Blog

  • ঝিনাইদহে ভুয়া দন্ত চিকিৎসক বিপ্লব কুমারকে ১৫ দিনের কারাদন্ড

    ঝিনাইদহে ভুয়া দন্ত চিকিৎসক বিপ্লব কুমারকে ১৫ দিনের কারাদন্ড

    ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
    ঝিনাইদহে এক ভুয়া দন্ত চিকিৎসকদের ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার দুপুরে শহরের এইচ এস এস সড়কে অভিযান চালিয়ে এ দন্ডাদেশ প্রদাণ করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম নুরুন্নবী।
    তিনি জানান, এইচ এস এস সড়কের সোনালী ব্যাংকের পশ্চিম পার্শে দি ওরাল ডেন্টাল এন্ড ডেন্টিন্স কেয়ারে বিপ্লব কুমার দাস নামের এক ভুয়া চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষকে অপচিকিৎসা দিয়ে আসছিল। গোপন সুত্রে খবর পেয়ে স্বাস্থ্য বিভাগের সহযোগিতায় সেখানে অভিযান চালানো হয়। সেময় অননুমোদিত ভ্যাবে এ্যালোপ্যাথী চিকিৎসা ও অনুমোদনহীন চিকিৎসা দেওয়ার অপরাধে বিপ্লব কুমার দাসকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা: ফারহানা ইয়াসমিনসহ পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

  • পাইকগাছা বাজারে ভোক্তা- অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

    পাইকগাছা বাজারে ভোক্তা- অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায়

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    পাইকগাছা বাজারে ভোক্তা- অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান ও প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
    ভোক্তা -অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক ইব্রাহীম হোসেন, খুলনা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনূর আলম যৌথভাবে বাজার অভিযান পরিচালনা করেন। প্রসিকিউশন অফিসার ছিলেন, উপজেলা স্যানিটারী ও নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা জনাব উদয় কুমার মন্ডল । এ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ১০ ব্যবসায়ীর নিকট থেকে সর্বমোট ৫২ বায়ান্ন হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপর্ণ রাখার অপরাধে মুদি ব্যবসায়ী রুপাষ্টোরের মালিক কে ১০ হাজার, মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার অপরাধে ডিজিটাল ইউনানী ষ্টোরের মালিককে ৫ হাজার,মেয়াদোত্তীর্ণ কসমেটিক রাখার অপরাধে মিতু ষ্টোরের মালিককে ২ হাজার, নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন করার অপরাধে হোটেল অন্যরকমের মালিককে ৫ হাজার, এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ রাখার অপরাধে জুয়েল ড্রাগহাউজ- এর মালিককে ৫ হাজার, একই অপরাধে পাইকগাছা ইউনানী দাওয়াখানার মালিককে ৫ হাজার,মিথ্যা বিজ্ঞাপন ও অনুমোদনহীন ঔষধ রাখার অপরাধে তফেল ঔষধালয়ের মালিক ও ভূয়া ডাক্তারকে ১০ হাজার, নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরি করার অপরাধে কালীমাতা মিষ্টান্ন ভান্ডারের মালিককে ২ হাজার ও দধি ঘরের মালিককে ৫ হাজার, এম,আর,পি বিহীন খাদ্য পর্ণ্য বিক্রির অপরাধে মুদি ব্যবসায়ী অতীষ ষ্টোরের মালিককে ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন।অভিযানে উপস্তিত ছিলেন পাইকগাছা থানা পুলিশ।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • নড়াইলে দোভাষী স্বামীর অমানুষিক নির্যাতনে ৬দিন ধরে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ সুমাইয়া

    নড়াইলে দোভাষী স্বামীর অমানুষিক নির্যাতনে ৬দিন ধরে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ সুমাইয়া

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে স্বামীর অমানুষিক নির্যাতন ৬দিন ধরে হাসপাতালে কাতরাচ্ছেন গৃহবধূ সুমাইয়া ৬দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন নির্যাতিতা গৃহবধূ সুমাইয়া।
    স্বামীকে মাদক সেবনে বাঁধা দেওয়ায় অমানুষিক নির্যাতনে ভেঙ্গে গেছে
    সুমাইয়ার তিনটি দাঁত, ঠোঁটে লেগেছে ১০টি সেলাই। এছাড়া মাথাসহ শরীরের
    বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে আঘাতের চিহৃ। এ ঘটনার মামলায় স্বামী এখন হাজতে।
    বাকি ৩জন শ^শুর-শ^শুড়ি ও ননদ জামিনে মুক্ত। জামিনে বের হয়ে শ^শুর লোকজন
    নিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দিচ্ছে।
    জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সদরের ভদ্রবিলা ইউনিয়নের
    পলইডাঙ্গা গ্রামে গৃহবধূ সুমাইয়া ইসলাম সকালে তার স্বামীর প্যান্টের
    প্যাকেট থেকে গাঁজার টোপলা পেয়ে তা শ^াশুড়ীকে জানালে শ^াশুড়ী শেফালী বেগম
    ও ননদ সামিরা তাকে পেটায়। পরে বিকেলে নড়াইলে নির্মাণাধীন রেলওয়ে প্রকল্পে
    চীনাদের সঙ্গে দোভাষী হিসেবে কর্মরত আশিক বাড়িতে এসে রড় দিয়ে আরেক দফা
    জখম করে। ওইদিন রাতে নির্যাতিতার ভাইয়েরা সুমাইয়াকে উদ্ধার করে সদর
    হাসপাতালে ভর্তি করে।
    জানা গেছে,এক বছর আগে লোহাগড়ার শামুকখোলা গ্রামের পুলিশ সদস্য নজরুল
    ইসলামের মেয়ে সুমাইয়ার সাথে পলইডাঙ্গা গ্রামের আশিক খানের বিয়ের পরই আশিক
    শ^শুরের পেনশনের টাকায় দামী মোটর সাইকেলের জন্য চাপ দেয়। এর মধ্যে
    সুমাইয়া জানতে পারে তার স্বামী নেশাগ্রস্ত। বিভিন্ন সময় স্বামীর নেশার
    প্রতিবাদ ও পরিবারের সদস্যদের কাছে নালিশ করলে সুমাইয়াকে মারধর করতো শ^শুর বাড়ির লোকেরা। সুমাইয়ার ভাই রমজান ইসলাম জানায়, ন্যাক্কারজনক এ ঘটনার পর এখন সুমাইয়ার ম্বশুর মুনসুর খানসহ কয়েকজন মামলা তুলে নেওয়ার জন্য ফোনে চাপ দিচ্ছে। মামলা তুলে না নিলে দেখে নেওয়া হবে হুমকি দিচ্ছে।
    এদিকে এইসএসসি পরীক্ষার্থী মেধাবী সুমাইয়া বলেন, আমার কপালে যাই থাক না।কেন আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। আমি আর স্বামীর ঘর করতে চাই না। সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার পার্থ সারথি রায় জানান, সুমাইয়ার মাথা, দাঁত, ঠোঁটসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন এবং ক্ষত রয়েছে। তার নিরাময় হতে বেশ কয়েকদিন সময় লাগবে। নড়াইল সদর থানার ওসি (চলতি দায়িত্ব) মাহমুদুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগী গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নড়াইলে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১২

    নড়াইলে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার ১২

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে পুলিশের ২৪ ঘন্টার নিয়মিত অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ১২ জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় ২২৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে পুলিশ। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজেদুল ইসলামের তত্বাবধানে এসআই অপু মিত্র সঙ্গীয় ফোর্সসহ নড়াইল পৌরসভার বরাশুলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থানকালে ২২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ অহিদুর রহমান সুজনকে (৩৬) গ্রেফতার করেন। সে নড়াইল পৌরসভার বরাশুলা গ্রামের মৃত সাইফুর রহমানের ছেলে।
    এছাড়াও ডিবি পুলিশের এসআই মঞ্জুর মোর্শেদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে কালিয়া উপজেলার পার বিষ্ণপুর এলাকা থেকে ১ বছর ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মো. লাহু শেখকে গ্রেফতার করেন। মো. লাহু শেখ (৩০) কালিয়া উপজেলার পার বিষ্ণপুর গ্রামের মৃত তানশেন শেখের ছেলে। সে জিআর-১১৫/২০ এর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী।
    নড়াইল সদর থানার এএসআই আনিস সঙ্গীয় ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে নড়াইল সদর উপজেলার ঘোড়াখালি এলাকা থেকে ৩ মাসের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী কাজী আলী আহমেদকে গ্রেফতার করেন। কাজী আলী আহমেদ (৩৫) নড়াইল সদর উপজেলার হবখালী ইউনিয়নের ভান্ডারিপাড়া গ্রামের কাজী গোলজারের ছেলে। সে সিআর-৩১/১৬ এর সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামী।
    নড়াইল রুপগঞ্জ সদর পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. হারুন অর রশিদ সঙ্গীয় ফোর্সসহ ০৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১জনকে গ্রেফতার করেন।
    এছাড়াও নড়াইল জেলার বিভিন্ন থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত ও বিভিন্ন মামলার ৮জন আসামীকে গ্রেফতার করেন।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • আসুন মানবিক হই, আবু তাহের কে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়াই

    আসুন মানবিক হই, আবু তাহের কে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়াই

    মোঃ কাউছার ঊদ্দীন শরীফ ঈদগাঁওঃ

    আমার-আপনার একটু সহযোগিতায় বাঁচিয়ে রাখতে পারে আবু তাহের কে । কতভাবেই তো কত টাকা খরচ করি। আসুন না, আবু তাহের কে বাঁচাতে একটু খরচ করি। ছবির এই প্রাণচঞ্চল, সদা হাস্যোজ্জ্বল যুবকের নাম আবু তাহের।

    আবু তাহের একজন দিনমজুর মানুষ।তার এক ছেলে দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। সারাদিনের কষ্ট উপার্জিত অর্থ দিয়ে কোন রকমের সংসার চালান। সে ভয়াবহ মরণব্যাধির লিভার ক্যান্সার আক্রান্ত।

    দেখতে দেখতে কেটে গেছে তার জীবনের ৩৫টি বছর। ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি কখন যে, মরণ অসুখ বাসা বেঁধেছে তার লিভারে।সেই সাথে তার বসত বাড়ী ও আগুনে পুড়ে চাই হয়ে গেছে। টগবগে যুবক ছেলেটি আজ জীবনের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। তার দুচোখে মুঠো মুঠো স্বপ্নের বদলে শুধুই মৃত্যুর বিভীষিকা। চোখ বুঝে অবসন্ন শরীর নিয়ে জীবনকে মহাকালের কাছে সোপর্দ করার দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছেন আবু তাহের। তার মধ্যে এখন বেঁচে থাকার তীব্র আকুতি।

    একটি সুবাসিত ফুল যা কিনা পূর্ণ প্রস্ফুটিত হওয়ার আগেই ঝরে পড়তে চলেছে। ভাবতেই মনটা বিষন্নতায় ভার হয়ে যায়। আর বাবাও এক জন দিন মজুর। মা মারা গেছেন দীর্ঘদিন ৫ বছর। বাবা আগলে রেখেছেন সন্তানদের। তাই ছেলে আবু তাহের কে নিয়ে তার অনেক স্বপ্ন। কিন্তু সন্তানের এই অবস্থাতে বৃদ্ধা বাবা জীবিত অবস্থায় কিভাবে সহ্য করে তা হয়তো আমাদের অনুভূতি দিয়ে আমরা সবাই বুঝতে পারি। সম্ভবত পৃথিবীতে সবচেয়ে ভারী বস্তুটিই হচ্ছে পিতার কাধে সন্তানের লাশ। সন্তানের মৃত্যুর মুখ দেখার চাইতে মৃত্যুবরণ করাটা সব পিতামাতাইর কাম্য।

    কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম গজালিয়া এলাকার আব্দু শুক্কুরের ছেলে আবু তাহের। সে বর্তমানে এক প্রতিবেশির বাড়ীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে।সর্বশেষ চিকিৎসক আবু তাহের কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন। তবেই বাঁচবে আবু তাহের।

    এ জন্য প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা যা অসহায় পরিবারটির পক্ষে যোগাড় করা অসম্ভব। পরিবারে কর্মক্ষম কেউ না থাকায় অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই তার পরিবারের আয় উপার্জন বন্ধ রয়েছে। ঋণ করে একদিকে চিকিৎসা খরচ অন্যদিকে সাংসারিক খরচ চালাতে গিয়ে এখন দিশেহারা আবু তাহের বৃদ্ধা বাবা। তার মধ্যে এত টাকা চিকিৎসা খরচ বহন করা আবু তাহের পরিবারের জন্য অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে । বর্তমানে মেহেদীর ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজনদের প্রচেষ্টায় তার চিকিৎসা চলছে। বাকিটা এখনো বহু দূরের পথ।

    আবু তাহেরের এলাকার লোকজন সমাজের বিত্তশালী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি/বেসরকারি চাকুরে, প্রবাসী ভাই-বোন সবার কাছে আমাদের সবার প্রচেষ্টায় একটি সুন্দর ফুলকে পরিপূর্ণভাবে ফুটতে সাহায্য করি। হয়তো আমাদের অল্প অল্প দান-অনুদান মহান আল্লাহর রহমতে আবু তাহেরের বৃদ্ধা বাবার বুকটাকে শান্ত করে দিতে পারে। আল্লাহ আপনাদের হয়তো এই মহতি কাজের উত্তম বিনিময় দান করবেন। আসুন আমরা সবাই যার যার অবস্থান থেকে এই ছেলেটাকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করি।

    সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা- মোঃ আবু তাহেরের বাবার বিকাশ নম্বর ০১৮৭৭২৭২০৩৮।

  • পঞ্চগড়ে পুলিশের বার্ষিক ,কল্যাণ ও সভায় ডিআইজি পরিদর্শন করলেন

    পঞ্চগড়ে পুলিশের বার্ষিক ,কল্যাণ ও সভায় ডিআইজি পরিদর্শন করলেন

    মো: বাবুল হোসেন পঞ্চগড় ;
    ২১/০৯/২০২২খ্রিঃ পঞ্চগড় জেলার পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শন, বিশেষ কল্যাণ ও মতবিনিময় সভা করেন-ডিআইজি বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর, মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ, বিপিএম ।

    কল্যাণ সভা শুরুর আগে পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার ডিআইজি রংপুর রেঞ্জ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরবর্তীতে পঞ্চগড় জেলা পুলিশের একটি চৌকস দল ডিআইজি রংপুর রেঞ্জ সালামি প্রদান করেন।
    দুপুর ১২:০০ ঘটিকায় পঞ্চগড় পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেডে বিশেষ কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ, রংপুর মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম ।

    উক্ত বিশেষ কল্যান সভায় ডিআইজি রংপুর রেঞ্জ উপস্থিত সকলের নিকট হতে কল্যাণমূল প্রস্তাব আহ্বান করেন, কারো কোন প্রাতিষ্ঠানিক সমস্যা আছে কিনা এসব বিষয়ে আলোচনা করেন এবং সকল অফিসার ও ফোর্সগনের সাথে কুশল বিনিময় করেন।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার এস, এম, সিরাজুল হুদা, পিপিএম, ।

    উক্ত বিশেষ কল্যান সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড় জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জনাব এস. এম. শফিকুল ইসলাম; অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোঃ রাকিবুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবীগঞ্জ সার্কেল) মোছাঃ রুনা লায়লা, সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার, মোঃ হাবিবুল ইসলাম, সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত সহকারী পুলিশ সুপার, জনাব মোঃ বেলায়েত আলীসহ পঞ্চগড় জেলা পুলিশের সকল স্তরের অফিসার ও ফোর্সগণ।

    বিশেষ কল্যাণ সভা শেষে পঞ্চগড় পুলিশ অফিস সম্মেলন কক্ষে পঞ্চগড় জেলায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক হতে উর্দ্ধতন সকল কর্মকর্তাগণের সাথে মতবিনিময় সভা করেন। মতবিনিয়ম সভা শেষে পুলিশ অফিস বার্ষিক পরিদর্শন এবং বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন, ডিআইজি, বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর রেঞ্জ ,রংপুর মোহাঃ আবদুল আলীম মাহমুদ বিপিএম ।

  • নড়াইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরঅভিযানে গাঁজাসহ তিনজনকে জরিমানা ও কারাদন্ড

    নড়াইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরঅভিযানে গাঁজাসহ তিনজনকে জরিমানা ও কারাদন্ড

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরঅভিযানে গাঁজাসহ তিনজনকে জরিমানা ও কারাদন্ড।
    নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার গোপীনাথপুর ব্যাপারীপাড়ায় তিন মাদক কারবারিকে কারাদন্ড ও জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ৪২ পুরিয়া গাঁজাসহ তিনজনকে আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালত তাদের এ সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপীনাথপুর ব্যাপারীপাড়ার মাদক কারবারি সোহরাব খাঁকে (৪৫) ছয় মাসের কারাদন্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া আব্দুল্লাহ শেখ (২০) শাহীনকে (২৫) দুই মাস করে কারাদন্ড ও ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়। এর মধ্যে সোহরাব খাঁর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪২ পুরিয়া গাঁজাসহ ওই তিনজনকে আটক করা হয়।
    ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন লোহাগড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রদীপ্ত রায়। এ সময় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নড়াইলের সহকারী পরিচালক নজরুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের ৩ প্রার্থী বিদ্রাহীদের সাথে কথা বলতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

    নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগের ৩ প্রার্থী বিদ্রাহীদের সাথে কথা বলতে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:
    নড়াইলে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আ’লীগ মনোনীত প্রার্থীর
    পক্ষে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ নড়াইলে আসছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও
    জনপ্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় করতে এবং বিদ্রোহীদের সঙ্গে কথা বলতে। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়,
    বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সভায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ
    সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, নড়াইল-১
    আসনের এমপি কবিরুল হক মুক্তি, নাড়ইল-২ আসনের এমপি মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ
    জেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিগণ উপস্থিত থাকবেন।
    জানা গেছে, নড়াইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জেলা আওয়ামী লীগের
    সভাপতি, আ’লীগ মনোনীত অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস, লোহাগড়া উপজেলা
    আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, লোহাগড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান
    সৈয়দ ফয়জুল আমীর লিটু এবং নড়াইল জেলা পরিষদ প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) জেলা
    পরিষদ সদস্য আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে যুক্ত মো.সুলতান মাহমুদ।
    এদিকে ২০২১ সালে ইউপি নির্বাচনে জেলার ৩৯টি ইউনিয়নের মধ্যে ৩৭টি ইউপি
    নির্বাচনে আ’লীগ মনোনীত ১৭জন প্রার্থী জয়লাভ করেন। বাকি ১৬টিতে আ’লীগ
    বিদ্রোহী,২জন বিএনপি সমর্থক,১জন ওয়ার্কার্স পার্টি এবং ১জন স্বতন্ত্র
    প্রার্থী নির্বাচিত হয়। জেলা পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার ৫৫২জন। অনেকেই
    ধারণা করছেন এসব বিদ্রোহী চেয়ারম্যান ও তাদের দ্বারা প্রভাবিত ইউপি
    মেম্বররা নির্বাচনে একটি ফ্যাক্টর হতে পারেন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর জেলা
    আ’লীগ কার্যালয়ে দলীয় এক মতবিনিময় সভায় জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ
    সম্পাদক ও কলাবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান (আ’লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী) আওয়ামী
    লীগ নেতা অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান কায়েস সভায় বলেন, আমরা যারা বিদ্রোহী
    হিসেবে জয়লাভ করেছি তাদের আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ রকম
    বিদ্রোহী জনপ্রতিনিধির সংখ্যা অনেক। তারা যদি দলীয় প্রার্থীকে ভোট না
    দিয়ে অন্য প্রার্থীকে ভোট দেয় তাহলে ফলাফল পরিবর্তন হতে পারে।
    বিদ্রোহী প্রার্থী লোহাগড়া উপজেলা আ’লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ
    ফয়জুল আমীর লিটু বলেন, জনগন ও তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা আমাকে দাড়িয়ে
    দিয়েছে। আমি তাদের জন্য নির্বাচন করবো। তিনি জেলা পর্যায়ের আওয়ামী লীগ
    নেতৃত্বের সমালোচনা করে বলেন, আজ পরীক্ষীত নেতা-কর্মীদের দলে কোনো
    অবস্থান নেই। তারা আজ দলে কোনঠাসা। আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসার পরও
    আমি কোনো কমিটিতে নেই। প্রার্থীতা প্রত্যাহার না করলে আওয়ামী লীগ থেকে
    যদি বহিষ্কার করা হয় এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, সারা দেশে অসংখ্য বিদ্রোহী
    প্রার্থী রয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক তখন ভেবে দেখবো।
    আপনি বা আপনার লোকজন টাকা দিয়ে ভোট কিনবেন এ ধরণের অভিযোগ রয়েছে এমন
    প্রশ্নে তিনি বলেন, আমার ইনকাম ট্যাক্স ফাইল রয়েছে। আর আমার টাকার উৎস
    কোথায় ? এছাড়া আমার কোনো ব্যবসাও নেই। এ ধরনের কথাকে তিনি মিথ্যা বলে
    উড়িয়ে দেন।
    অপর বিদ্রোহী প্রার্থী মো.সুলতান মাহমুদকে নির্বাচন প্রসঙ্গে জানতে
    একাধিকবার ফোন করলে তারা ফোন রিসিভ করেননি।
    আওয়ামী লীগ মনোনীত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের
    সভাপতি ও নড়াইলের সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট সুবাস চন্দ্র বোস
    বলেন, আমি জেলা পরিষদ প্রশাসক হিসেবে কাজ করার সময় সততা ও দক্ষতার পরিচয়
    দিয়েছি। নড়াইলের অনেক উন্নয়ন করেছি। সবাই সম্মিলিতভাবে কাজ করলে জয়
    সুনিশ্চিত বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া তিনি বিদ্রোহী প্রার্থীদের দলের প্রতি
    অনুগত থেকে নড়াইলের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করা
    উচিত বলে মন্তব্য করেন।
    জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু বলেন,
    বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও
    জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বসবেন। পরবর্তীতে দুই এমপির উপস্থিতিতে বিদ্রোহী
    দু’প্রার্থীকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের জন্য বলা হবে। এরপর তারা যদি না
    বসে তাহলে পরবর্তীতে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে তিনি বিদ্রাহী বসে
    যাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    জেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, জেলা পরিষদ প্রশাসক
    (ভারপ্রাপ্ত) জেলা পরিষদ সদস্য মো.সুলতান মাহমুদ জেলা পরিষদের পদ থেকে
    পদত্যাগ করে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এছাড়া জেলা পরিষদ সদস্য পদে সংরক্ষিত-১
    আসনে ৪জন, সংরক্ষিত-২ আসনে ৩জন, সাধারণ-১ আসনে ৫জন, সাধারণ-২ আসনে ৫জন
    এবং সাধারণ-৩ আসনে ৪জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের
    শেষ সময় ২৫ সেপ্টেম্বর। আগামি ১৭অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

    উজ্জ্বল রায়,।নড়াইল জেলা প্রতিনিধি

  • র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা এলাকায় ১৮ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

    র‌্যাব-১২’র অভিযানে সিরাজগঞ্জের বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানা এলাকায় ১৮ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আটক।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    এর ধারাবাহিকতায় ২০/০৯/২০২২ ইং তারিখ রাত ০৮:৪০ ঘটিকায় গোপন সাংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২ এর সদর কোম্পানীর একটি চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানার সামনে পাঁকা রাস্তার উপর ঢাকা হতে দিনাজপুরগামী একটি যাত্রিবাহী বাসে তল্লাশী চালিয়ে ১৮ কেজি গাঁজাসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ রাজীব চন্দ্র ঘোষ ওরফে ইব্রাহিম খলিল (নওমুসলিম) (৩০), পিতা-মৃত বিজয় চন্দ্র ঘোষ, সাং-কসবা কৃষ্ণপুর, থানা- কসবা, জেলা- ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বর্তমান ঠিকানা-সাং-আনন্দপুর, উত্তর তেতাবুনি, থানা-ব্রাহ্মণপাড়া, জেলা-কুমিল্লা।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন যাবৎ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাকে সিরাজগঞ্জ জেলার বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিত

    মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান

    সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২০৩

  • যশোরের শার্শার  গোগা সীমান্ত থেকে সোনার বার  সহ পাচারকারী আটক

    যশোরের শার্শার গোগা সীমান্ত থেকে সোনার বার সহ পাচারকারী আটক

    আজিজুল ইসলামঃ যশোরের শার্শার গোগা সীমান্ত এলাকা থেকে বিজিবি জোয়ানরা এক কোটি ২৫ লাখ টাকা মূল্যের ১৫ টি সোনার বার সহ জালাল উদ্দিন (৩৫) নামে এক সোনা পাচারকারীকে আটক করেছে। উদ্ধারকৃত সোনার ওজন ১ কেজি ৬ শ”৫২ গ্রাম।

    মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে গোগা বাজারের কাছাকাছি একটি ইট ভাটার পাশে পাকা রাস্তার ওপর থেকে সোনার বারসহ জালালকে আটক করা হয়।

    জালাল বেনাপোল পোর্ট থানার পুটখালী গ্রামের আলী কদমের ছেলে। এ সময় জালালের কাছে থাকা মোটরসাইকেলটিও জব্দ করে বিজিবি।

    খুলনা ২১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্ণেল তানভীর রহমান পিএসসি জানান গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবি জোয়ানরা গোগা – বেনাপোল সড়কের পাশে ইট ভাটার কাছ থেকে জালাল উদ্দিনকে সোনার বারসহ আটক করে।

    পরে জালালের দেয়া স্বীকার উক্তিতে মোটরসাইকেলের মধ্যে লুকানো ১৫ টি সোনারবার উদ্ধার করা হয়। যার ওজন এক কেজি ৬৫২ গ্রাম। উদ্ধার করা সোনার বাজার মূল্য ১ কোটি ২৫ লাখ ২৮ হাজার টাকা।

    তিনি আরও জানান, সোনা পাচার রোধ করতে সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। সোনা পাচার বন্ধ করতে আগামীতে আরও কঠোর ব্যাবস্থা নেয়া হবে। সোনার চোরাচালান একেবারে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সব ধরনের কৌশল অবলম্বন করা হবে।