Blog

  • বানারীপাড়ায় পরকিয়ার বলি হলো অবুঝ দুটি সন্তান ১৫ বছরের সংসার ছেড়ে দেবরের হাত ধরে চলে গেলেন স্ত্রী

    বানারীপাড়ায় পরকিয়ার বলি হলো অবুঝ দুটি সন্তান ১৫ বছরের সংসার ছেড়ে দেবরের হাত ধরে চলে গেলেন স্ত্রী

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি

    মায়ের কাছে সন্তানই যে সবচেয়ে আপন তা ও মাঝে মাঝে মিথ্যা প্রমানিত হয় মায়ের পরকিয়া প্রেমের কারনে। আর তারই ব্যক্তয় ঘটেছে বরিশাল জেলার বানারীপাড়া উপজেলার চাখার ইউনিয়নের বলহার গ্রামে। ফ্রান্স ফেরত রুহুল আমিনের (আমিন) স্ত্রী প্রমান করলেন সন্তান নয় পৃথিবীতে পরকীয়া প্রেমিকই বড় এবং আপন। রুহুল আমিনের (আমিন) ও তার স্ত্রী আসমা আক্তারের দীর্ঘ সংসার জীবনে রয়েছে দুইটি কন্যা সন্তান। বড় মেয়ে ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া সুমাইয়া তাবাসসুম ও ছোট মেয়ে সূরাইয়া আফরিন (৯)। এই সন্তানদের রেখে রুহুল আমীন প্রবাসে কষ্টার্জীত জীবন অতিবাহিত করে স্ত্রী ও সন্তানদের সুখের জন্য।ঘরের শত্রু ভিবিষনের মত আমীনের আপন চাচাতো সাথে পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে। সম্পর্ক গভীরতায় রুপ নিলে আমীনের স্ত্রী গোপনে আমীনকে ডিভোর্স দিয়ে তার চাচাতো ভাই শামীমকে বিবাহ করেন। এই সংবাদ শোনা মাত্রই রুহুল আমিন দেশে এসে মেয়েদের মুখের দিকে মায়ের স্নেহ ভালবাসা থেকে যাতে বঞ্চিত না হয় সেই কথা ভেবে পুনরায় স্ত্রীকে ঘরে তুলেন। ভুলে যান পিছনের কষ্টের ঘটনাগুলি। পরবর্তীতে সংসার জীবনে সব কিছু মানিয়ে নিতে বিন্দু পরিমান ত্রুটি রাখেননি রুহুল আমিন। রুহুল আমীনের ঘরে সুখ শান্তি ফিরে আসে। সন্তানদের নিয়ে ভালোই দিন কাটছিল রুহুল আমিনের। পুসরায় প্রবাসে যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসলে রুহুল আমিন ভবিষ্যৎ নিরাপত্ত্বার জন্য বানারীপাড়া থানা স্বরনাপন্ন হয় যাতে তার অনুপস্থিতিতে তা চাচাতো ভাই শামীম তার সুখের সংসারে কোন সমস্যা কিংবা চির ধরানোর চেষ্টা না করতে পারে। রুহুল আমিন সবার উপস্থিতে সব কিছু আপস মীমাংসায় সমাধান ও ভবিষ্যৎ নিরাপত্ত্বা হবে এমন ভাবলে ও ঘটে গেল ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাসৃ। ঘটনা হয়ে গেল উল্টো । গতকাল ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থানায় সভা সালিশ উপস্থিত থাকাকালীন হঠাৎ সবার সম্মুখে তার স্ত্রী আসমা রুহুল আমিনকে বলেন উনি আমার স্বামী না আমাকে জোর করে রেখেছেন । আমার স্বামী শামীম। শালিশ বৈঠকে উপস্থিত সবাই তাজ্জব বনে গেল। যে স্ত্রী স্বামীর ঘর হতে বড় সন্তানকে সাথে নিয়ে স্বামীর সাথে থানায় আসলো। সে কিনা দেবরকে দেখেই সুর পালতে নিলো। শালিশ বৈঠকে উপস্থিত সবাই আসমা বেগমকে অনুরোধ করলো সন্তানদের জন্য হলে ও রুহুল আমীনের সাথেই যেন সংসার করে। কিন্তু কঠিন হ্দয়ের স্ত্রী কারো অনুরোধের তোয়াক্কা না করেই তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শামীমের হাত ধরেই চলে যান নিজের পেটে রাখা অবুঝ দুটি মেয়ে সন্তান রেখে। ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া বড় মেয়ের কান্নায় ঘটনাস্থলে থাকা উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা এবং জনসাধারণের হৃদয়ে ব্যাধিত করে চোখের কোণে জলচ্ছাস এনে দেয়। ৯ বছর ও ১৩ বছরের দুই সন্তানকে রেখে মায়ের অন্যের হাত ধরে চরে যাওয়া যেন সন্তানদের কাছে পাহাড় সমান বোঝার চেয়ে কঠন তর কঠিন। মায়ের চলে যাওয়ায় স্নেহবঞ্চিত মেয়েদের মুখের হাহাকার কোনদিন কি পূরন হবে।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া বরিশাল প্রতিনিধি।।

  • বানারীপাড়ায়  ইউপি সদস্য হাবুর ইন্তেকাল

    বানারীপাড়ায় ইউপি সদস্য হাবুর ইন্তেকাল

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও চাখার ইউপির ৬নং ওয়ার্ডের (দড়িকর) সদস্য (মেম্বর) জারিফ হোসেন হাবু আর নেই। শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিজ বাড়িতে তিনি ইন্তেকাল করেন
    ( ইন্না লিল্লাহি………….রাজিউন)। দীর্ঘদিন তিনি লিভারসহ নানা জটিল রোগে ভুগছিলেন। তিনি চাখার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা ও ওয়াজেদ মেমোরিয়াল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক প্রয়াত আ. মালেক মিয়ার সেজ ছেলে। আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্য জারিফ হোসেন হাবুর মৃত্যুতে বানারীপাড়া প্রেস ক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।।

  • বানারীপাড়ায় অগ্নিবীণা খেলাঘর আসরের সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত

    বানারীপাড়ায় অগ্নিবীণা খেলাঘর আসরের সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত

    এস মিজানুল ইসলাম।
    বিশেষ সংবাদদাতা।। শনিবার ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৫ টায় উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল ইলুহার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে অগ্নিবীবীণা খেলাঘর আসরের সম্মেলন-২০২২ অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন বরিশাল জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা (অব:) পন্কজ রায় চৌধুরী, প্রধান অতিথি বরিশাল জেলা খেলাঘর আসরের সভাপতি নজমুল হোসেন আকাশ। স্বাগত বক্তৃতা করেন অনুষ্ঠানের সমন্বয়ক নতুনমুখ সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মানিক। খেলাঘর আসরের সভাপতি রুখসানা পারভিনের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন বিশেষ অতিথি জেলা কমিটির সম্পাদক তৌছিক আহমেদ রাহাত, উপজেলা সভাপতি মোঃ মোশারফ হোসেন, ইলুহার ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শহিদুল ইসলাম, বরিশাল সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সাবেক সম্পাদক মিন্টু কুমার কর, প্রগতি লেখক সংঘের সম্পাদক ও সিনিয়র সাংবাদিক এস মিজানুল ইসলাম, নতুনমুখ সম্পাদক মোঃ শাজাহান মিয়া, প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি একেএম মুজিবুর রহমান, খেলাঘর উপজেলা সম্পাদক মোঃ খাইরুল ইসলাম। সঞ্চালনা করেন অগ্নিবীণা খেলাঘর আসরের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জুলকার নাইম সৌরভ। অনুষ্ঠানে তিনজন গুণি ব্যক্তিকে সংবর্ধিত করা হয়। এরা হলেন, বরিশালের প্রবীণ শিশু সংগঠক জীবন কৃষ্ণ দে, প্রবীণ খেলাঘর কর্মী মাওলানা মতিয়ার রহমান এবং মোঃ আব্দুল গনি মিয়া।
    অনুষ্ঠানের পূর্বে সংগঠনের উদ্যোগে অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেয়া হয় এবং প্রকাশিত স্মরণিকা ” অগ্নিবীণা” এর মোড়ক উন্মোচন করেন বরিশালের প্রবীণ শিশু সংগঠক জীবন কৃষ্ণ দে। অনুষ্ঠানের শেষে অগ্নিবীণা খেলাঘর আসরের ২০২২-২৪ এর নতুন কমিটির সভাপতি রুখসানা পারভিন এবং মোঃ জুলকার নাইম সৌরভকে সম্পাদক করে ২১ সদস্যের নতুন নির্বাহী পরিষদ ঘোষণা করা হয়।#

  • ক্ষেতলালে পূজা উদযাপন কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    ক্ষেতলালে পূজা উদযাপন কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত

    এস এম মিলন জয়পুরহাট জেলা প্রতিনিধিঃ

    জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বের) সকাল ১০ টায় ক্ষেতলাল উপজেলা কনফারেন্স রুমে এই প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশতিয়াক আহমেদের সভাপতিত্বে আসন্ন শারদীয় দূর্গা পুজা-২০২২ উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ের পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাকিম মন্ডল, ক্ষেতলাল থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি রওশন ইয়াজদানী, ক্ষেতলাল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল ইসলাম সরদার, উপজেলার পুজা কমিটির সভাপতি ও সেক্রেটারীগণ সহ অন্যান্য কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ।

  • মাদক,জুয়া চলবে না শুপারিশ শুনবো না ব্যক্তি পুলিশের অপরাধের দায় ডিপার্টমেন্ট নেবে না  -বরগুনা পুলিশ সুপার

    মাদক,জুয়া চলবে না শুপারিশ শুনবো না ব্যক্তি পুলিশের অপরাধের দায় ডিপার্টমেন্ট নেবে না -বরগুনা পুলিশ সুপার

    পাথরঘাটা(বরগুনা)প্রতিনিধিঃ পাথরঘাটায় মদ-জুয়া,মাদক চলবে না। এই বিষয়ে কোন সুপারিশ শোনা হবেনা। আপনার এলাকায় কারা জুয়া খেলে,মাদক সেবন করে কিংবা ব্যবসা করে। তাদের সম্পর্কে থানায় তথ্য দিন। পুলিশকে সহযোগিতা করুন। থানাপুলিশ যদি সহযোগিতা না করে; তাহলে সরাসরি আমাকে ফোন দিন।

    পাথরঘাটা থানা কর্তৃক ওপেন হাউজ ডে আয়োজিত আসন্ন শারদীয় দূর্গপুজা উপলক্ষে আইন-শৃখলা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরগুনার নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ আব্দুস সালাম উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।

    এছাড়াও আসন্ন দূর্গা পুজা উপলক্ষে পুলিশ সুপার হিন্দু কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আইন শৃঙ্খলা সভায় বলেন,পুজামন্ডপ গুলোকে সিসি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসুন। পুজোতে শান্তিপুর্ন পরিবেশ বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা চান তিনি। অপর এক প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন,ব্যক্তি পুলিশের অপরাধের দায় ডিপার্টমেন্ট নেবে না।

    ২৫ সেপ্টেম্বর রবিবার সকাল সাড়ে ১০টায় পাথরঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল বাশারের সভাপতিত্বে ওপেন হাউজ ডে’র এই অনুষ্ঠানে দুর্গাপুজো উপলক্ষে কমিউনিটি পুলিশের ভূমিকা,জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবী সহ স্থানীয় সুশীল সমাজের সঙ্গে আইন -শৃঙ্খলা বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন পাথরঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান মোস্তফা গোলাম কবির,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফায়েল হোসেন সরকার। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা হিন্দু -বৌদ্ধ -খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র রায়,উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ কর্মকার,পৌর কাউন্সিলর মশিউর রহমান,পৌর কাউন্সিলর মোসাফ্ফের বাবুল,পৌর কাউন্সিলর রোকনুজ্জামান রুকু।

    এছাড়াও স্থানীয় সুশীল সমাজ,জনপ্রতিনিধি,গণমাধ্যম কর্মীদের বিভিন্ন খোলামেলা মতামত এবং অভিযোগ শোনেন।

    অমল তালুকদার।।

  • কিশোরগঞ্জ ২য় শ্রেণীর শিশুকে  বেধরক মারধর করার অভিযোগ

    কিশোরগঞ্জ ২য় শ্রেণীর শিশুকে বেধরক মারধর করার অভিযোগ

    খলিলুর রহমান খলিল, নিজস্ব প্রতিনিধি
    নীলফামারী জেলাধীন কিশোরগঞ্জ উপজেলার
    নিতাই ইউনিয়নের বাড়ীমধুরামপুর কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের হাছান খন্দকার(২৮) নামে এক প্রতিবেশী কর্তৃক জাইদুলের শিশু জাহিদার উপর বেধরক মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

    জানা যায়- অভিযুক্ত হাছান খন্খন্দকার নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন।

    এ ঘটনায় ১৪ই সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী শিশু জাহিদার বাবা। আহত শিশু জাহিদা আক্তার কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বাড়িমধুপুর কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। শিশুটি বাড়ি মধুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। এবং অভিযুক্ত যুবক একই গ্রামের মৃতঃ মোশারফ হোসেনের ছেলে হাছান খন্দকার।

    অভিযোগ ও ভূক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাছান খন্দকারের মেয়ে শিশু নিঝুম ও ভুক্তভোগী শিশু জাহিদার ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে হাসান খন্দকার তার মেয়ের ইনিয়ে বিনিয়ে বলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিশু জাহিদাকে হতে থাকা হেলমেট দিয়ে মারার জন্য ধাওয়া করে। পরে ভূক্তভোগী শিশু জাহিদা ভয়ে ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়লেও পিছু ছাড়েনি হাসান খন্দকার।

    হিংস্রতার অমানবিক আক্রোশে খাটের নিচ থেকে শিশু জাহিদাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে হাতে থাকা হেলমেট ও ঘরে থাকা ঝাড়ু দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং শিশুটির গায়ে থাকা জামা ছিড়ে ফেলেন।

    শিশুটির প্রাণ ভয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বাড়ীর বাইরে থাকা শিশু জাহিদার জেঠি খাদিজা বেগম, মারপিটে বাধা দিলে তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতা হাতি ও শ্লীলতাহানী করে বেপরোয়া হাছান আলী খন্দকার।

    ভূক্তভোগী শিশু জাহিদার বাবা জানান, তিনি পরের জমিতে দিনমজুরের কাজে বাইরে ছিলেন।
    তার প্রতিবেশীর থেকে খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখে তার অবুঝ শিশু জাহিদা ও তার বড় ভাবী আহত হয়ে বাড়ির উঠানে পড়ে আছে।
    পরে তার বড় ভাবী মারপিটের ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলেন। তখন জাইদুল তার ভাবী ও কন্যাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। জাইদুল তার অবুঝ শিশুর উপর এমন অমানবিক শারিরীক নির্যাতনের বিচার চায়।

    এ বিষয়ে দাযেরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোমান ইসলাম জানান, শিশু জাহিদার উপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শিশুর বাবা জাইদুল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি, পূর্নাঙ্গ তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে ২য় শ্রেণীর শিশুকে বেধরক মারধোর করার অভিযোগ

    নীলফামারী জেলাধীন কিশোরগঞ্জ উপজেলার
    নিতাই ইউনিয়নের বাড়ীমধুরামপুর কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের হাছান খন্দকার(২৮) নামে এক প্রতিবেশী কর্তৃক জাইদুলের শিশু জাহিদার উপর বেধরক মারপিটের ঘটনা ঘটেছে।

    জানা যায়- অভিযুক্ত হাছান খন্দকার নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পরিচ্ছন্ন কর্মী হিসেবে কর্মরত আছেন।

    এ ঘটনায় ১৪ই সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ থানায় বাদী হয়ে অভিযোগ করেন ভূক্তভোগী শিশু জাহিদার বাবা। আহত শিশু জাহিদা আক্তার কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বাড়িমধুপুর কুঠিয়ালপাড়া গ্রামের জাহিদুল ইসলামের মেয়ে। শিশুটি বাড়ি মধুরামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী। এবং অভিযুক্ত যুবক একই গ্রামের মৃতঃ মোশারফ হোসেনের ছেলে হাছান খন্দকার।

    অভিযোগ ও ভূক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, হাছান খন্দকারের মেয়ে শিশু নিঝুম ও ভুক্তভোগী শিশু জাহিদার ঝগড়া হয়। এরই জের ধরে হাসান খন্দকার তার মেয়ের ইনিয়ে বিনিয়ে বলা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিশু জাহিদাকে হতে থাকা হেলমেট দিয়ে মারার জন্য ধাওয়া করে। পরে ভূক্তভোগী শিশু জাহিদা ভয়ে ঘরে ঢুকে খাটের নিচে লুকিয়ে পড়লেও পিছু ছাড়েনি হাসান খন্দকার।

    হিংস্রতার অমানবিক আক্রোশে খাটের নিচ থেকে শিশু জাহিদাকে টেনে হিঁচড়ে বের করে হাতে থাকা হেলমেট ও ঘরে থাকা ঝাড়ু দিয়ে এলোপাতাড়ি মারপিট করে এবং শিশুটির গায়ে থাকা জামা ছিড়ে ফেলেন।

    শিশুটির প্রাণ ভয়ে চিৎকার চেঁচামেচি শুনে বাড়ীর বাইরে থাকা শিশু জাহিদার জেঠি খাদিজা বেগম, মারপিটে বাধা দিলে তাকেও অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতা হাতি ও শ্লীলতাহানী করে বেপরোয়া হাছান আলী খন্দকার।

    ভূক্তভোগী শিশু জাহিদার বাবা জানান, তিনি পরের জমিতে দিনমজুরের কাজে বাইরে ছিলেন।
    তার প্রতিবেশীর থেকে খবর পেয়ে বাড়িতে এসে দেখে তার অবুঝ শিশু জাহিদা ও তার বড় ভাবী আহত হয়ে বাড়ির উঠানে পড়ে আছে।
    পরে তার বড় ভাবী মারপিটের ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলেন। তখন জাইদুল তার ভাবী ও কন্যাকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যায়। জাইদুল তার অবুঝ শিশুর উপর এমন অমানবিক শারিরীক নির্যাতনের বিচার চায়।

    এ বিষয়ে দাযেরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জ থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রোমান ইসলাম জানান, শিশু জাহিদার উপর শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায় শিশুর বাবা জাইদুল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমরা প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি, পূর্নাঙ্গ তদন্তের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রাজশাহীতে  সাংবাদিকদের হামলাকারি সকল আসামীদের গ্রেফতার শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

    রাজশাহীতে সাংবাদিকদের হামলাকারি সকল আসামীদের গ্রেফতার শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : এটিএন নিউজের রিপোর্টার বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাপার্সন রুবেল ইসলামের ওপর হামলাকারী বিএমডিএ’র সকল আসামীদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ১১ টায় নগরীর কোর্ট চত্বর শহীদ মিনারে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, সব আসামীর অবস্থান জানা সত্ত্বেও পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করছে না। শুধুমাত্র ২ জন আসামীকে লোক দেখানো গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুই আসামী ধরার পর পুলিশের এই নিরবতা রহস্যজনক। মহামান্য আদালতের কাছে গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীর জামিন না দেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

    বক্তারা বলেন, বিএমডিএ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ওপর এ হামলা স্বাধীন ও মুক্ত সাংবাদিকতার ওপরই হামলা। বিএমডিএ কার্যালয়ে যে জবাবদিহিতাহীনতা ও বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে তারই প্রকাশ। তাই সব আসামীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান বক্তারা।

    গত ৫ সেপ্টেম্বর লাইভ চলাকালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ- বিএমডিএ কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হন এটিএন নিউজের রাজশাহী প্রতিনিধি বুলবুল হাবিব ও ক্যামেরাপার্সন রুবেল ইসলাম। এ ঘটনায় ৫ সেপ্টেম্বর রাতেই নগরীর রাজপাড়া থানায় বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশিদকে প্রধান আসামী করে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৮/১০ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়।

    গত রোববার দিবাগত রাতে ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে ১৩ দিন পর জড়িতদের মধ্যে অন্যতম আসামী বিএমডিএর ভান্ডাররক্ষক জীবন ও গাড়িচালক আব্দুস সবুরকে সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহায়তায় গ্রেপ্তার করে রাজপাড়া থানা পুলিশ। তাদের রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • ময়মনসিংহে ওসি কামালের এ্যাকশনে ২৪ ঘন্টায়২ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনসহ গ্রেফতার-৩

    ময়মনসিংহে ওসি কামালের এ্যাকশনে ২৪ ঘন্টায়২ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনসহ গ্রেফতার-৩

    ময়মনসিংহ প্রতিনিধি।
    ময়মনসিংহে একই সাথে মাত্র ২৪ঘন্টার ব্যবধানে সাথী ও তাপস পৃথক দুটি হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন সহ ঘটনার সাথে জড়িত ৩ কে গ্রেফতার করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলো, বাবুল, হৃদয় ও খোকন। গ্রেফতার কৃত আসামী বাবুল ও হৃদয় এর বাড়ী নগরীর আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকায়। তাদের দুজনকে নগরীর সাথী হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত বলে পুলিশ জানিয়েছে।এদের মাঝে আসামী হৃদয় পুলিশের কাছে ময়মনসিংহের আলোচিত ঘটনা সাথী হত্যাকান্ডের দায় স্বিকার করেছে। নিহত সাথী নগরীর আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকার মোফাজ্জল হোসেন এর মেয়ে। রবিবার (২৫শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে কোতোয়ালি মডেল থানার আয়োজনে অনুষ্ঠিত মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কোতোয়ালি সার্কেল) শাহীনুল ইসলাম ফকির এ তথ্য জানান।

    মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ।

    প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ভোরে নগরীর আকুয়া জুবলী কোয়ার্টার এলাকায় সাথী আক্তারকে (৩৮) তার ভাড়া বাসায় রক্তাক্ত অবস্থায় মৃত দেখতে পায় স্থানীয়রা। স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে কোতোয়ালী থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে। এ ঘটনায় নিহতের বোন বাদি হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা নং-১৩/১০০১, তারিখ-২৪/০৯/২০১২ ইং, ধারা
    ১৪৩/৪৪৮/৩০২/৩৪ দঃ বিঃ দায়ের করে।নগরীতে নিজ ঘরে নারী হত্যাকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে জেলা পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা দ্রুততম সময়ে হত্যার রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতারে কঠোর নির্দেশনা দিলে পুলিশ সুপারের নির্দেশনা মোতাবেক কোতোয়ালী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহীনুল ইসলাম ফকিরের তত্বাবধানে কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দের নেতৃত্বে এসআই মোঃ আনোয়ার হোসেন-১, এসআই নিরুপম নাগ, এএসআই সুজন চন্দ্র সাহা সহ একটি টিম বিভিন্ন স্থানে টানা অভিযান শুরু করে। অভিযানের এক পর্যায়ে হত্যাকান্ডের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সদরের চুরখাই ও কেওয়াটখালী এলাকা থেকে ২৪শে সেপ্টেম্বর শনিবার রাতে হত্যাকান্ডে জড়িত বাবুল ও হৃদয়কে গ্রেফতার করে। পরে তাকে নিয়ে পুলিশ হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে নিয়ে যাওয়া হলে তার দেয়া তথ্য মতে ও নিজ হাতে বের করে দেয়া হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত একটি রক্তমাখা স্টীলের ছোরা উদ্ধার করে। গ্রেফতারকৃত হৃদয় পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে।

    অপরদিকে নগরীর বলাশপুর হাক্কানী মোড়ে ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধায় মোটরসাইকেল ও সিএনজির সাথে ধাক্কা লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জের ধরে সিএনজি ড্রাইভার তাপস চন্দ্র সরকারকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ হত্যার ঘটনায় খোকন নামে একজনকে গ্রেফতার করে। পরে তার তথ্য মতে, হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত আলামত (ছোরা) উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো বলেন, ডিভোর্সী নারী সাথী আক্তার তার এক সন্তান নিয়ে আকুয়া জুবিলি কোয়ার্টার এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। স্থানীয় আকুয়া মড়লপাড়ার হৃদয় নামক এক ব্যক্তি ঐ নারীকে উত্যক্ত করে আসছিল। এ ঘটনায় শালিশ পর্যন্ত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা যাচ্ছে শালিশের কারণে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে ঐ নারীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারণ এবং জড়িত অন্যান্যদের নাম ঠিকানাসহ ত্দন্ত আরো অনেক তথ্য প্রকাশ পাবে। এছাড়া সিএনজি চালক তাপস হত্যায় জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে। ব্রিফিংকালে ওসি শাহ কামাল আকন্দ, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন, পুলিশ পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) ওয়াজেদ আলী উপস্থিত ছিলেন। এদিকে দুটি হত্যাকান্ডের ঘটনায় হত্যাকান্ডর ২৪ ঘন্টার মধ্যে রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতার করায় পুলিশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে নগরবাসী। একই সাথে কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দের মেধাবী অভিযানের প্রশংসাও করেন ময়মনসিংহবাসী।

  • কেন্দুয়ায় বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কেন্দুয়া সাংগঠনিক অফিসে গ্রাহকের মৃত্যুদাবী চেক হস্তান্তর

    কেন্দুয়ায় বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড কেন্দুয়া সাংগঠনিক অফিসে গ্রাহকের মৃত্যুদাবী চেক হস্তান্তর

    প্রতিনিধি কেন্দুয়া( নেত্রকোনা)
    নেত্রকোণার কেন্দুয়ায় বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, কেন্দুয়া উপজেলা সাংগঠনিক অফিসের আয়োজনে সাপ্তাহিক উন্নয়ন সভা ও মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    রোববার দুপুরে কেন্দুয়া পৌরসভার কেন্দুয়া-মদন সড়কের পাশে বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স এর অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায়, সভাপতিত্ব করতে ব্রাঞ্চ ম্যানেজার (ইনচার্জ) কাউসার হোসেন জানু।

    সভায় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার কেন্দুয়া উপজেলা প্রতিনিধি জিয়াউর রহমান জীবনের সঞ্চালনায়
    প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, কেন্দুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোফাজ্জল হোসেন ভূইয়া।

    এছাড়াও প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, ময়মনসিংহ ডিভিশন-২ এর জিএম, সাইফুল ইসলাম বাচ্চু।

    বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহ ডিভিশন-২ এর হাবিবুর রহমান হাবিব, বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড, নেত্রকোণা জোন এর দায়িত্বে থাকা এজিএম মাসুদুজ্জামান রানা,কেন্দুয়া রিপোর্টাস ক্লাবের সভাপতি আসাদুল কমির মামুন
    প্রমুখ সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও বীমা গ্রহীতারা।

    পরে বেস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এর সাপ্তাহিক উন্নয়ন সভায় উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিবৃন্দ মৃত্যু দাবির চেক হস্তান্তর করেন, বীমা গ্রহীতা কেন্দুয়া পৌরসভার দিগদাইর গ্রামের প্রয়াত গোলাম মোস্তফা ছেলের হাতে চেক বুঝিয়ে দেয়া হয়।

    হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া নেত্রকোণা থেকে।।

  • চাঁদপাই পুজামন্দিরে শুভ মহালয়া’র মধ্যদিয়ে শুরু শারদীয় দুর্গা উৎসবের ক্ষণ গণনা

    চাঁদপাই পুজামন্দিরে শুভ মহালয়া’র মধ্যদিয়ে শুরু শারদীয় দুর্গা উৎসবের ক্ষণ গণনা

    বায়জিদ হোসেন, মোংলাঃ
    শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, জমিনে শুভ্র কাশফুল মাথা দুলিয়ে নাচে। আপাতদৃষ্টিতে সব কিছুই সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন মনে হলেও কোথায় জানি একটা অপূর্ণতা থেকেই যায়। ঢাকে কাঠি পড়লেই, ঝিংকু নাকুর ঝিংকু নাকুর আওয়াজ কানে আসতেই শরতের ষোলকলা পূর্ণ হয়। বোঝা যায়, আজ মহালয়া। দেবী দুর্গার প্রারম্ভিক বন্দনা আর উলু ধ্বনি, প্রতিধ্বনিত হয় বাংলার আকাশ-বাতাস, নদীর জলের মতো পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, আজ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রারম্ভিকতা হলো। রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় মোংলা উপজেলার চাঁদপাই পুজামন্দিরে পালিত হয় দুর্গাপূজা শুভ সূচনা ‘শুভ মহালয়া’। আয়োজক পিডিএম ফাউন্ডেশ’র চেয়ারম্যান দিপংকর মৃধা দিপু পাঠানো বার্তায় বলেন, “এবার প্রথম পিডিএম ফাউন্ডেশ’র উদ্দোগে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। আজকের দিনে আমরা দেবী দুর্গার মর্তে আসার সময় প্রারম্ভিক বন্দনার মাধ্যমে তার কাছে দুনিয়ার সকল অশুভ শক্তি বিনাশ করার আহ্বান জানিয়েছি। সেই সাথে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমরা সবাই মানুষ, ধর্মীয় সম্প্রীতির দেশ বাংলাদেশ। ধর্মীয় সম্প্রীতির কোন বিকল্প নাই। এ দেশে প্রত্যেকটি নাগরিক নিজ নিজ ধর্মীয় অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে পালন করে থাকে। যা বিশ্বে দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে। এ দেশে ৯০ ভাগ নাগরিক মুসলমান। হিন্দু, খ্রিস্টান বৌদ্ধসহ অন্যান্য ধর্মের নাগরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির মধ্যে দিয়ে এ দেশে বাস করে। সেই সাথে সকলকে পিডিএম ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে শারদীয়া দুর্গাপূজা শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
    উল্লেখ্যে, আগামী পহেলা অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে
    হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
    মোংলা উপজেলায় এবার ৩৪ টি পূজা মন্দিরে অনুষ্টিত হচ্ছে এ উৎসব।