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির হোসেন মিয়া, সাধারন সম্পাদক মোঃ আতিকুর রহমান শামীম,
    ইউপি চেয়ারম্যান, গোলাম হাফিজ মৃধা, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সরদার আবদুল হালিম,
    ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হাফেজ নুরুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুল ইসলাম দিলিপ, জামাল হোসেন বাচ্চু,
    আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. সাহিদা আক্তার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা, মো. নান্টু হাওলাদার,
    উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান, সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাহাবুবুর রহমান,
    পৌর যুবলীগের সাধারন সম্পাদক মো.আল-আমীন হাওলাদার, চাঁদশী ইউপি সদস্য মো.মাহাবুব চোকদার,
    যুবলীগ নেতা কাজী মোস্তাফিজুর রহমান রনি, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুবায়ের ইসলাম সান্টু, সাধারন সম্পাদক লুৎফর রহমান দিপ,
    সরকারী গৌরনদী কলেজ ছাত্রসংসদের সাবেক ভিপি মো. সুমন মাহামুদ, কাউন্সিলর মো.মিলন খলিফা, মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সূজন,
    পৌর ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক প্রিন্স রেনাল্ড বেপারী, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো.ইমরান মিয়া-প্রমূখ।
    শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-সহ সকল শহীদের স্মরনে তাদের আত্নার সান্তি কামনা করে
    দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন গৌরনদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান।

  • গোদাগাড়ীর জৈটাবটতলা দিঘা গ্রামের হাসমত আলীর বাগানে নতুন জাতের আমের  খোঁজ পাওয়া গেছে

    গোদাগাড়ীর জৈটাবটতলা দিঘা গ্রামের হাসমত আলীর বাগানে নতুন জাতের আমের খোঁজ পাওয়া গেছে

    রাজশাহী থেকে মোঃ হায়দার আলী।।
    রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার দিঘা গ্রামে নতুন জাতের আমের সন্ধ্যন পাওয়া গেছে। এ আম নিয়ে মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে নানা কৌতূহল। চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন জাতের একটি আমের সন্ধান পেয়েছেন উদ্যানতত্ত্ববিদরা। বরেন্দ্র অঞ্চলের জৈটাবটতলা এলাকার দিঘা গ্রামে হাসমত আলীর বাগানে আমটির খোঁজ পাওয়া গেছে। আমটিকে গত ৪ বছর ধরে পর্যবেক্ষণে রেখেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচার সেন্টারের উদ্যানতত্ত্ববিদরা।

    নাবি জাতের এ আমটি পর্যবেক্ষণ করছেন হার্টিকালচার সেন্টারের সহকারী উদ্যান উন্নয়ন কর্মকর্তা শাহিন সালেহউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘গাছটি প্রায় ক্ষিরসাপাত আম গাছের মতো দেখতে। মাঘ-ফাল্গুন মাসের মধ্যে মুকুল আসে।’

    তিনি বলেন, ‘সাধারণত এ আম ৫-৬ মাস পর পাকে। আমের খোসা মাঝারি মসৃণ। আমটি পাকলে বোটার দিকে লালচে বর্ণের হয়। আঁটি পাতলা, আর আমে কোনো আঁশ নেই।’
    তিনি আরও বলেন, ‘আমটি সর্বোচ্চ ওজন এক কেজিরও বেশি হয়, আর সর্বনিম্ন প্রায় ৪০০ গ্রাম। এ আমের মিষ্টতার পরিমাণ প্রায় ২৪ শতাংশ। ৩-৪ বছর পর গাছে ফলন হবে। ছোটগাছে প্রায় ২০ কেজি আম উৎপাদন হয়। গাছের বয়সের সাথে আমের ফলনও বাড়ে।’

    বছর তিনেক ধরে এ বাগানটি দেখভালের কাজ করেন মালি শাহিন আলী। তিনি বলেন, ‘সাধারণত অনান্য আমের মুকলের সময় এ গাছেরও মুকুল দেখা দেয়। মুকুল আসার ৫ থেকে ৬ মাস পর আম পাকতে দেখা যায়।’
    চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম বাগান চাষি মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমটি নতুন জাতের, স্বাদও ক্ষিরসাপাতের মতো। এ আম যেহেতু দেরিতে (বিলম্ব) পাকে তাই লেট ক্ষিরসাপাত নামে আঞ্চলিকভাবে ডাকা হয়। আমটির আকার আকৃতি অনান্য আমের চেয়ে বড়, গোলাকার। এ আমে রোগ বালাই খুব কম।’

    ৭ বিঘা জমি লিজ নিয়ে আমের বাগান গড়েছেন হাসমত আলী (বাবু)। বলেন, ‘পাঁচ বছর আগে আমার ভাই মাইনুল ইসলামের এক বন্ধু ভারতে এ আম খেয়ে ‍মুগ্ধ হন। ওই গাছের সায়ন (চারা তৈরীর উপযোগী ডগা) সংগ্রহ করে দেশে আনেন। ওই সায়ন দিয়ে একটি কলম বাঁধি। এ আমের চাষাবাদ করে ভালো ফলন পেয়েছি। বাগানে এখন প্রায় ৩০টি গাছ আছে।’

    তিনি আরও বলেন, ‘নতুন জাতের আমটি এখনও বাজারে ‍গিয়ে বিক্রি করতে হয়নি। বাগানের আম বাগানে বেচে শেষ হয়ে যায়। এ বছরে এ আম পাঁচশ টাকা কেজি করে প্রায় ১০ হাজার টাকার আম বিক্রি করেছি। এ নতুন জাতের আম গাছের চারা নেওয়ার জন্য অর্ডার দিলে, চারা বিক্রি করা হয়। প্রতিটি চারার মূল্য ১ হাজার টাকা।’

    চাঁপাইনবাবগঞ্জ হর্টিকালচারের উপপরিচালক কুমার প্রামাণিক বলেন, “আমটির স্বাদগুণ ক্ষিরসাপাত আমের সঙ্গে তুলনা করা যায়। বলা চলে, অসময়ের ক্ষিরসাপাত আম। জেলা প্রশাসক কাছে আমটির নাম ‘কল্যাণ ভোগ’ রাখার জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি।”

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত।

    গোদাগাড়ীতে রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনের কংগ্রেস অনুষ্ঠিত।

    মোঃ হায়দার আলী, রাজশাহী।। রাজশাহীর গোদাগাড়ীর রাজাবাড়ীতে ৩৫টি রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনের কংগ্রেস-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়,

    শনিবার সকালে শ্রী সরল এক্কা’র সভাপতিত্বে
    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসিবিভিও’র সাধারণ সম্পাদক ও নির্বাহী প্রধান মো: সারওয়ার-ই-কামাল স্বপন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ও সিসিবিভিও’র সভাপতি প্রফেসর মো: আবদুস সালাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালন করেন সিসিবিভিওর প্রকল্প সমন্বয়কারী ও রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব মো: আরিফ।

    অনুষ্ঠানটিতে জাতীয় পতাকা ও রক্ষাগোলা সমাজ সংগঠনের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে উদ্বোধন করা হয়। কংগ্রেস সভা শুরুর প্রাক্কালে রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠন সমূহের প্রয়াত নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একমিনিট নিরাবতা পালন ও শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। উদ্বোধনী সমাবেশে অতিথিদের বক্তব্যে বক্তারা বলেন- আজকের এই কংগ্রেস রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠসমূহের পারস্পারিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ভূমিসহ অন্যান্য মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামকে আরও একধাপ এগিয়ে নিবে। বক্তারা আরও বলেন-রক্ষাগোলা মডেল গোদাগাড়ী উপজেলা তথা বরেন্দ্র অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির জনজাতি সমূহের আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবগত অবস্থার পরিবর্তনে ছাতারমত কাজ করছে। এই পরিবর্তন জনগণ তথা কংগ্রেস সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উপর নিরর্ভশীল। আপনারা সিসিবিভিও প্রদত্ত কর্মকৌশল, জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির যে প্রচেষ্টা তা যতটুকু গ্রহণ ও প্রয়োগ করতে পারবেন ঠিক ততটুকুকই আপনাদের পরিবর্তন হবে। সর্বপরি বক্তারা রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনসমূহের বার্ষিক কংগ্রেস-২০২২ এর সফলতা কামনা করেন।
    কংগ্রেসের ২য় পর্বে অলোচিত হয় ১. বিগত কংগ্রেস’র সিদ্ধান্তসমূহ পর্যালোচনা ২. রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনসমূহের বিভিন্ন সমস্যার (খাদ্য, ভূমি,স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সংস্কৃতি) বাস্তব চিত্র ও সমাধানের সাম্ভাব্য কৌশল ও পদ্ধতি ৩. রক্ষাগোলা সংগঠনসমূহের গঠনতন্ত্র সংশোধন/সংযোজন ৪. রক্ষাগোলা সমন্বয় কমিটির ২০২২-২০২৩ সালের কর্ম-পরিকল্পনা তৈরী
    রক্ষাগোলা গ্রাম সমাজ সংগঠনের কংগ্রেস-২০২২ অনুষ্ঠানে ৩৫টি সংগঠন থেকে ২৯৫ জন নেতা-নেত্রী নারী-পুরুষ প্রতিনিধি হিসাবে অংশগ্রহণ করেন।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • রাজীবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির ভিডিও ধারণে সাংবাদিকের উপর হামলা

    রাজীবপুর ইউপি চেয়ারম্যানের দুর্নীতির ভিডিও ধারণে সাংবাদিকের উপর হামলা

    এম এস সাগর,
    কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

    কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলায় রাজীবপুর প্রেক্লাবের কোষাধ্যক্ষ দৈনিক আমার সংবাদ ও চ্যানেল এস ও ডেইলী অবজারভার প্রতিনিধি রফিকুল ইসলামের উপর হামলা করেছে রাজীবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিরন মোহাম্মদ ইলিয়াস এবং ইউপি সদস্যরা। ২৭আগষ্ট দুপুর ১টা ৩০মিনিটের দিকে রাজীবপুর ইউনিয়ন পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

    রাজীবপুর সদর ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দশ টাকা কেজি চালের অনলাইন নিবন্ধন হালনাগাদ শুরু হওয়ার পর থেকে রাজীবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিরন মোহাম্মদ ইলিয়াস, ইউপি সচিব নুরুন্নবী ও ইউপি সদস্যরা মিলে কার্ড ধারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক বাড়ীর ট্যাক্সের নাম করে ১৫০টাকা করে দাবি করেন। ১৫০টাকা করে না দিলে অনলাইনে নিবন্ধন করতে নিষেধ করে দেয় ডিজিটাল সেন্টার উদ্যোক্তাকে।

    যারা ১৫০দিতে নারাজ তাদের কে অনলাইন করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি ধামকি দেয় চেয়ারম্যান, সচিব ও ইউপি সদস্যরা। পরে কার্ড ধারীদের সাথে বাকবিতন্ডা শুরু হয় ইউপি সদস্যদের সাথে। হট্টগোল দেখে যেখানে এগিয়ে যায় সাংবাদিক সহিজল ইসলাম সজল, মুরাদুল ইসলাম মুরাদ, আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রফিকুল ইসলাম। সাধারণ জনতা সাংবাদিকদের দেখে এগিয়ে এসে ১৫০টাকার বিষয়ে মৌখিক অভিযোগ করে। এতে হাতে থাকাস্মার্ট ফোন দিয়ে ঘটনাটি ভিডিও শুরু করেন সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম এবং ফেজবুকে লাইভ প্রচার করে মুরাদুল ইসলাম মুরাদ। তার ভিডিও করতে দেখে রাজীবপুর সদর ইউনিয়নের ৪নং ও ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আনোয়ার ও শাহাব উদ্দিন চেয়ারম্যান মিরন মোহাসম্মদ ইলিয়াস এর হুকুমে সাংবাদিকের উপর চড়াও হোন এবং ধাক্কা দিয়ে সিড়ি থেকে ফেলে দেয়। পরে অন্যান্য ইউপি সদস্যরা একযোগে এসে এলোপাথারী মারপিট করে। মারপিট করেন ইউপি সদস্য শাহাব উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, আবুশামা দেওয়ান, শাহ আলম, ফরিজল হক, বাবুল আক্তার, আব্দুল হাই ও মহিলা সদস্যের স্বামী মিষ্টার এবং শাহাব উদ্দিন মেম্বরের ছেলেসহ অনেকেই। তার হাতে থাকা স্মার্ট ফোনটি ছিনিয়ে নেয় শাহ আলম মেম্বার। তিনি এখন গুরুতর আহত হয়ে রাজীবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়ার পর সাময়িক চিকিৎসা দিয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

    এ বিষয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক রফিকুল ইসলাম বলেন, ছবি ও ভিডিও ধারণ করার কারণে আমরা উপর অতর্কিত হামলা করে। উপস্থিত শত শত কার্ডধারী, প্রেসক্লাবের সাধারণ সৎম্পাদক সজল, মুরাদ ভাই, দুই জন পুলিশ সদস্যের সামনে আমার উপর হামলা চালায়। কিছুদিন আগে আমি ইউনিয়ন পরিষদের দূর্নীতি অপকর্মের বেশকিছু নিউজ করেছিলাম। এরই জেরে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ইউপি চেয়ারম্যান মিরন মোহাম্মাদ ইলিয়াস এর পরামর্শে আনোয়ার ও শাহাব উদ্দিন মেম্বর প্রথমে আঘাত হানে। পরে সব সদস্য মিথে আমাকে মারপিট করে। আজ যখন আমরা জানতে পারি কার্ড ধারীদের কাছ থেকে জোরপূর্বক ১৫০টাকা বাড়ীর ট্যাক্স নিচ্ছে তখন রাজীবপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সজল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুরাদ ও বাংলাদেশ প্রেসক্লাব রাজিবপুর সভাপতি আষব্দুল্লাহ আল মামুন ভাইসহ ইউনিয়ন পরিষদে এগিয়ে যাই এবং ঘটনাটি ভিডিও করি, তখনই আমার উপর হামলা করে। রাজিবপুর থানা পুলিশ ও অন্যান্য সাংবাদিক না থাকলে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলত। এ বিষয়ে রাজিবপুর থানায় একটি মামলা করেছি। সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে এই হামলাকারীদের শাস্তির দাবী জানাই।