Blog

  • আগৈলঝাড়ায় ভাসমান কৃষি প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস উদযাপিত

    আগৈলঝাড়ায় ভাসমান কৃষি প্রযুক্তির উপর প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস উদযাপিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় ভাসমান কৃষি আধুনিক প্রযুক্তি কৃষি প্রশিক্ষণ উদযাপিত হয় ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণ া সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প (বাড়ি অংশ) আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট রহমতপুর বরিশাল উক্ত মাঠ দিবসে আগৈলঝাড়া উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের কৃষক উপস্থিত ছিলেন এ সময় কৃষকদেরকে ভাসমান বেডে বিভিন্ন সবজিও মশলা চাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। উক্ত মাঠ দিবসের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন প্রধান অতিথি
    ডাঃ বিমল চন্দ্র কুন্ডু
    শস্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আর এ আর এস, বরিশাল। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাঃ মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার প্রকল্প পরিচাল ক ভাসমান কৃষি প্রকল্প আর এ আর এস, বরিশাল।বিশেষ অতিথি ডাঃ মোঃ গোলাম কিবরিয়া প্রধান বৈজ্ঞানিক ডাঃমোঃ আমিনুর রহমান প্রধান বৈজ্ঞানিক ডাঃমোঃ মাহবুবুর রহমান আর এ আর এস, বরিশাল। এ সময় মোট ১০০ জন কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। এর সাথে কৃষকদের কে নিয়ে মাঠ পরিদর্শন করে মাক দিবস পালন করা হয় উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম, আকাশ হাওলাদার ও আলামিন বেপারী ।

  • গৌরনদীতে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গোৎসব উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    গৌরনদীতে উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসনের উদ্যোগে দুর্গোৎসব উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

    বি এম মনির হোসেনঃ-

    বরিশালের গৌরনদীতে আগত শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে পূজা মন্ডপসমূহের নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
    উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার সকাল ১১টায় শহীদ সুকান্ত বাবু অডিটোরিয়ামে
    আলোচনা সভা উপজেলা নির্বাহি অফিসার বিপিন চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী,
    উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও পৌর মেয়র মোঃ হারিছুর রহমান, গৌরনদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আফজাল হোসেন,
    উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এইচএম জয়নাল আবেদীন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো.ফরহাদ হোসেন, মহিলা ভাইস
    চেয়ারম্যান জিনিয়া আফরোজ হেলেন, ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গূহ পিকলু, আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার, সৈয়দ নজরুল ইসলামসহ সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি, উপজেলার বিভিন্য পূজাউদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

  • বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৩ সহস্রাধিক চক্ষু রোগী

    বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা পেলেন ৩ সহস্রাধিক চক্ষু রোগী

    মোংলা প্রতিনিধি
    রামপালে দক্ষিণ বঙ্গের সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবির অনুষ্টিত হয়েছে। ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের উদ্যোগে ও লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলামের সহযোগিতায় এ কার্যক্রম আবারও শুরু করা হয়। বড়দিয়া হাজী আরিফ (র.) মাদরাসা মাঠে সোমবার দিনব্যাপী রোগী বাছাই করা হয়েছে। এ বছর প্রায় ৫ শতাধিক ছানিপড়া ও নেত্রনালী রোগীকে অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়েছে। এসব বাছাইকৃত রোগীদের ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স চক্ষু হাসপাতালে ভর্তি করে অপারেশন ও লেন্স সংযোজন করা হবে। এ ছাড়াও প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান, বিনামূল্যে ঔষধ ও বয়স্ক রোগীদের চশমা প্রদান করা হয়েছে। ইতিপূর্বে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের এই সর্ববৃহৎ চক্ষু চিকিৎসা শিবিরের মাধ্যমে প্রায় সড়ে ৪ হাজার চোখে ছানি পড়া ও নেত্রনালীর রোগীকে ঢাকা নিয়ে অপারেশনসহ লেন্স সংযোজন করা হয়েছে। ওই সময়ে প্রায় ৫০ হাজারেরও বেশী রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে। চিকিৎসা নিতে আগত বাগেরহাট সদরের সৈয়দপুর গ্রামের রোগী বৃদ্ধ ইসরাফিল মোড়ল তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন দীর্ঘ দুই তিন বছর এ এলাকায় চক্ষু চিকিৎসা শিবির বন্ধ থাকায় আমরা খুব অসুবিধায় ছিলাম। আবার চক্ষু চিকিৎসা শিবির চালু হওয়ায় আমাগো পরানের মানুষের জন্যি আমরা দুয়া করি। একই অনূভুতি ব্যক্ত করেন রামপালের সোনাতুনিয়া গ্রামের লাইলী বেগম, পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানি উপজেলার চার বলেস্বর গ্রামের মো. শাহ আলম হাওলাদার। অনুষ্ঠানে অনুভূতি ব্যক্ত করে ঢাকা মেগা সিটি লায়ন্স ক্লাবের সভাপতি লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন আমি মানবতার কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। এ জন্য আপনাদের সহযোগিতা কামনা করছি ও দোয়া চাই। করোনার কারণে ২ দুই বছর পর আবারও আমাদের চক্ষু চিকিৎসা শিবির শুরু করেছি। আজকে আমরা ছানি পড়া ও নেত্রনালী রোগীসহ বিভিন্ন সমস্যার প্রায় ৫ শতাধিক রোগী বাছাই করেছি। প্রাথমিক চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান করা হয়েছে প্রায় ৩ সহস্রাধিক রোগী। যা চলমান আছে। রোগীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। প্রচন্ড রৌদ্র ও তাপ উপেক্ষা করে শত শত রোগী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে সেবা নিয়েছে।

  • জয়পুরহাটে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন আটক

    জয়পুরহাটে ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ একজন আটক

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    র‍্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের একটি চৌকশ অপারেশনাল দল কোম্পানী উপ-অধিনায়ক সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ রানা এর নেতৃত্বে,রবিবার দিবাগত রাতে জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার পাঠানপাড়া বাজারে পশ্চিমপ্রান্তে হোপেরহাট গামী পাকা রাস্তায় অভিযান চালিয়ে ৭ শত ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ মো.রমজান আলী (৩৫) নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে আটক করেছে র‍্যাব-৫ এর সদস্যরা।

    আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ রমজাল আলী গাইবান্ধা জেলার গোবিন্ধগঞ্জ উপজেলার কাকসা একালার মৃত শামসুল মন্ডলের ছেলে।

    র‍্যাব-৫ জয়পুরহাট ক্যাম্পের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আটক বিষয়টি নিশ্চিত করে আরও জানায় আটককের পর র‍্যাবের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উক্ত ধৃত আসামী স্বীকার করেছে যে সে দীর্ঘদিন যাবৎ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট অবৈধভাবে সংগ্রহপূর্বক জয়পুরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকসেবী ও মাদক কারবারীদের নিকট সরবরাহ করে আসছিল।

    পরবর্তীতে ধৃত আসামী মাদক ব্যবসায়ী মো.রমজান আলীর বিরুদ্ধে জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুসারে একটি মামলা দায়ের করা হয়।

  • জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচন”৩ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার,ভোটযুদ্ধে আ”লীগ-জাসদ

    জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচন”৩ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার,ভোটযুদ্ধে আ”লীগ-জাসদ

    স্টাফ রিপোর্টারঃ- নিরেন দাস

    আগামী ১৭ অক্টোবর আসন্ন জয়পুরহাট জেলা পরিষদ নির্বাচন’কে সামনে রেখে উক্ত নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন, পুরুষ সদস্য পদে ২ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

    গত রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) নির্ধারিত সময়ের শেষ দিনে তারা তাদোর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

    কিন্তু বর্তমান মাঠে চেয়ারম্যান পদে বাংলাদেশ আ”লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী প্রবীণ আওয়ামী নেতা অধ্যক্ষ খাজা শামসুল আলম ও জয়পুরহাট জেলা জাসদের সভাপতি আবুল খায়ের মো.সাখাওয়াত এই দুই জন প্রার্থী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে চেয়ারম্যানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এছাড়া ৫ টি সাধারণ সদস্য পদে ২৩ জন এবং ২ টি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৮ প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

    এবিষয়ে জয়পুরহাট জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আমিনুর রহমান মিঁয়া জানান, আগামী ১৭ অক্টোবর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার জেলার পাঁচটি উপজেলায় মোট ৪ শত ৯৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। জেলার ৫ টি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এবং ৫ টি পৌরসভা মেয়র ও কাউন্সিলররাসহ ৩২ টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা নির্বাচনে তাদের ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন।

  • রাজশাহীর তানোরে নকল কীটনাশক জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হল কার্টুন

    রাজশাহীর তানোরে নকল কীটনাশক জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হল কার্টুন

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর তানোরে ভেজাল, মানহীন, মেয়াদ না থাকা নকল কীটনাশক জব্দ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ।

    সোমবার দুপুরের দিকে উপজেলার কামারগাঁ ইউনিয়ন( ইউপির) মাদারিপুর বাজারে ঘটে কীটনাশক পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাটি। এর কয়েকমাস আগে বালাইনাশক ব্যবসায়ী ময়েজের দোকান থেকে কয়েক কার্টুন কীটনাশক পুড়িয়ে দেওয়া হলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে মনে করছেন কৃষকরা। ফলে একের পর এক ভেজাল কীটনাশক জব্দ করা হলেও ব্যবসায়ী ময়েজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ার কারনে ভেজালে ভেজালে সয়লাব হয়ে পড়েছে।

    উপজেলার বিভিন্ন দোকানে ভেজাল, মেয়াদ না থাকা ও ভুয়া কোম্পানীর কীটনাশক বিক্রি করছেন। এমন অভিযোগ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কৃষি অফিসার সাইফুল্লার নেতৃত্বে ময়েজের দোকানে অভিযান দিয়ে এজাতীয় কীটনাশক জব্দ করেন। জব্দকৃত কীটনাশক ময়েজের দোকানের পশ্চিমে কৃষি জমিতে পুড়িয়ে দেন। তবে কিছু প্যাকেট পুড়েছে, বিষগুলো ওভাবেই আছে। ওই সময় ময়েজের দোকান বন্ধ ছিল।

    উৎসুক কৃষকরা জানান, ময়েজ যতদিন ধরে দোকান করছেন তার সবকিছুই ভেজাল। তিনি নিয়ামতপুর উপজেলার নাকোল গ্রামের বাসিন্দা, সে কিভাবে তানোর কৃষি অফিস থেকে বালাইনাশকের লাইসেন্স পান। মাদারিপুর বাজারের মত জায়গায় অন্তত ১৫-২০ টির মত বালাইনাশকের দোকান। সব দোকানে অভিযান দিলে অবশ্যই ভেজাল বের হবেই।

    কৃষি অফিসারকে ফোন দেওয়া হলে রিসিভ করে জানান, কীটনাশক জব্দ করে ঘটনাস্থলেই পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এবং ব্যবসায়ী ময়েজের দোকান বন্ধ করা হয়েছে। তিনি বালাইনাশকের ব্যবসা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও কঠোর হুশিয়ারি দেওয়া হয়েছে তাকে।

    মোঃ হায়দার আলী।।

  • রাজশাহীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

    রাজশাহীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান আ.লীগ থেকে বহিষ্কার

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী : দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী আক্তারুজ্জামান আক্তারকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আব্দুল ওয়াদুদ দারা এক যুক্ত বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন। বিবৃতিতে বলা হয়, রাজশাহী জেলার ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আখতারুজ্জামান আখতার কে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার নির্বাচন জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সিদ্ধান্ত অমান্য করায় তাকে গঠনতন্ত্রের ৪৭(১১) ধারা বলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, রাজশাহী জেলার পদ হতে বহিষ্কার করা হলো।

    পাশাপাশি যারা দলীয় প্রার্থীর বিরোধীতা করবেন তারা তদন্ত সাপেক্ষে মূল দল বা সহযোগী সংগঠন হতে বহিষ্কৃত হবেন। ঘুঘু তুমি বার বার ধান খেয়ে যাও এবার সরাসরি পড়েছে ধরা। আক্তারুজ্জামান আক্তার গোদাগাড়ী উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের তিন বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন, শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। তিনি বিভিন্ন সময় রাজশাহী ১ আসনের এমপি, সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরোধীতা করেছেন এবং মিডিয়ায় সরব ছিলেন। তিনি কথিত সেভেন স্টারের পরিচালনা করতেন। সরকার বিরোধী, আওয়ামীলীগের গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকলেও তিনি এতদিন ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলেন। তিনি ভিতরে ভিতরে কলকাঠি নাড়লেও এবার সরাসরি ধরা পড়েছেন । বহিস্কারের বিষয়টি রাজশাহী, গোদাগাড়ী টক অফ দ্যা টাউনে পরিনত হয়েছে। দেওপাড়া ইউনিয়নবাসীর সবার মুখে মুখে আলোচিত হচ্ছে। অনেকে খুশি হয়ে আনন্দ করছেন, মিষ্টি বিতরণ করছেন।

    আসন্ন রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোট চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এছাড়া ৯টি ওয়ার্ডে ৩৮ জন এবং তিনটি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। আগামী ১৭ অক্টোবর এই নির্বাচনে ভোট হবে।

    মোঃ হায়দার আলী
    রাজশাহী।

  • বানারীপাড়ায় ১৫ বছরের সংসার ছেড়ে দু’সন্তানের জননী পরকিয়া প্রেমিকের সাথে নতুন সংসারে

    বানারীপাড়ায় ১৫ বছরের সংসার ছেড়ে দু’সন্তানের জননী পরকিয়া প্রেমিকের সাথে নতুন সংসারে

    বানারীপাড়া(বরিশাল) সংবাদাতা।। বানারীপাড়ায় ১৫ বছরের সংসার ছেড়ে দু’সন্তানের জননী পরকিয়া প্রেমিকের সাথে অবশেষে নতুন সংসারে গেল।ঘটনাটি ঘটেছে বানারীপাড়া উপজেলার বলহার গ্রামে।

    ফ্রান্স ফেরত রুহুল আমিনের (আমিন) স্ত্রী আসমা আক্তার প্রমান করলো সন্তান নয় পৃথিবীতে পরকীয়া প্রেমিকই বড় এবং আপন। রুহুল আমিনের (আমিন) স্ত্রী আসমা আক্তারের দীর্ঘ (১৫ বছর) সংসার জীবনে রয়েছে তাদের দুইটি ফুটফুটে কন্যা সন্তান। বড় মেয়ে ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া সুমাইয়া তাবাসসুম ও ছোট মেয়ে সূরাইয়া আফরিন (৯)। এই সন্তানদের রেখে রুহুল আমীন প্রবাসে কষ্টার্জীত জীবন অতিবাহিত করছিল স্ত্রী ও সন্তানদের সুখের জন্য। রুহুল আমীনের আপন চাচাতো ভাই শামীমের সাথে এ সময় পরকীয়ায় জড়িয়ে পরে স্ত্রী আসমা আক্তার। এদের সম্পর্ক গভীর রুপ নিলে আমীনের স্ত্রী গোপনে স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে তার চাচাতো ভাই আসমার দেবর শামীমকে বিয়ে করেন। এই সংবাদ শুনেই আমিন ফ্রান্স থেকে দেশে ফিরেন। মেয়েদের মুখের দিকে মায়ের স্নেহ ভালবাসা থেকে যাতে বঞ্চিত না হয় সেই কথা ভেবে পুনরায় তিনি স্ত্রীকে ঘরে তুলেন। ভুলে যান পিছনের কষ্টের ঘটনা গুলি। আমীনের ঘরে সুখ শান্তি ফিরে আসে। সন্তানদের নিয়ে ভালোই দিন কাটছিল ।

    পুন:রায় ফ্রান্সে যাওয়ার সময় আসলে রুহুল আমিন ভবিষ্যৎ নিরাপত্ত্বার জন্য বানারীপাড়া থানায় বিষয়টি জানান। তার অনুপস্থিতিতে চাচাতো ভাই শামীম তার সুখের সংসারে কোন সমস্যা বা চির ধরানোর চেষ্টা করতে না পারে। অবশেষে ২৪ সেপ্টেম্বর শনিবার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ থানায় সভা সালিশ উপস্থিত থাকা কালীন হঠাৎ সবার সম্মুখে তার স্ত্রী আসমা রুহুল আমিনকে বলেন উনি আমার স্বামী না আমাকে জোর করে রেখেছেন । আমার স্বামী শামীম।
    শালিশ বৈঠকে উপস্থিত সবাই বিব্রত হলেন। যে স্ত্রী স্বামীর ঘর হতে বড় সন্তানকে সাথে নিয়ে স্বামীর সাথে থানায় আসলো। সে কিনা দেবরকে দেখেই সুর পাল্টে নিলো। বৈঠকে উপস্থিত সবাই আসমা বেগমকে অনুরোধ করলো সন্তানদের জন্য হলে ও রুহুল আমীনের সাথেই সংসার করার জন্য। কিন্তু আসমা কারো অনুরোধের তোয়াক্কা না করেই তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শামীমের হাত ধরেই চলে যান নিজের দুটি মেয়ে সন্তান রেখে। ৭ম শ্রেনী পড়ুয়া ছোট মেয়ের কান্নায় ঘটনাস্থলে থাকা উপস্থিত পুলিশ কর্মকর্তা এবং জনসাধারণের হৃদয়ে ব্যাধিত করে। এ সময় মায়ের ছেড়ে চলে যাওয়ায় মেয়েদের মুখে হতাশার চিত্র ফুটে উঠে।#

  • সিরাজগঞ্জে র‌্যাব-১২’র অভিযানে  ৬১ কেজি গাঁজা এবং ৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    সিরাজগঞ্জে র‌্যাব-১২’র অভিযানে ৬১ কেজি গাঁজা এবং ৪৭ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি

    র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরণের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। জঙ্গী, সন্ত্রাসী, সংঘবদ্ধ অপরাধী, ছিনতাইকারী, জুয়ারি, মাদক ব্যবসায়ী, খুন, এবং অপহরণসহ বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর মামলার আসামী গ্রেফতারে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান চালিয়ে আসছে।

    ১। ২৫/০৯/২০২২ তারিখ রাত ০৯.২৫ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র সদর এবং স্পেশাল কোম্পানীর চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা থানাধীন, দবিরগঞ্জ গ্রামের দবিরগঞ্জ বাজারস্থ চেয়ারম্যান সুপার মার্কেটের মেসাস্ করিম মন্ডল এন্টার প্রাইজ এর সামনে ঢাকা টু রাজশাহী গামী মহাসড়কের উপরে একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৬১(একষট্টি) কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে। এসময় মাদক ক্রয়-বিক্রয় এর কাজে ব্যবহৃত ০১ টি মাহিন্দ্রা পিকআপ জব্দ করা হয়।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ ১। তামিম ইকবাল নাসির(২২), পিতা-মোঃ আবুল বাসার, সাং-চিকনাগুল কোহাইগড় প্রথম খন্ড, থানা-জৈন্তাপুর, ২। মোঃ ফকর চৌধুরী(৪২), পিতা-মৃত মিজাজুর রহমান চৌধুরী, সাং-আমলসিধ, থানা-জকিগঞ্জ, উভয় জেলা-সিলেট, ৩। মোঃ রাকিব হোসেন(২০), পিতা-মোঃ আব্দুল হক পাটোয়ারি, সাং-দক্ষিণ বালিয়া, থানা-চাঁদপুর, জেলা-চাঁদপুর।

    ২। ২৬/০৯/২০২২ তারিখ রাত ০১.৩০ ঘটিকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১২’র স্পেশাল কোম্পানীর চৌকষ আভিযানিক দল সিরাজগঞ্জ জেলার সদর থানাধীন সায়দাবাদ ইউনিয়নের মুলিবাড়ী গ্রামস্থ মুলিবাড়ী চেক পোষ্টের সামনে সিরাজগঞ্জ হইতে ঢাকা গামী মহাসড়কের উপর একটি মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ৪৭(সাতচল্লিশ) বোতল ফেন্সিডিলসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে।

    গ্রেফতারকৃত আসামীঃ মোঃ জাকির হোসেন(৩২), পিতা-মৃত নূরুল ইসলাম, সাং-উত্তর গাঁও, থানা-রানী শংকৈল, জেলা-ঠাকুরগাঁও।

    গ্রেফতারকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করত উদ্ধারকৃত আলামতসহ তাহাদেরকে সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গা ও সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, এই মাদক ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন যাবত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে সিরাজগঞ্জ জেলাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় করে আসছিল।

    প্রেস সংক্রান্ত যে কোন তথ্যের জন্য ০১৭৭৭৭১১২৪৩ নাম্বারে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

    এ ধরণের মাদক উদ্ধার অভিযান সচল রেখে মাদকমুক্ত সোনার বাংলা গঠনে র‌্যাব-১২ বদ্ধপরিকর।

    র‌্যাব-১২ কে তথ্য দিন – মাদক , অস্ত্রধারী ও জঙ্গিমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে অংশ নিন।

    স্বাক্ষরিতঃ

    এম. রিফাত-বিন-আসাদ

    মেজর

    মিডিয়া অফিসার

    র‌্যাব-১২

    মোবা-০১৭৭৭-৭১১২৫৮

  • ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান-ভুয়া ডাক্তার দিয়ে চলে ফার্মেসী ও ক্লিনিক ব্যবসা

    ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান-ভুয়া ডাক্তার দিয়ে চলে ফার্মেসী ও ক্লিনিক ব্যবসা

    হেলাল শেখঃ রাজধানী ঢাকা ও সাভার আশুলিয়ায় ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ ও ভেজাল ওষুধ সেবন করে রোগীদের ভোগান্তি বাড়ছে-ভুয়া ডাক্তার দিয়ে চলে ফার্মেসী ও ক্লিনিক ব্যবসা।
    জানা গেছে, সূত্রমতে: দেশে প্রায় লক্ষাধিক ভুয়া ডাক্তার রয়েছে। নকল ও ভেজাল ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ মানুষের রোগ ভালো হচ্ছে না, বাড়ছে রোগীর রোগ নিয়ে জটিলতা। এর আগে ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তায় একটি ফার্মেসী দোকানে অভিযান চালিয়ে বিক্রয় নিষিদ্ধ ২২ ধরনের ভারতীয় ওষুধ জব্দ করেছেন ওষুধ প্রশাসনের একটি দল। কয়েকজন ভুয়া ডাক্তারকে র‌্যাব-৪ কর্তৃক গ্রেফতার করা হলেও অতি দ্রুত আদালত থেকে জামিনে এসে আবারও যা তাই রোগীদের সাথে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছে। রাস্তা-ঘাটে সবখানেই ওষুধের টেবিল ফেলে জমজমাটভাবে চলছে এসব ওষুধ ব্যবসা।
    জানা গেছে, ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান দিয়ে ভেজাল ও নি¤œমানের ওষুধ বিক্রি করে অনেকেই লাখ লাখ টাকার মালিক বনে গেছে। ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি সারাদেশেই। জানা গেছে, গত (১৩ অক্টোবর ২০২১ইং) দুপুর ২ টার দিকে আশুলিয়া থানাধীন জামগড়া চৌরাস্তা বাসস্ট্যা-ে সুফিয়া ফার্মেসিতে ওষুধ প্রশাসন কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, বিক্রয় নিষিদ্ধ ভারতীয় ওষুধ বিক্রির সময় অভিযান পরিচালনা করেন ঢাকার ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কর্মকর্তারা। এসময় সুফিয়া ফার্মেসিতে প্রবেশ করেন এবং দোকানের ভেতরে থাকা ২২ ধরনের নিধিদ্ধ ওষুধ জব্দ করা হয়। অভিযান শেষে সুফিয়া ফার্মেসির বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ওষুধ বিক্রির কারণ জানতে চেয়ে নোটিশ দিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন।
    সূত্র জানায়, এর আগে বিভিন্ন অনলাইন ও সংবাদপত্রসহ গণমাধ্যমে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়। অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ চেনা কঠিন, রাস্তার পাশে হাট-বাজারে নানারকম ওষুধ বিক্রি হওয়ায় সেই ওষুধ সেবন করে বেশিরভাগ রোগীদের রোগ মুক্তি না হয়ে বাড়ছে বিভিন্ন রোগ। ভুয়া ডাক্তার কর্তৃক চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করা হচ্ছে মানুষের সাথে। র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও জেলা-উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবং স্বাস্থ্য কর্মকর্তাগণ মাঝে মধ্যে ২-৪জন ওষুধ ব্যবসায়ীকে আটক ও ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করে জেল জরিমানা করলেও কোনো ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না তাদের প্রতারণা। পুরোপুরি ভাবে বন্ধ করা যাচ্ছে না চিকিৎসা সেবায় অনিয়ম দুর্নীতি। ভুয়া ডাক্তার ও ভেজাল ওষুধ দিয়ে অবাধে চলছে চিকিৎসা সেবার নামে নানারকম প্রতারণা।
    সূত্রমতে জানা গেছে, বাংলাদেশে ভুয়া ডাক্তারের সংখ্যা প্রায় লক্ষাধিক। তারা রাজধানীসহ সারাদেশের বিভাগ, জেলা ও উপজেলা এবং থানা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করছে। সেই সাথে অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ রোগীদের কাছে বিক্রি করে সংশ্লিষ্টরা অবৈধভাবে অর্র্থ কামিয়ে বাড়ি গাড়ি করছে, রাতারাতি কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যাচ্ছে।
    অন্যদিকে নামী দামি কোম্পানীগুলো ওষুধের গায়ে মূল্য লিখছেন না। ওষুধের গায়ে মূল্য না থাকায় কৌশলে দাম বেশি নিচ্ছেন অনেক দোকানদার। সেই সাথে নকল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার কারবার করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। এক কথায় চিকিৎসা সেবার নামে অনিয়ম দুর্নীতির কারণে সরকারের বদনাম হচ্ছে। ভেজাল ওষুধে মানবদেহে রোগ ভালো না হয়ে আরও খারাপ পরিণতি হচ্ছে। বেশিরভাগ ওষুধ সেবন করে রোগ ভালো হচ্ছে না। রাস্তা-ঘাটে ও মুদি দোকানেও ওষুধ বিক্রি করতে দেখা যায়। ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেও অনেকেই ডাক্তার সেজে ওষুধের দোকান খুলে বসে চিকিৎসা করছে। যাদের ওষুধ সম্পর্কে কোনো ধারণা নেই তারাও এখন কথিত ডাক্তার। এর কারণে চিকিৎসা সেবায় বেশি জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অনেকেই জানায়। শুধু সচেতনতার অভাবে মানুষের শরীর স্বাস্থ্য খারাপ হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
    ঢাকার ধামরাই ও সাভার-আশুলিয়ায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তিন থানায় প্রায় ১৫ হাজারের বেশি ওষুধের দোকান রয়েছে, তাদের অনেকেরই সঠিক কাগজপত্র নেই। অনেকের বৈধ কাগজপত্র থাকলেও তার মেয়াদ নেই। সেই সাথে ক্লিনিক ব্যবসায় বিভিন্ন টেস্টের নামে অবৈধ ভাবে ভোক্তাকে ঠকানো হচ্ছে। ব্যাঙের ছাতার মতো ওষুধের দোকান ও ক্লিনিক ব্যবসা জমজমাট ভাবে চলছে।
    র‌্যাব জানায়, ভুয়া চিকিৎসক নিজেকে ডাক্তার হিসেবে উল্লেখ করে আসে। রোগ বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি থাকার কথাও অনেক ব্যবস্থাপত্রে লিখেন এবং অনুমোদনহীন ভেজাল ওষুধ লিখে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে। ক্লিনিক ও হাসপাতালের সামনে ওষুধ কোম্পানির গাড়ী-মটরসাইকেল দেখলে মনে হয় সেখানে মটরসাইকেলের বাজার লেগেছে। এ বিষয়ে র‌্যাব ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন জানায়, উক্ত ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে। উক্ত ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভোক্তভোগী ও সচেতন মহল।
    রাজধানী ঢাকার ওষুধ প্রশাসনের সহকারী পরিচালক সৈকত কুমার বলেন, ভারতীয় নিষিদ্ধ ওষুধ জব্দ করাসহ নিয়মিত অভিযান চলছে। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভুয়া ডাক্তারদের গ্রেফতার করাসহ অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানায় ওষুধ প্রশাসন ও র‌্যাব।