স্টাফ রিপোর্টার : বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ টায় ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন ২০২২ইং সনের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এস.এস.সি ও সমমানের) পরীক্ষা শুরু হয়েছে। ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবছর ১২৯১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১৪৮টি কেন্দ্রে মোট ১,১২,৯৪৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন এর মধ্যে নিয়মিত ১,০৯,৭৩৮ জন এবং অনিমিয়ত ৫৫৬ জন। প্রথম দিন সকাল ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক) সময় ২ ঘন্টা। এছাড়া এর মধ্যে ছাত্র ৫৭,২৯৭ জন এবং ছাত্রী ৫৫,৬৫১ জন। ময়মনসিংহ জেলায় ৫৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫৯টি কেন্দ্রে মোট ৪৯,৭১১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। জামালপুর জেলায় ৩১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫২টি কেন্দ্রে ২৭,১১৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। নেত্রকোনা জেলায় ২৪৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৫টি কেন্দ্রে ২১,৫৯০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন এবং শেরপুর জেলায় ১৬৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২টি কেন্দ্রে ১৪,৫৩০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় বিজ্ঞান বিভাগে ১৭,৩৫০ জন, মানবিক বিভাগে ২৮,১৭২ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষায় ৪,১৮৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে। জামালপুর জেলায় বিজ্ঞান বিভাগে ১০,৬৯১ জন, মানবিক বিভাগে ১৩,৭০৮ জন এবং ব্যাবসায় শিক্ষায় ২,৭১৮ জন শিক্ষাথী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। নেত্রকোণা জেলায় বিজ্ঞান বিভাগে ৩,৩৪৫ জন, মানবিক বিভাগে ১৭,৩৮৬ জন এবং ব্যাবসায় শিক্ষায় ৮৫৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন। শেরপুর জেলায় বিজ্ঞান বিভাগে ৭,৫৭৩ জন, মানবিক বিভাগে ৬,২৯৯ জন এবং ব্যাবসায় শিক্ষায় ৬৫৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবেন।
Blog
-

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিলেন এ.কে আজাদ
স্বরূপকাঠি উপজেলা প্রতিনিধি //
পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেন এ.কে আজাদ। তিনি জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান খলিফার কাছে বৃহস্পতিবার দুপুরে এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ ও সম্মানিত কাউন্সিলর ইউপি সদস্যদের সাথে করে তার মনোনয়ন পত্র জমা দেন।আজ বহস্পতিবার (১৫ সেপ্টম্বর) বিকেল ৪ টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার (ডিসি) কার্যালয়ে এমনোনয়ন জমা নেয়া হয়। বিকাল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
আজাদ স্বরুপকাঠী প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক উপজেলা বন্দর কমিটির সভাপতি, এনজিও সমন্বয় পরিষদের সভাপতি,একজন সফল ব্যবসায়ি একজন সৎ, নির্ভিক, পরিশ্রমী, সাহসী, গরীব দুঃখি মানুষের বন্ধু ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬জন, সাধারণ সদস্য পদে (পুরুষ) ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত (নারী) সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন এবং স্বরূপকাঠি জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৬ জন, যার মধ্যে পুরুষ ১১২জন আর নারী ভোটার রয়েছেন ৩৪ জন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শানীন শরীফ।
-

মাগুরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন-দেবব্রত কুমার দে
আসন্ন মাগুরা জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৩নং ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন দেবব্রত কুমার দেবু।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২ টার দিকে মাগুরা জেলা প্রশাসক ড. আশরাফুল আলম এর নিকট মনোনয়নপত্র জমা দেন ।
শালিখা উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক দেবব্রত কুমার দে (দেবু) প্রথম বারের মত মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষে জানান,আমি মাগুরা জেলা পরিষদে সদস্য হিসেবে বিজয়ী হলে আমার উপর অর্পিত কাজ গুলো সম্পূর্ণ করে জেলা পরিষদের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে নিজেকে নিয়োজিত করবো ও বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সকল উন্নয়নে অংশ গ্রহণ করবো।
এসময় তার প্রস্তাবকারী মোঃ শরিফুল ইসলাম ও সর্মথককারী মোঃ কুতুবুল আলম সানুসহ
উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদীকা জেসমিন আক্তার শাবানা, গঙ্গারামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মুস্তাফিজুর রহমান মুস্তাক, আওয়ামী লীগ নেতা খলিলুর রহমান,মোঃ আমিনুর রহমান বিশ্বাস,ছাত্রলীগ নেতা জাবেরুল ইসলাম সাগর,স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল ইমাম রাব্বি,কৃষক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাবু বিশ্বাস,নান্নু বিশ্বাস,তুষার বিশ্বাস,সান্টু মৃধা,দীলিপ বিশ্বাস,জাহিদুর রহমান,আবু হুরাইরা সহ শতাধিক দলীয় ও অন্যান্য নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এক উৎসবমুখর পরিবেশে মনোনয়নপত্র জমা দেন। -

অসুস্থ প্রতিবেশীর চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ঘাগড়া ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান
রাজনীতি,সমাজ সেবা ও এলাকার উন্নয়নের পাশাপাশী এবার নিজ ইউনিয়নের গরীব অসহায়
অসুস্থ মানুষের খোজ খবর নিয়ে চিকিৎসার দায়িত্ব নিচ্ছেন ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ১১ নং ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জাতীয় শ্রমিক লীগ সদর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও
বিশ্বনেত্রী শেখ হাসিনা পরিষদ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির
সিনিয়র – সহ সভাপতি, আলহাজ্ব মোঃ সাইদুর রহমান। তিনি ইউনিয়নের বেত কান্দা এলাকার অসুস্থ ইসরাফিল কে দেখতে যান এবং তার সু চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। বর্তমানে ইস্রাফিল চিকিৎসকের তত্বাবধানে নিজ বাড়ীতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।বৃহস্পতিবার ১৫সেপ্টেম্বর ঘাগড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বেত কান্দার অসুস্থ ইসরাফিল এর সাথে দেখা করতে গেলে তাকে চিকিৎসার জন্য আর্থিক অনুদান দেন এবং সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত চিকিৎসার দায়িত্ব নেন। চেয়ারম্যানের এমন মানবিক উদ্যোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও স্থানীয়দের মাঝে প্রসংশসায় ভাসছে।
এই বিষয়ে চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান বলেন, আমরা মানুষের জন্য রাজনীতি করি বলেই মানুষ আমাদেরকে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করে। আমি মনে করি জনপ্রতিনিধি মানে জনগনের সেবক। সেবক হয়ে সমাজের ও জনগনের জন্য ভালো কিছু করতে পারলেই আত্মতৃপ্তি পাই। এই ভাবে প্রত্যেকে নিজের অবস্থান থেকে মানব সেবায় এগিয়ে আসলে সমাজের পিছিয়ে থাকা অসহায় মানুষ গুলো নতুন করে বাঁচার ভরসা পায়। প্রত্যেক মানুষের বাঁচার অধিকার রয়েছে তাই জীবন বাঁচাতে সবাইকে অসহায়দের পাশে থাকা দরকার বলে তিনি সকল বৃত্তবানদের কে অসুস্থ অহহায় ব্যক্তিদের পাশে থাকার আহবান জানান।
-

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় অনুপস্থিত ১৭১৯ শিক্ষার্থী
স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস
রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের অধীনে অনুষ্ঠিত সেকেন্ডারি স্কুল সাটির্ফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষার প্রথম দিনে বাংলা আবশ্যিক প্রথম পত্রে ১৭১৯ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। তবে কোনো ধরণের অপ্রিতীকর ঘটনা ছাড়ায় সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড রাজশাহীর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
রাজশাহী বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলায় মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৭৭ জন। এরমধ্যে পরীক্ষা দিয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৮৫৮ জন।
এরমধ্যে রাজশাহী জেলায় অনুপস্থিত ছিল ২৯৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অনুপস্থিত ছিল ১১৪ জন, নাটোর জেলায় অনুপস্থিত ছিল ১৭৩ জন, নওগাঁ জেলায় অনুপস্থিত ছিল ১৭৩ জন, পাবনা জেলায় অনুপস্থিত ছিল ২৬৩ জন, সিরাজগঞ্জ জেলায় অনুপস্থিত ছিল ২৭৯ জন, বগুড়া জেলায় অনুপস্থিত ছিল ২৫৪ জন ও জয়পুরহাট জেলায় অনুপস্থিত ছিল ৭৬ জন।
-

জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বাধীন হালদার মনোনয়ন জমা
নেছারাবাদ উপজেলা প্রতিনিধি //
আসন্ন পিরোজপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন জমার শেষ দিনে সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন স্বাধীন হালদার ।সে এবারের জেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নেয়া কম বয়সী প্রার্থী।
আজ বহস্পতিবার (১৫ সেপ্টম্বর) বিকেল ৪ টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার (ডিসি) কার্যালয়ে এমনোনয়ন জমা নেয়া হয়। বিকাল ৫টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা।
মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আটঘর কুড়িয়ানার স্বাধীন হালদার। এই উদীয়মান তরুন শিক্ষানুরাগী সমাজ সেবক মনোনয়ন জমা দেয়ার সময় তার সাথে ছিলেন এলাকার গণ্য মান্য ব্যাক্তিবর্গ।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের আগামী ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে জেলা পরিষদ নির্বাচন। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৬জন, সাধারণ সদস্য পদে (পুরুষ) ৩৪ জন এবং সংরক্ষিত (নারী) সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন এবং স্বরূপকাঠি জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৪৬ জন, যার মধ্যে পুরুষ ১১২জন আর নারী ভোটার রয়েছেন ৩৪ জন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. শানীন শরীফ।
-

পুলিশ ও সাংবাদিক ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে জনগণের ভয়াবহ পরিস্থিতির আশঙ্কা
হেলাল শেখঃ বাংলাদেশ পুলিশ ও গণমাধ্যম কর্মী সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ না করলে জনগণের ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি’র আশঙ্কা করা হচ্ছে। সারাদেশে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ পুলিশ ও কলম সৈনিক সাংবাদিকরা কখনো মৃত্যুর ভয় করেন না। দেশের গণমাধমের প্রকাশক ও সম্পাদকসহ প্রকৃত সাংবাদিকরা অনেকেরই ইতিহাস জানেন যে, কে কেমন প্রকৃতির নেতা বা কেমন অপরাধী। রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়াসহ সারাদেশেই একের পর এক পুলিশ ও প্রকৃত সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার ঘটনা ঘটছে, এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সাংবাদিক নেতাসহ সচেতন মহল।
উক্ত ব্যাপারে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা’র ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও আশুলিয়া সাংবাদিক সমন্বয় ক্লাবের সভাপতি মোঃ সাইফুল ইসলাম জয় (হেলাল শেখ) বলেন, পুলিশ ও সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ আছে, কেউ আমাদের ভয় দেখাবেন না। আমরা কোনো কচু পাতার পানি নয় যে, বাতাসে পড়ে যাবো। অনেকেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে হামলা-মামলায় জড়িত হয়ে থাকেন, তবে ভয় করবেন না আমরা ঐক্যবদ্ধ আছি। সাংবাদিকদের উপর নৃশংস হামলা-মামলা, হত্যার হুমকি’র বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। নিউজ লেখতে হবে আমাদের সংশ্লিষ্ট মিডিয়ায়, সেই সংবাদ প্রকাশ করলেই সাংবাদিক দাবি করতে পারেন, ভয় করলে সাংবাদিকতা করা যায় না। নতুনদেরকে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হয়, লিখতে হবে, জানতে হবে এবং নিজে সচেতন হতে হবে। অন্যদেরকে সচেতন করতে প্রচারণা চালিয়ে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, হকার বা সোর্স হয়ে কাজ করা আর সাংবাদিকতা একরকম না।
দেশ ও জাতির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালায় এমন দুষ্টু ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে হবে। তথ্যপ্রমানবিহীন মানুষের বদনাম ছড়ায়-সেই ষড়যন্ত্রকারীদের ধ্বংস নিশ্চিত। কলম সৈনিকরা কখনো কারো মিথ্যা সংবাদ লিখে প্রকাশ করে না। যারা কলম হাতে নিয়ে মিথ্যা কোনকিছু লিখে তা প্রচার করে, এটাকে অপপ্রচার বলা হয়। এই প্রকৃতির অমানুষগুলো দেশ ও জাতির শক্র। দেশের ভেতরে যারা দেশ ও জাতিকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে তাদেরকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক বলে অভিমত প্রকাশ করেন অনেকেই। প্রকৃত সাংবাদিকদের নিয়ে একটি মহল গভীর ষড়যন্ত্র করছে। গণমাধ্যমে কাজ করতে হলে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্ধুত্ব সম্পর্ক রাখতে হবে। নতুন সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি বই পড়া প্রয়োজন, প্রকৃত সাংবাদিকতা করলে তা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল। সাংবাদিকরা ঐক্যবদ্ধ না থাকার কারণেই আজ তারা বিভিন্ন হামলা মামলার শিকার হচ্ছেন। সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা, সাংবাদিক শব্দ সহজ হলেও এই পেশা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ, আবার সম্মানজনক বলা হয়। দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করলেও কেউ সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করেন না, এটা জাতির জন্য লজ্জাজনক।
সাংবাদিকরা ৩৬৫ দিনে এক বছর কিন্তু সাংবাদিকদের জীবনে কোনদিন ছুটি নেই। ৩৬৪ দিন একজনের পক্ষে সংবাদ প্রকাশ করবে এতে তার লোক বলা হয়, আর ১দিন যদি ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো সংবাবাদ প্রকাশ হয় তখন সাংবাদিক জাতির বিবেককে গালি দিয়ে বলা হয় সাংবাদিকরা খারাপ, এটা কোন ধর্ম আর কোন বিচার?। অনেকেই নিজেদেরকে বড় মনে করেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য শক্রতা সৃষ্টি করেন আর একজন অন্যজনের ক্ষয়ক্ষতি করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকেন এটা আমাদের ভুল হচ্ছে। সবাই ঐক্যবদ্ধ ও সমন্বয় করে কাজ করার মধ্যে আনন্দ আছে। আমাদের লেখার মধ্যেও অনেক ভুল হয়। এই জন্য সাংবাদিকদের সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়া দরকার। বিশেষ করে “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক দেশ ও জাতির বিবেক, ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও সাংবাদিকরা পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন,বিশেষ সম্মান অর্জন করার জন্য কিন্তু সম্মান অর্জন না হয়ে আরও বদনাম হচ্ছে। শুধুমাত্র মানুষের সুখ, দুঃখ, আনন্দ বেদনা, দুর্ঘটনাসহ সকল বিষয়ে জাতির কাছে তুলে ধরতে সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেন। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের অবশ্যই চোখ কান খোলা রেখে কাজ করতে হবে।
সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করেও কারো মনজয় করতে পারেন না কেন? ছোট একটি ভুল করলেই সাংবাদিকদের উপর হামলা, মামলা করা হয়, এমনকি হত্যার শিকার হতে হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সবাইকে বলা হয় সাংবাদিকদের সহযোগিতা করবেন, কিন্তু তার উল্টো দেখা যায়, পুলিশ সাংবাদিক কি কখনো বন্ধু হতে পেরেছেন? কেউ কি খবর নিয়েছেন যে, সাংবাদিকরা কেমন আছেন? কোনো সহযোগিতা লাগবে কি না?। সাংবাদিকরাই আজকাল মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জনগণের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করে থাকেন সাংবাদিকরা, এর বিনিময়ে কি পাচ্ছেন তারা? নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন অনেক সাংবাদিক, হয়রানিমূলক মামলার শিকার হচ্ছেন অনেকেই, যার কোনো হিসাব নেই।
বাংলাদেশে প্রায় ১৮কোটি জনগণ, সেই তুলনায় আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও সাংবাদিকের সংখ্যা অনেক কম। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে যারা মানুষের কল্যাণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন। “পুলিশ, সাংবাদিক” আইনজীবি ও জনপ্রতিধিগণ, এই চারটি শব্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হলো “কলম সৈনিক অর্থাৎ সাংবাদিক”। বিশেষ করে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি’র বেশিরভাগ শব্দ আছে যা সাংবাদিকদের জন্য জানা অতি জরুরি-যেমনঃ সংবাদের উৎসহের মত সংবাদের উপাদান কি? মানুষ এবং প্রকৃতি, মানুষের আশা-আকাঙ্খা, আনন্দ, বেদনা, সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনাই সংবাদের মূল প্রতিপাদ্য। এর সাথে সম্পৃক্ত সকল বিষয়ই সংবাদের উপাদান। যেমনঃ কুকুর যদি মানুষকে কামড়ায় তা কোনো সংবাদ নয়, আর মানুষ যদি কুকুরকে কামড়ায় বা অপ্রত্যাশিত কিছু অপকর্ম করে তা সংবাদ হয়। নিয়মের ব্যতিক্রম ঘটনা, অন্যায় অবিচার, যা মানুষের অধিকারকে হরণ করে, এরকম অনেক বিষয়কে সংবাদ বলা যেতে পারে। সাংবাদিক সবাইকে তথ্য জানার অধিকার আছে, তবে কারো সাথে বিবাদ বা শক্রতা করে সাংবাদিকতায় সাফল্য আসতে পারে না। সাংবাদিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে, এতে স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করা সহজ হবে বলে অনেকেরই অভিমত। সাংবাদিককে সাংবাদিকতার আদর্শলিপি পড়তে হবে, সেই সাথে সর্বশেষ সংশোধনীসহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন ম্যানুয়েল বই এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের বইসহ বেশি বেশি বই পড়তে হবে। অনেকেই জানেন না যে, ১/ সাংবাদিক মানে জাতির বিবেক। ২/ সাংবাদিক মানে দেশ প্রেমিক। ৩/ সাংবাদিক মানে কলম সৈনিক। ৪/ সাংবাদিক মানে জাতির দর্পণ। ৫/সাংবাদিক মানে জাতির সেবক। ৬/সাংবাদিক মানে শিক্ষিত জাতি। ৭/সাংবাদিক মানে স্বাধীনভাবে কাজ করা। ৮/সাংবাদিক মানে সম্মানিত জাতি। ৯/ সাংবাদিক মানে তদন্তকারী। ১০/ সাংবাদিক মানে আইন বিষয়ে জানা। ১১/ সাংবাদিক মানে সিস্টেম পরিবর্তন করা। ১২/ সাংবাদিক মানে সকল তথ্য বিষয়ে জানা। ভয়কে জয় করে সাংবাদিকতা করার মধ্যে দেশপ্রেম আছে। সাংবাদিকরা তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করেন বলেই মানুষের ঘরের সুন্দরী নারী ও অর্থ সম্পদ নিরাপদে থাকে, বাকিটা ইতিহাস। বাংলাদেশে ১০ বছর আগের পুলিশ আর বর্তমান পুলিশ অনেক পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমানে বেশিরভাগ পুলিশ সদস্য মানবিক ও সাহসী। -

আশুলিয়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ-ফিটিংবাজি ও খুন ধর্ষণসহ বাড়ছে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড
হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ায় সাংবাদিক আনোয়ার হোসেনের বাসাসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ-ফিটিংবাজি, খুন, ধর্ষণসহ নানারকম অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। সূত্র জানায়, নারীরা সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে পরিচয়ে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে বিভিন্ন কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে যুবকদের পরিবারের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ মুক্তিপণ আদায় করে। এর আগে এক যুবককে আটক রেখে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে অপহরণকারী ফিটিংবাজ দুই নারীকে গ্রেফতার করে ভিকটিমকে উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ইং) জানা গেছে, দেশের প্রায় ৬৪ জেলার মানুষ কাজের সন্ধানে ঢাকার প্রধান শিল্পা ল আশুলিয়ায় আসেন আর আশুলিয়ায় স্থানীয়দের ছত্রছায়ায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে অনেকেই, এসব বিষয়ে প্রায় প্রতিদিন দেখা যায়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও অনলাইন এবং বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ-মাঝে মধ্যেই লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ, যার হিসাব রাখা খুবই কঠিন ব্যাপার। এর আগে গত ১০ মার্চ ২০২২ইং দুই অপহরণকারী ফিটিংবাজ নারীকে গ্রেফতারের বিষয়ে নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষ। গ্রেফতারকৃতরা হলো-মোছাঃ লিপি বেগম (২৭) ও মোছাঃ সীমা বেগম (২৫)। ভিকটিম হলেন, মোঃ সোলায়মান হক (২৬)। ওই ফিটিংবাজ নারীরা সম্পর্কে দুই বোন, তারা ভিকটিম যুবককে টার্গেট করে ফেসবুকে সম্পর্ক গড়ে তুলে এরপর কৌশলে বাসায় ডেকে নিয়ে ফিটিং নেয়ার চেষ্টা করে। জানা যায়, উক্ত ফিটিংবাজ চক্রের সাথে এলাকার প্রভাবশালী সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ অপহরণকারী ও ফিটিংবাজ কিছু যুবক রয়েছে, পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার খবর পেয়ে তারা কৌশলে পালিয়ে যায়।
আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষ গণমাধ্যমকে জানান, এক যুবক জাতীয় সেবা ‘৯৯৯’ নাম্বারে ফোন করে জানান, তার বন্ধু সোলায়মান হক তার বান্ধবীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে অপহরণ হয়েছেন। তার বন্ধু আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় গিয়েছিলো বান্ধবীর সাথে দেখা করতে, পরে তার বন্ধুর মোবাইল ফোন থেকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। তাদের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য বিকাশ নম্বর দেয় অপহরণকারীরা। জানানো হয়, দাবিকৃত টাকা না পাঠালে তার বন্ধুকে মেরে ফেলবে তারা। পুলিশ আরও জানায়, অপহরণকারীরা সোলায়মান হককে যখন মারধর করে তখন ফোন করেছিলো তার বন্ধুকে, এসময় ওই মারধরের শব্ধ শুনতে পাচ্ছিলেন কলার। তবে গ্রেফতার হওয়ার আগে তার বন্ধু বুদ্ধি খাটিয়ে কৌশলে হোয়াটসঅ্যাপে তার অবস্থানস্থল গুগল ম্যাপে পাঠিয়েছিলেন। সেই তথ্য সূত্র অনুযায়ী কলার জানান, তার বন্ধুকে আশুলিয়া থানার বাইপাইল ন্যাশনাল ব্যাংকের পেছনে একটি ভবনে আটক রাখা হয়েছে। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও জানান, ৯৯৯-এর কলটি কনস্টেবল রেজোয়ান মিয়া রিসিভ করেছিলেন। কনস্টেবল রেজোয়ান দ্রুত আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসারকে এ বিষয়ে জানান। ওই সময়ে রেজোয়ান টেলি কনফারেন্স এর মাধ্যমে কথা বলিয়ে দেন। পরে জাতীয় সেবা ৯৯৯-এর দায়িত্বে থাকা (এসআই) শাহরিয়ার রুবেল কলার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার আপডেট নিতে থাকেন।
আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম কামরুজ্জামান (পিপিএম) এর নেতৃত্বে (এসআই) শ্যামলেন্দু ঘোষসহ পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যান। এসময় এসআই শ্যামলেন্দু ঘোষসহ পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উক্ত ভিকটিমকে আটকে রাখা বাড়িটি শনাক্ত করেন। সেটি ছিলো আশুলিয়ার গাজীরচট এলাকার তাহের পাটোয়ারীর বাড়ি “কুসুম ভিলা”। এরপর বাড়িটিতে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী ভিকটিম সোলায়মান হককে উদ্ধার করেন। এরপর অপহরণকারী ও ভিকটিমের বক্তব্যে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগ ফেসবুক মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়। এরপর ধীরে ধীরে অপহরণের ফাঁদে ফেলার জন্য প্রেমের সম্পর্ক সৃষ্টি করা হয়।পরে সোলায়মান প্রেমিকার সাথে দেখা করতে আসলে তাকে আটক রেখে মারধর করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পুলিশ জানায়, সোলায়মানকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে লিপি বেগম ও তার বোন সীমা বেগমকে গ্রেফতার করে।
জানা যায়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারী চক্রের পুরুষ সহযোগীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত লিপি বেগম ও সীমা বেগম লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা থানার বড়খাতা গ্রামের ইউসুফ আলীর মেয়ে। তারা আশুলিয়ার গাজীরচটসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন বলে স্থানীয়রা জানান। আশুলিয়ায় এরকম অনেক নারী পুরুষ আছে তারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের নাম ব্যবহার করে ফিটিংবাজি, চাঁদাবাজি ও অপহরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এরকম ২-৪জন গ্রেফতার হলেও অন্যরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে বলে অনেকেই জানান। সংবাদ প্রকাশ করলে গণমাধ্যম কর্মীদের ভয়-ভীতি পদর্শন ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়ার ঘটনাও ঘটেছে আশুলিয়ায়। এসব ঘটনার সাথে কিছু বাড়িওয়ালা ও প্রভাবশালীরা অনেকেই জড়িত বলে ভুক্তভোগী এবং সচেতন মহল জানায়।
১৫/০৯/২০২২ইং জানা গেছে, আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ, পলাশবাড়ি. বাইপাইল, ভাদাইল, জামগড়া, শিমুলতলা, গাজিরচট, চিত্রশাইল, কাঠগড়া, ঘোষবাগ, বাগানবাড়ি, নরসিংহপুর, জিরাবো, দূর্গাপুর, পুরাতন আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ফিটিংবাজি, খুন, ধর্ষণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে। কিছু স্থানীয় প্রভাবশালীরা এসব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করায় ন্যায় বিচার থেকে বি ত হচ্ছে ভুক্তভোগীরা। উক্ত বিষয়ে পুলিশ, র্যাবসহ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগীসহ সচেতন মহল। -

ABABA (আবাবা) অ্যাপস ব্যবহার করে প্রতারনার অভিযোগে আত্মসাৎকারী চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
অনলাইন অ্যাপসের মাধ্যমে জনসাধারণের সাথে প্রতারণা করে টাকা আত্মসাৎকারী চক্রের ০২ (দুই) সদস্য গ্রেপ্তার। ঝিনাইদহ জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ আশিকুর রহমান,বিপিএম,পিপিএম (বার) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন ঝিনাইদহ সদর থানাধীন কুমড়াবাড়ীয়া এলাকায় ডিজিটাল জালিয়াতির মাধ্যমে কতিপয় ব্যক্তি ABABA (আবাবা) অ্যাপস ব্যবহার করে এলাকার সাধারন জনগনের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণের মাধ্যমে ডিজিটাল প্রতারণা করছে। এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মহোদয় ঝিনাইদহ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের সদস্যদের কে বিষয়টি তদন্ত করার নির্দেশ দেয়।পরবর্তীতে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল তদন্ত করে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণ পায় এবং ইং-১৪/০৯/২০২২ তারিখ প্রতারক ১। মোঃ তাবিবুর রহমান (৩০), পিতাঃ মোঃ ইয়াহিয়া মুন্সি,সাং- রামনগর ২। সমাপ্তি খাতুন (২৩),স্বামী-মোঃ সবুজ,সাং- ডেফলবাড়ীয়া, উভয় থানা ও জেলা-ঝিনাইদহ কে গ্রেফতার করে এবং অনলাইন প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ০২ (দুই) টি এন্ড্রয়েড মোবাইল জব্দ করে। এ সংক্রান্তে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু হয়েছে।ঝিনাইদহ
আতিকুর রহমান। -

সুজানগরের গাজনার বিলে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ
এম এ আলিম রিপন,সুজানগর ঃ অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সুজানগরে মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার(১৫ সেপ্টেম্বর) উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গাজনার বিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য আহমেদ ফিরোজ কবির। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.রওশন আলীর সভাপতিত্বে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খানের স ালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সুজানগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনুজ্জামান শাহীন, সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)আব্দুল হাননান ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা.মর্জিনা খাতুন। এ সময় উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম, আ.লীগ নেতা মাহমুদ্দুজ্জামান মানিক,আনোয়ার হোসেন আয়নাল, সুজানগর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ আলিম রিপন ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী খোকন বিশ্বাস সহ স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নূর কাজমীর জামান খান জানান, ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরে রাজস্ব খাতের আওতায় ও উপজেলা মৎস্য দপ্তরের বাস্তবায়নে এদিন উপজেলার খয়রান ব্রীজ সংলগ্ন গাজনার বিল/ প্লাবন ভূমিতে ৩৭০ কেজি, দুলাই ইউনিয়নের শিবরামপুর আশ্রয়ন পুকুরে ৪০ কেজি ও চরভবানীপুর আশ্রয়ন পুকুরে ৩০ কেজি সহ সর্বমোট ৪৪০ কেজি মৎস্য পোনা অমুক্তকরণ করা হয়।
এম এ আলিম রিপন
সুজানগর(পাবনা)প্রতিনিধি।
