Blog

  • ভোলার চরফ্যাশনে দেশি হাঁসের কালো ডিম নিয়ে চাঞ্চল্য

    ভোলার চরফ্যাশনে দেশি হাঁসের কালো ডিম নিয়ে চাঞ্চল্য

    মোঃ ছাইফুল ইসলাম জিহাদ, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ

    ভোলার চরফ্যাশনে একটি দেশি হাঁস অস্বাভাবিক কালো ডিম পেড়েছে। সে কালো ডিম নিয়ে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। উপজেলার জিন্নাগড় ৪নং ওয়ার্ড আবদুল মন্নান রাঢ়ী বাড়ীর মতিনের স্ত্রী তাসলিমা বেগমের পালিত একটি হাঁস গতকাল এই অস্বাভাবিক কালো ডিম দেয়।

    তাসলিমা বেগম জানান, তার পালিত ১১টি দেশি হাঁসের মধ্যে ৮ মাস বয়সের একটি হাঁস এই প্রথম ডিম পাড়ে। ডিমের রং একেবারে কালো দেখে প্রথমে ভয় পেয়ে যায়। পরে ডিমটি বাড়ির অন্যদের দেখালে মুহুর্তের মধ্যে কালো ডিমের সংবাদটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। দেশি হাঁসের কালো ডিম দেখতে সে বাড়িতে মানুষের ভিড় জমায়।

    এ বিষয়ে জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, জানামতে হাঁস এধরনের কালো ডিম পেড়েছে এই প্রথম। জিংডিং জাতের একপ্রকার হাঁস হালকা নীল রঙের ডিম দেয় কিন্তু কোনো হাঁস কালো ডিম পেড়েছে কখনো শুনিনি এবং দেখিনি। তিনি আরও বলেন, ভারতীয় ব্রিডের কাদারনাথ বা কালো মাসি জাতের মুরগী কালো ডিম পারে। যার মাংসও কালো। হাঁসে কালো ডিম পাড়ার নেপথ্যে জরায়ুর কোন সমস্যা হতে পারে। সাধারণত হাঁসের জরায়ুতে ডিমের খোসাটি ১৯ ঘন্টা থাকে। তিনি এই কালো ডিমকে অস্বাভাবিক ডিম বলে মন্তব্য করেছেন। আগামী দিনগুলোতেও যদি এই হাঁস কালো ডিম পাড়ে তাহলে হাঁস ও ডিম পরীক্ষাগারে পাঠাবেন বলেও জানান তিনি।

  • সমাজসেবক বাবু বিকাশ দাশ গুপ্তের মা অসুস্থ,দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

    সমাজসেবক বাবু বিকাশ দাশ গুপ্তের মা অসুস্থ,দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা

    নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রাউজান পৌরসভা ৬নং ওয়ার্ডের ছেমরী সওদাগরের বাড়ির স্বর্গীয় সতিন্দ্র লাল দাশরে স্ত্রী
    ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক বাবু বিকাশ দাশ গুপ্তের মা শারীরিক
    অসুস্থ হয়ে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল চিকিৎসাধীন আছেন। তার আশু রোগমুক্তি কামনায় সকলের নিকট দোয়া চেয়েছেন সমাজসেবক বিকাশ দাশ গুপ্ত।

  • কালীগঞ্জে ১০জন জুয়ারুকে জুয়া খেলা অবস্থায়  হাতে নাতে গ্রেপ্তার

    কালীগঞ্জে ১০জন জুয়ারুকে জুয়া খেলা অবস্থায় হাতে নাতে গ্রেপ্তার

    মো.হাসমত উল্ল্যাহ,লালমনিরহাট।।।

    লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ থানায় মাদক ও জুয়া বিরোধী অভিযান চালিয়ে ১০জন জুয়ারুকে গ্রেফপ্তার করেন কালীগঞ্জ থানার গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

    লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)এ টি এম গোলাম গোলাম রসুল, আই জিপি ব্যাজ প্রাপ্ত এর নেতৃত্বে গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র অফিসার ইনচার্জ এসআই/মোঃ নাজমুল ইসলাম,এএসআই মোঃ রায়হান কবির,ও সঙ্গীয় ফোর্স সহ ৭নং চলবলা ইউনিয়নের শ্রী বাবুল চন্দ্র রায় (৪১) পিতা-মৃত তাম্বি চন্দ্র, সাং-উত্তর বান্দেরকুড়া এর পশ্চিম দুয়ারী চৌচালা টিনের শয়ন ঘরে জুয়া খেলা হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশের উপস্থিতি দেখিয়া দৌড়াইয়া পালানোর সময় আসামীগণকে জুয়া খেলার আসর হইতে হাতে নাতে গ্রেফপ্তার করেন। উক্ত ঘটনাস্থল হইতে জুয়া খেলায় ব্যবহত একটি প্লাষ্টিকের চর্ট যাহার প্রস্থ অনুমান ০৬ ফুট এবং লম্বা অনুমান ০৭ ফুট, জুয়া খেলায় ব্যবহত তাস ৫২(বাহান্ন) টি ও জুয়া খেলার আসরে বা চটের উপরে রাখা ১২টি ১০ টাকার নোট=১২০/ টাকা, ২০ টাকার নোট ০৫টি=১০০/-টাকা, ৫০ টাকার নোট ০২টি=১০০/-টাকা, ১০০ টাকার নোট ২০টি=২,০০০/-টাকা, ২০০ টাকার নোট ০২টি=৪০০/-টাকা ও ৫০০ টাকার নোট ০৫টি=২,৫০০/-টাকা সহ সর্বমোট=৫,২২০/-(পাঁচ হাজার দুইশত বিশ) টাকা উদ্ধার সহ আসামীদের কে গ্রেফপ্তার করেন।

    গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলে ১। শ্রী বাবুল চন্দ্র (৪১), পিতা- মৃত তাম্বি চন্দ্র রায়, মাতা-মৃত কিরন বালা, ২। মোঃ জহুরুল ইসলাম(৩২), পিতা-মোঃ জয়নাল আবেদীন, মাতা-মৃত লে তারা বানু উভয় সাং-উত্তর বান্দেরকুড়া, ৩। শ্রী মৃনাল কান্তি(৩৩), পিতা-শ্রী মহেশ চন্দ্র, মাতা- শ্ৰীমতি লক্ষী রানী, ৪। বিশ্বনাথ রায়(২৫) পিতা-অমূল্য রায়, মাতা-এম্বিকা রায়, ৫। শ্রী প্রভাস চন্দ্ৰ (৩৫), পিতা-মৃত অমূল্য চন্দ্ৰ, মাতা-মৃত চপোবালা, ৬। শ্রী রামানন্দ রায় (৪৮), পিতা-মৃত কন্ঠশ্বর চন্দ্র বর্মন, মাতা-মৃত মেনেকা বালা সর্বসাং পর শিয়ালখোওয়া, ৪নং ওয়ার্ড, ৭। সুবোধ চন্দ্র (৩৫), পিতা-মৃত জিতেন্দ্র নাথ, মাতা-সন্ধ্যা বালা, সাং-গোড়ল, ৯নং ওয়ার্ড, ৮। মোঃ মূসা মিয়া (৩৫), পিতা-মৃত মাদু মিয়া, মাতা-মৃত জান্নাতুননেছা, সাং-গোড়ল, ৮নং ওয়ার্ড, ৯ সুধীর চন্দ্র (৪৫), পিতা-মৃত খোকারাম, মাতা-মৃত আয়মনি, সাং-নিথক, ১০। মোঃ ইউনুছ আলী (৪০), পিতা মোঃ হোসেন আলী, মাতা-মোছাঃ রেজিয়া খাতুন, সাং-চলবলা, ২নং ওয়ার্ড, সকলের থানা-কালীগঞ্জ, জেলা লালমনিরহাট।গ্রেফপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে কালীগঞ্জ থানার নন এফআইআর প্রসিকিউশন নং-৭২, ধারা-জুয়া আইন ৪ মোতাবেক আসামীদেরকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরনের করেন।

    কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) এ টি এম গোলাম গোলাম রসুল, আই জিপি ব্যাজ প্রাপ্ত, জানান গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানার গোড়ল ইউনিয়নে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০জন জুয়ারুকে গ্রেফপ্তার করেন কালীগঞ্জ থানার গোড়ল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ।

    হাসমত উল্ল্যাহ।

  • জয়পুরহাটে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    জয়পুরহাটে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    জয়পুরহাট জেলার ২ শত ৮৯ টি মণ্ডপে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে এক প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার(২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে জয়পুরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সুষ্ঠুভাবে আসন্ন দুর্গাপূজা উদযাপনের লক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    জয়পুরহাট জেলা প্রশাসক মো.শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আরিফুর রহমান রকেট,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) ফারজানা হোসেন,জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন মন্ডল, বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য এ্যাড.নৃপেন্দ্রনাথ মন্ডল-(পিপি),জয়পুরহাট জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এ্যাড. হৃষিকেষ সরকার,সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক সুমন কুমার সাহাসহ আরো অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।

    অনুষ্ঠিত সভায় জানানো হয়, এবছর জয়পুরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ২ শত ৮৯ টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

    এর মধ্যে সদর উপজেলায় ১১৫ টি। পূজা মন্ডপে গুলোতে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত থাকবেন।জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মনিটরিং টিম কাজ করবে।

    সভায় জেলা প্রশাসক মো.শরিফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন,এবার উৎসবমুখর পরিবেশে সুষ্ঠুভাবে দুর্গাপূজা আয়োজনের লক্ষ্যে সব রকমের প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন এবং সকল আইনশৃংখলা বাহিনী সমন্বিতভাবে জেলা জুড়ে দায়িত্ব পালন করবে।

  • সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের একগুচ্ছ দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

    সুন্দরগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের একগুচ্ছ দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

    আনিসুর রহমান আগুন।।
    গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
    গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বজরা হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের এক গুচ্ছ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

    অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের বজরা হাতিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৩/১১/১৯৯৯ ইং তারিখে সহকারী শিক্ষক হিসেবে মোঃ সোহরাব আলী যোগ দান করেন। কিন্তু ব্যানবেইজ সংক্রান্ত কাগজ পত্রাদিতে জেলা শিক্ষা অফিসারের স্বাক্ষর জাল করায় জেলা অফিসার তাকে সরকারি অংশের টাকা গ্রহণ না করার জন্য ২০/০৮/২০০১ ইং সালে পত্র প্রেরণ করেন। পাশাপাশি উক্ত সরকারি অংশের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য তাকে নির্দেশ দেন। টাকা ফেরত না দেয়ায় তৎকালীন প্রধান শিক্ষককে পরপর তিনটি কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশের জবাব না দেয়ায় ১২/১০/২০০৯ সালে সহকারি শিক্ষক সোহরাবকে চাকরি থেকে চুড়ান্ত ভাবে বহিষ্কার করেন। পরে সোহরাব আলী চাকরি ফেরত পেতে গাইবান্ধা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা দায়ের করেন। যার নং ৪৪/২০১০ইং। বিজ্ঞ আদালত ০১/১১/২০১৬ ইং তারিখে মামলাটি খারিজ করে দেন। ইতিমধ্যে প্রধান শিক্ষক হরে কৃষ্ণ বর্মন অবসরে যায়। তখন চাকরিচ্যুত সহকারী শিক্ষক সোহরাব আলী বেআইনি ভাবে প্রধান শিক্ষকের পদ দখল করে নেয়। ১৬/০৬/২০০৯ ইং তারিখে প্রজ্ঞাপন “৭(২) অনুযায়ী কোন শিক্ষক কিংবা শিক্ষক শ্রেণির সদস্য ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত হতে পারবেন না। অথচ পাশ্ববর্তী কিশামত হলদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলামকে বিধি বহির্ভূত ভাবে অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নির্বাচিত করেন। ওই অবৈধ কমিটি অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে বহিষ্কারকৃত সহকারী শিক্ষক সোহরাবকে প্রধান শিক্ষক বানায়। যা সরকারি বিধি মোতাবেক বৈধ নয়। যার হাইকোর্টের রিটপিটিশন নং ১৩৬৬০/২০১৭। এত কিছুর পরেও শিক্ষা কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে সরকারি অংশের টাকা উত্তোলন করেন। অবৈধ ভাবে প্রধান শিক্ষক হয়ে নিজের ভাই, শ্বশুরসহ পছন্দের লোকজনদের কমিটিতে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে কমপক্ষে ৭০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেন। প্রমাণ হিসেবে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার নিয়োগ দিয়ে সোহরাব আলী প্রার্থীর পিতার নিকট থেকে নিজ স্ত্রীর নামে জমি দলিল করে নেয়। আবারও বরাবরের ন্যায় পকেট কমিটি গঠন করার চেষ্টা করলে ২২/০৫/২২ ইং সালে এলাকাবাসী ও অভিভাবকবৃন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২২ ইং তারিখে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। এতে তিনি দাতা সদস্য ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের ভোটার না করে ভূয়া ভোটার বানিয়ে কমিটি করতে চান। এনিয়ে সুন্দরগঞ্জ সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৫৬/২০২২ মামলা দায়ের করেন। যার কারণে আদালত নির্বাচন স্থগিত করেন। বিষয়টির সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ২০/০৯/২২ ইং তারিখে জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সরেজমিনে তদন্ত করেন। এলাকাবাসী ও অভিভাবকগণ সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ধূত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আশা করছেন।

  • ময়মনসিংহে মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ওসি কামালের এ্যাকশন,পরানগঞ্জে জুয়ার বোডে হানা

    ময়মনসিংহে মাদক-জুয়ার বিরুদ্ধে ওসি কামালের এ্যাকশন,পরানগঞ্জে জুয়ার বোডে হানা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে মাদক ব্যবসায়ী ও জোয়ারীদের বিরুদ্ধে অ্যাকশনে নেমেছেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ। কোতোয়ালি মডেল থানা এলাকায় কেউ কোন জুয়ার বোড পরিচালনা করলে ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকলে সে যতবড় ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হউক ছাড় দেওয়া হবেনা বলে জানিয়েছেন তিনি। সে লক্ষে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ। ২০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত ২ ঘটিকায় সময় ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ৪নং পরানগঞ্জ ইউনিয়নের বীর বওলা গ্রামে জুয়ার বোর্ডে হামলা চালিয়েছে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশ। অভিযানে দীর্ঘস্থায়ী এই জুয়ার আসরটি পন্ড করায় ওসি শাহ কামাল আকন্দের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেছেন পরাণগঞ্জের এলাকাবাসী।

    স্হানীয় প্রভাবশালী একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে এই জুয়া খেলা পরিচালনা করে আসছিলো। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সংবাদ পেয়ে মঙ্গলবার কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার),এর নেতৃত্বে পুলিশ ওই অভিযান পরিচালনা করে দীর্ঘস্থায়ী জুয়ার আসরটিতে হানা দেয় পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়াড়ি ও আসর পরিচালনা কারীরা ঘটনাস্থল থেকে দৌড়িয়া পালিয়ে যায়, পরে বাগানের ওই জুয়ার আসর ভেঙ্গে দিয়ে তা আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।

    কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শাহ কামাল আকন্দ পিপিএম (বার), বলেন, তরুণ সমাজকে মাদক এবং অপরাধমূলক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখা এবং আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরণের অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে, কোন অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না, এ জুয়ার আসরের সাথে যারা জড়িত রয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। জুয়ারিদের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারী দিয়ে বলেন, জুয়ারিদের কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা। যারা জুয়ার বোর্ড বসায় তাদের তালিকা করা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। তিনি আরও বলেন, যেকোন মুল্যে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা উপজেলাকে জুয়া মুক্ত করা হবে। এ জন্য তিনি সকলের সহযোগীতা কামনা করেন।

    অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় জুয়াড়িরা শুধু খেলাতেই সীমাবদ্ধ থাকেন না। সেই সাথে বিভিন্ন মাদক ও অনৈতিক কর্মকান্ডও চালিয়ে থাকে। এসব জুয়ার আসরে প্রতিনিয়ত যোগ দিচ্ছে নতুন নতুন কিশোর ও তরুণরা। আবার কিছু কিছু এলাকায় স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরাও জড়িয়ে পড়ছেন জুয়া ও মাদকের কড়াল গ্রাসে। এসব শিক্ষর্থীরা জুয়ার টাকা জোগাড় করতে জড়িয়ে পড়ছে চুরি, ছিনতাই সহ বিভিন্ন অপরাধে। এদিকে জুয়ারিদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন জুয়ারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত আছে বলে ওসি জানান।
    ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, মাদক, জুয়ার বিরুদ্ধে পুলিশের এ্যাকশন চলছে এবং চলবে। কেউ রেহাই পাবে না।

  • বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নারী নেতৃত্বে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে চলছেন স্বপ্না

    বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নারী নেতৃত্বে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে চলছেন স্বপ্না

    ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    মনের ভিতর অদম্য সাহস আর মনের মনি কোঠায় জমে থাকা প্রবল ইচ্ছা শক্তিই একদিন মানুষকে তার চুরান্ত সীমানায় পৌছে দেয়। ছোট বেলায় সকলেরই স্বপ্ন থাকে পাহার সমান, স্বপ্ন তো স্বপ্নই,তারপরেও সবাই স্বপ্ন দেখে। তেমনি এক অদম্য নারী নেত্রী বাংলাদেশ যুবমহিলা লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক-১ স্বপ্না খন্দকার । যার পথচলা শুরু গ্রামীন জনপথ ধরে মাটির রাস্তা বেয়ে। মনের ইচ্ছা শক্তিকে, শক্তিতে রুপান্তরিত করে আওয়ামী লীগের সাধারণ কর্মী থেকে উঠে আসা এক সাহসী নারী নেত্রী স্বপ্না খন্দকার । গ্রামে পড়াশুনা শেষ করে ভর্তি হন ময়মনসিংহ নগরীর স্বনামধন্য বিদ্যাপিঠে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করে নারী নেতৃত্বে অগ্রগামী ভূমিকা পালন করে চলছেন তিনি । যার রক্তে বইছে আওয়ামী লীগ ও জয়বাংলার শ্লোগান, সে তো প্রতিবাদী হবেই। স্কুল জীবন থেকে সক্রিয় ছাত্র রাজনীতি,প্রতিবাদ,
    পোষ্টার লাগানো,মিছিল সবই ছিল পড়াশুনার পাশাপাশি একজন নারী নেত্রী হিসেবে স্বপ্না খন্দকারের রুটিন। কোন পদ পদবীর লোভে নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসাবে কর্মী তৈরী,নিয়মিত তাদের খোজ খবর নেওয়া, বিভিন্ন প্রোগ্রাম সফল করার জন্য আপ্রান চেষ্টা করাই তার একমাত্র ধ্যান ধারনা। তিনি ছোটবেলা থেকেই পরোপকারী ছিলেন,তৃণমূল থেকে কঠোর পরিশ্রম করে পরবর্তীতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকার সিনিয়র সহ সভাপতি, দায়িত্ব পালন করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার সামাজিক কল্যাণ পরিষদেও। মানবিক কার্যক্রমের পাশাপাশি রাজনীতিতে তার ভূমিকা ভূলে যাওয়ার মত নয়।তৃর্ণমুল পর্যায়ে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়ন সহ সমাজের নারীদের আওয়ামী লীগের পতাকা তলেও ঐক্যবদ্ধ করতে ছুটে চলেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। তিনি বাংলাদেশ কৃষকলীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাবেক সদস্য। একজন নারী নেত্রী হিসাবে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ায় পরবর্তীতে ময়মনসিংহ জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয় তাকে। তারপর যুব মহিলা লীগ ময়মনসিংহ জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে দায়িত্ব পেয়ে নারীদের কে ঐক্যবদ্ধ করে তার সাথে নিয়ে দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম তরান্বিত করে যাচ্ছেন।

    স্বপ্না খন্দকার গ্রামের অসহায় মানুষজনের কথা চিন্তা করে বিভিন্ন সরকারী দপ্তরে ছুটে যান,তার এলাকার উন্নয়নের জন্য। নিজের উদ্যোগে বিভিন্ন সময় অসহায় হতদরিদ্র মানুষদের সহাযোগিতা করেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হোক সে ছোট কিংবা বড় অনুষ্ঠান,জনগনের ডাকে অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকেন। তরুন ও যুব সমাজকে তিনি অনেক বেশি মূল্যায়ন করেন, তিনি মনে করেন মোটিভেশন টা যুবক আর তরুনদের দিয়েই শুরু করা উচিত এবং তা সহজ। ৫০ উর্ধদের উনি পরামর্শ দাতা হিসেবে গ্রহণ করেন তিনি।করোনাকালীন সময়ে ময়মনসিংহ নেতৃবৃন্দের মধ্যে তিনি সব সময় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় হতদরিদ্র মানুষদের সহযোগিতার জন্য অধিকাংশ সময় সহযোগীতা নিয়ে মানুষের বাড়ী-বাড়ী অবস্থান করেন এবং উপহার সামগ্রি বিতরণ করেন। গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত নারী আসন এলাকার জনগনের প্রবল ইচ্ছার কারনে ময়মনসিংহ থেকে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশায় ছিলেন,তারপর নেত্রী মহান মাতৃ ভাষা আন্দোলনে অংশ গ্রহণকারী একজন ভাষা সৈনিক এর মেয়েকে দলীয় মনোনয়ন দেন। নেত্রীর সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়ে তার পক্ষে মাঠে জোরালো ভাবে কাজ করেন।বর্তমান সময়ে স্বপ্না খন্দকার তার নির্বাচনী এলাকার জনপ্রিয়তার শীর্ষে আছেন। জনগন তাকে নিয়েই স্বপ্ন দেখেন ভাবেন এবার স্বপ্না আপুর মূল্যায়ন হবে।

  • ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে  পুলিশের  অভিযানে ধর্ষক ও সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ১৮

    ময়মনসিংহে ওসি কামালের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে ধর্ষক ও সাজাপ্রাপ্তসহ গ্রেফতার ১৮

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    ময়মনসিংহে কোতোয়ালী মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ । মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় পৃথক অভিযানে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
    কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, নবাগত পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা এর নির্দেশে বিভাগীয় নগরী সহ সদর এলাকার আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রণ, জুয়ামুক্ত অঞ্চল গড়ে তোলা, চুরি-ছিনতাই রোধ ও মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে কোতোয়ালী পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। এরই অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘন্টায় ১৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
    এর মাঝে এসআই আনোয়ার হোসেন-২ এর নেতৃত্বে একটি টীম শম্ভুগঞ্জ পূর্ববাজার মেইন রোড থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলার আসামী সবুজ মিয়া, মোকারম হোসেন ইমন ও মোঃ মোস্তাকিম আহমেদকে ৯৩ বোতল ভারতীয় আমদানী নিষিদ্ধ মদসহ গ্রেফতার করে। এসআই মানিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টীম কাচারী ঘাট এলাকা হইতে ধর্ষণ মামলার আসামী মাসকান্দা গনসার মোড়ের আলমগীর হোসেন ওরফে সোবারুল, এসআই মোঃ শাহজালালের নেতৃত্বে একটি টীম সুহিলা বাজার হইতে ধর্ষণ মামলার আসামী ইদ্রিস আলী শ্রাবন, এসআই কুমোদলাল দাসের নেতৃত্বে একটি টীম বলাশপুর নয়াপাড়া আগার কান্দা তিন রাস্তার মোড় থেকে দস্যুতার চেষ্টা পুরাতন মামলার আসামী তানভীর হাসান অন্তর, এসআই নিরুপম নাগের নেতৃত্বে একটি টীম খাগডহর মদিনা নগর মধ্যপাড়া খালের পাড় জুয়াড় আসর থেকে ৬ জুয়াড়িকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, আঃ বারেক, মোঃ স্বপন কুদ্দুস, মোঃ মজনু মিয়া, আঃ মজিদ, মোঃ মুরাদ ও মোঃ কালু। তাদের কাছ থেকে জুয়ার সামগ্রী ও নগদ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।
    এছাড়া এসআই তাইজুল ইসলাম, উত্তম কুমার দাস, ত্রিদীপ কুমার বীর, এএসআই আবুল কালাম আজাদ এবং চাঁন মিয়া পৃথক অভিযান পরিচালনা করে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনসহ আরো চার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করে। তারা হলো, মোঃ জাহিদ হোসেন উজ্জল, মোঃ শামসুল হক, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আইয়ুব আলী ও মোঃ উসমান গনি। এদের মাঝে একই ব্যক্তির নামে একাধিক পরোয়ানা রয়েছে বলে পুলিশ জানায়। মঙ্গলবার তাদেরকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। এ অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়ে অপরাধ নির্মুলে সকলের সহযোগীতা প্রত্যাশা করেন ওসি শাহ কামাল আকন্দ।।

  • ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাচ্ছেন সদস্য প্রার্থী আরজুনা

    ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও সমর্থন চাচ্ছেন সদস্য প্রার্থী আরজুনা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    আসন্ন ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করছেন সদস্য পদপ্রার্থী আরজুনা কবির। ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার সাথে কুশল বিনিময় করে এখন সময় কাটছে তাঁর। মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের ব্যপক সাড়া পাচ্ছেন তিনি। কর্মী বান্ধব নারী নেত্রী ও জনবান্ধব জনপ্রতিনিধিকে জেলা পরিষদে সদস্য হিসেবে চান মেয়র, কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা।

    ২০সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ইউপি মেম্বারদের সাথে সরেজমিনে সাক্ষাতে জানা যায়, যার দ্বারা ময়মনসিংহের মাটি ও মানুষের উন্নয়ন হবে, তাকেই জেলা পরিষদে সদস্য হিসেবে দেখতে চান তারা। ময়মনসিংহ জেলার মধ্যে সদর,তারাকান্দা, গৌরীপুর উপজেলা গুলো অবহেলিত এলাকা। বিগত বছরের অধিকাংশ সময় কেটে গেছে করোনা ভয়বহতায়,
    তাছাড়া নদী ভাঙ্গনের ফলে সদর ও গৌরীপুর উপজেলায় তেমন উন্নয়ন সম্ভব হয়নি। প্রত্যেক জনপ্রতিনিধি নিজ নিজ প্রচেষ্টায় কাজ করলে সদর,গৌরীপুর তারাকান্দাকে মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। তাই, জনবান্ধব নেতা ও প্রকৃত দেশপ্রেমিককে সদস্য হিসেবে চান তারা।

    আরজুনা কবির রাজনৈতিক জীবনের শুরু থেকেই জনকল্যাণ মুলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। করোনার প্রাদুর্ভাবেও তিনি নিজ অর্থায়নে সমাজের অসহায় ও অসচ্ছল পরিবারকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন। বিগত ৫বছর তিনি জেলা পরিষদ সদস্য পদে দায়িত্বে থেকে খোজ নিয়েছেন প্রতিটি ভোটার আর অসহায় মানুষের।যার যা প্রয়োজন তা নিয়ে নিয়েই পাশে থেকে জনপ্রতিনিধি হিসাবে বিশ্বস্ততার সঙ্গে পালন করেন।

    আরজুনা কবির সদর উপজেলা পরিষদে বিপুল ভোটে নির্বাচিত সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান,গত নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত জেলা পরিষদ সদস্য, যিনি সদস্য হওয়ার পর থেকে গত ৫বছর মানুষের বাড়ী-বাড়ী সময় কাটিয়েছেন,করোনাকালেও পাশে রয়েছেন,করোনাকালে যখন মানুষ কাজের জন্য না খেয়ে কাটাচ্ছিলো তখন কেউ খোজ খবর রাখেননি আরজুনা কে ছাড়া। সবাই করোনার ভয়ে ঘরে বসে থাকলেও আরজুনা নিজের জীবন বাজী রেখে মানুষের জন্য ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন। এবারো তিনি নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েই জয়ী হবেন তিন উপজেলাতে এমন আলোচনা চলছে সর্বমহলে।

    এ বিষয়ে কাউন্সিলর আরজুনা কবির জানান, আমি নির্বাচন নিয়ে ভাবছি না। আমার কোন উচ্চ পদের আকাঙ্ক্ষাও নেই। আমি শুধু দুর্যোগে মানুষের পাশে থাকতে চাই। সকল ষড়যন্ত্রকারীরা তাদের ভুল বুঝতে পেরে নিজেরাই থমকে যাবে বলে আশা করছি। আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন। জানিনা মানুষের পাশে থাকতে পেরেছি কিনা তবে মানুষের পাশেই আজীবন থাকতে চেষ্টা করবো, আমৃত্যু পর্যন্ত। তিনি সকলের দোয়া প্রত্যাশা করেন।

  • ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় ধরে রাখতে জেলা আ’লীগের বর্ধিত সভা

    ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিজয় ধরে রাখতে জেলা আ’লীগের বর্ধিত সভা

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    জেলা পরিষদ নির্বাচনী আলোচ্যবিষয় নিয়ে
    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের উদ্যোগে বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২১শে সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এডভোকেট জহিরুল হক খোকার সভাপতিত্বে নগরীর চড়পাড়াস্থ হোটেল সালতানাত এ উক্ত বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল এর পরিচালনায় বিশেষ এই বধিত সভায় ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বৃন্দ, ময়মনসিংহ জেলার সকল পৌরসভার মেয়র বৃন্দ, উপজেলা চেয়ারম্যান বৃন্দ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সভাপতি/ সাধারণ সম্পাদক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রাথী অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান কে বিজয়ী করতে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন এবং বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার লক্ষে বাংলার উন্নয়নের রুপকার দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলমান উন্নয়ন কর্মকাণ্ড কে এগিয়ে নিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে সকলের প্রতি আহবান জানিয়ে বক্তব্য রাখেন ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এডভোকেট জহিরুল হক খোকা, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, আলহাজ্ব আনোয়ারুল আবেদীন খান তুহিন এমপি, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এর মেয়র মো ইকরামুল হক টিটু, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এডভোকেট ফরিদ আহমেদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রাথী অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন মন্তা, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক এম এ কুদ্দুস, শওকত জাহান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক আহাম্মদ আলী আকন্দ দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু সাইদ দীন ইসলাম ফখরুল, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট জালাল উদ্দিন খান, প্রচার সম্পাদক আহসান মোহাম্মদ আজাদ, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট আবু বকর সিদ্দিক, বন ও পরিবেশ সম্পাদক মিরন চৌধুরী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আলহাজ্ব রেজাউল হাসান বাবু, বিঙ্জান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম রাসেল ভিপি রাসেল, ত্রান ও সমাজ কলান সম্পাদক অধ্যাপক আতিকুর রহমান, শিল্প ও বানিজ্য বিষয়ক সম্পাদক হাজী রফিক, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোস্তাফিজুর বাশার ভাষানী, শিক্ষা ও মানব সম্পাদক সম্পাদক তাসলিমা বেগম, উপ-দফতর সম্পাদক মিজানুর রহমান ডেবিট, সদস্য আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, লুৎফুন্নেসা লাকি, ফুলবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট ইমদাদুল হক সেলিম, সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, গৌরীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট নিলুফার আনজুম পপি, সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা, ত্রিশাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব ইকবাল হোসেন, ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র এবি এম আনিছুজ্জান আনিছ, ভালুকা পৌরসভার মেয়র ডা মিজবাহ উদ্দীন কাইয়ুম, ইশ্বরগঞ্জ পৌরসভার মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সাত্তার, নান্দাইল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান জুয়েল, ভালুকা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম, ধোবাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ বিশ্বাস বাবুল, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডেভিড রানা, জেলা যুব লীগের যুগ্ম আহবায়ক শাহরিয়ার মোহাম্মদ রাহাত খান, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম পিন্টু, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ফারুক প্রমুখ। এছাড়াও বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।