Blog

  • ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পক্ষে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন ও অনুদানের নগদ অর্থ বিতরণ

    ময়মনসিংহে রওশন এরশাদের পক্ষে পুজা মন্ডপ পরিদর্শন ও অনুদানের নগদ অর্থ বিতরণ

    আরিফ রববানী ময়মনসিংহ।।
    বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা,ময়মনসিংহ সদর-৪ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য, ময়মনসিংহের মানবিক নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করে মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে বেগম রওশন এরশাদ এমপির অনুদান তুলে দিয়েছেন ময়মনসিংহ মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ কে, আর, ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম, জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন।

    মঙ্গলবার (৪অক্টোবর) জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ও সদর আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির নির্দেশনা মোতাবেক পুজার সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নগরীর বিভিন্ন পুজাঁ মন্ডপ পরিদর্শন করেন ময়মনসিংহ জেলা,মহানগর, উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। পূজা মন্ডপ পরিদর্শন শেষে তারা সদরের সংসদ সদস্য বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে আর্থিক অনুদানের নগদ অর্থ তুলে দেন।

    এ সময় মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক ডাঃ কে, আর, ইসলাম, সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম, জেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, ধর্ম যার যার উৎসব সবার। বর্তমানে সরকারের জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপি ধর্মের বৈষম্য দূর করে সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব নির্ভর দেশ গঠনে আন্তরিক। সেই লক্ষেই তিনি কাজ করে যাচ্ছেন,ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সকল শ্রেণির মানুষের আর্থসামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি ধর্মীয় সহিষ্ণুতার বার্তার মাধ্যমে সুখী ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে জাতীয় পার্টি বদ্ধপরিকর।

    আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সে কারণে সবাইকে বেগম রওশন এরশাদের হাত কে শক্তিশালী করতে লাঙ্গল মার্কায় ভোট দেওয়ার আহবান জানান নেতৃবৃন্দ।

    মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব আব্দুল আউয়াল সেলিম জানান- বেগম রওশন এরশাদ এমপির পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব শুভেচ্ছা উপহার হিসাবে এসব অনুদানের নগদ অর্থ মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। যারা এখনো পায়নি তাদেরকে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা উপজেলা প্রশাসন থেকে বরাদ্দকৃত অর্থ সংগ্রহ করার জন্য মন্ডপ কমিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান তিনি।

    নেতৃবৃন্দ এসময় জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ এমপির সুস্থতা ও সুস্বাস্থ্যের জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করেন।

    এসময় মহানগর জাতীয় পার্টির সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সদস্য মো. আব্বাস আলী তালুকদার, মাহাবুবুল আলম ভূঁইয়া, মির্জা আবু নাজির শামীম, মো. শহিদ আমিন রুমি, দেলোয়ার হোসেন কামাল চেয়ারম্যান,লাল মিয়া লাল্টু মো. আব্দুস সাত্তার সবুজ, ওয়াহিদুজ্জামান আরজু,মমিন রুবেল,
    মো. আফজাল হোসেন হারুন, মো. শাহজাহান, মো. ছাব্বির হোসেন বিল্লাল, মো. হাজী হারুন,
    জালাল উদ্দিন,মো. , মো. আবু বকর সিদ্দিকী, মো. ফজলুল হক, মো. শরীফ খান পাঠান মিল্টন, মো. মোশারফ হোসেন (শ্রমিক) মো. লিয়াকত হোসেন মেম্বার, প্রিন্স মো. দুলাল, শ্রী চন্দন পাল, মো. কাউসার আহমেদ, মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, লিটন মিয়া,জামাল হোসেন,রফিকিল ইসলাম রফিক,রনি সহ জেলা, মহানগর, সদর উপজেলা বিভিন্ন অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • বানারীপাড়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন  করেন এড: তালুকদার মোঃ ইউনুস

    বানারীপাড়ায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন এড: তালুকদার মোঃ ইউনুস

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি:

    বরিশালের বানারীপাড়ায়
    বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীরমুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট তালুকদার মোঃ ইউনুস বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বির্নিমাণে বদ্ধপরিকর। তাই শারদীয় দুর্গোৎসবে আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী সবাইকে সম্মিলিতভাবে শপথ নিতে হবে যে, সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত ও প্রতিরোধের পাশাপাশি বাংলার মাটি থেকে নির্মূল করার। শারদীয় দূর্গোৎসব উপলক্ষে গতকাল ৪অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমীতে বানারীপাড়া উপজেলার ইউনিয়ন ও পৌরসভার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে পরিদর্শন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন। এসময়ে সঙ্গে ছিলেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক ও বানারীপাড়া পৌরসভার মেয়র এডভোকেট সুভাষ চন্দ্র শীল, বানারীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম সালেহ মঞ্জু মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মাওলাদ হোসেন সানা। এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন সলিয়াবাকপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ সিদ্দিকুর রহমান মাস্টার,পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ শহিদুল ইসলাম, উদয়কাঠি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ স্বপন, শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের উজিরপুর উপজেলার সভাপতি কামরুল হাসান নাসিম মোল্লা, বানারীপাড়া উপজেলা সাধারণ সম্পাদক এনায়েত হোসেন মোল্লা, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল আউয়াল, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সুলতান হোসেন মীর, সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন মল্লিক, পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি আবুল কালাম সহ বানারীপাড়া উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি, সম্পাদক, সদস্য, নেতৃবৃন্দ,ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন।

    আব্দুল আউয়াল
    বানারীপাড়া(বরিশাল)প্রতিনিধি।

  • পাইকগাছায় দুর্গোৎসবে নির্বাহী কর্মকর্তা  মমতাজ বেগম  দম্পতি’র মন্দির পরিদর্শন

    পাইকগাছায় দুর্গোৎসবে নির্বাহী কর্মকর্তা মমতাজ বেগম দম্পতি’র মন্দির পরিদর্শন

    পাইকগাছা(খুলনা) প্রতিনিধি।।
    খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা সপ্তমীর সন্ধ্যায় পৌরসভার বাতিখালী সার্বজনীন পূজামন্দির পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম। পুজা মন্দিরের প্রতিমা দর্শন করে তিনি আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের স্বামী বি,এল, কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহ মোঃ আরিফ হোসেন,জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা অবঃ উপাধ্যক্ষ রমেন্দ্র নাথ সরকার,উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতা হেমেশ চন্দ্র মন্ডল, সন্তোষ কুমার সরকার,সাংবাদিক স্নেহেন্দু বিকাশ,মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম মন্ডল, সম্পাদক সাংবাদিক প্রমথ সানা, সাংবাদিক জি,এ গফুর,সাংস্কৃতিক কর্মী নিউটন রায়, পরেশ মন্ডল সহ অনেকে।

    প্রেরকঃ
    ইমদাদুল হক,
    পাইকগাছা,খুলনা।

  • পাইকগাছায় মারপিটে জামাইয়ের কান কামড়িয়ে কেটে নিল শ্বাশুড়ি -শ্বাশুড়ির হাত কামড়ালো জামাই

    পাইকগাছায় মারপিটে জামাইয়ের কান কামড়িয়ে কেটে নিল শ্বাশুড়ি -শ্বাশুড়ির হাত কামড়ালো জামাই

    ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,খুলনা।।
    পাইকগাছায় টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র মারপিটে জামাইয়ের কান ছিড়ে বিচ্ছিন্ন ও শ্বাশুড়ির হাতের শিরা কেটে জখমের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ আহত জামাই-শ্বাশুড়িকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠালে কর্তৃপক্ষ উন্নত চিকিৎসার জন্য দু’জনকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দিয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার বিকেলে গদাইপুর ইউপির চেঁচুয়া গ্রামে।
    চেঁচুয়া গ্রামের আছির উদ্দীনের ছেলে ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী আঃ কুদ্দুস (৩৫) গাজী জানান, ৬ নং কয়রার গ্রামে তার শ্বশুর বাড়ী। আমার শ্বাশুড়ি হাফিজা (৫০) টাকার জন্য বাড়ীতে এসে পিড়াপিড়ি করছিল। ইতোপুর্বে মেঝ শ্যালককে মামলা থেকে জামিনের জন্য ৩ হাজার টাকা ধার দিয়েছিলাম। বর্তমানে আরোও এক শ্যালক ভারতে আটক থাকায় শ্বাশুড়ি পুনরায় টাকা চায়। আমি টাকা দিতে অস্বীকার করায় ঝগড়া হলে রবিবার দুপুরে শ্বশুর মোছা মোড়ল আমার বাড়িতে আসে। বিকেলে পাইকগাছা থেকে বাড়ীতে প্রবেশের মুহুর্তেই টাকা নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সময় দু’জনের বাকবিতন্ডায় জেরে শ্বাশুড়ি জামাইয়ের বাম কানে কামড় দিয়ে নিছের অংশ ছিড়ে ফেলে জখম করেছেন। আর জামাই কান রক্ষা করতে গিয়ে শ্বাশুড়ির ডান হাতে কামড়ে জখম করেছেন। থানার এসআই কােেয়স জানান, মারপিটে আহত জামাই-শ্বাশুড়িকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান,একজনের কান ছিড়ে গেছে ও অপর জনের হাত কেটে জখম হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য দু’জনকে খুমেক হাসপাতালে ভর্তির জন্য বলা হয়েছে।

  • আশুলিয়ায় গরীব সুন্দরী নাজমা ধর্ষণ-হত্যা মামলার জটিলতাঃ নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

    আশুলিয়ায় গরীব সুন্দরী নাজমা ধর্ষণ-হত্যা মামলার জটিলতাঃ নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার

    হেলাল শেখঃ ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়ার উত্তর বেরণ এইচ পি টাওয়ার ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড শ্রমিক গরীব সুন্দরী নাজমা গণধর্ষণ-হত্যা মামলার আসামী সবাই আদালত থেকে জামিনে আসছেন। উক্ত নাজমা ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সাথে জড়িতরা নাজমার বাবাকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি প্রদান করায় নিরাপত্তাহীনতায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এদিকে আশুলিয়ায় কিশোর গ্যাং মাদক সন্ত্রাসী কর্তৃক ধর্ষণ, খুনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকান্ড বেড়েই চলেছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেন। ্উক্ত মামলার একজন আসামীর রহস্যজনক মূত্যু ও অন্য আসামীদের গ্রেফতার না করা এবং দুইজন আসামী আদলত থেকে জামিনে আছেন, পুরো বিষয়টি নিয়ে জটিলতা বাড়ছে।
    রবিবার (২ অক্টোবর ২০২২ইং উক্ত নিহত নাজমার বাবা হানিফ ওরফে নাজমুল জানান, আমার মেয়ে নাজমা’র গণধর্ষণ ও হত্যাকারীদের মধ্যে রিপন নামের একজনির মৃত্যু হলেও অন্য আসামীরা আদালত থেকে জামিনে আছে, নাজমাকে ৩-৪ জন বখাটে যুবক ধর্ষণ করে। আশুলিয়ার জামগড়ার রূপায়ন ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ির ভাড়াটিয়া, পাবনার সাঁথিয়ার আবু হানিফ ওরফে নাজমুল এর মেয়ে মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬) কে গণধর্ষণের ঘটনায় আশুলিয়া থানা মামলা না নেওয়ায় সে ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন। ভিকটিম নিহত হওয়ার পর পুলিশ মামলা রুজু করে। নাজমাকে গণধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধে আশুলিয়া থানায় মামলা করার পর মোঃ আব্দুর রহিম (২৬), ১নং আসামীকে জনতা কর্তৃক আটক করে থানা পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এরপর এ মামলার ২নং আসামী ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ থানার বিপিনগর গ্রামের আব্দুল লতিফ এর ছেলে মোঃ রিপন (৩৫) এর লাশ সাভারের বিরুলিয়া এলাকার একটি বাগান থেকে উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এরপর মামলার ৩নং আসামীকে র‌্যাব-১ এর বিশেষ একটি দল ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল টেকিংয়ের মাধ্যমে ছায়া তদন্ত করে আটক করেন। গ্রেফতারকৃত আসামী ফেনী জেলার সোনাগাজী আকিলপুরের মোঃ ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) কে গ্রেফতারের পর র‌্যাব তাকে আশুলিয়া থানায় সোপর্দ করেন।
    গত ৫ জানুয়ারি ২০১৯ইং ভিকটিম মাহফুজা আক্তার নাজমা (১৬), গণধর্ষণের শিকার হওয়ার পর (৬ জানুয়ারি ২০১৯ইং) নাজমা নিজে বাদী হয়ে প্রথমে আশুলিয়া থানায় মামলা করার জন্য একটি অভিযোগ দায়ের করেন। বিবরণঃ জীবিত নাজমা জানায়, জামগড়া রূপায়ন ১নং গেইট, রবিউল সরদারের বাড়ীতে মা বাবাসহ পরিবারের সবাইকে নিয়ে ভাড়া থেকে জামগড়া ইয়ার্গী বাংলাদেশ লিঃ পোশাক কারখানায় সুইং অপরেটার হিসাবে চাকুরি করতেন। নাজমার সম্পর্কে চাচা আব্দুর রহিম, রিপন, শিপনসহ তারা বিভিন্ন পদে এক সাথে কাজ করতেন একই পোশাক কারখানায়। প্রতিদিনের ন্যায় গত ০৫/০১/২০১৯ইং তারিখ সন্ধ্যা ৭টায় অফিস ছুটির পর চাচা আব্দুর রহিম (২৬) সহ আমি পায়ে হাটিয়া বাসায় যাওয়ার পথে আমাদের ফ্যাক্টরীর প্রায় ২০০গজ দুরে গলির রাস্তায় পৌছার পর অপরিচিত আরও ২জন বিবাদী তাদের নাম রানা ও শাকিলসহ ওদের সহায়তায় ১নং বিবাদী রিপন ও শিপন আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার পরিহিত কাপড় খুলিয়া আমাকে তারা ধর্ষণ করে। এ ঘটনার সাথে ৫ জন জড়িত বলে সে বেঁচে থাকা অবস্থায় জানায়।
    ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, ঘটনার দিনগত রাত ১২টার দিকে উক্ত বিবাদী রিপন, শিপনগণসহ ৫ জন নাজমাকে বলে এ ঘটনা যেন কাউকে না বলিস এই বলে হুমকি দিয়ে তারা ভিকটিমকে বাসায় পৌছাইয়া দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর সকালে আশুলিয়া থানায় গিয়ে মামলা করার জন্য অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা না নেওয়ায় আর বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় লোকলজ্জায় নাজমা ফাঁসি নিয়ে আত্মহত্যা করেন। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের দাবী-নাজমাকে নির্যাতন ও গণধর্ষণ করার পর অসুস্থ্য হয়ে পড়লে স্থানীয় আশুলিয়ার সরকার মার্কেট নারী ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্র হাসপাতালে তার নেয়া হলে সেখানে তার মৃত্যু হয়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় মামলা নং ১০/ তারিখঃ ০৭/০১/২০১৯ইং। ধারা: ৯(৩)/৩০, ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী ২০০৩: ধর্ষণ করিয়া হত্যা ও সহায়তা করার অপরাধ।
    উক্ত মামলার আসামী শিপন ও রহিম আদালত থেকে জামিনে আসছেন। এ মামলার ৩নং আসামী ইব্রাহিম খলিল শিপন (৩০) যিনি ইয়াগী বাংলাদেশ গার্মেন্টস লিমিটেড এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। মামলার ৩ জন আসামীর তথ্য পাওয়া গেলেও অন্য আরও দুইজন ব্যক্তি জড়িত ছিলো তারা আজও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়েছে, এদিকে থানায় ও আদালতে অন্য দুই আসামীর নাম প্রকাশ করেছেন রুহিম ও শিপন। প্রায় ৩ বছর ধরে এখন পর্যন্ত তাদেরকে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারেনি এবং এ মামলায় তাদের নামও নেই। নাজমা’র বয়স (১৬)-২বছর সুইং অপরেটার হিসেবে চাকুরি করেন। কাজ শিখে সুইং অপারেটার হতে আরও এক বছর সময় লাগছে। শিশু শ্রম আইনে পোশাক কারখানায় ১৮ বছরের কম কোনো শ্রমিক চাকরি করতে পারবেন না এমন নিয়ম রয়েছে। উক্ত ঘটনার বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থা আবার তদন্ত করলে হয়ত কেচু খুঁজতে গিয়ে সাপের সন্ধান পাওয়া যেতে পারে বলে শ্রমিকসহ সচেতন মহলের দাবী।
    আশুলিয়া থানার তদন্ত (ওসি) জিয়াউল গণমাধ্যমকে জানান, পোশাক কারখানার নারী শ্রমিক গণধর্ষণ ও হত্যার অপরাধে যে মামলাটি হয়েছে, সেই মামলার আসামী রহিম ও শিপন গ্রেফতার হয়েছে, আর রিপন এর লাশ উদ্ধার করে সাভার মডেল থানা পুলিশ। এ মামলাটি আদালতে বিচার চলমান রয়েছে।

  • ৭ তারিখ থেকে বন্ধ হচ্ছে ইলিশ ধরা, বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী

    ৭ তারিখ থেকে বন্ধ হচ্ছে ইলিশ ধরা, বাজারে দাম ঊর্ধ্বমুখী

    রফিকুল ইসলাম. রাঙ্গাবালী পটুয়াখালীঃ
    মা-ইলিশের প্রজনন নিরাপদ করার লক্ষ্যে আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারা দেশে ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে। এই সময়ে ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এমন ঘোষণায় বাজারে চাহিদা বেড়েছে ইলিশের। ছোট থেকে বড় সব আকারের মাছের দামও বেড়েছে।

    সোমবার উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে ২০০ গ্রাম থেকে প্রায় ২ কেজি ওজনের ইলিশ মাছ রয়েছে। দাম ৪০০ থেকে ১৮০০ টাকার মধ্যে। নিষেধাজ্ঞাকে সামনে রেখে বাজারে আকার ভেদে কেজি প্রতি ইলিশের দাম বেড়েছে ৫০-১০০ টাকা।

    পাইকারি বিক্রেতারা জানিয়েছেন, আর কয়েকদিন পরই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। তাই বাজারে মাছের সরবরাহ বেশি। কিন্তু হঠাৎ করেই আজ ৫০-১০০ টাকা দাম বেড়েছে। গতকালও যে মাছ ৮০০ টাকা ছিল, সেটি আজ ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সামনে আরও দাম বাড়তে পারে। বর্তমান বাজারে চরমোন্তাজ ও মৌডুবি এলাকার মাছ বেশি আসছে।

    ব্যবসায়ী তালেফ খলিফা বলেন, আর মাত্র ৩ দিন কেনা-বেচা হবে। বর্তমানে মাছের অফুরন্ত সরবরাহ রয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার কারণে হঠাৎ করেই দাম কিছুটা বেড়েছে। সামনের কয়েকদিন আরও বাড়তে পারে।

    তিনি বলেন, বাজারে ক্রেতার সংখ্যাও অনেক। যারা সাপ্তাহিক বাজারে এসেছেন, তারা অন্তত ৫ কেজি পরিমাণ মাছ কিনছেন। কেউ কেউ আরও বেশি নিচ্ছেন।

    বাজারের আসা ক্রেতা জাহাঙ্গীর হোসাইন বলেন, সকাল থেকে ক-একটি বাজার ঘুরে এখানে এসেছি। ওইসব বাজারে দেড় কেজির বেশি ওজনের মাছের দাম চেয়েছে ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা। কিন্তু পাইকারি বাজারে এসে দেখলাম দাম কিছুটা কম। তবে একেবারেই যে কম, তা নয়।

    রাঙ্গাবালীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ২০০ থেকে সাড়ে ৩০০ গ্রাম ওজনের মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা, ৫০০ গ্রামের অধিক ওজনের মাছের কেজি ৬৫০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছের কেজি ৯০০ টাকা, ৮০০ থেকে ১ কেজি ওজনের মাছের কেজি ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকা।

    এছাড়া, ১ কেজির বেশি ওজনের মাছের কেজি ১৩০০ থেকে ১৪০০ টাকা। দেড় থেকে ২ কেজি ওজনের মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকায়।

    অবরোধ কেমন হবে এ-বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক বাবুল বলেন, ইলিশ সম্পদ রক্ষায় অতীতের মতো এবারও কঠোর ভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে। যদি কেউ অবৈধ ভাবে মাছ ধরে বা বাজার যাত করে তাহলে এসব অসাধু ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবে না। ইলিশ সম্পদ ধ্বংসকারী দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিনে অভিযানের পাশাপাশি এবার রাতেও অভিযান জোরদার করা হবে।

    তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন গুলোর বরফ কল বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। গত বছরের মতো এবারও অবৈধ জাল উৎপাদনস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ পথে ইলিশ পাচার রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইলিশ সম্পৃক্ত ইউনিয়ন গুলোর নদীতে ড্রেজিং বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে যা যা করা দরকার তার সবই করা হবে।

    রফিকুল ইসলাম
    রাঙ্গাবালী পটুয়াখালী সংবাদদাতা।

  • সংসদ সদস্য আসার পর আদিবাসীদের রাস্তায় বাঁশের বেড়া ও  জনদুর্ভোগ

    সংসদ সদস্য আসার পর আদিবাসীদের রাস্তায় বাঁশের বেড়া ও জনদুর্ভোগ

    নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহীঃ রাজশাহীর তানোর উপজেলার মুন্ডুমালা পৌর এলাকার চুনিয়াপাড়া গ্রামের পুর্বপাড়ায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের চলাচলের একমাত্র রাস্তা কাউন্সিলর বাবলু ও মেয়র সাইদুরের নির্দেশে সন্ত্রাসী কায়দায় বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আদিবাসি পল্লীর পক্ষে গত ২৭ সেপ্টেম্বরে তারিখে স্বপন তির্কী উপজেলা নির্বাহীর নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন।

    লিখিত অভিযোগে সাইদুর ও তার ভাই ময়েনকে বিবাদী করা হয়েছে। বেড়া দেওয়ায় এলাকার মানুষ চলাচল করতে পারছেনা। অথচ সম্প্রতি ওই আদিবাসী পল্লীতে কারাম উৎসবে স্থানীয় সংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী যান। ওই সময় তারা মাটির রাস্তাটি পাঁকা করার দাবি তুলেন। এর প্রেক্ষিতে এমপি প্রতিশ্রুতি দেন এবং রাস্তার মাপজোগও করা হয়। কিন্তু মেয়র সাইদুর ও ওই ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র বাবলুর নির্দেশে পুরো রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে ফেলেছেন।

    ১৫ দিন থেকে ঘর বন্ধি জীবন যাপন করছেন ওই পল্লীর লোকজন। জানা গেছে, গত মাসে উপজেলার চুনিয়াপাড়া গ্রামের পুর্বপাড়ায় আদিবাসি পল্লীতে কারাম উৎসবে আসেন সংসদ ফারুক চৌধুরী। পল্লীতে যেতে গাড়ী নিয়ে যেতে পারেন নি । রাস্তার এমন করুন অবস্থা দেখে এবং আদিবাসী পল্লীর জনসাধারনের চলাচলের মাটির রাস্তাটি পাঁকা করে দেওয়ার নির্দেশ দেন ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি। সে মোতাবেক রাস্তাটি মাপজোগ করা হয়। তারপরেই চুনিয়াপাড়া গ্রামের ময়েন ও তার ভাই আতাউর বাহিনী সন্ত্রাসী কায়দায় পুরো রাস্তা বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘিরে দেন।

    রোববার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, মুন্ডুমালা পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড চুনিয়াপাড়া গ্রামের পুর্বপাড়া সরকারী কবরস্থান পার হলেই আদিবাসি পল্লী। সেখানে যুগযুগ ধরে বসবাস করছেন প্রায় অর্ধশতাধিক পরিবার। তাদের পাড়ায় যেতে হত সরুরাস্তা বা আইল দিয়ে। কিন্তু মুন্ডুমালা পৌরসভার প্রথম মেয়র প্রয়াত বিএনপি নেতা শীশ মোহাম্মাদ কবরস্থান সংলগ্ন জমির মাটি কেঁটে যাতায়াতার রাস্তা করে দেন। এরপর আর কোন কাজ হয়নি।

    সেখানে যাওয়া মাত্রই ছুটে আসেন আদিবাসী পল্লীর বয়োজ্যেষ্ঠ মহিলা পুরুষসহ অনেকে । এসেই বলা শুরু করেন দীর্ঘ ১৫ দিন ধরে চরম কষ্টে দিন পার করছি। রাস্তাটি কি কারনে বাঁশের বেড়া দিয়েছে, জানতে চাইলে তারা জানান গত মাসে কারাম উৎসবে এমপি এসে রাস্তা করার নির্দেশ দেন। সে অনুযায়ী মাপজোক করার পরেই চুনিয়াপাড়া গ্রামের মৃত গোবরার পুত্র এলাকার ময়েন ও তার ভাই সাইদুর বাহিনী বাঁশের খুঁটি দিয়ে এমন ভাবে মজবুত করে ঘিরেছে কোনভাবেই চলাচল করা যায় না এবং বেড়া ভাঙ্গা হলে আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এজন্য আমরা ভয়ে কিছু করতে পারছিনা।

    এব্যপারে মেয়র সাইদুরকে ফোন দেওয়া হলে তিনি জানান, আমি এঘটনা জানিনা, রাস্তায় বেড়া দেওয়ার কোন অধিকার নেই, আমি দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পংকজ চন্দ্র দেবনাথের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি ছুটিতে বাড়িতে এসেছি, তারপরও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।

    মোঃ হায়দার আলী,
    রাজশাহী।

  • নড়াইলে হিন্দু ধর্মবলম্বীদের শারদীয় দূর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী  ও কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত

    নড়াইলে হিন্দু ধর্মবলম্বীদের শারদীয় দূর্গোৎসবের মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে হিন্দু ধর্মবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দূর্গোৎসবের
    মহাঅষ্টমী পূজাঁ ও কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ বছর জেলায় ৫৮৩ টি
    দূর্গাপূজাঁ অনুষ্ঠিত হচ্ছে । আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, সোমবার মহাঅষ্টমি, এই অষ্টমিতে অশুর
    নিধনের জন্য কিশোরীকে কুমারী সাজিয়ে পূজাঁ করা হয়। নড়াইল রামকৃষ্ণ আশ্রম
    ও রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজাঁ অনুষ্ঠিত হয়। অশুর বধের জন্য এই দিনে দেবী
    দূর্গা কুমারী রূপ ধারন করে অশুররূপী শত্রু নিধনে মত্ত হন। সেই থেকে
    সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু সম্প্রদায় মহাঅষ্টমিতে কুমারী পূজাঁ করে আসছে।
    তাই মহাঅষ্টমিতে কিশোরীকে মাতৃরুপে কুমারী সাজিয়ে মন্দিরে মন্দিরে চলে
    পূজাঁ অর্চনা ও দেবীর আরাধনা।

  • নড়াইলে ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পুজা

    নড়াইলে ধর্মীয় সম্প্রীতির উজ্জ্বল নিদর্শন একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পুজা

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:

    নড়াইলে একই স্থানে মসজিদ-মন্দির নির্বিঘ্নে চলছে নামাজ ও পুজা ধর্মীয় সম্প্রীতির এমন উজ্জ্বল নিদর্শন রয়েছে চিত্রার নদীর পাড়ে নড়াইল পৌরসভার মহিষখোলা এলাকায়। প্রায় চার দশক ধরে হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ পরষ্পরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে তাদের ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করছে। ঐহিত্য মেনে সেই উৎসবে সামিলও হচ্ছেন সবাই। ছোট্ট একটি মাঠের একপাশে মসজিদ আর অন্যপাশে মন্দির। আমাদের নড়াইল জেলা প্রতিনিধি উজ্জ্বল রায়, জানান, সময় হলে কেউ যাচ্ছেন নামাজে, আর কেউ যাচ্ছেন দেবী দর্শনে। স্বাধীনভাবে যার যার ধর্ম পালন করছেন সবাই চলছেন সম্প্রতি রক্ষা করে।
    স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, এক সময় নড়াইলের পুরান সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয়টি মহিষখোলায় ছিল। সেই কার্যালয়ের পাশেই ১৯৭৪ সালে মহিষখোলা পুরাতন সাব রেজিস্ট্রি অফিস জামে মসজিদ নামের এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠিত হয়। পরে ১৯৯২ সালে নতুন করে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আর ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয় মহিষখোলা সার্বজনীয় পূজা মন্দির। নিজস্ব জায়গায় মন্দিরটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
    সরোজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চিত্র নদীর পাড়ে একটি ছোট্ট মাঠে মধ্যে তিনটি স্থাপনা রয়েছে। মাঠের পশ্চিম পাশে মসজিদ, আর উত্তর পাশে রয়েছে মন্দিরটি। মন্দিরটি উত্তর-দক্ষিণমুখী। মন্দির থেকে একটু সামনে এগোলেই রয়েছে শরীফ আব্দুল হাকিম ও নড়াইল এক্সপ্রেস হাসপাতাল। আর মাঠের দক্ষিণ পাশে রয়েছে একটি রাস্তা।
    মন্দিরে পূজা দেখতে আসা লোহাগড়ার হৃদয় দাস বলেন, আমি আগেই এখানকার কথা শুনেছিলাম। একই জায়াগায় পাশাপাশি মন্দির ও মসজিদে যে যার ধর্ম পালন করে। এটা দেখে বেশ ভালো লাগলো। সবাই এ রকম মিলেমিশে থাকলে তো ধর্ম নিয়ে কোনো ঝগড়াঝাটি আর থাকত না।
    ওই এলাকার কয়েকজন স্থায়ী বাসিন্দাদের সাথে কথা হলে তারা বলেন শান্তিপূর্ণভাবে আমরা হিন্দু-মুসলিম একই পরিবারের সদস্য হিসেবে এলাকায় বসবাস করে আসছি। আমাদের এলাকায় কখনও ধর্ম নিয়ে কোনো বিরোধে আমরা লিপ্ত হইনি। এই এলাকার মানুষ মনেপ্রাণে অসাম্প্রদায়িক। প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধর্ম পালনের পাশাপাশি অন্য ধর্মের প্রতিও শ্রদ্ধাশীল।
    মহিষখোলা সার্বজনীন পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি সুমন দাস বলেন, এই এলাকায় মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি হলেও কখনোই আমাদের পূজা-অর্চনা করতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হই না। আমরা সবাই মিলেমিশে এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি। তিনি আরও বলেন, পূজা উদযাপনের সময় সরকারিভাবে ৫০০ কেজি চাউল পাই। নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজা তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহযোগিতা করেন। তবে বেশিরভাগ খরচের ব্যবস্থা আমরা নিজেরাই করে থাকি।
    মহিষখোলা পুরাতন সাব রেজিস্ট্রি কার্যালয় জামে মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান বলেন,আমরা মন্দির কমিটিকে আমাদের নামাজের সময়সূচি দিয়েছি। নামাজের সময় মন্দির কমিটি তাদের কাজক্রম সীমিত রাখেন। নামাজ শেষ হলে স্বাভাবিক নিয়মেই পূজা-অর্চনার কাজ চলে। এ নিয়ে কোনো দ্বন্দ্ব-সংঘাত হয়নি। আমরা সবাই মিলেমিলে একসঙ্গেই বসবাস করছি।
    নড়াইল জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি অশোক কুমার কুণ্ডু বলেন, এ বছর জেলার তিনটি উপজেলার ৫৮২টি মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। আশা করছি, প্রতি বছরের মতো এ বছরও নড়াইলে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হবে।

    উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি।

  • মানবসেবায় অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন পটিয়ার ড. জুলকারনাইন চৌধুরী

    মানবসেবায় অবদান রাখায় সম্মাননা পেলেন পটিয়ার ড. জুলকারনাইন চৌধুরী

    মহিউদ্দীন চৌধুরী,ষ্টাফ রিপোর্টারঃ
    মানবসেবায় অবদান রাখায় সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছেন পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান ও আমেরিকা প্রবাসী ড. জুলকারনাইন চৌধুরী।

    সোমবার রাতে পটিয়া উপজেলার কুসুমপুরা ইউনিয়নের শাপলা সংঘের উদ্যাগে সার্বজনীন শারদীয় দুর্গাৎসবে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। এটি গ্রহণ করেন নজীর আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের উপদেষ্টা ও কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম। শাপলা সংঘের সভাপতি ডাঃ টিটু কুমার নাথের সভাপতিত্বে ও সঞ্চয় কুমার নাথের পরিচালনায় এতে উদ্বোধক ছিলেন- কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বার রৌশন আরা রুজি। প্রধান অতিথি ছিলেন কুসুমপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকারিয়া ডালিম। প্রধান বক্তা ছিলেন ইউপি মেম্বার আলহাজ্ব খোরশেদ আলম।
    আলোচনা সভা শেষে নজীর আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ড. জুলকারনাইন চৌধুরীর পক্ষে অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ী ও লুঙি বিতরন করা হয়।

    সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদানকালে নেতৃবৃন্দ বলেন- নজীর আহমদ দোভাষ ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মানুষের পক্ষে কাজ করছে। তাদের এ ধরনের কাজ খুবই প্রশংসনীয় একটি কাজ। মানবতার কল্যাণে ড. জুলকারনাইন চৌধুরীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।