Blog

  • শেষ বয়সে  দলের কাছে জেলা পরিষদ  নির্বাচনে মনোনয়ন চাইলেন ত্রিশালের ফজলে রাব্বি।

    শেষ বয়সে দলের কাছে জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন চাইলেন ত্রিশালের ফজলে রাব্বি।

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    না পাওয়ার চেয়ে অতীতে কখনও না চাওয়ার বেদনাবোধ থেকে আসন্ন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণের জন্য দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় আবেদন করেছেন ত্রিশালের বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ফজলে রাব্বি।

    তিনি সারাটাজীবন আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থেকে দলকে দিয়েছেন,তবে দলের থেকে কখনো কিছু চান নি। এবারই প্রথম দল থেকে পাওয়ার আশায় হাত বাড়িয়েছেন। জমা দিয়েছেন মনোনয়ন পত্র। তিনি ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়ে গত ৭সেপ্টেম্বর বুধবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন।

    টিকিট নিশ্চিত করতে দলটির শীর্ষ মহলে জোর তৎপরতার পাশাপাশি তিনি চষে বেড়াচ্ছেন নির্বাচনী মাঠ। নিজের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক কর্মকান্ড একই সাথে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে চেষ্টা করছেন ভোটারদের মন জয় করার। তার দৃঢ় বিশ্বাস কখনো দলের কাছে চাননি এবারই প্রথমবার চেয়েছেন তাই বিশ্বাস করেন বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরায়নি,তাকেও ফিরাবেনা, তিনি দলীয় মনোনয়ন পাবেন ও বিজয়ী হবেন।

    রাজনীতিতে শুরু থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শ নিয়ে পথচলা ফজলে রাব্বি অদ্যবধি সুনামের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অনেককেই তিনি এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান নেতা বানিয়েছেন ফজলে রাব্বি,কিন্তু তিনি কখনো নিজের জন্য ভাবেন নি। জীবনের শেষ সময়ে এসে তিনি জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে মনোনয়ন পত্রটি জমা দিয়েছেন। তার মনোনয়ন পত্র জমা নিয়ে অনেকেই অনেক আলোচনা করছেন।

    তার একজন ভক্ত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন তা হুবহু তুলে ধরা হলো-বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদদের চাওয়ার আগেই অনেক কিছু পাওয়া উচিৎ ছিল। কিন্তু তিনি বারবার উপেক্ষিত থেকেছেন। নির্মম হলেও এটা সত্য যে তার রাজনৈতিক বন্ধুরাই তার মূল্যায়ণের পথে ছিল বাঁধা। তবে এটা অনস্বীকার্য যে রাব্বী ভাই একজন জাদরেল রাজনীতিবিদ। এখনোও অনেকে অনেক সমস্যা নিয়ে তার কাছে যান। তিনি তার সাধ্যমতো সমাধান করার চেষ্টা করেন।রাব্বী ভাইয়ের ‘জেলা পরিষদ’ এর চেয়ারম্যান হওয়া বা না হওয়া নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন নই,আমি চাইবো এই প্রবীণ আওয়ামীলীগাররা যেন নিজ জেলায় যথাযথ মূল্যায়িত হোন। তাতে নতুন প্রজন্ম উৎসাহ পাবে।

    শুভ কামনা রাব্বী ভাইয়ের জন্য!
    বেদনাবোধ ছাড়াই যেন সন্মানের সাথে বাকী জীবনটাও আওয়ামী লীগের জন্য উৎসর্গ করতে পারেন —এইটাই তার জন্য কামনা।

    ছেলে ড.ফরিদুল আলম তার বাবাকে নিয়ে লিখেছেন-ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আলাপচারিতা যদ্দুর সম্ভব এড়িয়ে যাবার চেষ্টা করি। আসলে আমাদের যান্ত্রিক জীবনে এর খুব একটা আবেদন রয়েছে বলে মনেও করিনা। কয়েকটি কথা আজ বলতে ইচ্ছে হচ্ছে।
    আমার আব্বা জনাব ফজলে রাব্বী, ময়মনসিংহে অনেকর কাছে বর্তমানে সর্বজন শ্রদ্ধেয়, বর্ষিয়ান নেতা, প্রবীণ নেতা, জাদরেল নেতা, পরোপকারী, দলের প্রয়োজনে সবচেয়ে সম্মুখ সারির মানুষ, ত্যাগী ইত্যাদি তকমা পেয়ে আসছেন, যা আমাদের আপ্লুত করে। এর বাইরে ইতিবাচক সমালোচনার চেয়ে তুলনামূলক বেশী নেতিবাচক সমালোচনা ( অবশ্য এসব যারা করেন, তারা তার কাছ থেকে বেশী সুবিধাভোগী) আমাদের ব্যথিত করে৷ তার গোটা রাজনৈতিক জীবনকে আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি। অনেকবার অনেকভাবেই রাজনৈতিক সুবিধা এবং ফায়দা নেবার সুযোগ থাকার পরও তিনি দলের স্বার্থ এবং ঐক্যের প্রয়োজন বিবেচনায় নিজেকে পাদপ্রদীপের নিচে রেখে আলো ছড়িয়ে যাবার চেষ্টা করেছেন। সেই আলোয় আলোকিত হয়েছেন অনেকেই, কিন্তু আলোর মিছিলের আড়ালের মানুষটি আড়ালেই রয়ে গেছেন। তার ভেতরের কষ্টগুলোকে অনুভব করেছি আমি, তিনি কখনো কোনভাবেই তার কথা এবং কাজের মধ্যে এর প্রকাশ ঘটাননি। আমি সবসময়ই বলে আসছি, বাংলাদেশের ইতিহাস এবং রাজনীতি নিয়ে তার জ্ঞানের কাছে আমি নিতান্তই শিশু।
    আমি নিজের পিতার জন্য এমন আরও অনেক কিছুই বলতে পারি, বলিছিনা। এইটুকু বললাম এই কারণে যে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এধরণের অনেক মানুষ তাদের তিলতিল প্রচেষ্টা, ব্যক্তিগত সুখ বিসর্জন এবং বুকভরা ভালবাসায় আওয়ামী লীগ এবং জাতির পিতার আদর্শে ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটা স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কাছে প্রশ্ন, বিগত প্রায় ১৪ বছরে দলের কাছে কখনো কোন কিছুই না চাওয়া এইসকল ব্যক্তিদের আপনারা কতটুকু মূল্যায়ন করেছেন? একদিন তারা থাকবেন না, তাদের বুকভরা কষ্ট নিয়ে নিরবে, নিভৃতে চলে যাওয়ার শোক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বয়ে চলব আমরা।
    সারা জীবন কিছুই না চাওয়া, দলের একজন কর্মী হিসেবে কাজ করা মানুষটি তার কিছু শুভাকাঙ্ক্ষীর ক্রমাগত অনুরোধ উপেক্ষা করতে না পেরে এবার দলের কাছে প্রথমবারের মত চাইলেন। আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ময়মনসিংহ জেলার জন্য দলের পক্ষে প্রার্থীতা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং দলের মনোনয়ন বোর্ড যা ভাল বিবেচনা করবেন সেটাই সবার জন্য শিরোধার্য। সকলের প্রার্থনা এবং শুভকামনা প্রত্যাশী। সবার জন্য শুভকামনা।

    এব্যাপারে আওয়ামীলীগ নেতা ফজলে রাব্বি বলেন, ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছি। আমার শ্রমে বিএনপির ঘাঁটিতে আওয়ামী লীগ শক্তিশালী করেছি। আন্দোলন-সংগ্রামে প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলের হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। এরপরও কখনও আওয়ামী লীগ ছাড়িনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করে জমা দিয়েছি। প্রত্যাশা করছি, আমার সাংগঠনিক কর্মদক্ষতা আর জনমত জরিপের ভিত্তিতে দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিবেন।

  • খরায় পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন ; বৃষ্টির অভাবে অনাবাদি আমন ক্ষেত

    খরায় পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন ; বৃষ্টির অভাবে অনাবাদি আমন ক্ষেত

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    বর্ষার ভরা মৌসুমে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমন ক্ষেত নিয়ে বিপাকে পড়েছেন পাইকগাছার কৃষকরা। বর্ষাকাল শেষ হয়ে গেলেও, আমন চাষের উপযোগী বৃস্টি হচ্ছে না। আর আশানুরূপ বৃষ্টি না হওয়ায় অনেক জমিতে এখনো আমন চারা রোপণ করা সম্ভব হয়নি। বর্ষার মৌসুমেও বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নিরুপায় কৃষকরা বাধ্য হয়ে শ্যালো মেশিন দিয়ে পুকুর-বিল থেকে পানি দিয়ে আমন ধানের চারা অনেক কষ্টে রোপণ করেছিলেন। তখন ধারণা করেছিলেন বৃষ্টি হবে। সেচ দিয়ে যেসব জমিতে চারা রোপণ করেছে এখন সেসব জমিতে পানি সেচ দিয়ে চারা বাচিয়ে রাখতে হিমশিম খাচ্ছে কৃষক। গত বছর আগস্টে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে, চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত এর এক-চতুর্থাংশও হয়নি। এ কারণে সেচ দিয়ে আমন চাষ করতে অধিক খরচ পড়ছে কৃষকদের। পানির অভাবে আমন আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে কৃষক।
    পাইকগাছা উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে, আমন চারা রোপণের সময় ফুরিয়ে এলেও পানির অভাবে চারা লাগাতে পারেনি অধিকাংশ কৃষক। অনেকে সেচ দিয়ে চারা রোপণ করলেও পানির অভাবে রোপণকৃত চারা হলুদ হয়ে যাচ্ছে, চারা মরে যাচ্ছে। কয়েক হাজার হেক্টর জমি অনাবাদি পড়ে আছে। বীজতলায় চারার বয়স বাড়ছে কিন্ত বৃষ্টির অভাবে জমি চাষ করতে পারছেন না । যে সকল কৃষকরা সেচ দিয়ে জমি চাষ করে চারা রোপণ করেছিলেন, এখন তাঁদের প্রতি সপ্তাহে সেচ দিয়ে চারা বাচিয়ে রাখতে হচ্ছে। এ কারণে বাড়তি খরচ গুণতে হচ্ছে কৃষকদের। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে এবছর ১৭ হাজার ২৫৩ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়েছে। বীজতলার জন্য কৃষক বীজধান ক্রয় করেছে তবে পানির অভাবে জমি আবাদ করতে পারেনি। পাইকগাছা গদাইপুরের কৃষক আব্দুল আজিজ জানান, বীজ ধান কিনেছে, বৃস্টির অভাবে বীজতলা করতে পারেনি। সময় পার হয়ে যাচ্ছে আমন চাষের। গত বছর এসময় আমন ধানের চারা লাগানো শেষ হয়েছিল আর এ বছর শুরু করতে পারেনি বৃস্টির অভাবে। রাড়ুলীর কৃষ্ণপদ রায়, সবুর, করিমসহ কয়েকজন কৃষক জানান, বৃস্টির অভাবে জমিতে আমন চাষ শুরু করতে পারিনি। হঠাৎ করে একটু বৃষ্টির দেখা দিলেও তাতে খুব একটা লাভ হচ্ছে না। যেটুকু বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে জমি ভিজছে না। অন্যদিকে চারার বয়স বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে সেচ দিয়ে চারা বাচিয়ে রাখতে হচ্ছে। এতে চিন্তার শেষ নেই। বিরাশির কৃষক সবুর জানান,চাষের সময় চলে যাচ্ছে তাই সেচ দিয়ে চারা রোপন করতে বিঘাপ্রতি খরচ হচ্ছে ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। তারপর বন্যা ও খরার ঝুঁকি তো আছেই। কৃষি অফিস ও কৃষকরা ধারণা করছে, কয়েক দিনের মধ্যে বৃস্টি না হলে উচু জমিতে এবছর আর আমন চাষ করা সম্ভাব হবে না। অনাবাদি থেকে যাবে জমি। তবে মাছ চাষের লীজ ঘেরে নাবী জাতের আমনের চারা লাগানো যাবে।উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমনের আবাদ হয় বর্ষাকালে। বৃস্টি নির্ভর আমনের চাষাবাদ। কমপক্ষে ৪০০ মিলিমিটার বৃষ্টির প্রয়োজন হয় আমনের চারা রোপণ করতে। কিন্তু গত এক মাসে থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে মাত্র ১৫০ মিলিমিটারের মতো। আর সেই কারণে অনেক জমি পতিত আছে। বৃষ্টির সময় এখনও রয়েছে। তবে কৃষকদের জমিতে সেচ দিয়ে ধান রোপণ করার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। তবে সেচ দিয়ে চাষ করতে কৃষকদের একটু খরচ বাড়বে। বৃষ্টি হলে তাদের জন্য কাজটি অনেক সহজ হতো। আর অনাবৃষ্টির কারণে অনেক জায়গায় বীজতলা নষ্ট হয়েছে। তাই কৃষকদের নাবী জাতের বীজতলা তৈরি করতে বলা হচ্ছে। মাঠপর্যায়ে আমাদের কর্মীরা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছে। বৃষ্টি হলে এ অবস্থার দ্রুত উন্নতি হবে।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা উপজেলার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে রাজস্ব বাজেটের আওতায় বৃহস্পতিবার সকালে পাইকগাছা উপজেলা পরিষদের পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা অবমুক্ত করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ টিপু সুলতান, সহকারী কর্মকর্তা মোঃ শহিদুল ইসলাম, ক্ষেত্র রণধীর সরকারসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা বলেন, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের পুকুর, লস্কর দীঘি, সোলাদানা নায়েবের পুকুর, আশ্রায়ণ প্রকল্প, স্কুল, কলেজ, মসজিদ ও মন্দির সহ উপজেলার ৩২টি প্রাতিষ্ঠানিক জলাশয়ে মোট ৫শ ১২ কেজি রুই, কাতল, মৃগেল ও কালিবাউশ মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে ।

    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় মাধ্যমিক বালিকা পর্যায়ে ৪৯তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছায় মাধ্যমিক বালিকা পর্যায়ে ৪৯তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছায় মাধ্যমিক বালিকা পর্যায়ে ৪৯তম গ্রীষ্মকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহষ্পতিবার সকালে উপজেলার শহিদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ফুটবল খেলায় ট্রাইবেকারে ২-০ গোলে শহিদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়কে পরাজিত করে কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে । হ্যাণ্ডবল খেলায় হরিদাশকাটি বেগম জালাল উদ্দিন বালিকা বিদ্যালয় ট্রাইবেকারে ১-০ গোলে হরিঢালী ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয়কে পরাজিত করে ।সাতারে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ক গ্রপে জবা ও খ গ্রুপে হিরামনি খাতুন ও দাবা খেলায় পাইকগাছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ধরা রায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ।খেলা শেষে পুরুষ্কার বিতরন করা হয় ।
    শহিদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি কাজী সাখাওয়াত হোসেন পাপ্পু এর সভাপতিত্বে খেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন গদাইপুর ইউপি চেয়ারম্যান শেখ জিয়াদুল ইসলাম জিয়া । বিষেশ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক শিক্ষাঅফিসার শাহাজান আলী শেখ, শহিদ জিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত)অজ্ঞলী রানী শীল, কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার শম্পা, হরিঢালী ইউনিয়ন বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুধাংশু কুমার মন্ডল, হরিদাশকাটি বেগম জালাল উদ্দিন বালিকা বিদ্যালেয়র প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম্। উপস্তিত ছিলেন,সহকারি শিক্ষকবৃন্দ,শিক্ষার্থী ও এলাকার সুধিজন।

  • ঝিনাইদহে চাকরী প্রার্থীর টাকায় কেনা হলো দুইটি পালসার চাকরী হলো আরোকজনের!

    ঝিনাইদহে চাকরী প্রার্থীর টাকায় কেনা হলো দুইটি পালসার চাকরী হলো আরোকজনের!

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার ভালকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চার কর্মচারি নিয়োগ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার বিভিন্ন দৈনিকে এ সংক্রান্ত খবর প্রকাশিত হলে ভালকী, চারাতলা ও শিতলী বাজারে পত্রিকার কপি বিতরণ করতে দেখা যায়। এছাড়া এক প্রর্থীর টাকায় স্কুল সভাপতি ইয়ামিন ও শিক্ষক সলেমান দুইটি পালসার গাড়ি কিনলেও টাকা দেওয়া সেই প্রার্থীকে চাকরী দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে পায়রাডাঙ্গা গ্রামে শোরগোল শুরু হয়েছে। পায়রাডাঙ্গা গ্রামের তমছের আলী মন্ডল অভিযোগ করেন, তার ছেলে শান্তকে অফিস সহকারী পদে চাকরীর জন্য সভাপতি ইয়ামিন ও শিক্ষক সলেমান মন্ডলের কাছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দেন। এই টাকা দেওয়ার ক’দিন পরই যশোর থেকে এক সাথে দুইটি কালো পালসার গাড়ি কিনে আনেন সভাপতি ইয়ামিন ও শিক্ষক সলেমান। অথচ টাকা দেওয়ার পরও তার ছেলে শান্তকে চাকরী দেওয়া হয়নি। বেশি টাকা পেয়ে ওই পদে আরেকজনকে চাকরী দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি দুদক ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ করবেন বলে তমছের আলী জানান। উল্লেখ্য ভালকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোটা অংকের টাকা নিয়ে চারটি পদে নিয়োগ দিয়েছেন। এ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। টাকা ভাগাভাগী নিয়ে যেকোন সময় মারামারি বা নিয়োগের বিরুদ্ধে মাদলা হতে পারে বলে এলাকাবাসি আশংকা প্রকাশ করছেন। বিদ্যালয়টির ম্যানেজিং কমিটির দুই সদস্য আনোয়ার হোসেন ও সাবনুর অভিযোগ করেন, মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর ভালকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর, অফিস সহায়ক, নিরাপত্তাকর্মী ও আয়া পদে চাকরী দেওয়া হয়েছে। মটরসাইকেল কেনা নিয়ে স্কুলের সভাপতি ইয়ামিন চৌধুরী সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে রাজি হননি। সভাপতির সহযোগী পায়রাডাঙ্গা গ্রামের নুরো মন্ডলের ছেলে ভালকী হাই স্কুলের শিক্ষক সলেমান মন্ডলের বক্তব্য নিতে ফোন করা হলে তিনি ফোন ধেরেননি। হরিণাকুন্ডু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফজলুল হক বলেন, ভালকী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারি নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে স্থানীয় পত্রপত্রিকা ও সামাজিক মাধ্যমে খবর দেখেছি। আমার কাছে এ নিয়ে কোন অভিযোগ আসলেও নিয়োগ শেষ হওয়ার পর আমার কিছুই করার নেই।

    ঝিনাইদহ
    আতিকুর রহমান।

  • ঝিনাইদহে সারের অবৈধ মজুদ ১২’শ বস্তা সার জব্দ জরিমানা আদায়

    ঝিনাইদহে সারের অবৈধ মজুদ ১২’শ বস্তা সার জব্দ জরিমানা আদায়

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহব্যাপী কৃত্তিম সার সংকটের মধ্যে অভিযান শুরু করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার অবৈধ ভাবে সার মজুদ রাখার দায়ে দুই ব্যবসায়ীকে এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সাথে ১২’শ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। দুপুরে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হাটগোপালপুরে অভিযান চালিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শারমীন আক্তার সুমী। ঝিনাইদহ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম জানান, কিছু সাধু ব্যবসায়ী রাসায়নিক সারের অবৈধ মজুদ করে কৃত্তিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার হাটগোপালপুরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের গোডাউন থেকে ৮’শ বস্তা ও অন্য একটি দোকান থেকে ৪’শ বস্তা ডিএপি, টিএসপি ও ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়। এ অপরাধে ব্যবসায়ী কৃষ্ণ গোপাল দত্তকে ১ লাখ ও কামরুল জোয়ার্দ্দারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। পরে জব্দকৃত সার সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকদের কাছে বিক্রির জন্য ডিলার ও সাব-ডিলারদের মাঝে সরবরাহ করা হয়। কৃষকরা জানিয়েছেন, ঘরে সার থাকতেও কতিপয় ডিলার সার দিচ্ছে না। আবার বেশি দাম দিলে সার দিচ্ছে। এখন সারের ভরা মৌসুম। জমিতে সার দিতে না পারলে ধানের ক্ষতি হবে। জেলার শৈলকুপা, হরিণাকুন্ডু, মহেশপুর ও কোটচাঁদপুরের সাব ডিলাররা সার নিয়ে কারসাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আবার অনেক সার ডিলার গ্রামের বাজার ঘাটে ব্যবসা না করে শহরে বসে সার বিক্রি করছেন। শৈলকুপায় এমন অভিযোগ সবচে বেশি। ঝিনাইদহ সার ডিলার মালিক সমিতির সভাপতি হাজী জাঙ্গরীর বলেন, সারা জেলায় মোট ডিলার আছে ৭৩ জন। এসব ডিলারের আবার সাব ডিলার আছে ৬৫৭ জন। সাব ডিলাররা মুলত কৃত্তিম সার সংকট সৃষ্টির জন্য কৃষকদের মাঝে পেনিক সৃষ্টি করছে। তাছাড়া জেলায় কোন সারের সংকট নেই। হাজী জাহাঙ্গীর আরো জানান, জেলার ৬ উপজেলায় কথিত সার সংকট সৃষ্টির বিরুদ্ধে প্রশাসনের সহায়তায় অভিযান চালানো হচ্ছে।

  • নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

    নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী ও সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার
    নড়াইলের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় নড়াইল জেলা পুলিশের বিশেষ অভিযান চলাকালে নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এর তত্ত্বাবধানে পৃথক দুটি অভিযানে এক মাদক ব্যবসায়ী এবং সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামি গ্রেফতার হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নড়াইল সদর থানার এএসআই দুরান্ত আনিস, মাহফুজ ও রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে নড়াইল সদর থানাধীন কালিনগর গ্রামের জনৈক রাজ্জাক ফারাবীর ছেলে মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সাজ্জাদ ফরাজি রাজিব (২২)কে ৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার করে। আসামির বিরুদ্ধে নড়াইল সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।
    অপর এক অভিযানে সদর থানার এএসআই আনিস, মাহফুজ ও রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ নড়াইল সদর থানাধীন দুর্গাপুর গ্রামের জনৈক দরবেশ শরীফ এর ছেলে পাঃ জাঃ ০৯/১৭ এর সাজা পরোয়ানাভুক্ত আসামি মোঃ সাদ্দাম হোসেন শরিফকে গ্রেফতার করে। আসামীদ্বয়কে থানা হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

  • নড়াইল সদর থানার পুলিশের হাতে ভূয়া ডিজিএফআই গ্রেফতার

    নড়াইল সদর থানার পুলিশের হাতে ভূয়া ডিজিএফআই গ্রেফতার

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইল সদর থানার পুলিশের হাতে ভূয়া ডিজিএফআই গ্রেফতার। নড়াইলে ভূয়া ডিজিএফআই ও সেনাবাহিনী’র সদস্য পরিচয়দানকারী সোহেল রানা (২৪),নামের এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান,
    বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে নড়াইল শহরের পুরাতন বাস টার্মিনাল থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এদিকে, একই দিন রাত ৯টার সময় নড়াইল পৌর-সভার মহিষখোলা গ্রামের মোহাম্মদ রাব্বি শেখ (২২) নামের এক যুবক বাদী হয়ে থানায় সোহেল রানার নামে মামলা দায়ের করেন,পরে একই দিন রাত ১১টার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সোহেল রানা নড়াইল সদর থানার শংকরপুর গ্রামের অহিদুর মোল্লার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,সোহেল রানা নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও ডিজিএফআই সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন এলাকার লোকজনকে ওই বাহিনীতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে টাকা আত্মসাৎ করেছে। এছাড়া সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয়ে জেলার কালিয়া থানার জামরিল ডাঙ্গা গ্রামের মফিজার গাজীর মেয়ে ঝর্ণা আক্তারকে বিয়ে করে। বিয়ের পর সদর উপজেলার মহিষখোলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করতেন। প্রতরাণার বিষয়টি জানাজানি হলে সম্প্রতি তাদের ডিভোর্স হয়ে যায়। পরে আবারও ভূয়া পরিচয়ে আরেকটি বিয়ে করতে গেলে ধরা পড়েন সোহেল রানা। আটক সোহেল রানা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন পরিচয় দিয়ে মেয়েদের সঙ্গে প্রতারণা করতো বলেও অভিযোগ রয়েছে তার নামে। নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মাহমুদুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন,সোহের রানা যেভাবে প্রতারণা করে,তা কারোরই বোঝার কোনো উপায় নেই,তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান।

  • ধামইরহাটে ৪৯তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    ধামইরহাটে ৪৯তম জাতীয় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

    আবুল বয়ান, ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি-

    নওগাঁর ধামইরহাটে ৪৯তম বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদযাপন উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের সমাপনী, সনদ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজ ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩ টায় বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল, মাদারাসা ও কারিগরি শিক্ষা ক্রীড়া সমিতির উদ্যোগে উপজেলার সফিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ইউএনও আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো. সোহেল রানা, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিনা এক্কা, ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, সরকারী এম এম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ কবি এস এম আব্দুর রউফ, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহ, একাডেমিক সুপারভাইরজার কাজল কুমার সরকার, প্রধান শিক্ষক এস এম খেলাল রব্বানী, আব্দুর রহমান সাবু, মুকুল হোসেন, সাবিহা ইয়াসমিন প্রমুখ। পরে ফুটবল প্রতিযোগিতায় উপজেলা চ্যাম্পিয়ন ধামইরহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দলনেতার হাতে ট্রফি ও সনদ তুলে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরিফুল ইসলাম। ১০টি ইভেন্টে ফুটবল, কাবাডি, সাতার, হ্যান্ডবল দাবা প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীগণ অংশ গ্রহণ করেন।

    আবুল বয়ান
    ধামইরহাট,নওগাঁ।

  • রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

    রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত

    রফিকুল ইসলাম, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)

    পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের ৪নং বিটে, বিট পুলিশিং মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১১টায় রাঙ্গাবালী থানার চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

    চরমোন্তাজ ইউনিয়ন পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (এস আই) সজল কুমার দাশ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাঙ্গাবালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ নুরুল ইসলাম মজুমদার ।

    এ সময় ওসি বলেন,মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হলে সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে আপনারা পুলিশকে তথ্য দিবেন সেবা নিবেন রাঙ্গাবালী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের বিট আছে তাদেরকে তথ্যদিন, কেউ অপরাধ করলে আমাদের কে ফোন দিবেন আমরা আপনাদের পরিচয় গোপন রাখবো ।

    এসময় আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর উপ-গনশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ওয়াহিদ খান রাজ, চরমোন্তাজ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাসেল খান, চরমোন্তাজ পুলিশ তদান্তকেন্দ্র ইনচার্জসহ অনেকে ।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।